Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. রাজকুমার থেকে বুদ্ধ

    অধ্যায় ৫. রাজকুমার থেকে বুদ্ধ

    সেই আর্য ঘোড়সওয়ারদের ভারতে প্রবেশ আর জটিল আর বর্ণিল একটি ধর্মের বিবর্তন শুরু করবার পর যে ধর্মটিকে এখন আমরা হিন্দুধর্ম বলি-পনেরোশত বছর পরে একজন ব্যক্তি অশেষ পুনর্জন্মের এই মতবাদটির দিকে গম্ভীর হতাশা নিয়ে তাকিয়েছিলেন। তিনি নিজেকে প্রশ্ন করেছিলেন, আসলেই কোন্ জিনিসটি আমাদের আত্মাকে ‘সামসারা’র চক্রে এভাবে শৃঙ্খলিত করে রেখেছে। আর এই প্রশ্নের উত্তর থেকে একটি নতুন আধ্যাত্মিক আন্দোলনের জন্ম হয়েছিল। কমন এরা শুরু হবার ৫৮০ বছর আগে (খ্রিস্টপূর্ব) উত্তর-পূর্ব ভারতে হিমালয় পর্বতমালার পাদদেশে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তার নাম ছিল সিদ্ধার্থ গৌতম এবং এটি তার কাহিনি।

    সিদ্ধার্থ ছিলেন রাজা আর যোদ্ধাদের ক্ষত্রিয় বর্ণের একজন সদস্য। তার পিতা শুদ্ধোদনের, শাক্য রাজ্যের রাজা (শাক্য প্রজাতন্ত্রের নির্বাচিত প্রধান), বয়স যখন পঞ্চাশ, তখন তার স্ত্রী রানী মায়া (মায়াদেবী) তাদের এই পুত্রসন্তানটির জন্ম দিয়েছিলেন। একজন ধর্মপ্রাণ শিশু হিসাবে, সিদ্ধার্থ হিন্দুধর্মের পবিত্রতম গ্রন্থ বেদ অধ্যয়ন করেছিলেন। এবং যদিও তিনি রাজকুমার ছিলেন, যিনি কিনা বিশেষভাবে সুবিধাপ্রাপ্ত বিলাসী একটি জীবন কাটাতেন, তার শিক্ষকরা কিন্তু তাকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন, বহু জীবনের সেই জন্মজন্মান্তর চক্রের দীর্ঘ একটি যাত্রায় বাকি আর সবার মতোই তিনিও একজন যাত্রী। তার বয়স যখন ষোলো, তিনি রাজকুমারী যশোধরাকে বিয়ে করেছিলেন, এবং তাদের একটি পুত্রসন্তান হয়েছিল, রাহুল। উনত্রিশ বছর বয়স অবধি সিদ্ধার্থ সুরক্ষিত আর বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত একটি জীবন কাটিয়েছিলেন, তার প্রতিটি প্রয়োজন পূর্ণ করার জন্যে ছিল রাজভৃত্যদের একটি বিশাল বাহিনী। কিন্তু অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে ধারাবাহিকভাবে ঘটা কিছু ঘটনা চিরকালের জন্যে তার জীবনটাকে বদলে দিয়েছিল। সে-ঘটনাগুলো চার নিমিত্ত দর্শনের কাহিনি (স্টোরি অব ফোর সাইটস) হিসাবে পরে পরিচিতি পেয়েছিল।

    প্রথম দিনে, দিনের শেষে শিকার থেকে ফেরার পথে, সিদ্ধার্থ একজন রোগজীর্ণ রুগ্ণ ব্যক্তিকে মাটিতে শুয়ে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখেছিলেন। তিনি তার দেহরক্ষী ও সারথি ছন্নকে (ছন্দক) জিজ্ঞাসা করছিলেন এই লোকটির কী হয়েছে। ‘লোকটি অসুস্থ’, এটাই ছিল উত্তর। রাজকুমার জিজ্ঞাসা করেন, ‘কেন সে অসুস্থ’? ‘রাজকুমার, এটাই জীবনের নিয়ম। সব মানুষই অসুস্থ হবে’। রাজকুমারকে দেখে মনে হয়েছিল তিনি কিছু ভাবছেন, কিন্তু আর কিছু বলেননি।

    পরের দিন, ধনুকের মতো বাঁকা পিঠসহ একজন বৃদ্ধকে তিনি দেখেছিলেন, তার মাথা আর হাত ছিল কম্পমান। এমনকি দুটো লাঠির উপর ভর করেও তার জন্যে, হাঁটা স্পষ্টতই বেশ কষ্টকর অনুভূত হয়েছিল। ‘ঐ মানুষটাও কি অসুস্থ?’ রাজকুমার ছন্নকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। ‘না’, ছন্ন উত্তর দিয়েছিলেন, ‘উনি বৃদ্ধ, বৃদ্ধবয়সে সব মানুষের সাথে এমনই হয়’। রাজকুমারকে দেখে মনে হয়েছিল তিনি কিছু ভাবছেন, কিন্তু আর কিছু তিনি বলেননি।

    তৃতীয় দৃশ্য ছিল একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার যাত্রা। একজন মৃত মানুষকে শ্মশানে দাহ করতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল হিন্দুধর্মের নিয়মানুযায়ী, এবং মৃতের ক্রন্দনরত বিধবা স্ত্রী আর সন্তানরা সেটি অনুসরণ করছিলেন। সিদ্ধার্থ ছন্নকে প্রশ্ন করেছিলেন, কী হচ্ছে এখানে। ‘এটি সব রক্ত-মাংস দিয়ে গড়া মানুষের নিয়তি’। তিনি ব্যাখ্যা করেন, রাজকুমার কিংবা ভিক্ষুক, আমাদের সবার জন্যেই মৃত্যু আসবে। আবারও সিদ্ধার্থ কোনো উত্তর দিলেন না।

    সিদ্ধার্থ অসুখ, বার্ধক্য আর মৃত্যুর দুঃখের সাক্ষী হয়েছিলেন। ‘এইসব দুঃখের কারণ কী?’ তিনি ভাবতে শুরু করেছিলেন। তিনি বেদ পড়েছিলেন, কিন্তু সেটি তাকে যা বলেছিল সেটি হচ্ছে, এটাই জীবনের নিয়ম, এটাই হচ্ছে কার্মা। যখন তিনি তার প্রাসাদে বসে এইসব রহস্যগুলো নিয়ে ভাবছিলেন, একটি গানের শব্দ জানালা দিয়ে তার কান অবধি ভেসে এসেছিল। কিন্তু সেটি তাকে আরো বিষণ্ণ করে তুলেছিল। আনন্দ সাময়িক, তিনি অনুধাবন করেছিলেন। এটি স্বস্তি দেয় কিন্তু মৃত্যুর ক্রমশ এগিয়ে আসাটিকে মন্থর করার জন্যে কিছুই করতে পারে না।

    চতুর্থ দিনে তিনি একটি বাজারে গিয়েছিলেন, যথারীতি ছন্নও ছিল তার সাথে। দোকানি আর ব্যবসায়ীদের মধ্যে, যারা ক্রেতাদের সব প্রয়োজন পূরণ করেন, সিদ্ধার্থ মোটা কাপড়ের জামা পরা একজন সন্ন্যাসীকে দেখেছিলেন, যিনি খাদ্যের জন্যে সবার কাছে ভিক্ষা প্রার্থনা করছিলেন। তিনি বৃদ্ধ এবং স্পষ্টতই দরিদ্র, কিন্তু তারপরও তাকে দেখতে সুখী আর প্রশান্তিময় মনে হয়েছিল। ‘এটি কেমন ধরনের মানুষ’? তিনি ছন্নকে আবার জিজ্ঞাসা করেছিলেন। ছন্ন ব্যাখ্যা করেছিলেন, ‘তিনি সেই মানুষগুলোর একজন, যারা গৃহত্যাগ করেছেন নিজস্ব কোনো সম্পদ আর মায়া ছাড়া বাঁচতে, সংসার যে মোহের সৃষ্টি করে সেটি থেকে মুক্তি পেতে।’

    গভীর চিন্তা নিয়েই সিদ্ধার্থ তার প্রাসাদে স্বাচ্ছন্দ্যে ফিরে আসেন। সেই নিদ্রাহীন আর অস্থির রাতে একটি অনুধাবন তাকে আমূল নাড়িয়ে দিয়েছিল, সেটি হচ্ছে আসলেই তৃষ্ণাই (কামনা কিংবা বাসনা) হচ্ছে সব মানব-দুঃখের মূল কারণ। নারী ও পুরুষ কখনোই কেউ তাদের ভাগ্য নিয়ে সন্তুষ্ট নয়, কখনোই তারা শান্তিতে নেই। তারা সেটাই কামনা করে, যা তাদের নেই। কিন্তু যখনই তাদের সেই কাঙ্ক্ষিত দ্রব্যটি অর্জন করা হয়ে যাবে, সেই জায়গায় নতুন আরো একটি কামনাও জেগে উঠবে। আর বিষয়টি নিয়ে যতই তিনি ভাবছিলেন, ততই এই কামনাগুলো তার অসহ্য মনে হয়েছিল, তীব্র বিতৃষ্ণা তিনি অনুভব করেছিলেন। এই পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া প্রতিটি সত্তাকে আক্রান্ত করে এটি এমন একটি অসুখ, এই বাধ্যবাধকতা থেকে পালানোর কোনো উপায় নেই। যদিও কামনা তাকে বিতৃষ্ণ করে তুলেছিল, কিন্তু সেই মানুষগুলোর প্রতি সহমর্মিতায় তার হৃদয় পূর্ণ। হয়েছিল, যাদের এটি নিরন্তর নিপীড়ন করছে। তখনই তিনি তাদের সহায়তা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি তাদের জন্যে একটি উপায় খুঁজে বের করবেন, যেন তৃষ্ণার এই কারাগার থেকে তারা মুক্তি পেতে পারে, যেন তাদের আর এই দুঃখময় পৃথিবীতে কখনোই জন্ম নিতে না হয়। তিনি সেই জ্ঞানের অনুসন্ধান করবেন যা তাকে পুনর্জন্ম চক্রের অনন্ত ঘূর্ণন থেকে মুক্তি দেবে। তারপর তিনি অন্যদের তার সেই খুঁজে-পাওয়া পথটি প্রদর্শন করবেন।

    এই সিদ্ধান্তটি নেবার পর তিনি তার বিছানা থেকে উঠে পড়েছিলেন, তার স্ত্রী আর পুত্রকে নীরবে বিদায় জানিয়ে তিনি ছন্নকে ডেকে পাঠান। সারথি ছন্নকে নিয়ে তার প্রিয় ঘোড়া কন্থকের টানা রথে তারা রাতের অন্ধকারে প্রাসাদের বাইরে বের হয়ে আসেন। প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে যখন তারা বনের প্রান্তে এসে পৌঁছান, সিদ্ধার্থ রথ থেকে নেমে তলোয়ার দিয়ে তার দীর্ঘ চুল কেটে মুণ্ডিতমস্তক হন। তিনি ছন্নকে তার চুলের গোছাটি দেন এবং তাকে প্রাসাদে ফেরত পাঠান, যেন সেটি সে প্রমাণ হিসাবে দেখাতে পারে, আজ থেকে তিনি একটি নতুন জীবনের পথে যাত্রা শুরু করেছেন। এরপর তিনি তার মূল্যবান রাজবস্ত্র একটি ভিখারির ছিন্নবস্ত্রের সাথে রদবদল করে নেন, এবং গৃহহীন এক তীর্থযাত্রী হিসাবে তার যাত্রা শুরু করেন। রাজকুমার সিদ্ধার্থ গৌতম যখন ভিক্ষুকের জীবন বেছে নিয়েছিলেন তখন তার বয়স ছিল উনত্রিশ। তার কাহিনির এই মুহূর্তটি পরিচিত মহাভিনিষ্ক্রমণ (দ্য গ্রেট রিনানসিয়েশন) নামে।

    ছয় বছর তিনি বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়িয়েছিলেন, বোধিলাভ আর বাসনা থেকে মুক্তি পাবার শ্রেষ্ঠ উপায় অনুসন্ধান করে। তার সাথে দেখা হওয়া সাধুরা দুটি পথ প্রস্তাব করেছিলেন। একটি ছিল খুব কঠোর মানসিক অনুশীলন, যা পরিকল্পিত হয়েছে মনকে শৃঙ্খলাপূর্ণ এবং বাসনাগুলোকে স্থির করতে। সিদ্ধার্থ এই কৌশলটি আয়ত্ত করে নিয়েছিলেন এবং এগুলো সহায়ক এমন প্রমাণও পেয়েছিলেন। কিন্তু এটি তার সেই চূড়ান্ত মুক্তি বা বোধিলাভ যা তিনি অনুসন্ধান করছিলেন তা নিকটে আনতে পারেননি। সুতরাং তিনি ধ্যানে মগ্ন হয়ে থাকা সাধুদের ত্যাগ করে আবার তার যাত্রা শুরু করেন। এভাবে তিনি একদল সন্ন্যাসীর দেখা পান, যারা অনশন, শারীরিক নিপীড়ন ও কঠোর সাধনার তপস্যা করতেন। তারা তাকে বলেছিলেন, যত তীব্রতার সাথে তিনি তার শরীরকে ত্যাগস্বীকার করাতে পারবেন, ততই সুস্পষ্ট হয়ে উঠবে তার মন। আপনি যদি আত্মার মুক্তি চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই অনশন করতে হবে, শরীরকে অভুক্ত রাখতে হবে। সিদ্ধার্থ আত্ম-অস্বীকৃতির এই আচার শুরু করেছিলেন, যা তাকে প্রায় মৃত্যুর মুখোমুখি নিয়ে এসেছিল। এই সময়ে তার নিজের সম্বন্ধে বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন :

    যখন আমি দিনে মাত্র একটি ফল খেয়ে বেঁচে ছিলাম আমার শরীর শীর্ণ আর রুগ্ণ হয়েছিল… আমার হাতপাগুলো পরিণত হয়েছিল যেন শুকনো কোনো লতাগাছের জটগুলো.. ভেঙে পড়া ছাদের কড়ি-বরগার রূপ নিয়ে ছিল আমার বুকের রুগ্ণ পাজর.. যদি আমি আমার পেটটা ছুঁতে যেতাম, হাতে ধরা পড়ত আমার মেরুদণ্ড।

    তিনি আপন মনেই চিন্তা করেছিলেন : এই শারীরিক কৃচ্ছসাধনের তত্ত্ব যদি সত্য হয়, নিশ্চয়ই আমি ইতিমধ্যেই বোধিলাভ করে ফেলতাম, কারণ আমি প্রায় মৃত্যুর সীমানায় এসে উপস্থিত হয়েছি। এখন এতই দুর্বল যে, তিনি তার শরীর নিয়ে দাঁড়াতেও পারছিলেন না। এমনকি আর একবিন্দু তার শরীরটাকে টেনে নিয়ে যেতে পারছিলেন না। সিদ্ধার্থ জ্ঞান হারিয়েছিলেন। তার সতীর্থরা ভেবেছিলেন, তিনি হয়তো আসন্ন মৃত্যুর মুখোমুখি, কিন্তু তিনি আরোগ্য লাভ করেছিলেন। এবং যখন তিনি তার স্বরূপে ফিরে এসেছিলেন, তখন সন্ন্যাসীদের বলেছিলেন, তিনি একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। ছয় বছরের তীব্র ধ্যান আর আত্ম-অস্বীকৃতি তার খুঁজে-বেড়ানো বোধির আদৌ কাছাকাছি তাকে নিয়ে আসতে পারেননি। সুতরাং তিনি এই অনশন আর আত্মনিপীড়ন বন্ধ করবেন। তার এই ঘোষণায় ব্যথিত হয়ে সন্ন্যাসীরা তাকে ত্যাগ করে চলে যান, এবং সিদ্ধার্থ একাই তার পথ চলতে শুরু করেন।

    তিনি একটি বন্য অশ্বথগাছের কাছে এসে উপস্থিত হয়েছিলেন, এর ছায়ায় বিশ্রাম নেবার সময় তিনি একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, যদি আমার চামড়া, স্নায় আর অস্থি ক্ষয় হয়েও যায়, আমার জীবন-রক্ত শুকিয়েও যায়, তারপরও যতক্ষণ-না আমি সত্যজ্ঞান লাভ করছি আমি এখানেই বসে থাকব। সাত দিন পর, তিনি হঠাৎ করেই অনুধাবন করেছিলেন, তার নিজের মধ্য থেকে তৃষ্ণা দূর করার তৃষ্ণাটিও একটি তৃষ্ণা। তিনি অনুধাবন করেছিলেন এই বাসনা থেকে মুক্তি পাবার বাসনাই তার নিজের বোধিলাভ করার পথের অন্তরায়। এবং যখন এই অন্তদৃষ্টির প্রকৃত অর্থ তার কাছে আরো স্পষ্ট হয়ে উঠছিল, তার মনের মধ্যে বিকশিত হয়েছিল, তিনি সচেতন হয়ে উঠেছিলেন যে, তিনি এখন সব বাসনাশূন্য, সব তৃষ্ণা থেকে মুক্ত। তিনি পরমানন্দময় একটি অবস্থায় প্রবেশ করেন, যেখানে ‘অজ্ঞতা ধ্বংস হয়েছিল, জ্ঞানের জন্ম হয়েছিল; অন্ধকার দূর হয়েছিল, আলোয় প্লাবিত হয়েছিল।’

    তাৎক্ষণিকভাবে তিনি অনুধাবন করেছিলেন, ‘পুনর্জন্ম আর নয়। আমি সর্বোচ্চ জীবন কাটিয়েছি, আমার কাজ এখন শেষ, আর এখন আমি যা ছিলাম, সেটির আর কোনো অস্তিত্ব নেই।’ সামসারার চক্রের ঘূর্ণন আর পুনর্জন্ম তার জন্যে থেমে গিয়েছিল। আর তখন তিনি বুদ্ধে পরিণত হয়েছিলেন ‘যিনি পরম শাশ্বত বোধ বা জ্ঞান লাভ করেছেন।’ যেদিন সর্বতৃষ্ণার ক্ষয় সাধন করে তিনি বোধিজ্ঞান লাভ করে বুদ্ধ হয়েছিলেন, সেটি মহাপবিত্র রাত্রি নামে পরিচিত (বুদ্ধ পূর্ণিমা)। উনপঞ্চাশ দিন ধরে ধ্যান করার পর তিনি বোধিপ্রাপ্ত হন। এই সময় তিনি মানবজীবনে দুঃখ ও তার কারণ এবং দুঃখ নিবারণের উপায় সম্বন্ধে অন্তর্দৃষ্টি লাভ করেন, যা ‘চতুরার্য সত্য’ নামে খ্যাত হয়। তার মতে এই সত্য সম্বন্ধে জ্ঞানলাভ করলে মুক্তি বা নির্বাণ লাভ সম্ভব।

    এরপর তিনি সেই সাধুদের খুঁজতে গিয়েছিলেন যাদের তিনি হতাশ করেছিলেন তাদের বোধিলাভের পথ অনুসরণ না করে। উত্তর-ভারতে গঙ্গার তীরে অবস্থিত একটি শহর বারানসীর একটি মৃগ-উদ্যানে তিনি তাদের খুঁজে পান। একসময় তাদের পরিত্যাগ করা সত্ত্বেও তারা তাকে সৌজন্যের সাথে স্বাগত জানিয়েছিলেন। বারানসীর নিকট ঋষিপতনের এই মৃগ-উদ্যানে যাত্রা করে তার সাধনার সময়ের পাঁচ প্রাক্তন সঙ্গীদের তিনি তার প্রথম শিক্ষা প্রদান করেন। এইভাবে তাদের নিয়ে ইতিহাসের প্রথম বৌদ্ধসংঘটি গঠিত হয়েছিল। তাদের নম্র অভিযোগ যে, কৃচ্ছসাধনের জীবন ত্যাগ করে তিনি বোধিলাভ করার সুযোগ হারিয়েছেন, এর উত্তরই ছিল বুদ্ধের প্রথম ধর্মশিক্ষা, যা বৌদ্ধ ঐতিহ্যে ‘ধর্মচক্রবর্তন’ নামে খ্যাত। (সার্সন অব দ্য টার্নিং অব দ্য হুইল)। এই শিক্ষা দেবার সময় তিনি আবার সেই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করেছিলেন যা বোধিলাভের উদ্দেশ্যে তার গৃহত্যাগ করার মুহূর্ত থেকেই তার মনে সবসময়ই উপস্থিত ছিল। সামসারা’র এই ঘূর্ণায়মান চক্রকে থামাতে পারে কি, যার সাথে আমাদের তৃষ্ণাগুলো আমাদের শৃঙ্খলিত করে রেখেছে? প্রশ্নটির যে উত্তর তিনি দিয়েছিলেন সেটি হচ্ছে : এর থেকে বের হবার উপায় হচ্ছে দুই চূড়ান্ত উপায়ের মধ্যবর্তী পথটি। তিনি এটিকে বলেছিলেন মধ্যম পন্থা (দ্য মিডল পাথ)। তিনি সন্ন্যাসীদের বলেন : দুটি চূড়ান্ত পথ আমাদের এড়িয়ে চলতে হবে। একটি সুখানুভূতি অর্জনের জীবন, এবং এর কামনা, এটি অধঃপাত, এবং এখানে কোনো লক্ষ্য বা মুক্তি নেই। আরেকটি চূড়ান্ত প্রান্ত হচ্ছে আত্ম অস্বীকৃতির জীবন। এটি কষ্টকর, এখানেও কোনো মুক্তি নেই। এই দুটি চূড়ান্ত পথ এড়িয়ে যদি আমরা মধ্যম পন্থা অর্জন করি, এটি আমাদের বোধিলাভের দিকে নিয়ে যায়। এই মধ্যম পথের নির্দেশকগুলো হচ্ছে চারটি মহান সত্য, চতুরার্য সত্য (ফোর নোবেল ট্রুথ, চতুরার্য প্রধান জ্ঞান দর্শন। এই চারটি সত্য হল : দুঃখ, দুঃখ-সমুদয়, দুঃখ-নিরোধ ও দুঃখ-নিরোধ মার্গ। চতুরার্য সত্যের প্রথম সত্য হল দুঃখ। দ্বিতীয় সত্য হল দুঃখ সমুদয় বা দুঃখের কারণ হচ্ছে তৃষ্ণা বা আসক্তি। তৃষ্ণাকে দৃঢ়ভাবে সংযত করে ও ক্রমশ পরিত্যাগ করে বিনাশ করাকে গৌতম বুদ্ধ দুঃখ-নিরোধ বলেছেন। চতুরার্য সত্যের প্রথম তিনটি সত্য দুঃখের বৈশিষ্ট্য ও কারণকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এর চতুর্থ সত্য দুঃখ-নিবারণের ব্যবহারিক উপায় দর্শায়। গৌতম বুদ্ধ দ্বারা বর্ণিত দুঃখ-নিরোধ মার্গ বা দুঃখ-নিরসনের উপায়কে অষ্টাঙ্গিক মার্গ বলা হয়। পুরো জীবনটাই পূর্ণ দুঃখে। আর দুঃখের কারণ হচ্ছে কামনা/তৃষ্ণা/আসক্তি। আর তৃষ্ণাকে নিরোধ বা বর্জন করা যেতে পারে। আর দুঃখ নিরসনের উপায় হচ্ছে তার অষ্টাঙ্গিক মার্গ অনুসরণ করা (এইটফোন্ড পাথ বা অষ্টাঙ্গিক মার্গ : গৌতম বুদ্ধ দ্বারা বর্ণিত দুঃখ-নিরোধ মার্গ বা দুঃখ-নিরসনের উপায়। এটি বৌদ্ধধর্মের মূলকথা চতুরার্য সত্যের চতুর্থতম অংশ।)

    বুদ্ধ প্রয়োগবুদ্ধিসম্পন্ন একজন ব্যক্তি ছিলেন, তিনি কর্মে বিশ্বাস করতেন। আর এই ধরনের মানুষদের বিশেষভাবে লক্ষণীয় একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, তারা তালিকা তৈরি করতে পছন্দ করেন; যেমন, কী করতে হবে, কী মনে রাখতে হবে, বাজারে গেলে কী কী কিনতে হবে ইত্যাদি। আর বুদ্ধের অষ্টাঙ্গিক মার্গের তালিকাটি হচ্ছে দুঃখের, কারণ তৃষ্ণাকে দূর করার জন্যে যা-কিছু করতে হবে : সম্যক দৃষ্টি/বিশ্বাস, সম্যক সংকল্প, সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম, সম্যক জীবিকা, সম্যক প্রযত্ন, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি। সম্যক বা সঠিক বিশ্বাস আর সঠিক সংকল্প হচ্ছে মধ্যম পথ খোঁজা এবং সেটি অনুসরণ করা। এরপরে হচ্ছে সেই সিদ্ধান্ত : কখনোই পরনিন্দা অথবা কটুবাক্য ব্যবহার না করা। এমনকি আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কোনোকিছু চুরি, হত্যা অথবা লজ্জাজনক কোনো কাজ করতে অস্বীকার করা, এবং সেইসব পেশা বর্জন করা, যা অন্যের ক্ষতি করে।

    বৌদ্ধধর্ম হচ্ছে একটি অনুশীলন; এটি কোনো ধর্মীয় মতবিশ্বাস বা মতবাদ নয়। এখানে কোনোকিছু বিশ্বাস করার বিষয় নেই বরং কিছু করার বিষয় আছে। এর কার্যকারিতার মূল চাবিটি হচ্ছে ধ্যানের মাধ্যমে অস্থির সেই তৃষ্ণার্ত মনকে নিয়ন্ত্রণ করা। স্থির হয়ে বসে, এবং কীভাবে তারা শ্বাস নিচ্ছেন সেটি লক্ষ করে, কোনো একটি শব্দ আর একটি ফল নিয়ে ধ্যান করার মাধ্যমে এর অনুশীলনকারীরা সচেতনতার বিভিন্ন স্তরে অতিক্রম করে শান্ত ও সুস্থির হবেন, যা তাদের তৃষ্ণাকে হাস করে। বুদ্ধ হয়তো একমত হতেন সপ্তদশ শতাব্দীর ফরাসি চিন্তাশীল দার্শনিক ব্লেইজ পাসকলের সেই অন্তদৃষ্টির সাথে : ‘একটি ঘরে সুস্থির বসে থাকতে পারার অক্ষমতাই সব মানবিক অশুভ কর্মকাণ্ডের কারণ।’

    বুদ্ধের মধ্যম পন্থার ব্যাখ্যায় প্রণোদিত হয়ে সেই সন্ন্যাসীরা তার অনুসারীতে পরিণত হয়েছিলেন; এবং সংঘ, বৌদ্ধ সন্ন্যাসী আর সন্ন্যাসিনীদের সংগঠনটির জন্ম হয়েছিল। যদিও বুদ্ধের শিক্ষা কোনো ধর্মীয় মতবিশ্বাস এর অনুসারীদের ওপর চাপিয়ে দেয়নি, তবে এর ভিত্তিতে আছে ভারতীয় ধর্মের দুটি প্রধান ধারণা : কার্মা এবং সামসারা; কর্মের সেই আইন যা বহু লক্ষবার পুনর্জন্মের কারণ, তিনি শিখিয়েছিলেন যে, পুনর্জন্মের এই চক্রটি বন্ধ করার সবচেয়ে দ্রুততম উপায় হচ্ছে সন্ন্যাস নেওয়া এবং শৃঙ্খলার অনুশাসন মেনে চলা যা এর অনুশীলনকারীকে বোধিলাভ করার পথে নিয়ে যাবে। কিন্তু যদি পরিস্থিতি এমন কিছু করা আপনার জন্যে অসম্ভব করে তোলে, সেক্ষেত্রে সবচেয়ে সেরা উপায়টি হচ্ছে একটি নৈতিক জীবন কাটানো, এমন আশায় যে, পরের বার যেন আপনি সেই অবস্থা অর্জন করতে পারেন, যেখানে সন্ন্যাসী বা সন্ন্যাসিনীর কমলা আলখাল্লা পরা আপনার জন্যে সম্ভব হতে পারে।

    বেনারসে প্রথম ধর্মপ্রচারের পর পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে বুদ্ধ ভ্রমণ করেছিলেন, এবং তার সন্ন্যাসী আর সন্ন্যাসিনীদের সংঘটিকে আরো মজবুত করে তোলার চেষ্টা করেছিলেন। যখন তিনি মৃত্যুর কাছাকাছি উপস্থিত হয়েছিলেন, তিনি তার অনুসারীদের বলেছিলেন, তার এই মহাপরিনির্বাণ গুরুত্বপূর্ণ নয়, কারণ তার শিক্ষা। রয়ে যাবে। এবং এই শিক্ষাগুলোই গুরুত্বপূর্ণ। রাজকুমার, যিনি বুদ্ধ হয়েছিলেন বেনারসের উত্তর-পূর্বে একটি শহরে, তার শেষ যাত্রাটি করেছিলেন মহাপরিনির্বাণের আগে (কুশীনগর)। অসুস্থতা অনুভব করে সেখানে তিনি দুটি শালবৃক্ষের মাঝে একটুকরো কাপড় বিছিয়ে তার উপর শুয়ে পড়েছিলেন, এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়েছিল। তখন তার বয়স হয়েছিল আশি। যে ধর্মটি সিদ্ধার্থ গৌতম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেটি সারা এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল, এবং সময়ের একটি পর্যায়ে এটি বিশ্বধর্মে পরিণত হয়েছিল। কিন্তু তার জন্মদেশে আজ এর অনুসারীর সংখ্যা বেশ কম, জৈনধর্মের ব্যতিক্রম, যাকে আর কোথাও পাওয়াই যায় না বললেই চলে। পরের অধ্যায়ে আমরা সেটি নিয়ে আলোচনা করব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }