Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶

    ৪০. ধর্মের সমাপ্তি

    অধ্যায় ৪০. ধর্মের সমাপ্তি

    নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহটি যখন ফিরে আসে, সেই সময়টিকে আমার কুকুর খুবই অপছন্দ করে। যেখানে আমি থাকি তার কাছেই বাগান আর পার্কে মানুষ আতশবাজি ফোঁটায় গভীর রাত অবধি। এই শব্দ শুনে আমার কুকুর ডেইজি ভয়ে কেঁপে ওঠে। আর তাকে আক্রমণ করা এই শত্রুটির কাছ থেকে পালাতে সে আমার স্টাডির কার্পেটে গর্ত খুঁড়তে চেষ্টা করে। অবশ্যই সে কোনো বিপদে নেই, কিন্তু আমি বিষয়টি তাকে বোঝাতে পারব না। তার সেই জিনিসটি আছে যাকে বলা হয়, হাইপারঅ্যাকটিভ এজেন্সি ডিটেকশন ডিভাইস (বা HADD)। সে একটি হুমকি শনাক্ত করছে যার কোনো অস্তিত্ব নেই। এটি আমাদের যে-কারো ক্ষেত্রেই হতে পারে। উপরের ঘরের মেঝেতে হঠাৎ করে কোনো শব্দ হলে আমরা একজন আগন্তুক অনুপ্রবেশকারীকে কল্পনা করি। তারপর আমাদের মস্তিষ্কের যৌক্তিক অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং আমরা অনুধাবন করি যে, হঠাৎ দমকা হওয়া পুরনো মেঝের কাঠ খানিকটা নাড়িয়ে দিয়ে গেছে। ডেইজি এভাবে যুক্তি ব্যবহার করতে পারে না। আর সে-কারণে নভেম্বর শুরু আর এর বারুদের ঋতু তার জন্যে আসলেই দুঃস্বপ্নের মতো। উচ্চগ্রামের কোনো শব্দ শুনলে তার প্রত্যুত্তরে তাকে পালাতে হবে–এভাবেই তার মস্তিষ্ক বিষয়টি পূর্বনির্ধারণ করে রেখেছে। আমার কাছ থেকে কোনো ধরনের ব্যাখ্যাই তাকে বোঝাতে পারবে না যে, আসলেই কেউ তার ক্ষতি করতে আসছে না।

    আর ইতিহাসে ডেইজিই একমাত্র প্রাণী নয় যাদের মস্তিষ্কে এই HADD বিবর্তিত হয়েছে। বহু শতাব্দী ধরেই প্রায় পুরো মানবতাকে এটি প্রভাবিত করেছে। ধর্ম এই পৃথিবীর মানুষকে বলেছে কোনো প্রাকৃতিক সূত্র বা আইন নয় বরং অতিপ্রাকৃত শক্তিগুলো এই পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করছে। আর এই ধারণাকে ব্যাখ্যা করে যে-শব্দটি, সেটি হচ্ছে ‘কুসংস্কার’, সেই বিশ্বাসটি, প্রাকৃতিক কোনো কারণ ছাড়াই জাদুর মাধ্যমে কোনোকিছু ঘটতে পারে। আর এইভাবে চিন্তা করার উপায়টিতে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছিল সপ্তদশ শতাব্দীতে একটি পর্বের সময়, যা এখন ‘এনলাইটেনমেন্ট’ নামে পরিচিত, যখন এই পৃথিবীতে যা ঘটছে। সেটি ব্যাখ্যার শ্রেষ্ঠতম উপায় হিসাবে বিজ্ঞান কুসংস্কারকে প্রতিস্থাপিত করেছিল। যা-কিছু ঘটে তার একটি কারণ আছে। এনলাইটেনমেন্ট-পর্বের মূলমন্ত্র ছিল ‘জানতে সাহসী হয়ে উঠুন’। কুসংস্কারের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন না। কোনো জিনিসের সত্যিকারের কারণটি জানার মতো সাহস করুন। এনলাইটেনমেন্ট পর্বের একটি পরিণতি ছিল মানুষের মনের ওপর অতিপ্রাকৃতিক কুসংস্কাচ্ছন্ন যে ব্যাখ্যাগুলো দৃঢ়ভাবে তাদের প্রভাব ধরে রেখেছিল, সেটি ক্রমশ শিথিল হতে শুরু করেছিল। মানুষের মস্তিষ্কে আলো প্রবেশ করেছিল এবং তারা নিজেরাই চিন্তা করতে শুরু করেছিলেন।

    যদি প্রকৃতি কীভাবে কাজ করে সেটি জানতে চাইবার সাহস এনলাইটেনমেন্ট পর্বের অন্যতম একটি তাড়না হয়ে থাকে, তাহলে আরেকটি ছিল বহু শতাব্দী ধরে অব্যাহত ধর্মীয় সহিংসতার প্রতি ঘৃণা প্রকাশ। কুসংস্কার অবশ্যই যথেষ্ট পরিমাণে খারাপ, কিন্তু তার চেয়েও খারাপ হচ্ছে যুদ্ধ। এনলাইটেনমেন্ট পর্বের চিন্তাবিদরা লক্ষ করেছিলেন, ধর্মগুলো কীভাবে সবসময়ই পরস্পরের বিরোধী একটি অবস্থানে থাকে। প্রতিটি ধর্মই মনে করে, একমাত্র তারাই ঈশ্বর-প্রেরিত সত্যটিকে ধারণ করছে, এবং বাকিরা সব প্রতারণা করছে ভ্রান্ত বিশ্বাস ফেরি করে। যখন ধর্ম কোনো-একটি দেশের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পায়, এটি এর নির্দেশমতো চলতে নির্বিশেষে সবাইকে বাধ্য করার চেষ্টা করে। এটি যথেষ্ট পরিমাণ খারাপ একটি পরিস্থিতি। কিন্তু পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়, যখন একটি দেশে মাত্র দুটি ধর্ম পরস্পরের সাথে প্রতিযোগিতা করে। প্রায় সারাক্ষণই তারা পরস্পরের সাথে সহিংস বিবাদে লিপ্ত থাকে, ঠিক যেভাবে রিফরমেশন-পর্বের সেই সময় থেকে ইউরোপেও একই পরিস্থিতি বিরাজমান ছিল। কিন্তু যদি সেখানে ত্রিশটি ধর্ম থাকে তাহলে যেন মনে হয় তারা সবাই শান্তিতে বসবাস করছেন।

    এনলাইটেনমেন্ট এখান থেকে দুটি উপসংহারে পৌঁছেছিল। প্রথমটি ছিল, যত বেশিসংখ্যক ধর্ম একটি সমাজে থাকবে, সেই সমাজ সবার জন্যে অপেক্ষাকৃত বেশি নিরাপদ হবে। সুতরাং শান্তির জন্যে সবচেয়ে সেরা নিশ্চয়তাটি হচ্ছে সবধরনের বৈষম্যকে অবৈধ ঘোষণা করা এবং সহিষ্ণুতার অনুশীলন করা। দ্বিতীয় উপসংহারটি ছিল, যদিও কোনো একটি সমাজে ধর্মের উপস্থিতি সহ্য করা উচিত, কিন্তু কখনোই এটিকে সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দেওয়া উচিত হবে না। ধর্মীয় নেতাদের কর্তৃত্ব শুধুমাত্র তাদের ধর্মবিশ্বাসী গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত।

    একসময় শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে এই মূলনীতিটি কঠোরভাবে আরোপ করা হয়েছিল। আমেরিকার সংবিধানের রচয়িতারা ধর্ম নিয়ে এনলাইটেনমন্ট-পর্বের চিন্তাবিদদের ধারণা দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। তারা স্মরণ করেছিলেন কীভাবে আমেরিকার প্রথম বসতিস্থাপনকারীরা ইউরোপের ধর্মীয় নিপীড়ন থেকে পালিয়ে এসেছিলেন। এবং তারা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন এমন কিছু যেন তাদের প্রতিশ্রুত দেশে পুনরাবৃত্ত না হয়। আর সে-কারণে টমাস জেফারসন, স্বাধীনতার ঘোষণার অন্যতম স্থপতি এবং তরুণ প্রজাতন্ত্রের তৃতীয় প্রেসিডেন্ট, আমেরিকার জনগণকে উপদেশ দিয়েছিলেন, এমন কোনো আইন প্রণয়ন না করতে, যা কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে শ্রদ্ধা করবে অথবা তাদের বিশ্বাসের স্বাধীন অনুশীলনকে নিষিদ্ধ করবে। তাদের উচিত হবে পার্থক্যের একটি দেয়াল নির্মাণ করা, যা চার্চ আর রাষ্ট্রকে পৃথক রাখবে। আর এটাই যুক্তরাষ্ট্রে ভিত্তিমূলক মূলনীতিগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছিল।

    ইউরোপে পরিস্থিতি আরো বেশি জটিল ছিল, যেখানে বহু শতাব্দী ধরে রাষ্ট্র আর চার্চ পরস্পর সম্পৃক্ত ছিল। কিন্তু এনলাইটেনমেন্ট-পর্বে মুক্ত হওয়া ধারণাগুলো রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে ধর্মের কর্তৃত্বকে খর্ব করতে শুরু করেছিল। এবং একটি সময়ে রাষ্ট্র এবং চার্চের মধ্যে আরো বৈপ্লবিক একটি বিভাজন অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল, যা এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও বেশি ছিল, যেখানে ধর্ম, যদিও এর কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেই, তারপরও এখনো ধর্মের উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সামাজিক আর রাজনৈতিক প্রভাব বিদ্যমান।

    ইউরোপে যা ঘটেছিল সেটি হচ্ছে এমন একধরনের রাষ্ট্রব্যবস্থার আবির্ভাব হয়েছিল, যাদের এখন আমরা বলি ‘সেকুলার বা লোকায়ত (বা ধর্মনিরপেক্ষ) রাষ্ট্র। সেকুলার শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ ‘সিকুলাম’ থেকে, যার অর্থ সময়ের একটি পর্ব। শব্দটি মূলত অনন্ত সময়ের বিপরীতে একটি সময়কে নির্দেশ করছে; এটি চার্চের বিপরীতে পৃথিবী, ধর্মীয় ঐশী প্রত্যাদেশের বিপরীতে মানবচিন্তা বোঝাতে ব্যবহৃত হতে শুরু হয়েছিল। সেকুলার রাষ্ট্র ধর্ম থেকে উদ্ভূত মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে যারা তাদের জীবন পরিচালনা করছেন, তাদের ব্যাপারে কোনো হস্তক্ষেপ না-করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু এটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে, শুধুমাত্র পার্থিব উৎস থেকে উদ্ভূত মূলনীতিগুলোই এর নিজের সিদ্ধান্তগুলোর ভিত্তি হবে। এখানে কিছু উদাহরণ উল্লেখ করলাম যা এখন কীভাবে এটি কাজ করে সেটি বুঝতে সহায়তা করে।

    যেমন, আমরা দেখেছি, বহু ধর্মই নারীদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করে থাকে। সেই ধর্মগুলোর পবিত্র বইটি বলেছে যে, ঈশ্বর নারীদেরকে পুরুষদের সহায়তাকারী হিসাবে সৃষ্টি করেছেন এবং পুরুষের ওপর কখনোই তারা কর্তৃত্ব অনুশীলন করতে পারবে না। সেকুলার সমাজগুলোয় নারীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ করাটিকে একটি নৈতিক ভ্রান্তি হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এবং কিছু ক্ষেত্রে এটিকে অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং যার জন্যে আপনাকে আদালতের সামনে হাজির করা হতে পারে। তা সত্ত্বেও, সেকুলার মূলনীতি অনুযায়ী, যা ধর্মকে এর নিজস্ব সহবিশ্বাসীদের সমাজে তার নিজের ইচ্ছামতো কাজ করার স্বাধীনতা দিয়েছে, এবং রাষ্ট্র মাঝে মাঝে ধর্মীয় সমাজগুলোর আচরণের প্রতি অন্ধদৃষ্টি প্রদান করে, যা মূল সমাজে একটি অপরাধ বলেই গণ্য হবে।

    অন্য উদাহরণটি সমকামিতা সংক্রান্ত। আবারো, ধর্মের পবিত্র বইগুলো এটি অনুমোদন করেনি। সমকামিতা সবসময়ই পাপ এবং এমন পাপ, যার জন্যে আপনাকে হত্যা করাও হতে পারে। পৃথিবীর বেশকিছু জায়গায় আজও, এটি আপনার মৃত্যুর কারণ হতে পারে। কিন্তু অধিকাংশ আধুনিক সেকুলার সমাজগুলোয় সমকামীদের নিপীড়ন করাই এখন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিষমকামীদের মতো সমকামীদের এখন একই অধিকার দেওয়া হয়েছে, এবং কিছু দেশে, তাদের বিয়ে করারও অধিকার আছে। কিন্তু তারপরও সেকুলার-রাষ্ট্র সমকামীদের প্রতি প্রদর্শিত বৈষম্যগুলো দেখেও না-দেখার ভান করে, বহুধর্মবিশ্বাসীদের সমাজে যে-বৈষম্যটি এখনো অনুশীলন করা হচ্ছে।

    যদিও সেকুলার-রাষ্ট্র হয়তো ধর্মবিশ্বাসী গোষ্ঠীগুলোর সেক্সিজম বা যৌনবৈষম্যবাদ আর সমকামিতাকে অবজ্ঞা করতে পারে, কিন্তু এর বহু নাগরিকই যথেষ্ট পরিমাণ মনোযোগ দিয়ে বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করেন এবং তারা যা দেখছেন সেটি পছন্দ করেন না। কারণ, সেকুলার রাষ্ট্রের আবির্ভাবের সাথে এনলাইটেনমেন্ট সেকুলার মনেরও জন্ম দিয়েছিল, জীবন সম্বন্ধে ভাবার একটি উপায়, যা কীভাবে এই পৃথিবী সংগঠিত হবে সেই বিষয়ে ঈশ্বর আর তার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি কোনো তথ্যনির্দেশ করে না। এর নিজের জীবনে ধর্মীয় মূলনীতিগুলোর প্রয়োগ প্রত্যাখ্যান করা ছাড়াও সেকুলার মন আরো কিছু করে। অন্যদের জীবনের ওপর ধর্ম কীভাবে প্রভাব ফেলতে পারে সেটি দেখে এটি বিতৃষ্ণ। সেই প্রান্তিক ব্রোঞ্জ-যুগ থেকে আসা পবিত্র লেখার ওপর ভিত্তি করে যারা নারী এবং সমকামীদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করে, এটি তাদের বিরোধিতা করে। পশ্চিমে সেকুলার মনের আবির্ভাবে ধর্মের কর্তৃত্বের ধীর ক্ষয়ের কারণ হয়েছে। পরিণতিতে খ্রিস্টধর্ম, যে-বিশ্বাসটি বহু শতাব্দী ধরে ইউরোপ প্রাধান্য বিস্তার করেছিল, সেটি ক্রমশ দুর্বলতর হতে শুরু করেছিল এবং উত্তরোত্তর শক্তিক্ষয়ের এই প্রক্রিয়াটি থামার খুব সামান্যই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    এই শক্তিক্ষয় বহু মানুষকে বিমর্ষ করেছে, এর মধ্যে কিছু মানুষ যারা নিজেরাই ধর্ম অনুশীলন করা বন্ধ করে দিয়েছেন। তারা জানেন ইতিহাসে এর দীর্ঘযাত্রায় বহু অনাচার চার্চের অংশে পরিণত হয়েছিল, কিন্তু এছাড়াও এর কিছু সদগুণও আছে সেই বিষয়টি তারা স্বীকার করেন। এটি মানবতার মিত্র যেমন ছিল তেমনি শত্রুও ছিল; নিরাময়কারী আবার একই সাথে একজন নিপীড়ক। কিন্তু মানবপ্রকৃতি কোনো একটি শূন্যতা ঘৃণা করে। সুতরাং পশ্চিমে ম্লান হয়ে যেতে থাকা খ্রিস্টধর্মের ফেলে-যাওয়া শূন্যস্থানটি ‘সেকুলার হিউম্যানিজম’ নামে একটি নতুন আন্দোলনের সূচনা করতে প্ররোচিত করেছিল। যদিও সেকুলার হিউম্যানিজম বা মানবতাবাদ ধর্মের সংজ্ঞায় উত্তীর্ণ হতে পারবে না, কিন্তু যেহেতু এটি ধর্ম থেকে বেশকিছু সেরা ধারণা ঋণ করেছে, এটি নিয়ে খানিকটা পর্যালোচনা এই ইতিহাস শেষ করার একটি ভালো উপায় হতে পারে।

    নামটি যেমন প্রস্তাব করছে, সেকুলার মানবতাবাদীরা মানুষকে একটি সুন্দর জীবন কাটাতে সহায়তা করার চেষ্টা করেন, তবে সেটি ধর্মের আরোপ করা মূলনীতি অনুসারে নয় বরং সেই মূলনীতি অনুযায়ী, যা মানুষ নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্দিষ্ট করেছে। তারা বিশ্বাস করেন মানবতা প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছে এবং এখন এর নিজের দায়িত্ব নিজেরই নেওয়া উচিত। মানবতার শৈশবে ধর্ম, অথবা ঈশ্বর বলেছিলেন, কী করতে হবে আর কী করা যাবে না, এবং সেখানে হতবাক করে দেবার মতো কিছু নির্দেশাবলি ছিল। দাসত্ব, নারীনিপীড়ন, সমকামীদের পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা, বাধ্যতামূলক ধর্মান্তরিতকরণ এবং ভুল ধর্মবিশ্বাস করার কারণে শাস্তি। অবশ্যই এখন তারা এর চেয়ে উত্তম কিছু করতে সক্ষম। আর নিজেরাই যেহেতু মানুষ, মানবতার জন্যে কোটি ভালো সেটি জানার জন্যে তারা শ্রেষ্ঠ একটি অবস্থানে আছেন। সহিষ্ণুতা অবশ্যই উত্তম। নির্যাতন অশুভ এবং বর্জনীয়। দয়া উত্তম এবং নিষ্ঠুরতা অগ্রহণযোগ্য এবং অশুভ। আর এটি বোঝার জন্যে আপনাকে কোনো ঈশ্বরকে বিশ্বাস করতে হবে না। প্রতিবেশীদের ভালোবাসা আর নিজের সাথে যেভাবে আচরণ করা হোক বলে আপনি প্রত্যাশা করেন, সেভাবেই প্রতিবেশীদের সাথে আচরণ করা, এই বিষয়গুলোর ব্যাপারে আপনাকে নির্দেশ দেবার জন্যে কোনো ধর্মেরই প্রয়োজন নেই।

    সেকুলার মানবতাবাদীরা যে-কোনো গোষ্ঠীর সাথে কাজ করতে আগ্রহী, যারা এই পৃথিবীকে আরো উত্তম বাসযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করছেন, যাদের মধ্যে ধর্মবিশ্বাসীদের গোষ্ঠীও অন্তর্ভুক্ত। তারা এমনকি ধর্মের কিছু পোশাকি রূপও চুরি করতে প্রস্তুত আছেন। মানবতাবাদীরা সচেতন যে, ধর্মের এই ক্ষয়িষ্ণু পরিস্থিতির সাথে সংশ্লিষ্ট বহু ভালো জিনিসই হারিয়ে গেছে, সুতরাং তারা সর্বোচ্চই চেষ্টা করছেন যেন সেগুলো অন্তত কিছু পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয় এবং সেগুলোকে মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ব্যবহার করা যায়। মানবজীবনের বড় ক্রান্তি লগ্নগুলোকে চিহ্নিতকরণে সহায়তা করতে ধর্ম খুবই দক্ষ। জন্ম, বিয়ে, মৃত্যু, এইসব ঘটনাগুলো উদ্যাপনে ধর্মের নানা অনুষ্ঠান আছে। সমস্যা হচ্ছে এই অনুষ্ঠানগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট আছে স্বর্গীয় জগৎ, যে-জগৎটিকে সেকুলার মানবতাবাদীরা বিশ্বাস করেন না। শিশুদের শরীর থেকে পাপ পরিষ্কার করতে হবে, দম্পতিদের বলতে হবে বিয়ে সারাজীবনের জন্যে, তারা সেটি চান বা না চান। এবং মৃতরা সবাই অন্য একটি জীবনে প্রবেশ করবেন–মানবতাবাদীরা এসব কিছু বিশ্বাস করেন না।

    সুতরাং তাদের নিজেদের অনুষ্ঠানের ভাষা তারা নিজেরাই লিখতে শুরু করেছিলেন। এবং আধুনিক সেকুলার-রাষ্ট্র সেটি পরিচালনা করার জন্যে তাদের অনুমতিও দিয়েছে। স্কটল্যান্ডে এখন হিউম্যানিস্ট সেলেব্রান্ট বা মানবতাবাদী অনুষ্ঠান-পরিচালনাকারীরা খ্রিস্টীয় যাজকদের মতোই প্রায় একই সংখ্যক বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন। তারা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া আর শিশুদের নামকরণ-অনুষ্ঠানও পরিচালনা করেন। এই অনুষ্ঠানগুলো যারা অনুরোধ করেছেন তাদের চাহিদামতো সাজাতে, তারা এখন যথেষ্ট পরিমাণ দক্ষতাও অর্জন করেছেন। একজন মানবতাবাদী সেলেব্রান্ট, তাদের নিজস্ব মূল্যবোধ আর পছন্দগুলো সেই অনুষ্ঠানের সাথে যুক্ত করতে সহায়তা করেন। এর সেটি করার মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানগুলো একটি ব্যক্তিগত তাৎপর্য লাভ করে। তারা ভিন্নধরনের একটি আধ্যাত্মিকতা জীবনের সেই মুহূর্তগুলোর সাথে যুক্ত করতে পারেন, যা একসময় একচেটিয়াভাবে গতানুগতিক ধর্মগুলোর নিয়ন্ত্রণে ছিল। সেকুলার আধ্যাত্মিকতা এই জীবনেই এর অর্থ আর সৌন্দর্য খুঁজে পায়। এটি একমাত্র জীবন যা আমরা কখনো উপভোগ করতে পারব, সুতরাং এর জন্য আমাদের কৃতজ্ঞতা অনুভব করা উচিত এবং এটি উত্তমভাবে ব্যবহার করা উচিত।

    আর ধর্ম থেকে সেকুলার মানবতাবাদীরা শুধু এটাই ঋণ করেননি, যেভাবে বিশ্বাসী মানুষরা একই সাথে উপাসনার জন্যে একত্র হন এবং পরস্পরের সান্নিধ্যে আসার এই অভিজ্ঞতাটিকে তারা গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। কারণ এই অনুষ্ঠানগুলো মানুষদের মধ্যে সংমিশ্রণ করে, পরস্পরকে সহযোগিতা করার সুযোগ সৃষ্টি করে, অন্যথায় যাদের হয়তো কখনোই দেখা হতো না। উপাসনায় সাপ্তাহিক হাজিরা কী-ধরনের জীবন আপনি কাটাচ্ছেন সে-বিষয়ে আন্তরিক হতে এবং গভীরভাবে নিরীক্ষণ করতে, আর হয়তো কিছু পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেবার একটি সুযোগ সৃষ্টি করে। সেকুলার মানবতাবাদীরা এটির গুরুত্ব অনুধাবন করেছেন। সুতরাং তারা তাদের নিজস্ব সংস্করণে রোববারের সমাবেশ সৃষ্টি করেছেন। মাঝে মাঝে এটি পরিচিত চার্চ-গোয়িং ফর অ্যাথেইস্ট’ নামে, যেখানে তারা সেকুলার বক্তৃতা আর উপদেশ শোনেন, এবং সমবেতভাবে গান গেয়ে থাকেন। এর সাথে তারা কিছু মুহূর্তের নীরবতা আর ব্যক্তিক আত্মবীক্ষণের সময়ও যুক্ত করেছেন। এটি অতিপ্রাকৃত কোনোকিছু ছাড়াই ধর্ম : মানবধর্ম।

    তবে এই ধরনের মানবতাবাদ কি টিকে থাকতে পারবে, আরো বিকশিত হবে, নাকি একসময় ম্লান হয়ে হারিয়ে যাবে? সেই বিষয়ে এখনো ভবিষ্যদ্বাণী করার মতো যথেষ্ট সময় অতিক্রান্ত হয়নি। সেকুলার ধর্ম প্রতিষ্ঠা করার জন্যে এর আগেও চেষ্টা করা হয়েছিল, এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যে সেটি হারিয়েও গিয়েছিল। সমালোচকরা সবসময়ই বলেন, এগুলো হচ্ছে অ্যালকোহলমুক্ত বিয়ার কিংবা ক্যাফেইন-বিহীন কফি পান করার মতো। এমন কিছু করারই বা কী অর্থ থাকতে পারে?

    এইসব কিছু সেকুলার-মানসিকতাসম্পন্ন মানুষদের জন্য একই সাথে ধর্মের আকর্ষণ এবং এর সমস্যাগুলোর প্রমাণ দিচ্ছে। তারা হয়তো ধর্ম যা-কিছু অর্জন করেছে, তার প্রশংসা করতে পারেন, কিন্তু তারা সেই অতিপ্রাকৃত বিশ্বাসকে আর মেনে নিতে পারেন না, যার ওপর ভিত্তি করে এটি দাঁড়িয়ে আছে। কর্তৃত্বের সেই রূপগুলো নিয়ে তারা সন্দিহান, যা দাবি করে এটি মানব-সংশোধনের ঊর্ধ্বে এবং অভ্রান্ত। তারা লক্ষ করেছেন, মানব-আচরণের ভালো পরিবর্তনগুলোর সাথে খাপ খাইয়ে নেবার ক্ষেত্রে, আর নতুন জ্ঞানের পরিণতিগুলো মেনে নিতে ধর্ম কতটা মন্থর। নতুন কিছু জানার মতো সাহসী হওয়ার বদলে ধর্ম সাধারণত প্রাচীন ধারণাগুলো আঁকড়ে ধরে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।

    আমরা যেমন ইতিমধ্যেই লক্ষ করেছি, ধর্ম হচ্ছে সেই কামারের নেহাই, যা বহু হাতুড়িক্ষয়ের কারণ হয়েছে। এটি হয়তো সেকুলার-মানবতাবাদের চেয়ে আরো বেশিদিন টিকে থাকতে পারে। যদিও আজ বহু জায়গায় এটি ক্রমশ হারিয়ে যাবার মুখে, কিন্তু এটি এখনো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী এবং আপনার কাছেই উপাসনা করার কোনো স্থানে এটি এখনো চলমান। তবে সেই অনুষ্ঠানের টিকিট আপনি কাটবেন কিনা সেটি পুরোপুরিভাবে আপনার ওপরেই নির্ভর করবে।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }