Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধর্ম ও বিজ্ঞান – বার্ট্রান্ড রাসেল

    বার্ট্রান্ড রাসেল এক পাতা গল্প222 Mins Read0
    ⤶

    ১০. উপসংহার

    অধ্যায় ১০
    উপসংহার

    গত চার শতক ধরে ধর্মতত্ত্ব এবং বিজ্ঞানবিদদের মধ্যে অধিকতর উল্লেখযোগ্য সংঘাত-সমূহের উৎস সংক্ষিপ্ত রূপরেখায় পূর্ববর্তী অধ্যায়সমূহে আলোচনা করেছি। এবং আমরা বর্তমান ধর্মতত্ত্বের উপর বর্তমান বিজ্ঞানের প্রভাবও মূল্যায়নের চেষ্টা করেছি। আমরা দেখেছি যে, কোপার্নিকাসের সময় থেকে যখনই বিজ্ঞান ও ধর্মতত্ত্বের মধ্যে কোনো বিষয়ে মতানৈক্য ঘটেছে, সেক্ষেত্রে বিজ্ঞানই জয়ী হয়েছে। আমরা এটাও দেখেছি যে, ডাকিনীবিদ্যা এবং ভেষজবিদ্যার মতো বাস্তব বিষয় যেখানে যুক্ত ছিল, সেখানেও বিজ্ঞান দুঃখকষ্টের হ্রাসপ্রাপ্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আর ধর্মতত্ত্ব প্রাকৃতিক আদিমতাকে উৎসাহিত করেছে। ধর্মতত্ত্বের বিপরীতে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি এ পর্যন্ত সংশয়াতীত ভাবে মানুষের সুখের ব্যবস্থাই করেছে।

    বিষয়টা এখন পুরোপুরি একটা নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। এটা করছে প্রধানত দুটো কারণে। প্রথমত, মানসিকতার বৈজ্ঞানিক মেজাজের চেয়ে, প্রয়োগের ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া অধিকতর গুরুত্ব পাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, নতুনতর ধর্মসমূহ খ্রিস্টধর্মের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছে এবং যে সব ভুলের জন্য খ্রিস্টধর্ম অনুতাপ করেছে, সেসব ভুলগুলোই এসব ধর্ম পুনরাবৃত্তি করছে।

    মনের বৈজ্ঞানিক মেজাজ সতর্ক, সন্ধিগ্ধ এবং আংশিক। এটা এমন কল্পনা করে না যে, এটা সমগ্র সত্যকেই জানে অথবা এর সর্বোত্তম জ্ঞানটা সম্পূর্ণ সত্য। এই বৈজ্ঞানিক মেজাজ এটা জানে যে, প্রতিটি মতবাদেরই, আগে কিংবা পরে, সংশোধনের প্রয়োজন হয়। এমন সংশোধনের জন্য অনুসন্ধানের এবং আলোচনার স্বাধীনতা দরকার। কিন্তু তত্ত্বীয় বিজ্ঞান থেকেই একটা বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া বিকশিত হয়েছে। এবং বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার এ-ধরনের কোনো তত্ত্বগত সন্ধিগ্ধতা নেই। বর্তমান শতকে পদার্থবিদ্যা আপেক্ষিকতা এবং কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে বৈপ্লবিক হয়ে উঠেছে। কিন্তু পূর্বতন পদার্থবিদ্যাভিত্তিক সমুদয় আবিষ্কার আজও সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র, সম্প্রচার এবং বৈদ্যুতিক আলো, এসব অন্তর্ভুক্ত করে শিল্পে এবং দৈনন্দিন জীবনে বিদ্যুতের ব্যবহার ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের কাজের উপর ভিত্তি করে ষাট বছর আগেই প্রকাশিত হয়েছে। এবং এসব আবিষ্কারের কোনোটিই অকার্যকরী হয়নি। এর কারণ এখন আমরা জানি যে, অনেক ক্ষেত্রে ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের মতামত অপর্যাপ্ত ছিল। এভাবে প্রয়োগকুশলী বিশেষজ্ঞগণ যাঁরা বৈজ্ঞানিক কৌশল প্রয়োগ করেন এবং আরও বিশদে সরকার ও বৃহৎ ফার্মগুলো, যারা প্রয়োগকুশলী বিশেষজ্ঞদের নিয়োগ করে, এতে এসব বিশেষজ্ঞরা বিজ্ঞানবিদদের থেকে পুরোপুরি পৃথক মেজাজ অধিগত করেন। এই মেজাজটি সীমাহীন দক্ষতার ধারণা, স্পর্ধিত নিশ্চয়তা এবং মানসিক বস্তুর কৌশলী হস্তচালনার আনন্দের যোগফলে তৈরি করা। এটি কার্যত বৈজ্ঞানিক মেজাজের বিপরীত কিন্তু এটা অনস্বীকার্য যে, বিজ্ঞান এটার বিকাশে সহায়তা করেছে।

    বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের প্রত্যক্ষ ফলাফলও কোনো ক্রমেই পুরোপুরি কল্যাণদায়ী হয়নি। একাধারে এরা যুদ্ধাস্ত্রের ধ্বংসকারিতা বাড়িয়েছে, এবং শান্তিপূর্ণ শিল্পে জনসংখ্যার একাংশকে যুদ্ধ ও গোলাবারুদ তৈরির জন্য ব্যবহার করেছে। পক্ষান্তরে, শ্রমের উৎপাদনশীলতা বাড়িয়ে তারা পুরানো আর্থিক ব্যবস্থা তৈরি করেছে, যে-ব্যবস্থা নির্ভর করত দুম্পাপ্যতা, কাজ করার প্রবল অসুবিধা এবং নতুন মতবাদের প্রবল প্রভাবে তারা প্রাচীন সভ্যতা বাতিল করেছে, চীনকে বিশৃঙ্খলার মধ্যে এবং পাশ্চাত্য মডেলের নিষ্ঠুর সাম্রাজ্যবাদের খপ্পরে জাপানকে ঠেলে দিয়েছে। রাশিয়াকে একটা নতুন আর্থিক ব্যবস্থা গড়ার প্রবল প্রচেষ্টার মধ্যে এবং জার্মানিকে পুরাতন আর্থিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে বেপরোয়া প্রচেষ্টার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। আমাদের সময়ের এইসব অকল্যাণের আংশিক কারণ বৈজ্ঞানিক প্রয়োগ, সুতরাং পরিশেষে বিজ্ঞান।

    বিজ্ঞান ও খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের সংঘাত, মাঝে মাঝে এখানে-ওখানে খণ্ডযুদ্ধ সত্ত্বেও এখন প্রায় পরিসমাপ্তির দিকে। আমি মনে করি, বেশিরভাগ খ্রিস্টানরা এটা স্বীকার করবেন যে, তাদের ধর্ম এ-কাজে উৎকৃষ্টতর। আদিম যুগ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বস্তুসত্তাহীনতা থেকে খ্রিস্টধর্মকে বিশুদ্ধ করা হয়েছে এবং ধর্মীয় কারণে নিগ্রহ করার ইচ্ছা থেকেও মুক্ত করা হয়েছে। অধিকতর উদার খ্রিস্টানদের মধ্যে একটা নৈতিক মতবাদ রয়েছে যেটা মূল্যবান। এই মতবাদের কথা, আমাদের প্রতিবেশীকে আমাদের ভালোবাসা উচিত, এই সংক্রান্ত খ্রিস্টের শিক্ষা, এটাকে আর ‘আত্মা’ বলে মনে না করলেও, প্রতিটি ব্যক্তির মধ্যে এমন কিছু আছে যা শ্রদ্ধার উপযুক্ত, এই বিশ্বাস। গির্জাসমূহে ক্রমবর্ধমান এই বিশ্বাস যে, খ্রিস্টানদের উচিত যুদ্ধের বিরোধিতা করা।

    কিন্তু পুরাতন ধর্ম যখন এভাবে বিশুদ্ধিকৃত হলো এবং অনেকভাবে কল্যাণকর হয়ে উঠল, তখন বলিষ্ঠ যৌবনের শক্তিসহ ধর্মীয় কারণে নির্যাতনের উদ্দীপনা নিয়ে নতুন ধর্মসমূহের আবির্ভাব ঘটল। গ্যালিলিওর সময়ের ধর্ম-আদালতের বিজ্ঞান বিরোধিতার বৈশিষ্ট্যকে কার্যকরী করে তুলতে চাইছে এইসব নতুন ধর্ম। জার্মানিতে যদি আপনি বলেন যে, খ্রিষ্ট একজন ইহুদি ছিলেন কিংবা রাশিয়াতে থেকে যদি বলেন যে, পরমাণু তার বস্তুময়তা হারিয়ে কেবল ঘটনার ক্রম হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাহলে আপনাকে ভয়ংকর শাস্তি পেতে হবে। সম্ভবত, আইনি শাস্তির চেয়ে আর্থিক শাস্তি। কিন্তু এক্ষেত্রে কোনো শাস্তিটাই মৃদুতর হবে না। জার্মানিতে এবং রাশিয়ায় বুদ্ধিজীবীদের উপর নিগ্রহ গত আড়াইশো বছরে গির্জাসমূহের দ্বারা সংঘটিত যে কোনো নির্যাতনের প্রচণ্ডতাকে অতিক্রম করে গেছে।

    বর্তমান সময়ে বিজ্ঞান যা নির্যাতনের অত্যন্ত প্রত্যক্ষ আঘাত বহন করে সেটি হলো অর্থনীতি। ইংল্যান্ড বর্তমানে, যেমনটা সব সময়ে, একটি ব্যতিক্রমী সহনশীল দেশ। সেখানেও একজন মানুষ, অর্থনীতি সম্পর্কে যার মতবাদ সরকারের পক্ষে আপত্তিকর, তিনিও সমুদয় শাস্তি এড়াতে পারেন, যদি তিনি কেবল নিজের মধ্যেই এই মতবাদ সীমিত রাখেন কিংবা কোনো পুস্তকে সেটা ব্যক্ত করেন। কিন্তু সেই ইংল্যান্ডেও, কেউ যদি তাঁর বক্তব্যে কিংবা সস্তা প্রচারপত্রে কম্যুনিস্ট মতবাদ ব্যক্ত করেন তাহলে সেই মানুষটিকে তার জীবিকা হারাতে এবং মাঝে মাঝে কারাগারে থাকতে হবে। একটা সাম্প্রতিক আইনে, যদিও এ পর্যন্ত আইনটির পরিপূর্ণ ব্যবহার ঘটেনি, বলা হয়েছে, সরকার যে-লেখাকে রাজদ্রোহসূচক বলে মনে করে এমন লেখার লেখককেই শুধু নন, যার অধিকারে এসব লেখা থাকবে, তিনিও শাস্তিযোগ্য হবেন এই কারণে যে, তিনি এসব লেখা সম্রাটের প্রতি আনুগত্যের ভিত্তিকে দুর্বল করার জন্য ব্যবহারের চিন্তা করতে পারেন।

    জার্মানি এবং রাশিয়ায় ধর্মান্ধতার প্রশস্ত সুযোগ রয়েছে এবং ধর্মান্ধহীনতার জন্য শাস্তি ভিন্নতর প্রচণ্ড ধরনের। ওইসব দেশে সরকার নিযুক্ত অন্ধ মতবাদ অনুযায়ী একটি কর্তৃত্ব থাকে এবং যারা খোলাখুলি ভিন্নমত পোষণ করে, তারা তাদের জীবন রক্ষা . করতে পারলেও কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে বাধ্যতামূলক শ্রমদানে বাধ্য হয়। এটা সত্য যে, এক দেশে যেটা ধর্মদ্বেষিতা, অন্য দেশে সেটা ধর্মান্ধতা। একজন মানুষ যিনি যে কোনো একটা দেশে নির্যাতিত, তিনি যদি অন্য দেশটাতে চলে যেতে পারেন, তাহলে তিনি বীর বলে সমাদৃত হন। যাই হোক, এরা ধর্ম-আদালতের মতবাদ সংরক্ষণের ব্যাপারে সমগোত্রীয়। সত্য বিকশিত করার পথ সত্য কি, সেটা চিরকালের জন্য বর্ণনা করা এবং যারা এই সত্যে অসম্মতি জানাবে তাদের শাস্তি প্রদান করা। বিজ্ঞান এবং গির্জাসমূহের মধ্যে সংঘাত এই মতবাদের মিথ্যাত্ব প্রমাণ করেছে। আমরা সবাই এখন সুনিশ্চিত যে, গ্যালিলিওর নির্যাতনকারীরা সমুদয় সত্য জানতেন না, কিন্তু আমাদের কেউ কেউ হিটলার অথবা স্ট্যালিন সম্পর্কে কম সুনিশ্চিত বলে মনে হয়।

    এটা দুর্ভাগ্যজনক যে, অসহনশীলতাকে প্রশ্রয় দেবার সুযোগ দুটো বিরুদ্ধ দিক থেকেই উঠে এসেছে। এমন কোনো দেশ যদি থাকত যেখানে বিজ্ঞানবিদগণ খ্রিস্টানদের নিগ্রহ করতে পারতেন, সম্ভবত গ্যালিলিওর বন্ধুরা ‘সমুদয়’ অসহনশীলতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেন না, প্রতিবাদ করতেন কেবলমাত্র বিরুদ্ধ দলের অসহনশীলতার বিরুদ্ধে। এমন হলে গ্যালিলিওর বন্ধুরা তাঁর মতবাদকে একটা অন্ধবিশ্বাসের অনুশাসনে গৌরবান্বিত করতেন। আইনস্টাইন, যিনি দেখিয়েছিলেন যে, গ্যালিলিও এবং ধর্ম-আদালত উভয়ই ভ্রান্ত ছিল, তিনি তো উভয় পক্ষ কর্তৃক নির্বাসিত হতে পারতেন এবং কোথাও আশ্রয় খুঁজে পেতে ব্যর্থ হতেন।

    এটা নিবেদন করা যেতে পারে যে, আমাদের সময়ে অতীত থেকে ভিন্নতর নির্যাতনের স্বরূপ হলো রাজনৈতিক এবং আর্থিক, কিন্তু ধর্মতাত্ত্বিক নয়। কিন্তু এ ধরনের যুক্তি অনৈতিহাসিক। অসংযমী মতবাদের উপর লুথারের আক্রমণের ফলে পোপের বিশাল আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অষ্টম হেনরীর বিদ্রোহে পোপকে প্রভূত রাজস্ব হারাতে হয়েছে যা তিনি তৃতীয় হেনরীর সময় থেকে ভোগ করে আসছিলেন। স্কটের মেরি কুইন অথবা দ্বিতীয় ফিলিপের দ্বারা এলিজাবেথকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চাওয়াতে তিনি রোমান ক্যাথলিকদের উপর নির্যাতন চালিয়েছিলেন। মানুষের মন থেকে গির্জার আধিপত্যকে দুর্বল করেছে বিজ্ঞান। এবং পরিণামে অনেক দেশে গির্জার সম্পত্তিকে বাজেয়াপ্ত করার দিকে ঘটনাকে পরিচালিত করেছে। আর্থিক এবং রাজনৈতিক অভিপ্রায়ই নির্যাতনের আংশিক কারণ, সম্ভবত প্রধান কারণ।

    যাই হোক, মতামতের নির্যাতনের বিরুদ্ধে যুক্তি, নির্যাতনের যে-কোনো কারণের উপর নির্ভর করে না। যুক্তিটা হলো আমরা কেউ-ই সমুদয় সত্য জানি না, নতুন সত্যের আবিষ্কার মুক্ত আলোচনা দ্বারা উন্নীত, এবং দমনে সত্য জানা খুবই কষ্টসাধ্য। পরিণামে সত্যের আবিষ্কারে মানবিক কল্যাণ বর্ধিত হয় এবং ভ্রমাত্মক কাজে এটা বাধাপ্রাপ্ত হয়। নতুন সত্য স্বার্থান্বেষীদের পক্ষে প্রায়ই অসুবিধাজনক। শুক্রবারে উপবাস প্রয়োজনীয় নয়, প্রোটেস্টান্টদের এই মতবাদ প্রবলভাবে প্রতিহত হয়েছিল এলিজাবেথীয় মাছ-ভক্ষকদের দ্বারা। কিন্তু বৃহত্তর সম্প্রদায়ের স্বার্থে নতুন সত্য স্বাধীনভাবে প্রচারিত হবে। একটা নতুন মতবাদ সত্য কিনা সেটা তো প্রথমে জানা যায় না। নতুন সত্যের স্বাধীনতার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতে হবে ভুলের স্বাধীনতাকেও। এইসব মতবাদ যেগুলো বহুল প্রচলিত, সেগুলো এখন জার্মানি এবং রাশিয়ায় গর্হিত এবং অন্যত্র যথেষ্ট পরিণামে স্বীকৃত নয়।

    ১৬৬০ সাল থেকে যে-কোনো সময়ের চেয়ে আমাদের সময়ে বৌদ্ধিক স্বাধীনতার প্রতি হুমকিটা ব্যাপকতর। কিন্তু এটা এখন খ্রিস্টীয় গির্জা থেকে আসছে না। এটা সরকারের তরফে আসছে, যে-সরকার নৈরাজ্য এবং বিশৃঙ্খলার আধুনিক বিপদের কারণে যাবতীয় বিরোধিতা থেকে সুরক্ষিত গির্জার কর্তৃপক্ষের চরিত্র উত্তরাধিকারী হিসাবে পেয়েছে। বিজ্ঞানবিদ এবং যারা বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে মূল্য দেন, তাঁদের সকলের এটা একটি স্বচ্ছ কর্তব্য, এই নতুন ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা। পুরাতন ব্যবস্থার পতনে নিজেদেরকে সন্তোষজনকভাবে অভিনন্দিত করার চেয়েও এটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এবং এই কর্তব্যের পরিমাণ কমে যায় না এমন কোনো নতুন মতবাদের প্রতি আনুগত্যে, যে-মতবাদের সমর্থনে নির্যাতন যুক্ত হয়ে পড়ে। সাম্যবাদের প্রতি কোনো অভিরুচি আমাদের অনিচ্ছুক করবে না রাশিয়ায় কোনো অসংযমকে চিনতে। অথবা এটা বুঝতেও অনিচ্ছুক করবে না যে, একটা শাসনব্যবস্থা যা তার গোঁড়ামির কোনো সমালোচনাকে অনুমতি দেয় না, আখেরে এই ব্যবস্থা নতুন জ্ঞানের আবিষ্কারের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিপরীতক্রমে, সাম্যবাদ অথবা সমাজতন্ত্রের প্রতি বিরাগ আমাদের চিন্তায় এই মতবাদ দমনে জার্মানিতে সংঘটিত বর্বরতাকে ক্ষমার যোগ্য করে তুলবে না। যে-সব দেশে বিজ্ঞানবিদরা তাদের কাঙ্ক্ষিত বৌদ্ধিক স্বাধীনতা জয় করে নিতে পেরেছেন, পক্ষপাতিত্বহীন প্রতিবাদ সহ তাদের দেখানো উচিত যে, যে-কোনো স্থানে সে-স্থানের মতবাদের জন্য এই স্বাধীনতা দমিত হলেও, তারা এ-ধরনের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টাকে অপছন্দ করছেন।

    যাদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে এই বৌদ্ধিক স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ তাঁরা জন সম্প্রদায়ের মধ্যে সংখ্যালঘিষ্ঠ হতে পারেন, কিন্তু এঁদের মধ্যেই ভবিষ্যতের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ মানুষেরা আছেন। মানবেতিহাসে আমরা কোপার্নিকাস, গ্যালিলিও এবং ডারউইনের গুরুত্ব দেখেছি। এবং এটা ধরে নেওয়া ঠিক নয় যে, ভবিষ্যৎ এ-ধরনের ব্যক্তিত্বের আবির্ভাব ঘটাবে না। তারা যদি তাদের কার্যসাধনে বাধাপ্রাপ্ত হন এবং তাঁদের প্রাপ্য গুরুত্ব না পান তাহলে মানবজাতি বন্ধ্যা হয়ে যাবে এবং নতুন অন্ধকার যুগ পরম্পরাক্রমে শুরু হবে, যেমন উজ্জ্বল প্রাচীন যুগের পরম্পরায় পূর্বতন অন্ধকার যুগ শুরু হয়েছিল। নতুন সত্য প্রায়শই অস্বস্তিদায়ক, বিশেষত ক্ষমতাবানদের কাছে। তা সত্ত্বেও, নিষ্ঠুরতা এবং ধর্মান্ধতার দীর্ঘ নিদর্শনের মধ্যেও, এটাই আমাদের বুদ্ধিশীল কিন্তু দূরন্ত প্রজাতির সর্বোত্তম গুরুত্বপূর্ণ প্রাপ্তি।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল
    Next Article কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    Related Articles

    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কেন আমি ধর্মবিশ্বাসী নই – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    সুখের সন্ধানে – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    অপেক্ষবাদের অ, আ, ক, খ – বারট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    কর্তৃত্ব ও ব্যক্তিসত্তা – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    দর্শনের সমস্যাবলি – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    বার্ট্রান্ড রাসেল

    মানুষের কি কোনো ভবিষ্যত আছে? – বার্ট্রান্ড রাসেল

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }