Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধাত্রী দেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প400 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. খাজনা আদায়ের ব্যবস্থা

    দ্বিপ্রহরে নায়েব ও গোমস্তাদের ডাকাইয়া খাজনা আদায়ের ব্যবস্থার বিষয় পিসিমা পরামর্শ করিতেছিলেন।

    নায়েব বলিলেন, সুদ না থাকাতেই প্রজাদের এই মতিগতি। তারা বুঝেছে, খাজনা দিলেই তো বেরিয়ে যাবে। যতদিন টাকাটা তারা নিজেরা খেলিয়ে নিতে পারে, তাই তাদের লাভ। ধরুন, এ বছর দিলেও সেই দশ টাকা দিতে হবে, দু বছর পরেও সেই দশ টাকা। আগে দিলেই এখানে লোকসান। মহলে সুদ চলতি করুন।

    পিসিমা বলিয়া উঠিলেন, ছি সিংমশায়!

    নায়েব মাথা চুলকাইতে চুলকাইতে বলিলেন, দোগাছি মহলের কাগজে প্রজাদের কারও চৌদ্দ কারও বিশ বছরের খাজনা বাকি। একজনের দেখলাম ছাপ্পান্ন বছরের খাজনা বাকি। সুদ না হলে—

    পিসিমা বাধা দিয়া বলিলেন, আর কখনও আপনি ও প্রস্তাব করবেন না সিংমশায়। বাপপিতামহ যা করেন নি, তা করা হতে পারে না। কিন্তু হরিশ, তোমার মহলে এমনধারা বাকি কেন?

    হরিশ বলিল, ছাপ্পান্ন বৎসর যার বাকি, তার খাজনা সামান্য, বছরে চার আনা করে। ওরা বলে, জমিদার যখন আসবেন, তখন একসঙ্গে হুজুরকে দোব—এই আমাদের নিয়ম। বহুদিন তো ওমহলে মালিক যান নি। শুনেছি,–বাবুর পিতামহ—আপনার পিতা-কর্তাবাবু গিয়েছিলেন।

    পিসিমা বলিলেন, হুঁ।

    তারপর কিছুক্ষণ চিন্তা করিয়া বলিলেন, খাজনা আদায় করতেই হবে। ধরে এনে বসিয়ে রেখে খাজনা আদায় কর। ফসল থাকলে আটক কর; খাজনা না দিলে ফসল তুলতে কি বেচতে দিও না। প্রত্যেক মৌজায় আর একজন করে চাপরাসীর বন্দোবস্ত করে দিন সিংমশায়। গোমস্তাদের বিদায় দেবার সময় আবার তাহাদিগকে বলিলেন, নাবালকের এস্টেট বলে ভয় করে কাজ কোরো না তোমরা। মালিক তোমাদের ঘুমিয়ে আছেন, বিপদে পড়ে ডাকলেই সাড়া পাবে।

    সকলে চলিয়া গেল। পিসিমা ভাবিতেছিলেন, শিবুকে একবার মহলে ঘুরাইয়া আনিলে হয়। মালিককে পাইলে গোমস্তাদের ভরসা বাড়ে, প্রজারাও মালিক পাইলে খুশি হয়। অনেক সময় অনাদায় বা প্রজা-বিদ্রোহের মধ্যে গোমস্তাদের চক্রান্ত থাকে। স্কুলের কোনো একটা ছুটি দেখিয়া দিনকয়েকের জন্য মাত্র। তিনি ঝিকে ডাকিয়া বলিলেন, নিত্য, শিবু কোথায় রে?

    নিত্য উপরের বারান্দা পরিষ্কার করিতেছিল, সে বলিল, দাদাবাবু নিকছেন পিসিমা।

    গোমস্তারা চলিয়া যাইতেই বউটি আসিয়া পিসিমার কোলের কাছে বসিয়া পড়িল। ফিক করিয়া হাসিয়া বলিল, ও পদ্য লিখছে পিসিমা।

    পিসিমা ভ্রূ কুঞ্চিত করিয়া বলিল, তুমি গিয়েছিলে বুঝি?

    বউ বলিল, আমাকে যে ডাকলে। পড়ে শোনালে আমাকে। অনেক লিখেছে পিসিমা। মায়ের নামে লিখেছে, সে কত কী—পারিজাত ফুল তব চরণের—এইসব!

    পিসিমা সাগ্রহে জিজ্ঞাসা করিলেন, আর কী লিখেছে?

    বউ বলিল, তারপর দেশ দেশ করে কত সব লিখেছে!

    পিসিমা বলিলেন, এইটি ওর মাথায় ঢোকালে ওর মা।

    বউ এদিক-ওদিক চাহিয়া বলিল, কাল সকালে যে দুজনে কথা হচ্ছিল সব। প্রজাদের দুর্দশা, সেই বিয়ের নজরের টাকা সব ফিরে দিতে হবে। হা পিসিমা, আপনাকে বলে নি, এক টাকা করে খাজনা ছেড়ে দিতে হবে?–

    পিসিমা কোনো উত্তর দিলেন না। আবার ফিক করিয়া হাসিয়া বউটি বলিয়া উঠিল, আমার নামেও পদ্য লিখেছে পিসিমা, আমাকে আবার লিখেছে সখি।—বলিয়া সে মুখে কাপড় চাপা দিয়া খিলখিল করিয়া হাসিয়া উঠিল। কিন্তু সে হাসি অকস্মাৎ স্তব্ধ হইয়া গেল। পিসিমার মুখের দিকে চাহিয়া সে ভয়ে বিবর্ণ হইয়া উঠিল। পিসিমাকে আর কিছু বলিতে তাহার সাহস হইল না। সে অতি সন্তৰ্পণে উঠিয়া দিদিমার বাড়ি পলাইয়া গেল।

     

    নিত্য ডাকিল, পিসিমা তোমায় ডাকছেন দাদাবাবু।

    শিবনাথ কবিতা লিখিতেছিল, বলিল, হুঁ।

    কিছুক্ষণ পরে সে বাহির হইয়া আসিল, বারান্দায় নিত্য তখনও কাজ করিতেছিল। শিবনাথ প্রশ্ন করিল, পিসিমা কোথায়?

    নিত্য একখানা কাপড় কুঁচাইয়া তুলিতেছিল, সে বলিল, নিচে দরদালানে।

    শিবু আবার প্রশ্ন করিল, গোমস্তারা সব চলে গেছে।

    নিত্য বলিল, হ্যাঁ।

    শিবনাথ তরতর করিয়া নিচে আসিয়া দরদালানে পিসিমার কোলের কাছে বসিয়া পড়িল। পিসিমা যেমন বসিয়াছিলেন, তেমনই বসিয়া রহিলেন, কোনো সাড়া দিলেন না। শিবনাথ তখনও কবিতা লেখার মেজাজেই ছিল, সে এত লক্ষ্য করিল না। সে বলিল, একটা কথা আছে পিসিমা।

    পিসিমা একটু যেন নড়িলেন। শিবনাথ বলিল, এবার আমার বিয়ের জন্যে সমস্ত প্রজাদের। এক টাকা করে খাজনা–

    পিসিমা বলিলেন, মাপ দিতে হবে?

    শিবু আশ্চর্য হইয়া পিসিমার মুখের দিকে চাহিল।

    অতি কঠিন কণ্ঠে পিসিমা বলিলেন, না, সে হয় না।

    তাঁহার চোখে অদ্ভুত দৃষ্টি, শিবু ভয়ে চোখ নামাইয়া লইল। পিসিমার চোখের সম্মুখে পৃথিবী অর্থহীন হইয়া গিয়াছে। শিবু মায়ের নামে পদ্য লিখিয়াছে, বধূর নামে লিখিয়াছে, আর তিনি কেউ নন! সমস্ত পৃথিবীটাই আজ মিথ্যা হইয়া যাইতেছে!

     

    বাড়ির সকলে সন্ত্রস্ত হইয়া উঠিল। শৈলজা-ঠাকুরানী যেন অপরিমিত কঠোর রুক্ষ গম্ভীর হইয়া উঠিয়াছেন। বিষয়-কর্মে কোনো পরামর্শ দেন না, কিন্তু পরামর্শ বা আদেশ না লইয়া কাজ করিলেও রক্ষা নাই। খাজনা মাফ হয় নাই, বরং শাসন-সূত্র কঠোর আকর্ষণে এমন হইয়া উঠিয়াছে যে, স্পর্শমাত্ৰেই যেন টঙ্কার দিয়া ওঠে; পৌষ-কিস্তিতে যে টাকা কম আদায় হইয়াছিল, চৈত্র-কিস্তিতে সে টাকা পূরণ হইয়া উঠিয়া আসিল। পূজায় এখন পিসিমার বেশি সময় অতিবাহিত হয়। সেই সময়টুকুই সর্বাপেক্ষা শঙ্কার সময়। এতটুকু শব্দ বা কথার সাড়া পাইলেই তিনি যেন ক্ষিপ্ত হইয়া ওঠেন, ভৎসনা-তিরস্কারের আর বাকি রাখেন না। বউটি ভয়ে শুকাইয়া উঠিয়াছে।

    সেদিন পূজার ফুলের থালা ঘঁড়িয়া ফেলিয়া দিয়া বলিলেন, এরই নাম ফুল বাছা? এই তোমার দুর্বো বাছা হয়েছে? শিবপুজোর বেলপাতায় চক্র রয়েছে।

    শিবনাথও সময়ে সময়ে বিদ্রোহ করিয়া ওঠে, তাহার সহিত কোনো কিছু বাধিলেই সে নিরস্তু উপবাস আরম্ভ করিয়া দেয়। একমাত্র শিবনাথের মা হাসিমুখে সম্মুখে দাঁড়াইয়া ছিলেন। সমস্ত কিছু অগ্নারের মধ্যে তিনি স্বেতবরনা গঙ্গার মত সুশীতল বক্ষ পাতিয়া দাঁড়াইলেন। সেখানে পড়িয়া অগ্নিকণাগুলি অঙ্গার হইয়া মিলাইয়া যাইত।

    সকল বিষয়েই পিসিমার অসন্তোষ। খাইতে বসিয়া আহার ফেলিয়া দিয়া উঠিয়া পড়েন। পান খাইবার সময়েও বিপদ বাড়িয়া ওঠে। পান মুখে করিয়া ফেলিয়া দিয়া বধূকে তিরস্কার করেন, কিছু শেখ নি মা তুমি? এর নাম পান সাজা? ছি ছি, কাল থেকে পান আর খাব না আমি, তুমি যদি পান সাজ।

    এদিকে বধূটিকে লইয়া বিপদ বাড়িয়া উঠিল। সে ক্রমাগতই দিদিমার বাড়ি যাইতে আরম্ভ করিল। বাঁড়ুজ্জেদের খিড়কির পুকুরের পশ্চিম পাড়ের বাড়িগুলির মধ্যে একটা গলি দিয়া সহজেই নান্তির মামার বাড়ি যাওয়া যায়। কিন্তু গলিপথটা আবর্জনাময়, ঘাটে যাইবার অবকাশ পাইলেই সে সেই পথে পলাইয়া যায়।

    ক্ৰমে ক্ৰমে শিবনাথের মার হাসির সেই মাধুর্য যেন শান্ত হইয়া আসিতেছিল। পিসিমার উত্তাপ ধীরে ধীরে শীতল হইতেছিল।

    জ্যৈষ্ঠ মাস। প্রখর রৌদ্ৰে সমস্ত যেন পুড়িয়া যাইতেছিল, আকাশের নিলীমা বিবর্ণ হইয়া গিয়াছে। খাওয়াদাওয়ার পর সকলে রুদ্ধ ঘরের মধ্যে ঘুমাইয়া আছে। হুট করিয়া পিসিমার ঘরের

    দরজাটা খুলিয়া বউটি বাহির হইয়া আসিল।

    কিছুক্ষণ পরে নিঃশব্দে দরজাটা খুলিয়া পিসিমাও বাহির হইয়া এ দরজা, ও দরজা, খিড়কির দরজা দেখিয়া একটু বিস্মিত হইয়া পঁড়াইয়া রহিলেন। দরজাগুলি ভিতর হইতে বন্ধ; কাহারও বাহিরে যাওয়ার লক্ষণ পাওয়া গেল না।

    তিনি ধীরে ধীরে উপরে উঠিয়া গেলেন। শিবুর ঘরের জানালার একটা ছিদ্ৰ দিয়া দেখিলেন, বধূ শিবনাথের কাছেই রহিয়াছে।

    শিবনাথ তাহাকে আদর করিতেছে, আর সে কাঁদিতে কাঁদিতে বলিতেছে, গোবরডাঙার বাবুদের বাড়িতে বিয়ে হলে এ জ্বালা হত না। দিনরাত পিসিমা বকছে আমায়। দিদিমাও বলছিল তাই।

    শিবনাথ মুখ মুছাইয়া সান্ত্বনা দিয়া বলিল, আজ আবার একটা কবিতা লিখেছি, শোন।

    বধূর মুখে হাসি দেখা দিল, সে বলিল, পড়, পড়, তুমি বেশ পড় কিন্তু।

    শিবনাথ পড়িতে আরম্ভ করিল–

    শৈশব সাধ তুই, কাহিনীর কন্যা,
    তোর হাসিতে মানিক ঝরে, মতি-ঝরা কান্না।

    বউ হাসিয়া বলিল, কার, আমার?—বলিয়া শিবনাথের গায়ে হাসিয়া ঢলিয়া পড়িল। শিবনাথ চট করিয়া তাহার মুখে চুম্বন করিয়া বসিল। নান্তি মুখ মুছিতে মুছিতে বলিল, কী রকম ভাত-ভাত গন্ধ তোমার মুখে। পান খাও না কেন?

    শিবু বলিল, তুমি দাও না কেন?

    বউ বলিল, খাবে?

    শিবু সাগ্রহে বলিল, দাও। কে, কে?

    কাহার পদধ্বনি বারান্দায় ধ্বনিত হইয়া সিঁড়ির মুখে মিলাইয়া গেল। উভয়ে উভয়ের মুখের দিকে উকণ্ঠিতভাবে চাহিয়া রহিল। নিচে বারান্দায় পিসিমা ডাকিলেন, নিত্য, নিত্য।

    নান্তি সভয়ে জিব কাটিয়া ত্রস্তপদে নিচে গিয়া দরদালানে কৃত্রিম ঘুমে বিভোর হইয়া পড়িয়া রহিল।

    সমস্ত অপরাহুটা শিবুর বুক গুরগুর করিতেছিল। কিন্তু বেশ শান্তভাবেই কাটিয়া গেল। রাত্রে বৈঠকখানায় সে পড়িতেছে, এমন সময় নিত্য-ঝি আসিয়া ডাকিল, দাদাবাবু, দাদাবাবু, শিগগির আসুন। পিসিমার ফিট হয়েছে।

    শিবু ব্যাকুলভাবে প্রশ্ন করিল, কী করে?

    শুয়েছিলেন, মা ডাকতে গিয়ে দেখেন, জ্ঞান নেই, দাতি লেগে গিয়েছে।

    কেষ্ট সিং কোথায় গেল? নায়েববাবু, ডাক্তারকে ডাকতে হবে যে?

    দূরদালানের ঘরে পিসিমা নিথর অবস্থায় পড়িয়াছিলেন। শ্বাস-প্রশ্বাস অতি মৃদু। শিবনাথের মা নিজে মাথায় ও মুখে-চোখে জলসিঞ্চন করিতেছিলেন। নিত্য বাতাস করিতেছে। শিবনাথ উৎকণ্ঠিত বিবৰ্ণ মুখে কাছে বসিয়া আছে।

    ডাক্তার নাড়ি দেখিয়া প্রশ্ন করিল, হঠাৎ এ রকম কেন হল? কখনও কখনও কি এ রকম হয়?

    শিবনাথের মা বলিলেন, না। আজ পনের বছরের মধ্যে হয় নি। তবে পনের বছর আগে ফিটের ব্যারাম ছিল ঠাকুরঝির। এক দিনে এক বিছানায় ওর স্বামী আর ছেলে মারা গিয়ে এ অসুখ হয়েছিল। তারপর শিবু হল, সে আজ পনের বছর। শিবুকে পেয়ে–

    পিসিমা একটা গভীর দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া অল্প একটু নড়িলেন।

    শিবনাথের মা ডাকিলেন, ঠাকুরঝি।

    ক্লান্ত মৃদুস্বরে পিসিমা সাড়া দিলেন, যাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গল্পসমগ্র – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    হাঁসুলী বাঁকের উপকথা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    রাইকমল – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    চৈতালী-ঘূর্ণি – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    গণদেবতা – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    নাগিনী কন্যার কাহিনী – তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 23, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }