Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নক্ষত্রের রাত – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প95 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. রেবেকার অভ্যেস

    রেবেকার অভ্যেস হচ্ছে প্রতিদিন কম করে হলেও চার-পাঁচ বার মেইল-বক্স পরীক্ষা করা। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে যখনই সময় পায় তখনই একতলায় চলে যায়। চৌষট্টি লেখা ছোট্ট খোপটি খোলে। এই সময় তার বুক কাঁপতে থাকে। প্রথম দিকে সারাক্ষণই মেইল-বক্স ফাঁকা থাকত। তার মনে একটা সন্দেহ থাকত, হয়তো ভুলে তার চিঠি অন্য কারো খোপ চলে গেছে। সেই সন্দেহটা এখন আর হয় না। আমেরিকানরা কাজ করে নির্ভুল, এই বিশ্বাস তার হচ্ছে।

    আজ বুধবার। দেশের চিঠি আসার কথা নয়। সাধারণত দেশের চিঠি আসে সোম এবং মঙ্গলবারে। তবু রেবেকার মনে হতে লাগল, তার চিঠি আছে। যেটা খুব বেশি মনে হয় সেটা সাধারণত হয় না। কাজেই সে প্ৰাণপণে ভাবতে চেষ্টা করল, আজ কোন চিঠি পাওয়া যাবে না। মেইল-বক্স থাকবে ফাঁকা।

    কিন্তু বেশ কয়েকটি চিঠি ছিল। এর মধ্যে একটি দেশের। খামের উপরে বাংলায় লেখা, প্রেরক ফরিদা ইয়াসমিন। শুধু প্রেরকের নাম নয়, প্রাপকের নামও লেখা বাংলায়। এদের কি বুদ্ধিশুদ্ধি কোনোকালে হবে না? বাংলা নামটা এখানে পড়বে কে? এরা যে বুদ্ধি করে রেবেকার মেইল বক্সে রেখে গেছে–তাই যথেষ্ট।

    ফরিদার চিঠি ছাড়া আর যা এসেছে, তার সবই বোধহয় জাঙ্ক মেইল। জিনিসপত্র বিক্রি করার আমেরিকান কায়দা। তারা এই সব চিঠি কি বেছে বেছে বিদেশীদের পাঠায়? হয়তো ভাবে, বোকা বিদেশীরা এই ফাঁদ বুঝতে পারবে না। রেবেকাকে একটি চিঠি লিখেছে সিয়াটলের এক ঘড়ি কোম্পানি, লিখেছে–মিসেস রেবেকা ইয়াসমিন, আপনি আমাদের অভিনন্দন গ্রহণ করুন। কারণ আপনি একটি প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করেছেন। প্রতিযোগিতাটি হয়েছে আপনার অগোচরে। আমরা সমগ্র আমেরিকার পঞ্চাশ জন ভাগ্যবান ব্যক্তির একটি তালিকা করেছি, তাতে আপনার নাম উঠেছে। আমরা আপনাকে প্ৰতিযোগিতায় জয়লাভের কারণে একটি কোকিল-ঘড়ি পাঠাচ্ছি। জিনিসটি জার্মান কারিগর কর্তৃক হাতে তৈরী। এবং প্রায় দুশ ডলার মূল্যের এই অপূৰ্ব ঘড়িটি দেওয়া হবে মাত্র উনিশ ডলারে।

    রেবেকা ভেবে পায় না এরা এত তাড়াতাড়ি তার নাম জানল কী করে? নাম জানার এই কষ্টটি করবার জন্যেই কি ওদের কাছ থেকে একটি ঘড়ি কেনা উচিত নয়?

    আজ দুটি চিঠি এসেছে রিয়েল স্টেট বিজনেসের লোকজনদের কাছ থেকে। তারা জানতে চাচ্ছে, রেবেকা কি এখানে কোন বাড়ি কিনতে আগ্রহী? পাঁচ হাজার ডলার ডাউন পেমেন্ট দিয়ে সে এই মুহূর্তে একটি বাড়ি কিনতে পারে। বাড়ির দাম মাসিক কিস্তিতে শোধ করতে হবে। সুদের হার শতকরা তের ভাগ। তারা বেশ কিছু বাড়ির ছবি পাঠিয়ে দিয়েছে।

    এমন চমৎকার সব বাড়ি যে দেখলেই কষ্ট হয়। একটি কাঠের বাড়ি খুব মনে ধরল রেবেকার। লেকের পাশে দোতলা বাড়ি। বিশাল এক বারান্দা। সেখানে পুরনো আমলের একটি ইজিচেয়ার পাতা আছে। দেখলেই শুয়ে থাকতে ইচ্ছা করে। বাড়িটাকে ঘিরে আছে বিশাল পাইনগাছের সারি। ছবিটি তোলা হয়েছে বাতাসের মধ্যে, কারণ পাইনগাছগুলি এক পাশে হেলে আছে। লাল স্কার্ট-পরা একটি মেয়েও দাঁড়িয়ে আছে বাড়ির সামনে, বাতাসে তার চুলও উড়ছে।

    এই রকম একটি বাড়ি থাকলে জীবনটা কি অন্য রকম হয়ে যেত না? বিকেলবেলায় বিশাল বারান্দায় বসে চা খেত। লাল স্কার্ট-পরা মেয়েটির মতো ফুল উড়িয়ে হাঁটত পাইনগাছের নিচে। জোৎস্নারাতে তার বরকে সঙ্গে করে নৌকা নিয়ে বেড়াতে যেত হ্রদে। আহু, কী অপূর্ব জীবন এদের।

    রেবেকা ছোট্ট একটি নিঃশ্বাস ফেলে অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে অন্য চিঠিগুলি দেখতে লাগল। একটা চিঠি এসেছে নৰ্থ ডাকোটা স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিনের কাছ থেকে। রেবেকাকে জানান হয়েছে যে, তাকে গ্রাজুয়েট স্টুডেন্ট হিসেবে নেওয়া হয়েছে স্প্রিং কোয়ার্টার থেকে। তাকে ফুী টিউশন দেওয়া হয়েছে এবং এ ছাড়াও প্রতি মাসে তাকে দেওয়া হবে চার শ পঁচাত্তর ডলার। ভিসাসংক্রান্ত ব্যাপারগুলি মেটার জন্যে তাকে অবিলম্বে ফরেন স্টুডেন্ট এ্যাডভাইজারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। সত্যি তাহলে ব্যাপারটা ঘটেছে। এবার বোধহয় খবর জানিয়ে সবাইকে চিঠি লেখা যাবে। চিঠি পড়ে ওদের কী অবস্থা হবে কে জানে? কেউ নিশ্চয়ই বিশ্বাসই করতে চাইবে না। তাদের আত্মীয়স্বজনদের কেউই পি-এইচ. ডি ডিগ্ৰীওয়ালা নেই। দুরসম্পর্কের এক মামা আছেন এম.আর.সি.পি.। ভদ্রলোক কখনো কাউকে চিনতে পারেন না। রেবেকার তাড়াহুড়োর বিয়ের পর একটা টি-পার্টির ব্যবস্থা হল। সব আত্মীয়স্বজনকে দাওয়াত দেওয়া হল। এম.আর.সি.পি, মামাকেও দেওয়া হল। টুটুলের বক্তব্য হচ্ছে, দীর্ঘ সময় ভদ্রলোক চিনতেই পারেন নি কার বিয়ে হয়েছে। তারপর নাকি এমন একটা ভঙ্গি করেছেন, যার মানে হচ্ছে চিনতে পারি নি, তাতে কি? পৃথিবীর সবাইকে তো আর চেনা যায় না। দেখি, সময় পেলে যাব।

    শেষের অংশটা টুটুলের বানানট। সে খুব বানিয়ে কথা বলে। মামা ভদ্রলোক দাওয়াতে এসেছিলেন। বাঁশের তৈরী একটা ফুলদানি প্রেজেন্ট করেছিলেন। টুটুলের ধারণা, সেই ফুলদানিটা তিনি নিজেই বাঁশ চেছে বানিয়েছেন। টুটুল দারুণ ফাজিল হয়েছে।

    গত কয়েক দিন ধরে ক্লাসগুলি কেমন টিলেঢালা হয়ে গেছে। ক্লাস শেষ হওয়ামাত্র কুইজ হচ্ছে না। এটা নাকি করা হচ্ছে ক্রিসমাসের কারণে। যাবতীয় পরীক্ষা নিয়ে যাওয়া হয়েছে ক্রিসমাসের পর। বিদেশীরা তাদের পড়ালেখা যাবতীয় উৎসবের বাইরে রাখে বলে যে কথাটি প্রচলিত, তা ঠিক নয়। আমরা যেমন কিছু কিছু রোজার ঈদের পরে নিয়ে যাই, এরাও তাই করে। পরীক্ষায় নকলের ব্যাপারটাও তার চোখে পড়েছে। একটি আমেরিকান ছেলে বইয়ের পাতা কেটে হাঁটুর ওপর রেখে লিখছে, এই দৃশ্যটি তার নিজের চোখে দেখা।

    দুপুরবেলা ড. রেলিং-এর একটা ক্লাস ছিল। কেমিকেল প্ৰিজারভেটিভস-এর উপর। ড. রেলিং এসে জানালেন তিনি ক্লাসটা নিতে পারছেন না। কারণ প্রচণ্ড সর্দিতে তাঁর নাক বন্ধ। তিন ঘন্টার ভেতর ছটা টাইলান খেয়েও কিছু হচ্ছে না।

    রেবেকা লক্ষ করল, ক্লাস হবে না শুনে আমেরিকান ছাত্রগুলি বাংলাদেশের ছাত্রদের মতোই হৈ-হৈ করে উঠল, যেন একটি মহানন্দের ব্যাপার ঘটে গেছে।  ড. রেলিং বললেন, যে-সব বিদেশী ছাত্রছাত্রী এখনো ক্রিসমাসের ডিনারের। দাওয়াত পায় নি তাদের জন্য আমরা কিছু হোস্ট যোগাড় করেছি। তাদের লিস্ট অফিসে আছে। বিদেশী ছাত্রদের অনুরোধ করা হচ্ছে, তারা যেন পছন্দসই হোস্ট বেছে নেয়।

    রেবেকার নিমন্ত্রণ এসেছে দু জায়গা থেকে। প্রফেসর ওয়ারডিংটন এবং ড. রেলিং। কোনটিতে সে যাবে, এখন মনস্থির করতে পারে নি। খালিহাতে নিশ্চয়ই যাওয়া যাবে না। একটা কিছু কিনে নিয়ে যেতে হবে। কী কেনা যায় কে জানে? পাশা ভাইকে নিয়ে যেতে হবে এক বার ওয়েস্ট একারে। ক্রিসমাসের সবচেয়ে বড়ো বাজার নাকি সেখানেই।

    রেবেকা খানিকক্ষণ ঘুরে বেড়াল নিজের মনে। এত সকাল-সকাল ডরমিটরিতে ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে না। ডরমিটরিতে যাওয়া মানেই নিজের ঘরে গম্ভীর হয়ে বসে থাকা। এর চেয়ে বিশাল ইউনিভার্সিটিতে নিজের মনে ঘুরে বেড়াতে তার বেশ লাগে।

    হ্যালো রেবেকা।

    রেবেকা তাকিয়ে দেখল রেড চায়নার মি ইন ছোট-ঘোট পা ফেলে এগিয়ে আসছে।

    রেবেকা, তুমি কেমন আছ?

    একটু আগেই ক্লাসে যার সঙ্গে ছিল, সে এখন তাকে জিজ্ঞেস করছে।-কেমন আছ? রেবেকা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। মি ইন বলল, চল, কফি খাই।

    রেবেকা গেল তার সঙ্গে। মি ইন কোনো একটা ব্যাপারে একটু উত্তেজিত। রেবেকা বলল, আমাকে কি তুমি কিছু বলবে?

    হ্যাঁ। চল, কফি খেতে-খেতে বলব।

    মি ইন যে কথাটি বলল, তার জন্যে রেবেকা ঠিক প্রস্তুত ছিল না।

    রেবেকা, এরা আমাকে এই ইউনিভার্সিটিতে একটি টিচিং এ্যাসিস্টেন্টশিপ দিয়েছে। এরা চায় আমি স্প্রিং কোয়ার্টার থেকেই ক্লাস করতে শুরু করি।

    তাই নাকি?

    হ্যাঁ, চিঠিটা আমার সঙ্গেই আছে। দেখতে চাও?

    না, দেখতে চাই না।

    মি ইন চিন্তিত মুখে বলল, আমেরিকানরা উদ্দেশ্য ছাড়া কোনো কাজ করে না। এর পেছনে কোন পলিটিক্যাল উদ্দেশ্য নিশ্চয়ই আছে।

    কী উদ্দেশ্য থাকবে?

    সেটা বুঝতে চেষ্টা করছি। তোমাকে এই অফার দেবার পেছনে কারণ থাকতে পারে। আমাকে দেবার কারণ নেই। আমি খুবই মিডিওকার এক জন ছাত্রী।

    এত ভাবছ কেন? অফার দিচ্ছে যখন, নিয়ে নাও।

    নিয়ে নাও বললেই তো নেওয়া যায় না। দেখতে হবে আমার দেশ রাজি হয় কিনা। রাজি হবে না, এটা প্ৰায় ধরেই নেওয়া যেতে পারে।

    মি ইন এই ব্যাপারটায় যথেষ্টই বিচলিত হয়েছে বোঝা যাচ্ছে। সে দ্বিতীয় পেয়ালা কফি নিয়ে এল। রেবেকা কিছু হালকা কথাবার্তা বলতে চেষ্টা করল। কিন্তু মি ইনের মন নেই।

    রেবেকা বলল, মি ইন, এই ছবিটা দেখ। কেমন চমৎকার একটা কাঠের বাড়ি, দেখলে?

    হুঁ, দেখলাম।

    পাঁচ হাজার ডলার থাকলেই এই বাড়িটা কেনা যায়। আমার কাছে যদি থাকত, আমি কিনতাম।

    এত বড় একটা বাড়ির তোমার দরকারটা কী?

    আরে, মেয়েটা বলে কি! দরকার না থাকলে বুঝি বিশাল একটা বাড়ি থাকতে পারবে না?

    মি ইন বলল, ছবিতে বাড়িটা যত সুন্দর লাগছে, আসলে তত সুন্দর নয়। ছবিতে সব জিনিস ভালো দেখায়।

    আমেরিকা তুমি সহ্যই করতে পার না। তাই না মি ইন?

    হ্যাঁ, তাই, নোংরা আমেরিকানদের কোন কিছুই ভালো হতে পারে না।

    রেবেকা কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে বলল, চল না–বাড়িটা দেখে আসি। ক্রিসেন্ট লেকের পাশেই বাড়ি। কাছেই তো। একটা ক্যাব নিয়ে যাব।

    পাগল নাকি তুমি।

    কেন, অসুবিধা কী?

    শুধু শুধু এই বাড়ি দেখে কী হবে! তুমি তো আর কিনছ না?

    কিনতে ইচ্ছে করে যে

    মি ইন অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। বাংলাদেশী এই মেয়েটি অদ্ভুত। পড়াশোনায় খুব তুখোড়। এবং বেশ সাহসী। সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব যে-দেশে হয় নি, সে-দেশের মেয়েরা সাহসী হয় না বলে একটি কথা প্রচলিত আছে–তা সম্ভবত ঠিক নয়।

    রেবেকা, চল ওঠা যাক।

    তুমি যাও, আমি একটু বসব।

    একা-একা বসে থাকবে?

    একা কোথায়, এত লোকজন?

    মি ইন চলে যেতেই রেবেকা বোনের চিঠি খুলল। বাড়ির চিঠিগুলি সে সাধারণত রাতে শোবার সময় পড়ে। পড়তে পড়তে তার চোখ ভিজে যায়। কত ছোটখাট সুখস্মৃতি মনে পড়ে সমস্ত হৃদয়কে অভিভূত করে দেয়।

    আপা, তোমার দেশে ফেরার দিন তো ঘনিয়ে এল। সিরিয়াস একটা রিসেপশন আমরা তোমাকে দেব। এয়ারপোর্টে হাজির হব ফুলের মালা নিয়ে। এখনি তার প্রস্তুতি চলছে। মা সব আত্মীয়স্বজনকে চিঠি দিয়েছেন তোমার আসবার তারিখ জানিয়ে।

    এদিকে ছোট দুলাভাইও মনে হয় তোমার বিরহে খানিকটা কাতর। তাঁর ঘরে গিয়ে দেখি, তোমাদের একটা বিরাট ছবি বাঁধান। এরকম কায়দা করে তুমি ছবি কখন তুললে, তা তো জানি না। স্টুডিওতে তোলা ছবি নিশ্চয়ই। ছবিতে তোমাকে খুব ফর্সা লাগছে। আর দুলাভাইকে বেশ বোকা-বোকা লাগছে।

    ভালো কথা, দুলাভাই হঠাৎ কী মনে করে গোফ রাখতে শুরু করেছিলেন। আমি এবং টুটুল স্ট্রং প্রোটেস্ট করায় সেই গোঁফ হেঁটে ফেলা হয়েছে। এখন মনে হচ্ছে, গোঁফ থাকা অবস্থাতেই ভালো দেখাচ্ছিল। তোমার কাছে দুলাভাইয়ের একটা গোফলা ছবি পাঠালাম। তুমি তোমার মতামত জানিয়ে চিঠি দেবে। তুমি যদি ইয়েস বল তাহলে আবার গোীফ রাখান হবে।

    এখন দিচ্ছি সবচে ইন্টারেস্টিং খবরটি। হোট দুলাভাই ওদের বাড়ির দোতলায় একটা ঘর তুলছেন–তুমি এসে ঐ ঘরে উঠবে। দুলাভাইয়ের এক আর্কিটেক্ট ফ্রেণ্ড ডিজাইন দিয়েছেন। শোবার ঘরের সঙ্গে ছোট্ট একটা ড্রেসিংরুম। বিরাট এ্যাটাচড় বাথ।

    এই হলঘরের মতো বড়ো বাথরুমে বাথটাবের ব্যবস্থাও থাকবে। বিদেশী বাথটাবগুলির সাংঘাতিক দাম। দেশীগুলি আবার দেখতে ভালো না। গুলশান মার্কেটে মাঝে মাঝে সেকেণ্ড-হ্যাণ্ড বিদেশী বাথটাব পাওয়া যায়। সাহেবরা ঘর ভাড়া নিয়ে নিজেরা বাথটাব ফিট করে নেয়। আবার যাবার সময় খুলে বেচে দিয়ে। যায়। দুলাভাই কিনতে চেষ্টা করছেন।

    পাওয়া গেলে খুব ভালো হয়। আমি তাহলে গরমের সময় তোমাদের ওখানে চলে যেতে পারি। সিনেমার নায়িকাদের মতো সাবানের ফেনার মধ্যে ড়ুবে থাকব, শুধু মাথাটা ভাসবে। তোমাকে এই অবস্থায় আমার একটা ছবি তুলে দিতে হবে।

    আপা, আমার চিঠির সঙ্গে যে লিস্টিটা দেখছ, এটা টুটুলের। এর প্রতিটি জিনিস তোমাকে আনতে হবে। না আনলে টুটুল নাকি একটা সিরিয়াস কাণ্ড করবে। আমি কোনো লিস্ট দিচ্ছি না, তোমার শুভ বুদ্ধির উপর আস্থা রাখছি। এবং আমি জানি, তুমি আমাকে বেশি ভালোবাসা।

    আলো মরে আসছে। রেবেকা উঠে পড়ল। তার পাশা ভাইয়ের ওখানে যেতে ইচ্ছা করছে। দেশ থেকে চিঠি পেলেই কারো সঙ্গে বাংলায় কথা বলতে ইচ্ছা করে। কেন করে কে জানে? রেবেকা টেলিফোন বুথের দিকে এগোল।

    হ্যালো, পাশা ভাই?

    হ্যাঁ।

    এমন এক দিনও গেল না, যেদিন টেলিফোন করে আপনাকে পাওয়া যায় নি। আপনি কি এক সেকেণ্ডের জন্যেও ঘর ছেড়ে কোথাও যান না?

    যাই। তবে বেশির ভাগ সময় ঘরেই থাকি। এক সময় পুলিশ রাস্তাঘাট থেকে ইল্লিগ্যাল এলিয়েন ধরতে শুরু করল। রেগান এ্যাডমিনিস্ট্রেশনের শুরুর দিকের কথা বলছি। সেই সময় পুলিশের ভয়ে ঘর থেকে বিশেষ বের হতাম না। কাজেই ঘরে থাকতে-থাকতে ঘরে থাকাই অভ্যেস হয়ে গেছে।

    এখন অভ্যাসটা বদলাতে হবে। আমাকে নিয়ে এক জায়গায় যেতে হবে।

    কোথায়?

    ক্রিসমাসের একটা গিফট কিনব। কী কেনা যায় বলুন তো?

    কত টাকার মধ্যে কিনবে? তোমার বাজেট কত?

    আগেই বাজেটের কথা বললে আমার রাগ লাগে। কী কেনা যায় সেটা আগে ভেবেটেবে বলুন। কী দিলে সবচে খুশি হবে?

    খুব ভালো এক বোতল শ্যাম্পেন দিতে পার। ওরা এটা পছন্দ করবেই।

    কী যে পাগলের মতো আপনার কথা! আমি তাকে মদের বোতল দেব? কী সর্বনাশ!

    তুমি তো আর খাচ্ছ না। ও খাবে। এবং বেশ পছন্দ করেই খাবে।

    হ্যালো, পাশা ভাই।

    বল।

    টুটুল একটা লিস্টি পাঠিয়েছে। অদ্ভুত সব জিনিসের নাম সেই লিস্তিতে। এগুলি কোথায় পাওয়া যায় বলতে পারেন?

    নাম বল, তখন বুঝতে পারব।

    একটা প্লাস্টিকের মাকড়সা, যেটা চাবি দিয়ে ছেড়ে দিলে দেয়াল বেয়ে ওঠে। একটা রবারের পুতুল তো মার্বেলের গুলির মত ছোট, কিন্তু পানিতে ছেড়ে দিলে বড়ো হতে থাকে। আরেকটা যন্ত্র, যেটা মুখে দিয়ে কথা বললে মনে হয় অনেক দূর থেকে কেউ কথা বলছে। পাশা ভাই, আপনি হাসছেন কেন?

    এমনি হাসছি।

    এইসব পাওয়া যায় না, তাই না?

    যায় নিশ্চয়ই। কোথাও দেখেই সে লিখেছে। দেখব খুঁজে।

    হ্যালো, পাশা ভাই।

    বল।

    আপনার ঐ খেলাটি কি ওরা কিনেছে?

    পাশা কোনো জবাব দিল না। রেবেকা বিরক্ত স্বরে বলল, কথা বলছেন না। কেন? না কিনলে বলুন সেটা।

    না। কেনে নি।

    এখন কী করবেন?

    জানি না কী করব। দেখি।

    আপনার কাছে এখন মোট কত ডলার আছে?

    অল্প।

    অল্পটা কত বলেন। নাকি আমাকে বলা যাবে না?

    সাত শ ডলারের মতো আছে। এইসব শুনে তুমি কী করবে?

    রেবেকা জবাব দিল না।

    পাশা বলল, কাল বিকেলে তোমাকে বাজারে নিয়ে যাব, নাকি আজই যেতে চাও?

    কাল গেলেই হবে।

    রেবেকা ছোট একটি নিঃশ্বাস ফেলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্বৈরথ – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article নবনী – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }