Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নকশা-কাটা কবজ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প152 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নকশা-কাটা কবজ – ৪

    ৪

    কবরস্থানের মৌলভি সাহেব বসে বাস তার বাড়ির পাশের ছোট খেত থেকে আগাছা তুলছেন। ছাগল এবং গরুর উৎপাত থেকে বাঁচার জন্য জায়গাটা বাঁশের কঞ্চি, গাছগাছালি দিয়ে ঘেরাও করার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয়নি। ছাগল কিংবা গরুর বাছুর নিয়মিতভাবে তার খেতের গাছগাছালি খেয়ে যাচ্ছে।

    মৌলভি সাহেব আগাছা পরিষ্কার করে যখন তার বেগুন গাছে পানি দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়ালেন তখন দেখলেন তার ঘরের বারান্দায় দীর্ঘদেহী একজন মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। মৌলভি সাহেবের দৃষ্টিশক্তি কমে এসেছে, ভুরু কুঁচকে দেখার চেষ্টা করতে করতে জিজ্ঞেস করলেন, “কেডা?”

    “হুজুর, আমি মতি।”

    “কোন মতি?”

    “ওই যে ওইদিন নাসির মুন্সীর কবর দেওয়ার সময় গরম কবর খুঁড়ে ফেলেছিলাম—”

    মৌলভি সাহেব সাথে সাথে মতিকে চিনলেন। মাথা নেড়ে বললেন, “কামটা তুমি ঠিক করো নাই। অনেক বিপদের একটা কাম করছিলা— অনেক বড় বিপদ।”

    মতি বলল, “হুজুর, আমি কবরের ভিতরে কী দেখছিলাম সেইটা কাউরে না বলতে বলেছেন। আমি কাউরে বলি নাই।”

    মৌলভি সাহেব মাথা নাড়লেন, বললেন, “হ্যাঁ। খবরদার কাউরে বলবা না—”

    মতি একটু এগিয়ে এসে বলল, “কিন্তু আপনার সাথে সেইটা বলতে তো দোষ নাই।”

    “আমার সাথে কী বলবা?”

    মতি একটু এগিয়ে আসে, “মনে করেন যেইটা দেখছি সেইটা কী যদি একটু বুঝিয়ে দিতেন। বিষয়টা না বোঝা পর্যন্ত মনের ভিতর খচমচ খচমচ করে।”

    “আল্লাহ্র দুনিয়ায় অনেক কিছু থাকে। যেইগুলা আমাদের জানার কথা, বোঝার কথা সেইগুলা আমাদের চোখের সামনে থাকে। যেইগুলা আমাদের চোখের আড়ালে থাকে সেইগুলা দেখার কথা না। সেইটা দেখার চেষ্টা করলে বিপদ হয়।”

    মতি বলল, “তবুও হুজুর যদি একটু বুঝায়ে দিতেন। বড়ো জানবার ইচ্ছা করে। আমি মনে করেন যেটা দেখার কথা না সেইটা যখন দেইখাই ফেলছি—”

    মৌলভি সাহেব একটা নিশ্বাস ফেললেন, বললেন, “তুমি খাড়াও, আমি আমার গাছগুলাতে একটু পানি দিয়া আসি।”

    মতি ব্যস্ত হয়ে বলল, “আপনি বসেন হুজুর, আমি পানি দিয়া দেই। আপনার কষ্ট করার দরকার নাই—”

    মৌলভি সাহেব ছোট বালতিতে করে যতক্ষণ পানি টেনে আনতেন, মতি তার অর্ধেক থেকে কম সময়ে পানি তুলে এনে তার বেগুন খেতে পানি দিয়ে দিলো।

    মৌলভি সাহেব তখন তার বারান্দায় একটা বেঞ্চে বসে সামনে গোরস্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা কবরগুলোর দিকে তাকিয়ে রইলেন। মতি তার খেতের বেগুন এবং অন্য সবজির খেতে পানি দিয়ে মৌলভি সাহেবের পায়ের কাছে এসে বসল। গামছা দিয়ে নিজেকে বাতাস করতে করতে “ বলল, “হুজুর বলেন, এইখানে ব্যাপারটা কী?”

    মৌলভি সাহেব তখন মতিকে একটি বিচিত্র ঘটনার কথা বললেন।

    .

    বহু বছর আগে—মৌলভি সাহেব তখন ছোট একটি শিশু এবং তার বাবা গ্রামের একমাত্র মসজিদের ইমাম। তখন একদিন তাদের গ্রামের শ্মশানের পাশে ভাঙা ঘরে কোথা থেকে এক সাধু এসে হাজির হলো। আগের জমিদারের ছোট ছেলে সান্নিপাতিক জ্বরে মারা যাওয়ার পর এই শ্মশানে তাকে দাহ করা হয়েছিল। সে জন্যই কি না কে জানে, জমিদার শ্মশানের পাশে নদীর তীরে একটা ঘর তৈরি করে দিয়েছিলেন। মাঝে মাঝেই সেই ঘরে কোনো সাধু-সন্ন্যাসী থাকত, কিছুদিন থেকে আবার অন্য কোথাও চলে যেত। তাই এই ঘরে নূতন একজন সাধু থাকছে খবরটিকে কেউই গুরুত্ব দিলো না।

    কিন্তু সাধু আসার কয়েক দিনের ভিতরেই গ্রামের মানুষের খুবই বিচিত্ৰ অভিজ্ঞতা হতে শুরু করল। দিনের বেলা গ্রামের কুকুরগুলি দূর থেকে শ্মশান ঘরের দিকে মুখ করে ডাকাডাকি করত, কিন্তু সন্ধ্যে হতেই সেগুলো ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে কুঁই কুঁই শব্দ করে মানুষের ঘরের ভেতর ঢুকে লুকিয়ে থাকার চেষ্টা করত। গ্রামের বনে-জঙ্গলে, ঘরের আশেপাশে যেসব গাছপালা থাকে সন্ধ্যে হতেই সেখানে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক শুরু হয়ে যেত হঠাৎ করে সেগুলোর ডাকাডাকি বন্ধ হয়ে গেল। ঝড় নেই বৃষ্টি নেই একদিন একটা শ্যাওড়া গাছের বড় ডাল ভেঙে পড়ে গেল। রাতের বেলা গ্রামে কেমন যেন ছমছমে আবহাওয়া, রাতে মানুষজন ঘর থেকে বের হতে ভয় পায়। ছোট বাচ্চারা গভীর রাতে চিৎকার করে ঘুম থেকে জেগে ওঠে। হঠাৎ করে কারো গোয়ালঘরের গরু গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে দড়ি ছিঁড়ে পালিয়ে যায়। এক-দুইজন মানুষ রাতে ঘর থেকে বের হয়ে দেখে ছায়া ছায়া প্রাণী ঘুরে বেড়াচ্ছে, গভীর রাতে কান্নার শব্দের মতো শব্দ শোনা যায়। মানুষজন প্ৰথম দিকে সহ্য করেছে কিন্তু যখন হঠাৎ করে সুস্থ-সবল একজন মানুষ গভীর রাতে ঘুম থেকে উঠে দা দিয়ে কুপিয়ে নিজের বউকে মেরে ফেলল তখন সবাই খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে গেল।

    মৌলভি সাহেবের বাবা মসজিদের ইমাম, সবাই তার কাছে এসেছে কোনো একটা কিছু করার জন্য, তিনি বইপত্র-কেতাব ঘেঁটে দোয়া-দরুদ পড়ে গ্রামকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কাজ হয় না। একদিন দুপুরবেলা কয়েকজন মিলে গেল শ্মশানে সেই সাধুর সাথে দেখা করতে। সেখানে গিয়ে দেখেন সাধু একটা মালসায় আগুন জ্বালিয়ে বসে আছে, দেখে বোঝা যায় না জেগে আছে না ঘুমিয়ে আছে। সাধুর চুল লালচে, ছোট ছোট চোখ, দেখে বিদেশি মনে হয়। ঘরের ভেতর বিকট দুর্গন্ধ। ইমাম সাহেব তাকে জাগানোর চেষ্টা করলেন, অনেক ডাকাডাকি করার পর চোখ খুলল, ইমাম সাহেব তখন তাকে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বললেন, উত্তরে সে দাঁত বের করে একটা ভয়ংকর হাসি দিলো।

    ইমাম সাহেব অন্যদের নিয়ে ফিরে এলেন। গ্রামের মানুষ ঠিক করল সাধুকে পিটিয়ে গ্রাম থেকে বের করে দিবে, এই মানুষ গ্রামে আসার পর থেকেই গ্রামের এই অবস্থা।

    .

    সেই দিন গভীর রাতে ইমাম সাহেবের দরজায় কে জানি শব্দ করল। ইমাম সাহেব তার কুপি বাতি হাতে নিয়ে দরজা খুললেন। দরজার সামনে কেউ নাই, কিন্তু একটু দূরে সাদা কাপড় পরে কে একজন দাঁড়িয়ে আছে, মাথা চাদর দিয়ে ঢাকা, কুপির আলোতে চেহারা দেখা যায় না। ঠিক তখন বাতাসে কুপি বাতিটা নিভে গেল।

    লম্বা মানুষটা বলল, “ইমাম সাহেব, তোমার সাথে কথা আছে।”

    গলার স্বর মোটা এবং ভারী। কথাগুলো বিদেশি মানুষের মতো। ইমাম সাহেব বললেন, “আপনার পরিচয় জনাব।”

    “আমার পরিচয় দিয়ে লাভ নাই। আমি এই এলাকার না। তুমি আমাকে চিনবা না।”

    ইমাম সাহেব বললেন, “আপনি বসেন, আমি কুপিটা জ্বালাইয়া আনি।”

    “না। কুপি জ্বালানোর দরকার নাই। অন্ধকারই ভালো।” ইমাম সাহেব খুব অবাক হলেন, তার বুকটা কেঁপে উঠল মানুষটা বলল, “আমি তোমাকে একটা কথা বলতে এসেছি। আমার হাতে বেশি সময় নাই। তুমি মন দিয়া শুনো।

    “জি। বলেন জনাব।”

    “তোমাদের অনেক বিপদ।”

    ইমাম সাহেবের বুকটা আবার কেঁপে উঠল। ঠিক কোন বিপদের কথা বলছে খানিকটা অনুমান করতে পারলেও জিজ্ঞেস করলেন, “কিসের বিপদ জনাব?”

    “শ্মশান ঘাটের সাধু লপ সিয়াং গত রাত্রে জিগিরাকে বশ করেছে।”

    ইমাম সাহেব অনুমান করলেন শ্মশান ঘাটের সাধুর নাম লপ সিয়াং। যথেষ্ট বিচিত্র একটা নাম, তবে জিগিরাটা কী বুঝতে পারলেন না। জিজ্ঞেস করলেন, “জিগিরাটি কী জনাব? তাকে বশ করে কেমন করে?”

    “জিগিরা হচ্ছে পিশাচদের মাঝে সবচেয়ে বেশি ক্ষমতাধর। তারে আগে কেউ বশ করতে পারে নাই।”

    “এখন কী হবে জনাব?”

    “জিগিরাকে দিয়ে এখন লপ সিয়াং যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে। লপ সিয়াং মানুষ ভালো না—এখন অনেক বিপদ। তোমাদের বিপদ সবার আগে।”

    “এখন আমরা কী করব জনাব?”

    “চোখ-কান খোলা রাখো। জিগিরাকে বশে রাখা সোজা না। লপ সিয়াং নিজেও অনেক বিপদের মাঝে আছে। তার বন্ধন কী আমি জানি না। তারে যদি মেরে ফেলে তখন জিগিরা তার শরীরটারে ব্যবহার করবে।”

    “শরীরকে কেমন করে ব্যবহার করে জনাব?”

    “আমারে জিজ্ঞেস কোরো না।”

    “জি আচ্ছা জনাব।”

    লম্বা ছায়ামূর্তিটা একটু নড়ল, মনে হলো বাতাসে ভেসে সরে গেল একটুখানি। তারপর আবার তার গমগমে গলায় বলল, “লপ সিয়াংরে যদি মেরে ফেলে তাহলে তোমরা দেরি কোরো না।”

    “তখন আমরা কী করব?”

    “লপ সিয়াংরে বাক্সে ভরে মাটিতে পুঁতে ফেলবা। দেরি করবা না। দিনের আলো থাকতে থাকতে।”

    “জি আচ্ছা।”

    “কয়েকজন সাহসী মানুষরে নিয়ে যাবা। মনে রাখবা, দেহটা লপ সিয়াংয়ের কিন্তু তার ভিতরে জিগিরা।”

    “জি আচ্ছা।”

    “লপ সিয়াং লাশ, কিন্তু লাশ জিন্দা।”

    ইমাম সাহেবের বুক কেঁপে উঠল। ছায়ামূর্তিটা গমগমে গলায় বলল, “ভয় পাবা না। আল্লাহ্ ওপর বিশ্বাস রাখবা।”

    “জি আচ্ছা।”

    “আমি একটা কবজ দিয়া যাব তোমারে। সেই কবজ কোনোদিন হাত দিয়ে ছোঁবা না।”

    “কী দিয়ে ধরব হুজুর?”

    “পরিষ্কার কাপড় দিয়া ধরবা। এই কবজ মানুষের ধরার ক্ষমতা নাই।”

    ‘ধরলে কী হবে হুজুর?”

    “মানুষের সহ্য করার ক্ষমতা নাই।”

    “কেন হুজুর?”

    “তোমরা এমন মুলুকের দৃশ্য দেখবা যেই মুলুক তোমাদের দেখার কথা না।”

    ইমাম সাহেব জিজ্ঞেস করলেন, “এই কবজ কী করব হুজুর?”

    “একটা কাচের বয়ামের ভিতর ভরে লপ সিয়াংয়ের লাশের সাথে মাটিতে পুঁতে ফেলবা। জিগিরা তাহলে কোনোদিন লপ সিয়াংয়ের লাশ নিয়া কোথাও যেতে পারব না। লাশ থেকে বেরও হতে পারবে না।”

    “জি আচ্ছা।”

    “লপ সিয়াংয়ের লাশ মাটিতে পুঁতে ফেলার সময় কবজ কাছে কাছে রাখবা। দুই হাতের ভিতরে। বুঝেছো?”

    “বুঝেছি জনাব।”

    “তোমার পাঞ্জাবিটা ধরো, আমি কবজ দেই।”

    ইমাম সাহেব পাঞ্জাবির দুই মাথা ধরলেন। মানুষটা বলল, “এখন চোখ বন্ধ করো। খবরদার চোখ খুলবা না।”

    “জি আচ্ছা জনাব।”

    ইমাম সাহেব চোখ বন্ধ করলেন। টের পেলেন একটা ছায়ামূর্তি এগিয়ে আসছে। ভারী একটা নিশ্বাসের শব্দ শুনলেন, তার সাথে শ্যাওলার মতো একধরনের গন্ধ। বুঝতে পারলেন মেলে ধরে রাখা পাঞ্জাবির মাঝে কিছু একটা রাখা হয়েছে। তিনি চোখ খুললেন। আবছা অন্ধকারে তার পাঞ্জাবির কোঁচায় কিছু একটা জ্বলজ্বল করছে। আবছা অন্ধকারেও সেটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। একটা নকশাকাটা কবজ। আর কোথাও কেউ নেই।

    ইমাম সাহেবের হাত কাঁপতে লাগল। তিনি ভিতরে ঢুকে তার স্ত্রীকে ঘুম থেকে ডেকে তুললেন। স্ত্রী অবাক হয়ে বললেন, “কী হইছে?”

    “একটা কাচের বয়াম ধুয়ে পরিষ্কার করে দাও।”

    “কেন?”

    “কোনো প্রশ্ন করবা না। যা বলি তাই করো।”

    ইমাম সাহেবের স্ত্রী কোনো প্রশ্ন করলেন না। একটা বয়াম খালি করে ধুয়ে এনে দিলেন। ইমাম সাহেব কবজটা বয়ামের ভিতরে রেখে বয়ামটা বন্ধ করলেন।

    অবাক হয়ে দেখলেন কবজটা জীবন্ত প্রাণীর মতো নড়ছে। তিনি নিজের বুকে হাত দিয়ে আয়াতুল কুরসি পড়তে লাগলেন।

    .

    দুই দিন পরে গ্রামের মানুষ ইমাম সাহেবকে খবর দিলো শ্মশান ঘাটের সাধু আগের রাতে মরে গেছে। কাছাকাছি যারা থাকে, তারা গভীর রাতে ভয়ংকর চিৎকার শুনেছে, সাধু যন্ত্রণায় আর্তনাদ করছিল। রাতে কেউ যেতে সাহস করে নাই। ভোরবেলা গিয়ে দেখে সাধু মরে পড়ে আছে। চোখ খোলা, জিভ বের হয়ে আছে।

    ইমাম সাহেব তক্ষুনি কাচের বয়ামে সেই কবজকে গামছা দিয়ে ঢেকে সাথে নিয়ে শ্মশান ঘাটে রওনা দিলেন। গ্রামে খবর দিলেন গায়ে জোর আছে বুকে সাহস আছে এই রকম কয়জন মানুষ নিয়ে আসতে।

    ইমাম সাহেব যখন শ্মশান ঘরে ঢুকলেন তখন সেইখানে বিকট গন্ধ। লাশটার শরীরে কোনো কাপড় নাই, তিনি একটা চট দিয়ে সাধুর শরীর ঢেকে দিলেন। কাচের বয়ামটা মাথার কাছে রাখতেই লাশটা কেমন যেন ধড়ফড় করে উঠল, মনে হলো হাতটাও একবার নড়ে উঠল।

    ইমাম সাহেব ভয় পেলেন না। গ্রামের মানুষ নিয়ে লাশটাকে একটা শক্ত গর্জন কাঠের বাক্সে ঢুকিয়ে সেটাকে গ্রামের শেষ মাথায় নিয়ে গেলেন, সেটা পতিত জায়গা, গরিব মানুষেরা সেখানে মাঝেমধ্যে কবর দেয়, তখনও কবরস্থান হিসেবে গড়ে উঠে নাই। এক কোনায় একটা ফাঁকা জায়গা দেখে সেখানে বাক্সে ভরা সাধুকে মাটির নিচে পুঁতে ফেললেন, লাশের পায়ের কাছে বয়ামটা রেখে সেটাকে মাটিচাপা দিলেন।

    যখন সবাই চলে আসছে তখন মনে হলো কবরের ভেতরটা ধুপ ধুপ করে কেঁপে উঠল। লপ সিয়াংয়ের লাশ গর্জন কাঠের বাক্স থেকে বের হওয়ার জন্য সিন্দুকের কপাটে ধাক্কা দিচ্ছে।

    কাহিনি শেষ করে মৌলভি সাহেব বললেন, “এখন বুঝেছো কেন এই কবর গরম?”

    “জি বুঝেছি।”

    “বুঝেছো, কেন তোমারে বলেছি তুমি যে কাজটা করতে চেয়েছো সেইটা অনেক বিপদের কাজ?”

    “জি বুঝেছি। আমি ভিতরে লপ সিয়াংরে দেখছি। ভিতরে বসে আছে।”

    মৌলভি সাহেব কানে হাত দিলেন। বললেন, “বলবা না— কিছু বলবা না। আমি কিছু শুনবার চাই না। ইন্তেকালের আগে আমার বাপজান আমারে বলে গেছে আমি যেন এই কবরের কথা কাউরে না বলি, কারো কাছে না শুনি।”

    মতি অন্যমনস্কভাবে মাথা নাড়ল। বলল, “হুজুর, আপনেরে একটা কথা জিজ্ঞেস করি?”

    “করো।”

    “ওই কবজটা এখনও কি কবরের ভিতরে আছে?”

    “নিশ্চয়ই আছে। কবজ না থাকলে জিগিরা ভিতরে আটকে থাকবে না। “হুজুর, আজ থেকে সত্তর-আশি বছর আগে জিগিরারে ভয় ছিল। এখন কি ভয় আছে? আমাদের গ্রামে পুরা ইলেকটিসিটি। ঘরে ঘরে টেলিভিশন, ফিরিজ।”

    মৌলভি সাহেব মাথা ঘুরিয়ে মতির দিকে তাকালেন, বললেন, “তুমি কী বলবার চাও?”

    “না, মানে এখন আর জিগিরার ভয় আছে? তারা কি এখন মানুষের ক্ষতি করতে পারবে?”

    “সেটা আমি জানি না।”

    মতি মাথা চুলকে বলল, “হুজুর, ওই কবজটা হাত দিয়ে ধরলে কী হতো?”

    “আমার বাপজান বলছেন, মানুষের হাত দিয়ে ধরা নিষেধ।”

    “কিন্তু ধরলে কী হবে?”

    “মানুষ হাত দিয়ে ধরলে এমন একটা দৃশ্য দেখবে যেটা মানুষের দেখার কথা না।”

    “সেইটা কী দৃশ্য?”

    “আমাদের জীবিত মানুষের যেই রকম একটা দুনিয়া আছে ঠিক সেই রকম মরা মানুষের আরেকটা দুনিয়া আছে। মনে হয় সেই দুনিয়া দেখবে।”

    মতি একটু হাসার চেষ্টা করল, বলল, “আমার সেইটা এক নজর দেখার শখ হুজুর।”

    মৌলভি সাহেব মাথা নেড়ে বললেন, “না, না—খবরদার-”

    মতির মুখের হাসি আরো বিস্তৃত হলো, বলল, “কেন হুজুর, কী হবে?”

    “বাপজান বলছিলেন, অনেক বড় বিপদ হবে। অনেক বড়—”

    “কিন্তু হুজুর, শখের উপরে তো কোনো হাত নাই—”

    মৌলভি সাহেব একধরনের আতঙ্ক নিয়ে মতির দিকে তাকিয়ে রইলেন। এই নির্বোধ মানুষটাকে সত্তর বছর আগের ঘটনাটা বলা ভুল হয়েছে।

    অনেক বড় ভুল হয়েছে।

    মৌলভি সাহেব অবশ্য বুঝতে পারলেন না, তিনি যত বড় ভুল করেছেন, প্রকৃত ভুলটি তার থেকে অনেক বড়। কারণ মতির যেটুকু আগ্রহ ভিন্ন জগৎ দেখার, তার চাইতে অনেক বেশি আগ্রহ কবজটি ভালো একটা জায়গায় মোটা টাকায় বিক্রি করে দেওয়ায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা
    Next Article টু-টু-টুনটুনি চু-চু-ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }