Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩১. পশুর শিরশ্চেদ

    অধ্যায় ৩১. পশুর শিরশ্চেদ

    মধ্যযুগে ইউরোপে রানি হওয়া বেশ বিপজ্জনক একটি ব্যাপার ছিল। সেই সময় রানির ভূমিকা ছিল বিভিন্ন জাতির সাথে জোট বাঁধতে সহায়তা করা আর এমন সব মানুষের সন্তান ধারণ করা, যে-ব্যক্তিরা সাধারণত তাকে ভালোবাসতেন না। এমনই পরিস্থিতি ছিল ক্যাথেরিন অব আরাগনেরও, যিনি অষ্টম হেনরির প্রথম স্ত্রী ছিলেন। তবে তিনি অন্তত তার নিজের বিছানায় শুয়ে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করতে পেরেছিলেন। অষ্টম হেনরির বোনের নাতনি মেরি কুইন অব স্কট মারা গিয়েছিলেন জল্লাদের কুঠারের আঘাতে, তার সময়ে ধর্মীয় সহিংসতার একজন শিকার। রাজা পঞ্চম জেমস ও তার ফরাসি স্ত্রী মেরি অব গিসের কন্যা মেরি ১৫৪২ সালে স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার জীবনে হারাবার পর্বটি বেশ আগেই শুরু হয়েছিল। তার জন্মের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তার বাবা মারা গিয়েছিলেন। এবং তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে স্কটল্যান্ডের রানি হয়েছিলেন। তবে তার বয়স যখন পাঁচ, তাকে ফ্রান্সে থাকার জন্যে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে পনেরো বছর বয়সে ফরাসি সিংহাসনের উত্তরাধিকারী চৌদ্দবছরের ফ্রান্সিসের সাথে তার বিয়ে হয়েছিল।

    তার শ্বশুর, ফরাসি রাজা দ্বিতীয় হেনরি, তার পিতার ভূমিকা নিয়েছিলেন, নিজের পিতার সাথে যার কখনোই পরিচয় হয়নি। মেরি নিজেকে শিক্ষিত করে তুলতে কঠোর পরিশ্রম করেছিলেন। তিনি পশুপ্রেমী ছিলেন, বিশেষ করে কুকুর ভালোবাসতেন। ফ্রান্সে তিনি বেশ সুরক্ষিত আর স্বাচ্ছন্দ্যের একটি জীবন কাটাচ্ছিলেন। কিন্তু তার হারাবার পর্ব আবার শুরু হয়েছিল। ১৫৫৯ খ্রিস্টাব্দে তার শ্বশুর মারা যান, এবং তার স্বামী রাজা দ্বিতীয় ফ্রান্সিস নামে সিংহাসনে আরোহণ করার মাধ্যমে তিনি ফরাসিদের রানি হয়েছিলেন। এর একবছর পর তার মা, স্কটল্যান্ডের কুইন রিজেন্ট মৃত্যুবরণ করেন, আর তার ছয় মাস পরেই তার স্বামী ফ্রান্সিস পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। আঠারো বছর বয়সে মেরি অল্প কয়েক মাসের ব্যবধানে প্রথমে অনাথ এবং পরে বিধবা হয়েছিলেন। শৈশবে দীক্ষা পাওয়া তার ক্যাথলিক বিশ্বাস তাকে তার দুঃখের সময় আশা নিয়ে বাঁচতে সাহায্য করেছিল। এবং সেই বিশ্বাসটি তিনি তার সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন, যখন রানি হিসাবে তাকে স্কটল্যান্ডে ফিরে আসতে আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু যে বছরগুলোয় তিনি স্কটল্যান্ড থেকে দূরে ছিলেন, সেই সময়ে স্কটল্যান্ড একটি প্রটেস্টান্ট রাজ্যে রূপান্তরিত হয়েছিল। এর ক্যাথলিক রানির সাথে তাহলে এর প্রজাদের আচরণ কেমন হতে পারে?

    ১৫৬১ খ্রিস্টাব্দের ১৯ আগস্ট, তিনি তার জন্মভূমিতে ফিরে এসেছিলেন। যখন তিনি এডিনবরায় রয়াল মাইলের পাদদেশে তার প্রাসাদে প্রথম রাত কাটাতে প্রস্তুত হচ্ছিলেন, জানালা দিয়ে বাইরে থেকে ভেসে আসা একটি গান তিনি শুনতে পেয়েছিলেন। স্কটল্যান্ডের লোকগীতি গেয়ে অবশ্য সেখানে কেউ তাকে স্বাগত জানাতে আসেননি। সেই গানটি গাইছিলেন বিক্ষোভকারীদের একটি দল, যারা তাকে স্কটল্যান্ডের নতুন প্রার্থনা সংগীত সম্বন্ধে সতর্ক করে দিচ্ছিলেন। বিচার বিবেচনা করে খুব সতর্কতার সাথে পদক্ষেপ নিন, এটাই ছিল বার্তা, স্কটল্যান্ডের পুরানো মিত্র ফ্রান্স এখনো ক্যাথলিক হতে পারে ঠিকই কিন্তু স্কটল্যান্ড এখন প্রটেস্টান্ট। সুতরাং খুব সতর্ক থাকুন, পোপবাদী রানি! এটি একটি অশুভ সংকেত ছিল। কোনো সন্দেহ নেই তরুণী রানির জন্যে ভবিষ্যতে আরো সমস্যা অপেক্ষা করছিল। এই গায়কদের নেতা ছিলেন দীর্ঘ দাড়িসহ খর্বকায় একজন ব্যক্তি, আর তার নাম ছিল জন নক্স।

    রিফরমেশন আন্দোলন স্কটল্যান্ডে এসেছিল খানিকটা বিলম্বে। এটি শুরু হয়েছিল যখন প্যাট্রিক হ্যাঁমিলটন নামের একজন তরুণ প্রটেস্টান্ট ধারণাগুলো ইউরোপ থেকে তার সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলেন, যেখানে তিনি পড়াশুনা করতে গিয়েছিলেন। আপনি এখনো সেই জায়গাটি সেইন্ট অ্যানড্রিউজে গিয়ে দেখতে পারবেন, যেখানে ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে তার বিশ্বাসের জন্যে ক্যাথলিক চার্চ তাকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করেছিল। এই মৃত্যুদণ্ডটি কার্যকর করার অব্যবস্থাপনার কারণে ছয় ঘণ্টা তীব্র যন্ত্রণা সহ্য করে তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল। কিন্তু সেইন্ট অ্যানড্রিউজের পরবর্তী শিকার জর্জ উইশার্ট, যার মৃত্যু সেই আগুনটি প্রজ্বলিত করেছিল, যা অবশেষে স্কটল্যান্ডের ক্যাথলিক চার্চকে ধ্বংস করেছিল। উইশার্ট খুবই দয়ালু আর জনদরদী মানুষ ছিলেন, যিনি তার বিছানার চাদর অবধি ক্যামব্রিজের গরিবদের দান করে দিয়েছিলেন, যখন তিনি সেখানে ছাত্র ছিলেন।

    কিন্তু তার এই মহত্ব চার্চকে বিন্দুমাত্র বিচলিত করেনি, যখন তাকে প্রটেস্টান্টবাদ সমর্থন করার কারণে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এবং ১৫৪৬ খ্রিস্টাব্দে তাকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। কার্ডিনাল বিটন, স্কটল্যান্ডের তকালীন চার্চপ্রধান, সেইন্ট অ্যানড্রিউজ দুর্গের জানালা দিয়ে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা দেখেছিলেন। হয়তো তিনি এমন শাস্তির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখছিলেন। এবার তারা নিশ্চিত করেছিলেন যেন কোনো সমস্যা না হয়। তারা উইশার্টের পকেটে বারুদ খুঁজে দিয়েছিলেন যেন তিনি দ্রুত পুড়ে মারা যান।

    উইশার্টের মৃত্যুর কয়েক মাস পরে একদল প্রটেস্টান্ট সেইন্ট অ্যানড্রিউজ দুর্গ আক্রমণ করেছিলেন এবং প্রতিশোধ হিসাবে কার্ডিনাল বিটনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছিলেন। অন্যরাও তাদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন এবং সেখানে তারা নিজেদের অবরোধ করে রেখেছিলেন। তাদেরই একজন ছিলেন জন নক্স। যার সাথে আমাদের দেখা হয়েছে এডিনবরায় রানির জানালার বাইরে। তিনি নিজেই একজন প্রাক্তন ক্যাথলিক যাজক ছিলেন, জর্জ উইশার্টের প্রটেস্টান্টবাদ যাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।

    নক্স বাইবেল পড়েছিলেন অনেক পরে, বিশেষ করে এর দুটি বই দৈনিক পত্রিকার শিরোনামের মতো তার উদ্দেশ্য চিৎকার করে কিছু সত্য জানিয়েছিল। ওল্ড টেস্টামেন্টে ডানিয়েল এবং নিউ টেস্টামেন্টের শেষ বই রিভিলেশন। ১৬৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ইজরায়েলের রাজা অ্যান্টিওকাস পরিচালিত নির্যাতনকালীন সময়ে ‘ডানিয়েল’ লেখা হয়েছিল। আর রিভিলেশন’ লেখা হয়েছিল প্রথম শতাব্দীতে সম্রাট ডমিশিয়ান যখন সদ্যজাত খ্রিস্টীয় চার্চ এবং খ্রিস্টানদের ওপর তার দমননীতি পরিচালনা করছিলেন। দুটো বইই সাংকেতিক ভাষায় লেখা হয়েছিল যেন শুধুমাত্র নির্যাতিতরাই সেটি বুঝতে পারতেন, যা তাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে অবিচল থাকতে শক্তি জুগিয়েছে। পরিস্থিতি খুবই খারাপ, কিন্তু এটি ভোর হবার আগের সেই অন্ধকার, একটি মহাযুদ্ধের শেষ যুদ্ধ, যেখানে তারা জয়লাভ করবেন। তার সন্তানদের নিশ্চিহ্ন করতে আসা সেই পশুটির অত্যাচার থেকে পৃথিবীকে মুক্ত করতে ঈশ্বর শীঘ্রই আসছেন। নক্স তীব্রভাবেই আন্দোলিত হয়েছিলেন এই বইগুলো পাঠ করে। তবে তিনি অনুভব করেছিলেন, এই বইগুলো আসলে অতীত নিয়ে নয়। এই বইগুলো বর্তমানে স্কটল্যান্ডে যা ঘটছে সেই বিষয়েই যেন কথা বলছে। ক্যাথলিক চার্চ ছিল রাজা অ্যান্টিওকাস! এটি ছিল সম্রাট ডমিশিয়ান। আর কাজটি ছিল ক্যাথলিক চার্চকে সংস্কার নয় বরং এটিকে ধ্বংস করা এবং পুরোপুরিভাবে ভিন্নকিছু দিয়ে সেটি প্রতিস্থাপন করা।

    সেইন্ট অ্যানড্রিউজে তার একটি বক্তৃতায় তিনি ডানিয়েলের সাংকেতিক বাক্যের উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন :

    এই রাজ্যের দশটি শিং হচ্ছে দশজন রাজা যাদের আবির্ভাব হবে : এবং তাদের পরে আরো একজনের উত্থান হবে … এবং তিনি সর্বোচ্চ সত্তার বিরুদ্ধে অনেক বড় বড় কথা বলবেন, এবং সর্বোচ্চ সত্তার সব সাধুদের নিঃশেষ করবেন এবং তার হাতেই সব ক্ষমতা দেওয়া হবে সাড়ে তিন বছরের জন্য।

    এমন কিছুই কি তাদের সাথে ঘটছে না এখনই, যখন তিনি কথা বলছেন? এরপর তিনি রিভিলেশনের সেই পশুর প্রসঙ্গে আসেন।

    আমি সেই পশুকে দেখেছি, এই পৃথিবীর রাজা ও তাদের সেনাদলদের… এবং সেই পশুকে পরাজিত করা হয়েছে, তার সাথে মিথ্যা নবীও, যিনি তাদের সামনে অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছিলেন। এই দুজনকেই জীবন্ত নিক্ষেপ করা হয়েছে জ্বলন্ত গন্ধকের আগুনের হ্রদে…।

    নক্সের জন্যে, এটি ইজরায়েলের মৃত অতীতের কোনো বিষয় ছিল না। এটি বর্তমানের সেইন্ট অ্যানড্রিউজ-সংক্রান্ত। স্কটল্যান্ডের উপর শেষবিচারের দিন আসন্ন। সবাইকে এই যুদ্ধে কোনো একটি পক্ষ বেছে নিতে হবে। এখানে কোনো সমঝোতা হতে পারে না। আপনি হয় ঈশ্বরের সাথে, নয়তো সেই ক্যাথলিক পশুর পক্ষে, যা তার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে আছে। কোনো মধ্যপথ নেই, না মিডডিস’, যেভাবে নক্স শব্দটি প্রকাশ করেছিলেন, তার স্কটভাষায়। এভাবেই প্রথম আমরা নক্সের কণ্ঠস্বর শুনতে পাই। কিন্তু এটি হয়তো শেষবারের মতো।

    ১৫৪৭ খ্রিস্টাব্দে যখন এইসব কিছু ঘটছিল, স্কটল্যান্ড তখনো একটি ক্যাথলিক দেশ ছিল। এটি শাসন করতেন একজন কুইন রিজেন্ট বা রানির প্রতিনিধি, মেরি অব গিস, মেরি কুইন অব স্কটের মা। তিনি তার কন্যার সিংহাসনে আরোহণ করার ক্ষেত্রে একটি হুমকি হিসাবেই প্রটেস্টান্ট-সংস্কারবাদীদের দেখেছিলেন। সুতরাং এই প্রয়োজনের মুহূর্তে তিনি ফরাসিদের সহায়তা চেয়েছিলেন। তারা জাহাজ ও সেনাদল নিয়ে হাজির হয়েছিলেন এবং সেইন্ট অ্যানড্রিউজে অবরোধ অবসান ঘটিয়েছিল। নক্সকে গ্রেফতার করা হয় এবং দুই বছরের জন্যে ফরাসি গ্যালিতে সশ্রম দণ্ড দেওয়া হয়। গ্যালি ছিল প্রায় ১৫০ ফুট দীর্ঘ আর ৩০ ফুট প্রশস্ত জাহাজ। এই নৌকাগুলোয় পাল ছিল, কিন্তু যখন বাতাস থাকত না তখন তাদের ভরসা করতে হত দাঁড়িদের ওপর। দুই পাশে ছয়জন করে দাঁড়ি থাকত, যাদের বৈঠার সাথে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো, সেখানে তাদের খাওয়া, ঘুমানো এবং সব প্রাকৃতিক কাজ সারতে হতো। প্রায় দুই বছর গ্যালিতে কাজ করার পর নক্সকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি স্কটল্যান্ডে ফিরে না-আসার সিদ্ধান্ত নেন, যেখানে ফরাসিরা তাদের প্রভাব আরো দৃঢ়তর করে তুলেছিল। পরের কয়েক বছর তিনি ইংল্যান্ডে প্রটেস্টান্ট-আন্দোলনের হয়ে বেশকিছু কাজ করেন, কিন্তু ব্লাডি মেরির শাসনামলে, যখন প্রটেস্টান্টদের জন্যে সেখানে থাকা ভয়াবহ হয়ে উঠেছিল, তিনি জেনেভা পালিয়ে যান, যে-শহরটি তখন প্রটেস্টান্টরা। নিয়ন্ত্রণ করতেন।

    ১৫৫৯ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে তিনি আবার স্কটল্যান্ডে ফিরে আসেন, যখন প্রটেস্টান্টরা বিজয়ের প্রায় কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন। আবারো নক্সের একটি বক্তৃতা সংগ্রামের শেষপর্যায়ের মূল সুরটি নির্দিষ্ট করেছিল। কুইন রিজেন্ট তখনো স্কটল্যান্ডকে তার মেয়ে মেরির জন্যে ক্যাথলিক রাখার চেষ্টা করছেন। যখন তিনি প্রটেস্টান্ট যাজকদের নিষিদ্ধ করতে চেষ্টা করেছিলেন, নক্স পার্থে এসেছিলেন ধর্ম প্রচার করতে। নক্সের জন্যে ক্যাথলিক চার্চের ছবি আর মূর্তিগুলো নিষ্পাপ কোনো শিল্পকলা ছিল না। সেগুলো ছিল ধর্মনিন্দার প্রতীক। ঈশ্বরের প্রতি নির্দেশিত অপমান, আরো প্রমাণ যে ক্যাথলিকবাদ সেই পশুর কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। নক্স মূর্তি নিয়ে একইভাবে তীব্র মনোভাব পোষণ করতেন, যেমন মুহাম্মদ করতেন এবং তাদের দুজনের কারণই ছিল এক। এটি সত্যিকার এক ও অদ্বিতীয় ঈশ্বরের ঈর্ষার উদ্রেক করে যিনি তার দ্বিতীয় কম্যান্ডমেন্টে এমন কিছু করতে নিষেধ করেছিলেন।

    তার বক্তৃতা ভয়ানক একটি দাঙ্গার সূচনা করেছিল। ক্ষুব্ধ জনগণ চার্চ থেকে সব ছবি টেনে নামিয়েছিল, তারা এর বেদি আর মূর্তি ভাঙচুর করেছিল। ধ্বংসের একটি তীব্র উন্মাদনার সূচনা করেছিল এটি, যার কারণে স্কটল্যান্ডের দীর্ঘ ক্যাথলিক ইতিহাসের সেই পর্বে সৃষ্ট চিত্রগুলোর খুব সামান্যই টিকে ছিল। প্রটেস্টান্ট ‘কার্ক’ বা গির্জাগুলোয় উপাসনার জায়গা ছিল সাদা চুনকাম করা খুব সাধারণ একটি ভবন, তাদের উদ্দীপ্ত করার একমাত্র নির্ভরযাগ্য উৎস, বাইবেল থেকে ঈশ্বরের বার্তা শোনার সময় যেন কারো মনোযোগ বিক্ষিপ্ত না হয়, সে কারণে সেখানে কোনো ছবি থাকার অনুমতি ছিল না।

    আপাতদৃষ্টিতে মনে হয়েছিল স্কটল্যান্ডে ক্যাথলিক আর প্রটেস্টান্টদের মধ্যে এই সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। তারপর হঠাৎ করেই এটি শেষ হয়েছিল। কুইন রিজেন্ট মারা যান এবং স্কটিশ অভিজাতশ্রেণি একটি সমঝোতায় আসেন। নক্স যেমন কঠোররূপে চেয়েছিলেন স্কটল্যান্ড ঠিক তেমনই একটি প্রটেস্টান্ট দেশ হবে। কিন্তু এই চুক্তিটি রানি রিজেন্টের কন্যা মেরির রানি হিসাবে স্বদেশে ফিরে আসা এবং তার ক্যাথলিক বিশ্বাস অপরিবর্তিত রাখার ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছিল। তিনি একান্তে ব্যক্তিগতভাবে ‘মাস’ শুনতে পারবেন, কিন্তু জনসম্মুখে তিনি অবশ্যই স্কটল্যান্ডকে একটি প্রটেস্টান্ট রাষ্ট্র হিসাবে শাসন করবেন। এটি একটি রাজনৈতিক সমঝোতা ছিল। এবং যেমন আমরা দেখেছি, নক্স সমঝোতা করতে অপছন্দ করতেন। সেই সময় তিনি হলিরুড প্যালেস থেকে এক মাইল দূরে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত সেইন্ট যাইলজের প্রধান যাজক ছিলেন। নক্স খুশি হননি যখন স্কটল্যান্ডের রানি হিসাবে ক্যাথলিক মেরি ফিরে এসেছিলেন। আর সে কারণেই তিনি তার জানালার বাইরে দাঁড়িয়েছিলেন তার বিরুদ্ধে সাম বা পবিত্র সংগীত গাচ্ছিলেন।

    কিন্তু তাদের দুজনের সময়ই শেষ হয়ে এসেছিল। নক্স স্কটিশ অভিজাতশ্রেণির সদস্যরা মেরি কুইন অব স্কটের সাথে যে সমঝোতা করেছিলেন, তার বিরুদ্ধে প্রচারণা অব্যাহত রেখেছিলেন। তিনি ভয় পেয়েছিলেন, নিশ্চয়ই ক্যাথলিক মেরি কোনো-না-কোনো একটি উপায়ে পোপ পশুটিকে স্কটিশ প্রটেস্টান্টবাদের বিশুদ্ধ মন্দিরে ঢোকাতে সক্ষম হবেন। মেরি ছিলেন একজন তরুণী রানি, যাকে ক্যাথলিক ধর্মাচারগুলো সান্ত্বনা দিয়েছিল এবং তিনি আসলেই বুঝতে পারছিলেন না, কেন ক্যাথলিসজম এই মানুষটির মনে এত তীব্র ঘৃণার জন্ম দিয়েছে, তার বিরুদ্ধে যিনি প্রায় বিরতিহীনভাবেই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। জন নক্স আর মেরি কুইন অব স্কটের মধ্যে এই সংঘর্ষ প্রদর্শন করে কীভাবে ধর্ম অন্যথায় ভালো আর সমবেদনাপূর্ণ মানুষদের মধ্যে সহিংসতা উসকে দিতে পারে। নক্স অবশ্যই খারাপ কোনো মানুষ ছিলেন না। তিনিও তার ধর্মবিশ্বাসের জন্যে বহু যন্ত্রণা সহ্য করেছিলেন। কিন্তু সবকিছুই তিনি সাদা আর কালো দেখতেন। কোনো ধূসর রং, কোনো মধ্য উপায় না, ‘না মিডডিস’!

    আর ঘটনাচক্রে রাজরক্ত বহন করার কারণে, বারবার স্বজনহারানোর শোকের সাথে সংগ্রামরত ভালোবাসার কাঙাল মেরি এই ধর্মীয় সংঘর্ষে অনিচ্ছাসত্ত্বেও জড়িয়ে পড়েছিলেন, যে-ধর্মটি তাকে যন্ত্রণায় পুড়িয়েছিল ঠিকই তবে কখনোই তার হৃদয় জয় করতে পারেনি। সুরক্ষা আর ভালোবাসা পাবার প্রয়োজনীয়তাই তাকে ভুল কিছু সিদ্ধান্ত নিতে প্ররোচিত করেছিল। ১৫৬৫ খ্রিস্টাব্দে যখন তার বয়স বাইশ, তিনি তার ক্যাথলিক জ্ঞাতিভাই, বদমেজাজি এবং অজনপ্রিয় মাতাল হিসাবে পরিচিত লর্ড ডার্নলিকে বিয়ে করেছিলেন, নক্স এই বিয়ের বিরুদ্ধেও প্রচারণা করেছিলেন। ১৫৬৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি ডার্নলির ছেলে জেমসের জন্ম দেন, যিনি চতুর্থ জেমস অব স্কটল্যান্ড এবং প্রথম জেমস অব ইংল্যান্ড হয়ে একদিন এই দুটি রাজ্যকে পরস্পরের সাথে যুক্ত করেছিল। ডার্নলি ১৫৬৭ খ্রিস্টাব্দে আততায়ীর হাতে খুন হয়েছিলেন। মেরির পরবর্তী স্বামী লর্ড বোথওয়েল আরেকজন বেপরোয়া মানুষ ছিলেন, যিনি প্রথমে তাকে অপহরণ ও পরে ত্যাগ করেছিলেন। ধারাবাহিক এই বিবাহ-ব্যর্থতা স্কটিশ অভিজাত পরিবারগুলোর কাছে যথেষ্ট অনুভূত হয়েছিল। রানি তাদের রাজ্যে স্থিতিশীলতার প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছেন, এমন দাবিতে তাকে প্রথমে গ্রেফতার ও পরে তার ছেলে জেমসের পক্ষে সিংহাসনত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল।

    এবং এর সাথে তার জীবনের ট্র্যাজেডিটির শেষ অঙ্কের পর্দা উঠেছিল। তিনি পালিয়ে যান এবং ইংল্যান্ডের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন, আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, তার জ্ঞাতিবোন রানি এলিজাবেথ তাকে অবশ্যই সহায়তা করবেন। কিন্তু এটিও তিনি ভুল বুঝেছিলেন। এলিজাবেথের কাছে মেরির উপস্থিতি ছিল একটি হুমকির মতো। ইংল্যান্ডে এলিজাবেথ একটি মাত্রায় ধর্মীয় স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পেরেছিলেন। তিনি খুব সতর্কভাবে রিফরমেশন আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিণতিগুলো সামলে নিয়েছিলেন। তিনি ক্যাথলিকদের নির্যাতন করেননি যেভাবে তার বোন ব্লাডি মেরি প্রটেস্টান্টদের নির্যাতন করেছিলেন। কিন্তু এই ভারসাম্যটি তখনো নড়বড়ে ছিল, আর মেরি কুইন অব স্কট হয়তো এই ভারসাম্যটি বেশি অস্থিতিশীল করে তুলতে পারেন, এমন আশঙ্কা করতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। ক্যাথলিক উচ্চাশা আর অসন্তোষের কেন্দ্রে পরিণত হতে পারেন মেরি : মেরিকে কেন ইংল্যান্ডের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত করছি না, যেন আমরা ক্যাথলিকবাদে ফিরে যেতে পারি? তিনি ছিলেন প্রকৃত রানি। এলিজাবেথ ছিলেন অ্যান বোয়েলিনের মেয়ে। এবং অনেকেই ছিলেন যারা অ্যানের সাথে হেনরির বিয়ের বৈধতায় বিশ্বাস করেননি। এলিজাবেথের বিরুদ্ধে তাই অসন্তোষ সৃষ্টি করার এটি একটি জোরালো কারণ হতে পারে, এবং মেরিকে ইংল্যান্ডের প্রকৃত রানি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার একটি আন্দোলনও গড়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে।

    সুতরাং এলিজাবেথ পরবর্তী উনিশ বছর মেরিকে ইংল্যান্ডে ধারাবাহিকভাবে কিছুদিন গ্রামের বাড়িতে গৃহবন্দি করে রেখেছিলেন। যখন তিনি শুনেছিলেন যে, মেরি হয়তো তাকে সিংহাসনচ্যুত করতে ষড়যন্ত্র করছেন, তিনি খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ১৫৮৭ খ্রিস্টাব্দে মেরির শিরশ্চেদ করা হয়। তার মৃত্যুদণ্ডের সময় তিনি লাল রঙ পরার ওপর জোর দিয়েছিলেন, যে-রঙটি ক্যাথলিক শহীদদের রঙ। শরীর থেকে তার মাথাটি বিচ্ছিন্ন করতে বেশ কয়েকবার আঘাত করতে হয়েছিল জল্লাদকে। আর জল্লাদ যখন তার মাথা উপরে তুলে ধরেছিল, যেভাবে সাধারণত দেখানো হয় কারো মৃত্যুর প্রমাণ দিতে, তখন শুধু মেরির মাথার পরচুলাটি তার হাতের মুঠোয় উঠে এসেছিল, মেরির ছিন্ন মাথাটি তখনো ঝুড়িতে পড়েছিল।

    ইউরোপের ধর্মীয় এই যুদ্ধগুলো অব্যাহত ছিল আরো কয়েক শতাব্দী। প্রটেস্টান্টদের বিরুদ্ধে ক্যাথলিক, এক গোষ্ঠীর প্রটেস্টান্টদের বিরুদ্ধে অন্য আরেক গোষ্ঠীর প্রটেস্টান্টরা। কিন্তু কখনো কখনো যুদ্ধের অস্পষ্ট এই কুয়াশাচ্ছন্ন সময়ের মধ্যেই মাঝে মাঝে কিছু গোষ্ঠীর আবির্ভাব হয়েছিল, যারা রিফরমেশনের ফলে সৃষ্ট ঘৃণা আর রাজনৈতিক সংঘর্ষের সীমানা অতিক্রম করে যেতে পেরেছিলেন। এরকমই একটি গোষ্ঠী একটি ডাকনাম জুটিয়েছিল, যা পরে বিখ্যাত হয়েছিল : কোয়েকারস। আমরা পরের অধ্যায়ে তাদের নিয়ে আলোচনা করব আর এই আলোচনা আমাদের আটলান্টিক অপরপ্রান্তে আমেরিকায় নিয়ে যাবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }