Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩২. বন্ধুরা

    অধ্যায় ৩২. বন্ধুরা

    কোনো একটি মানবমনের মধ্যে যখন ঈশ্বরের কণ্ঠ কথা বলে ওঠে, তখন তার পরিণতি যে অবশ্যই হলিউডের মহাকাব্যিক সিনেমা মাত্রার কোনো ঘটনা হতে হবে–যেমন, মিশর থেকে ইজরায়েলাইটদের অভিনিষ্ক্রমণ অথবা মক্কা থেকে মুহাম্মদের হিজরত অথবা ভিটেনবার্গে মার্টিন লুথারের ইনডালজেন্স বিক্রির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ–এমন কিছু ভাবলে ভুল হবে। মাঝে মাঝে এই কণ্ঠস্বর এতই ব্যক্তিগত কোনোকিছু করতে নির্দেশ দিতে পারে যে, আসলেই বিস্ময়কর যে, সেটি কেউ স্মরণ করতে পারেন। কিন্তু তারপরও এটি ইতিহাস বদলে দিতে পারে।

    ধর্মের ইতিহাসে আকর্ষণীয় চরিত্রগুলোর একজন, জর্জ ফক্সের সাথে এমনই কিছু ঘটেছিল। সেই সময়টি ছিল সপ্তদশ শতাব্দীর ইংল্যান্ড, যখন চার্চ এবং সমাজের ক্ষমতাবানরা কোনো কারণ ছাড়াই অহংকারে অন্ধ হয়ে বাকি সবার চেয়ে নিজেদের বেশি শ্রেষ্ঠ ভেবে অতিরঞ্জিত নানা আচরণ করতে শুরু করেছিলেন। বিভিন্ন ধরনের পদবি আর তার সাথে আসা বিশেষ ধরনের পোশাক তারা ভালোবাসতেন। তাদের দাবি ছিল অধস্তনরা তাদের সামনে নতজানু হবে এবং মাথার টুপি সরিয়ে তাদের প্রতি সম্মান দেখাবে। যে পদবিগুলো তারা নিজেদের দিয়েছিলেন সেগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল, তারা যে সাধারণ জনসাধারণের চেয়ে কত উপরে অবস্থান করছেন, সেই তথ্যটি যেন সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে পারে। ‘ইয়োর হলিনেস’, ‘ইয়োর এক্সেলেন্সি’, ‘ইয়োর গ্রেস’ ইত্যাদি। ইয়োর ম্যাজেস্টি’ ছিল একধরনের সম্বোধন, যা তাদের সবার উপর এমন একটি অবস্থানে তুলেছিল যে, সাধারণ মানুষরা তাদের পায়ের নিচে পিঁপড়ার মতো হন্তদন্ত হয়ে ছুটে বেড়াতে বাধ্য হতেন। খ্রিস্টানদের মধ্যে এই ধরনের আচরণ একই সাথে বিস্ময়কর, আবার বিস্ময়কর ছিল না। এটি বিস্ময়কর ছিল কারণ, সুস্পষ্টভাবে যিশুর শিক্ষার সাথে এটি সংগতিপূর্ণ ছিল না, যিনি তাদের বলেছিলেন, তার শিষ্যদের মধ্যে আত্মম্ভরিতার কোনো জায়গা নেই। কিন্তু এটি বিস্ময়কর ছিল না কারণ, এটাই ছিল পার্থিব উপায় এবং যতই নিজেকে পবিত্র আলখেল্লায় ঢেকে রাখার চেষ্টা করুক না কেন, ধর্ম সাধারণত পার্থিব পথই বেছে নেয়।

    পঞ্চদশ আর ষোড়শ শতাব্দীতে প্রথম যে রিফরমেশন’ আন্দোলনটি ইউরোপকে আঘাত করেছিল, মনে হয়েছিল যেন এটি হয়তো এইসব আত্মাভিমানকে চ্যালেঞ্জ করবে। এবং খানিকটা মাত্রা অবধি এটি তা করেছিল। কিন্তু যে চার্চগুলো রোমের কর্তৃত্ববাদিতা প্রত্যাখ্যান করেছিল, সেগুলোই আবার খুব দ্রুত এর শ্রেষ্ঠত্ব প্রদর্শন করতে অন্য ভিন্ন উপায় খুঁজে নিয়েছিল। কিছু গোষ্ঠী ছিল যারা ঠিক এই কারণেই ‘পিউরিটান’ (বা শুদ্ধিবাদী) খেতাব অর্জন করেছিল। তাদের বিশ্বাস ছিল, শুধুমাত্র তারাই সত্যিকারের খ্রিস্টান, বিশুদ্ধতম খ্রিস্টান। মানব অহংকারের দ্বারা সৃষ্ট সবধরনের শ্রেষ্ঠতার রূপের মধ্যে ধর্মীয় শ্রেষ্ঠতা হচ্ছে। সবচেয়ে অসহনীয়।

    আধ্যাত্মিক আর সামাজিক শ্ৰেষ্ঠতা, এইসব দাবিগুলো জর্জ ফক্সকে মুগ্ধ করতে পারেনি। ঈশ্বরের কণ্ঠস্বরটি তাকে বলেছিল, উঁচু কিংবা নীচু কাউকে সম্মান দেখানোর জন্যে তার মাথার টুপি খোলা বা বিশেষ কোনো ধরনের সমোধন ব্যবহার করার কোনো দরকার নেই। তিনি ধনী কিংবা গরিব, উচ্চ কিংবা নিম্নশ্রেণীর সদস্য, সবাইকে অনানুষ্ঠানিক (Thou, Thee) তুমি বলেই সম্বোধন করতেন। আর সমাজের সেই বিশেষ শ্রেণির শ্রেষ্ঠতাকে স্বীকৃতি দিয়ে তিনি মাথা নত করে সম্মান দেখাতেন না বলে তারা তাকে নিয়মিত কারাগারে বন্দি করে রাখতেন, যাদের উচ্চতর পদমর্যাদা সংশ্লিষ্ট শ্রেষ্ঠত্বকে স্বীকৃতি দিতে তার এই অস্বীকার এই মানুষগুলোকে ক্ষুব্ধ করেছিলেন। একটি ঘটনায় এধরনের ধষ্টতা দেখানোর অভিযোগে তাকে যখন আদালতে হাজির করা হয়েছিল, তিনি ঘোষণা করেছিলেন, একমাত্র কর্তৃপক্ষ, যার সামনে দাঁড়িয়ে আতঙ্কে কাঁপবেন, তিনি হচ্ছেন ঈশ্বর। এই কথা শুনে বিচারক শ্লেষাত্মকভাবে তাকে একজন ‘কোয়েকার’ (যিনি কাপেন) নামে সম্বোধন করে মামলা থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। ফক্সের অনুসারীরা নিজেদের নাম দিয়েছিলেন ‘সোসাইটি অব ফ্রেন্ডস’, কিন্তু বিচারকের সেই তিরস্কার তাদের পরিচয়ের সাথে আটকে গিয়েছিল, এবং ‘কোয়েকার’ নামেই তারা পরিচিত হয়েছিলেন। আর সেই নামটি তারা এখনো ব্যবহার করেন।

    ১৬২৪ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের লিস্টারশায়ারে জর্জ ফক্স জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার বাবা ছিলেন একজন তাঁতি, আর তিনি নিজে একজন মুচির শিক্ষানবীশ ছিলেন। আগের বহু নবীদের মতোই তারুণ্যে তিনি আত্মঅনুসন্ধান এবং বোধিলাভের জন্যে গৃহত্যাগ করেছিলেন। সেই সময়টি ধর্মীয় গোলযোগের সময় ছিল। নানা ধরনের ধর্ম-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে আধ্যাত্মিকতার বাজার ছিল কোলাহলপূর্ণ, যারা প্রত্যেকেই তাদের নিজস্ব ধরনের ধর্মবিশ্বাসের স্বতন্ত্রতা দাবি করেছিলেন। এবং যদিও সবাই পরস্পরের প্রতিপক্ষ ছিলেন আর বিরোধিতা করেছিলেন, কিন্তু তাদের মধ্যে একটি বিষয় ছিল সাধারণ। প্রত্যেকেই দাবি করেছিলেন, খ্রিস্টীয় ধর্মের তাদের সংস্করণটি হচ্ছে ঈশ্বরের কাছে যাবার একমাত্র নিশ্চিত উপায়। আর এমন দাবির একটি নিহিত্যার্থ ছিল, ঈশ্বরকে খুঁজতে আপনার একজন দালাল লাগবে, অনেকটা ঈশ্বরের রাজসভায় থাকা কোনো বন্ধুর মতো, যিনি আপনাকে তার সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে।

    যখন তার বয়স চব্বিশ, একটি দৈববার্তা তার মনে উন্মোচিত হয়েছিল, যা তাকে দেখিয়েছিল, তিনি এমন কাউকে খুঁজে তার সময় নষ্ট করছেন, যে-কিনা। তাকে ঈশ্বরের উপস্থিতিতে পৌঁছানোর সেই দরজাটি পার করে দেবেন। তিনি তার নিজের বাইরে এমন কিছুর অনুসন্ধান করছিলেন, যখন কিনা এর উত্তরটি তার নিজের শ্বাসপ্রশ্বাসের চেয়েও নিকটবর্তী ছিল। কোনো মধ্যস্থতাকারীরই সাহায্য নেবার প্রয়োজন নেই, যারা কিনা ঈশ্বরের আনুষ্ঠানিক দারোয়ান হিসাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছেন। ঈশ্বরের উপস্থিতিতে নিজেকে আবিষ্কার করতে তার যেমন প্রাচীন কোনো যাজকের নির্দেশনার দরকার নেই, তেমনি নতুন কোনো যাজকের সহায়তার প্রয়োজন নেই। ঈশ্বরের ঘরের দরজা সবসময়ই উন্মুক্ত। তাকে শুধু সেই দরজা দিয়ে হেঁটে ভিতরে প্রবেশ করতে হবে।

    কোনো চার্চ বা যেভাবে ফক্স চার্চকে বর্ণনা করতেন, স্টিপলহাউসের (বা চূড়াসহ দালান) প্রয়োজন নেই। যাজকদের কালো গাউন বা রঙিন পরিচ্ছদ, ক্যাথলিকদের বিস্তারিত ধর্মীয় আচার অথবা প্রটেস্টান্টদের কঠোর সরলতা ধর্মের এইসব আনুষঙ্গিক উপকরণগুলো আসলে প্রার্থনাকারীদের মনোযোগ বিক্ষিপ্ত করে। একইভাবে মানুষের কোনো সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় মতবিশ্বাস বা একটি তালিকারও দরকার নেই, যা তাদের বিশ্বাস করতেই হবে। এছাড়া অবশ্যই তাদের ধর্মীয় পুলিশেরও কোনো প্রয়োজন নেই, যারা সেগুলো সবাইকে অনুসরণ করতে বাধ্য করাবে! তাদের শুধু যা করতে হবে সেটি হচ্ছে, নীরবে পরস্পরের সাথে বসে। থাকতে হবে এবং হৃদয়ে পবিত্র আত্মার কথা বলে ওঠার জন্যে অপেক্ষা করতে হবে। ঈশ্বরের আলো ইতিমধ্যে তাদের মধ্যে দীপ্যমান।

    আর এই প্রস্তাবনাটি যথেষ্ট পরিমাণে বৈপ্লবিক ছিল। যদি এটি ব্যাপকভাবে মানুষের সমর্থন পেত তাহলে এটি সংগঠিত ধর্মগুলোর অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারত। কিন্তু আরো কিছু বিষয় ছিল, যেমন তাদের সেই অদ্ভুত সাহসী প্রস্তাবনা আর দাবিটি : সব মানুষের মর্যাদা সমান, নারী কিংবা পুরুষ, ক্রীতদাস অথবা স্বাধীন! চার্চ কিংবা রাষ্ট্র। ফক্সের এই দাবি মেনে নেবার জন্যে কেউই তখন প্রস্তুত ছিল না। কিন্তু তার কোয়েকার বন্ধুরা নিজেদের মতো করেই তাদের জীবন কাটাতে শুরু করেছিলেন। এর জন্য তাদের চরম মূল্যও দিতে হয়েছিল। কয়েক হাজার কোয়েকার সদস্যকে তাদের বিশ্বাসের কারণে কারাবন্দি করা হয়েছিল, যাদের অনেকেরই মৃত্যু হয়েছিল কারাগারে।

    অপ্রতিরুদ্ধ, তারা অসহায় আর গরিবদের মান উন্নয়নে যুদ্ধ করা অব্যাহত রেখেছিলেন। সেই নিষ্ঠুর যুগে, তারা জেলখানার কয়েদি আর মানসিক রোগীদের সাথে মানবিক আচরণ এবং হাসপাতালে উত্তম ব্যবস্থা করতে আন্দোলন করেছিলেন। কিন্তু তাদের সবচয়ে বড় অবদান ছিল, দাসপ্রথার বিরুদ্ধে তাদের কঠোর বিরোধিতা, যা মানব-ইতিহাসে গভীর একটি প্রভাব ফেলেছিল। আর এটি শুরু হয়েছিল আমেরিকায়।

    সপ্তদশ শতকের শুরুর দিকেই উত্তর-আমেরিকা ইউরোপের ধর্মীয় নিপীড়ন থেকে পালিয়ে আসা এবং আরেকটি প্রতিশ্রুত দেশ খুঁজতে থাকা বহু ধর্মীয় গোষ্ঠীর জন্যে একটি নিরাপদ গন্তব্য ছিল। আমেরিকার সেই নতুন বিশ্বে ব্যাপক ইউরোপীয় আগ্রাসন শুরু হয়েছিল এবং সেখানে বসতিস্থাপন করা অভিবাসীদের মধ্যে যারা সবচেয়ে আগে এসেছিলেন, তাদের মধ্যে ইংল্যান্ডের কোয়েকাররা ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একজন ছিলেন উইলিয়াম পেন, ১৬৮২ সালে যিনি একটি উপনিবেশ তৈরি করেছিলেন, যা পরে পেনসিলভেনিয়া নামে পরিচিতি পেয়েছিল।

    কিন্তু ইউরোপীয় বসতিস্থাপনকারীরা উত্তর-আমেরিকায় তাদের খ্রিস্টধর্ম ছাড়াও আরো অনেক কিছু সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন। মানব-ইতিহাসের সবচেয়ে কুৎসিততম অশুভ পদ্ধতি, দাসপ্রথাও তারা তাদের সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন। এটি ছিল একটি প্রাচীন আর বিশ্বজনীন নিষ্ঠুরতা, কিন্তু আমেরিকায় ইউরোপীয়দের উপনিবেশ স্থাপন প্রক্রিয়ায় এই পদ্ধতির ব্যবহার একটি বাড়তি প্রণোদনা পেয়েছিল। তাদের দখল করা এই নতুন দেশের অসহনীয় কঠোর জমিতে চাষাবাদ করতে উপনিবেশ স্থাপনকারীদের প্রচুরপরিমাণে শ্রমিকের দরকার পড়েছিল, যাদের তারা পশুর মতো খাটাতে পারবেন মৃত্যুর কোলে চুলেপড়া অবধি। ক্রীতদাসরাই তাদের এই সমস্যার একমাত্র সমাধান ছিল এবং প্রচুর পরিমাণে ক্রীতদাসও ছিল লভ্য।

    যে জাহাজগুলো তথাকথিত ‘মিডল প্যাসেজে’ চলাচল করেছিল, সেগুলো ওয়েস্ট ইন্ডিজের আখক্ষেত এবং আমেরিকার দক্ষিণের রাজ্যগুলোর কৃষি-খামারে কাজ করার জন্যে বহু মিলিয়ন ক্রীতদাসকে আফ্রিকার পশ্চিম-উপকূল থেকে বহন করে এনেছিল। আর এই মিডল প্যাসেজের সময় পরস্পরের সাথে শিকল দিয়ে বাঁধা, প্রায় বাতাসহীন জাহাজের গহ্বরে বন্দি অবস্থায়, লক্ষ লক্ষ আফ্রিকাবাসী মৃত্যুবরণ করেছিলেন। এছাড়া যদি আবহাওয়া বিপজ্জনক হয়ে উঠত, ক্যাপ্টেনরা তাদের জাহাজের ভার হালকা করতেন এই শিকল বাঁধা ক্রীতদাসদের পানিতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে।

    ক্রীতদাসদের ডুবিয়ে হত্যা করা হোক, কিন্তু জাহাজের নিরাপত্তা যেন কোনো ঝুঁকির মুখে না পড়ে। অবশ্যই এটা শেষ পদক্ষেপ ছিল। কারণ এই দাসরা তাদের জন্য মূল্যবান পণ্য ছিল। ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ কিংবা ক্যারোলাইনা অবধি নিয়ে গেলে তাদের বিনিময়ে অন্য পণ্য যেমন, চিনি কিংবা তুলা বাণিজ্য করা যেত। অষ্টাদশ শতাব্দী নাগাদ ব্রিটিশরা মূলত এই বাণিজ্যে প্রাধান্য বিস্তার করেছিল। এই বাণিজ্যে স্কটল্যান্ড আর ইংল্যান্ডের ক্রীতদাস-ব্যবসায়ীরা বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছিলেন। এবং যখন তারা স্বদেশে ফিরে আসতেন তাদের বিস্মরণপূর্ণ অবসর জীবন কাটাতে, তখন তারা বসবাসের জন্যে সুবিশাল প্রাসাদ নির্মাণ করতেন, যেখানে তারা তাদের বৃদ্ধজীবন কাটিয়ে দিতেন। এরকম বহু প্রাসাদ ব্রিটিশ গ্রামাঞ্চল এখনো অলংকৃত করে রেখেছে। কিন্তু এই খ্রিস্টানরা কীভাবে এই অমানবিক আর অশুভ বাণিজ্যে তাদের অংশ নেবার বিষয়টি যুক্তিযুক্ত করেছিলেন?

    আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি, বাইবেলে ক্রীতদাসপ্রথাটি স্বাভাবিক, যেভাবে চলছে সেভাবেই গ্রহণ করে নেওয়া হয়েছে। এটাই ছিল সেই সময়ের প্রচলিত নিয়ম। আর এটি অবশ্যই যিশুর বার্তার সাথে সংগতিপূর্ণ ছিল না। কিন্তু আদি খ্রিস্টানদের এই বিষয়ে কিছু না-করার একটি বৈধ অজুহাত ছিল। কারণ তারা আশা করেননি যে, এই পৃথিবী, যেভাবে এটি নিজেকে সংগঠিত করে রেখেছে, খুব বেশিদিন আর টিকে থাকবে না। কারণ যিশু খুব শীঘ্রই ফিরে আসবেন পৃথিবীতে ঈশ্বরের রাজ্য উদ্বোধন করতে, যখন স্বর্গে যেভাবে সবকিছু হয় তেমনভাবেই সবকিছু পরিচালিত হবে এই পৃথিবীতেও। আর এমন কিছু ঘটার আগ অবধি খ্রিস্টানদের পাপমুক্ত বিশুদ্ধ জীবন কাটানো এবং শেষদিনের জন্যে নিজেদের প্রস্তুত করে রাখা উচিত। আর পৃথিবী যেমন আছে সেভাবেই তারা বিষয়গুলো অপরিবর্তিত রেখেছিলেন। আমরা ইতিমধ্যে দেখেছি যে, পল নিজেই ক্রীতদাস অনেসিমাসকে। তার মালিক ফিলেমনের কাছে ফেরত পাঠিয়েছিলেন। শুধুমাত্র তিনি তার প্রতি সদয় আচরণ করতে অনুরোধ করেছিলেন, কারণ অনেসিমাস এখন তার মতোই যিশু-বিশ্বাসী একজন অনুসারী। কিন্তু সেখানে তাকে মুক্ত করে দেওয়া তার উচিত হবে, এমন কোনো প্রস্তাবনা কখনোই ছিল না। আর সেটি করেই বা কী লাভ হবে, যদি তারা বিশ্বাসই করে থাকেন এই সবকিছুই খুব শীঘ্রই শেষ হতে যাচ্ছে?

    ১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ, খ্রিস্টানদের সম্ভবত মনে হয়েছিল যে, যিশু আর ফিরে আসেননি, এবং দেখে মনে হচ্ছে খুব শীঘ্রই তার ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনাও নেই। পৃথিবীর শেষদিনে ঈশ্বর এসে সব ঠিক করে দেবেন, এমন আশায় অর্থহীন অপেক্ষায় কালক্ষেপণ না করে, পৃথিবীর সব অশুভ বিষয়গুলোর সমাধান করার নিশ্চয় এখনই সবচেয়ে ভালো সময়। শুধু এর ব্যতিক্রম ছিল দাসপ্রথার বিষয়টি, কারণ সেখানে কিছু সমস্যা আছে। বাইবেল ঈশ্বরের সেই কণ্ঠস্বর লিপিবদ্ধ করেছিল, যা মোজেসকে বলেছিল এই বিষয়ে :

    যখন তুমি একজন হিব্রুদাস ক্রয় করবে, ছয় বছর সে তোমার সেবা করবে, কোনো কিছুর বিনিময় ছাড়াই সপ্তম বছরে তাকে মুক্তি দিতে হবে। যদি সে একা তোমার কাছে এসে থাকে, তাহলে সে একাই তোমার কাছ থেকে চলে যাবে। আর যদি সে বিবাহিত হয়, তার স্ত্রীও তার সাথে যাবে। যদি তার মালিক তাকে স্ত্রী দিয়ে থাকে, এবং সে তার জন্যে পুত্র বা কন্যার জন্ম দিয়ে থাকে। তাহলে সেই স্ত্রী আর সন্তানরা তাদের মনিবেরই থাকবে।

    আর পল তার লেটার টু চার্চ ইন এফেসুস’ চিঠিতে খ্রিস্টান দাসদের তাদের পার্থিব মনিবের অনুগত হতে উপদেশ দিয়েছিলেন, ‘ঠিক যেমন তারা স্বয়ং যিশুর অনুগত’।

    সুতরাং বাইবেলে বিষয়টি খুব সুস্পষ্ট। আর বাইবেলের কথা চ্যালেঞ্জ করার তারা কে? বেশ, ১৬৮৮ সালে পেনসিলভানিয়ার কোয়েকাররা এটি চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। আর যেভাবে তারা সেটি করেছিলেন, সেটি ভবিষ্যতে খ্রিস্টানরা কীভাবে বাইবেল পড়বে, তার ওপর একটি বৈপ্লবিক প্রভাব ফেলেছিল। কোয়েকাররা অভ্যন্তরীণ আলোর কর্তৃত্বে বিশ্বাস করতেন, যাকে আমরা বলতে পারি বিবেক। তারা জানতেন এই আলোই তাদের নির্দেশনা দিচ্ছে, দাসপ্রথা পুরোপুরিভাবেই অন্যায়। যদি সব মানুষের সমান মূল্য থাকে, তাহলে কাউকে অপেক্ষাকৃত কম মানুষ বা ঈশ্বরের সন্তান নয় বরং সম্পত্তি বা পণ্য হিসাবে বিবেচনা করা অবশ্যই ভুল। আর যদি বাইবেল অন্য কথা বলে থাকে তাহলে বাইবেলই ভুল।

    বাইবেলে দাসপ্রথা যুক্তিযুক্ত করার বিষয়টির প্রতিবাদ করা ছাড়াও কোয়েকাররা আরো অনেককিছুই করেছিলেন। দাসপ্রথাকে বিলোপ করার প্রচেষ্টায় তাদের পক্ষে যতটুকু করা সম্ভব ছিল ততটুকই তারা করেছিলেন। তারা এটি পেনসিলভানিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন, এছাড়া একটি গোপন পথ বা ‘আন্ডারগ্রাউন্ড রেলরোড’ সংগঠিত করেছিলেন, যা দক্ষিণ থেকে পালিয়ে আসা ক্রীতদাসদের উত্তর বা কানাডায় স্বাধীনভাবে বাস করার সুযোগ খুঁজতে সহায়তা করেছিল। তথাকথিত খ্রিস্টীয় সমাজে দাসপ্রথার অস্তিত্বের বিরুদ্ধে কোয়েকারদের তীব্র বিরোধিতা এবং প্রতিবাদে তাল মেলাতে বাকি পৃথিবীর অনেক দিন সময় লেগেছিল। পুরো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে এটি নিষিদ্ধ ঘোষিত হতে ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল। এবং ত্রিশ বছর পরে ১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে একটি রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের পর, এটি আমেরিকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছিল।

    কিন্তু এই জঘন্য দাসপ্রথার বিলোপ সূচনা করা ছাড়াও কোয়েকাররা আরো অনেক কিছু করেছিলেন। তারা অগভীর আর শিশুসুলভ উপায়ে বাইবেল পাঠ করার পদ্ধতির অবসান ঘটিয়েছিলেন। বাইবেলের শিক্ষার বিরুদ্ধে তাদের নিজেদের বিবেকের সিদ্ধান্তের শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করার মাধ্যমে তারা অস্পৃশ্য কোনো স্বর্গীয়। প্রতিমা নয় বরং অন্য যে-কোনো একটি বইয়ের মতো বাইবেল পাঠ করার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। কোনটি সঠিক’ আর বাইবেল কোনটিকে বলছে ‘সঠিক’–এই দুটির মধ্যে পার্থক্য কী তারা জানতেন। আর যেহেতু তারা বিশ্বাস করতেন, ঈশ্বর নিজেই তাদের এই পার্থক্য সম্বন্ধে সতর্ক করে দিয়েছেন, এটি প্রমাণ করে যে, এমনকি বাইবেলের বিষয়ে ঈশ্বরেরও কিছু আপত্তি আছে! আর যদি বাইবেলে দাসপ্রথার ব্যাপারে ভুল হয়ে থাকে, তাহলে কি এটি ছয়দিনে পৃথিবী সৃষ্টি করার ব্যাপারে ভুল হতে পারে না? হয়তো বহু শতাব্দী ধরে আমরা এই বইটিকে ভুলভাবে পড়ছি। হয়তো নতুন করে এটি ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন আছে। আরো আরো বুদ্ধিমত্তার সাথে এটি আমাদের পড়তে হবে। হয়তো বাইবেলের কিছু নির্দেশনা আর বিচারিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে নিজেদের বিবেকের নির্দেশনাগুলো আরো দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের ভয় পাওয়া উচিত নয়।

    আর এইসব নানা উপায়ে কোয়েকাররা সেই ধাক্কাটি দিয়েছিলেন, যাকে আমরা বলি ধর্মশাস্ত্রের ‘ঐতিহাসিক-সমালোচনামূলক পাঠ। আবশ্যিকভাবে এটি বাইবেলের ওপর থেকে ঈশ্বরের প্রভাবটিকে বাতিল করছে না, কিন্তু এটি স্বর্গীয়। থেকে মানবিক উপাদানগুলোকে পৃথক করতে চেষ্টা করেছে। দাসপ্রথা একটি মানবিক আবিষ্কার। আপনার প্রতিবেশীকে নিজের মতোই ভালোবাসুন, এটি স্বর্গীয় নির্দেশ! বেশ, তাহলে বিষয়টি ভেবে দেখুন, এই নির্দেশনার আলোকে কোন্‌টি সত্য হবে?

    ‘দ্য সোসাইটি অব ফ্রেন্ডস’ হয়তো পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম ধর্মবিশ্বাসী গোষ্ঠীগুলোর একটি হতে পারে, কিন্তু তাদের প্রভাব ছিল অনেক বিশাল। এটি এখনো খ্রিস্টধর্মের বিবেক হিসাবে তার নিজের অবস্থানটি ধরে রেখেছে। এটি আমেরিকায় খ্রিস্টধর্মের নতুন আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা আহ্বানকারী একটি সংস্করণ নিয়ে এসেছিল। কিন্তু খ্রিস্টধর্ম সেখানে পৌঁছাবার আগেই আমেরিকায় নিজস্ব একটি আধ্যাত্মিকতা ছিল। সেটি পরীক্ষা করে দেখার এবার সময় এসেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }