Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নকশা-কাটা কবজ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প152 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নকশা-কাটা কবজ – ৫

    ৫

    রাজু ফুটপাথে বিছিয়ে রাখা বইগুলো ভালো করে দেখার জন্য উবু হয়ে বসল। পুরান ঢাকার ফুটপাথে যারা পুরানো বই বিক্রি করে রাজু তাদের নিয়মিত খদ্দের। এবারের বইগুলো বেশি পুরানো, ভেতরের পৃষ্ঠাগুলো জীর্ণ। বেশির ভাগ বই বাঁধাই করা। আগে একটা সময় ছিল যখন বইকে সংরক্ষণ করতে হলেই সেগুলোকে বাঁধাই করতে হতো। কিছু কিছু বাঁধাই বেশ ভালো, প্রায় একশ বছর পরেও বইয়ের পৃষ্ঠাগুলো ধরে রেখেছে। বেশ কিছু বইয়ের বাঁধন খুলে এসেছে, পুরাতন পৃষ্ঠাগুলো ঝুরঝুর করে খুলে পড়ছে।

    রাজু বাঁধানো বইগুলো দেখতে দেখতে হঠাৎ করে থেমে গেল। এর মাঝে একটা হচ্ছে নোট বই, ভেতরে হাতের লেখা। নোট বইটা পুরানো, পৃষ্ঠাগুলো লালচে হয়ে গেছে। কিনারার দিকে লেখাগুলো অস্পষ্ট। হাতের লেখা সুন্দর—গোটা গোটা অক্ষর। রাজু চোখের কাছে নিয়ে পড়ার চেষ্টা করল, “…পিশাচ অতীব ক্রুদ্ধ। তাহাকে বশীভূত করা দুঃসাধ্য। প্রাণ সংহারের সমূহ আশঙ্কা বলবৎ। মাদ-মাংস ব্যতিরেকে অন্য অন্ন গ্রহণে অনিচ্ছা…”

    ভাষা যথেষ্ট জটিল, একটু পরে পরে নানা রকম মন্ত্র এবং নকশা। দেখে মনে হয় কোনো একজন মানুষ প্রেত সাধনা করে একটি পিশাচকে বশ করার চেষ্টা করছে। প্রতিদিন সেটি করতে তার কী সমস্যা হচ্ছে সেটি লিখে রাখছে। ভাষাটা একটু কটমটে, কিন্তু সব মিলিয়ে বিষয়টা যথেষ্ট চমকপ্রদ। যেহেতু মন্ত্রগুলো দেওয়া আছে, মনে হচ্ছে রাজু ইচ্ছে করলে নিজেও একটা পিশাচকে বশ করার চেষ্টা করতে পারে!

    রাজু দোকানিকে জিজ্ঞেস করল, “মামা, বইটার দাম কত?”

    দোকানি বইটা হাতে নিল, খুলে ভিতরে দেখে জিজ্ঞেস করল, “এইটা নিবেন? এইটা তো বই না, খাতা।”

    “হ্যাঁ”, রাজু মাথা নাড়ল, “এইটাই নিব।”

    দোকানি একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, “অন্য একটা বই কিনলে এইটা ফ্রি!”

    কাজেই রাজুকে অন্য একটা বই কিনতে হলো। যে বইটা কিনল তার নাম ‘জন্মান্তর রহস্য’। লেখকের নাম ‘তান্ত্রিক সিয়াং সি ওঝা’। আজকে এখানে যে বইগুলো এনেছে সেগুলো মোটামুটি এক জায়গা থেকে এনেছে এবং বইগুলোর প্রায় সবগুলোই অলৌকিক শাস্ত্রের বই। আজ থেকে আশি-নব্বই বছর আগে পুরো দেশ যখন কুসংস্কারে ডুবে ছিল তখন নিশ্চয়ই এই বইগুলোর যথেষ্ট কাটতি ছিল।

    .

    রাজু বইগুলো খুব গুরুত্ব দিয়ে কিংবা আগ্রহ নিয়ে পড়বে ভাবেনি, কিন্তু সে রাত জেগে পড়ল। ভেতরে বিশ্বাসযোগ্য কিছু নেই, কিছু অদ্ভুত মন্ত্ৰ চোখ বন্ধ করে আওড়ে গেলেই বিচিত্র কিছু ঘটে যাবে রাজু সেটা বিশ্বাস করে না। কিন্তু একটার পর একটা পড়ে যাবার পর নিজের ভেতর বিচিত্র একধরনের অনুভূতি হয়। তবে নোট বইটা খুবই চমকপ্রদ। একজন মানুষ একটা পিশাচকে বশ করার জন্য প্রেত সাধনা করে যাচ্ছে এবং অভিজ্ঞতাটি তার নোট বইয়ে লিখে রাখছে, সেটি পড়া যথেষ্ট বিচিত্র একটি অভিজ্ঞতা।

    নোট বই পড়ে রাজু অনেক কিছু শিখল, পিশাচদের নানা শ্রেণি আছে। তাদের মাঝে সবচেয়ে ক্ষমতাবানটির নাম শিটান। রাজুর ধারণা শিটান শব্দটা শয়তান শব্দ থেকে এসেছে। শিটানের অনেক চেলা-চামুন্ডা আছে, তারা পৃথিবীর নানা জায়গায় থাকে। মানুষের সাথে তাদের একধরনের অলিখিত বিরোধ। পিশাচের জগৎ আর মানুষের জগৎ আলাদা, একে অন্যের জগৎ সহজে দেখতে পায় না। তবে মানুষ নানা রকম সাধনা করে পিশাচের জগতে ঢুকতে শিখেছে। পিশাচদের নিয়ন্ত্রণ করতে শিখেছে! বিষয়গুলোর বিন্দুমাত্র বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই কিন্তু রাজু পড়ে যথেষ্ট মজা পেয়েছে। বই পড়ে এবং নোট বইটা দেখে সে যখন শেষ পর্যন্ত শুতে গিয়েছে তখন গভীর রাত। রাজু বেশ অবাক হলো যখন সে দেখল এত রাত্রে বাথরুমে যেতে তার কেমন জানি ভয় ভয় করছে।

    .

    ভোরবেলা রাজু ধড়মড় করে ঘুম থেকে উঠল। সকালে একটা ক্লাস থাকে। মনে হচ্ছে আজকে ক্লাসটা সে আর ধরতে পারবে না। সত্যি সত্যি সে অনেক তাড়াহুড়া করে গিয়েও ক্লাসটা ধরতে পারল না। ক্লাসরুমের কাছাকাছি একটা বারান্দায় বসে বসে সে গভীর মনোযোগ দিয়ে দূরের রাস্তা দিয়ে মানুষের চলাচল দেখতে লাগল।

    ক্লাস শেষ হওয়ার পর ছেলেমেয়েরা বের হয়ে আসে, তাকে বারান্দায় উদাসভাবে বসে থাকতে দেখে দুইজন তার সাথে একটু কথা বলল। রাজু এ রকম সময় মিলিয়াকে দেখল। সেদিন শাফকাতকে সাইকোপ্যাথ ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে মিলিয়া তার থেকে একটু দূরে দূরে আছে। রাজু ভাবল আজকেও নিশ্চয়ই তাকে না দেখার ভান করে হেঁটে যাবে। মিলিয়ার জন্য ব্যাপারটাকে সহজ করার জন্য সে তখন খুবই মনোযোগ দিয়ে রাস্তার দিকে তাকিয়ে রইল।”

    মিলিয়া অবশ্য চলে গেল না, তার পাশে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, “কী ব্যাপার? আঁতেল সাহেবের হাতে আজকে কোনো জ্ঞানের বই নাই?”

    রাজু হাসি হাসি মুখ করে বলল, “কাল সারারাত জেগে একটা বই পড়ে বইয়ের ওপর কেমন জানি এলার্জির মতো হয়ে গেছে।”

    “কী বই পড়েছিস? রোমান্টিক নভেল?”

    “না না। রোমান্সটা আমার ঠিক আসে না।”

    “তাহলে?”

    “প্রেতচর্চার ওপর বই। কেমন করে পিশাচ বশ করার সাধনা করতে হয় এইসব হাবিজাবি।”

    মিলিয়া চোখ বড় বড় করল, “পিশাচ বশ করা? কেমন করে পিশাচ বশ করে?”

    “যথেষ্ট কঠিন। আমার প্যাঁচ লেগে গেছে। শ্মশানে যেতে হয়—কিছু নোংরামি করতে হয়। তোর শখ থাকলে বল, তোকে বইটা দিতে পারি।”

    “না। আমার কোনো শখ নাই।”

    রাজু হাসি হাসি মুখ করে বলল, “তবে অনেক কিছু শিখেছি।”

    “কী শিখেছিস?”

    “আমাদের যে রকম জগৎ আছে ঠিক সে রকম পিশাচদের একটা জগৎ‍ আছে। একেবারে আলাদা জগৎ। তারা তাদের জগতে থাকে, আমরা আমাদের জগতে থাকি।”

    “তাদের জগৎটা দেখা যায় না?”

    রাজু হাসল, “মরে গেলে দেখবি!”

    মিলিয়া বলল, “থাক বাবা আমার মরে যাওয়ার শখ নাই।”

    “মাঝেমধ্যে এক জগতের প্রাণীর সাথে অন্য জগতের প্রাণীর ধাক্কাধাক্কি হয়।”

    “সত্যি?”

    রাজু মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ, যখন কেউ প্রেত সাধনা করে একটা পিশাচকে বশ করতে চায় তখন তাদের জগতে হাত দেওয়া হয়।”

    “পিশাচরা মানুষ সাধনা করে মানুষদের বশ করে না?”

    “করে নিশ্চয়ই! পৃথিবীর বদ মানুষেরা মনে হয় সেই রকম মানুষ।”

    মিলিয়া একটু অন্যমনস্ক হয়ে তার নখের দিকে দিকে তাকিয়ে রইল। রাজু পরিবেশটা স্বাভাবিক করার জন্য বলল, “বইটা ইন্টারেস্টিং কিন্তু পুরো গাঁজাখুরি। একটা বিষয় পেলাম না যেটা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করে টেস্ট করা যায়।”

    “কী রকম বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা?”

    ‘যে রকম ধর, কীভাবে একটা পিশাচকে একটা টেস্ট টিউবের মাঝে ভরে অ্যাটমিক ডিসচার্জ করা যায়।”

    মিলিয়া হাসল। রাজু বলল, “কী আজব একটা বই, যা ইচ্ছা তাই লিখে রেখেছে—কোনো প্রমাণ নাই।” রাজু একটু থেমে বলল, “পিশাচদের মনে হয় এলাকা ভাগ করা আছে। আমাদের এলাকার পিশাচ সর্দারের নাম কি জানিস?”

    “কী?”

    “জিগিরা।”

    “জিগিরিা? জিগিরা সর্দার? ভালোই তো শোনায়।”

    “মজার ব্যাপার কি জানিস?”

    “কী”

    “আমার বইয়ের লেখক অনুমান করছে জিগিরাকে কোনো মানুষ বন্দি করে রেখেছে! সেই জন্য বহু বছর তাকে দেখা যাচ্ছে না!”

    ‘পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বল সেই মানুষ যেন জিগিরাকে একটা টেস্ট টিউবে ভরে তোকে দিয়ে দেয়! তুই তাহলে অ্যাটমিক ডিসচার্জ করতে পারবি।”

    রাজু হাসল।

    মিলিয়া আবার অন্যমনস্ক হয়ে গেল। একটু পরে গলার স্বর পাল্টে বলল, “রাজু তোকে একটা জিনিস জিজ্ঞেস করি?”

    “কর।”

    “তুই কি সত্যি মনে করিস শাফকাত সাইকোপ্যাথ?”

    শাফকাত মানুষটাকে রাজুর খুব বেশি পছন্দ হয়নি। তার ভেতরে সাইকোপ্যাথের একটা লক্ষণ আছে বলে তার মনে হয়েছে কিন্তু সে সত্যি সাইকোপ্যাথ এটা কখনোই দাবি করতে পারে না। সত্যি কথা বলতে কী, মিলিয়ার সামনে বসে তার ভবিষ্যৎ স্বামী সম্পর্কে এ রকম ভয়ানক একটা কথা বলা তার মোটেও উচিত হয়নি। সেদিন এ রকম একটা কথা বলার পর থেকে তার ভেতরে একটা অপরাধবোধ জমা হয়ে আছে। আজকে মিলিয়া বিষয়টা নিজ থেকে তোলার পর রাজু শেষ পর্যন্ত তার অপরাধবোধ থেকে নিজেকে খানিকটা রক্ষা করার সুযোগ পেল।

    রাজু মিলিয়ার দিকে তাকিয়ে বলল, “ছিঃ ছিঃ মিলিয়া! তুই কেমন করে মনে করতে পারলি ব্যাপারটা সিরিয়াস! পুরো ব্যাপারটা তামাশা!”

    “কিন্তু—”

    “শাফকাত যদি সাইকোপ্যাথ হয় তাহলে আমিও সাইকোপ্যাথ! আমি ওই পাজলটার সমাধান করেছিলাম।”

    কথাটা সত্যি নয় কিন্তু মিলিয়াকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য একটু মিথ্যা কথা বলা যেতেই পারে। রাজু দেখল মিলিয়ার মুখটা একটু সহজ হলো। বিষয়টা নিশ্চয়ই তাকে দুর্ভাবনায় ফেলে দিয়েছিল।

    রাজু জিজ্ঞেস করল, “তোদের বিয়ের তারিখ ঠিক হয়েছে?”

    “হবে হবে করছে। এখনও পুরোপুরি ঠিক হয়নি!”

    “আমাদের দাওয়াত দিবি না?”

    “খুব ছোট অনুষ্ঠান হবে কিন্তু দুশ্চিন্তা করিস না, তোদের দাওয়াত দিবো।”

    রাজু মিলিয়ার দিকে তাকিয়ে রইল। কেন তার একটু মন খারাপ হলো সে বুঝতে পারল না।

    * * *

    দুই দিন পর রাজু ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখল তাদের ক্লাসের ছেলেমেয়েদের মাঝে মৃদু উত্তেজনা। একজনের হাতে একটা বিয়ের কার্ড, সবাই সেটি আগ্রহ নিয়ে দেখছে। মিলিয়া ক্লাসের সবাইকে বিয়ের দাওয়াত দিয়েছে। দুই দিন পর বিয়ে। বিয়ের অনুষ্ঠান একটা ফাইভ স্টার হোটেলে। উৎসাহী একজন তখন তখনই কারা কারা যাবে তার তালিকা করে ফেলল, মিলিয়ার জন্য একটা গিফট নিতে হবে। বিয়ের পরপরই মিলিয়া যেহেতু আমেরিকায় চলে যাবে, তাই গিফটটা সে রকম হতে হবে। সহজেই ছোট কিন্তু প্রয়োজনীয়। কী গিফট নেওয়া যায় সেটা নিয়ে আলোচনা শুরু হলো। সবাকে চাঁদা দিতে হবে, কত টাকা চাঁদা দিতে হবে, সেটা নিয়েও কথাবার্তা শুরু হলো, তখন একজন কার্ডটা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে সবাইকে দেখাল, নিচে ছোট করে লেখা আছে, “েেলৗকিকতা বর্জনীয়, বর-বধূর জন্য শুভেচ্ছা কাম্য।”

    কেউ প্রকাশ করল না কিন্তু সবাই হাঁফ ছেড়ে বাঁচল

    রাজু সত্যি সত্যি বিয়েতে যাবে কি না বুঝতে পারল না। ফাইভ স্টার হোটেলে যখন বিয়ের অনুষ্ঠান হয় তখন সেখানে যে ধরনের মানুষেরা থাকে, তাদের মাঝে সে সব হিসেবে বেমানান। মিলিয়ার সাথে যে তার খুব ঘনিষ্ঠতা, সেটাও সত্যি নয়, ইদানীং প্রায় হঠাৎ করে একটুখানি ঘনিষ্ঠতা হয়ে গেছে। সেটিও তার নিজের কারণে নয় মিলিয়ার খেয়ালিপনার জন্য। সে যদি না যায় তাহলে মিলিয়া আলাদা করে সেটা হয়তো লক্ষও করবে না।

    .

    তবে শেষ পর্যন্ত রাজু বিয়েতে হাজির হলো। নিজের পোশাক নিয়ে তার একটু সংশয় ছিল কিন্তু দেখা গেল সেটা আলাদা কোনো বিষয় হলো না— তাদের ক্লাসের ছেলেরা প্রায় সবাই তার মতো পোশাকে চলে এসেছে। এক-দুইজন একটা জ্যাকেট পরে এসেছে। তাদের মাঝে যে ছেলেটি একটি নির্বোধ ধরনের, সে একটি বিদঘুটে টাই লাগিয়ে এসেছে। তবে মেয়েদের কথা আলাদা, তারা সবাই সেজে ফুলপরি হয়ে এসেছে। একটি ছেলে সাজলে তাকে কেমন জানি আহাম্মকের মতো দেখায় কিন্তু মেয়েরা সাজলে তাদের দেখতে খুব ভালো লাগে। পশুপাখির মাঝে ব্যাপারটা পুরোপুরি উল্টো। সেখানে নারী প্রজাতি খুবই সাদামাটা, পুরুষ প্রজাতি সংয়ের মতো!

    রাজু ইচ্ছে করে একটু দেরি করে এসেছে ততক্ষণে তাদের ক্লাসের প্রায় সবাই এসে গেছে। বর-কনে বসার জন্য একটা সুন্দর মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে কিন্তু সেটি ফাঁকা। রাজু খুব বেশি বিয়ের অনুষ্ঠান দেখেনি, যে কয়টি দেখেছে সেগুলো নেহায়েতই মধ্যবিত্তের বিয়ে, সেই অনুষ্ঠানের সাথে নিশ্চয়ই এটি তুলনা করা যাবে না।

    কম বয়সি ছেলেমেয়েরা দৌড়াদৌড়ি করছে, বয়স্ক মানুষেরা বসে-দাঁড়িয়ে কথা বলছে। কয়েকজন মানুষ ক্যামেরা নিয়ে ক্রমাগত ছবি তুলে যাচ্ছে। তাদের ক্লাসের মেয়েরা ক্লান্তিহীনভাবে ছবি তোলার জন্য পোজ দিয়ে যাচ্ছে। রাজু চোখের কোনা দিয়ে মিলিয়াকে খুঁজছিল, হঠাৎ করে পেয়ে গেল। মধ্যবিত্তের বিয়েতে মেয়েদের নূতন বউ হিসেবে মাথা নিচু করে বসে থাকতে হয়। এখানে মিলিয়া মোটেই নূতন বউ হিসেবে মাথা নিচু করে চুপচাপ বসে নেই—সে সবার মাঝে হাঁটাহাঁটি করে বেড়াচ্ছে। তাদের ক্লাসের মেয়েরা তাকে ঘিরে রেখেছে। রাজু কাছে গিয়ে কিছু বলবে কি না বুঝতে পারল না। শেষ পর্যন্ত দূরেই থাকা সিদ্ধান্ত নিল।

    একটু পর “বর এসেছে” “বর এসেছে” এ রকম একটা রব উঠল তখন বাচ্চাদের সাথে সাথে তাদের ক্লাসের সব ছেলেমেয়ে গেট আটকানোর জন্য ছুটে গেল। জায়গাটা একটু ফাঁকা হওয়ায় রাজু বসার একটা ভালো জায়গা পেয়ে গেল, একটু কোনার দিকে এবং যেখান থেকে স্টেজটা ভালো দেখা যায়। সেখান থেকে সে মিলিয়াকে লক্ষ করতে থাকে, সে এখন মনে হয় নিজেদের আত্মীয়স্বজনের সাথে কথা বলছে, দেখে মনে কিছু একটা নিয়ে তর্ক হচ্ছে। হঠাৎ করে রাজুর সাথে মিলিয়ার চোখাচোখি হয়ে গেল তখন মিলিয়া তর্ক বন্ধ করে তার দিকে হেঁটে আসতে থাকে। রাজুও উঠে দাঁড়িয়ে তাড়াতাড়ি মিলিয়ার দিকে এগিয়ে গেল। মিলিয়া হাসি হাসি মুখে বলল, “কী হলো? তুই গেট ধরতে গেলি না?”

    “যারা গেছে তারা যথেষ্ট এক্সপার্ট! আমার না গেলেও ক্ষতি হবে বলে মনে হচ্ছে না।”

    রাজু একটু অবাক হয়ে মিলিয়ার দিকে তাকিয়ে থাকে। এই প্রথম তার সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে তার একটু সমস্যা হচ্ছে। বিয়ের সাজের জন্য তার চেহারা অন্য রকম হয়ে গেছে। তাকে দেখে প্রথম বার একজন অপরিচিত মেয়ের মতো মনে হচ্ছে। একজন পরিচিত মানুষের চেহারা হঠাৎ অপরিচিত মানুষের মতো মনে হয় তখন তার সাথে কথা বলতে জড়তা হয় কে জানত!

    মিলিয়া বলল, “বিয়েতে আসার জন্য থ্যাংকু।”

    “কেন? আসব না কেন?”

    “তুই আঁতেল মানুষ। তোর কাছে কোনটা ঠিক আর কোনটা বেঠিক মনে হয় কে বলবে?”

    “যত বড় আঁতেলই হোক খাওয়া-দাওয়া কখনো বেঠিক না!”

    মিলিয়া হাসার ভান করল। রাজু জিজ্ঞেস করল, “তুই আমেরিকা কবে যাবি?”

    মিলিয়ার মুখে বিষণ্নতার একটা ছায়া উঁকি দিয়ে যায়। ঘাড় নেড়ে বলল, “খুব তাড়াতাড়ি। দুই-এক দিনের ভিতরে।”

    “এত তাড়াতাড়ি?”

    “শাফকাত বলেছে বিয়ের পর হাজব্যান্ড-ওয়াইফ আলাদা থাকা ঠিক না!”

    “মনে হয় ঠিকই বলেছে।” রাজু আলাপ করার আর কিছু না পেয়ে নিরাপদ আলাপে মন দিলো, “আর তোর লেখাপড়া?”

    “ওখানে কোনো ইউনিভার্সিটিতে অ্যাডমিশন নিয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করে নেব।”

    “গুড!”

    “কেন? গুড কেন?”

    “সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দিতে হবে না!”

    রাজুর অবশ্য আর কষ্ট করে আলাপ চালিয়ে যেতে হলো না, হঠাৎ করে সেজেগুজে থাকা একটা মেয়ে মিলিয়ার কাছে এসে বলল, “আপু চল চল আন্টি ডাকছে—তাড়াতাড়ি।”

    মিলিয়া রাজুর দিকে তাকিয়ে বলল, “ঠিক আছে রাজু। যাই।”

    রাজু মাথা নাড়ল তারপর তার জায়গায় গিয়ে বসে পড়ল।

    বেশ খানিকক্ষণ সময় কেটে যায়। বোঝাই যাচ্ছে শাফকাতকে গেটে আটকে রেখে টাকা আদায় করতে যথেষ্ট সমস্যা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত একটা আনন্দধ্বনি শোনা গেল এবং প্রায় সাথে সাথে শাফকাতকে হেঁটে আসতে দেখা গেল। রাজু ভেবেছিল শাফকাত বিয়ের পোশাক রংচংয়ে আচকান আর পাগড়ি পরে আসবে কিন্তু দেখা গেল সে স্যুট-টাই পরে এসেছে। মানুষটির রুচি অসাধারণ! তাকে দেখতে একজন রাজপুত্রের মতো দেখাচ্ছে। যারা আগে কখনো শাফকাতকে দেখেনি, বিশেষ করে কম বয়সি মেয়েদের চোখে-মুখে একটা বিস্ময়ের ছাপ পড়ল, নিজের অজান্তেই তাদের মুখ দিয়ে একধরনের শব্দ বের হয়ে এলো।

    বয়স্ক মানুষেরা একটু এগিয়ে এসে শাফকাতকে মঞ্চে নিয়ে গেল, কমবয়সি বেশ কয়েজন ছেলেমেয়ে সেখানে তাকে ঘিরে রইল। কয়েকজন তরুণী মিলে মিলিয়াকেও মঞ্চে নিয়ে যায়। সিংহাসনের মতো দেখতে একটা সোফায় দুজনকে পাশাপাশি বসিয়ে দেয়া হলো। ক্যামেরাম্যানরা এসে তাদের ছবি নিতে থাকে।

    “কী অসাধারণ কাপল! দেখেছিস?”

    গলার স্বর শুনে রাজু মাথা ঘুরে তাকায়। তাদের ক্লাসের নির্বোধ ধরনের ছেলেটি—যে আজকে অত্যন্ত বেমানান একটা টাই পরে এসেছে, সে তার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। ছেলেটি আরেকটা বিস্ময়ের শব্দ করে বলল, “শালার চেহারাটা দেখেছিস? যেই রকম চেহারা সেই রকম মালদার। আমেরিকায় শালার নিজের বাড়ি আর দুইটা গাড়ি।”

    রাজু একটু অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “তুই কেমন করে জানিস?”

    “জিজ্ঞেস করেছিলাম।”

    “কখন জিজ্ঞেস করলি?”

    “এই তো হেঁটে ভিতরে ঢোকার সময়।”

    রাজু নির্বোধ ছেলেটির দিকে তাকিয়ে রইল, নির্বোধ হয়ে জন্ম নেওয়ার মাঝে নিশ্চয়ই একধরনের আনন্দ আছে।

    মঞ্চ থেকে একধরনের আনন্দধ্বনি শোনা গেল। রাজু সেদিকে তাকাল, মিলিয়া আর শাফকাত পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। দুজনেরই হাসি হাসি মুখ। শাফকাত মাথা ঘুরিয়ে দেখছে, হঠাৎ করে রাজুর সাথে চোখাচোখি হয়ে গেল। শাফকাত এক মুহূর্ত তার দিকে তাকিয়ে থাকে, মুখে একধরনের বিচিত্র হাসি ফুটে উঠল, তারপর দিকে তাকিয়ে চোখ টিপল, যেন দুইজন কত দিনের বন্ধু, যেন দুইজন মিলে কিছু একটা ষড়যন্ত্র করেছে, যার কথা তারা দুইজন ছাড়া আর কেউ জানে না!

    রাজু মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকা মিলিয়ার দিকে তাকাল, হঠাৎ করে মনে হলো মিলিয়ার খুব বিপদ! ভয়ানক একটি বিপদ। মনে হলো রাজু চিৎকার করে বলল, “পালা, মিলিয়া পালা। এই ভয়ানক দানবের হাত থেকে পালা।”

    রাজু অবশ্য কিছুই করল না। এক দৃষ্টে হাসি হাসি মুখে দুইজনের দিকে তাকিয়ে রইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা
    Next Article টু-টু-টুনটুনি চু-চু-ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }