Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৫. মহা-হতাশা

    অধ্যায় ৩৫. মহা-হতাশা

    ঊনবিংশ শতাব্দীতে নিউইয়র্ক রাজ্যে জোসেফ স্মিথই শুধু একমাত্র নবী ছিলেন।

    । আর তার চার্চ অব দ্য ল্যাটার-ডে সেইন্টসও শুধু সেখানে আবির্ভূত হওয়া একমাত্র নতুন ধর্ম ছিল না। অনেক উদ্দীপনা ছিল চারিদিকে কিন্তু সেই উদ্দীপনাগুলোর অনুসরণকারীরা সবাই একই দিকে তাকাননি। স্মিথ মাটি খুঁড়ে অতীতের একটি নতুন সংস্করণ আবিষ্কার করেছিলেন। কিন্তু কেউ কেউ ছিলেন যারা অতীতে নয় বরং ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে চেয়েছিলেন। তারা অতীত নিয়ে আগ্রহী ছিলেন না। তারা ভবিষ্যতের দিকে তাদের মনোযোগ দিয়েছিলেন, কারণ বাইবেলে যিশুর প্রত্যাবর্তন-সংক্রান্ত ঐসব প্রতিশ্রুতিগুলো পূর্ণ হবার সময় আসন্ন। তিনি ফিরে আসছেন এবং খুব শীঘ্রই সেটি ঘটবে!

    আর এই বিষয়ে যে-ব্যক্তিটি সবচেয়ে নিশ্চিত ছিলেন, তিনি ছিলেন লো হ্যাঁম্পটনের বাসিন্দা উইলিয়াম মিলার। মিলার খুবই মনোযোগী একজন বাইবেল পাঠক ছিলেন। নিউ আর ওল্ড টেস্টামেন্টের সেই সূত্রগুলো তাকে বিশেষভাবে আকর্ষণ করেছিল, যা জীবন্ত আর মৃতদের বিচার করার জন্যে খ্রিস্টের প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি সম্বন্ধে পূর্বধারণা করেছিল। তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, নিশ্চয়ই বাইবেলে গোপন কোনো সংকেত আছে, যা তাকে যিশুর দ্বিতীয় আগমনের সুনির্দিষ্ট দিন তারিখ জানাতে পারে, যদি কিনা তিনি বিষয়টি সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন। আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি যে, ডানিয়েল হচ্ছে পড়ার জন্যে সেই বইটি, যদি আপনি এই রহস্যের সমাধান খোঁজার খেলাটি খেলতে আগ্রহী হন। আর ঠিক সেখানেই মিলার সেই সংকেতগুলো খুঁজে পেয়েছিলেন, যা তিনি খুঁজছিলেন।

    ডানিয়েলের অষ্টম অধ্যায়ে নবী লিখেছিলেন : ‘দুই হাজার আর তিনশো দিন অতিক্রান্ত হবার পর; সেই আশ্রয়স্থল বিশুদ্ধ হবে’। মিলার নিশ্চিত ছিলেন যে এটাই সেই সংকেত, যার অনুসন্ধান তিনি করছিলেন। এর মানে ২৩০০ বছর! সামনের দিকে গণনা করে তিনি সেই তারিখটি নির্ধারণ করেছিলেন, যেদিন খ্রিস্ট আবার ফিরে আসবেন : ২১ মার্চ, ১৮৪৪। তিনি এর জন্যে প্রস্তুত হয়েছিলেন। কিন্তু এমন কিছু ঘটেনি। তিনি মনে করেছিলেন, নিশ্চয়ই তার গণনায় কোনো ভুল হয়েছে। সুতরাং তিনি আবার চেষ্টা করেছিলেন, এবার তিনি পেলেন এই বছরের ২২ অক্টোবর। কিন্তু সেই দিনটিও এসে চলে গিয়েছিল। আবারও কিছুই ঘটেনি। মিলার ও তার অনুসারীদের জন্যে এই ব্যর্থতা ‘গ্রেট ডিসাপয়েন্টমেন্ট (বা মহা আশাভঙ্গের ঘটনা) নামে পরিচিত ছিল। সুবুদ্ধির পরিচয় দিয়ে মিলার এই ভবিষ্যদ্বাণীর খেলা থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন।

    কিন্তু অন্যরা এই খেলা অব্যাহত রেখেছিলেন এবং ১৮৬০ সালে তারা নিজেরাই একটি ধর্মগোষ্ঠী তৈরি করেছিলেন তাদের নিজস্ব নবীসহ। তারা নিজেদের ‘সেভেন্থ ডে অ্যাডভেন্টিস্ট’ নাম দিয়েছিলেন, অ্যাডভেন্টিস্ট, কারণ যিশু খুব শীঘ্রই ফিরছেন এই বিশ্বাসটি তারা ধরে রেখেছিলেন, যদিও তারা সঠিক তারিখটি নিয়ে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। এটি ‘সেভেন্থ ডে’ কারণ, তারা রোববার নয়, শনিবারকে তাদের সাবাথ হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন। তারা সাবাথকে সপ্তাহের প্রথম দিনের বদলে শেষদিন হিসাবে চিহ্নিত করার জন্যে ক্যাথলিক চার্চকে অভিযুক্ত করেছিলেন। আর এই সাবাথ পরিবর্তনের ব্যাপারটি রোমের চার্চের বিরুদ্ধে তাদের সব অভিযোগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ন্যূনতম একটি অভিযোগ ছিল। ক্যাথলিক চার্চের পোপ এখন খ্রিস্ট-বিরোধী, এ বিষয়ে তারা স্কটিশ সংস্কারক জন নক্সের সাথে একমত ছিলেন।

    অ্যাডভেন্টিস্টদের নবী ছিলেন এলেন হোয়াইট। ১৮২৭ সালে জন্ম নিয়ে তিনি ১৯১৫ সালে মারা গিয়েছিলেন। এবং তার লেখাগুলোই সেভেন্থ ডে অ্যাডভেন্টিস্টদের মধ্যে বাইবেলের মতোই একটি কর্তৃত্ব পেয়েছিল। তারা অন্য বহু ধর্মগোষ্ঠীর মতো খুব কঠোর নৈতিক মূলনীতি অনুসরণ করতেন, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত যেমন নিরামিষ ভোজন, আর তামাক, মদ, নাচ এবং অধিকাংশ ধরনের আমোদপ্রমোদই তাদের জন্য নিষিদ্ধ ছিল। তারা ট্রিনিটি আর খ্রিস্টের স্বর্গীয় দেবত্বে বিশ্বাস করতেন। এবং তারা ক্ষমতায় এবং স্বমহিমায় খ্রিস্টের প্রত্যাবর্তন এবং পৃথিবীতে ঈশ্বরের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা হবার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তবে মৃত্যুর পর তাদের সাথে কী হবে সেই ধারণায় প্রচলিত বিশ্বাস থেকে তারা ভিন্নমত পোষণ করতেন।

    আনুষ্ঠানিক খ্রিস্টধর্মীয় মতবাদ হচ্ছে, শেষবিচারের দিনে সমস্ত মানুষকে দুটি দলে ভাগ করা হবে। একটি দল তাদের অনন্তকাল কাটাবে নরকে, জীবদ্দশায় করা তাদের সব পাপকর্মের শাস্তি হিসাবে। এবং অন্যদিকে সন্মানুষরা স্বর্গের অনন্ত পরমানন্দে বসবাস করার অধিকার অর্জন করবেন। এলেন হোয়াইট এই মতবাদটিকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন :

    ভালোবাসা আর দয়ার প্রতিটি আবেগের কাছে, এমনকি আমাদের ন্যায়বিচারের ধারণার কাছেও কতটা অসহনীয় আর অগ্রহণযোগ্য হতে পারে এমন কোনো মতবাদ, যা দাবি করছে পাপী মৃতরা অনন্তকাল একটি জ্বলন্ত নরকে আগুন আর গন্ধকে জীবন্ত দগ্ধ হতে থাকবেন, আর সংক্ষিপ্ত পার্থিব জীবনের পাপের জন্যে তাদের এই যন্ত্রণা সহ্য করতে হবে ঈশ্বর যতদিন বাঁচবেন ততদিন অবধি।

    পাপীদের অনন্তকালের নরক-যন্ত্রণায় না পাঠিয়ে, হোয়াইট বলেছিলেন, ঈশ্বর তাদের চিরন্তন বিস্মরণের একটি জগতে প্রেরণ করেন। সম্পূর্ণভাবেই নিশ্চিহ্ন, অনন্ত কালের নরক-যন্ত্রণা ভোগ করাই পাপীদের নিয়তি নয় বরং তারা সম্পূর্ণভাবেই অস্তিত্বহীন আর নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন। ‘আর কোনো ঈশ্বর-বিদ্রোহী ভ্ৰষ্ট আত্মাই সেখানে থাকবে না, নরকের গভীরে অনন্ত যন্ত্রণায় কুঁকড়ে থাকা কোনো আত্মা সেখানে থাকবে না, কোনো অভাগা আত্মার আর্তনাদ পরিত্রাণ পাওয়া আত্মাদের সঙ্গীদের সাথে মিলিত হবে না’। সেইন্ট থমাস অ্যাকোয়াইনাস অবশ্যই এর সাথে একমত হতেন না।

    হোয়াইটের এই ‘নরক’ বিলোপের ধারণাটি পছন্দ করেছিলেন ঊনবিংশ শতকের আরেকজন আমেরিকান, যিনি এই পৃথিবীর কখন পরিসমাপ্তি হবে সেটি অনুসন্ধান করছিলেন। চার্লস টেজ রাসেল ছিলেন পিটসবার্গের একজন দোকানি, উইলিয়াম মিলারের ভবিষ্যদ্বাণীগুলো যাকে খুব প্রভাবিত করেছিল। তবে মিলারের ব্যতিক্রম, তিনি সেই মহা-আশাভঙ্গের হতাশার কাছে পরাজয় স্বীকার করেননি যখন যিশুর প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি তাদের ধারণামতো ঘটেনি। তিনি এই সমস্যাটির সমাধান করেছিলেন এই বলে যে, যিশু আসলে ফিরে এসেছেন, তবে তিনি তার উপস্থিতি লুকিয়ে রেখেছেন অদৃশ্য একটি চাদরের আড়ালে। সুতরাং এই দিনগুলোই ‘ছিল’ শেষদিন এবং সেই ‘এন্ড টাইম বা শেষ সময় আসলেই ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এটি দৃশ্যগতভাবে এর চরম শিখরে উঠবে ১৯১৪ সালে আরমাগেডনের শেষ যুদ্ধের সময়।

    স্কটিশ-সংস্কারক জন নক্সের মতো, রাসেলও ওল্ড টেস্টামেন্টের নবী ডানিয়েলকে নিউ টেস্টামেন্টের নবী জনের সাথে এক করে ফেলেছিলেন, যিনি বুক অব রিভিলেশন লিখেছিলেন। জনকে আইলে অব পাটমসে নির্বাসিত করা হয়েছিল যখন রোমসম্রাট ডমিসিয়ান চার্চ এবং খিস্টানদের উপর তার নির্যাতনপর্বটি শুরু করেছিলেন। এভাবে বইটি শুরু হয়েছিল, যিশুখ্রিস্টের কাছে আসা ঐশী প্রত্যাদেশ, যা ঈশ্বর তাকে জানিয়েছিলেন, সেইসব কিছু তার ভৃত্যদের প্রদর্শন করতে, খুব শীঘ্রই যা শেষ হতে যাচ্ছে…’। জন এরপর আমাদের বলেন, তিনি একধরনের ধ্যানে নিমগ্ন ছিলেন লর্ডস ডে’ বা রোববারে এবং তিনি একটি কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছিলেন, ‘দেখো, একজন চোর হিসাবে আমি এসেছি। সেই ব্যক্তি আশীর্বাদপুষ্ট, যিনি সতর্ক নজর রাখেন…’। এই কণ্ঠটি ঘোষণা করেছিল যে, শেষ যুদ্ধটি সংঘটিত হবে এমন একটি জায়গায় হিব্রুভাষায় যে-জায়গাটির নাম আর্মাগেডন’। জেরুজালেমের উত্তরে একটি মাঠের নাম ছিল আমাগেডন, এবং ইজরায়েলের ইতিহাসে বেশকিছু যুদ্ধ এখানে সংঘটিত হয়েছিল।

    এটুকুই রাসেলের জন্য যথেষ্ট ছিল। ১৮৭৯ সালে তিনি একটি নতুন ধর্মীয় আন্দোলনের সূচনা করেন, যার নাম ছিল দ্য ওয়াচটাওয়ার, সেইসব অনুসারীদের জন্যে যারা যিশুর দ্বিতীয় আগমন ও এর পরে আসা আর্মাগেডনের ব্যাপারে সতর্ক নজর রেখেছেন। ভবিষ্যতে কী আসছে সেই বিষয়ে তাদের পক্ষে যতটা সম্ভব তত সংখ্যক মানুষকে তারা সতর্ক করতে চান। যদিও তাদের হিসাব অনুযায়ী শুধুমাত্র ১৪৪,০০০ জন মানুষ এর থেকে পরিত্রাণ পাবেন। বাকি সবাই, যেমন, এলেন হোয়াইট ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হবার জন্যে নিয়তি-নির্দিষ্ট। রাসেল অ্যাডভেন্টিস্টদের থেকে অনেক কিছু গ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু তার এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় তিনি খুবই বাছবিচার করেছিলেন। নরকের ধারণাটি বাদ দিতে পেরে তিনি খুশি হয়েছিলেন, তবে তিনি আরো কিছু বাদ দিতে চেয়েছিলেন। ট্রিনিটির ধারণাটি বাদ দিতে হবে, ঈশ্বর বা জিহোভা, তাকে যে নামে ডাকতে তিনি পছন্দ করতেন, শুধুমাত্র তাকেই তার দরকার।

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনায় একধরনের আর্মাগেডন আসলেই ১৯১৪ সালে ইউরোপকে আক্রমণ করেছিল। কিন্তু এমন কিছু নয় যা রাসেল প্রত্যাশা করেছিলেন। এবং যখন তিনি ১৯১৬ সালে মারা যান, তিনি তখনো আসল আর্মাগেডনের জন্যে অপেক্ষা করছিলেন। ওয়াচটাওয়ারের নেতা হিসাবে যে মানুষটি তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন, তিনি ছিলেন খুব দক্ষ একজন ব্যবসায়ী, জোসেফ আর. রাদারফোর্ড। তিনি খুব দ্রুত রাসেলের অনুসারীদের একটি দীর্ঘ আন্দোলনের জন্য সংগঠিত করেছিলেন। ১৯৩১ সালে তিনি তাদের নাম বদলে রাখেন ‘জিহোভাস উইটনেস’। তিনি অনুসারীদের ওপর কঠোর শৃঙ্খলা আর নিয়ম আরোপ করেছিলেন, যা তাদের চারপাশের মূলধারার সমাজ থেকে পৃথক করে রেখেছে। তিনি তাদের পৃথিবী থেকে সরিয়ে, অন্তর্মুখী করে তুলেছিলেন।

    বেশ সাহসের প্রয়োজন হয় যখন কেউ আধুনিক সমাজ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় এর সব মূল্যবোধকে প্রত্যাখ্যান করে, এমনকি যেভাবে এটি চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকে। জিহোভাস উইটনেসের সদস্যরা কোনো রক্ত পরিসঞ্চালন গ্রহণ করেন না। রক্ত তাদের জন্যে জীবন এবং শুধুমাত্র ঈশ্বরই সেটি দিতে পারেন। সুতরাং তারা মাঝে মাঝে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আইনের মুখে পড়েন তখন তারা তাদের শিশুদের শরীরেও রক্ত পরিসঞ্চালন করতে বাধা দেন। আর এভাবে সারা পৃখিবীর বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ব্যাপারটি কোনো একটি গোষ্ঠীকে খুব শক্তিশালী আত্মপরিচয়ের একটি অনুভূতি দিতে পারে। আর সব নির্যাতন এই সংকল্পটিকে আরো দৃঢ়তর করে তুলতে পারে। এছাড়া যদি এর বিশ্বাস নিয়ে কেউ মন পরিবর্তন করেন, এমন কোনো পক্ষে সেই গোষ্ঠী থেকে তার হয়ে আসার ব্যাপারটিকেও এটি খুব কঠিন করে তোলে।

    রাদারফোর্ড ১৯৪২ সালে মৃত্যুবরণ করেছিলেন। আমাগেডন তখনো আসেনি, যদিও এর একটি ভালো অনুকরণ, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখন চলছিল। আরো একবার জিহোভাস উইটনেসের সদস্যরা এই হতাশা সহ্য করেছিলেন। নতুন নেতারা ইতিহাসে আরো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে তাদের পরামর্শ দিয়েছিলেন। খ্রিস্ট অবশ্যই ফিরে আসবেন, সুতরাং নজর রাখা অব্যাহত রাখুন। মর্মনদের মতো, উইটনেস সদস্যরা দ্বারে দ্বারে ঘুরে ধর্ম প্রচার করার ব্যাপারে বেশ উৎসাহী। এবং তাদের আন্দোলনে এভাবে আরো সমর্থক তৈরি করা তারা এখনো অব্যাহত রেখেছেন। তাদের উপাসনালয়গুলোকে চার্চ বলা হয় না, কিংডম হল’ বলা হয়। সারা পৃথিবীজুড়েই তারা তাদের মতাদর্শ প্রচারে একটি ম্যাগাজিন বিক্রয় করে, ‘দ্য ওয়াচটাওয়ার। তারা প্রহরীর মতো নজর রেখেছে এখনো, দিগন্তে চোখ রেখে, যিশুর জন্যে, যিনি রাতে চোরের ছদ্মবেশে ফিরে আসবেন।

    সেভেন্থ ডে অ্যাডভেন্টিস্ট আর জিহোভাস উইটনেসের মতো ধর্মগোষ্ঠীগুলো বাইবেলের সবচেয়ে অদ্ভুত আর বিব্রতকর একটি বিষয় আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সেই বাস্তব তথ্যটি : দুই হাজার বছর অপেক্ষা আর নজরদারির পরেও, খ্রিস্ট এখনো ফিরে আসেননি। উদার খ্রিস্টানরা এই সমস্যাটির মোকাবেলা করে থাকেন খানিকটা সূক্ষ্ম উপায়ে। তারা দ্বিতীয় আগমনকে অবিশ্বাস করেন না, কিন্তু কীভাবেই বা তারা সেটি করবেন? কারণ এটি খুব দৃঢ়ভাবে বাইবেলের ভিত্তিতে আছে। তাদের বিশ্বাসে এটি বারবার আলোচিত হয়েছে। ক্রিসমাসের আগের মাসটি- ‘অ্যাডভেন্ট’ –এই বিষয়ের অর্থ নিয়ে ধ্যান করার সময় হিসাবে বেছে নেওয়া হয়েছে।

    তারা এটিকে মোকাবেলা করার এমন কিছু প্রস্তাব করে যে, ঈশ্বরের সেই রাজ্য ইতিমধ্যে এখানে উপস্থিত। খ্রিস্টানদের যা করতে হবে তা হলো এর প্রমাণ খুঁজে বের করতে হবে। এটির সন্ধান মিলবে যেখানে দরিদ্র আর অসহায়দের সহায়তা করা হবে, অবিচার আর অন্যায়কে চ্যালেঞ্জ করা হবে। এটি সেখানে পাওয়া যাবে, যেখানে ভালো মানুষরা এই পৃথিবীতে আরো উত্তম করে গড়ে তুলতে কাজ করবেন, এমন একটি পৃথিবী হবে সেটি, যা অনেকটাই যিশুর বর্ণিত সেই ঈশ্বরের রাজ্যের মতো। আর এই দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থনে যিশু প্রয়োজনীয় উদ্ধৃতিও আছে। সেগুলো এসেছে এমন একটি বই থেকে, যা নিউ টেস্টামেন্টে জায়গা। পায়নি। যদিও এটি যিশুর সত্যিকারের বক্তব্য ধারণ করে। এটির নাম ‘গসপেল অব টমাস’। এখানে অনুসারীরা যিশুকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কখন এই রাজ্যটি আসবে’? যিশু উত্তরে বলেছিলেন, এর জন্যে অপেক্ষা করে বসে থাকলে এটি আসবে না। এটি শুধুমাত্র মুখে বলা কোনো কথার কথা নয়, এখন এসেছে বা ঐ যে আসছে ইত্যাদি, বরং পিতার রাজ্য সারা পৃথিবীতেই ছড়িয়ে আছে, আর কেউই সেটি দেখতে পাচ্ছে না।

    এই দৃষ্টিভঙ্গিকে দ্বিতীয় আগমনের সত্যিকারের বিশ্বাসীরা দুর্বল একটি ধারণা বলেই মনে করেন। তারা আরো সুস্পষ্ট জীবন্ত কিছু চান। তারা একটি আর্মাগেডন চান। আর আমেরিকার খ্রিস্টধর্ম এই আর্মাগেডন সরবরাহ করতে সফল হয়েছে। হয়তো এর কারণ আমেরিকানরা নিজেদের ঈশ্বর-নির্বাচিত একটি জাতি হিসাবে দেখেন, ব্যতিক্রম একটি জনগোষ্ঠী যাদের ঈশ্বর-নির্দেশিত একটি নিয়তি আছে। আমরা যেভাবে এটি ব্যাখ্যা করি না কেন, খ্রিস্টধর্মের ইতিহাসে আমেরিকা এমন বহু ধর্মগোষ্ঠী দিয়ে পূর্ণ, যারা পৃথিবীর পরিসমাপ্তি আর খ্রিস্টের ফিরে আসার জন্যে অপেক্ষা করেছেন। এবং তারা এখনো সেটি কামনা করছেন। প্রায়শই নতুন নবীদের আবির্ভাব হয়, যারা ঘোষণা করেন শেষদিন আসন্ন প্রায়। এবং সেই বার্তাটিকে তাদের অনুসারীদের মনের গভীরে প্রবেশ করাতে তারা নতুন আর বিচিত্র নানা উপায়ও খুঁজে নেন। তাদের মধ্যে সবচেয়ে সফল কয়েকটি উপায়ে এই বার্তাগুলো প্রচার করতে একটি দীর্ঘ কাহিনির আশ্রয় নিয়েছে, আর সেটি ধারাবাহিক একটি উপন্যাসের রূপে, যা কেউ তাদের স্থানীয় সুপার মার্কেট থেকে কিনতে পারেন।

    ধর্মপ্রচারকারী মিনিস্টার টিম লাহায়েকে বলা হয় গত চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাববিস্তারকারী একজন আমেরিকান খ্রিস্টান। তিনি মূলত যিশুর দ্বিতীয় আগমনের কাহিনিতে নতুন করে প্রাণের সঞ্চার করেছিলেন, বলা যায় একধরনের বৈদ্যুতিক উত্তেজনা তিনি সেখানে সঞ্চারিত করেছিলেন। তার লেফট বিহাইন্ড’ ধারাবাহিকে ষোলোটি উপন্যাস আছে। সমসাময়িক প্রেক্ষাপট থেকে বইগুলো এর শক্তি সঞ্চয় করেছে। এই বইগুলোর কাহিনির প্রেক্ষাপট ইজরায়েল নয়। এটি ঘটছে এখনই, বর্তমান এই সমস্যাপূর্ণ আর সহিংস পৃথিবীতে। ‘দ্য রাপচার’ নামে পরিচিত এই বইগুলোর ঘটনা ইতিমধ্যেই ঘটেছে, অর্থাৎ শেষ শুরু হয়েছে। এবং সত্যিকারের বিশ্বাসীরা যে-মুহূর্তে এটি শুরু হয়েছে, তারা সেই মুহূর্তে যা কিছু করছিলেন সেখান থেকে স্বর্গে আরোহণ করেছেন। তারা যদি তখন গাড়ি বা উড়োজাহাজ চালাতে থাকেন, তাদের চালকের সিট থেকে অনন্তজীবনে টেনে তুলে নেওয়া হয়েছে, তাদের পরিত্যক্ত গাড়ি বা উড়োজাহাজ চোখ-ধাঁধানো বিস্ফোরণে বিস্ফোরিত হয়েছে।

    আর ‘লেফট বিহাইন্ড’ বিশ্বটি বিশৃঙ্খলতায় পতিত হয়েছে, এবং সবাই পাগলের মতো একজন নেতাকে খুঁজছেন, যিনি তাদের এই ভয়াবহ আতঙ্কিত পৃথিবী থেকে উদ্ধার করতে পারবেন। এবং একজন আবির্ভূত হয়েছিলেন সেই দৃশ্যে। তারা তাকে জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল হিসাবে নির্বাচিত করেছিল, কারণ তাদের মনে হয়েছিল, তিনি একমাত্র ব্যক্তি যিনি এই গ্রহে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারবেন। কিন্তু পৃথিবীর মানুষরা যা জানতেন না, সেটি হচ্ছে তিনি আসলে বাইবেলে ভবিষ্যদ্বাণী করা সেই অ্যান্টি-ক্রাইস্ট বা খ্রিস্টবিরোধী একজন চরিত্র। একজন প্রতারক, যিনি পৃথিবীকে ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর। সেই বিস্ট বা পশু! যদি এই কাহিনিটি রিফরমেশনের সেই সময়ের হতো, তাকে হয়তো তারা পোপের আসনে বসাতেন। কিন্তু খ্রিস্টীয় আমেরিকানদের ঘৃণার পাত্র আজ আর পোপ নয়। এটি হচ্ছে জাতিসংঘ। উপন্যাসগুলোয় একজন পাইলট আর তার কিছু বন্ধু খুব দ্রুত বুঝতে পেরেছিলেন কী ঘটছে। তারা এই নতুন অ্যান্টি-ক্রাইস্টের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করেন, যারা বাকি সব প্রত্যাখ্যাতদের প্রস্তুত করেন সেই ‘গ্রেট ট্রাইবুলেশন’ পর্বের জন্যে, আর সেটি হচ্ছে পৃথিবীর শেষদিনটির একটি ভূমিকা। এ-যাবৎ এই উপন্যাসগুলোর ৬৫ মিলিয়ন কপি বিক্রয় হয়েছে। মহাপ্রলয় বা শেষদিনের ধর্ম নিয়ে এখনো অনুশীলন অব্যাহত রাখতে আমেরিকার যথেষ্ট পরিমাণ দম আছে।

    কিন্তু এটাই একমাত্র ধর্ম নয়, গত শতবছরে সেখানে যা আবির্ভূত হয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }