Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩৯. পবিত্র যুদ্ধগুলো

    অধ্যায় ৩৯. পবিত্র যুদ্ধগুলো

    মানব-ইতিহাসে সহিংসতাগুলোর প্রধান কারণ কি ধর্ম, যেমন অনেকেই প্রস্তাব করেছেন? অবশ্যই ধর্মে সহিংসতা অপরিচিত কোনো বিষয় নয়। অতীতে এটি সহিংসতাকে ব্যবহার করেছিল, আজও এটি সহিংসতাকে ব্যবহার করছে। কিন্তু এটি কি সহিংসতার কারণ’? বহু চিন্তাশীল মানুষ এমনটাই মনে করেন। কেউ কেউ এমনকি আরো প্রস্তাব করেন, পৃথিবী থেকে সহিংসতা নির্মূলের উপায় হচ্ছে ধর্মকে নির্মল করা। কেউ আবার এই যুক্তিটিকে আরো কিছুটা অগ্রসর করেছেন এমন কিছু বলে, যেহেতু ঈশ্বর নিজেই সহিংসতার নির্দেশ দিয়েছেন, যা মানবতার ওপর খুব বড় একটি অভিশাপ, আর মানবতাকে এই অভিশাপ থেকে রক্ষা করার শ্রেষ্ঠ উপায় হচ্ছে ঈশ্বরকেই বাতিল করা। খুব শক্তিশালী একটি অভিযোগ, এবং যে-অভিযোগটি আমরা উপেক্ষা করতে পারি না।

    আমরা যদি আমাদের এই আলোচনাটি তিনটি আব্রাহামিক ধর্ম, ইহুদিবাদ, খ্রিস্টধর্ম আর ইসলামের মধ্যে সীমিত রাখি, এই অভিযোগটি বৈধ অনুভূত হয়। ইহুদি ধর্মের আদি ইতিহাসে প্রচুর সহিংসতা আছে। এটি ছাড়া মিশরে দাসত্ব থেকে ইহুদিদের মুক্তি অর্জন করা সম্ভব হতো না। আর সেই কারণে, এই সহিংসতা আবশ্যিক ছিল কিনা সেই প্রশ্নটি করতে আমাদের এখানে একটু বিরতি নেওয়া উচিত। অন্যদের বিরুদ্ধে সহিংসতা কখনোই যুক্তিযুক্ত হতে পারে না, এমন কিছু ইতিহাসে খুব অল্প কয়েকজনই দাবি করেছেন। অবশ্যই সবসময়ের জন্য অশুভ একটি কাজ, কিন্তু মাঝে মাঝে এটি দুটি অশুভ কাজের মধ্যে অপেক্ষাকৃত কম অশুভ একটি কাজ হতে পারে। দাসপ্রথা অবশ্যই অশুভ। এটি মানুষকে মানুষ নয় বরং পশু হিসাবে বিবেচনা করে, মনিবদের খেয়াল-খুশিমতো যাদেরকে দিয়ে যে-কোনো কিছু করিয়ে নেওয়া যায় এবং মনিবের খেয়ালমতো প্রয়োজনে বাতিল করাও যায়। বর্তমান সময়ের অধিকাংশ মানুষই দাসদের অধিকার এবং মনিবদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ এবং স্বাধীনতার জন্যে তাদের যুদ্ধ করার অধিকারকে সমর্থন করবেন। আর ইহুদিরা সেটাই করেছিলেন। তারা তাদের মনিবের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন, এবং মরুভূমিতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এর পরে যা ঘটেছিল সেখানেই সবকিছু আরো জটিল হয়ে উঠেছিল।

    খ্রিস্টের জন্মের ১৩০০ বছর আগে ইজরায়েলাইটরা সেই সময়ের কানানে (এখন প্যালেস্টাইন) যে-গোত্রগুলো বসবাস করত, তাদের সাথে যা কিছু করেছিল –তারা বিশ্বাস করতেন এই গোত্রগুলো ঈশ্বরের বিরুদ্ধে পাপ করেছিল –ঊনবিংশ শতকে আদিবাসী আমেরিকানদের সাথে খ্রিস্টান বসতিস্থাপনকারীরা সেই একই কাজ করেছিলেন। পুরো একটি মানবগোষ্ঠীকে বাস্তুচ্যুত আর ধ্বংস করার এই প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করতে ব্যবহৃত আধুনিক শব্দটি হচ্ছে, ‘জেনোসাইড’ বা গণহত্যা। আর এই ঘটনাগুলোকে আসলে গণহত্যা বলাই সঠিক হবে। আর এই গণহত্যার দায়ভার অবশ্যই বাইবেলের ওপরেই দিতে হবে। ইতিহাসবিদরা হয়তো প্যালেস্টাইনে ইহুদিদের বসতি গড়তে কতটা সময় লেগেছিল, এবং আসলেই সেটি কতটা সহিংস ছিল এসব বিষয় নিয়ে বিতর্ক করতে পারেন। তবে যে-হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটেছিল সে-বিষয়ে বাইবেল খুবই সুস্পষ্ট এবং এটি বলেছে ঈশ্বরের নির্দেশে সেই গণহত্যাগুলো ঘটেছিল। আর যে-বইটিতে এর বিস্তারিত বর্ণনা আছে সেটির নাম জশুয়া। এই বইয়ে প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে সেই বাক্যগুলো, যেমন, ‘তোমরা তাদের পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করবে’ এবং ‘তারা তাদের ধ্বংস করেছিল’ এবং ‘তারা এমন কিছু বাকি রাখেনি যা শ্বাস নেয়’। জশুয়া আমাদের বলছে, তাদের জন্যে প্রতিশ্রুত ভূমিতে ইজরায়েলের গোত্রগুলোর বসতিস্থাপন করা সম্ভব হয়েছিল সহিংসতার মাধ্যমে, যার নির্দেশনা দিয়েছিলেন স্বয়ং ঈশ্বর।

    যখন আমরা খ্রিস্টধর্ম নিয়ে আলোচনা করব আমরা দেখব, এই ধর্মটিরও সহিংস একটি সূচনা ছিল, কিন্তু এটি সহিংসতার শিকার ছিল, সহিংসতাকারী ছিল না। শুরুর বছরগুলোয় এই ধর্মটি পার্থিব রাজনীতিতে নিজেকে যুক্ত করার মতো যথেষ্ট পরিমাণ দীর্ঘ সময় টিকে থাকতে পারবে, এমন কোনো প্রত্যাশা করেনি। এমন নয় যে, এই অবস্থান নির্যাতন থেকে তাদের রক্ষা করতে পেরেছিল। এটি ক্রুশবিদ্ধ এক ঈশ্বরকে উপাসনা করেছিল এবং এর নিজের দুঃখগুলোকে এটি গ্রহণ করে নিয়েছিল। আর এর পরিসমাপ্তি ঘটেছিল যখন সম্রাট কনস্টান্টিন এই ধর্মটি তার ধর্ম হিসাবে গ্রহণ এবং তার স্বার্থে এটি ব্যবহার করতে শুরু করেছিলেন। এরপর থেকেই চার্চ সহিংসতার একটি স্বাদ অনুভব করতে শুরু করেছিল এবং কীভাবে নিয়ন্ত্রণের একটি উপকরণ হিসাবে এটিকে ব্যবহার করা যায় সেটি শিখেছিল। বহু শতাব্দী ধরে ইহুদিদের বিরুদ্ধে এটি সহিংসতা ব্যবহার করেছে, যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করার জন্যে ‘ঈশ্বর হত্যাকারী’ হিসাবে তারা তাদের চিহ্নিত করেছিল, এবং এই প্রক্রিয়ায় তারা যিশুর সারমন অন দ্য মাউন্টে বক্তৃতা দেবার সময় কী বলেছিলেন সেটি ভুলে গিয়েছিল। ক্রুসেডগুলোর সময় এটি মুসলমানদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রয়োগ করেছিল। ইনকুইজিশন পর্বে এটি ভিন্নমতাবলম্বী অন্য খিস্টানদের হত্যা করেছিল। আর রিফরমেশন আন্দোলন পরবর্তী ধর্মীয় যুদ্ধগুলোয় প্রতিদ্বন্দ্বী খ্রিস্টান গোষ্ঠীগুলো পরস্পরের সাথে যুদ্ধ করেছিল যতদিন-না সমাজ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল তাদের পারস্পরিক রক্তপিপাসায় এবং এটি বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছিল।

    ইসলামের জন্মেও সহিংসতা আছে। যদিও ‘জিহাদ’ বা সংগ্রামের ধারণাটিকে অহিংস উপায়ে বোঝা সম্ভব হতে পারে, এছাড়াও এটিকে ইনফিডেল বা অবিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে ঘটানো সহিংসতাকে যুক্তিযুক্ত করতে ব্যবহার করা হয়েছে। খিস্টানদের মতোই, মুসলমানরা স্বধর্মী বিশ্বাসীদের হত্যা করতে সক্রিয় ছিল, যারা এই ধর্মবিশ্বাসটির একটি ভিন্ন সংস্করণের অনুসারী ছিলেন। খ্রিস্টধর্মে ক্যাথলিক আর প্রটেস্টান্টরা যেমন করেছিলেন, শিয়া আর সুন্নীরা পরস্পরকে হত্যা করেছে সেই একই রকম উৎসাহ নিয়ে। এবং তাদের পারস্পরিক ঘৃণা আজও মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি।

    সুতরাং প্রশ্ন কিন্তু ইতিহাসে অধিকাংশ সহিংসতার কারণ এটি ছিল কিনা তা নয়, বরং কেন তাহলে বিষয়টি নিয়ে আমাদের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত? আমরা যখন দাসপ্রথা নিয়ে আলোচনা করেছিলাম, আমরা লক্ষ করেছিলাম, এমন কিছু পরিস্থিতি আছে যেখানে সহিংসতা একটি বৈধ নৈতিক বিকল্প। এটি হচ্ছে একটি মূলনীতি, যা প্রায় সব জাতিকে তাদের অভ্যন্তরীণ আর বাহ্যিক রাজনীতি পরিচালনা করতে দিকনির্দেশনা দেয়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী পৃথিবীর সবচেয়ে খ্রিস্টান জাতি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এবং এছাড়াও এটি পৃথিবীতে সবচেয়ে সহিংস একটি রাষ্ট্র। এটি মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে এখনো। এটি সাধারণ নাগরিকদের নিজস্ব অস্ত্র রাখার অধিকার ও তাদের আত্মরক্ষার জন্যে সেগুলোর ব্যবহারে বিশ্বাস করে। এবং এর পরিণতিতে দেশটির বহু হাজার নাগরিক প্রতিবছরই নিহত হন আগ্নেয়াস্ত্রজনিত ঘটনায়। এছাড়াও অন্য বহু জাতির মতো, শক্র থেকে শুধুমাত্র নিজের সুরক্ষা করার মতো পরিস্থিতি ছাড়াও পৃথিবীর অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার সময়েও এটি সহিংসতার আশ্রয় নেয়। আমরা যদি এই পরিস্থিতিগুলোয় সহিংসতাকে যুক্তিযুক্ত করতে পারি, তাহলে আমরা কেন বিচলিত হই যখন ধর্ম তার নিজের উদ্দেশ্যপূরণে এটি ব্যবহার করে? আমরা খুবই হিংস্র একটি প্রজাতি। তাহলে ধর্মীয় সহিংসতা আমাদের কেন এত অস্বস্তিতে ভোগায়?

    দুটি কারণ আছে। প্রথমত, যখন ধর্ম কোনো একটি দ্বন্দ্বে প্রবেশ করে এটি সেই মিশ্রণে একটি বিষাক্ত উপাদান যুক্ত করে, যা অন্য কোনো সংঘর্ষে সবসময় উপস্থিত থাকে না। এছাড়াও মানুষ সহিংসতা-প্রবণ এর প্রকৃতিতে, কিন্তু যদি তারা নিজেদের প্ররোচিত করতে পারেন, ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে তারা সেই কাজটি করছেন, তখন সেই সংঘর্ষে দয়া কিংবা সংযমের সব সুযোগই অপসারিত হয়। সপ্তদশ শতাব্দীতে স্কটল্যান্ডে ধর্মীয় যুদ্ধবিগ্রহের সেই সময়টিতে, যা ‘দ্য কিলিং টাইম’ নামে পরিচিত, যুদ্ধের একটি স্লোগান ছিল, ‘গড অ্যান্ড নো কোয়ার্টার’, যার মানে কোনো দয়াপ্রদর্শন এবং বন্দি নেওয়া তাদের উচিত হবে না। এই সন্ধ্যার টিভি সংবাদে মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিদ্বন্দ্বী মুসলমান গোষ্ঠীগুলো পরস্পরের উপর বোমাবর্ষণ দেখার সময়, আপনার এমন কিছু শুনতে পাবার সম্ভাবনা আছে, তারা যখন পরস্পরের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছেন, তারা তখন। আল্লাহকে প্রশংসা করেই কিছু বলছেন।

    আপনি যদি এই মহাবিশ্বের নৈতিক বিচারকের প্রতি অনুগত হয়ে কিছু করেন তাহলে আপনি অন্যায় কিছু করতে পারেন না। ঈশ্বর ছাড়া আর কিছু না’! আর সে-কারণেই ধর্মীয় উগ্রতাবাদীদের পারস্পরিক সংঘর্ষ বহু শতাব্দী ধরে অব্যাহত থাকতে পারে, যেখানে কোনো পক্ষই বিরোধ নিষ্পত্তি করতে আগ্রহ প্রকাশ করে না। আর যখন পুরনো দ্বন্দ্ব নতুন প্রাণশক্তিতে উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে, এটিকে কখনো। কখনো ‘আইডেন্টিটি পলিটিক্স’ হিসাবে বর্ণনা করা হয়। কোনো একটি অজনপ্রিয় গোষ্ঠী একটি উদ্দেশ্য আর আত্মপরিচয়ের ধারণা অর্জন করতে পারে একটি ধর্মবিশ্বাস বা ফেইথ ব্যবহার করে, যা এটিকে বাকি সবার থেকে পৃথক হিসাবে সংজ্ঞায়িত করে। এটি বহিরাগতের সেই গৃহহীনতার অনুভূতি থেকে মুক্তি দিতে পারে। এটি তাকে ক্রোধে উন্মত্ত করে তুলতে পারে। এটি তাকে ২০০৫ সালে লন্ডনে জনাকীর্ণ পাতালরেলে আত্মঘাতী বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিজেকে উড়িয়ে দেবার জন্য একটি কারণ দিতে পারে।

    যদি ধর্মীয় সহিংসতার প্রথম কারণটি আমাদের বিতৃষ্ণ করে তুলে থাকে, সেটির কারণ হচ্ছে মানব-সংঘর্ষে এটি অযৌক্তিক একটি মাত্রার তীব্রতা যুক্ত করে, এর দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে একটি ভয়ংকর অসংগতি আছে এর কেন্দ্রে। এটি হচ্ছে সেই অসংগতি, বিশ্বাসীদের চেয়ে অবিশ্বাসীরা প্রায়শই অনেক বেশি স্পষ্টভাবেই সেটি দেখতে পারেন। আর এই অসংগতির নাম হচ্ছে ঈশ্বর। অধিকাংশ ধর্মই সেই দাবিটির ওপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত, ঈশ্বর হচ্ছে চূড়ান্ত বাস্তবতা। এবং তিনি তাদের নৈতিক আইনগুলোর রচয়িতা। বিষয়টির উপস্থাপনায় হয়তো তাদের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু তারা সবাই ঈশ্বরকে একজন বিশ্বজনীন পিতা হিসাবে দেখেন। মানুষ হচ্ছে ঈশ্বরের সন্তান। যেমন, নিউ টেস্টামেন্ট বলেছে, ঈশ্বরের মধ্যে আমরা বাঁচি, চলাচল করি এবং আমাদের অস্তিত্ব লাভ করি।

    কিন্তু যদি আমরা সবাই ঈশ্বরের সন্তান হয়ে থাকি, তাহলে কেন এই ঈশ্বর ইতিহাসের অধিকাংশ সময় জুড়ে তার বিশ্বজনীন পরিবারের একটি শাখাকে নির্দেশ দিচ্ছেন অন্য একটি শাখাকে বিলুপ্ত করতে? তার ইহুদি সন্তানদের প্রতি ভালোবাসাটিকে তার প্যালেস্টাইনীয় সন্তানদের নিশ্চিহ্ন করার মাধ্যমেই বা কেন প্রকাশিত হতে হবে? কেন তিনি পরে তার ইহুদি সন্তানদের পরিত্যাগ করেছিলেন। তার খ্রিস্টীয় সন্তানদের পক্ষ নিয়ে এবং তার নতুন প্রিয়ভাজনদের নির্দেশ দিয়েছিলেন তাদের বয়োজ্যষ্ঠ ভাইবোনদের নির্যাতন করতে? যারা তাকে এক এবং অদ্বিতীয় হিসাবে উপাসনা করেন, তার সেই মুসলমান সন্তানদের কেন তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন, তার বহুঈশ্বরবাদী সন্তানদের নির্যাতন করতে, যারা কিনা তাকে উপাসনা করে বহুসংখ্যক রূপে? ধর্মীয় ইতিহাসে এত সহিংসতা কেন, যা ঘটিয়েছে। সেই গোষ্ঠীগুলো, যারা ঈশ্বরকে তাদের পক্ষে আছেন বলে দাবি করেছেন?

    যদি-না আপনি প্রস্তুত থাকেন এমন কিছু বিশ্বাস করতে যে, ঈশ্বর আসলেই কারো প্রতি বেশি পক্ষপাতিত্ব করেছেন, যেমন মানসিকভাবে বিকৃত কোনো স্বেচ্ছাচারী শাসক করে থাকেন, তাহলে এই উভয়সংকট থেকে বের হবার মাত্র দুটি পথ খোলা আছে। প্রথমটি হচ্ছে সিদ্ধান্ত নেওয়া যে, আসলেই ঈশ্বর বলে কিছু নেই। যাকে ঈশ্বর বলা হচ্ছে সেটি আসলে একটি মানব-উদ্ভাবন, অন্য অনেককিছুর সাথে এটি মানবজাতির সহিংসতা প্রীতি আর আগন্তুকদের প্রতি ঘৃণাকে যুক্তিযুক্ত প্রমাণ করতে ব্যবহার করা হয়েছে। ঈশ্বরকে বাতিল করলে মানব-সহিংসতার সমস্যাটি সমাধান হবে না, তবে এটি সহিংসতার একটি অজুহাতকে অপসারণ করবে।

    কিন্তু যদি আপনি ঈশ্বরকে পরিত্যাগ করতে না চান, তাহলে আপনাকে গভীরভাবে বেশকিছু বিষয় নিয়ে ভাবতে হবে। আপনার নিজেকে জিজ্ঞাসা করতে হবে কোটি হবার সম্ভবনা আসলে বেশি : ঈশ্বর একধরনের নরঘাতী উন্মত্ত চরিত্র, ধর্মগুলো প্রায়শই সেভাবে তাকে অনুধাবন করেছে? অথবা ধর্মই ঈশ্বরকে সম্পূর্ণভাবে ভুল বুঝেছে এবং এর নিজস্ব নিষ্ঠুরতাকে ঈশ্বরের ইচ্ছা বা নির্দেশের সাথে গুলিয়ে ফেলেছে? আপনি যদি এমন কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছান যে, ধর্মই খুব সম্ভবত ঈশ্বরকে বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে, আর আসলে ঈশ্বর সম্পূর্ণ ভিন্ন সেই হিংস্র দানবীয় একটি চরিত্র থেকে, এর প্রচারকরা মাঝে মাঝেই যেভাবে তাকে উপস্থাপন করে থাকেন, তাহলে আপনাকে একটি সমস্যার মোকাবেলা করতে হবে।

    দেখা যাচ্ছে নিরীশ্বরবাদের চেয়ে ধর্মই বরং ঈশ্বরের অপেক্ষাকৃত বড় শত্রু। নিরীশ্বরবাদ দাবি করে, ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই। যদি ঈশ্বরের অস্তিত্ব থাকে তিনি হয়তো নিরীশ্বরবাদীদের ঔদ্ধত্যে ক্রুদ্ধ হবার চেয়ে বরং মজা পাবেন। হুম, নিরশ্বরবাদীরা খুব শীঘ্রই আমার উপস্থিতি বুঝতে পারবে। কিন্তু যদি ঈশ্বর রক্তপিপাসু কোনো দানব না হয়ে থাকেন তাহলে ধর্মীয় শিক্ষকরা, যারা তাকে তেমন একটি চরিত্রে রূপান্তরিত করেছেন, তাদের আচরণে ঈশ্বরের খুশি হবার কোনো সম্ভাবনা নেই। সুতরাং আমরা সেই উপসংহারে আসি, যদিও ধর্মগুলো পৃথিবীর কাছে ঈশ্বরের সত্যিকার প্রকৃতি উন্মোচন করেছে বলে দাবি করে থাকে, কিন্তু বহুক্ষেত্রেই এটি আসলেই ঈশ্বরকে তাদের নিজস্ব নিষ্ঠুরতার ঘন কুয়াশার অন্তরালে লুকিয়ে রেখেছে।

    আমরা ধর্মগ্রন্থে কখনো কখনো সেই ধারণার আভাসগুলো একনজর দেখতে পাই যে, ধর্মই হচ্ছে ঈশ্বরের সবচেয়ে হিংস্রতম প্রতিদ্বন্দ্বী। আমরা যিশুর শব্দে এটি বর্ণিত হতে দেখেছি, যিনি লক্ষ করেছিলেন, অশুভ কোনো কাজ করতেই শুধুমাত্র ধর্মকে খুব সহজে ব্যবহার করা হয় না, এছাড়াও ভালো অনেক কাজ না করার অজুহাত হিসাবেও এটিকে ব্যবহার করা হয়। আর সেই ধর্ম আসলেই খারাপ, যা-কিনা বাইবেলের গুড সামারিটানের গল্পের সেই যাজক ও তার সহকারীকে রাস্তার ভিন্ন পাশ দিয়ে চলে যেতে প্ররোচিত করে, কারণ ডাকাতের আক্রমণের শিকার হয়ে যে-মানুষটি অসহায় রাস্তায় পড়ে আছে সে ‘তাদের ধর্মের একজন ছিলেন না’!

    সুতরাং হ্যাঁ, ধর্ম ইতিহাসে কিছু ভয়াবহ সহিংসতা ঘটিয়েছে এবং এখনো ঘটানো অব্যাহত রেখেছে। এবং হ্যাঁ, এটি ঈশ্বরকে ব্যবহার করেছে তাদের সব অশুভ কর্মকাণ্ডের নায্যতা দিতে। সুতরাং যদি আমরা ঈশ্বর বলতে এই মহাবিশ্বের সেই দয়ালু ক্ষমাশীল সৃষ্টিকর্তাকে বোঝাতে চাই, তাহলে হয় তার কোনো অস্তিত্ব নেই অথবা ধর্ম তাকে বুঝতে সম্পূর্ণভাবেই ব্যর্থ হয়েছে। আর যে-কোনো ক্ষেত্রেই, ধর্ম নিয়ে তাই আমাদের সতর্ক হওয়া উচিত। আবশ্যিকভাবে কিন্তু এর অর্থ এই না যে, আমাদের উচিত হবে এটিকে পুরোপুরিভাবে ত্যাগ করা। আমরা হয়তো ধর্মের সাথে থাকার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারি, তবে সেটি করতে হবে সেই বিনম্রতার সাথে, আর এটি যা অশুভ কাজ করেছে এবং এটি যা ভালো কাজ করেছে সেটি স্বীকার করে নিতে হবে। এটি আমাদের ওপর নির্ভর করবে।

    কিন্তু কিছু মানুষ আছেন যারা ধর্মের রক্তপিপাসু ইতিহাসে এতই বিতৃষ্ণ যে, তারা এটিকে প্রশমন এবং নিয়ন্ত্রণ করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা এই বইয়ের শেষ অধ্যায়ে দেখব সেটি কীভাবে তারা করেছিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }