Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. কোনো ক্ষতি কোরো না

    অধ্যায় ৬. কোনো ক্ষতি কোরো না

    বৌদ্ধধর্মের মতো, জৈনধর্মও সেই প্রশ্নটির একটি উত্তর, হিন্দুধর্ম মানবতাকে যে প্রশ্নটির মুখোমুখি করেছিল। যদি আমাদের বর্তমান অস্তিত্বটি শুধুমাত্র ভবিষ্যতে কাটাতে হবে এমন বহুজীবনের সবচেয়ে সাম্প্রতিকতমটি হয়ে থাকে, কারণ আমাদের কার্মা পুনর্জন্মের সেই চক্রে আমাদের বন্দি করে রেখেছে, তাহলে কীভাবে আমরা এখান থেকে নিজেদের মুক্ত করতে পারি এবং পালিয়ে যেতে পারি সেই অবস্থায়, যাকে বলা হয় ‘নির্বাণ’? নির্বাণ হচ্ছে সংস্কৃত একটি শব্দ, যার অর্থ মোমবাতির শিখার মতো নিভে যাওয়া। এটি অর্জিত হয় যখন আত্মা অবশেষে ‘সামসারা’ থেকে মুক্তি পায়। বুদ্ধের উত্তর ছিল দুই চূড়ান্তের মধ্যম পন্থা। জৈনধর্ম এর বিপরীত দিকে গিয়েছিল। এটি কল্পনাযোগ্য সবচেয়ে কঠোর আত্ম-অস্বীকৃতির পথ নির্বাচন করেছিল। আর এর অনুসারীদের জন্য চূড়ান্ত আদর্শ ছিল সাল্লেখানা বা সন্ত্রা আচারটি পালন করা এবং উপোস করার মাধ্যমে নিজেদের মৃত্যু নিশ্চিত করা।

    ‘জৈন’ শব্দটি যে সংস্কৃত ক্রিয়াপদ (জিন) থেকে এসেছে, তার অর্থ হচ্ছে ‘জয় করা। এটি সেই যুদ্ধটির তথ্যনির্দেশ করছে, যে যুদ্ধটি জৈনধর্মানুসারীদের তাদের নিজেদের প্রকৃতির বিরুদ্ধে লড়তে হয়, বোধিলাভের সেই পর্যায় পৌঁছাতে, যা তাদের মুক্ত করে (জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি)। জৈনধর্মের চব্বিশ জন ‘জিন’ অথবা বিজয়ী ছিলেন, যারা তাদের সব তৃষ্ণার ওপর এমন দক্ষতা অর্জন করেছিলেন যে, তারা বোধিলাভ করেছিলেন। তারা তীর্থঙ্কর’ নামে পরিচিত ছিলেন [(জৈনধর্মে একজন তীর্থঙ্কর হলেন এক সর্বজ্ঞ শিক্ষক ঈশ্বর, যিনি ধর্ম (নৈতিক পথ) শিক্ষা দেন।] ‘তীর্থঙ্কর’ শব্দটির আক্ষরিক অর্থ ‘তীর্থের প্রতিষ্ঠাতা’। আর জৈনধর্মে ‘তীর্থ’ বলতে ‘সংসার’ নামক অনন্ত জন্ম ও মৃত্যু সমুদ্রের মধ্যে দিয়ে প্রসারিত একটি সংকীর্ণ পথকে বোঝায়, তীর্থঙ্করদের ‘শিক্ষক ঈশ্বর’, ‘পথ স্রষ্টা, যাত্রাপথ-স্রষ্টা’ ও ‘নদী পারাপারের পথস্রষ্টা; কারণ পুনর্জন্মের সেই নদীর উপর দিয়ে অন্যপ্রান্তে মোক্ষ (মুক্তি)-লাভের দিকে তারা আত্মাদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যান। এইসব তীর্থঙ্করদের মধ্যে যিনি সর্বশেষ, তাকে সাধারণত জৈনধর্মের (জিন সাশন) প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে বর্ণনা করা হয়। তার নাম ছিল বর্ধমান, যদিও তিনি মহাবীর (মহান বীর) নামেই পরিচিত হয়েছিলেন। জৈনধর্মীয় ঐতিহ্য আমাদের জানাচ্ছে তিনি ৫৯৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, পূর্বভারতের। গাঙ্গেয় অববাহিকায়; এই এলাকায় সিদ্ধার্থ গৌতমও জন্মগ্রহণ করেছিলেন, যিনি বুদ্ধ নামে পরিচিত হয়েছিলেন।

    শুধুমাত্র ভূগোল বা সময় ছাড়াও বুদ্ধ আর মহাবীরের মধ্যে আরো বেশকিছু মিল আছে। তিনিও একজন রাজকুমার ছিলেন। তিনিও দুঃখের সমস্যা, এর কারণ আর প্রতিকার নিয়ে ভাবনায় আচ্ছন্ন ছিলেন। অনন্ত জ্ঞান বা সর্বজ্ঞতা লাভের আশায় তিনিও তার স্বচ্ছল বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত জীবন ত্যাগ করেছিলেন। এবং তিনি বুদ্ধের সাথে একমত হয়েছিলেন যে, তৃষ্ণাই (কামনা/আসক্তি) হচ্ছে সব দুঃখের কারণ। মানুষ অসুখী কারণ, তাদের যা নেই, তারা সেই জিনিসই কামনা করে। কিন্তু যখনই তারা যা তারা কামনা করেছিল সেটি পায়, আবার তারা অন্য কোনোকিছু কামনা করতে শুরু করে। সেকারণে তৃষ্ণাই হচ্ছে সব দুঃখের কারণ, এই তৃষ্ণা নির্বাপন করার মধ্যেই আছে আমাদের পরিত্রাণ। এবং যেভাবে তিনি এই তৃষ্ণা নির্বাপন করার পথ বেছে নিয়েছিলেন সেটি ইঙ্গিত করে মহাবীর আসলে ঠিক কতটা বৈপ্লবিক একটি চরিত্র ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, অশুভ সব কাজকে এড়িয়ে চলা এবং ভালো কাজ করার মাধ্যমেই জন্ম-জন্মান্তরের সামসারার চক্র থেকে মুক্তি অর্জন করা সম্ভব হতে পারে। বুদ্ধের মতোই, তিনিও তালিকা বানাতে ভালোবাসতেন। তিনি তার প্রক্রিয়াটিকে পাঁচটি নির্দেশনায় সূত্রবদ্ধ করেছিলেন। কোনো জীবিত প্রাণীকে হত্যা কিংবা ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকা। চুরি না করা। মিথ্যাচার না করা। অপবিত্র কিংবা বিশৃঙ্খল জীবন না কাটানো। এবং কোনোকিছুতে আসক্তি বা কামনা না করা। এই পঞ্চব্রতগুলো হচ্ছে : অহিংসা, সত্য, অস্তেয়, ব্রহ্মচর্য, অপরিগ্রহ।

    প্রথম দৃষ্টিতে মনে হবে এই নির্দেশগুলোর মধ্যে নতুন কিছুই নেই। বিশ্বাসের অন্য অনেক পদ্ধতিই একই ধরনের তালিকা তাদের অনুসারীদের অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে এর আগে। কিন্তু জৈনধর্মকে যা স্বতন্ত্র করেছে, সেটি হচ্ছে মহাবীরের প্রথম নির্দেশনাটির ওপর এটি যে-পরিমাণ গুরুত্ব দিয়েছে, কোনো জীবকে হত্যা বা জীবের ক্ষতি না করা। অহিংসা, তার শিক্ষার প্রধান বৈশিষ্ট্য। এটিকে তিনি বিশ্বজনীন এবং চূড়ান্ত একটি আদর্শ হিসাবে অনুসরণ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। যারা মোক্ষলাভ করতে চাইছেন, তারা শুধুমাত্র চরম অহিংসার মাধ্যমে কার্মাকে পরিবর্তন করতে পারবেন, যা তাদেরকে পুনর্জন্মের চক্রের সাথে বেঁধে রেখেছে।

    জৈন সন্ন্যাসী আর সন্ন্যাসিনীরা অবশ্যই কোনোকিছুকে কষ্ট দিতে অথবা হত্যা করতে পারবেন না! খাদ্য হিসাবে কোনো প্রাণীকে হত্যা করা তাদের জন্যে। নিষিদ্ধ। তারা শিকার কিংবা মাছ ধরতে পারবেন না। এমনকি তারা মশাও মারতে পারবেন না, যখন কিনা সেটি তাদের মুখের উপর বসে রক্ত শুষে নেয়, কিংবা মৌমাছি, যদি সেটি তাদের ঘাড়ে হুল ফুটিয়ে দেয়। যদি তারা কোনো একটি মাকড়শা বা অবাঞ্ছিত কীট তাদের বাড়িতে খুঁজে পান, তারা তাদের হত্যা করতে পারবেন না। যদি তারা সেটি সেখানে না চান, তাহলে খুব সতর্কতার সাথে সেটি ধরতে হবে, নিশ্চিত করতে হবে যেন এই প্রক্রিয়ায় সেগুলো আহত না হয়, এবং সম্মানের সাথে তাদের বাইরের পরিবেশে ছেড়ে দিয়ে আসতে হবে। এবং যেহেতু মাটিতে তারা হাঁটেন, যেখানে বহু ক্ষুদ্র জীবন্ত প্রাণীদের বাস, তাদের খুব সতর্কভাবে হাঁটতে হবে, যেন তারা কোনো প্রাণীরই ক্ষতি না করেন। তাদের পায়ের চাপে যেন কোনো জীবন পিষ্ট না হয়, সেটি নিশ্চিত করতে জৈন সন্ন্যাসীরা নরম পালকের ঝাড়ু ব্যবহার করেন, এবং তারা হাঁটার সময় আগে খুব সতর্কভাবে ঝাড়ু দিয়ে নেন, সেখানে পা রাখার আগে। কেউ কেউ এমনকি মুখোশ পরেন, কোনো প্রাণী যেন ভুল করে শ্বাসনালীতে প্রবেশ করতে না পারে। তারা যেন কোনো জীবের ক্ষতি না করেন। সবধরনের জীবনের প্রতি তাদের এই বিশেষ শ্রদ্ধা, এমনি কন্দমূলের জন্যে প্রযোজ্য। মাটির নিচের সবজি টেনে উঠানো যেমন যাবে না, তেমনি সেভাবে সংগৃহীত খাদ্যও খাওয়া যাবে না, তাদেরও জীবন আছে, যে জীবন মানুষের জীবনের মতোই মূল্যবান।

    বেশ, যদি তারা মাংস, মাছ অথবা সবজি না খান, তাহলে জৈনরা কী খেয়ে বেঁচে আছেন? তাদের কেউ কেউ আসলেই বেঁচে না-থাকারই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। সাল্লেখানা বা সন্ত্রা বা উপোস করার মাধ্যমে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়া সর্বোচ্চ জৈন আদর্শ। এটি আত্মা থেকে সব আসক্তির নির্বাপণ এবং কার্মা থেকে চূড়ান্ত মুক্তি চিহ্নিত করে। কিন্তু আপনি কয়েক মুহূর্ত ভাবলেই বুঝতে পারবেন যে, এধরনের আত্মহত্যার একটি বিশ্বজনীন আচার হবার সম্ভাবনা নেই, এমনকি জৈন অনুসারীদের মধ্যেও। প্রতিটি ধর্মেই ধর্মীয় আচার অনুসরণ করার তীব্রতায় নানাধরনের স্তর আছে, অতিউৎসাহীদের তীব্র উগ্রতা থেকে শুরু করে কদাচিৎ আচার-অনুসরণকারী স্বল্পমাত্রার উৎসাহীরা। জৈনবাদ, যদিও ইতিহাসে খুবই তীব্র ধর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম, তবে এর অনুসারীদের মধ্যেও এই তীব্রতার নানামাত্রা আমরা দেখতে পাই। অধিকাংশই উপোস করে আত্মহত্যা করেন না। কিন্তু তারা যা করেন সেটি যথেষ্ট পরিমাণেই চরম পর্যায়ের। তারা শুধু ফল খান, সেই ফল, যা মাটিতে পড়ে। জৈনরা বৈপ্লবিকমাত্রায় ফলাহারী। বাতাসের কারণে মাটিতে পড়া ফল খাওয়ার মধ্যে নিজেদের সীমাবদ্ধ করে তারা নিজেদের টিকিয়ে রাখেন অন্য কোনোধরনের জীবনের ক্ষতি না করে।

    সবধরনের জীবনের পবিত্রতার ওপর গভীর বিশ্বাস ছাড়া, জৈনধর্ম খুব সামান্যই ধর্মীয় তত্ত্বের ভারে নিজেকে ভারাবনত করেছে। এর পদ্ধতির মধ্যে এটি চূড়ান্ত কোনো ঈশ্বর বা সৃষ্টিকর্তার জন্যে জায়গা রাখেনি। জাত বা বর্ণপ্রথার নিষ্ঠুরতাগুলো এটি প্রত্যাখ্যান করেছিল। কিন্তু এর মোক্ষ বা মুক্তি লাভ করার পথটি মহাবিশ্বের একটি সুনির্দিষ্ট মানচিত্রের ওপর নির্ভরশীল। জৈনরা বিশ্বাস করতেন দুটি দানবীয় আকারের বিশাল গোলক দিয়ে এই মহাবিশ্ব তৈরি, যে গোলকদুটি একটি সংকীর্ণ কোমর দিয়ে পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে আছে। ছবিটি কল্পনা করতে চাইলে একটি বাতাসভর্তি বেলুনের মাঝখানে একটি গিঁট বাঁধার চেষ্টা করুন, যা এটিকে আপনার গিঁটটি দিয়ে সংযুক্ত দুটি ভাগে বিভক্ত করবে। জৈন ধর্মমতে এই মধ্যবর্তী গিঁটটি হচ্ছে আমাদের এই বিশ্ব, যেখানে পুনর্জন্মের চক্রে আত্মারা তাদের সময় অতিবাহিত করে। ঠিক যেমন বেশি পরিমাণ খাদ্য আমাদের শরীরকে স্থূল করে তোলে এবং যখন সেটি বহন করে চলতে আমাদের কষ্ট হয়, সেভাবে জৈন বিশ্বাসে মনে করা হয়, খারাপ আচরণ আমাদের আত্মাকে ভারী করে তোলে, পুনর্জন্মের চাকা থেকে মুক্তি পাবার বিষয়টিকে এটি আরো কঠিন করে তোলে। যে আত্মাগুলো এর আগে খারাপ জীবন কাটিয়েছে তারা ফিরে আসে নিম্নতর কোনো রূপে। হয়তো কোনো সাপ বা ব্যাঙ হিসাবে, এমনকি গাজর কিংবা পিয়াজ রূপেও হতে পারে। যে আত্মাগুলো আসলেই খুবই অশুভ জীবন কাটিয়েছে সেগুলো এতই ভারী হয়ে ওঠে যে, তাদের ওজন এদের নিচের দিকে টেনে নিয়ে যায় মহাবিশ্বের নিচের গোলকের মধ্যে সাতটি নরকের কোনো একটিতে, যেখানে প্রতিটি নরক নির্যাতনের মাত্রায় এর উপরের নরকের চেয়েও আরো বেশি ভয়ংকর।

    আর এই একই আইন মেনে, যে আত্মারা নিজেদের পাপমুক্ত করতে পারে, সেটি আরো হালকা হয়ে যেতে থাকে যতই তারা সংগ্রাম করে। সত্যিকারের জৈনরা কৃচ্ছত; কঠোর তপশ্চর্যার আচার পালন করেন (অ্যাসেটিসিজম শব্দটি এসেছে প্রাচীন গ্রিকের ক্রীড়াজগৎ থেকে, যার অর্থ হচ্ছে খুবই কঠোরভাবে পরিশ্রম করা, যেন তার ক্ষেত্রে তিনি সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন)। জিনরা, যারা জৈনধর্মের সেরা চরিত্র, তারা তাদের আত্মার শুদ্ধির জন্যে এতটাই পরিশ্রম করেন যে, সেটি ক্রমশ হালকা হয়ে উপরের গোলকে স্বর্গে আরোহণ করে, ছাব্বিশটি স্বর্গ অতিক্রম করে তারা নির্বাণে পৌঁছে যান, যা তাদের সব সংগ্রামের চূড়ান্ত গন্তব্য। এখানে তারা স্থির পরমানন্দময় একটি অবস্থায় চিরবিরাজমান। অবশেষে মোক্ষলাভ।

    জৈনধর্মের আরেকটি কৌতূহলোদ্দীপক দিক হচ্ছে, যেভাবে এটি তার। নির্ভারতার (আত্মার লঘুতা) সংগ্রামটির সম্প্রসারণ করেছিল ধারণার জগতেও। খারাপ কাজের মতোই, খারাপ ধারণাও আমাদের আত্মাকে আরো ভারী করে তুলতে পারে। ইতিহাস অবশ্যই সাক্ষী যে, ধর্মীয় ধারণাসহ নানাধরনের ধারণা নিয়ে অমিল মানুষের মধ্য সংঘর্ষের অন্যতম প্রধান একটি কারণ। কারণ জৈনদের জন্যে, অহিংসার মতবাদ সেই ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা যায়, যেভাবে তারা মানুষের শরীরকে দেখেন, তেমনি তাদের ধারণাগুলোকেও দেখেন। এমনকি তাদের মানসিক জীবনেও জৈনরা কারো ক্ষতি করার কথা এবং অহিংস আচরণ করা থেকে বিরত থাকেন। তারা সেই ভিন্নপথগুলোকে শ্রদ্ধা করেন, যেভাবে বিভিন্ন মানুষ তাদের বাস্তবতাকে পর্যবেক্ষণ আর অভিজ্ঞতা অর্জন করেন, এবং একই সাথে সেই বিষয়টিকেও শনাক্ত করেন : আসলে কেউই সার্বিকভাবে পুরো ব্যাপারটি একা দেখতে পারেন না।

    শ্রদ্ধার এই মতবাদটির তারা নাম দিয়েছেন ‘অনেকান্তবাদ’। এবং এটি ব্যাখ্যা করার জন্য তারা অন্ধ ছয় ব্যক্তির একটি কাহিনি বর্ণনা করেছিলেন, যাদের শরীরের বিভিন্ন অংশ অনুভব করে একটি হাতির বিবরণ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। যে ব্যক্তি এর পা অনুভব করেছিলেন, তিনি বলেছিলেন হাতি স্তম্ভের মতো দেখতে। যিনি এর লেজ স্পর্শ করেছিলেন তার কাছে এটি ছিল দড়ির মতো। যিনি এর শুড় অনুভব করেছিলেন, তিনি বলেছিলেন এটি দেখতে একটি গাছের শাখার মতো। যে ব্যক্তি কান স্পর্শ করেছিলেন তার কাছে হাতি ছিল একটি হাতপাখার মতো, যিনি এর পেটে হাত বুলিয়েছিলেন এটি ছিল তারা কাছে একটি দেয়ালের মতো, যিনি এর শক্ত দাঁত ধরেছিলেন তিনি বলেছিলেন হাতি শক্ত একটি নলের মতো দেখতে। তাদের শিক্ষক সবাইকে বলেছিলেন, তারা সবাই সঠিক তাদের বিবরণে তবে একটি দৃষ্টিকোণ থেকে, কিন্তু প্রত্যেকেই পুরো অংশটির শুধুমাত্র একটি অংশ বুঝতে পেরেছিলেন। এই গল্পের নীতিবাক্য হচ্ছে যে, বাস্তবতা অনুধাবন করার ক্ষেত্রে মানুষের একটি সীমাবদ্ধতা আছে। যদিও তারা সম্পূর্ণ বিষয়টির প্রতি অন্ধ নাও হতে পারেন, কিন্তু শুধুমাত্র একটি একক দৃষ্টিকোণ থেকে তারা সেটি দেখতে পারেন। আর এটি ঠিক আছে, যতক্ষণ-না তারা দাবি করছেন যে, একমাত্র তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটাই হচ্ছে সার্বিক চিত্র, এবং একইভাবে বিষয়টি দেখতে যখন তারা অন্যদের ওপর বল প্রয়োগ করেন।

    জৈনরা মনে করেন, আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা হচ্ছে সেই মায়া বা অবাস্তবতার পরিণতি যেখানে আমরা আমাদের এই পাপপূর্ণ অস্তিত্বে আটকে আছি। শুধুমাত্র সর্বজ্ঞানপ্রাপ্তরাই নিখুঁত জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছেন। জৈনধর্মের অন্য বিষয়গুলো নিয়ে আমরা যাই ভাবি না কেন, তবে আধ্যাত্মিক নম্রতার ব্যাপারে এর প্রণোদনা অন্যসব ধর্মের মধ্যে বিরল একটি বিষয়। ধর্মগুলো সাধারণত এমন কিছু দাবি করতে উৎসুক থাকে যে, শুধুমাত্র তাদের কাছে চূড়ান্ত সত্যটি আছে, সব ব্যাপারে তারাই সবকিছু জানেন। তারা সবাই সেই অন্ধ ভিখারিদের মতো, যারা একটি হাতির আকার নিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করছে, এমন ধারণা তাদের কাছে আদৌ গ্রহণযোগ্য নয়।

    মহাবীর তার ধর্ম প্রচার করতে সারা ভারতজুড়েই ঘুরে বেড়িয়েছিলেন, এবং তিনি বহু অনুসারীও আকৃষ্ট করেছিলেন। কমন এরা শুরু হবার ৪২৭ বছর আগে (খ্রিস্টপূর্ব) স্ব-নির্ধারিত উপোসের মাধ্যমে দেহত্যাগ করার সময়, যখন তার বয়স সত্তর, তার প্রায় চৌদ্দ হাজার সন্ন্যাসী আর ছত্রিশ হাজার সন্ন্যাসিনী অনুসারী ছিলেন। জৈনধর্মে সন্ন্যাসী আর সন্ন্যাসিনীরাই মূল খেলোয়াড়। তারা নিজেদেরকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রশিক্ষিত করে তোলেন যেন বর্তমান জীবদ্দশাতেই নির্বাণপ্রাপ্তির জন্যে তাদের আত্মা নির্ভার হয়ে ওঠে। তারাই মহাবীরের অহিংসা আর সব জীবনের প্রতি শ্রদ্ধাপ্রদর্শন-সংক্রান্ত উপদেশগুলো একত্র করে সংকলিত করেছিলেন, এটাই তাদের পবিত্র গ্রন্থ আগম।

    অধিকাংশ ধর্মই যখন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়, সেটি নানা উপদলে খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায়। যেখানে প্রতিটি উপদলই মূল নবী বা শিক্ষকের প্রদর্শিত সত্যিকার সংস্করণটিকে অনুসরণ করছেন বলে দাবি করে থাকেন। জৈনধর্মও এর ব্যতিক্রম নয়। এটি দুটি গোষ্ঠীতে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। কিন্তু তাদের মধ্যে পার্থক্য মৃদু এবং আসলেই বেশ সামান্য। একটি গোষ্ঠী, যারা নিজেদের বলেন ‘দিগম্বর’ (আকাশই যার পরনের কাপড়), তারা দাবি করতেন, সন্ন্যাসী আর সন্ন্যাসিনীদের কোনো কাপড়ই পরা উচিত নয়। অন্যদিকে আরেকটি গোষ্ঠী, শ্বেতাম্বর, শুধুমাত্র সাদা কাপড় পরার অনুমতি দেয়।

    এর সন্ন্যাসী-সন্ন্যাসিনী ছাড়াও ভারতে এখনো জৈনধর্মের কয়েক মিলিয়ন অনুসারী আছেন। যদিও এর সন্ন্যাসী আর সন্নাসিনীরা মূল খেলোয়াড়, এর সাধারণ সদস্যরা সমাজে তাদের অবস্থান যতটুকু অনুমতি দেয় ততটাই সাধারণ জীবন যাপন করেন। একটি জীবনের সংগ্রামের মাধ্যমে তারা ছাব্বিশতম স্বর্গে পৌঁছানোর আশা করেন না। কিন্তু তারা আশা করেন যে, বর্তমান জীবনের অহিংস নম্রতা পরের জন্মে তাদের জন্যে একটি সন্ন্যাসী বা সন্ন্যাসিনীর জীবন নিশ্চিত করবে, এবং সেই জীবনের পর তারা অবশেষে নির্বাণে পৌঁছাতে পারবেন।

    জৈনধর্মের প্রকৃতির জন্যই, এটি কখনোই একটি গণমানুষের ধর্মে পরিণত হয়নি। কিন্তু এটি প্রভাবশালী ছিল। এবং এটি একটি কৌতূহলোদ্দীপক বিষয়ের দিকে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। যদিও কঠোর আচার-অনুশীলন করার বিষয়টি এমনিতেই শুধুমাত্র সংখ্যালঘু কিছু মানুষের মনে দাগ কাটতে পারে ঠিকই, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামতে এটি প্রভাব ফেলতে পারে, যা এর দৃষ্টিভঙ্গিকে মৃদুতর করে তোলে। সব জীবনের চূড়ান্ত পবিত্রতা-সংক্রান্ত জৈনদর্শনটি নানারূপে ভেজিটারিয়ান বা নিরামিষাশী খাদ্য আন্দোলনে এর অবদান রেখেছে এবং এর অহিংস মতবাদ রাজনীতির ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখেছিল। এটি মহাত্মা গান্ধীকে প্রভাবিত করেছিল, বিংশ শতাব্দীর প্রথমাংশে যে আইনজীবী ভারতকে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত করার আন্দোলনে সফল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এটি প্রভাবিত করেছিল মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রকেও, খ্রিস্টীয় যে যাজক যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গদের নাগরিক-অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় অর্ধাংশে।

    জৈনধর্ম এখনো আমাদের সামনে সেই সত্যটিকে উন্মোচন করা অব্যাহত রেখেছে, তৃষ্ণাই বেশিরভাগ মানব-দুঃখের মূল কারণ এবং শুধুমাত্র তৃষ্ণাগুলো নিয়ন্ত্রণ করার মধ্যেই আছে আমাদের সুখ এবং সন্তুষ্টি। আমাদের মধ্যে খুব সামান্য কয়েকজনই হয়তো দিগম্বর হতে চাইবেন বা উপোস করে আত্মহত্যা করতে চাইবেন, কিন্তু যারা এই কাজ করেন, তাদের কথা স্মরণ করলে হয়তো আমরা খানিকটা সাধারণ জীবন কাটাতে অনুপ্রাণিত হতে পারি।

    এই বইয়ের শুরুতে আমি উল্লেখ করেছিলাম, কঠোরভাবে সময়ের ধারাবাহিকতা মেনে চলার বিষয়টি খুব কঠিন হবে যখন বিভিন্ন ধর্মের আবির্ভাবের ইতিহাসের পথটি আমরা অনুসরণ করব। এর কারণ এই গল্পে সময়ের মতো স্থানও একই রকম গুরুত্বপূর্ণ। একই সময়ে ভিন্ন ভিন্ন জিনিস ঘটেছিল ভিন্ন ভিন্ন এলাকায়। সুতরাং ইতিহাসের মধ্যেই আমাদের আঁকাবাঁকা পথেই অগ্রসর হতে হবে। এই কারণে পরের অধ্যায়ে আমরা আর্যদের ভারত-প্রবেশের কয়েকশত বছর পরের একটি সময়ে যাব, তবে পশ্চিমের একটি জায়গায়, ধর্মের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একজন সম্বন্ধে জানতে। এই রহস্যময় চরিত্রটির নাম ছিল আব্রাহাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }