Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নকশা-কাটা কবজ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প152 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নকশা-কাটা কবজ – ১২

    ১২

    ঘুম ভাঙার পর রাজু বালিশের নিচ থেকে তার ঘড়িটা বের করে সময় দেখল। আটটা তিরিশ। সকাল নয়টায় একটা ক্লাস আছে, যত চেষ্টাই করুক সেটা ধরতে পারবে না। পরের ক্লাসটা এগারোটার সময়। কাজেই তার হাতে যথেষ্ট সময়। তা ছাড়া কিছুদিন হলো ক্লাস না করে করে অভ্যাস হয়ে গেছে, খুব সহজেই আজকাল সে গুরুত্বপূর্ণ ক্লাস বাদ দিয়ে দিচ্ছে। দেখতে দেখতে তার জীবনটা কেমন যেন খাপছাড়া হয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটা সে বুঝতে পারছে কিন্তু সেটা নিয়েও তার খুব একটা মাথাব্যথা নেই।

    রাজু বিছানায় শুয়ে শুয়ে আবার ঘুমানোর চেষ্টা করল কিন্তু আর ঘুম আসতে চাইল না। সে বিছানা থেকে উঠে বসে। মাথার কাছে টেবিলে একটা কাগজ বই দিয়ে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। রাজু কাগজটা টেনে এনে সেখানে চোখ বুলায়—আগের রাতে যে সমস্ত বিদেহী আত্মা তার সাথে যোগাযোগ করে নানা রকম অনুরোধ করে রেখেছে তার তালিকা। রাজু একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল, তার এই নূতন দায়িত্ব সে কেমন করে চালিয়ে যাবে? যদি উল্টোটা শুরু হয়ে—জীবিত মানুষেরা খবর পেয়ে যায় সে মৃত মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে পারে তখন কী হবে? এই কবজটির দায়িত্ব সে সারা জীবন নিতে পারবে না। কোনো একটি সময়ে কবজটা ঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে হবে। কিন্তু কোন জায়গাটি ঠিক জায়গা?

    রাজু বাথরুম থেকে বের হয়ে তার ফ্রিজে উঁকি দিয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। কেন তার ফ্রিজে খাওয়ার উপযোগী কোনো খাবার থাকে না? কেন সে পাউরুটি ছাড়া আর কোনো খাবারের কথা জানে না? রাজু পাউরুটির প্যাকেট বের করে আনে। কপাল ভালো এখনও ফাঙ্গাস পড়েনি। এক স্লাইস বের করে সে মুখে দেয়। কোনো স্বাদ নেই, থাকার কথা না। শুকনো রুটিটা চিবিয়ে খেয়ে রাজু উঠে দাঁড়াল, রান্নাঘরে টি ব্যাগ আছে কি না জানে না, যদি থেকে থাকে তাহলে সে এক কাপ চা বানিয়ে খাবে। রাজু রান্নাঘরে যাবার আগে জানালা দিয়ে একবার বাইরে উঁকি দিলো। রাস্তার পাশে একটা গাড়ি পার্ক করে রাখা, সেখানে হেলান দিয়ে একজন মানুষ দাঁড়িয়ে তার জানালার দিকে তাকিয়ে আছে। রাজুর চোখাচোখি হতেই মানুষটি ঝট করে তার দৃষ্টি সরিয়ে নিল।

    রাজুর বুকটা কেঁপে ওঠে। তার কাছে যে কবজটি আছে সেটা কি জানাজানি হয়ে গেছে? রাস্তার লোকটির সাথে চোখাচোখি হওয়ার বিষয়টা যে রাজু বুঝতে পেরেছে সেটি বুঝতে না দেওয়ার জন্য সে আরো কিছুক্ষণ অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে জানালা দিয়ে বাইরে ইতস্তত তাকিয়ে রইল। সরাসরি না তাকিয়ে চোখের কোনা দিয়ে মানুষটিকে লক্ষ করল। মানুষটি চলে যায়নি—রাস্তা পার হয়ে অন্যদিকে গিয়ে সে এখন দাঁড়িয়ে আছে। সেও নিশ্চয়ই এখন চোখের কোনা দিয়ে তাকে লক্ষ করছে।

    রাজু কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে রান্নাঘরে গেল চা তৈরি করতে। রান্নাঘরের জানালা দিয়ে সে আবার বাইরে তাকাল। মানুষটি এখনও দাঁড়িয়ে তার জানালার দিকে তাকিয়ে আছে।

    রাজু চা তৈরি করে তার ডাইনিং টেবিলে বসে চায়ে চুমুক দেয়। অত্যন্ত বিস্বাদ চা, এর চাইতে শুধু গরম পানি খেলে মনে হয় ভালো লাগত। কিন্তু এই মুহূর্তে রাজু সেটি নিয়ে মাথা ঘামাল না। কবজটিকে সে রক্ষা করতে চায়। এখন সেটি সাথে নিয়ে সে বের হতে চায় না—তাহলে হয়তো তাকে ধরে নিয়ে তার কাছ থেকে ছিনতাই করে নেবে। কবজটা এখানেই লুকিয়ে রাখতে হবে—কিন্তু এমনভাবে লুকাতে হবে যেন কেউ খুঁজে না পায়। সেটি কি সম্ভব? রাজু ঘরের চারপাশে তাকায়—ইচ্ছে করলেই সে আরেকটু ভালো করে লুকাতে পারে কিন্তু যারা এই কাজে প্রফেশনাল, তারা নিশ্চয়ই খুব সহজে সেটা বের করে ফেলবে। রাজু চিন্তা করতে থাকে কোথায় কীভাবে কবজটা লুকাতে পারে।

    ঠিক তখন দরজায় শব্দ হলো। রাজু চমকে ওঠে, তাহলে কি মানুষগুলো তার ঘরে চলে এসেছে? রাজু যতটুকু সম্ভব গলার স্বর স্বাভাবিক করে জিজ্ঞেস করল, “কে?”

    বাইরে থেকে একজন মহিলা উত্তর দিলো, “আমি।”

    রাজু গলার স্বর চিনতে পারে। তাদের মেসের বোর্ডারদের রান্না করে দেওয়ার জন্য যে মহিলাটিকে রাখা হয়েছে সে এসেছে। রাজু বুক থেকে আতঙ্কের চাপা নিশ্বাসটি বের করে দিয়ে দরজা খুলল। মহিলার দিকে তাকিয়ে বলল, “কী খবর খালা?”

    এটি কোনো সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন নয়—এই প্রশ্নের উত্তর কেউ আশা করে না। কিন্তু মহিলাটি বেশ সময় নিয়ে তার খবর জানাল, তার স্বামী অসুস্থ কিন্তু সে সন্দেহ করছে অসুস্থতার পুরো ব্যাপারটি ভান। তার স্বামী অলস প্রকৃতির মানুষ, তাই কাজে না যাওয়ার জন্য এগুলো তার একধরনের উছিলা! মহিলাটি এই তথ্য দিয়েই থেমে গেল না, তার স্বামীকে দেখেই সিদ্ধান্ত নিয়ে সে পুরো পুরুষ জাতির প্রতি একটা ঢালাও অসম্মানজনক মন্তব্য করে রান্নাঘরে ঢুকে হাঁড়ি-পাতিল টানাটানি করতে লাগল।

    রাজু যে রকম ভেবেছিল ঠিক সেরকমভাবে মহিলাটি রান্নাঘর থেকে বের হয়ে দরজার চৌকাঠ ধরে দাঁড়িয়ে বলল, “চাউল, ডাইল, তেল, মসলা কিছুই তো নাই। বাজার না করলে খাবা কী?”

    রাজু বলল, “আমি একলা মানুষ। আপনি রাঁধবেনই কী আর আমি খাবই কী! এর চাইতে কয়দিন অপেক্ষা করেন। নূতন বোর্ডার আসুক তখন দেখা যাবে।”

    “আর এ কয়দিন কী খাবা? কোথায় খাবা?

    “কিছু একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।”

    মহিলা রাজুর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ল, তারপর রান্নাঘরে ফিরে যাওয়ার জন্য ঘুরে দাঁড়াল এবং ঠিক তখন রাজুর চোখে পড়ল খালার হাতে একটা তাবিজ বাঁধা। তাবিজটি চারকোনা এবং যথেষ্ট নকশাকাটা। সাথে সাথে রাজুর মাথায় একটা চিন্তা খেলা করল। সে খালাকে ডেকে বলল, “খালা—আপনার হাতে এইটা কিসের তাবিজ?”

    খালা তার তাবিজটির দিকে তাকাল, তারপর একটু বিব্রত ভঙ্গিতে হাসল, বলল, “এই তো রোগশোক, বালা-মসিবত তাড়ানোর তাবিজ।”

    “আপনি এইটা কোথায় পেয়েছেন?”

    “রাস্তা থেকে কিনেছি।

    “কত দাম?”

    খালা আবার বিব্রত ভঙ্গিতে হাসল, বলল, “দশ-বিশ টাকা হবে মনে হয়।”

    “আপনি আমাকে এই তাবিজটা দিবেন? আপনাকে টাকা দেই আপনি আরেকটা কিনে নেবেন।”

    যেকোনো হিসেবে এটা যথেষ্ট বিচিত্র একটি অনুরোধ তাই খালার একটু সময় লাগল পুরো বিষয়টা বুঝতে। বোঝার পর অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “আমার তাবিজটা নিতে চাও? কেন? কী করবা?”

    একটা বিশ্বাসযোগ্য উত্তর না দিলে হবে না তাই রাজু মুখ গম্ভীর করে বলল, “আমাদের ইউনিভার্সিটি থেকে তাবিজের উপর গবেষণা হচ্ছে। সেই জন্য আমি তাবিজ খুঁজে বেড়াচ্ছি। সব তাবিজ দেখি গোল— ঢোলের মতো। আপনারটা চারকোনা—”

    খালা তার তাবিজটা দেখল, তারপর রাজুর দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি তাবিজের দোকানে গেলে অনেক রকম তাবিজ কিনবার পারবা—”

    “আমি সময় পাব না খালা। তোমারে টাকা দেই তুমি আরেকটা কিনে নিও।”

    খালা তার তাবিজটা হাতছাড়া করতে চাচ্ছিল না কিন্তু রাজু তাকে বুঝিয়ে শেষ পর্যন্ত রাজি করিয়ে ফেলল।

    খালা চলে যাবার পর রাজুর আবার জানালার কাছে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকাল। মানুষটা এখনও যায় নাই। সে এখন গাড়ির ভেতর ড্রাইভিং সিটে বসে তার জানলার দিকে তাকিয়ে আছে। রাজুর সাথে চোখাচোখি হওয়া মাত্রই আবার ঝট করে চোখ সরিয়ে নিল।

    রাজু তখন খালার তাবিজটা নিয়ে ঘরের ভেতর ঢুকল। শেলফে বইয়ের পেছনে রাখা জেলির বয়ামটা বের করে সেখান থেকে কবজটা ঢেলে তার পড়ার টেবিলের ওপর রেখে বয়ামটা খালি করে নেয়। খালার তাবিজটা সেখানে রেখে বয়ামের মুখটা ভালো করে বন্ধ করে শেলফে বইয়ের পেছনে রাখল। যে কেউ একটু খুঁজলেই এখন এটা পেয়ে যাবে, ইচ্ছে করলে তখন এটা নিয়েও যেতে পারবে।

    রাজু এখন আসল কবজটা কোথায় লুকিয়ে রাখবে সেটা চিন্তা করতে থাকে। এই অ্যাপার্টমেন্টে লুকানোর জায়গা বিশেষ নেই—কাজেই একটু বুদ্ধি করে লুকাতে হবে। এমন জায়গায় লুকাতে হবে যেখানে কেউ খুঁজবে না। রাজু তার নিজের রুম, ডাইনিং রুম এবং কিচেনটা ঘুরে ঘুরে দেখল। শেষ পর্যন্ত কিচেনের গ্যাসের চুলার কাছে রাখা ম্যাচের বাক্সটা তার পছন্দ হলো। ভেতর থেকে ম্যাচের কাঠিগুলো বের করে সেখানে সাবধানে কবজটা রেখে তারপর ওপরে ম্যাচের কাঠিগুলো রেখে দেয়।

    এখন ম্যাচ বাক্সটা খুললেও কেউ কবজটা দেখবে না। কাঠিগুলো বের করলে তখন কবজটা দেখা যাবে। ম্যাচ ব্যবহার করতে হলে সবাই একটি কাঠি বের করে নেয়, কখনোই সবগুলো কাঠি একসাথে বের করে না। রাজু তখন চুলার পাশে ড্রয়ার খুলে সেখানে রাখা চামচ-চাকুর সাথে ম্যাচ বাক্সটাও রেখে দিলো। কেউ এখন এটাকে আর সন্দেহজনক কিছু মনে করবে না। এই অ্যাপার্টমেন্টে যদি কেউ আসে তাহলে তার খালার রোগশোক, বালা-মুসিবতের তাবিজটা নিয়ে যাওয়ার কথা। রহস্যময় করজটা খুঁজে পাওয়ার কথা না

    রাজু এরপর ঘর থেকে বের হলো। সিঁড়ি দিয়ে নেমে সে রাস্তার পাশ দিয়ে হাঁটতে থাকে। চোখের কোনা দিয়ে সে দেখল গাড়ির ভেতর থেকে মানুষটি বের হয়ে তার পিছন পিছন হাঁটতে শুরু করেছে। রাজু কী করবে ঠিক বুঝতে পারল না তাই সে শান্তভাবে হাঁটতে থাকে। দিনের বেলা, চারপাশে মানুষজন, এখানে কেউ তার ভয়ানক কিছু করার চেষ্টা করবে বলে মনে হয় না।

    রাজু হঠাৎ টের পেল পিছনের মানুষটি দ্রুত পায়ে এগিয়ে আসছে, রাজুর শরীরটা উত্তেজনায় টানটান হয়ে যায়—তাকে কি ধরে ফেলবে? তাকে কি ধস্তাধস্তি করতে হবে? ছুটতে হবে?

    রাজু শুনল, পিছন থেকে মানুষটি বলছে, “এই যে ভাই শুনছেন!” ….. রাজু দাঁড়াল এবং পিছনে তাকাল। ঘরের জানালা থেকে যে মানুষটির সাথে একাধিকবার চোখাচোখি হয়েছে, সে হেঁটে তার কাছে দাঁড়াল। রাজু টের পেল রাস্তা ধরে গাড়িটাও এসে তার পাশে থেমেছে। গাড়ির ভেতর ড্রাইভার ছাড়াও আরও একজন মানুষ। রাজু নিজের ভিতর একটা ভয়ের কাঁপুনি অনুভব করে। কেননা

    রাজু মানুষটার দিকে তাকাল, বলল, “আমাকে বলছেন?”

    “হ্যাঁ।”

    “কী ব্যাপার?”

    “আপনার সাথে একটু কথা বলতে পারি?”

    রাজু বলল, “বলেন। পারলে

    “আপনি এখন কোথায় যাচ্ছেন?”

    “ইউনিভার্সিটি।”

    “আপনাকে ইউনিভার্সিটি পৌঁছে দেই? তাহলে গাড়িতে বসে কথা বলতে পারব।”

    প্রস্তাবটি যথেষ্ট নিরীহ প্রস্তাব, এটাকে মেনে না নেওয়ার কোনো কারণ নেই। কিন্তু নেহায়েত বাধ্য না হলে রাজু এই অপরিচিত সন্দেহজনক মানুষের গাড়িতে উঠতে চায় না। রাজু বলল, “থ্যাংক ইউ। কিন্তু আমাকে ইউনিভার্সিটি নামাতে হবে না, কী বলতে চান এখানেই বলে ফেলেন।”

    মানুষটি একটু হাসার ভঙ্গি করে বলল, “আমি একটু নিরিবিলি কথা বলতে চাই।” তারপর তার কনুইটা ধরে বলল, “গাড়িতে ঢুকে যান। আপনার জন্যে ভালো, আমাদের জন্যও ভালো।”

    রাজু কনুইয়ে কঠিন চাপ অনুভব করল। সে কি এখন ঝটকা মেরে নিজেকে মুক্ত করে নেওয়ার চেষ্টা করবে? চিৎকার করে কথাবার্তা বলে মানুষজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করবে? তার অবশ্য কোনোটাই করার সুযোগ হলো না, হঠাৎ করে গাড়ির পিছনের দরজা খুলে গেল এবং একজন ভেতর থেকে তার ঘাড় ধরে টান দিলো এবং বাইরের এই মানুষটি থেকে ঠেলে তাকে ভিতরে ঢুকিয়ে দিলো, সাথে সাথেই গাড়িটি ছেড়ে দিলো। রাজু মাঝখানে বসেছে এবং তার দুই পাশে দুইজন।

    কিছুই হয়নি এ রকম ভান করে রাজু জিজ্ঞেস করল, “আপনারা কী করতে চান?”

    “কবজটা কোথায়?”

    রাজু কি ভান করবে যে মানুষগুলো কোন কবজের কথা বলছে সে সেটা জানে না? কিন্তু মনে হলো সেটা করা ঠিক হবে না। তাই জিজ্ঞেস করল, “কেন?”

    তার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে মানুষটি জিজ্ঞেস করল, “এই ব্যাগের ভিতর কি আছে?”

    রাজু মাথা নাড়ল, “না, নাই।”

    মানুষটা তার কথা বিশ্বাস করল না। ব্যাগটা খুলে ভেতরে ঘাঁটাঘাঁটি করতে লাগল। তার বইপত্র, খাতা ব্যাগের বাইরে ছুঁড়ে ফেলতে লাগল। অন্য জন জিজ্ঞেস করল, “কবজটা কোথায়?”

    রাজু বলল, “আপনারা কারা? পুলিশের লোক?”

    “না, আমরা পুলিশের লোক না।”

    “তাহলে?”

    “খামখা এগুলো জানতে চেয়ো না। কবজটা দাও, আমরা তোমাকে ছেড়ে দেবো।”

    রাজু একটা নিশ্বাস ফেলল, একজন নির্বোধ মানুষের মতো ভান করে বলল, “দেখেন, এই কবজের জন্য একজন মানুষ মারা গেছে। কাজেই এটা এখন পুলিশের তদন্তের বিষয়। কবজটা আমার পুলিশকে ফেরত দিতে হবে।”

    রাজু একটা কর্কশ শব্দ শুনল, দেখল তার বাম পাশে বসে থাকা মানুষটার হাতে একটা ছোরা, সেটার কোনো এক জায়গায় চাপ দেওয়ার পর ছোরাটার ফলাটি আস্তে আস্তে খুলে বের হয়ে আসছে। মানুষটা বলল, “দ্যাখ ছেমড়া, আর একটু ঢং করবি তো ভুঁড়ি ফাঁসিয়ে দেবো। আমার এখন তোর সাথে কথা বলার সময় নাই। কবজটা কোথায় বল।”

    রাজু বলল, “বাসায়।”

    “বাসায় কোনখানে?”

    “শেলফে। বইয়ের পিছনে।”

    “যদি সেখানে পাওয়া না যায়, তোর ভুঁড়ি ফাঁসিয়ে দেবো।”

    রাজু কোনো কথা বলল না।

    মানুষটি গলা উঁচিয়ে ড্রাইভারকে বলল, “গাড়ি থামা।”

    ড্রাইভার গাড়ি থামাল। যে মানুষটি ভুঁড়ি ফাঁসিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে, সে গাড়ি থেকে নামল। কয়েক মিনিট পর আবার গাড়িতে উঠে বসল। বলল, “গাড়ি স্টার্ট দে।”

    গাড়িটা আবার ছেড়ে দিল। শহরের ভিতর গাড়িটা ইতস্তত যেতে থাকে। রাজু বলল, “কবজটা কোথায় আছে আমি বলেছি। এখন আমাকে ছেড়ে দেন।”

    কেউ তার কথার উত্তর দিলো না।

    ঘণ্টাখানেক পর শেষ পর্যন্ত গাড়িটা ইউনিভার্সিটির কাছে থামল। মানুষটা বলল, “গাড়ি থেকে নেমে সোজা সামনে হেঁটে যাবি। পিছনে তাকাবি না।”

    রাজু তার ব্যাকপেকটা হাতে নিয়ে গাড়ি থেকে নামার জন্য রেডি হলো। মানুষটা বলল, “কাউকে কিছু বলবি তো লাশ ফেলে দিব। বুঝেছিস?”

    “বুঝেছি।”

    বাম পাশের মানুষটা গাড়ি থেকে দরজা খুলে দিলো। রাজু গাড়ি থেকে নেমে সামনে হেঁটে গেল। প্রচণ্ড অপমান আর ক্রোধে তার কান লাল হয়ে ওঠে। ইচ্ছে করছিল ঘুরে গিয়ে মানুষটার কলার ধরে তার মুখে একটা ঘুসি দিয়ে নিচে ফেলে দিয়ে বলে, “লাশ ফেলে দিবি? কে কার লাশ ফেলে দেয় দেখ একবার চোখ খুলে—”

    কিন্তু সে কিছুই করল না, সারা জীবনেই কারো গায়ে সে কখনো হাত তুলে দেখেনি।

    ***

    রাজু তাদের বিল্ডিংয়ে আসে, প্রথম ক্লাসটা মিস হয়ে গেছে। দ্বিতীয় ক্লাসটা মাত্র শুরু হয়েছে। রাজু পিছনের দরজা দিয়ে ঢুকে গেল। ক্লাস রুমগুলো ভালো, পিছন দিয়ে ঢোকা যায় আবার ইচ্ছে করলে কারো দৃষ্টি আকর্ষণ না করে বেরও হয়ে যাওয়া যায়।

    পাশের ছেলেটি মাথা ঘুরিয়ে রাজুকে দেখল। সামনে স্যার গভীর মনোযোগ দিয়ে বোর্ডে লিখছেন। শোনা যায় গত বিশ বছর ধরে এই স্যার হুবহু এই কথাগুলো হুবহু এইভাবে বোর্ডে লিখে আসছেন। পাশের ছেলেটি গলা নামিয়ে বলল, “শুনেছিস?”

    “কী?”

    “মিলিয়ার হাজব্যান্ড মিলিয়ার ডেডবডি নিয়ে আসছে। দেশে লাশ কবর দিবে।”

    ডেডবডি আর লাশ শব্দ দুইটা রাজুর কানে খট করে লাগল। একটা মানুষ যখন মানুষ না থেকে ডেডবডি কিংবা লাশ হয়ে যায় তখন সেটা এত অস্বাভাবিক শোনায় যে মেনে নেওয়া কঠিন। তবে মিলিয়ার ডেডবডি নিয়ে শাফকাত দেশে আসছে সেটি হচ্ছে সবচেয়ে বিচিত্র খবর। এই দানবটাকে কি খুন করে ফেলা যায় না? খুন?

    রাজু একটা নিশ্বাস ফেলল। কী আশ্চর্য, সে আজকাল মানুষকে খুন করে ফেলার মতো চিন্তা করতে পারে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা
    Next Article টু-টু-টুনটুনি চু-চু-ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }