Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্মের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস – রিচার্ড হলোওয়ে

    কাজী মাহবুব হাসান এক পাতা গল্প424 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. যাযাবর

    অধ্যায় ৭. যাযাবর

    আর (Ur)। সংক্ষিপ্ত দুটি অক্ষরের একটি শব্দ। এখানে ‘U’ উচ্চারিত হবে আ (যেমন up)। ‘r’ এমনভাবে উচ্চারণ করতে হবে যেমন করে স্কটল্যান্ডের অধিবাসীরা করেন, খানিকটা টেনে, সুতরাং Ur, অথবা Urrr, (আররর)। আর এখানেই কমন এরা শুরু ১৮০০ বছর (খ্রিস্টপূর্বাব্দ) আগে কোনো একটি সময় ধর্মের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রটি জন্মগ্রহণ করেছিলেন–গোত্রপিতা আব্রাহাম। ইহুদি, খ্রিস্টান এবং মুসলমান, সবাই তাদের প্রতিষ্ঠাতা-পিতা হিসাবে আব্রাহামকে দাবি করেছে। পানির একটি ক্ষীণ স্রোতধারার কথা ভাবুন, হাজার মাইল দূরে কোনো পর্বত থেকে যা যাত্রা শুরু করেছে, সমতলে সেটি তিনটি বিশাল নদীতে পরিণত হয়েছে, সেই ধারণাটি সহজেই আপনি অনুধাবন করতে পারবেন। মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্বে ছিল ‘আর’ শহরটির অবস্থান। মেসোপটেমিয়া একটি গ্রিক নাম, যার অর্থ দুটি নদীর মধ্যবর্তী এলাকা এই নদীদুটি হচ্ছে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেতিস। ‘আর’ শহরটি ছিল সেই দেশে যে দেশটির বর্তমান নাম ইরাক।

    উত্তরাধিকারসূত্রে আমাদের কাছে আসা কাহিনি অনুযায়ী, আব্রাহাম ছিলেন টেরাহ’র পুত্র। তার দুইটি ভাই ছিল, নাহোর এবং হারান। বাইবেলে বুক অব জেনেসিসে আমরা তাদের কাহিনি খুঁজে পাই। কিন্তু হিব্রু বাইবেলের একটি প্রাচীন সহায়ক-বইয়ে তাদের সম্বন্ধে আমরা আরো কয়েকটি গল্প পাই। এটি আমাদের বলছে, তারা মেষপালক ছিলেন, ইউফ্রেটিসের উপত্যকায় সমৃদ্ধ তৃণভূমিতে তারা তাদের গবাদি পশুদের চারণ করাতেন। আর টেরাহ’র একটি লাভজনক পার্শ্বব্যবসা ছিল, তিনি সেই এলাকায় বসবাসরত মানুষদের উপাসনা করা দেবতাদের মূর্তি নির্মাণ করতেন। মেসোপটেমিয়ার অধিবাসীদের চারজন প্রধান দেবতা ছিলেন। ‘আনু’ ছিলেন স্বর্গের দেবতা, ‘কি’ ছিলেন পৃথিবীর দেবী, এনলিল’ ছিলেন বাতাসের দেবতা আর ‘একি’ ছিলেন পানির দেবতা। সূর্য আর চাঁদকেও তারা দেবতা হিসাবে উপাসনা করতেন। এখানে লক্ষ করার মতো একটি বিষয় হচ্ছে, কীভাবে প্রাচীন ধর্মগুলোয় প্রাকৃতিক শক্তিগুলোকে প্রায় স্বয়ংক্রিয়ভাবেই স্বর্গীয় বিবেচনা করা হতো।

    ভারতবাসীদের মত, মেসোপটেমিয়ার অধিবাসীরাও এমন কিছু চেয়েছিলেন যেদিকে তারা তাকাতে পারবেন, যখন দেবতাদের প্রতি তারা তাদের ভক্তি প্রদর্শন করবেন। টেরাহ বেশ আনন্দের সাথে তাদের চাহিদা পূরণ করতেন তার কারখানা থেকে মূর্তি সরবরাহ করে। একদিন যখন তিনি তার দোকানে অনুপস্থিত ছিলেন, আর ব্যবসা দেখাশুনার দায়িত্বে ছিলেন আব্রাহাম, তখন সেখানে মূর্তি কিনতে এসেছিলেন একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি। আব্রাহাম তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, আপনার বয়স কত? বৃদ্ধ বলেছিলেন, ‘সত্তর’। তাহলে বলতেই হবে, আপনি আসলেই একজন নির্বোধ’, আব্রাহাম তাকে বলেছিলেন, ‘সাত দশক আগে আপনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু তারপরও আপনি এমন একটি মূর্তিকে পূজা করবেন, যা এই দোকানের পেছনের কারখানাতে কেবল গতকালই বানানো হয়েছে। বৃদ্ধ মানুষটি কিছুক্ষণ বিষয়টি নিয়ে ভাবলেন, তারপর আর মূর্তি না কিনে তিনি টাকা ফেরত নিয়ে দোকান থেকে বের হয়ে যান।

    ঘটনাটি জানতে পেরে তার ভাইরা খুবই ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তারা তাদের বাবাকে সতর্ক করে দিয়েছিলেন, আব্রাহাম কিন্তু পারিবারিক ব্যবসাটিকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে তার অনমনীয় মতামতের কারণে। সুতরাং টেরাহ আব্রাহামকে দোকানের সামনের অংশ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন, এবং তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন পূজার নিবেদনগুলো সংগ্রহ করতে, খদ্দেররা যা নিয়ে আসতেন। দোকানেরই একটি ঘরে সাজানো তাদের প্রিয় দেবতাদের উদ্দেশ্যে। একদিন এক নারী দেবতাদের একজনের জন্য খাবার উপহার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। প্রচলিত উপায়ে সেটি গ্রহণ না করে, আব্রাহাম তাকে ব্যঙ্গ করেছিলেন, ‘বেশ, এই দেবতার একটি মুখ আছে বটে, তিনি বলেছিলেন, কিন্তু আপনার তৈরি করা খাবার এ না পারবে খেতে, না পারবে আপনাকে ধন্যবাদ বলতে। এর হাত আছে, কিন্তু তার সামনে এই খাবার রাখলেও হাত দিয়ে এক টুকরো খাবারও সে মুখে তুলতে পারবে না। যদিও এর সুন্দর করে খোদাই করা পা আছে, সেই পা তুলে এটি এক পাও আপনার দিকে এগিয়ে আসতে পারবে না। অন্তত আমার কাছে, যারা এটি বানিয়েছেন আর যারা এটি পূজা করেন তারা এই মূর্তিটার মতোই নির্বোধ আর অকেজো’।

    দুটি কারণে সেই সময়ে এই ধরনের কথাবার্তা খুবই বিপজ্জনক একটি বিষয় ছিল। সমাজে প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্মকে চ্যালেঞ্জ করা কখনোই জনপ্রিয় পদক্ষেপ নয়। আর এটি আরো বেশি খারাপ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে, যদি সমালোচনা স্থানীয় অর্থনীতির জন্যে হুমকিস্বরূপ হয়। এটি ছিল এমন একটি সমাজ যেখানে বহু দেবতারই পূজা করা হতো, এবং এইসব পূজনীয় দেবতাদের মূর্তি বানানো বেশ লাভজনক একটি ব্যবসা ছিল। সুতরাং আব্রাহাম নিজেকে ঝামেলায় জড়িয়ে ফেলেছিলেন। তার জন্যে তখন একমাত্র নিরাপদ পথ ছিল, সেই শহর ত্যাগ করে চিরকালের জন্যে চলে যাওয়া। এই মুহূর্ত থেকেই তিনি গন্তব্যহীন যাযাবরে পরিণত হন, যিনি তার পরিবার আর পশুর পাল নিয়ে অনেক দূরত্ব অতিক্রম করেছিলেন। কিন্তু এটি তার একটি আধ্যাত্মিক যাত্রাও ছিল, যা ধর্মীয় ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল।

    আব্রাহামের গল্পটি সেই মুহূর্তটিকে চিহ্নিত করে, যখন বহুঈশ্বরবাদ থেকে একেশ্বরবাদ বরাবর ধর্মীয় ভাবনাগুলোর দিক পরিবর্তন শুরু হয়েছিল, যখন বহু। দেবতার প্রতি শিথিল আনুগত্য আর উপাসনা, একজন ঈশ্বরের প্রতি কঠোর আনুগত্যে রূপান্তরিত হতে শুরু করেছিল। এই পরিবর্তনটিকে প্ররোচিত করেছিল কি? কেন আব্রাহাম তার বাবার দোকানের এইসব নিরীহ ছোট মূর্তিগুলোর ব্যাপারে এত ক্ষুব্ধ ছিলেন? আব্রাহামের মনের ভিতর প্রবেশ করতে আমাদেরকে কল্পনার আশ্রয় নিতে হবে। কিন্তু সেখানে আসলে কী ঘটেছিল তার অংশবিশেষ অনুধাবন করার বিষয়টি বেশ সহজ। তিনি দেখেছিলেন যে, তার বাবা এই ছোট মূর্তিগুলো খোদাই করছেন। তিনি জানতেন এইসব বানাতে কী ব্যবহার করা হচ্ছে। সুতরাং তিনি কীভাবে এটিকে মানুষের খেলনা ছাড়া আর অন্যকিছু ভাববেন? বেশ, তাহলে সহজ বিশ্বাসীদের মতো তিনি কেন কাঁধ ঝাঁকিয়ে বিষয়টি উপেক্ষা করেননি এবং নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেননি? কেন তিনি এত রেগে গিয়েছিলেন?

    এর কারণ, তিনি ছিলেন একজন নবী। যিনি তার মাথায় ঈশ্বরের কণ্ঠস্বর শুনতে পেয়েছিলেন। এবং সেই কণ্ঠ তাকে সতর্ক করেছিল, এইসব দেবতাদের পূজা করা শুধুমাত্র একটা খেলা নয়-যা মানুষকে বিনোদন দেয় অথবা মূর্তি ব্যবসায়ীদের জীবিকা অর্জনে সহায়তা করে। এর ভিত্তি একটি ভয়ংকর আর বিপজ্জনক মিথ্যা। শুধুমাত্র একজনই ঈশ্বর আছেন, তিনি শুধুমাত্র এইসব মূর্তি আর দেবতাদের ছবি দেখেই বিতৃষ্ণাই অনুভব করেননি, এগুলো তিনি তীব্রভাবে ঘৃণা। করতেন, কারণ এগুলো সত্যিকার সৃষ্টিকর্তা পিতার সাথে পরিচয় হওয়া থেকে। তার নিজের সন্তানদের বাধা দেয়। আগন্তুকের দ্বারা অপহৃত হওয়া সন্তানের পিতামাতাদের মতো তিনি তাদের ফেরত চান, আর তাদের যারা অপহরণ করছিল, তাদের শাস্তি চান।

    এটি মানবকাহিনির ক্রান্তিকালীন গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত, এবং বিষয়টি নিয়ে আরেকটু ভাবা যুক্তিযুক্ত হতে পারে। আমাদের ইতিহাস থেকে স্পষ্ট যে, পরস্পরকে ঘৃণা করার ব্যাপারে মানুষ খুবই দক্ষ। সাধারণত যারা আমাদের থেকে কোনো না-কোনোভাবে ভিন্ন, তারাই আমাদের ঘৃণার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়। বর্ণ, শ্রেণি, রঙ, লিঙ্গ, রাজনীতি, এমনকি চুলের রঙও আমাদের ভেতরে কুৎসিত আচরণ উসকে দিতে পারে। ধর্মও সেটি করতে পারে। বাস্তবিকভাবে, ধর্মীয় ঘৃণা সম্ভবত এই ধরনের মানব অসুস্থতার সবচেয়ে প্রাণঘাতী রূপ, কারণ এটি মানুষের ঘৃণাকে ঐশ্বরিক যৌক্তিকতা প্রদান করে। কারো মতামত পছন্দ নয় বলে সেই মানুষগুলোকে ঘৃণা করা এক জিনিস। তবে বিষয়টি পুরোটাই ভিন্ন হয়ে ওঠে, যখন এমন কিছু বলা হয় যে, ঈশ্বরও তাদের ঘৃণা করেন এবং তিনি তাদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে চান। সুতরাং খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি লক্ষ করা যে, ধর্মীয় বিশ্বাস মানব সম্পর্কগুলোয় একটি বিপজ্জনক উপাদান যুক্ত করে আব্রাহামের কাহিনি থেকে আরেকটি ঘটনা যেমন সেটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়।

    মূর্তিগুলোকে ঘৃণা করার নির্দেশ দেওয়া ছাড়াও, আব্রাহামের মাথার মধ্যে সক্রিয় হয়ে ওঠা সেই কণ্ঠ তাকে তার পিতৃভূমি ত্যাগ করে অন্য একটি দেশে চলে যাবার জন্যে নির্দেশ দিয়েছিল, যেখানে একটি সময় তিনি একটি মহান জাতির সূচনা করবেন। সুতরাং জেনেসিস আমাদের বলছে যে, আব্রাহাম তার পরিবার এবং গবাদি পশুর পাল নিয়ে দেশত্যাগ করেছিলেন, এবং তিনি ইউফ্রেতিস অতিক্রম করে পশ্চিমদিকে তার যাত্রা অব্যাহত রেখেছিলেন, যতক্ষণ-না তিনি কানানে এসে পৌঁছান। কানান আজ পরিচিত ইসরায়েল অথবা প্যালেস্টাইন নামে, একটি বিশাল সাগরের পূর্বতীরে যার অবস্থান, যে সাগরটিকে আমরা এখন ভূমধ্যসাগর নামে চিনি। তবে সাগরতীরে নয় বরং আব্রাহাম তার বসতি গড়েছিলেন আরো অভ্যন্তরে, দেশটির মেরুদণ্ডের মতো বিস্তৃত চুনাপাথরের পাহাড়শ্রেণির ধার ঘেঁষে বিস্তৃত সমতলে। এখানেই তার পরিবার আর তার অনুসারী গোত্র-সদস্যরা ক্রমশ আরো সমৃদ্ধ হয়ে উঠেছিলেন।

    তারপর একদিন আবার সেই কণ্ঠটি আব্রাহামের মাথায় কথা বলে উঠেছিল। এটি তাকে নির্দেশ দিয়েছিল তার ছেলে আইজাককে স্থানীয় পাহাড়ের উপর একটি জায়গায় নিয়ে যেতে, যেখানে তাকে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে বিসর্জন দিতে হবে। আব্রাহাম পশুহত্যা এবং তাদের পুড়িয়ে ঈশ্বরের প্রতি বিসর্জন দেওয়ায় অভ্যস্ত। ছিলেন, কিন্তু তিনি কখনোই তার নিজের সন্তানদের কাউকে বিসর্জন দেবার এমন কোনো নির্দেশ পাননি। কিন্তু তিনি সেই নির্দেশকে প্রশ্ন কিংবা অমান্য করার সাহসও পাননি। পরের দিন বেশ সকালেই তিনি ঘুম থেকে উঠে বেশকিছু জ্বালানি কাঠ দড়ি দিয়ে বেঁধে তার গাধার পিঠে দুজন তরুণ আর তার ছেলেকে নিয়ে বের হয়েছিলেন। যখন সেই পাহাড়ের নিচে এসে পৌঁছেছিলেন, তিনি সেই তরুণদের নির্দেশ দিয়েছিলেন তার জন্যে সেখানে অপেক্ষা করতে এবং তার গাধাটির পাহারা দিতে। তিনি জ্বালানি কাঠের আঁটিটা পুত্র আইজাকের পিঠে বেঁধে দেন, একটি মশাল জ্বালান এবং ধারালো একটি ছুরি তার কোমরবন্ধে গুঁজে নেন। এবং দুজনেই পর্বতের উপরে উঠতে শুরু করেন। যখন তারা এই পাহাড় বেয়ে উঠছিলেন আইজাক তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, বিসর্জনের জন্য আপনার কাছে আগুন আর ছুরি প্রস্তুত আছে বাবা? কিন্তু সেই প্রাণী কৈ, যাকে আপনি জবাই করবেন? উত্তরে আব্রাহাম বলেছিলেন, চিন্তা কোরো না পুত্র, আমাদের যা দরকার তা সব ঈশ্বরই জোগাড় করে দেবেন।

    যখন তারা পাহাড়ের উপর সেই জায়গায় উপস্থিত হলেন, যেখানে বিসর্জন দেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আব্রাহাম পাথর দিয়ে সাজিয়ে একটি সাময়িক পূজার বেদি তৈরি করলেন, এবং এর উপর জ্বালানি কাঠ ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। তারপর তিনি তার আতঙ্কে কম্পমান পুত্রকে ধরে মুখ নিচু করে সেই কাঠের সাথে বেঁধে ফেলেন। এরপর তিনি আইজাকের লম্বাচুল দুই হাতে ধরে মাথাটা টান দিয়ে উপরে তোলেন তার গলাটি উন্মুক্ত করতে। এরপর তিনি তার কোমর থেকে ছুরিটি টেনে বের করেন এবং তার পুত্রের গলা কাটতে উদ্যত হন, ঠিক যখনই এই কাজটি তিনি করবেন, তখনই তার মাথার সেই কণ্ঠস্বর আবার তাকে নির্দেশ দিয়েছিল।

    ‘আব্রাহাম, তোমার পুত্রকে হত্যা কোরো না, এটি বলেছিল, আমার নির্দেশে তাকে হত্যা করতে তোমার ইচ্ছাটাই প্রমাণ করে, মানবিক আবেগের চেয়ে আমার প্রতি তোমার আনুগত্য আরো বেশি শক্তিশালী। সুতরাং, আমি তোমার পুত্রের জীবন রক্ষা করব। ভয়ানকভাবে কম্পমান আব্রাহাম তার ছুরি নিচে নামিয়ে নেন, তারপরই তিনি কাছেই একটি বড় রামছাগল লক্ষ করেন, একটি কাঁটা ঝোপে যার শিং আটকে গিয়েছিল। উদ্বেগ থেকে মুক্তির উন্মত্ততায় তিনি তার পুত্রের পরিবর্তে দ্রুত সেই প্রাণীর গলা জবাই করেন এবং ঈশ্বরের প্রতি নিবেদন করেন সেই বেদিতে এই মাউন্ট মরিয়া’র বিষয়ে আমাদের কখনোই বলা হয়নি, আইজাক এই। ভয়ানক অভিজ্ঞতা নিয়ে কী ভেবেছিলেন। কিন্তু সেটি কল্পনা করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়।

    আমরা জানি কিছু আদি ধর্মে মানব বিসর্জনের প্রচলন ছিল। এবং কীভাবে এটি শুরু হয়েছিল সেটি বোঝাও খুব কঠিন নয়। দেবতাদের যদি স্বেচ্ছাচারী শাসকদের মতো ভাবা হয়, যাদেরকে আপনার পক্ষে রাখতে হবে, তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন যে, কীভাবে আদিম মন হয়তো এমন কোনো উপসংহারে পৌঁছেছিল : সেরা প্রাণীটি বিসর্জন দেবার পাশাপাশি মাঝে মাঝে মানুষ বলি দিলে হয়তো আসলেই তাদের সমর্থন আর মন জয় করা সম্ভব হতে পারে। আব্রাহাম আর আইজাকের এই বিষণ্ণ গল্পে হয়তো একটি দূরের প্রতিধ্বনি আছে। কিন্তু এটি সেভাবে ব্যাখ্যা করা হয়নি প্রথাগত জুডাইজম বা ইহুদি ধর্ম, খ্রিস্টধর্ম আর ইসলামে। যে ধর্মগুলোর জন্যে এটি আবশ্যিক পাঠ্যাংশ। তাদের জন্য এই কাহিনিটি যা সংজ্ঞায়িত করেছে, সেটি হচ্ছে পৃথিবী সব বন্ধন উপেক্ষা করে। ঈশ্বরের ইচ্ছার প্রতি চূড়ান্ত নিবেদন আর আনুগত্য ও আত্মসমর্পণ। যদিও আমরা এখন এমন কোনো পিতাকে অবশ্যই উন্মাদ ভাবব, যিনি কিনা দাবি করেন, তার পুত্রকে হত্যা করতে ঈশ্বরই তাকে নির্দেশ দিয়েছেন–এমনকি যদি সে শেষমুহূর্তে সেটি না করে পিছিয়েও আসেন–এর মানে এই না যে, সব ধর্মই একটি পাগলামি এমন কোনো সিদ্ধান্তে আমাদের খুব দ্রুত পৌঁছাতেই হবে। কিন্তু এর। কিছু দাবির বিপরীতে প্রশ্নবোধক চিহ্ন রাখা বুদ্ধিমানের মতো কাজ হবে, সময়ের সাথে যখন এই গল্পটাকে আমরা আরো অনুসরণ করব। যে বিপদটি আমরা এখানে লক্ষ করেছি, সেটি হচ্ছে মানবমনের মধ্যে কথা বলা ঈশ্বরের কণ্ঠকে অতিরিক্ত বেশি কর্তৃত্ব দেবার প্রবণতা। মূর্তির প্রতি আব্রাহামের গভীর ঘৃণা এখানে একটি ভালো নির্দেশিকা।

    আমরা তার চিন্তাটিকে অনুসরণ করেছি, যেখানে তিনি মানুষের সৃষ্টি বলে মূর্তিগুলো প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছেন, এদের স্বর্গীয় কোনো শক্তি বলে ভাবা পুরোপুরিভাবেই অদ্ভুত একটি বিষয়। কিন্তু ঈশ্বর সম্বন্ধে মানুষের ধারণাগুলো কি মানুষেরই আবিষ্কার নয়? আমরা হয়তো সেগুলো পাথর কিংবা কাঠের টুকরো ব্যবহার করে নিজেদের হাত দিয়ে খোদাই করে তৈরি করিনি। কিন্তু আমরা সেটি করেছি আমাদের মনের গভীরে, শব্দ আর ধারণা দিয়ে। এইসব ধারণাগুলোর নামে করা দাবিগুলোর ব্যাপারে আমাদের সতর্ক করে দেওয়ার জন্যে এটি যথেষ্ট একটি কারণ হওয়া উচিত। আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি এরকম কিছু দাবি কত বিপজ্জনক হতে পারে। সেই ধারণাটি ঈশ্বর হয়তো চাইতে পারেন আমরা যেন আমাদের সন্তানদের বিসর্জন দিই– প্রদর্শন করে ধর্ম মানবসমাজের জন্যে একটি শক্র হতে পারে। আব্রাহামকে নিয়ে ঈশ্বরের পরীক্ষা আর কিছু না হলেও অন্তত এটি প্রমাণ করে যে, মানুষ তাদের নিজেদেরকে যে-কোনোকিছু করতেই প্ররোচিত করতে পারে, যদি তারা মনে করেন সেই নির্দেশটি এসেছে ‘উপর’ থেকে। কোনো-না-কোনো সময়, প্রায় সবকিছুই ধর্মের নামে করা হয়েছে।

    আমি বলেছিলাম যে, আব্রাহামের গল্পটি ধর্মের ইতিহাসের একটি ক্রান্তিকালীন মুহূর্ত। এটি বহুঈশ্বরবাদ থেকে একেশ্বরবাদ, একজন ঈশ্বরের ধারণার দিকে মানুষের মন ঘুরিয়ে দিয়েছিল। এবং এটি প্রদর্শন করেছিল ধর্মগুলো কখনোই স্থির বা স্থিতিশীল অবস্থায় থাকে না। সারাক্ষণই সেগুলো বিবর্তিত আর পরিবর্তিত হচ্ছে। ধর্ম অনেকটাই চলচ্চিত্রের মতো। আর সে-কারণে আব্রাহাম খুবই প্রভাবশালী একটি চরিত্র। তিনি বহুদূরে অজানায় যাত্রা করেছিলেন আর তার দিক পরিবর্তন করেছিলেন, সেটি শুধু পৃথিবীর উপরেই না, তার নিজের মনেও। এই ঘুরে দাঁড়ানো আর দিক পরিবর্তন করার ক্ষমতাই কৌতূহলোদ্দীপক সব মানুষেরই বৈশিষ্ট্যসূচক একটি চিহ্ন। আর ধর্ম বোঝার জন্যে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি।

    আব্রাহাম গন্তব্যহীন একটি পথের যাত্রী ছিলেন, এবং তার মৃত্যুর পর, যে গোত্রগুলো তিনি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেগুলোর সদস্যরা তাদের যাত্রা অব্যাহত রেখেছিলেন, যেমন মানুষ সবসময়ই করেছে আরো উত্তম জীবনের অনুসন্ধানে। কাহিনি বলছে, আব্রাহামের মৃত্যুর কয়েক প্রজন্ম পরে একটি বড় দুর্ভিক্ষ কানান আক্রমণ করেছিল, যা বাধ্য করেছিল তার উত্তরসূরিদের আবার পথে নামতে। এইবার তারা দক্ষিণে আরেকটি বিশাল নদী অতিক্রম করে মিশরে গিয়েছিলেন। যেখানে তাদের ইতিহাসের পরবর্তী অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। যেখানে মোজেসের সাথে আবার আমাদের দেখা হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান
    Next Article দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    Related Articles

    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য গড ডিল্যুশন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য সেলফিশ জিন – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দর্শনের সহজ পাঠ – ভাষান্তর : কাজী মাহবুব হাসান

    July 25, 2025
    কাজী মাহবুব হাসান

    দ্য ম্যাজিক অব রিয়েলিটি – রিচার্ড ডকিন্স

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }