Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৬. অতীন্দ্রিয়বাদী এবং চলচ্চিত্র তারকা

    অধ্যায় ৩৬. অতীন্দ্রিয়বাদী এবং চলচ্চিত্র তারকা

    ধর্মের ইতিহাসের শিক্ষার্থীরা চার্চ আর সেক্ট বা ধর্মগোষ্ঠীর মধ্যে একটি পার্থক্য। চিহ্নিত করে থাকেন। একটি চার্চ কোনো একটি সেক্ট থেকে সাংগঠনিকভাবে অনেক বেশি জটিল। এটি নানাধরনের বিশ্বাসকে ধারণ করে, আর সেই বিশ্বাসগুলোর মধ্যে একধরনের ভারসাম্য বজায় রাখতে চেষ্টা করে। কোনো সেক্ট বা ধর্মগোষ্ঠী মূলত ধর্মের কোনো একটি বিশেষ দিককে আঁকড়ে ধরে, আর সেটাই তাদের ধর্মবিশ্বাসের কেন্দ্রীয় বিষয়ে পরিণত হয়। আগের অধ্যায়ে আমরা দেখেছি কীভাবে সেভেন্থ ডে অ্যাডভেন্টিস আর জিহোভাস উইটনেস বাইবেলের কিছু অংশের ওপর বিশেষভাবে জোর দিয়েছিল, যে-অংশটি শেষবিচার এবং সময় আর ইতিহাসকে সমাপ্ত করতে যিশুর প্রত্যাবর্তনের বিষয় নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিল। আর সে-কারণেই শ্রেণিবিন্যাসকারীরা তাদের বোর্ডের উপর এদের চার্চ নয় বরং সেক্ট হিসাবে পিন দিয়ে সেঁটে রাখেন। ১৮৭৯ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকার বোস্টনে ‘দ্য চার্চ অব ক্রাইস্ট সায়েন্টিস্ট’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল আর এটিকেও একটি সেক্ট হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছিল। যিশুখ্রিস্টের জীবনে একটি বিশেষ দিকের ওপর এই গোষ্ঠীটি জোর দিয়েছিল এবং যে-বিষয়টিকে তারা তাদের গোষ্ঠীর মূল ভাবনা হিসাবে অনুসরণ করেছিল।

    আর সেই দিকটি হচ্ছে একজন হিলার বা নিরাময়কারী হিসাবে যিশুর কাজ, যা ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স (খ্রিস্টীয় বিজ্ঞান)-এর মূল লক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করেছিল। আর যে নবী এই আন্দোলনটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তিনি ছিলেন মেরি বেকার, ১৮২১-এ নিউ হ্যাঁম্পশায়ারে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। মেরি শৈশব থেকেই অসুস্থ আর বেশ দুর্বল শরীরের ছিলেন, আর বিরতিহীন অসুস্থতা আমৃত্যু তাকে অনুসরণ করেছিল। মার্কের গসপেলে বর্ণিত সেই নারীর মতো, যাকে চিকিৎসকের হাতে অনেক দুর্দশা সহ্য করতে হয়েছিল, আরোগ্য অনুসন্ধানে মেরিও অনেক সময় ব্যয় করেছিলেন। গতানুগতিক চিকিৎসা ছাড়াও তিনি সম্মোহন ও অন্যান্য বিকল্পপদ্ধতিও চেষ্টা করেছিলেন। কোনোকিছুই বেশিদিন কাজ করেনি। তারপর ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি একবার বরফে ঢাকা রাস্তায় পিছলে পড়ে গিয়েছিলেন এবং সেই আঘাতে তার মেরুদণ্ডের বেশ ক্ষতি হয়েছিল। তবে চিকিৎসার জন্যে এবার তিনি ভিন্নকিছু চেষ্টা করেছিলেন। তিনি চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের কাছে না গিয়ে। বরং নিউ টেস্টামেন্টে একটি সমাধান খুঁজেছিলেন। ম্যাথিউ’র গসপেলের একটি অংশ নিয়ে ধ্যান করার সময়, যেখানে যিশু একজন পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তিকে উঠে দাঁড়িয়ে হাঁটতে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তিনি নিজেও সেই নিরাময়ের অভিজ্ঞতা লাভ করেছিলেন। আর শুধুমাত্র তার ক্ষতিগ্রস্ত মেরুদণ্ডেরই নিরাময় হয়নি, তিনি বিশ্বাস করেছিলেন তিনি সেই বিজ্ঞানটি আবিষ্কার করতে পেরেছেন, যা যিশুর এই আরোগ্যদান করার ঘটনাগুলোর ভিত্তি।

    এছাড়া যে-অনুধাবনটি তার মনে এসেছিল সেটি হচ্ছে : অসুখের ভিত্তি হচ্ছে একটি বিভ্রম বা মায়া। আর সেই মায়াটি হচ্ছে পদার্থের একটি স্বতন্ত্র অস্তিত্ব আছে বলে মনে করা। কিন্তু পদার্থের সে-ধরনের কোনো অস্তিত্ব নেই। এগুলো সৃষ্টি করেছে ঈশ্বরের মন। মন হচ্ছে এর কারণ। পদার্থ হচ্ছে এর ফলাফল। সুতরাং নিরাময় পাবার উপায় হচ্ছে বস্তু বা পদার্থের ওপরে মনের ব্যবহার। এভাবে তিনি তার সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ’ বইটিতে লিখেছিলেন : ‘মানুষের জ্ঞান এগুলোকে পদার্থের শক্তি নামে ডাকে। কিন্তু স্বর্গীয় বিজ্ঞান ঘোষণা করেছে যে, সেগুলো সম্পূর্ণভাবেই স্বর্গীয় মনের অংশ… আর এই মনেরই অন্তর্গত অংশ। বস্তুর ওপর মন, এই মূলনীতি মানব দুঃখ লাঘবে ব্যবহার করা মানে স্বীকৃতি দেওয়া, যে-অসুখগুলো আমাদের আসলে আক্রান্ত করেছে সেগুলোর কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই। এগুলো ছলনা, বিভ্রম, মায়া, মনের ওপর বস্তুর কারসাজি। আর আরোগ্যলাভের উপায় তাই ডাক্তারদের মাধ্যমে নয়, যারা একই খেলা খেলছেন, বস্তুবাদী খেলা। ঈশ্বরের ভালোবাসার শক্তির সামনে নিজেদের উন্মোচন করার মাধ্যমেই কেবল আরোগ্য আসে, আমাদের সুস্বাস্থ্য আর বাস্তবতাটি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে, যা এই অসুস্থতার বিভ্রমটি দূর করে। ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স আমাদের অসুস্থতা থেকে আরোগ্য দান করছে না। এটি সেই বিভ্রমটি থেকে আমাদের মুক্তি দেয়, যা আমাদের বিশ্বাস করিয়েছিল যে, আমাদের সেই অসুখটি আছে!

    আর এটি এমন কোনো মতবাদ ছিল না, যা-কিনা নিউ ইংল্যান্ডের মূলধারা চার্চগুলো মেনে নিতে প্রস্তুত থাকতে পারে। তারা বিশ্বাস করতেন না যে, এত সহজেই মানব-দুর্দশা লাঘব করা সম্ভব হতে পারে। এর আসলেই অস্তিত্ব আছে, কোনো বিভ্রম নয়। তারা সন্দেহ করেছিলেন, মেরি বেকার, ‘পাপ’ আর ‘স্বর্গীয় বিচারে’ বাস্তবতা কিংবা স্বর্গ আর নরকের ধারণাটি বিশ্বাস করেন না। আর তিনিও আসলেই তা বিশ্বাস করতেন না। তার বইয়ে সবার জন্যে পরিত্রাণের নিশ্চয়তা ছিল। আর কোনো সমস্যাই সমাধানের ঊর্ধ্বে নয়, একবার যখন বস্তুর ওপর মনের সেই মূলনীতিটি বোঝা সম্ভব হবে। তার এই আবিষ্কারের সাথে মূলধারা চার্চের বিরোধিতায় হতাশ হয়ে, মেরি ১৮৭৯ সালে বোস্টনে, তার তৃতীয় স্বামী এ. গিলবার্ট এডিকে নিয়ে (যাকে তিনি ১৮৭৭ সালে বিয়ে করেছিলেন) চার্চ অব। ক্রাইস্ট সায়েন্টিস্ট’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯০৮ সালে তিনি একটি সংবাদ পত্রিকাও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, ‘দ্য ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটর’, যা এখনো প্রকাশিত হয় এবং ব্যাপকভাবে সম্মানিত। একই সাথে বিখ্যাত মাদার’ চার্চ অব ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স’টিও, যা বোস্টনের ব্যাক বে এলাকায় চৌদ্দ একরের একটি বিশাল ভূমির উপর দাঁড়িয়ে আছে।

    ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্সের ধর্মীয় সভায় মূলত বাইবেল এবং মেরি বেকার এডির মূল কাজ থেকে পড়া হয়, বিশেষ করে তার সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ’ বইটি। এছাড়া স্তব সংগীত গাওয়া হয় এবং নীরবতা পালন করা হয়। কিন্তু শুধুমাত্র একধরনের প্রার্থনা ব্যবহার করা হয়, সেটি হচ্ছে লর্ডস প্রেয়ার। ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স কখনোই ব্যাপক গণআন্দোলনে পরিণত হতে পারেনি কিন্তু পৃথিবীর বহু জায়গায় এটি বিস্তার লাভ করেছিল। বহু শহরেই আপনি এই ধর্মগোষ্ঠীর কোনো একটি রিডিংরুম পাবেন, যেখানে মেরি বেকার এডির লেখা প্রদর্শনীতে সংরক্ষিত আছে, আর আপনি খুঁজে বের করতে পারেন, কীভাবে বস্তুর ওপর মনের সেই মূলনীতিটি, আপনাকে আক্রান্ত কোনো অসুখ থেকে মুক্তি পাবার উদ্দেশ্যে আপনি ব্যবহার করবেন। ১৯১০ সালে বোস্টনের একটি শহরতলীতে তার নিজের বাড়িতে মেরি বেকার মৃত্যুবরণ করেছিলেন।

    চল্লিশ বছর পরে, ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে, আরেকটি আমেরিকান ধর্মের জন্ম হয়েছিল, যা ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্সের চেয়ে আরো অনেক বেশি আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বিরোধী ছিল। এই ধর্মগোষ্ঠীটি তাদের নাম দিয়েছিল, চার্চ অব সায়েন্টোলজি’, এবং এর নবী ছিলেন কল্প-বিজ্ঞানের একজন লেখক, লাফায়েট রোনাল্ড হুবার্ড, যিনি ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। হলিউডের তারকাদের মধ্যে এই ধর্মটি বেশ জনপ্রিয়। টম ক্রুজ আর জন ট্রাভোল্টা তাদের পেশাগত সাফল্যের জন্যে এই ধর্মের অনুশীলন আর মূলনীতির কাছে ঋণস্বীকার করেছিলেন। সায়েন্টোলজি আধুনিক প্রযুক্তি এবং মনো-বিশেষণের নানা কৌশল ব্যবহার করে থাকে। এর ভিত্তিমূলক দর্শনটি হচ্ছে পুনর্জন্ম-সংক্রান্ত প্রাচীন হিন্দু মতবাদ বা সামসারা’। এটি ‘থিটানস’ নামক একধরনের অমর আত্মাদের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে, যারা বহু ট্রিলিয়ন বছর ধরে একটি শরীর থেকে অন্য শরীরে প্রচরণ/ভ্রমণ করে আসছে। সায়েন্টোলজিতে এর খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে নিশ্চিত হওয়া বেশ মুশকিল, কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে এই থিটানরা কারো দ্বারা সৃষ্ট বলে মনে হয় না। তারা নিজেরাই এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা। আর সেই মহাবিশ্বের মধ্যে তাদের কাজকর্ম পরিচালনার জন্যে তারা নিজেদের জন্য নানাধরনের বাহন সৃষ্টি করেছিলেন, আর মানুষের শরীর হচ্ছে তাদের সৃষ্টি করা বহু রূপগুলোর মধ্যে একটি মাত্র।

    আর এখানে বিষয়গুলো আরো বেশি জটিল হয়ে উঠতে শুরু করে। পৃথিবীর সব ধর্মগুলোই অশুভ বিষয় আর দুঃখকে ব্যাখ্যা আর সেটি একটি প্রতিকার সরবরাহ করার চেষ্টা করেছে। বাইবেল যেমন অদ্বিতীয় ঈশ্বরের অবাধ্য হয়ে করা একটি কাজকে এর জন্য দায়ী করেছিল, ঈশ্বরের করুণা আর দয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার মতো একটি পতন, যার কারণে ইডেন থেকে আদম আর হাওয়াকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। আর মানব-ইতিহাস সেই পাপের প্রায়শ্চিত্ত আর স্বর্গে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবার একটি অনুসন্ধানে পরিণত হয়েছিল। হিন্দু ধর্মতত্ত্বে এটি ছিল কার্মা, কর্মের সূত্র, আমাদের যা বহু মিলিয়ন জীবনের চক্রের মধ্যে প্রচলিত করে, এতদিন-না আমরা সব পাপ থেকে মুক্ত হতে পারি এবং পরিশেষে নির্বাণে মুক্ত হতে পারি। সায়েন্টোলজি-এর শিক্ষায় এই দুটি জায়গা থেকেই প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করেছিল।

    বহু মিলিয়ন জীবনের মধ্যে দিয়ে তাদের এই পরিক্রমায় থিটানরা তাদের কাটানো জীবনগুলোর অভিজ্ঞতার আঘাতজনিত কারণেই আবেগীয় এবং মনোজাগতিক স্তরে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। এটি তাদের ক্ষতিগ্রস্ত আর দুর্বল করে। তোলে, যেভাবে খুব সহিংস কোনো শৈশব একজন মানুষের প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের ওপর ছায়া ফেলে। আর এই ক্ষতিকর অভিজ্ঞতাগুলোর কিছু ঘটে দুর্ঘটনাবশত। হুবার্ড তাদের বলেছিলেন এনগ্রামস। এগুলো শুধুমাত্র ক্ষত, যা এক সময় থিটানদের ওপর ফেলে যায়, যখন তারা বহু মিলিয়ন জীবনের মধ্যে তাদের ভ্রমণ। করে থাকে, যা মূলত সাধারণ কাটাছেঁড়ার মতোই। কখনো এই ক্ষতি পরিকল্পিত এবং উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত, যা থিটানরাই আরোপ করে, যারা অশুভ দিকে ঝুঁকে পড়েছিল এবং অন্য থিটানদের ওপর যারা নিয়ন্ত্রণ করতে চায়।

    হুবার্ড মানবমনের ওপর এইসব পরিকল্পিত ক্ষতগুলোর নাম দিয়েছিলেন ‘ইমপ্লান্টস’। এগুলো শুধুমাত্র শারীরিক কিংবা মানসিক যন্ত্রণারই মূল উৎস নয়, এগুলো খারাপ ধারণারও উৎস, যা পরিকল্পিতভাবে থিটানদের দিভ্রান্ত করে বিপথে পরিচালনা করতে রোপণ করা হয়েছে। তিনি লিখেছিলেন : ‘এই ইমপ্লান্টের পরিণতি হচ্ছে নানা ধরনের অসুখ, উদাসীনতা, পদভ্রষ্টতা, নিউরোসিস আর মানসিক অসুস্থতা’। আর মানুষের সব দুর্গতির কারণই হচ্ছে এটি। তিনি বলেছিলেন, স্বর্গ-সংক্রান্ত খ্রিস্টীয় ধারণাটি ৪৩ মিলিয়ন বছর আগে মানবমনের মধ্যে প্রবিষ্ট করা হয়েছিল। আর প্রতারণার একটি কৌশল হিসাবে খুব সতর্কভাবে পরিকল্পিত দুটি ইমপ্লান্টই মূলত থিটানদের ভাবতে প্ররোচিত করেছিল যে, অসীমসংখ্যক ধারাবাহিক জীবনের বদলে তারা একটি মাত্র জীবন পাবেন।

    এনগ্রাম আর ‘ইমপ্লান্টগুলো হচ্ছে সায়েন্টোলজির একটি সংস্করণ, খ্রিস্টধর্মে যেটিকে বলা হয় পতন বা ‘দ্য ফল’। মানব-দুর্দশার ব্যাখ্যা হচ্ছে এগুলো। এবং যা আমাদের আক্রান্ত করেছে তার জন্যে সায়েন্টোলজির নিরাময়টি একইভাবে সুনির্দিষ্ট। এনগ্রামগুলো নিজেদের মানুষের অবচেতন বা হুবার্ডের ভাষায় ‘রিঅ্যাকটিভ মাইন্ড’ বা ‘প্রতিক্রিয়াপ্রবণ’ মনের সাথে যুক্ত করে ফেলে, যা আমাদের জীবনে হতাশাগুলোকে উসকে দেয়। এর থেকে মুক্তি আসে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় বিশোধন বা সেগুলোকে ‘পরিষ্কার করার মাধ্যমে, যে-প্রক্রিয়াটিকে ‘অডিটিং’ বলা হয়। শুনলে মনে হতে পারে একজন কাউন্সিলর কোনো রোগীর কথা শুনছেন, যিনি ধীরে ধীরে অতীতের কোনো ঘটনার বিবরণ দিচ্ছেন, বর্তমানে যা তার হতাশার কারণ। কিন্তু সায়েন্টোলজি সেভাবে কাজ করে না। অডিটররা শোনেন তবে সেটি করার জন্যে তারা প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। তাদের একটি যন্ত্র আছে, যাকে বলা হয় ইলেক্ট্রোসাইকোমিটার অথবা ই-মিটার, যা লাই-ডিটেক্টর যন্ত্রের মতো কাজ করে। এই ই-মিটার অডিটরদের সেই প্রশ্নগুলো খুঁজতে সহায়তা করে, যা মনের গভীরে ডুবে-থাকা স্মৃতিকে চেতনার স্তরে উন্নীত করে নিয়ে আসে। প্রতিটি এধরনের সেশনের উদ্দেশ্য হচ্ছে একটি ‘উইন’ বা উন্মোচনের একটি মুহূর্ত। এই ‘উইন’ অপরাধী অভিজ্ঞতাগুলোকে চেতনার উপরের স্তরে নিয়ে আসে এবং যেখানে যন্ত্রটি ইলেক্ট্রিক শক দিয়ে এটি বিলুপ্ত করে দেয়। এমন নয় যে, ঘটনাটি মনে করা হয়েছে এবং তারপর এটি নিরাময় হয়েছে। এটি স্মৃতি থেকেই চিরতরে সরিয়ে দেওয়া হয়। অতীতের কোনোকিছুর জন্য স্বীকারোক্তি করা হয় না বা এর জন্য প্রায়শ্চিত্ত করা হয় না, এটি মন থেকে মুছে ফেলা হয়।

    সায়েন্টোলজিতে এটি ছাড়াও অন্য আরো পরিত্রাণমূলক কৌশল আছে, যার মাধ্যমে এটি এর অনুসারীদের নিজস্ব সংস্করণের একটি পরিত্রাণ সরবরাহ করে। কিন্তু এই পরিত্রাণটি খুবই বিশেষায়িত অর্থে। এটি এই জীবনেই সীমাবদ্ধ, যে জীবন এই মুহূর্তে বিশ্বাসীরা কাটাচ্ছেন। সুতরাং কোনো চূড়ান্ত মুক্তি কিংবা নরকদণ্ড নেই। কোনো স্বর্গ বা নরক নেই। জীবন মাত্র একবার কাটানোর বিষয় নয়। শুধুমাত্র এই জীবনের পরে অন্য জীবনে চিরন্তন প্রত্যাবর্তন। এটি একটি ‘সামসারা’ যেখানে নির্বাণ নেই। আর সায়েন্টোলজি যা করে সেটি হচ্ছে, আপনার শরীর থেকে এনগ্রামগুলো বিশোধন আর ইমপ্লান্টগুলোর উপস্থিতির স্বীকৃতি দিয়ে আপনার সাম্প্রতিক জীবনটিকে উন্নত করে তোলে।

    কিন্তু বিষয়টি শস্তা নয়। আপনাকে এইসব নিরাময়ের পদ্ধতিগুলোর জন্যে সত্যিকারের অর্থ ব্যয় করতে হবে। আর এগুলো খুবই ব্যয়সাধ্য। সায়েন্টোলজির রহস্যগুলোর যত ভিতরে আর গভীরে আপনি প্রবেশ করবেন, তত বেশি আপনাকে নগদ অর্থ অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে। আর সে-কারণে এর সমালোচকরা বলেন, এটি আসলে ‘ব্যবসা’, কোনো ধর্ম নয়। যার উত্তরে সায়েন্টোলজিস্টরা দাবি করেন যে, ধর্মীয় কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে টাকা আদায় করতে অন্য ধর্মগুলোও তাদের নিজস্ব উপায় ব্যবহার করে, তাহলে তারা কেন সেটি করতে পারবে না? লাফায়েট রন হুবার্ড ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। তবে তিনি আবার একজন সায়েন্টোলজিস্ট, নাকি অন্য কোনো রূপে ফিরে এসেছেন, তা বলা অসম্ভব। সুতরাং আমরা জানি না তিনি এখনো তার উদ্ভাবিত এই প্রোগ্রামে আছেন কিনা।

    সায়েন্টোলজির মতো ধর্মগুলো একের-পর-এক আবির্ভূত হতে থাকে, এবং তারা তাদের ধর্ম নিয়ে যা কিছু দাবি করেন, সেখানে নতুন কিছু খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল। হয়তো এর কারণ, যেমন, ওল্ড টেস্টামেন্টের বুক অব ইকলিজিয়াস্টিজ বলেছে, কোনোকিছু সম্বন্ধেই আর নতুন কিছু বলার নেই : যা কিছু ছিল তাই থাকবে এবং যা কিছু করা হয়েছে সেগুলো আবার করা হবে, এবং এই সূর্যের নিচে নতুন কিছুই নেই। আর এটি অবশ্যই সত্য শেষ যে, ধর্মটির ক্ষেত্রে, যা নিয়ে আমি আলোচনা করতে যাচ্ছি এই অধ্যায়ে : ‘দি ইউনিফিকেশন চার্চ অথবা হলি স্পিরিট অ্যাসোসিয়েশন ফর দি ইউনিফিকেশন অব ওয়ার্ল্ড ক্রিশ্চিয়ানিটি, যাদের ডাকনাম হচ্ছে, মুনিস’, আর তারা এই নামটি পেয়েছেন তাদের প্রতিষ্ঠাতা এবং নবী সুন মিউঙ মুনের নাম থেকে। মুন ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে কোরিয়ায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন। যখন তার বয়স ষোলো, একবার যিশু তার সামনে আবির্ভূত হয়েছিলেন এবং তাকে বলেছিলেন, তার লক্ষ্য পূরণ করতে তার ওপর দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। মুন যৌনতার ব্যাপারে বিশেষভাবে আগ্রহী ছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন ইভ/হাওয়া ভালোবাসা থেকে এটিকে পৃথক করে মানবতার জন্যে যৌনতাকে ধ্বংস করেছে। অ্যাডামের সাথে মিলন করা ছাড়াও, সে শয়তানের সাথে মিলিত হয়েছিল। এবং সেই কলঙ্ক পরবর্তীতে মানবতার মধ্যে প্রবেশ করেছে।

    সুতরাং এই পরিস্থিতির সমাধান করতে ঈশ্বর যিশুকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তার পরিকল্পনাটি ছিল, তিনি বিয়ে করবেন এবং পাপমুক্ত সন্তান উৎপাদন করবেন। এভাবে সায়েন্টোলজি থেকে একটি শব্দ ধার করে মানবতার যৌন-অভিজ্ঞতার মধ্যে প্রবিষ্ট ইভ/হাওয়ার সেই পাপের ইমপ্লান্ট’ বিশোধন করা যেতে পারে এবং যিশু ও তার স্ত্রী পাপহীন সন্তান উৎপাদন করতে পারবেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, সঠিক সঙ্গিনী খুঁজে বের করার আগেই যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছিল, এবং সে-কারণে মানবজাতিকে আর উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ঈশ্বরের পরিকল্পনা আবার বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল। কিন্তু এখন এটি আবার সফল হবার সব সম্ভাবনা নিয়ে আবির্ভূত হয়েছে। যিশুর অসমাপ্ত কাজটি সম্পূর্ণ করতে সুন মিউঙ মুনকে মেসাইয়া হিসাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর একটি আদর্শ পরিবার প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে এটি করা সম্ভব হবে, যার ভালোবাসার বিশুদ্ধতা অবশেষে ইভ/হাওয়ার পাপের নিষ্পত্তি করবে।

    মুনের অবশ্য চতুর্থ স্ত্রীর জন্যে অপেক্ষা করতে হয়েছিল, যিনি তার জন্যে সবচেয়ে সঠিক সঙ্গী হিসাবে প্রমাণিত হয়েছিলেন। এবং বিয়ের মাধ্যমে তিনি তার মানবতার আত্মার মুক্তির আন্দোলনটি শুরু করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তারপর তিনি তার অনুসারীদের তার উদাহরণ অনুসরণ করতে বলেন। আর তিনি সেটি একটি সম্মিলিত অনুষ্ঠানে করতে তাদের উৎসাহ দিয়েছিলেন, যেখানে কিছু সম্মানীর বিনিময়ে কয়েক হাজার দম্পতি একই সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। তাদের অনেকের ক্ষেত্রেই তাদের সঙ্গী নির্বাচন করে দেওয়া হয়েছিল। এটি নিশ্চয়ই বেশ ব্যবসা-সফল একটি পরিকল্পনা ছিল। ২০১২ খ্রিস্টাব্দে ৯২ বছর বয়সে যখন সুন মিউঙ মুন মৃত্যুবরণ করেছিলেন তখন তার সম্পদের মূল্য ছিল প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার।

    ইউনিফিকেশন চার্চ সত্তরের দশকে পশ্চিমে স্থানান্তরিত হয়েছিল এবং এর সদস্য হতে বহু তরুণকে এটি আকৃষ্ট করেছিল। ধর্মটির মূল শিক্ষার এই সংক্ষিপ্ত রেখাচিত্রটি প্রদর্শন করে কীভাবে ধর্মে ‘দ্য ফল, পাপে পতিত হওয়া এবং পরিত্রাণ পাবার মূল ধারণাগুলোর পুনরাবৃত্তি আর পুনর্নবায়ন করা হয়েছে। মানব অসন্তুষ্টি নিরন্তর এর সমস্যাগুলোর সমাধান অনুসন্ধান করে। আর সবসময়ই আরো একটি নতুন ধর্ম সরবরাহ করতে অত্যুৎসাহী কেউ মঞ্চের উইংএ দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেছেন। আর সে-কারণে পরের অধ্যায়ে একটি আন্দোলন নিয়ে আলোচনা করা স্বস্তির মনে হতে পারে, যাদের উদ্দেশ্য ধর্মের সংখ্যা বহুগুণে বাড়ানো নয় বরং তাদের একত্রে নিয়ে আসা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }