Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নকশা-কাটা কবজ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প152 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নকশা-কাটা কবজ – ১০

    ১০

    ক্যাম্পাসে গিয়ে কারো সাথে কথা বলার আগেই রাজু বুঝতে পারল মিলিয়া আসলেই মারা গেছে। তাদের ক্লাসের ছেলেমেয়েরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে নিচু গলায় বিষণ্ণ হয়ে নিজেদের ভেতর কথা বলছে। মিলিয়ার ঘনিষ্ঠ দুই-একজন মেয়ের চোখ লাল, তারা কান্নাকাটি করেছে এবং অন্য কয়েকজন তাদের সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছে। একজনের চোখে পানি এলেই সেটা দেখে অন্যদের চোখে পানি এসে যায়। কাজেই মিলিয়ার বান্ধবীদের চোখে পানি দেখে অন্য অনেকের চোখেই পানি চলে আসে।

    কম বয়সি একটা মেয়ে একেবারে হঠাৎ করে এভাবে মারা গেলে সবাই সবচেয়ে আগে তার কারণটা জানতে চায়। এখানেও তাই হলো এবং তার মৃত্যুর ঘটনাটি জেনে সবাই আরো বেশি হতবাক হয়ে গেছে। শাফকাত আর মিলিয়া সমুদ্র তীরের একটা রাস্তায় ঘুরতে বের হয়েছিল। সুন্দর একটা জায়গায় তারা গাড়ি থামিয়েছে তখন হঠাৎ করে অন্য একটা গাড়িতে করে কালো একজন মানুষ তাদের গাড়ির সামনে রাস্তা আটকে দাঁড়ায়। মানুষটি মিলিয়ার ব্যাগটি টেনি নিচ্ছিল, মিলিয়া মনে হয় একটু বাধা দিয়েছিল তখন মানুষটি কোমরে গুঁজে রাখা রিভলবার বের করে মিলিয়ার মাথায় গুলি করে দিয়েছে। মানুষটি শাফকাতকেও গুলি করেছে, পায়ে লেগেছে বলে প্রাণে বেঁচে গেছে।

    মিলিয়া সাথে সাথে মারা গেছে, শাফকাতের বিশেষ কিছু হয় নাই। হাসপাতালে পা ব্যান্ডেজ করে ছেড়ে দিয়েছে।

    রাজু গল্পটি নিঃশব্দে শুনে গেল। আমেরিকায় বছরে দশ-বারো হাজার মানুষ গুলিতে মারা যায়—সেই দেশে সবার হাতে বন্দুক, কিছু একটা হলেই একজন আরেকজনকে গুলি করে দেয়। কাজেই ব্যাগ ছিনতাই করার জন্য একজনকে নির্বিকারভাবে গুলি করে গুলি করে মেরে ফেলা বিচিত্র কিছু নয়। গল্পের যে অংশটি বিচিত্র সেটি হচ্ছে খুনি মানুষটির গায়ের রং কালো! সেই দেশে কিছু একটা হলেই সবার প্রথমে দোষী মানুষের গায়ের রংটিকে দোষ দেওয়া হয়। গায়ের রং সাদা হলে সেটি গলা বাড়িয়ে কেউ বলে না, কালো হলে বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়।

    রাজুর মাথার ভেতরে এই বিষয়গুলো এসেছে কারণে সে এগুলো নিয়ে ভাবে, কিন্তু আজকে সেগুলো মোটেই তার ভাবনার বিষয় ছিল না। সে যে ভোরবেলা মিলিয়াকে স্বপ্নে দেখেছে যে সে কাতর গলায় কাঁদতে কাঁদতে তাকে বলছিল যে একজন তাকে মেরে ফেলেছে, সেই বিস্ময়কর ঘটনাটিও তার মাথার মাঝে নেই। রাজুর চেতনাটি কেমন যেন আচ্ছন্ন হয়ে আছে, মিলিয়া নামের মেয়েটি পৃথিবীতে নেই, সে আর কখনো ফিরে আসবে না—এই বিষয়টি তার কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়। তার ভেতরের অনুভূতিটি কি গভীর বেদনার নাকি গভীর শূন্যতার, সেটিও সে বুঝতে পারছে না। ঠিক কী কারণ জানে না, রাজুর মনে হতে থাকে, যদি আর একবার সে মিলিয়ার কণ্ঠস্বরটি শুনতে পারত তাহলে সে এই পৃথিবীতে কোনো কিছু চাইত না।

    দশটার সময় তাদের একটি ক্লাস ছিল, ছেলেমেয়েরা স্যারকে বলল তার আজকে ক্লাসটি করতে চায় না, অনেকেই মিলিয়ার বাসায় গিয়ে তার মা-বাবা, ভাই-বোনের সাথে একটু দেখা করে আসবে। স্যার সাথে সাথে ক্লাস ছুটি দিয়ে দিলেন।

    রাজু ক্লাসের ছেলেমেয়েদের সাথে মিলিয়ার বাসায় গেল না। ক্যাম্পাসের ফাঁকা বারান্দায় রেলিংয়ের ওপর পা তুলে বসে রইল। তার ভেতরে অদ্ভুত একটা অনুভূতি হতে থাকে যে এক্ষুনি বুঝি মিলিয়া পিছন থেকে এসে তাকে কিছু একটা বলবে। রাজু বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারল না। সে নিজের ভেতর একধরনের অস্থিরতা অনুভব করে। একসময় সে রেলিং থেকে পা নামিয়ে বারান্দা থেকে রাস্তায় নেমে আসে। প্রথমে ক্যাম্পাসের ভেতর ইতস্তত হাঁটাহাঁটি করে তারপর ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে রাস্তার ফুটপাথ ধরে হাঁটতে থাকে। হেঁটে হেঁটে যদি ক্লান্ত হতে পারে, তাহলে হয়তো তার ভেতরকার অস্থিরতাটুকু কমবে।

    রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ তার মনে হলো, তার কাছে যে রহস্যময় কবজটি আছে সেই কবজটি মুঠি করে চেপে ধরে সে অশরীরী জগতে উঁকি দেবে।

    সেখানে কি সে মিলিয়াকে খুঁজে পাবে?

    * * *

    গভীর রাতে রাজু গোসল করে পরিষ্কার কাপড় পরে তার বিছানায় বসেছে। তার মনে হয়েছে আজকে সে যখন কবজটি মুঠি করে ধরবে তখন তার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে থাকতে হবে। রাজু ঘরের আলো নিভিয়ে দিলো। জানালা খোলা তাই বাইরে থেকে আলো এসে ঘরটাকে আবছাভাবে আলোকিত করে রেখেছে।

    রাজু বইয়ের শেলফ থেকে কবজের বয়ামটা তার সামনে রেখে তার ছিপিটা খুলেছে। তারপর বাম হাত দিয়ে বয়ামটি তার ডান হাতেও ওপর কাত করে কবজটি বের করল। কবজটি হাতের তালুতে স্পর্শ করা মাত্রই সে ধাতব কবজের শীতল স্পর্শ অনুভব করে। রাজু তার মুঠি বন্ধ করতেই তার মনে হলো কবজটি ধীরে ধীরে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। শুধু তা-ই নয়, রাজুর স্পষ্ট মনে হলো কবজটি একটা জীবন্ত প্রাণীর মতো তার হাতে নড়ছে। রাজু নিশ্বাস বন্ধ করে থাকে, যদি এটি বেশি উত্তপ্ত হয়ে যায় তাহলে সে ধরে রাখতে পারবে না তখন এটাকে তখন হাত থেকে ফেলে দিতে হবে।

    রাজুর মনে হতে থাকে তার মাথা অল্প অল্প ঘুরছে, তার চেতনা লোপ পেয়ে যাচ্ছে। সে জোর করে চোখ খুলে রাখল এবং অবাক হয়ে লক্ষ করল তার চারপাশের দৃশ্য কেমন যেন পাল্টে যাচ্ছে। সে ঘরের দরজা, মাথার কাছের জানালা, পড়ার টেবিল, বুক শেলফ সবকিছুই দেখতে পাচ্ছে কিন্তু সেগুলোকে বাস্তব জগতের মনে হচ্ছে না। সবগুলো যেন একটি পরাবাস্তব জগতের। রাজু জোর করে তাকিয়ে থাকে এবং হঠাৎ করে মনে হয় তার চারপাশে অস্পষ্ট কিছু ছায়ামূর্তি এসে তাকে ঘিরে ধরছে। ধীরে ধীরে তারা স্পষ্ট হতে শুরু করে, রাজু তাদের চোখের তীব্র দৃষ্টি দেখতে পায়। ছায়ামূর্তিগুলো তাদের হাত তার দিকে বাড়িয়ে দিতে থাকে, রাজুর মনে হলো সে তাদের হাতের স্পর্শ অনুভব করতে শুরু করেছে। রাজু দেখতে পায় ছায়ামূর্তিগুলো ফিসফিস করে কথা বলছে, সে তাদের অস্পষ্ট কথা শুনতে পায় কিন্তু তারা কী নিয়ে কথা বলছে সে বুঝতে পারে না। রাজু চারপাশে তাকায়। ছায়ামূর্তির সংখ্যা বেড়েই যাচ্ছে। তাদের হাতগুলো ক্রমাগত তার দিকে আসছে। তাদের মুখের মাঝে একধরনের ব্যাকুল অভিব্যক্তি। রাজুর মনে হতে থাকে ছায়ামূর্তিগুলো বুঝি তার সাথে কথা বলতে চায়। তারা কী কথা বলবে?

    রাজু আর সহ্য করতে পারল না, সে হাত থেকে কবজটি জেলির কৌটার মাঝে রেখে দিলো। সাথে সাথে চারপাশ স্পষ্ট হয়ে ওঠে 1 ছায়ামূর্তিগুলো মিলিয়ে যায়। রাজু আবার তার পরিচিত জানালা, পড়ার টেবিল, বুক শেলফ দেখতে পেল।

    রাজু বিছানা থেকে উঠে ঘরের বাইরে গেল। পানির বোতল থেকে এক গ্লাস পানি ঢেলে এক ঢোকে পুরো পানিটা খেয়ে ফেলে। তারপর আবার তার বিছানায় বসে। আবার জেলির বয়াম থেকে কবজটি বের করে তার হাতের মুঠোয় নিয়ে চোখ খুলে তাকাল। ধীরে ধীরে ছায়ামূর্তির সংখ্যা বাড়তে শুরু করে। সেগুলো আবার চাপাস্বরে তাদের কথা বলতে থাকে। রাজু অস্পষ্টভাবে তাদের কথা শুনতে পায় কিন্তু কথা বুঝতে পারে না। কণ্ঠস্বরে একধরনের হাহাকার শুধু শুনতে পায়।

    হঠাৎ করে চারপাশের ছায়ামূর্তির মাঝে একধরনের অস্থিরতা লক্ষ করে। সেগুলো এদিক-সেদিক তাকায়, তাদের ভেতরে সুস্পষ্ট আতঙ্ক। কী জন্য তাদের ভেতর আতঙ্ক সে বুঝতে পারে না। রাজু ভালো করে তাকায় চারপাশের অস্পষ্ট জগৎটি ভালো করে বোঝার চেষ্টা করে। রাজু একটু অবাক হয়ে দেখল ছায়ামূর্তিগুলো হঠাৎ করে সরে যাচ্ছে, তার চারপাশ একেবারে ফাঁকা হয়ে যায়। কোনো একটা কারণে ছায়ামূর্তিগুলো ভয় পেয়েছে।

    রাজু একটু পরেই কারণটা বুঝতে পারল। ভয়ংকর দর্শন একটা ছায়ামূর্তি এগিয়ে আসছে। তার কুচকুচে কালো শরীর। ভয়ংকর চোখের দৃষ্টি। হাতগুলো কিলবিল করে নড়ছে। শরীর থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, সেই ধোঁয়ার বিচিত্র গন্ধ। প্রাণীটি মুখ দিয়ে অব্যক্ত শব্দ করছে। হিংস্র প্রাণীর মতো গর্জন। রাজুর সামনে প্রাণীটি দাঁড়িয়ে তার দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে—রাজু আর্তচিৎকার করে হাত থেকে কবজটা ফেলে দেয়। সাথে সাথে সে ভয়ংকর প্রাণীটি অদৃশ্য হয়ে যায়। চারিদিক আবার আগের মতো স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    রাজু কুলকুল করে ঘামছে। বুকের ভেতর ধকধক করে শব্দ করছে। সে অনেকক্ষণ চুপচাপ বসে রইল। আবার কবজটি ধরবে কি না বুঝতে পারছি না। কবজটি হাতে মুঠি করে ধরলে নিশ্চিতভাবেই সে একটা অশরীরী জগৎ দেখতে পাচ্ছে কিন্তু সেই জগতের সাথে সে যোগাযোগ করতে পারবে কি না বুঝতে পারছে না। রাজু মিলিয়ার সাথে যোগাযোগ করতে চাইছিল কিন্তু এই বিশাল জগতে সে কি মিলিয়াকে খুঁজে পাবে?

    রাজু অনেক কষ্ট করে সাহস সঞ্চয় করল তারপর আবার কবজটি মুঠিতে চেপে ধরল। আবার তার চারপাশে একটি অশরীরী জগৎ দেখতে পায়। দূর থেকে ছায়ার মতো কিছু একটা ভেসে আসে তারপর তাকে ঘিরে থাকে, কিছু একটা বলার চেষ্টা করে কিন্তু তাদের কথা সে বুঝতে পারে না। এই ছায়ামূর্তিগুলোর ভেতর একধরনের হাহাকারের মতো হতাশা আছে সেটি সে অনুভব করতে পারে কিন্তু তাদের সাথে কোনোভাবে যোগাযোগ করতে পারে না।

    রাজুর মনে পড়ল পুরানো ঢাকার ফুটপাথ থেকে সংগ্রহ করা নোট বইয়ে লেখা ছিল যখনই তার কোনো একটা বিদেহী আত্মার সাথে সংযোগ করতে হয়েছে তখনই সেই মানুষটি গভীরভাবে সেই বিদেহী আত্মার কথা চিন্তা করেছে। তখন সেই বিদেহী আত্মা তার সাথে যোগাযোগ করেছে। রাজু কি এখন গভীরভাবে মিলিয়ার কথা চিন্তা করে চেষ্টা করে দেখবে? কাজটি তো কঠিন কিছু নয়।

    রাজু চোখ বন্ধ করে মিলিয়া কথা চিন্তা করতে থাকে। হাসি-খুশি একটি মেয়ে, জীবনের কোনো জটিলতা নিয়ে সে কখনো মাথা ঘামায়নি। রাজুর সাথে ঘনিষ্ঠতা হওয়ার কোনো কথা ছিল না, তবু কীভাবে জানি একটা ঘনিষ্ঠতা হয়ে গিয়েছিল—মনে হয় না হলেই ভালো ছিল, তাহলে রাজু হয়তো এত গভীরভাবে তার অভাবটা অনুভব করত না। রাজু চোখ বন্ধ করে মিলিয়াকে মনে মনে ডাকে, “মিলিয়া—মিলিয়া—তুই কোথায়? আয় মিলিয়া—আয় একটিবার দেখা দিয়ে যা—প্লিজ মিলিয়া—প্লিজ—”

    রাজু কতক্ষণ মিলিয়াকে ডেকেছে সে জানে না, হঠাৎ করে সে একটা আর্তচিৎকার শুনতে পেল—মিলিয়ার মতো কণ্ঠস্বর কিন্তু সেই কণ্ঠস্বরে অবিশ্বাস্য শূন্যতা, অচিন্তনীয় হাহাকার।

    রাজু চোখ খুলে তাকায়, অবাক হয়ে দেখে ধবধবে একটা সাদা কাপড় পরে তার সামনে মিলিয়া দাঁড়িয়ে আছে, বাতাসে তার কাপড় উড়ছে, মাথার চুল উড়ছে। মিলিয়ার মুখ রক্তশূন্য ফ্যাকাশে, চোখগুলো ধকধক করে জ্বলছে। মিলিয়া কাঁদা গলায় বলল, “রাজু! রাজু তুই কোথায়?”

    রাজু বলল, “এই তো। এই তো আমি।”

    “আমার কী হয়েছে রাজু? আমি কেন কাউক দেখতে পাই না? আমি কোথায় রাজু?”

    রাজু আবার ফিসফিস করে বলল, “এই যে মিলিয়া, আমি তোর সামনে! আমাকে দেখতে পাচ্ছিস না তুই?”

    মিলিয়া ভাঙা গলায় বলল, “হ্যাঁ রাজু। আমি এখন দেখছি, তোকে দেখছি।” তারপর হঠাৎ ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করল। রাজু কী করবে বুঝতে পারল না। নরম গলায় বলল, “কাঁদিস না মিলিয়া। প্লিজ তুই কাঁদিস না।”

    মিলিয়া কাঁদতে কাঁদতে বলল, “কেন আমাকে মেরে ফেলল? কেন? আমি কী করেছি বল?”

    রাজু কী বলবে বুঝতে পারল না। মিলিয়া আবার ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে বলল, “তুই আমাকে বল রাজু—আমি শাফকাতের কী করেছি? কেন শাফকাত আমাকে মেরে ফেলল?”

    রাজু একটা আর্তচিৎকার করে ওঠে, “কে তোকে মেরে ফেলেছে? কে?”

    মিলিয়া কাঁদতে কাঁদতে বলল, “শাফকাত। কেন শাফকাত আমাকে মেরে ফেলল? কেন?”

    রাজু থরথর করে কাঁপতে থাকে। কোনোমতে আবার বলল, “কে? কে তোকে মেরেছে?”

    “শাফকাত। সমুদ্রের কিনারায় গাড়িটা পার্ক করে সে গাড়ির ড্যাশ বোর্ড থেকে একটা রিভলবার বের করেছে। তারপর আমার মাথার দিকে তাক করে ট্রিগার টেনেছে। গুলি করলে অনেক শব্দ হয়ে রাজু?”

    রাজু কোনো কথা বলল না, থরথর করে কাঁপতে লাগল। মিলিয়া আবার বলল, “আমি কিন্তু কোনো শব্দ শুনিনি রাজু। কোনো শব্দ শুনিনি শুধু হঠাৎ করে সবকিছু কেমন জানি এলোমেলো হয়ে গেল। আমি দেখলাম চারিদিকে শুধু আলো আর আলো, আমার চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে—কিছু দেখতে পারছি না। শুধু বুকের মাঝে কষ্ট। অনেক কষ্ট।” মিলিয়া আবার ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল, বলল, “যাকে আমি এত ভালোবেসেছি সে কেন আমার মাথার মাঝে গুলি করেছে? তুই জানিস রাজু? জানিস?”

    রাজু কোনো কথা বলল না, অবাক হয়ে মিলিয়ার দিকে তাকিয়ে রইল। মিলিয়া আবার ফিসফিস করে বলল, “মনে আছে রাজু, তুই বলেছিলি শাফকাত হচ্ছে সাইকোপ্যাথ? মনে আছে? আসলেই কি মানুষ কখনো সাইকোপ্যাথ হয়?”

    রাজু মাথা নাড়ল, বলল, “আমি জানি না মিলিয়া। আমি জানি না।”

    মিলিয়া একটা দীর্ঘশ্বাসের মতো শব্দ করল, বলল, “জানিস রাজু, এই জগৎটা অন্য রকম। এখানে নাকি কোনো দুঃখ নাই, কষ্ট নাই, রাগ নাই, হিংসা নাই—কিন্তু তাহলে আমার মনের মাঝে এত কষ্ট কেন? রাজু, আমার এই কষ্টটা দূর হবে কবে?”

    রাজু কিছু একটা বলতে চাচ্ছিল কিন্তু থেমে গেল। সে অবাক হয়ে দেখল ঠিক মিলিয়ার মতো ধবধবে সাদা পোশাক পরা একটা ছায়ামূর্তি মিলিয়ার পাশে ধীরে ধীরে রূপ নিতে শুরু করেছে। রাজু অবাক হয়ে দেখে ছায়ামূর্তিটির যেন একটি দেবীর প্রতিমূর্তি। মূর্তিটি খুব ধীরে ধীরে মিলিয়াকে বুকে জড়িয়ে ধরে ফিসফিস করে বলে, “মা, তোর কষ্ট দূর হবে মা। অবশ্যই দূর হবে। মাত্র পৃথিবী থেকে এসেছিস তাই তোর বুকে এত কষ্ট। ধীরে ধীরে সব কষ্ট ভুলে যাবি। দেখবি তখন মনে হবে পৃথিবীর মানুষেরা কত অবুঝ—আয় তুই আমার সাথে। আমাদের ছেড়ে তুই একা একা কেন এখানে চলে এসেছিস?”

    মিলিয়া ফিসফিস করে বলল, “রাজু আমাকে ডাকল-”

    ধবধবে সাদা মূর্তিটি রাজুর দিকে তাকাল, বলল, “বাবা রাজু, তোমার অনেক ক্ষমতা বাবা। অনেক ক্ষমতা। তুমি ডাকলে সবাইকে আসতে হবে। তাই তুমি শুধু শুধু কাউকে ডেকো না। শুধু যখন প্রয়োজন হবে—

    রাজু কাঁপা গলায় বলল, “আপনি কে?”

    “যখন সময় হবে তখন তুমি জানবে আমি কে।”

    “মিলিয়া একটা ভয়ানক কথা বলেছে—মিলিয়া বলেছে—”

    মহিলা হাত তুলে রাজুকে থামাল। বলল, “বাবা এগুলো তোমাদের পৃথিবীর কথা বাবা—আমরা পৃথিবীর কথা নিয়ে মাথা ঘামাই না। পৃথিবীর সব কথা পৃথিবীতে রেখে এখানে আসতে হয়। একদিন তুমিও আসবে—”

    “কিন্তু কিন্তু—আমি মিলিয়ার সাথে কথা বলতে চাই।”

    “বলবে। অবশ্যই বলবে বাবা। এখন সে খুব অস্থির। আমরা তাকে আগে শান্ত করি। তার বুকের হাহাকারটি দূর করি। তাকে একটু সান্ত্বনা দিই। শান্তি দিই।”

    রাজু কী বলবে বুঝতে পারল না। মহিলাটি বলল, “তোমার অনেক ক্ষমতা বাবা। তুমি ডাকলে মিলিয়া আসবে। তোমার কোনো ভয় নেই বাবা।”

    রাজু মাথা নাড়ল, বলল, “ঠিক আছে।” তারপর মিলিয়ার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল, “তুই মনে দুঃখ পাস নে মিলিয়া। আমি শাফকাতকে ছাড়ব না। কিছুতেই ছাড়ব না।” রাজু হিংস্র গলায় বলল, “তোকে কথা দিচ্ছি মিলিয়া—কথা দিচ্ছি।”

    * * *

    পৃথিবীর অন্য প্রান্তে টেলিভিশনে প্রোগ্রাম দেখতে দেখতে সোফায় মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়া শাফকাত হঠাৎ ভয়ংকর আতঙ্কে চিৎকার করে জেগে উঠল।

    শাফকাত বড় বড় নিশ্বাস নিতে নিতে অবাক হয়ে চারিদিকে তাকায়। কেন হঠাৎ করে সে এ রকম ভয়ংকর আতঙ্কে চিৎকার করে উঠেছে? কী হয়েছে তার?

    কেন তার মনে হচ্ছে ভয়ংকর একটা বিপদ নেমে আসছে তার ওপর?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা
    Next Article টু-টু-টুনটুনি চু-চু-ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }