Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর

    তমোঘ্ন নস্কর এক পাতা গল্প196 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পঞ্চাশ বছর পরের কথা

    বছর পঞ্চাশ পর, ২০০১ সাল

    ড্যাডা, তার মানে কি আমার এতদিনের পড়াশোনা, জার্মানি যাওয়া, এতগুলো বছর খরচা করা সব বেকার যাবে? তুমি বলে ভুলে যাচ্ছ ড্যাডা, আমি কারো তদ্বিরে যাইনি রীতিমতো একজাম ক্লিয়ার করে তবেই গিয়েছিলাম। এখন তুমি যদি আমাকে এক্সপোজার না দাও তাহলে ব্যবসা বাড়বে কিভাবে? আমার এত কন্টাক্টস বানালাম ইউরোপে, সব তো বেকার যাবে।

    প্লিজ ড্যাডা, আমার কথাটা শোনো সবদেশে এখন ব্যবসার নানারকম নতুন নতুন প্রকার আসছে, বিজনেস স্টাডিজ-এর ক্ষেত্রটা শুধুমাত্র এই চোখের সামনে দেখা মার্কেট নয়।

    তুমি এই বয়সে আমাকে মার্কেট দেখাতে এসো না। হ্যাঁ এই সময়ে দাঁড়িয়ে আমরা যে লোকসানের মুখোমুখি হয়েছি তাতে নতুন করে ব্যবসা ব্যবসা করার সমস্যা। কিন্তু ‘চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম’ তুমি যদি এই হোটেল ব্যবসা শুরু করতে চাও। তাহলে বলব আমাদের সিমলার…..

    বাবা সিমলা প্রপার্টি যেমন তুমি আর ব্রো দেখছো ওরকম থাক। এয়ারপোর্ট বা রিভারসাইড স্টার হোটেল নয় আমি নতুন কিছু চাইছি। ইউরোপে এটা বুমিং এখন। গ্রামের দিকের ক্যাসেলগুলোকে হোটেলে রূপ দেওয়া হচ্ছে। রাসটিক এটমোস্ফিয়ার, মানুষের লেইজার আই মিন অবসর যাপনের সাথে একটু বিলাসিতার সুযোগ করে দেওয়া। তার সাথে যদি একটু এগজোটিক রয়্যাল ফ্লেভার দেয়া যায়। মানুষ ছুটে আসবে। ইনফ্যাক্ট আমি দেখেছি ড্যাড লোকজন আসছেও। আমরা এখানে পাইনিওর হতে চাই, এই ট্রেন্ডের।

    ধরুন ছোট গ্রাম্য নদী, তার পাশে একটা পুরনো আমলের রাজবাড়ি। সেই নদীর ঘাট বাঁধানো থাকবে রাজবাড়ির সাথে। মানুষ চাইলে বোটিং মানে নৌকাবিহার করতে পারবে। আশপাশে পাহাড়-জঙ্গল থাকবে। ভিন্টেজ কার থাকবে। মানুষ সেই কারে জঙ্গলে বেড়াতে বেরোবে বিকালে। নদীর ধারে বসবে।

    দুর্দান্ত হারিয়ে যাওয়া সব রেসিপি পরিবেশন করা হবে। ছোট্ট মিউজিয়াম বানিয়ে নেব। ইউরোপের বহু ডিলার আছে, যারা এক্সাট ডুপ্লিকেট বেচে। একজন স্টোরি টেলার থাকবে যে দারুণ সব পুরানো দিনের গল্প বলবে বানিয়ে। সন্ধ্যায় কাঠের চুল্লি হবে আর ওয়াইনের কালেকশন রাখব। জানেনই তো কাঠের পিপে আর দুর্দান্ত কিছু বোতল দেখলেই মানুষ মজে, খোঁজখবরের ধার ধারে না।

    সব মিলিয়ে একটা দুর্দান্ত রোমাঞ্চকর পরিবেশ দেয়া হবে, কি বলেন?

    আমি সবই বুঝতে পারছি। তোমার উদ্দেশ্যটাও। কিন্তু কি জানো তো তুমি যে জায়গাটার কথা বলছো সেই জায়গাটা আজ এতদিন বন্ধ করে আছে। তার কাগজপত্র আমরা দেখিনি। জানিনা তো এই বাড়িটার পুরোপুরি মালিকানা আমাদের আছে কিনা তবে এরকম একটা হোটেল প্রস্তাব মন্দ নয়। কিন্তু আমাদের পরিবারে ওই বাড়ি নিয়ে কাকে উচ্চবাচ্য করতে দেখিনি। বিশেষতঃ তোমরা তো জানোই তোমাদের ঠাকুরদাদার যিনি জ্যেষ্ঠ সন্তান ছিলেন তিনি ওই বাড়িতে থেকেই পাগল হয়ে যান পরে তাকে যখন কলকাতায় আনা হয় তখন তিনি বদ্ধ উন্মাদ এবং শুনেছি ওইখানকার গ্রামের মানুষজন আমাদের উপরে খুব একটা খুশি নয়।

    ড্যাড, আমি সব রেকি করেছি। জানি ওই গ্রামের কোনো উন্নতি হয়নি। একেবারেই বর্ডার সংলগ্ন প্রত্যন্ত গ্রাম। ম্যাপেও নামই নেই প্রায়, গভমেন্ট হিসাবেই ধরেনা ওদের। মানুষজন খুব দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে কাটাচ্ছে। পুরনো মানুষজন যারা আছেন আছেন, তাদের আমরা যদি খেতে পাওয়ার লোভ, একটা নতুন ইন্ডাস্ট্রির লোভ দেখাই, মানুষজন কিন্তু গলে যেতে বাধ্য।

    তুমি অনুমতি দিলে কাগজপত্র আনার জন্য এবং দেখার জন্য, আমি একবার লোকজন নিয়ে যাই। তারপর আমরা বসে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করি।

    —বেশ ব্যবসায় নামলে ভয় পেলে চলে না আর নিজেদের প্রপার্টি থেকেও তাকে ব্যবহার না করা মূর্খামি। তবে একটা সাজেশন নাও বেটা, তুমি এই ইংরাজিতে ট্যাশ ট্যাশ করে কথা না বলে মাতৃভাষা ব্যবহার কর। গ্রামের মানুষের সাথে সম্পর্কটা নরম করতে হলে ওইটা আগে যাই। নিজেকে একটু ভেঙে নাও। এটা তোমার বড় পরীক্ষা হতে চলেছে।

    দিন দশেক পর,

    অনিকেত, গ্রামবাসীরা যেভাবে আমাদের দিকে এসেছিল আমিতো ভয় পেয়ে গেছিলাম, এই না মারাত্মক কিছু ঘটে। কিন্তু অদ্ভুত লাগল মানুষগুলো কিছু বলল না, মনে হল যে জমিদার বা পুরনো কথা এসব নিয়ে তাদের কোনো কৌতূহল-ই নেই।

    -খিদে মনোজিতদা খিদে, বড় সাংঘাতিক জিনিস এই খিদে।

    আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখেছি, এই গ্রামে গত ৩০-৩৫ বছরে বিশেষ কেউ বাইরে যেতে পারেনি। এমনকি যারা পড়াশোনা করে বড় হয়েছে, তারা মাধ্যমিকের পর বাইরে গিয়ে কোনোমতে উচ্চশিক্ষা করেছে। হয়। গ্রামের বাইরেই থেকে গিয়েছে আর ফিরে আসেনি। নয়তো পরিবার নিয়ে শহরে উঠে গেছে। গ্রামটা একরকম নির্বান্ধব। আজকের রেডিও, টিভির যুগে ও দেখেছো অবস্থা, এখানে হুকিং হয়! কেউ খোঁজেও না।

    একতো স্কুল বহুদূর, স্কুলে যাওয়াটাই দুষ্কর। আর বাকি সুযোগ-সুবিধা তো বাদই দাও। এম এল এ, মন্ত্রী কেউ আসেই না জিজ্ঞাসা করতে, এরা অভিযোগ জানাবে কি? এই গ্রাম এমন হল কেন কেজানে?

    মানুষগুলো নতুন কিছু হচ্ছে কাজকর্ম পাবে এই আশায় কিছু বলেনি। সে যাক ঘরগুলো কিন্তু ভালো আছে বলো। ইঞ্জিনিয়ার তো বলল, টেস্ট রিপোর্ট এ ড্যামেজ নেগলিজবল। আমিও দেখছি তাই এতদিন হয়ে গেছে কিন্তু সামান্য চুন-সুরকি খসে পড়া ছাড়া বিশেষ কিছু পরিবর্তন হয়নি। ওই দেখো পুকুরের দিকে কয়েকটা হাট আছে! আরিব্বাস, এগুলোকে তো দারুণ চালানো যাবে তোমরা দেখো। আমি একটু ঘুরে আসি।

    মিনিট দশেক পর,

    থ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে অনিকেত। সামনের বীভৎস মূর্তিতে যেন একটু একটু করে সাড়া জাগছে। তার মনে হচ্ছে মূর্তির মাথার উপরে রাখার ঝোড়াটায় পৃথিবীটা ঘুরছে। মূর্তিটার ডানদিকে সিংহের চোখের পাতাটা বুঝি একবার পড়ল। বামদিকে নীলগাইয়ের শিংটা যেন নড়ে উঠল। টর্চের আলোটা মূর্তির নিগ্রোবটু চেহারার মানুষটার মুখের ওপর ফেলা ছিল আচমকাই মনে হল, নাকের পাটা ফুটে উঠল। সেইসঙ্গে একটা ফোঁস করে নিশ্বাস ফেলার আওয়াজ। হাতে টর্চটা নড়ে গেল অনিকেতের আর ঠিক তখনই মূর্তিটার বন্ধ হয়ে থাকা পাখাগুলো খুলে গেল। যেন ঝাপটিয়ে উঠল ডানা দুটো। সেই ডানায় অসংখ্য চোখ যেন পিটপিট করে উঠল তার দিকে তাকিয়ে। চমকে পিছন দিকে পড়ে যাচ্ছিল, ঠিক সেই সময় পিছন থেকে একটা হাত এসে তাঁর কাঁধে পড়ল। এ হাত মনোজিৎ-এর। হাতের ঝুলতে থাকা চেইন ব্রেসলেট-এর ঠান্ডা ধাতব স্পর্শটা তাকে এক ঝাটকায় যেন ফিরিয়ে নিয়ে এল কোথাও থেকে।

    বাগানের ঘরটা কেমন হবে ভেবে টর্চটা হাতে করে নিয়ে এসেছিল অনিকেত। ছোট্ট একেবারে কুঁড়ে বললে যা বোঝায় সেই রকম। বাইরে তালাটাও মরচে পড়ে গিয়েছিল হাত দিয়ে চাপ দিতেই খুলে এসেছিল। ঘরের ভেতরটা আসবাব নেই বললেই চলে প্রথমটা ঢুকে চোখটা থতিয়ে গিয়েছিল এত অন্ধকার ভিতরটা। আসলে দেওয়ালগুলোও কালো রং করা তাই হাতের টর্চের আলো বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। তারপর চোখ সয়ে যেতেই এই দৃশ্য।

    মনোজিৎদা ও হাঁ করে তাকিয়ে ছিল দেয়ালের দিকে। এরকম বীভৎস মূর্তি সেও জীবনে দেখেছে কি না সন্দেহ?

    ইউরোপের দেশ, এশিয়ার দেশ সবই তার মোটামুটি ঘোরা। এতদিন জীবনে চাপ বলে কিছু ছিলনা। পড়াশোনা আর ঘোরা ছাড়া বড়লোকি কোনো নেশা নেই তার। কিন্তু এরকম কিম্ভূতকিমাকার মূর্তি কোনো মিউজিয়াম কিংবা কোনো প্রাচীন ধ্বংসাবশেষগুলি যেগুলিকে পর্যটক সাইটগুলোতে ও দেখেনি। দেখা মাত্রই যেন বুকের ভিতর অবধি কেঁপে ওঠে। কোনোমতে ঠোঁট ফাঁক করে তোতলিয়ে কথাটা বলল মনোজিৎ দা,’ এটা কি অনিকেত?’

    মূর্তিটা ঠিক কি দিয়ে বানানো বলা মুশকিল কারণ তার গায়ে অদ্ভুত একটা আঠালো তরল আছে। আঠালো বলার জন্য কারণ বহু মাছি, ডাঁশলা, পিঁপড়ে, শুঁয়াপোকা, তার গায়ে চিটিয়ে আছে। যেন এই সদ্য উঠে এসে চিটিয়ে গেছে। মূর্তিটার তিনটি মাথা— বামদিকেরটি অনেকটা নীলগাইয়ের মতো। অপরদিকেরটি কোন প্রাণীর বলা যায় না তবে অনেকটা হায়েনার সাথে মিল আছে। মাঝের মাথাটি নিগ্রোবটু এক মানুষ। মাথায় কোঁকড়া চুলের ফাঁক দিয়ে একটা গিরগিটির মতো কিছু প্রাণী ঝোলা সরু জিভ বের করে মুকুটের মতো বসে আছে। এক অদ্ভুত হিংস্রতা ফুটে উঠেছে মানুষটির চোখে-মুখে। তার সামনের হাতে একটি দণ্ড— অনেকটা লিঙ্গের মতো; কণ্টকময় লিঙ্গ বলা যেতে পারে। অন্যহাতে একটি সর্প। আশ্চর্য! এত নিখুঁত কোনো মূর্তি হতে পারে! যেন একটি জ্যান্ত শাঁখামুটি। সদ্য এসে হাতের ফাঁকে ঢুকে পড়েছে। টর্চের আলোয় তার আঁশের অংশটাও ঝিকিয়ে উঠল চিরিক করে। প্রাণীটি থুড়ি মানুষটি বসে আছে একটি সিংহের উপর, সিংহটি চেহারাও অদ্ভুত। এখনের সিংহ নয়, মিশ্র জীব। তার পিছনের সুদীর্ঘ লাঙুল ছাদ ছুঁয়েছে। আর কালো দুখানি ডানা চুপসে পেটের কাছে জড়ো হয়ে রয়েছে। এই ডানাটাই এখুনি…শিউরে উঠল অনিকেত।

    মূর্তির মাথায় একটি ঝোড়া। সেখানে একটি বলের মতো কিছু রাখা। প্রথম দর্শনে লাল রং দেখে বল বলেই ভুল হয়। পরে বোঝা যায় সেটি বল নয় বরং গ্লোব এর মতোই কোনো বস্তু। একে তো অত্যন্ত পুরনো তায় তার উপর এই লাল পদার্থটির আস্তরণে তার সবুজ নীল ধূসর ঢাকা পড়ে গেছে।

    বাইরে ততক্ষণে শ্রমিকদের আওয়াজ জেগেছে। সেই শুনে বেরিয়ে এল অনিকেত।

    ”মনোজিৎ দা এটা কি জানিনা। আমার মন বলছে, এটা কে না ঘাঁটালেই ভালো। তাছাড়া এইসব কিম্ভূতকিমাকার জিনিস দেখলে শ্রমিকরাও ভয় পেয়ে যেতে পারে। তাই ঘরটা বন্ধ করাই ভালো।’

    চার বছর পর,

    হোটেলের প্রজেক্টটা কমপ্লিট করতে করতে প্রায় বছর খানেক লেগে গিয়েছিল। পুরো জিনিস গুছিয়ে দাঁড় করাতে, ভালো করে চাকা গড়াতে আরো ছয় মাস। এখন ‘রাজতরঙ্গিনী’-তে শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনি-রোববার অবধি মেলা লাগে। গমগম করে পুরো। বাকি সপ্তাহ একটু ধিমা তবে মানুষজন থাকে। তাই এই সপ্তাহের দিনেই এসেছে।

    ‘রাজতরঙ্গিনী’-র সাকসেস এর পর, এদিক-ওদিক লোন স্যাংশন। নতুন আরও দু’খানা রিসর্ট খোলা। তারমধ্যেই রুমনাকে বিয়ে। এইসব করে হোটেলে এসে ভালো করে নিজের মতো করে থাকার সুযোগ হয়নি আর….

    পুষ্কর ওদের মধ্যপ্রদেশের রিসর্ট ম্যানেজার ছিল। কলকাতায় আসার জন্য বড়দার একটা আর্জি দিয়েছিল, দাদা গাঁইগুঁই করছিল। ও মওকা বুঝে ওকে এখানে ইনচার্জ করে পাঠিয়ে দিয়েছে। যেমন বিশ্বাসী সেরকম সৎ ছেলে। তায় রাজ্যে ফিরতে পেরে বকবক খুশি। সব কাজই সামলে নিয়েছিল।

    ****

    বাগানে বনফায়ার শুরু হয়ে গেছে। কথক ভদ্রলোক গুছিয়ে গল্প বলা শুরু করেছেন। এদিকে ডাইনিং হল-এর কাছে যে কয়জন ভদ্রলোক ভদ্রমহিলা আছেন তাদের সাথে রুমনা বেশ গুছিয়ে বসেছে। কি সেজেছে, বাপরে বাপ। গেস্টরাও তেমন? কেমন ফার্স্টলেডির মতো ভাব দেখাচ্ছে রুমনাকে দেখে। রুমনাও খানিকটা ওজন নিচ্ছে এইসব দেখে।

    হঠাৎ করে সেই ঘরটার কথা মনে পড়ল আর মনে হতেই কৌতূহলটা তাগড়া হয়ে উঠল। যেতে হবে একবার যেতে হবে। ঘরটাকে ওরা ইচ্ছে করেই পাঁচিল দিয়ে একটু আলাদা করে রেখেছে। সকাল অবধি যেতে ইচ্ছা করলনা আর, এখনই যাই। ঘরে ঢুকে টর্চটা নিয়ে বেরিয়ে পড়ল অনিকেত।

    পাঁচিলের গেটটা খুলে ঘরটার সামনে দাঁড়াল অনিকেত। এটা একদম উলটো দিকে, গ্রামও অনেক দূরে। যেন চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে। একটা দুটো টিমটিমে আলো। ওর উদ্যোগে গ্রামে নতুন পোল পড়েছে। কিন্তু এই বাওড় আর টিলা অঞ্চলে কত আলো আর দেবে সরকার। ফলে যেই কি সেই। অবশ্য টর্চ-এর সাথে আজ একটা ছোট ইমারজেন্সি এনেছে। ভালোভাবে দেখতে হবে সবটা। নতুন একটা তালা দেয়া ছিল, চাবি নিয়ে নিয়েছে পুষ্করের থেকে।

    দরজাটা খুলে ভেতরে ঢুকল। এত দিন হয়ে গেছে অথচ ঘরটা যেন একই রয়ে গেছে। সেই একই গন্ধ ঝাপটা মারল নাকে। একটা বাক্স মতো কিছু ছিল ঘরের কোণে। সেদিনও দেখেছিল। আজ সেই বাক্সের উপর ইমারজেন্সিটা রেখে এবারে দেয়ালের দিকে ভালো করে তাকালো অনিকেত। মূর্তিটা দেখে আরেকবার শিউরে উঠল— সেই একই বীভৎসতা তার চোখে-মুখে।

    অদ্ভুত ব্যাপার এতদিন পড়ে আছে অথচ মূর্তিটার গায়ে কোনো ঝুল নেই। অবশ্য হবে কি করে, মাকড়সাগুলোই তো মরে সেঁটে আছে মূর্তিটার গায়। সেদিন যেটা দেখেনি আজ সেটা আর চোখে পড়ল।

    মূর্তিটা ঘিরে পাঁচটি স্বস্তিক বসানো। সম্ভবত তামার তাদের লালচে হলুদ রং আর নীল ছোপ তাই -ই বলছে। আর প্রতিটা স্বস্তিক এর কেন্দ্রে একটি করে তীর বসানো। কোনোটা ফলা শঙ্খের ন্যায়, কোনোটার অর্ধেক চন্দ্রের ন্যায়, কোনোটা ত্রিকোণ! পাঁচটি স্বস্তিক পাঁচটি তির আর তাদের গায়ে অদ্ভুত কালো সুতা বেঁধে রাখা। এই পাঁচটি তিরেই পুরো মূর্তির বেদিটি ঘেরা। যেন ব্যারিকেড করা হয়েছে। আর এই স্বস্তিক-এর সামনে একটি স্থাপন করা আছে একটি মাটির ঘট।

    কেমন একটা ভয় ভয় করছিল অনিকেতের বেরিয়ে আসতে চাইছিল। পিছন ঘুরতেই বাক্সটা যেন পথ আটকালো, একটু আগে দূরে ছিল এখন যেন সরে ঠিক পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে। আর বাক্সটাকে দেখেই অদ্ভুত একটা কৌতূহল আবার চাগাড় দিয়ে উঠল। দেখতে হবে বাক্সটা দেখতে হবে। অনিকেত আর ফিরতে পারল না উলটে ঘরের দরজাটা ভেতর থেকে দিয়ে খুলে ফেলল বাক্সটা। খুলে ফেলার পর মনে হল এই বাক্সের ভেতরের গন্ধ সে চেনে, জ্যাঠাবাবু যে কদিন বেঁচে ছিলেন তার ঘরের কাছে গেলে এই গন্ধটা পাওয়া যেত, একটা অদ্ভুত নিম ফুলের মতো গন্ধ। ভিতরে কিছু নেই কেবল একটা বাঁধানো মোটা খাতা আর একটা কনুই থেকে কাটা হাতের কঙ্কাল। ভয়ে কুকড়ে যাওয়ার কিন্তু ভয় তার লাগছে না। বরং তার মনে হচ্ছে সে সব জানে তাকে এখন বইটা পড়তে হবে আর এইটা তারই জ্যাঠাদাদুর। এইগুলো এখানেই থাকা দরকার বরং এই ঘট এই তির, এগুলোই এখানে দরকার নেই। সব ফেলে দিতে হবে। তাকে যে পূজায় বসতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Next Article ইসলাম ও আধুনিকতা – মরিয়ম জামিলা
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }