Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প400 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. মাস চারেক পরের কথা

    মাস চারেক পরের কথা। আষাঢ়ের প্রথম। দ্বিপ্রহরের প্রারম্ভেই সমস্ত সৃষ্টিটা যেন ভয়ে নিস্তব্ধ হইয়া ঘরে লুকাইয়া বসিয়া আছে। আকাশে দ্বাদশ সূর্যের যেন একসঙ্গে উদয় হইয়াছে; নির্মেঘ রুক্ষ আকাশ, পৃথিবীর বুক হইতে বহুদূর পর্যন্ত ঊর্ধ্বলোক ধূলিকণায় সমাচ্ছন্ন, চোখের সম্মুখে ক্ষীণ কুয়াশার আস্তরণের মত সে ধূলিস্তরটা ভাসিয়া রহিয়াছে, দিকচক্রবাল দৃষ্টিপথ হইতে বিলুপ্ত হইয়া গিয়াছে বলিয়া মনে হয়, সেখানে দেখা যায় গাঢ় ধূমপুঞ্জের মত জমাট ধুলার রাশি। পৃথিবীর বুকের মাটি স্তরের পর স্তর গুঁড়া হইয়া উড়িয়া গেল। বৈশাখে দুই-এক পসলা বৃষ্টি হইয়া আবার মেঘ মুখ লুকাইয়াছে; আষাঢ়ের প্রথম সপ্তাহ হইয়া গেল, এখনও বৃষ্টি নাই; এখনও মাঠে বীজধান বোনা হয় নাই, ঘাস একবার দেখা দিয়া আবার শুকাইয়া গিয়াছে, পৃথিবীর সুশ্যাম লাবণ্যময়ী রূপের কথা ভাবিয়া আজ মাঠের দিকে চাহিলে মনে হয়, কেহ যেন তাহার চর্মোৎপাটিত করিয়া লইয়াছে। দেশ জুড়িয়া হাহাকার, ভিক্ষুকে ভিক্ষুকে গ্রামখানা ছাইয়া গিয়াছে; দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়াছে।

    এই উত্তপ্ত নিস্তব্ধ দ্বিপ্রহরেও সেদিন শিবনাথ একা কাছারিতে বসিয়া ছিল। মুখে গভীর উদ্বেগ ও চিন্তার ছায়া, মাথার চুলগুলি বিপর্যস্ত, চিন্তিতভাবে ক্রমাগত চুলের মধ্যে আঙুল চালাইয়া চালাইয়া নিজেই সে এমনই করিয়া তুলিয়াছে। এতবড় কাছারি-বাড়িতে সে একা, সে ছাড়া জনমানব নাই। সময় নির্ণয়ের জন্য পিছনের দেওয়ালের দিকে সে অভ্যাসমত চাহিয়া দেখিল, কিন্তু ব্র্যাকেটের উপর ঘড়িটা নিস্তব্ধ, কখন থামিয়া গিয়াছে। অয়েল করানোর অভাবে ঘড়িটা মাঝে মাঝে বন্ধ হইয়া যাইতেছে। ইজিচেয়ারের বেতের ছাউনিটা ছিঁড়িয়াছে, সদর হইতে বেত ও কারিগর আনাইয়া ওটাকে মেরামত করা প্রয়োজন, কিন্তু সেও হয় নাই। ওসব পরের কথা, এখন সম্পত্তি থাকিলে হয়। আগামী সরকারি নিলামে বাকি রাজস্বের দায়ে সম্পত্তি নিলামে উঠিয়াছে। পাঁচ শত টাকা লাগিবে; না দিতে পারিলে সমস্ত নিলাম হইয়া যাইবে। নায়েব গোমস্তা চাপরাসী, এমনকি চাকর ও মাহিন্দার পর্যন্ত বাহিরে গিয়াছে, মহলে মহলে টাকার জন্য তাহারা ঘুরিয়া বেড়াইতেছে। শিবনাথ নীরব উৎকণ্ঠা বহন করিয়া এখানে একা বসিয়া তিলে তিলে সে উৎকণ্ঠার যন্ত্ৰণা সহ্য করিতেছে। চেষ্টার ফল যাহা হইবে, সে জানে; তবুও চেষ্টা না করিয়া উপায় কী? রাখাল সিং কেষ্ট সিং পাগলের মত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে। আজ কয়েকজন প্ৰজা আসিয়া কাঁদিয়া পড়িয়াছে। কোনোরূপে যেন সম্পত্তি রক্ষা করা হয়, পুরুষানুক্রমে তাহারা এই বাড়ির ছত্ৰছায়াতলে বাস করিয়া আসিতেছে, আজ যেন তাহাদের ভাসাইয়া দেওয়া না হয়—এই ছিল তাহাদের বক্তব্য। জমিদার তাহারা চায়, অথচ নতুন জমিদার তাহারা চায় না কেন—এই কথা খইয়া দেখিতে গিয়া দেখিতে পাইল, প্রজাদের অফুরন্ত মমতা আর তাহার পিতৃপুরুষের উদার মহত্ত্ব।

    অথচ কয়েকদিন আগেই সে পড়িয়াছে Joseph Prudhone-এর বাণী; পড়িয়াছে Property is theft, because it enables him, who has not produced, to consume the fruits of other peoples toil. জমিদারি-ব্যবস্থা অক্ষরে অক্ষরে তাই। গভীর বিস্ময় এবং ঐকান্তিক শ্রদ্ধার সহিত এ সত্যকে স্বীকার করিয়া লইয়াও আজ কিন্তু প্রজাগুলির এই অনুরাগআসক্তি এবং নূতন জমিদারের অধীনে তাহাদের ভবিষ্যতের শঙ্কার কথা বিবেচনা করিয়া সে বিচলিত হইয়া উঠিয়াছে; বাঁচাইতেই হইবে, যেমন করিয়া হউক, সম্পত্তি রাখিতেই হইবে। এই উৎকণ্ঠার সময় মাস্টার মহাশয় থাকিলে বড় ভাল হইত। সকল দুঃখ, সকল সংঘাতের মধ্যে ওই মানুষটি তাহাকে সুস্থ করিয়া তোলেন। রামরতনবাবুও আজ সকালে ঢাকার সন্ধানে গিয়াছেন। সকালেই তিনি বলিলেন, তাই তো শিবু, উপায় কী করবি বল্ দেখি?

    শিবু অভ্যাসমত ম্লান হাসি হাসিয়া উত্তর দিল, কী আর করব?

    অনেকক্ষণ চিন্তা করিয়া তিনি বলিলেন, বউমা তো তার মায়ের উইলের দরুন টাকা পেয়েছেন, তাকে বললেই তো হয়। তুই একটা ডঙ্কি।

    শিবনাথ বিচলিতভাবে ঘাড় নাড়িয়া বলিল, না স্যার, সে হয় না। ওকথা আমাকে বলবেন না।

    অত্যন্ত আশ্চর্য হইয়া রামরতনবাবু বলিলেন, কেন বল্ দেখি?

    শিবনাথ কোনো উত্তর দিল না।

    রামরতনবাবু আপন মনে ঘাড় নাড়িয়া বলিলেন, দিস ইজ ভেরি ব্যান্ড। ইট মিন্‌স–

    শিবনাথ বাধা দিয়া বলিল, টাকা তো তার হাতে নেই মাস্টার মশায়, টাকা আছে কলকাতায়, ওর মামার ব্যবসায় খাটছে। সেখানে আমার অভাব বলে টাকা চাইতে যাওয়া কি যায়?

    হুঁ, তা বটে। সেটা তুই ঠিক বলেছিস। আমি ভাবলাম অন্য রকম ভাবলাম নট ইন গুড টার্মস উইথ বউমা।

    শিবনাথ সহসা ব্যর্থ হইয়া উঠিল, বলিল, বোলপুরে তো অনেক মহাজন আছে, আপনার সঙ্গে আলাপও আছে অনেকের; আপনি পাঁচশো টাকা আমাকে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারেন। না?

    কিছুক্ষণ চিন্তা করিয়া রামরতন উঠিয়া পড়িলেন, আপনার ছাতা ও বাঁশের লাঠি লইয়া বলিলেন, অল রাইট, চললাম আমি; দেখি কী হয়। সেই তিনি রওনা হইয়া গিয়াছেন।

    রাখাল সিং কিন্তু শুনিয়া বলিলেন, ধারের উপায় থাকলে কি সে উপায় আমি না করতাম বাবু? সে উপায় নেই। মানে, সাবালক হন নি যে এখনও আপনি। একুশ বছর না হলে তো আর সাবালক হয় না জমিদারের ছেলে।

    রামরতনবাবু রওনা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শিবনাথের অন্তরে একটি ক্ষীণ আশার সঞ্চার হইয়াছিল, রাখাল সিংয়ের কথায় সে আশা নির্মূল হইয়া গেল। ইহার চেয়ে তিনি এখানে থাকিলে ভাল হইত, সান্ত্বনা দিবার একজন থাকিত। আরও একজনকে মনে পড়িল—পিসিমাকে, তিনি এখানে থাকিলে এ দুশ্চিন্তাই বোধহয় তাহাকে ভোগ করিতে হইত না।

    রাখাল সিং কে সিং, গোমস্তা কুড়ারাম মিশ্র প্রজাদের সকলকে এখানে হাজির করিবার জন্য মহলে গিয়াছে। তাহাদের অনুরোধের বিনিময়ে সেও অনুরোধ জানাইবে, চারি আনা, আট আনা, এক টাকা, যে যেমন পার, যাহা পার তাহাই দাও। হাজার প্রজায় চারি আনা করিয়া দিলেও আড়াই শত টাকা হইবে, আর আট আনা করিয়া দিলে পাঁচ শত টাকা। সতীশ, শম্ভু, মতিলাল-ইহারাও গিয়াছে অন্য একখানা গ্রামে।

    একা বসিয়া চিন্তা করিতে করিতে উদ্বেগে শিবনাথের যেন হপ ধরিয়া উঠিল। প্রপার্টি ইজ থেফুট জানিয়াও ক্রমশ সে বিচলিত হইয়া পড়িতেছে, সম্পত্তির মমতায় সে ব্যাকুল হইয়া উঠিতেছে। প্রজাদের অনুরোধ, পিতৃপুরুষের সম্পত্তি, এই দুইটা কথা মনে পড়িলে চোখে জল আসে। গৌরীর কথা মনে করিয়া সে শিহরিয়া ওঠে। সম্পত্তি গেলে গৌরী যে রূপ গ্ৰহণ করিবে, সে বিক্ষুব্ধ ক্রুদ্ধ রূপ কল্পনা করিয়া সে আত্মহত্যা করা ছাড়া আর অন্য উপায় খুঁজিয়া পায় না।

    শিবনাথ কাছারি-বাড়ি হইতে বাহির হইয়া আসিয়া পথের উপর দাঁড়াইল। রৌদ্রের উত্তাপে পৃথিবী যেন দগ্ধ হইতেছে; জনহীন পথ, একটা পাখির ডাক পর্যন্ত শোনা যায় না। পথের উপর ব্যগ্র প্রত্যাশায় চাহিয়া সে দাঁড়াইয়া রহিল। ওই দিক হইতে রাখাল সিং কেষ্ট সিংয়ের প্রজাদের লইয়া ফিরিবার কথা। কিন্তু কেহ কোথাও নাই। সে পিছনের দিকে ফিরিল, এদিক হইতে গোমস্তা কুড়ারাম মিশ্র, সতীশ চাকর ও মাহিন্দারদের ফিরিবার কথা। যতদূর দৃষ্টি চলে কোথাও কোনো মানুষের দেখা নাই। সে আবার ফিরিল। এবার সে দেখিল, এদিক হইতে টলিতে টলিতে একটা কঙ্কাল যেন চলিয়া আসিতেছে।

    একটা জীৰ্ণ কঙ্কালসার মেয়ে। সে আসিয়া অনুনাসিক সুরে কহিল, বাবু মাৰ্শায়।

    তাহার দিকে চাহিয়া শিবনাথের সর্বশরীর যেন কুঞ্চিত হইয়া উঠিল। আঠার-উনিশ বছরের মেয়ে, কিন্তু সর্ব অবয়বের মধ্যে কোথাও একবিন্দু তারুণ্যের লেশ নাই; যেন একটা চর্মাবৃত কঙ্কাল; করকরে জিভ দিয়া কোনো শ্বাপদ যেন মেয়েটার সর্বাঙ্গ লেহন করিয়া লইয়াছে।

    বাঁবু মাশাঁয়, চাঁরটি ভাঁত।

    মেয়েটির গায়ের দুর্গন্ধে শিবনাথের কষ্ট হইতেছিল; সে মুখ ফিরাইয়া লইয়া বলিল, বাড়ির মধ্যে যাও বাপু, দেখ, যদি থাকে তো পাবে। কিন্তু আর কি আছে?—বলিতে বলিতেই তাহার মনে পড়িয়া গেল, এই মেয়েটাই কাল অপরাত্নে মেথরের কাজ করিয়া চারিটা পয়সা লইয়া গিয়াছে, সন্ধ্যায় খাইয়া কিছু উচ্ছিষ্টও লইয়া গিয়াছে। ইহারই মধ্যে সে আবার অন্ন অন্ন করিয়া ফিরিতেছে। তবে এ উহার স্বভাব, না সত্যই অভাব?

    মেয়েটি চলিয়া গেল; তাহার পদক্ষেপের মধ্যেও সমতা নাই, পায়ে পায়ে টোক্কর খাইতে খাইতে সে চলিয়াছে। শিবনাথ সহসা ক্ষণপূর্বের মনোভাবের জন্য লজ্জিত হইয়া পড়িল, নিজের কাছেই নিজে অপরাধ বোধ করিল। তাহার মনে হইল, লক্ষ লক্ষ যুগের ক্ষুধা ওই মেয়েটির উদরে জ্বলিতেছে। সে ক্ষুধার অন্ন তাহারাই পুরুষানুক্ৰমে কাড়িয়া খাইয়া আসিয়াছে, সে নিজেও খাইতেছে। নতমস্তকে সে সম্মুখের পথেই অগ্রসর হইয়া চলিল, সম্মুখের ওই বাকটায় দাঁড়ালেই। আরও অনেকটা দেখা যাবে। খানিকটা অগ্রসর হইতেই একটা কলরবের আসি পাওয়া গেল; রামকিঙ্করবাবুদের ঠাকুরবাড়ির দরজায় ভিক্ষুকদলের কলরব উঠিতেছে। উচ্ছিষ্ট অন্নের জন্য পঙ্গপালের মত বসিয়া বসিয়া সব চিৎকার করিতেছে।

    ঠাকুরবাড়ির সম্মুখে যেখানে যেটুকু ছায়া পড়িয়াছে, উচ্ছিষ্টপ্রত্যাশী ভিক্ষুকের দল সেই স্থানটুকুর মধ্যে জটলা বধিয়া বসিয়া আছে। কেহ কাহারও উকুন বাছিতেছে, কোথাও গল্প চলিতেছে, ঝগড়া চলিয়াছে। একটা খেজুরগাছের সঙ্কীর্ণ একটুখানি ছায়াকে আশ্ৰয় করিয়া বসিয়া। প্রায়-অন্ধ এক বুড়ি আপন মনেই বকিতেছিল, ভদ্রনোকের ছেলের ওই করণ! ওইগুলা আবার কথা নাকি? আমি দেখতে পাই চোখে? মিছে করে আবার কানা সেজে কেউ থাকে নাকি? না তাই থাকতে পারে? দেখতে পেলে কেউ দিনে একশো বার করে পড়ে মরে নাকি?

    এত উৎকণ্ঠার মধ্যেও শিবনাথ না হাসিয়া পারিল না। সে বুঝিতে পারিল, কেহ বুড়িকে অন্ধত্বের ভান করার অভিযোগে অভিযুক্ত করিয়াছে, তাই বুড়ি এমন ক্ষিপ্ত হইয়া উঠিয়াছে। এ সংসারে এখন উহার বাঁচিয়া থাকার মূলধন ওই অন্ধত্ব। ঈষৎ হাসিয়া শিবনাথ বলিল, হ্রা রে বুড়ি, কে কী বললে তোকে? বকছিস কেন?

    বুড়ি অত্যন্ত ক্রুদ্ধ হইয়া অঙ্গভঙ্গি সহকারে বলিয়া উঠিল, অ্যাঃ, বকছি কেনে! আবার লক্সা করা দেখ ছেলের! তুমি বললে না, বুড়ি বেশ দেখতে পায় চোখে, কানা সেজে থাকে

    একজন চক্ষুষ্মন তাহার কথায় বাধা দিয়া বলিল, এই বুড়ি, এই কাকে কী বলছিস? উনি যে আমাদের উ বাড়ির বাবু। সে নোেক জাের চলে গিয়েছে।

    সঙ্গে সঙ্গে বুড়ি সেইখানে একটি প্রণাম করিয়া কাতরস্বরে বলিল, বাবু মশায়, আপনকাকে। আমি বলি নাই মাশায়। আমি কানা মানুষ, মানুষ চিনতে লারি বাবা। ওই সাদা কাপড় শুধু চোখের ছামুতে ফটফট করে। তাতেই আমি বলি, বুঝি–

    শিবনাথ বলিল, না রে বুড়ি আমি কিছু মনে করি নি।

    বুড়ি সঙ্গে সঙ্গে হাতজোড় করিয়া বলিল, তবে একখানি তেনা দিও মাশায় এই কানাকে। ধৰ্ম্ম হবে আপনার।

    শিবনাথ হাসিয়া বলিল, আচ্ছা।

    মুহূর্তে চারিদিক হইতে রব উঠিল, আমাকে মাশায়, আমাকে মাশায়, বাবু মশায়। যাহারা বসিয়া ছিল, তাহারা উঠিয়া দাঁড়াইল। সেদিকে চাহিয়া শিবনাথ শিহরিয়া উঠিল, মুহুর্তে তাহার মনে পড়িয়া গেল—মা যাহা হইয়াছেন।

    মেয়েরা প্রায় বিবস্ত্ৰা, মাত্ৰ কটিতটটুকু জীৰ্ণ শতচ্ছিন্ন বস্ত্ৰে কোনোরূপে ঢাকা, বস্ত্রহীন নগ্ন বক্ষে সন্তানের অক্ষয় অমৃতভাণ্ডার পয়োধর শুষ্ক। চর্মাবৃত পঞ্জরশ্রেণী একটি একটি করিয়া গোনা যায়, সে চর্মাবৃত পঞ্জরের নিচে হৃৎপিণ্ডস্পন্দন পর্যন্ত বাহির হইতেও যেন দেখা যাইতেছে। তৈলহীন রুক্ষ বিশৃঙ্খল চুল মৃতের চুলের মত বিবৰ্ণ; দ্বিপ্রহরের উত্তপ্ত বাতাসে সেগুলা বিভীষিকাময়ীর ধ্বজা-পতাকার মত উড়িতেছে। চোখে ক্ষুধার্ত লোলুপ দৃষ্টি। সারি সারি নারীর দল কলরব করিয়া উঠিল, আমাকে মাশায়, আমাকে মাশায়। ওদিকে কতকগুলি কঙ্কালসার পুরুষ, দীর্ঘ দেহ জীৰ্ণ হইয়া কুজ হইয়া পড়িয়াছে। শিবনাথ বিভ্রান্ত হইয়া গেল। পরনে কেবলমাত্র কৌপীন। তাহারাও সকলে শীর্ণ বাহু বাড়াইয়া চিৎকার করিয়া উঠিল, আমাকে মাশায়, আমাকে মাশায়। মাথার উপরে দগ্ধ বিবর্ণ আকাশ, মধ্যে ধূলিমাখা অগ্ন্যুত্তপ্ত বায়ুস্তর, নিম্নে মরুভূমির মত তৃষিত ধূসর ধরিত্রী, তাহার মধ্যে মানুষের এই রূপ মুহূর্তে তাহার চোখের উপর যেন মূর্ত হইয়া উঠিল আনন্দমঠের সেই মূর্তি—মা যাহা হইয়াছেন।

    শিবনাথ নতমস্তকে ভাবিতে ভাবিতে সেখান হইতে ফিরিল, কেমন করিয়া, কোন্ সাধনায় মাকে আত্মস্থ করিয়া, মা যাহা হইবেন—সেই মূর্তিতে প্রকটিত করা যায়! কোন্ সে মন্ত্ৰ!

    তাহার ইতিহাস মনে পড়িল, A long line of the poorest women of Paris, riotous with hunger and rage, screaming Bread! Bread! Bread! proceeded on—! কিন্তু ইহারা চিৎকার করিতেও পারে না। চিন্তা করিতে করিতে সে বোধ করি আপনার অজ্ঞাতসারেই বাড়ির ভিতর আসিয়া উপস্থিত হইল। দুরন্ত উত্তপ্ত দ্বিপ্রহরে গৌরী ঘুমাইতেছে, রতন নিত্য তাহারাও ঘরের ভিতর আশ্ৰয় লইয়াছে। শুধু কয়টা কাক উচ্ছিষ্ট পাত্রগুলি লইয়া কলকল করিতেছে। শিবনাথ বারান্দায় বসিয়া রৌদ্রদগ্ধ আকাশের দিকে চাহিয়া ওই কথাই ভাবিতেছিল। গভর্নমেন্টের কাছে আবেদন করা বৃথা। যুদ্ধের জন্য সরকার হইতেই ওয়ার লোন ঘোষিত হইয়াছে। তোমা সবাকার ঘরে ঘরে আমার ভাণ্ডার আছে ভরে—এই একমাত্র পথ।

    আচ্ছা, দেশের লোক এই রোদে গরমে ঘরের মধ্যে দরজা-জানালা বন্ধ করে বসে রয়েছে, আর তোমার এ কী ধারা বল তো? ভাল মানুষ কিন্তু তুমি! সারাটা দুপুর এই রোদে এবাড়ি আর ও-বাড়ি! আর দরজা নিয়ে হুট আর হাট!

    শিবনাথ মুখ ফিরাইয়া চাহিয়া দেখিল, দোতলায় সিঁড়ির মুখে দাঁড়াইয়া গৌরী। তাহার আবেশ ভাঙিয়া গেল, আত্মস্থ হইয়া গৌরীর মুখের দিকে চাহিয়া সে একটু হাসিল মাত্র, কোনো উত্তর দিল না। গৌরী এ নীরবতায় আহত না হইয়া পারিল না। শিবনাথ না বলিলেও সম্মুখের সঙ্কটের কথা সে জানে, শুনিয়াছে। প্রতিদিন সে প্রত্যাশা করে, শিবনাথ তাহাকে টাকার জন্য বলিবে। তাহার টাকা তো রহিয়াছে। শিবনাথের অবস্থার অনটনের আভাস পাইয়া তাহার কান্না আসে, আপনার পিতৃকুলের অবস্থার সঙ্গে, অন্যান্য বোনদের শ্বশুরবাড়ির অবস্থার সঙ্গে তাহার স্বামীর অবস্থার তুলনা করিয়া তাহার লজ্জা হয়। উপায় থাকিলেও শিবনাথ সে উপায় প্রত্যাখ্যান করে, সেজন্য তাহার ক্রোধ হয়। এও তো সে কোনোদিন বলে নাই যে, আমার টাকায় তোমার কোনো অধিকার নাই। আর তাহাকে এমন করিয়া গোপন করারই বা প্রয়োজন কী? শিবনাথের নীরবতায় তাই সে আহত না হইয়া পারিল না, বলিল, কথার একটা জবাবই দেন দেবতা। তাতে মান্যি ক্ষয় হবে না।

    কী বলব, বল? শিবনাথ আবার একটু হাসিল।

    কী বলবে? কেন, কী হল তোমার, তাই বলবে।

    হয় নি তো কিছু। কাজেই জিজ্ঞেস করছি, কী বলব?

    উঃ, খুব কথা ঢাকতে শিখেছ যা হোক! কিন্তু মুখের চেহারাটা এমন হল কেন, শুনি?

    ওটা রোদে ঘুরে ঘুরে হয়েছে।

    গৌরী একটু নীরব থাকিয়া বলিল, শাক দিয়ে কখনো মাছ ঢাকা যায় না, চেহারা চাপা দিলেও গন্ধে টের পাওয়া যায়, বুঝলে? শেষ পর্যন্ত সেই আমাকেই বলতে হবে সে আমি বেশ বুঝতে পারছি। তবে সময়ে বললে দোষ কী?

    শিবনাথ অপলক দৃষ্টিতে গৌরীর মুখের দিকে চাহিয়া রহিল। তাহার দৃষ্টিতে, কথায়, মুখের রেখায় কোথাও কি এতটুকু স্নেহ লুকাইয়া নাই? গৌরী সে দৃষ্টির সম্মুখে অস্বস্তি বোধ করিল, বলিল, অমন করে তুমি চেয়ে থেকো না বাপু। ওই এক কী ধারার চাউনি তোমার! আমি জানি, চৈত্র মাসে লাটের টাকা দেওয়া হয় নি বলে মহাল সব নিলেমে উঠেছে। আমার কাছে কিন্তু সেই শেষ সময়ে গয়না কি টাকা চেয়ো না যেন; আমি দোব না, বলে রাখছি।

    শিবনাথ উত্তপ্ত হইয়া উঠিতেছিল, সে গম্ভীরভাবে বলিল, আমি তো তোমার কাছে চাই নি গৌরী।

    চাও নি, কিন্তু টাকা না হলেই চাইতে হবে তো?

    না।

    আহা, সে তো খুব সুখের কথা।-বলিয়া সে নিজের মনেই বোধ করি বলিল, মাগো, একেই বুঝি জমিদারি বলে! এ জমিদারি করার চেয়ে মুটেমজুর খেটে খাওয়া ভাল; জমিদারি, না জমাদারি!

    শিবনাথের আর সহ্য হইল না, সে কঠোর স্বরে বলিল, গৌরী!

    সমান তেজে গৌরী উত্তর দিল, কেন, ধরে মারবে নাকি?

    শিবনাথ কঠোর সংযমে আত্মসংবরণ করিয়া কাঠের মত দাঁড়াইয়া রহিল। গৌরী সহসা কেঁপাইয়া কেঁপাইয়া কাঁদিতে আরম্ভ করিল।

    ঠাঁকরুন!

    শিবনাথ দেখিল, দুয়ারের সম্মুখে দুর্ভিক্ষের প্রকটমূর্তি সেই খোনা মেয়েটা দাঁড়াইয়া ডাকিতেছে ঠাকরুন!

    নিত্য, রতন বোধ করি জাগিয়াও ঘরের মধ্যে বসিয়া ছিল, স্বামী-স্ত্রীর এই দ্বন্দ্বের মধ্যে বাহিরে আসিতে পারে নাই, এবার ওই মেয়েটার ডাকটাকেই উপলক্ষ করিয়া নিত্য দরজা খুলিয়া ঝঙ্কার দিয়া বলিল, কী, কী বটে কী তোর? দুপুরবেলাতেও রেহাই নাই বাবা? যত মড়া কি উদ্ধারণপুরের ঘাটে জড়ো, সব ভিখিরি কি এখানেই এসে জুটেছে! মেয়েটা ইহাতেও লজ্জা পাইল না, ভয় পাইল না, অনুনয় করিয়া বলিল, টুকচে অ্যাঁচার দাও ঠাকরুন পায়ে পঁড়ি।

    রতন বলিয়া উঠিল, হেঁকা নিগে জিভে, হেঁকা নিগে। পায় না দড়িমুড়ি, চায় মেঠাই মণ্ডা ছড়াছড়ি।

    সকলের আবির্ভাবে গৌরী চোখ মুছিয়া আত্মসংবরণ করিয়াছিল, সে বলিল, আহা একটু দাও রতন-ঠাকুরঝি; আহা, জিভ তো ওদেরও আছে।

    শিবনাথ বাহির হইয়া গেল।

    অন্দর হইতে বাহির হইয়া একটা বড় রাস্তা-ঘর অতিক্ৰম করিতে হয়, শিবনাথকে সেখানে থমকিয়া দাঁড়াইতে হইল। দরজার মুখেই কতকগুলি বোরকা-পরা মেয়ে দাঁড়াইয়া রহিয়াছে। মর্যাদাশালী মুসলমান-ঘরের স্ত্রীলোক, তাহাতে সন্দেহ নাই। এখানকার সাধারণ চাষীমুসলমানদের মেয়েরা তো বোরকা পরিয়া বাহির হয় না। কিন্তু এই ভয়ঙ্কর দ্বিপ্রহরে ইহারা কোথায় আসিয়াছেন, এখানেই বা দাঁড়াইয়া আছেন কেন? শিবনাথ ফিরিয়া বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করিবে অথবা নিত্যকে ডাকিবে ভাবিতেছিল, এমন সময় একটি মহিলা বোরকার একাংশ মোচন করিয়া বলিল, বাপ!

    শিবনাথ সসম্ভ্ৰমে বলিল, বলুন মা, আমাকে বলছেন? এই দুপুরে আপনারা কোথায় এসেছেন?

    বৃদ্ধা ঈষৎ হাসিয়া বলিল, এ ধূপের চেয়েও জ্বালায় জ্বলছি যি বেটা, আর এ সময় ভিন্ন। পথঘাট দিয়ে চলবারও যে যো নাই।—বলিয়া একটা পোটলা খুলিয়া কতকগুলি রুপার অলঙ্কার ও খানকয়েক সেকেলের জীর্ণ শাল বাহির করিয়া বলিল, জান বচাও বেটা, খোদা তোমার মঙ্গল করবেন। কচি বাচ্চারা না খেয়ে মরে যাবে বেটা, আর আমাদের দুশমনও বাগ মানছে না, পেট জ্বলে খাক হয়ে গেল বাপ। এ রেখে কিছু টাকা-দশটা টাকা আমাদের দাও বেটা।

    শিবনাথ স্তম্ভিত হইয়া গেল, চোখে তাহার জল আসিতেছিল। এই সময়ে খোনা মেয়েটা একটা পাতায় মুড়িয়া আচার লইয়া বাহির হইয়া গেল। চোখে তাহার লালসাব্যগ্র জ্বলজ্বলে দৃষ্টি। দৃষ্টি দিয়া লেহন করিতে করিতে সে চলিয়াছে, খাইলে যে ফুরাইয়া যাইবে!

    বৃদ্ধা মুসলমানী বলিল, বাপ!

    শিবনাথ বলিল, মা!

    জান বাঁচাতে পারবি বেটা? ভুখের ভাত দিতে পারবি মানিক?

    শিবনাথ বলিল, এগুলো আপনারা নিয়ে যান মা, আমি দশটা টাকা আপনাদের দিচ্ছি।

    মাত্র বারটি টাকা আজ তাহার মজুত আছে, কিন্তু সে না বলিতে পারিল না।

    বৃদ্ধা বলিল, বাপ, খোদা তোমার উপর বিশ থাকবেন, কিন্তু ওই শাল আমরা একদিন গায়ে দিতাম; ভিখ তো মাগতে পারব না মানিক।

    বেশ তো, আপনাদের হলে আমাকে দিয়ে যাবেন ফের।

    না বেটা, এমন বছরে কে বাঁচবে কে থাকবে, ঠিক তো কিছু নাই বাপ। দেনদার হয়ে গিয়ে খোদার দরবারে কী জবাব দিব বেটা? এগুলো তুমি রেখে দাও।

    শিবনাথ তাহাদের আহ্বান করিয়া অন্দরে লইয়া গিয়া সসম্ভ্ৰমে বসাইল।

    নিত্য বলিল, দাদাবাবু, বউদিদি বলছেন, উনি টাকা দিচ্ছেন এগুলো রেখে।

    শিবনাথ কোনো উত্তর দিল না, কিন্তু মুখে তাহার বিচিত্ৰ হাসি খেলিয়া গেল; গৌরী শুধু টাকাই বোঝে না, সুদও বোঝে, লাভ লোকসানে তাহার জ্ঞান টনটনে! সে টাকা দশটি বৃদ্ধার হাতে দিয়া বলিল, সুদ আমি নেব না মা, সুদ আপনাদের শাস্ত্রে নিষেধ, আমাদেরও পূর্বপুরুষদের নিষেধ আছে।

    বৃদ্ধার মুখে এতক্ষণে হাসি দেখা দিল, সে হাসিয়া বলিল, আচ্ছা বেটা, আচ্ছা। মঙ্গল হবে তোমার বাপ। আচ্ছা বাপ, তুমি বাহিরে চল থোড়া, আমরা বহুমার সঙ্গে একটু আলাপ করে নিই।

    শিবনাথ বাহিরে চলিয়া গেল। পথের উপর আবার আসিয়া দেখিল, ঠাকুরবাড়ির সম্মুখে ক্ষুধার্তের দল এখনও তেমনই গোলমাল করিতেছে। রাখাল সিং কেষ্ট সিং, কুরাম, সতীশ। কেহ এখনও ফেরে নাই, পথেও যতদূর দৃষ্টি যায় কাহাকেও দেখা যায় না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    নাগিনী কন্যার কাহিনী – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }