Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর

    তমোঘ্ন নস্কর এক পাতা গল্প196 Mins Read0
    ⤷

    ধুন্ধুমার – প্রথম দিকের কথা

    প্রথম দিকের কথা

    সামনের তিরন্দাজ বাহিনীকে পিছিয়ে আসতে বললেন বিশেণ। এবারে শার্ঙ্গধর বিশেষ পায়নে তৈরি তীরগুলিকে ব্যবহার করতে হবে। কুলকুরি বা ধুন্ধুগড় অবস্থানগতভাবেই দুর্গম। গিরিবর্ত্মের মাঝে এই দুর্গম দুর্গ অধিগ্রহণ করা অসম্ভব কিন্তু কুবলায়শ্ব দুর্জয় পুরুষ, আজকে এই দুর্গ তিনি দখল করবেনই। তার চাইতে বড় কথা এ অসুরকে বধ করা প্রয়োজন। সূর্যবংশী বা ইক্ষ্বাকু বংশের কুল গুরু হন বশিষ্ঠ অথচ কি ধৃষ্টতা বশিষ্ঠ-র* সাথে অসীম বা ধুন্ধু বিরোধ করে। আসলে এ বিরোধ, সত্যের বিরুদ্ধে অহংকারের। একে না জিতলে ইক্ষ্বাকু বংশের সমূহ সর্বনাশ। কারণ ইক্ষ্বাকুই এখন মানবকুলের ত্রাতা।

    দেবতাদের ভোগ পৌঁছানোর আর কোনো উপায় থাকবে না। অসুরেরা যেদিন থেকে সপ্ত পাতালের অধিকার পেয়েছে প্রেত, যক্ষ, পিশাচ, সর্প সবাই তাদের আধিপত্য স্বীকার করে নিয়েছে কেবল মাত্র মানুষ ছাড়া। সেক্ষেত্রে এ যুদ্ধে পরাজয় হলে সমগ্র মনুষ্যজাতির সমূহ সর্বনাশ। আর তা ছাড়া বশিষ্ঠ তাদের জন্য অনেক করেছেন। কিন্তু এ যুদ্ধ জেতা প্রায় অসম্ভব অসুরেরা ক্রমশই তামসিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে উঠছে। যাদুবিদ্যা ও মায়ায় তাদের সাথে পেরে ওঠা মুস্কিল। তবে আশার কথা একটাই কুরুওকের গণনা বলছে এই বংশের-ই এখন থেকে ৪৭ তম পুরুষ শ্রেষ্ঠ পুরুষ হবে, অতএব বংশগতি বিনাশের ভয় নেই। কারণ ৪৭-তম পুরুষকে যে আসতে হবে। বংশ শেষ হলে সে আসবে কোথা থেকে।

    আর ভাবতে পারল না বিশেণ। কুবলয়াশ্ব তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। স্ফটিক এ চোখ রেখে কুবলয় বললেন সামনে যা দেখতে পাচ্ছি তাতে আমাদের খোঁজ সঠিক। ধুন্ধু এর প্রথম অবরোধ শৃঙ্গ ও কুব্জ। ভালো করে নিরীক্ষণ করো স্ফটিকটা নিয়ে… সত্যিই তাই সামনের অবরোধের চেহারা অনেকটা বৃষের ন্যায়। তার দুটি শৃঙ্গ আকৃতির শীর্ষে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র বসানো আছে। সম্মুখভাগ বৃষের মুখের ন্যায় প্রলম্বিত সেখানে একটি বৃহৎ কটাহ। এই কটাহে ফুটন্ত তৈল রয়েছে নীচে আমাদের বাহিনী গেলেই ওরা তৈল নিক্ষেপ শুরু করবে। আরেকটু ভালো করে দেখো, দুই শৃঙ্গের মধ্যভাগে কুব্জটি পরিলক্ষিত হচ্ছে। কুব্জ বিন্দুটিই সবচাইতে দুর্মদ অবস্থান। একেবারে কেন্দ্রে অবস্থান করছে। আমার বিশ্বাস ওখানে বসানো ক্ষেপণাস্ত্রটি দূরপাল্লার। সামান্য লৌহ খণ্ড নয় বরং ভারী প্রস্তরখণ্ড ক্ষেপণে সক্ষম।

    —”তাহলে জয় কি অসম্ভব?”

    —”না জয় সম্ভব তার জন্য আমাদের পন্থা বদল করতে হবে। আমাদেরকে ভাবতে হবে কীভাবে আমরা লড়াই দিতে পারি। তবে প্রথমে আমাদের এই প্রথম অবরোধের বৃষটিকে ভেদ করতে হবে।”

    এমন সময় সংকেত শোনা গেল। স্ফটিকে চোখ রেখেই দেখল, দুটি শকট এসে থেমেছে পাকদণ্ডির মুখে। চালকদ্বয় রক্তবর্ণ কাপড়ে নিজেদের আপাদমস্তক ঢেকে রেখেছে। ঝটতি বাহনে উঠে সেদিকে অশ্বকে চালিত করল কুবলয়াশ্ব। কুবলয়-কে নামতে দেখেই তারা নতজানু হয়ে বসল।

    মুখের অবগুন্ঠন সরাতেই প্রকাশ পেল আগন্তুকদের মুখ। সর্বনাশ, অসুর! কুবলয়ের সাথে কিছু ঘটতে পারে ভেবে তীর বেগে বাহন নিয়ে কুবলয়ের পিছে নীচে নেমে এলেন বিশেণ আর উঘনি উসনি তার সহযোদ্ধা যোগ্য সহধর্মিণী!

    মৃদু হেসে এগিয়ে এলেন কুবলয়াশ্ব বললেন ”এরা মায়া ও কায়া”। অসুরদের মায়ার সাথে লড়তে গেলে মায়াই তো দরকার। ব্যূহে ধুন্ধুর অবস্থান ও তাড়ন পদ্ধতি জানতে হবে। মনে রেখো, ধুন্ধু কিন্তু সাক্ষাৎ মায়া। কোনো সাধারণ অসুর নয়। মানুষের কাম, ক্রোধ, বাসনা নিয়ে ধন্দ সৃষ্টি করতে পারে বলেই সে ধুন্ধু। আর তাই সে অসীম।

    আরেক বিষয় চিন্তা করেছি, এই ব্যূহ ভেদ করতে হলে আমাদেরকে দূরপাল্লার শর নিক্ষেপ করতে হবে। আমাদের দ্বারা প্রস্তুত শরগুলি বহুদূর ছোটার জন্য পলকা। তদুপরি এই পাথরের ফাঁকফোকর দিয়েই যাবে। সেক্ষেত্রে পাথরের গাত্রে ঘর্ষণে তার সংহারক শক্তি অনেকখানি হ্রাস পাবে তাই আমাদেরকে বিশেষ কিছু ভাবতেই হত।

    এরা এই শকটে এনেছে এক বিশেষ শর ও রাসায়নিক। যার পায়ন আমরা শিখিনি। কেবল অসুররাই পারে। আকন্দের আটা, হুড়ুবিষাণ (মেষশৃঙ্গ), কয়লা, পায়রা ও ইঁদুরের বিষ্ঠা একত্র করে তেল মাখিয়ে শস্ত্রের ধারে প্রলেপ দিয়ে তারপর তাকে হস্তি, অশ্বদুগ্ধ ও শিশ্ন তরলের মিশ্রণ দ্বারা পান দেওয়া। তারপর তাতে মিশ্রিত হয়েছে কুহক, কালীয় ও শঙ্খ নাগের বিষ। এ শর সাক্ষাৎ মৃত্যুদূত। পরিবর্তে এরা চায় ধুন্ধু বধ হলে, এরা মহাতল, সুতল ও রসাতলের স্বায়ত্তশাসনাধিকার।

    ১৮৫ খ্রীস্টপূর্বাব্দ

    আকাশ ভেঙে পড়েছে দুর্যোগে। শেষ গ্রীষ্মের এ দুর্যোগের রাত উপভোগের। শ্রেষ্ঠীরা উপভোগ করে নগরনটীদের ক্রোড়ে শুয়ে, আর সাধারণ প্রজারা স্ত্রীর গ্রীবা বেষ্টন করে। ঘুম নেই কেবল একজনের চোখে। সে পৌঁছেও গেছে তার গন্তব্যে।

    পর্বত গাত্রে অন্ধকার এক গুহার সামনে দাঁড়িয়ে কাঁপছেন বৃষস্কন্ধ মধ্যবয়স্ক মানুষটি। তার বেণী বাঁধা চুল খুলে গিয়ে মুখ চাপা পড়েছে। আজ রাতের অন্ধকার যেন তাকে আড়াল করবার জন্যই। কিচ্ছুটি বোঝা যায়না। কেবল বিদ্যুৎ ঝলকালে কোমরের তরবারির হাতলের পান্নাটা ঝিকিয়ে ওঠে শ্বাপদের চোখের মতো। ভিতরে ঢুকলেন তিনি।

    আবছায়া আলো-আঁধারিতে স্তম্ভাকৃতি নয়টি ছায়া দেখা যায়। ঢুকতেই গমগমে স্বর ভেসে এল। আসুন, বিদিশা শ্রেষ্ঠ।

    মাথা তুলতে গেলেন আগন্তুক কিন্তু মনে হল, মাথার উপর স্বচ্ছ চাঁদোয়ার ন্যায় কিছু আছে। মাথা তোলাই যায় না। ঘাড় নিচু হয়েই থাকে। সেভাবেই বললেন, ”মার্জনা করবেন, বিদিশা আমার পরিচয় নয় আমার পরিচয় আমি মগধের সেনাপ্রধান…”

    কথা আটকে গেল। কোথাও থেকে ভেসে এল স্বর। কাঁপাকাঁপা নারী কণ্ঠ। এ স্বর রাজবাটীর সবাই চেনে। প্রধানা দাসী জম্ভৃ-র কণ্ঠস্বর—

    ‘রাজাকে এর জন্য মহিষীকে আলাদা ঘরে রাখতে হবে সেই স্থান থাকবে সবার নজরের বাইরে পর্বত এর গাত্রে। ঋতুমতি পট্টদেবির সাথে লিপ্ত হতে চান তিনি …..’

    যখন সেই কথা শেষ হল। তার মাথার উপর থেকে যে স্বচ্ছ অবরোধের চাপ সরে গেছে। উজ্জ্বল আলোয় ভরে গেছে গুহা, তিনি দেখতে পাচ্ছেন তাঁদের।

    আবার ভেসে এল সেই স্বর— মনে রেখো, এটা বিশ্বাসঘাতকতা নয়, মানুষের স্বার্থ — সমতার স্বার্থ। এর বাইরে কিছু নেই। এটুকু তো করতেই হবে। শুধু তোমার দ্বিধা কাটানোর জন্যই রাজদাসীর স্বরকে বিশেষ পদ্ধতিতে ধরে এনেছি। অনেকখানি শক্তি খরচ করতে হয়েছে।

    * * *

    কয়েকদিন পরে দেশজুড়ে এক প্রচণ্ড রাজদ্রোহ হয়। এই রাজদ্রোহকে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের উত্থান বলে দাগিয়ে দেওয়া হয় ইতিহাসে। শেষ মৌর্যকুলপতিকে পূজা কালে মন্দির সোপানে হত্যা করেন তারই ব্রাহ্মণ সেনাপতি; পুষ্যমিত্র শুঙ্গ। সবাই একে বৌদ্ধ-ব্রাহ্মণ বিরোধ বলেই চেনে কিন্তু যে বৃহত্তর স্বার্থ পর্দার পিছনে রইল তা কেউ জানেনা। সম্রাট অশোক না থেকেও আরও একবার রক্ষা করে গেলেন।

    পুষ্যমিত্র বুঝেছিলেন, অন্যায় লাগাম ছাড়ালে তাঁরা আছেন। তাদের কাছে কোনো ধর্ম ভেদ ছিলনা, স্বার্থ, পরিবার, আপন-পর ছিল না। ছিল মনুষ্য ধর্ম আর সমতা। সেই সমতার কাছে পরিবার, সন্তান ও কিছু নয়।

    কেউ জানতেই পারল না যে মন্দিরের সোপানে রাজা বৃহদ্রথ-র বলিদান হল, সেই মন্দিরে চিরতরে চাপা দিয়ে দেওয়া হল এক সাংঘাতিক শক্তিকে। অনন্ত লোভ, অনন্ত ভোগ আর ক্ষমতার আশায় এক মহাশক্তিকে জাগাতে চেয়েছিলেন বৃহদ্রথ।

    মাসাধিক কাল পর

    সেদিনের সেই গুহায় আজ এক নতুন আগন্তুক। সেই নরস্তম্ভের মধ্যমটি নড়ে উঠল। গমগম করে উঠল স্বর।

    —বলো, কি সংবাদ?

    আগন্তুক— কার্য সম্পাদন হয়েছে প্রভু। বার বারিকম (বর্তমান করাচী) ও আরকেমেডু (বর্তমান পণ্ডিচেরী)তে ভূকম্প ও জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছিল ওর মায়া। কিন্তু আমরা পেয়েছি। তবে…

    —তবে?

    আগন্তুক— আমার সাথীদের ফিরিয়ে আনতে পারিনি। জলপোতে একমাত্র আমিই পৌঁছুতে পেরেছিলাম মূর্তিটি নিয়ে। আমাকে আড়াল দিতে গিয়েই ওরা…

    মাথা নীচু করে নিল আগন্তুক। একটা দীর্ঘশ্বাস হাহাকারের মতো ছড়িয়ে পড়ল। সেই ন’টা ছায়া আস্তে আস্তে অন্তর্হিত হল। এবার বিশ্রাম।

    পটভূমি আফ্রিকা। ১৪৩৮

    বনের প্রান্তে চিরআপকা আর তার ভাই বসে পশুর মল পুড়িয়ে নুন তৈরি করছিল। মাম্বোর রাজদরবারে এই নুনের দারুণ চাহিদা। আচমকাই একটা শব্দে পিছন ফিরল দুই ভাই।

    সিভিকরো (আত্মা-পুরোহিত) সাবধান করেছিল এই রাত্রে কাজের ব্যাপারে। এই সময়টা নতুন ফসল তোলার পর রাজ্যের প্রায় সর্বত্রই আগুন নিভিয়ে দেয়া হয়। আগুন জ্বলে কেবল রাজদরবারের চিরস্থায়ী অগ্নিকুণ্ডে। আগুন জ্বালাতে হলে এই অগ্নিকুণ্ড থেকেই মশাল জ্বালাতে হবে। অবশ্য কাজের জন্য কেউ কেউ নিজের চকমকি ঠুকে আগুন জ্বালানোর সম্মতি পায়, যেমনটা তারা পেয়েছে। কিন্তু সিভিকরো বলেছে এই গভীর ঘন অন্ধকারে তারা নেমে আসে। আলো তাদের আকৃষ্ট করে। আলোর দিকেই তারা ছুটে আসে। তাই এই সময়টা কাজ না করাই বিধেয়।

    ঝোপটা নড়ে উঠল দুবার আর তার পরেই আকাশ ফাটিয়ে সেই চিৎকার…. সেদিন নাভাহানার ঘরে সবাই চমকে উঠেছিল সেই প্রচণ্ড অমানুষিক চিৎকারে।

    রাজদরবারে মাশোনা উপজাতিদের যোদ্ধারা কেঁপে উঠেছিল অস্ত্র হাতে। খোলা চত্বরে ভয়ংকর হায়েনার দলকে দেখেছিল সে রাতে। তাদের ঘিরে পাক খেতে। জ্বলন্ত কয়লার মতো চোখ, কষ বেয়ে লালা নামছে, দগদগে গায়ে টকটকে বাদামী লোম। তাদের মাথার ওপর ভয়ানক শব্দে গোঁ গোঁ কালো ভ্রমরার দল। এ হায়েনারা পৃথিবীর নয়, নাহলে মাম্বোর ‘এম্বারি’ মন্দিরের এত কাছে তারা আসে কী করে?

    ওদিকে মবাংগা মানে রাজা আজ গভীর রাতে একা বেরিয়ে গেছেন। এ কোন অশনি কে জানে?

    এক বান্টু শিশুকে শোয়ানো আছে, এক আধা-অন্ধকার খড়ের ঘরে। ঘরের ভিতরটা অদ্ভুত কালচে। দেওয়ালের মাটিতে ছাই লেপে কালচে করা হয়েছে। যাতে প্রদীপের আলো খেয়ে নিতে পারে দেওয়াল। সামান্যই প্রতিফলিত হয়।

    অদ্ভুতভাবে সেই আলো-আঁধারির মাঝে মাথা নাড়ছে অর্ধনগ্ন এক মানুষ। সেই সাথে তার জট পাকানো চুলগুলো অদ্ভুত ভাবে পাক খাচ্ছে ঘূর্ণির মতো। কি এক প্রচণ্ড অশৈলী যেন ঘটতে চলেছে।

    শিশুটি কেঁদে কেঁদে এলিয়ে পড়েছে। কেঁপে কেঁপে ফুঁপানোর আওয়াজ আসছে। আচমকাই সরসর আওয়াজ উঠল ঘরের কোণে। শিশুটার গোঙানি থেমে গেল। ঘরের পরিবেশ কেমন যেন বদলাতে শুরু করেছে।

    সরু সুতোর মতো একটা কিছু বেরিয়ে এলো ঘরের অন্ধকার কোণ থেকে। আস্তে আস্তে প্রদীপের আলোয় স্পষ্ট হল চেহারাটা। একটি কালো সর্প! ফোঁস করলে ছোবল ঝোলাল। এই দেখা গেল তার পূর্ণাবয়ব। তার জিহ্বা চেরা নয়, জোড়া! অদ্ভুত কালচে সেই জিহ্বার রং। সর্পের নীলচে চোখদুটি ছাড়া সবই কালো। দেখলেই শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়, একি আদৌ সর্প! নাকি কোন…..

    বেরিয়ে এসেই অদ্ভুত ভঙ্গিতে মাথা দোলাতে লাগল সর্পটি। যেন হাত বাড়িয়ে কিছু পেতে চাইছে। অর্ধনগ্ন সাংগোমা (উপাসক) ছুরি হাতে উঠে গেলেন শিশুটির দিকে। শিশুটির নাকের কাছে ঝিকিয়ে উঠল সাদা বিদ্যুতের ঝিলিক আর তারপরেই একটা প্রচণ্ড আর্তনাদ আর গোঙানিতে ভরে গেল ঘরটা।

    টপ করে সেই সর্পের সামনে শিশুটির কর্তিত নাকের টুকরোটা ফেলে দিলেন উপাসক! বুভুক্ষুর মতো আছড়ে পড়ল সাপটা। না ছোবল নয়, যদি কেউ দেখত শিউরে উঠত। চকচকে দাঁতের ফাঁকে তুলে নিল মাংসের টুকরোটা, যেন কোনো খাদ্যবস্তু। দাঁতের কষ বেয়ে নেমে এল বুদবুদের মতো ফেনা ফোঁটাফোঁটা হয়ে ঝড়ে পড়ল মাটিতে। সাপটি অদৃশ্য হয়ে গেল আঁধারের কোণে। আর তারপরেই ঝাঁকেঝাঁকে বেরিয়ে এল সাপের দল। ঝাঁপিয়ে পড়ল শিশুটির ওপর। আর্তনাদ আর হিসহিসে ভরে গেল ঘরটা। উপাসকের ঠোঁটে ফুটে উঠল কুটিল হাসি।

    ঘরের অপর কোণের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘দেবতা আপনার ভোগ গ্রহণ করেছেন মাম্বো। এবার নিশ্চিন্ত মনে কার্যসিদ্ধি করুন আপনার হয়ে দেবতা লড়াই করবেন।’ এতক্ষণ বোঝা যায়নি ঘরের কোণে জমাট অন্ধকারে একজন স্থাণুর মতো দাঁড়িয়েছিল। এবার সেই অন্ধকারটা নাড়াচাড়া করল। আস্তে আস্তে প্রদীপের আলোর বৃত্তের মধ্যে এসে দাঁড়ালেন একজন। আপাদমস্তক স্বর্ণালঙ্কারে ভরে আছে তাঁর শরীর। হাতে হাতির দাঁতের কারুকার্যমণ্ডিত তরবারি। এটাই গুরুহাস্যার মাম্বোর রাজদণ্ড, রাজার চিহ্ন। কিন্তু কেউই দেখল না পুরো ঘরটা ছেয়ে আছে ধোঁয়া ধোঁয়া একটা তিন মাথাওলা ছায়ায়। সে ছায়া দেখলে অতি সাহসী ও কেঁপে ওঠে।

    কয়েকদিন পর একদিন খুব ভোরে দেখা গেল। জাম্বোসি নদীর গা বেয়ে ডান্ডি অঞ্চলে পঙ্গপালের মতো মাশোনা সৈন্যরা ভিড় করেছে। তাদের টিনের শিরস্ত্রাণ, চকচকে বর্শা ঝিকিয়ে উঠছে রোদে। সর্বাগ্রে সেদিনের সেই মূর্তি। কুঁড়েতে হাতির দাঁতের হাতলের তরবারি হাতে সেই মানুষটা। পার্থক্যের মধ্যে আজ তাঁর গায়ে তামার ভারী বর্ম। মাথায় বাজের নয় শকুনের পালক, মৃত্যদূতের সাজ। তাদের মুখে একটাই ধ্বনি ‘এনডেন্ডে ডান্ডি-লবণ আনতে ডান্ডি চলো।’ আসলে মানুষ যখন পশুর মাংস পুড়িয়ে খাওয়া বা সেদ্ধ করা খাবার থেকে ক্রমশ সরে আসছিল শস্যজাত খাবারের দিকে, তখন ক্রমশই নুনের চাহিদা বাড়ছিল। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে শস্যজাত খাবারের চাহিদা ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পায়। পশুর মল পুড়িয়ে যেটুকু লবণ পাওয়া যায় তাতে আর যাই হোক চাহিদা পূরণ হয়না ঠিক সেই সময় খবর পাওয়া যায়, জাম্বোসী পাড়ে টোঙ্গা আর টাভারো গোষ্ঠীর গ্রাম ডান্ডি-তে লবণের পশরা বসে আর এই পশরা নিয়ে আসেন আরব ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এই লড়াই সহজ ছিল না আর বিদেশ খাঁটি ইস্পাতের বাঁকানো তরবারিকে বেশি ভয় পেত মাশোনারা। সম্মুখযুদ্ধে এই তরবারি প্রাণঘাতী। আর তাই সেদিন সবার অলক্ষ্যে গভীর রাতে গিয়েছিলেন দেবতাকে জাগাতে। মৃত্যু দেবতা, যুদ্ধের দেবতা সেই অপশক্তিকে। লিম্পো থেকে জাম্বোসী, কিলাওয়া থেকে মোম্বাসা সর্বত্রই ফিসফিস করে সেই দেবতার কাহিনি।

    ধমধম ধমধম…. প্রচণ্ড শব্দে বেজে উঠল শতশত ‘কাগার কুতে’ বা রণ দামামা। ঝাঁপিয়ে পড়ল মোশানা সৈনিকের দল। খড়কুটোর মতো উড়ে গেল প্রতিপক্ষ। ইতিহাস এই রক্তাক্ত যুদ্ধকে বুকে ধরে রেখে দিয়েছে ‘ডান্ডি যুদ্ধ’ নাম দিয়ে। সামান্য লবণ-এর জন্য সেদিন সহস্র মানুষের রক্ত লাল হয়েছিল জাম্বোসীর জল। সেই রন্দাল (কুঁড়ে)তে সেদিন যে বিভীষণকে জাগিয়েছিল মাম্বো মুতোতা তার খিদে তখনও মেটেনি। এ তো ছিল প্রাতরাশ মাত্র।

    তারপর কেটে গেছে বেশ কয়েকবছর গুরুহাস্যা রাজ্য সেই রাজ্য আজ সুবিশাল ‘মনোমোতোপো’ সাম্রাজ্য নাম পেয়েছে। মুয়ানে অর্থাৎ লুঠেরা আর মুতাপা অর্থাৎ দল। সেদিনের সেই ডান্ডির অভিযান পূর্ব ও দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রতিষ্ঠিত করল এক শক্তিকে।

    এই যুদ্ধে যে বীভৎসতা সে সময়ে সভ্যতা পরিলক্ষিত করেছিল তা বোধহয় অন্য কোনো যুদ্ধে দেখা যায়নি। ঢাল, তরোয়াল, বল্লম-এর মতো সাধারণ অস্ত্র নিয়ে দুই আদিম জাতির যুদ্ধ অথচ নৃশংসতা পরতে পরতে। সেই যুদ্ধের বীভৎসতা যেন বলে দিচ্ছিল কোনো এক শক্তিশালী শক্তির অথবা কোনো এক অশনির। যেন এক ভীষণ শক্তি তাকে জানান দিতে চাইছে। যার চোখ ছিল সে দেখেছে যার বোঝার ছিল সে বুঝেছে।

    মনোমাতোপা বংশের বৃহত্তর গণবলির সূত্রপাত ছিল এই। সেই সাথে দঃ আফ্রিকার দূরাবস্থা।

    —

    * বশিষ্ট ও আশা-বশিষ্ট (সমান্তরাল তত্ত্ব-জেন্দাবেস্থা) আসমোদাসকে আশা-বশিষ্ট ভাবা হচ্ছে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Next Article ইসলাম ও আধুনিকতা – মরিয়ম জামিলা
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }