Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প400 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. শৈলজা-ঠাকুরানীই বিচার করিলেন

    শৈলজা-ঠাকুরানীই বিচার করিলেন। উদ্ধত প্রজা বেণী মণ্ডল এবং রূপলাল বাগদীর অন্যায় আচরণের শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও তিনি করিলেন। কিন্তু বাড়ি ফিরিলেন রূদ্ধমুখ অগ্নিগর্ভ আগ্নেয়গিরির মত রূপ লইয়া। অগ্ন্যুর নাই, কিন্তু অসহনীয় উত্তাপ চারিদিকে ছড়াইয়া পড়িতেছে। জ্যোতির্ময়ী—শিবুর মা যে কৌশলে তাহার মাথায় সর্বময় কর্তৃত্বের কণ্টক মুকুট পরাইয়া দিয়া তাহাকেই লঙ্ন করিয়া চলিয়া আসিয়াছেন, তাহাতে সমস্ত অন্তর ক্ষোভে ক্রোধে পুড়িয়া গেলেও মুখে সে ক্ষোভ, সে ক্রোধ প্রকাশ করিবার পথ ছিল না।

    অপরাহ্রে তিনি ভ্রাতৃজায়াকে ডাকিয়া বলিলেন, দেখ বউ, কিছুদিন থেকেই মনে মনে সঙ্কল্প করেছি, কিন্তু বলি নি, বলতে পারি নি। তুমি বুদ্ধিমতী হলেও ছেলেমানুষ, তার ওপর বাড়ির বউ ছিলে। এখন তুমি একটু ভারিক্কিও হয়েছ, আর এখন তুমি শিবনাথের মা। তুমি নিজে এবার। বিষয়-সম্পত্তি বেশ চালাতে পারবে। আমাকে ভাই, এইবার ছেড়ে দাও, আমি কাশী যেতে চাই।

    জ্যোতির্ময়ী অল্পক্ষণ নীরব থাকিয়া বলিলেন, বেশ, তা হলে আমাকেও নিয়ে চল। আমিও তোমার সঙ্গে যাব।

    ভ্রূ কুঞ্চিত করিয়া শৈলজা-ঠাকুরানী বলিলেন, তুমি কোথায় যাবে আমার সঙ্গে?

    ম্লান হাসি হাসিয়া জ্যোতির্ময়ী বলিলেন, না গেলে আমি এখানে কার ভরসায় থাকব।

    কী, কী, কী বললে তুমি ব?—শৈলজা-ঠাকুরানী গর্জন করিয়া উঠিলেন, এতবড় অমঙ্গলের কথা তুমি বললে! কার ভরসায় তুমি থাকবে? একা শিবু তোমার শত পুত্রের সমান, শতায়ু হয়ে বেঁচে থাক সে; তুমি বলছ, কার ভরসায় থাকবে?

    শিবু এখনও ছেলেমানুষ, তার ওপর সাত-আট বছর এখন তাকে বিদেশে থাকতে হবে, সেইজন্যে বলছি ভাই। এ সম্পত্তি তো আমার চালাবার ক্ষমতা নেই।

    খুব আছে। তুমি নিজে কাল বলেছ, তোমার সে ক্ষমতা আছে, আজ আমি দেখেছি, তোমার সে ক্ষমতা আছে।

    জ্যোতির্ময়ী চুপ করিয়া রহিলেন। ননদের প্রকৃতির সহিত তাঁহার ঘনিষ্ঠ পরিচয় ছিল; তিনি বুঝিলেন, এইবার অগ্নার আরম্ভ হইবে এবং এই অগ্নি নিঃশেষে বাহির হইয়া গেলেই সব শান্ত হইবে।

    শৈলজা-ঠাকুরানী বলিলেন, তুমি নিজের জেদ বজায় রাখবার জন্যে নিজে গিয়ে কাছারিবাড়িতে দাঁড়ালে। ডি ছি ছি! তোমার একটু সমীহ হল না! জান, তুমি কে? আজ দাদা থাকলে কী হত, তুমি জান?

    মৃদুস্বরে জ্যোতির্ময়ী এবার বলিলেন, আমার দোষ আমি স্বীকার করছি ঠাকুরঝি।

    দোষ স্বীকার করিলে, বিশেষত অপরাধীর মত নতমস্তকে দোষ স্বীকার করিলে, সে দোষ। লইয়া আর মানুষকে দণ্ড দেওয়া যায় না; কিন্তু শৈলজা-ঠাকুবানীর মনের ক্ষোভ তখনও মেটে নাই। কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকিয়া তিনি আবার আরম্ভ করলেন, দোষ তোমার নয়, দোষ আমার। তোমার ঘরে তোমার বিষয়ে কর্তৃত্ব করতে যাওয়া আমার দোষ। আমি নির্লজ্জ, আমি বেহায়া, তাই এত কথার পরেও আজ নায়েব-চাপরাশীর ঝগড়ার কথা শুনে আমি দেখতে গেলাম, কেন, কিসের জন্যে ঝগড়া! তুমি শিবুকে উঠিয়ে নিয়ে এলে। কেন, আমি যখন সেখানে উপস্থিত রয়েছি, তখন শিবু অন্যায় বিচার করবে, এমন ভয় তোমার হল কেন? লেখাপড়া! লেখাপড়া না শিখলে যেন–

    তাঁহার বাক্যস্রোতে বাধা পড়িল। নায়েব রাখাল সিং হন্তদন্ত হইয়া আসিয়া বলিলেন, পিসিমা! তাহার হাতে একখানা লালরঙের খাম।

    জ্যোতির্ময়ীর দৃষ্টি প্রথমেই সেখানার উপর পড়িয়াছিল, তিনি শঙ্কিত কণ্ঠে প্ৰশ্ন করিলেন, ওটা কী সিংমশায়? টেলিগ্রাম?

    হ্যাঁ মা। আমি তো পড়তে জানি না, পিয়নটা বললে, বাবু পাস হয়েছে ফার্স্ট ডিভিশনে। সে দাঁড়িয়ে আছে বকশিশের জন্যে।

    মুহূর্তে শৈলজা-ঠাকুরানী ভ্রাতৃজায়াকে বুকে জড়াইয়া ধরিয়া বলিলেন, লক্ষ্মী লক্ষ্মী—আমার লক্ষ্মী তুমি বউ। শিবু তোমার ছেলে, আমার বাপের বংশের মুখ উজ্জ্বল করলে।

    জ্যোতির্ময়ীর চোখ দিয়া জল পড়িতেছিল, তিনি সজল চক্ষে হাসিমুখে বলিলেন, শিবু কই, শিবু?

    নিত্য-ঝি ছুটিয়া উপরে শিবুর পড়ার ঘরের দিকে চলিয়া গেল, আমি খবর দিয়ে আসি দাদাবাবুকে, বকশিশ নোব দাদাবাবুর কাছে।

    বকশিশ শব্দটা কানে আসিতেই পিয়নের কথাটা জ্যোতির্ময়ীর মনে পড়িয়া গেল, তিনি বলিলেন, পিয়নকে কী দেওয়া হবে ঠাকুরঝি?

    একটা টাকাই ওকে দিয়ে দিন সিংমশায়।

    দুড়দুড় শব্দে সিঁড়ি অতিক্ৰম করিয়া শিবু নিচে আসিয়া ছোঁ মারিয়া টেলিগ্রামখানা লইয়া খুলিয়া পড়িল, পাস্ ইন দি ফাষ্ট ডিভিশন, মাই বেস্ট ব্লেসিংস—রামরতন।

    শিবুর উচ্ছ্বাস যেন বাড়িয়া গেল। সে বলিল, মাস্টারমশায়—আমার মাস্টারমশায় টেলিগ্রাম করেছেন পিসিমা। রামরতন–রামরতন লেখা রয়েছে।

    মাস্টার-আমাদের মাস্টার?—বিস্মিত হইয়া পিসিমা প্রশ্ন করিলেন, মাস্টার কলকাতা গেল কী করে?

    জ্যোতির্ময়ী বলিলেন, কোনো কাজে গিয়ে থাকবেন হয়ত।

    পিসিমা বলিলেন, টাকা দিলে তো মাস্টার নেবে না, তাকে আমি সোনার চেন আর ঘড়ি দোব এবার। সে গরিব মানুষ, তবু খবরটা পেয়ে খরচ করে টেলিগ্রাম করেছে তো!

    আমি গোঁসাইবাবাকে খবর দিয়ে আসি পিসিমা। আমার বাইসিটা? নিত্য, ছুটে গিয়ে বল তো কাছারিতে আমার বাইসিক্লটা বের করতে। আমার জামা?

    শিবু তাড়াতাড়ি আবার উপরে উঠিয়া গেল।

    শৈলজা-ঠাকুরানী বলিলেন, ঠাকুরদের সব পুজো দিতে হবে বউ, বাবা বৈদ্যনাথের পুজোর টাকাটা এখুনি কাপড় ছেড়ে তুলে ফেলি। আর সব দেবতার পুজো, সে তো কাল ভিন্ন হবে। না।

    জ্যোতির্ময়ী বলিলেন, বৈশাখ মাস, গ্রামের ঠাকুর-দেবতার সব সন্ধ্যের শীতল-ভোগের ব্যবস্থা কর না ঠাকুরঝি।

    বেশ বলেছ বউ, ও কথাটা আমার মনেই ছিল না। আর তোমার মত বুদ্ধি আমার নেই, সে কথা মন খোলসা করে স্বীকার করছি ভাই।

    জামা গায়ে দিয়া শিবু নামিয়া আসিয়া বলিল, আমার বন্ধুদের কিন্তু ফিস্ট দিতে হবে। তিরিশ টাকা লাগবে, তারা সব হিসেব করে রেখেছে।—বলিতে বলিতেই সে বাহির হইয়া গেল। পিসিমা পূজার টাকা পৃথক ভাগে চিহ্নিত করিয়া রাখিয়া দিয়া বাহিরে আসিয়া বলিলেন, আমার পাগলী বউমা আজ বাড়িতে নেই ভাই, সে থাকলে তার আবদারটা একবার দেখতে। সেও হয়ত বলত, আমাকে এই দিতে হবে, ওই দিতে হবে।  জ্যোতির্ময়ী কোনো উত্তর দিলেন না, শুধু একটু মেহের হাসি হাসিলেন। রতন অগ্রসর হইয়া আসিয়া বলিল, মামীমা, এইবার কিন্তু বউকে নিয়ে এসো বাপু, বউ না হলে আর ঘর মানাচ্ছে না। বউও তো আর নেহাত ছোটটি নেই, এগার বছর বোধহয় পার হল।

    শৈলজা-ঠাকুরানী বলিলেন, একখানা চিঠি লেখ তো ভাই বউ। এই বোশেখ মাসেই আমার বউ পাঠিয়ে দিতে হবে।

    জ্যোতির্ময়ী তাঁহার অভ্যাসমত হাসি হাসিয়া বলিলেন, কাল লিখব ঠাকুরঝি।

    শৈলজা-ঠাকুরানী বিরক্ত হইয়া উঠিলেন, বলিলেন, তোমার ওই হাসি দেখে সময় সময় আমার রাগ ধরে ভাই বউ। কেন, কাল লিখবে কেন? আজ লিখলে দোষটা কী শুনি?

    জ্যোতির্ময়ী বলিলেন, শিবুর এখন পড়ার সময়, বউমাও এখন ছেলেমানুষ থাকুক না সে আরও কিছুদিন। আর আমরা তো বউমাকে পাঠাই নি ভাই, তারাই নিয়ে গেছেন জোর করে। পাঠিয়ে তারাই দেবেন নিজে থেকে।

    শৈলজা-ঠাকুরানী বলিলেন, সে কথা সত্যি। কিন্তু–। কথাটা না বলিয়াই তিনি চুপ করিয়া গেলেন। কিছুক্ষণ পর আবার বলিলেন, বেশ বউমাকে আমার শিবুর পাসের খবরটা দাও। লিখে দাও, বাবা বিশ্বনাথের কাছে যেন পুজো দেয়। আর কিছু টাকা-পঁচিশটা টাকা তাকে পাঠিয়ে দাও। তার দিদিমার যেন টাকার অভাব নেই, কিন্তু আমাদের বউ তত।

    সত্য সত্যই শৈলজা-ঠাকুরানীর চিত্ত আজ ছোট্ট নান্তির জন্য ব্যাকুল হইয়া উঠিয়াছে। আশ্চর্যের কথা, নান্তি চোখের সম্মুখে থাকিলে সামান্য ক্রটিতে তাহার উপর রাগ হইয়া যায়, কিন্তু চোখের আড়ালে গেলে শিবনাথের বধূর উপর তাহার মমতার আর সীমা থাকে না। মনে হয়, শিবুর বউ একটু আদরিণী চঞ্চলা না হইলে মানাইবে কেন? আর একটু দুরন্ত জেদী অভিমানিনী না হইলে শিবু বশ্যতা স্বীকার করিবে কেন?

    প্রখর গ্রীষ্মের রৌদ্রের তেজ তখনও কমে নাই, বাতাস যেন অগ্নিসাগরে স্নান করিয়া বহিয়া। আসিতেছে। তাহার মধ্যে শিবু চলিয়াছিল। বাইসিটা বেশ জোরেই চলিতেছিল, কিন্তু শিবনাথের যেন তাহাতেও তৃপ্তি হইতেছিল না। সে রেসের ঘোড়ার জকির মত বাইসিটার উপর গুড়ি হইয়া পড়িয়া প্ৰাণপণে প্যাডল করিতেছিল। সহজ অবস্থাতেই বাইসি অথবা ঘোড়ায় চড়িয়া কখনও ধীর গতিতে চলিতে চায় না, দুরন্ত গতিতে অবাধ প্রান্তরে গাড়ি চালাইয়া অথবা ঘূর্ণির মত পাক দিয়া ফেরা তাহার অভ্যাস। সেই অভ্যাসের উপর আজ মনের গতি উৎসাহের আতিশয্যে দুর্নিবার হইয়া উঠিয়াছে।

    তাহার মনে পড়িতেছিল হেডমাস্টার মহাশয়ের কথা। যেদিন তাহারা ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিবার জন্য স্কুল হইতে বিদায় গ্রহণ করে, সেদিন তিনি বলিয়াছিলেন, ওয়েল, মাই বয়েজ, আই উইশ ইউ সাকসেস ইন দি একজামিনেশন, গুড লাক ইন লাইফ! আজ দশ বছর ধরে তোমরা এই স্কুলটির মধ্যে অ্যাঁচার পাখির মত বন্দি হয়ে ছিলে, আজ তোমাদের পাখায় উপযুক্ত বল সঞ্চিত হয়েছে, কণ্ঠে স্বর-লয়-তান পেয়েছে; তাই তোমাদের পৃথিবীর বুকে মুক্তি দিচ্ছি। সম্মুখে তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, সেখানে গিয়ে তোমরা কৃতকার্য হও। গ্রামকে জেনেছ, দেশকে জান, পৃথিবীকে জান, আপন জীবনের পথ করে নাও। তারপর হাসিয়া আবার বলিয়াছিলেন, তোমরা আর বয়েজ থাকবে না, এবার জেন্টলমেন অ্যাট লার্জ হবে।

    সে এখন জেন্টলম্যান, বালক নয়, কিশোর নয়, জেন্টলম্যান-ভদ্রলোক। একটি সম্মানের আসন তাহার জন্য নির্দিষ্ট হইয়া গিয়াছে। গাড়িটার দ্রুতবেগহেতু উভয় পার্শ্বের পারিপার্শ্বিক শনশন করিয়া পিছনের দিকে ছুটিয়া চলিয়াছে, ভাল করিয়া কিছু দেখা যায় না। কিন্তু শিবুর মনে হইল, সকল লোক সপ্রশংস দৃষ্টিতে তাহার দিকে চাহিয়া আছে। সহসা আপনা হইতেই তাহার গতিবেগ শিথিল হইয়া আসিল। একটা বিশ্ন দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া গাড়ির উপর সে সোজা হইয়া বসিল। তাহার বধূকে মনে পড়িয়া গিয়াছে—নান্তি, গৌরী। সে থাকিলে আজ বিস্ময়ে পুলকে বারবার তাহার দিকে অবগুণ্ঠনের অন্তরাল হইতে সহাস্য দৃষ্টিতে চাহিয়া দেখিত। সে নিশ্চয় বলিত, হ্যাঁ, ও পাস করতে পারত কিনা, আমার পয়ে পাস হয়েছে। তাহাকে আজ একখানা চিঠি। দিতে হইবে। মন আবার চকিত হইয়া উঠিল, শুধু নাস্তিকে নয়, অনেক জায়গায় চিঠি দিতে হইবে। যেখানে যত–

    হো সবুজ গাড়িকা আসোয়ার!—পিছন হইতে কাহার কণ্ঠস্বর ভাসিয়া আসিল, হো সবুজ গাড়িকা আসোয়ার!

    শিবু হাসিয়া ব্রেক কষিল। কমলেশ, এ কমলেশ ছাড়া আর কেহ নয়। কমলেশ ও তাহার। গাড়ি একসঙ্গে আসিয়াছিল, কমলেশের গাড়ির রঙ চকোলেট রঙের, তাহার গাড়ির রঙ সবুজ। কমলেশ পিছনে পড়িলে ওই বলিয়াই হাঁক দেয়। বেচারা কমলেশ! নান্তিকে লইয়া এই বিরোধের পর হইতে তাহাদের বাড়িতে যাইতে পারে না। আর তাহারও কেমন বাঁধ-বাধ ঠেকে।

    সশব্দে কমলেশের গাড়িখানা পাশে আসিয়া থামিল। শিবু সহাস্যে বলিল, শুনেছ?

    নিশ্চয়। নইলে পলাতক আসামিকে এমনিভাবে ধরার জন্যে ছুটি! তারপর, এমন উর্ধ্বশ্বাসে চলেছ কোথায়?

    দেবীমন্দিরে। মাকে প্রণাম করে আসি, গোঁসাইবাবাকে প্রণাম করে আসি।

    চল।

    চলিতে চলিতে কমলেশ বলিল, চল না, দিনকতক বেড়িয়ে আসি। মামা এসেছেন কিনা, তিনি বললেন, যাও না, শিবুকে নিয়ে কাশী ঘুরে এস না দিনকতক।

    শিবু একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া বলিল, বলতে পারছি না এখন।

    এতে ভাববার কী আছে?

    অনেক। সে পরে হবে এখন। বলিতে বলিতেই সে গাড়ি হইতে নামিয়া পড়িল। দেবীর স্থানে তাহারা আসিয়া পড়িয়াছে। কমলেশও নামিয়া পড়িল।

    নিবিড় জঙ্গলে ঘেরা আশ্রম—বহুকালের প্রাচীন তন্ত্রসাধনার স্থান। রামজী সাধু সদাপ্ৰজ্বলিত ধুনির সম্মুখে একটি ছোট বাঁধানো আসনের উপর বসিয়া ছিলেন। দেবীমন্দিরের পূজক পুরোহিত কয়েকজন পাশে বসিয়া গল্প করিতেছিল। শিবু ঝড়ের মত আসিয়া বলিল, গোঁসাই-বাবা, আমি পাস হয়েছি, ফাষ্ট্র ডিভিশনে পাস হয়েছি।

    সাধু মুহূর্তে আসন ছাড়িয়া উঠিয়া শিবুকে শিশুর মত বুকে জড়াইয়া ধরিয়া বলিলেন, জিতা রহো বেটা; বাবা হামার।

    শিবু বলিল, ছাড়, তোমাকে প্রণাম করি। মাকে প্রণাম করি।

    সন্ন্যাসী আশীর্বাদ করিয়া দেবীর আশীর্বাদী বিপত্রের মালা শিবুর গলায় পরাইয়া দিয়া বলিলেন, বাস, এখন আপনা রাজ করো বেটা, বাপ-দাদাকে গদ্দিমে বৈঠো, জিমিদারি দেখো, দুষ্টকে দমন করো, শিষ্টকে পালন করো।

    কমলেশ মৃদু মৃদু হাসিতেছিল। শিবু আরক্তিম মুখে সন্ন্যাসীকে বলিল, এখন আমি পড়ব গোঁসাই-বাবা।

    হাঁ! বাহা বাহা, বেটা রে হামার! উ তো ভাল কথা রে বাবা। তা তুমার জিমিদারি কৌন্‌ চালাবে বাবা?

    এখনই আমার জমিদারি দেখবার সময় হয়েছে নাকি?

    হা-হা করিয়া হাসিয়া সন্ন্যাসী বলিলেন, আরে বাপ রে বাপ রে! এখনও তুমি ছোট আছ বাবা! জানিসরে বাবা, আকবর বাদশা বারো বরষ উমরসে হিন্দুস্থানকে রাজ চালায়েছেন। লিখাপড়িতি না শিখিয়েছিলেন আকবর শা। তবভি কেতনা লড়াই উনি জিতলেন, তামাম হিন্দুস্থান উনি জয় করিয়েছিলেন।

    কমলেশ বলিল, ছত্রপতি শিবাজীও লেখাপড়া জানতেন না।

    করজোড়ে নমস্কার করিয়া সন্ন্যাসী বলিলেন, আরে বাপ রে, মহারাজ শিউজিমায়ী ভবানীকে বরপুত্র। জিজ্জাবাই মা-ভবানীকে সহচরী জয়া কি বিজয়া কোই হোবে। হিন্দুধরমকে উনি রাখিয়েছেন রে বাবা। হামার পল্টন যব পুনামে ছিলো, তখুন দেখিয়েছি হামি উন্‌কে কীর্তি।

    শিবু বলিল, আজ সন্ধেবেলায় কিন্তু যেতে হবে, লড়াইয়ের গল্প বলতে হবে।

    সন্ন্যাসী সৈনিকের মত বুক ফুলাইয়া দাঁড়াইয়া হাকিয়া উঠিলেন, টানান্‌শান।

    কমলেশ হাসিয়া বলিল, অ্যাটেনশন।

    শিবু মুখ না ফিরাইয়া বলিল, জানি। সে মুগ্ধ দৃষ্টিতে সন্ন্যাসীর বীরভঙ্গিমার দিকে চাহিয়া ছিল। সন্ন্যাসী আবার হাকিলেন, রাট বাট ট্রান। সঙ্গে সঙ্গে রাইট অ্যাবাউট টার্ন করিয়া হাসিয়া বলিলেন, সনঝাতে কুইক মাচ করিয়ে যাবে হামি বাবা। এখুন তুমি লোক কুইক মাচ করো। এহি বাজল বিউগল। মুখে তিনি অতি চমৎকার বিউগলের শব্দ নকল করিতে পারেন। কিন্তু বিউগল বাজানো আর হইল না, তিনি বিস্মিত হইয়া কাহাকে প্ৰশ্ন করিলেন, আরে আরে, তুমি কাঁদছিস কেনে মায়ী?

    শিবু ও কমলেশ বিস্মিত হইয়া পিছন ফিরিয়া দেখিল, একটি প্রৌঢ়া নিম্নজাতীয়া স্ত্রীলোক পিছনে দাঁড়াইয়া নিঃশব্দে কাঁদিতেছে। কমলেশ ব্যগ্ৰভাবে প্ৰশ্ন করিল, ফ্যালার মা, কাঁদছিস কেন তুই?

    ফ্যালা কমলেশের বাড়ির মাহিন্দার, গরুর পরিচর্যা করে। ফালার মা কমলেশকে দেখিয়া ড়ুকরিয়া কাঁদিয়া উঠিল, ওগো বাবু গো, ফেলা আমার সরদ-গরম হয়ে মাঠে পড়ে রইছে গো। ওগো, গোঁসাইবাবাকে বলে দাও একবার গাড়িখানি দিতে।

    অনেক প্ৰশ্ন করিয়া বিবরণ জানা গেল, ফ্যালা কমলেশদেরই আদেশক্রমে মাটির জালা আনিবার জন্য তিন ক্রোশ দূরবর্তী গ্রামে কুমোর-বাড়ি গিয়াছিল, ফিরিবার পথে সহসা অসুস্থ হইয়া এই দেবীমন্দিরের অনতিদূরে জ্ঞানশূন্যের মত পড়িয়া আছে। সংবাদ পাইয়া বিধবা মা ও তরুণী পত্নী সেখানে গিয়াছিল, কিন্তু ফ্যালার মত জোয়ানকে তুলিয়া আনিবার মত সাধ্য তাহাদের হয় নাই। তাই পুত্রবধূকে সেখানে রাখিয়া সে এই নিকটবর্তী দেবীস্থানেই ছুটিয়া আসিয়াছে। ফ্যালার মা কমলেশের পা দুইটি জড়াইয়া ধরিয়া কাঁদিয়া কহিল, ওগো বাবু, তুমি গোঁসাইবাবাকে বলে দাও গো।

    কমলেশকে বলিতে হইল না, সন্ন্যাসী বলিলেন, আরে হারামজাদী বেটি, তু কানসি কেনে? চল, কাহা তুমার লেড়কা, হামি দেখি।—বলিয়া নিজেই বলদ দুইটা খুলিয়া গাড়িতে জুতিয়া ফেলিলেন।

    শিবু বলিল, দাঁড়াও গোঁসাই-বাবা, কতকগুলো খড় দিয়ে দিই। বাঁশগুলো বেরিয়ে আছে, পিঠে লাগবে যে।

     

    প্ৰকাণ্ড জোয়ান, মাটিতে পড়িয়া আছে একটা সদ্য-কাটা গাছের মত। মাথার শিয়রে তরুণী বধূটি ভয়ে উদ্বেগে মাটির পুতুলের মত বসিয়া আছে। মধ্যে মধ্যে রোগী অনুনাসিক সুরে চাহিতেছে, জঁল।

    চারিদিকে লাল কাকরের প্রান্তর ধু-ধু করিতেছে। বৈশাখের বিশেষ করিয়া এ বৎসরের নিদারুণ গ্রীষ্মের উত্তাপ মানুষের দেহেরও জলীয় অংশ শোষণ করিয়া লইতেছে। কোথাও জলের চিহ্ন নাই। সন্ন্যাসী বলিলেন, কঁহাসে জল আনলি রে মায়ী?

    বধূটি নীরব হইয়া রহিল, ফ্যালার মা বলিল, আজ্ঞে জল কোথা পাব বাবা?

    শিবু তিরস্কার করিয়া বলিল, ওখানে বললি না কেন যে, জল খেতে চাচ্ছে? যাই, আমি সাইক্লে করে নিয়ে আসি।

    সন্ন্যাসী আঙুল দেখাইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, তব ও জল কাঁহাসে আইলো রে? ওহি রে মাটি

    ভিঁজা।

    উ মাশায় বমি করেছে। আখের রস খেয়েছে কিনা, ওই রোদে মেতে উঠেছে প্যাটে। তাই তুলে ফেলিয়েছে। মাঠেও যেয়েছে কবার আশায়।

    ফ্যালা অসাড়ের মত পড়িয়াই কহিল, চার বার। হাতখানা তুলিয়া বুড়া আঙুলটা মুড়িয়া চারিটা আঙুল মেলিয়া ধরিল, কিন্তু পরক্ষণেই হাতখানা আপনি এলাইয়া মাটিতে পড়িয়া গেল।

    হাঁ, বমিভি হইয়াছে। সন্ন্যাসী একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন, হায় হায় বেটা, এতনা বড় বীর, এক পরশমে-আঃ, হায় হায় রে!

    জল—শিবু বাইসিক্লের ব্রেক কষিয়া নামিয়া জলপাত্রটা বাড়াইয়া দিল।

    ফ্যালা আকুল আগ্রহে দুই হাত বাড়াইয়া চাহিল, জঁল অ্যাঁল, পেঁপেঁ, আমাকে পেঁ।

    মায়ের হাত হইতে পাত্ৰটা কাড়িয়া লইয়া ঢকটক করিয়া জল পান করিতে আরম্ভ করিল। সে তৃষ্ণা যেন মিটিবার নয়, ওই দগ্ধ প্রান্তরের তৃষ্ণার মত যেন একখানা মেঘ সে নিঃশেষে পান করিতে পারে।

    ফ্যালার মা বলিল, এইবার উঠতে পারবি বাবা ফ্যালা? আস্তে আস্তে গাড়িতে ওঠ দেখি।

    শিবু ও কমলেশ একসঙ্গে বলিয়া উঠিল, না না, আমরা ধরি, উঠিস নি তুই।

    মুহূর্তে সন্ন্যাসী তাঁহার বিশাল বাহু প্রসারণ করিয়া পথরোধ করিয়া বলিলেন, রহো। হাম উঠা দেতা হ্যায়। অবলীলাক্রমে ফ্যালার বিশাল দেহখানি দুই হাতে শিশুর মত গাড়িতে উঠাইয়া দিলেন। তারপর বলিলেন, তুমি গাড়ি নিয়ে যেতে পারবি রে ফ্যালাকে মায়ী?

    একটু লজ্জিতভাবেই ফ্যালার মা বলিল, তা পারব আজ্ঞে, আমরা ছোটনোকের মেয়ে।

    সন্ন্যাসী গম্ভীরভাবে শিবু ও কমলেশকে বলিলেন, বাড়ি চলে যাও তুমি লোক। উসকে মত পরশ করো।

    কেন?

    কলেরা হয়েছে উসকো বেটা।

    কলেরা? তবে তুমি ছুঁলে যে?

    হাসিয়া সন্ন্যাসী বলিলেন, হামি যে সন্ন্যাসী রে বেটা। হামি যদি ম যাই, তব কৌন্ ক্ষতি হেহাবে রে বেটা? কৌ দুখ পাবে?

    শিবুর চোখ মুহূর্তে জলে ভরিয়া উঠিল। সে মুখ ফিরাইয়া লইয়া সঙ্গে সঙ্গে বাইসিক্লের প্যাড়লে পা দিল। সন্ন্যাসী ডাকিলেন, শুন রে, এ বাবা হামার, শুন শুন।

    শিবু পিছন ফিরিয়াই অপেক্ষা করিয়া দাঁড়াইয়া রহিল। সন্ন্যাসী বলিলেন, নেহি রে বাবা, হামি যায়কে খুব গরম পানিসে সব ধো দেবে—আচ্ছা করকে, থোড়া চুনা দেকে মর্দন কর দেবে। উসকো বাদ ভস্ম ডলেগা অঙ্গমে।

    শিবু ও কমলেশ আশ্চর্য হইয়া গেল। স্বাস্থ্যবিজ্ঞানের কথা তাহাদের মনে পড়িয়া গেল।

    শিবু ঘাড় নাড়িয়া বলিল, তুমি তা হলে মিছে কথা বল, তুমি নিশ্চয় লেখাপড়া জান।

    হা-হা করিয়া হাসিয়া সন্ন্যাসী বলিলেন, লেখাপড়ি-ক খ, ইংরি এ বিউ হামি জানে না রে বেটা। ই সব হামি পল্টনমে শিখিয়েছিলো বেটা।

    শিবু বাইসিক্লে উঠিতে উঠিতে বলিল, যে সন্ধেবেলা। মাফ করো বাবা। আজ হামি যাবে না।

    শিবু আপত্তি করিতে যাইতেছিল, কিন্তু কমলেশ বলিল, আজ সন্ধেতে আমাদের সমিতির সকলকে একবার ডাকলে হয় না?

    ঠিক কথা। শিবুর মন উদ্যমে ভরিয়া উঠিল। সে সানন্দে সন্ন্যাসীকে বলিল, তা হলে কাল।

    সন্ন্যাসী নিষ্কৃতি পাইয়া যেন বাঁচিয়া গেলেন। মরণের স্পৰ্শতাহাকে কি বিশ্বাস আছে, যদি কোথাও কোনোখানে একবিন্দু লুকাইয়া থাকে! গেলেই তো শিবু কঁপ দিয়া বুকে আসিয়া পড়িবে। দেবীর আশ্রমে প্রবেশ করিয়া তিনি হাঁকিলেন, আরে ভোলা লে আও (তা থোড্রসে চুনা। আওর গরম পানি বানাও তো এক কলস।

    ভোলা ট্ৰাতে দাঁত ঘষিয়া আপন মনেই বলিল, দেখ, ব্যাটা শেয়ালমারার খেয়াল দেখ। এই গরমে এক কলস গরম পানি!

    সন্ন্যাসী অপর একজনকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, এ ভাগনা শিরপত, বানাও তো ভাই আচ্ছা তরেসে এক ছিলম গাঁজা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    নাগিনী কন্যার কাহিনী – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }