Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ১২

    ১২

    পরের দিন সকালে উঠে প্রিয়ম অফিস বেরিয়ে যাওয়ার পর ব্রেকফাস্ট সেরে রুদ্র একটা ফোন করল ড শ্যুমাখারকে। প্রথমে অনেকক্ষণ আউট অফ রিচ বলছিল। তারপর একবার রিং—হতে —না—হতেই ভদ্রলোকের গলা শোনা গেল, ‘হ্যাঁ ম্যাডাম, বলুন। গুড মর্নিং!’

    ‘গুড মর্নিং!’ রুদ্র মিষ্টি করে হাসল, ‘আজ কি একটু ফ্রি আছেন? দেখা করা যেতে পারে কি একবার? একটু আলোচনা ছিল।’

    ভদ্রলোক যেন একটু চিন্তা করছেন, ‘আজ? উমম, দুপুরে হলে অসুবিধা হবে কি? এই ধরুন লাঞ্চের পর, তিনটে নাগাদ?’

    রুদ্র বলল, ‘একেবারেই নয়। বলুন, কোথায় যাব? আপনার ক্লিনিকে যাব কি?’

    ‘না না!’ ড শ্যুমাখার হাঁ হাঁ করে উঠলেন, ‘ক্লিনিকে একদমই আসবেন না, এখানে এসব ডিসকাশন একেবারেই নিরাপদ নয়, বলেছিলাম না আপনাকে?’

    রুদ্র বলল, ‘না, আমি গেলে কাউকে বুঝতে দিতাম না কিছু। যাই হোক, তাহলে বলুন কোথায় দেখা করবেন?’

    ড শ্যুমাখার একটু থেমে বললেন, ‘এক কাজ করুন। হাইড পার্কে আসতে পারবেন?’

    রুদ্র বলল, ‘সেটা কোথায়? আচ্ছা ঠিক আছে, আমি দেখে নিচ্ছি জি পি এস —এ।’

    ড শ্যুমাখার তবু বলে দিলেন কীভাবে হাইড পার্ক যেতে হবে হিলিংডন থেকে। রাখার আগে একটু চাপা গলায় বললেন, ‘আর জিনিসগুলো সাবধানে রেখেছেন তো? আজ আনতে পারলে ভালো হত।’

    ‘কয়েকদিন একটু অপেক্ষা করুন, আমি এগোতে না পারলে আপনাকে দিয়ে দেব। চিন্তা করবেন না। ওটা খুব নিরাপদে রাখা আছে।’ আশ্বস্ত করে ফোনটা ছাড়ল রুদ্র।

    লন্ডন শহরের যে চারটে বড়ো রয়াল পার্ক আছে, তার মধ্যে এই হাইড পার্ক একটা। রুদ্র আসার আগে লন্ডনের ওপর লেখা সেই বইটাতেও পড়ছিল, কেনসিংটন প্যালেস আর বাকিংহাম প্যালেসের মাঝামাঝি খুব স্ট্র্যাটেজিকাল লোকেশনে এই পার্কটা। প্রায় পাঁচশো বছর আগে ইংল্যান্ডের রাজপরিবারের লোকেদের শিকার করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। তখন অবশ্য সাধারণ মানুষ ঢুকতে পারত না। এখন এই পার্কে হাজার হাজার ফুলের সমাবেশ, তার সঙ্গে কোনো জনসমাবেশের জন্য রয়েছে স্পিকার’স কর্নার।

    মানুষগুলো চলে যায়, কিন্তু স্থাপত্য ইতিহাস হয়ে যায়।

    রুদ্র ড শ্যুমাখারের বলে দেওয়া মতো পার্কেরই একদিকে ওয়েলিংটন আর্কের সামনে অপেক্ষা করছিল। এখানকার প্রতিটা ঐতিহাসিক বাড়ি বা সৌধই এত সুন্দর, বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। বেশিরভাগ সৌধই কোনো—না কোনো যুদ্ধজয়ের গৌরব বহন করে চলেছে। কত ছবি তুলবে! ফোনের মেমরি কার্ড ফুল হয়ে যাবে, তবু ছবি শেষ হবে না, এত সুন্দর সব কিছু।

    আসলে পুরো ইউরোপটা এতটাই অভিজাত, চোখের পলক ফেলা যায় না।

    পাঁচ মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে ও একটু আদুরে গলায় ফোন করল প্রিয়মকে, ‘তুমি আজ যদি ছুটি নিতে, দারুণ ঘোরা হত সারাদিন। কী সুন্দর ওয়েদার আজ!’

    ওপাশ থেকে প্রিয়মের গলা ভেসে এল, ‘হুঁ, সে তো জানি। কিন্তু কী করব, ক্লায়েন্টগুলো আসার আর সময় পেল না, আমি যত বলি আমার সবচেয়ে বড়ো ক্লায়েন্ট এসেছে এখন ইন্ডিয়া থেকে, কে শোনে কার কথা।’

    রুদ্র হেসে গড়িয়ে পড়ল। প্রিয়ম ইয়ার্কি মারতেও পারে।

    প্রিয়ম বলল, ‘তুমি কোথায় রয়েছ?’

    রুদ্র বলল, ‘হাইড পার্কে এসেছি। ড শ্যুমাখার আসছেন।’

    প্রিয়ম বলল, ‘নিজে নিজে চলে গেলে? ক্যাবে?’

    রুদ্র বলল, ‘না, বাসে এলাম।’

    প্রিয়মের হতাশ গলা শোনা গেল, ‘ধুস! ভাবলাম বউকে নিয়ে পুরো লন্ডন চেনাব, সেখানে বউ তো দেখছি আমার আগেই সব ঘুরে ফেলল! তাও আবার একটা আধবুড়োর সঙ্গে! আমি নিজেই এখনও ওদিকটায় যাইনি কখনো।’

    রুদ্র কী বলতে যাচ্ছিল, হঠাৎ দূরে পার্কে এন্ট্রান্সের বাইরে ওই লাল কালো যমদূতের মতো বাইকটা দেখেই চমকে উঠল। এক ঝলকের জন্য চোখাচোখি হতেই সেই জাপানি লোকটা আড়ালে চলে গেল।

    এই লোকটা কে? যেখানে ও যাচ্ছে সেখানেই ওকে ফলো করে চলেছে?

    পরক্ষণেই ও ড শ্যুমাখারকে হন্তদন্ত হয়ে এদিকে আসতে দেখল। ডাক্তারবাবু আজ ফর্মালে, একটা কালো রঙের প্যান্ট পরেছেন, উপরে আকাশি রঙের একটা ফুলহাতা শার্ট। চোখে চশমাটাও অন্য পরেছেন, ধূসর ফ্রেমের সরু রিমলেস চশমা।

    রুদ্রর হঠাৎ রানি এলিজাবেথের হাত থেকে ওঁর পুরস্কার নেওয়ার ছবিটার কথা মনে পড়ে গেল।

    ও আড়চোখে বাইকের লোকটার দিকে তাকাতে গেল, কিন্তু আর দেখতে পেল না।

    বাইকটাও ভ্যানিশ।

    আচ্ছা, এই বাইকওলা লোকটা কাকে ফলো করছে? ওকে? না, ড শ্যুমাখারকে? সন্দেহ নেই, ডাক্তারকেই ফলো করছে, ওকে করবেই—বা কেন! ওকে চেনেটাই—বা কে। তবে যদি ছবিগুলো হাতানো ওর মুখ্য উদ্দেশ্য হয়, তবে কি ও বা ওরা জানতে পেরে গেছে রুদ্রর কাছে ছবিগুলো রয়েছে?

    কী করে জানল?

    ড শ্যুমাখার কাছে এসে বললেন, ‘চলুন ম্যাডাম, একটু দেরি হয়ে গেল।’

    রুদ্র ড শ্যুমাখারের পিছু পিছু পার্কের পাশেই একটা ছোটো রেস্টুরেন্টে গিয়ে বসল। একবার ভাবল এই ফেউ লাগার কথাটা বলবে, কিন্তু সেটা বলার আগেই ড শ্যুমাখার দু—কাপ কফির অর্ডার দিয়ে ওর দিকে ঈষৎ ঝুঁঁকে বললেন, ‘কিছু এগোলেন ব্যাপারটায়?’

    রুদ্র বলল, ‘না, সে—রকম কিছু নয়। জাস্ট একটু দেখছিলাম। তবে দু—একটা ব্যাপার চোখে পড়েছে।’

    ড শ্যুমাখার আগ্রহের স্বরে বললেন, ‘কীরকম?’

    ‘যেমন,’ রুদ্র বোঝাতে চেষ্টা করল, ‘কোনো একটা রাইটিং প্যাডের একটা করে কাগজে মোটা কালির পেন দিয়ে লিখে সেগুলোকে একদম টপ ভিউ থেকে ছবি তোলা হয়েছে। আর, প্রতিটারই নীচে একই ধরনের দুটো হরফ রয়েছে, এটা কিছুর লোগো হতে পারে।’

    ড শ্যুমাখার বললেন, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ, আমি ওটা খেয়াল করেছি। কী বলুন তো, আমি তো কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।’

    রুদ্র বলল, ‘আচ্ছা, তার আগে একটা কথা আমায় বলুন, এইরকম কি কোনো মৌল থাকতে পারে যেটা শুধুমাত্র ল্যাবোরেটরিতে তৈরি করা সম্ভব, কিন্তু কোনোভাবেই সেটা নেচারে, মানে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় না?’

    ড শ্যুমাখার বললেন, ‘হ্যাঁ, কেন যাবে না? ওগুলোকে বলে সিন্থেটিক এলিমেন্ট। পিরিয়ডিক টেবিলের মোটামুটি অ্যাটমিক নম্বর পঁচানব্বই থেকে একশো আঠেরো যে মৌলগুলো আছে, সেগুলো সবই তাই। প্রচণ্ড আনস্টেবল বলে ওগুলোকে প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, কয়েকটার তো হাফ—লাইফ কয়েক মাইক্রোসেকেন্ড। হাফ—লাইফ কী জানেন তো?’

    রুদ্র হাসল। অনেকদিন কেমিস্ট্রির টাচে না থাকলেও উচ্চমাধ্যমিকে পঁচানব্বই পেয়েছিল ও, সেখানে হাফ—লাইফ জানবে না, ইয়ার্কি নাকি! ওইসব সময়ে তো মেন্ডেলিফের পর্যায় সারণি মানে এই পিরিয়ডিক টেবিল কণ্ঠস্থ ছিল।

    ও বলল, ‘হ্যাঁ। তেজস্ক্রিয় পদার্থ, মানে রেডিয়ো অ্যাক্টিভ এলিমেন্টগুলো তো খুব আনস্টেবল হয়, সেগুলো ক্ষয় হতে হতে প্রাথমিক অবস্থার অর্ধেক হতে যত সময় নেয়, সেটাকে বলে ওই পদার্থের হাফ—লাইফ। যার হাফ—লাইফ যত কম, তত আনস্টেবল। মানে, ওই যে আপনি বললেন, ওই সিনথেটিক এলিমেন্টগুলোর হাফ—লাইফ কয়েক মাইক্রোসেকেন্ড, তার মানে ওই সময়টুকুর মধ্যেই ওটা ক্ষয়ে অর্ধেকে পরিণত হবে।’

    ড শ্যুমাখার বললেন, ‘আপনি ব্যাঙ্কে চাকরি করেন না?’

    রুদ্র একটু লাজুক মুখে বলল, ‘হ্যাঁ।’

    উনি আরও অবাক হয়ে গেলেন, ‘ফিন্যান্সের লোক হয়ে আপনি কেমিস্ট্রি বা বায়োলজির এত কিছু জানলেন কী করে বলুন তো?’

    আপনি আর কী করে জানবেন ডাক্তারবাবু, আমাদের দেশের সবাইকেই সব বিষয়ে পণ্ডিত হতে হয়। আর সরকারি অফিসে চাকরি করতে হলে তো হয়েই গেল, পিয়োন হওয়ার পরীক্ষায় পাশ করতে গেলেও ইতিহাস, বিজ্ঞান, ইকনমিক্স গুলে খেতে হয়!

    ও বলল, ‘আমার হাইস্কুলে এগুলো সাবজেক্ট ছিল তো!’

    ড শ্যুমাখার বললেন, ‘ভেরি ইম্প্রেসিভ! আপনার ওপর আমার বিশ্বাস বেড়ে যাচ্ছে। পারলে আপনিই পারবেন।’

    রুদ্র জিজ্ঞেস করল, ‘আচ্ছা, সিনথেটিক এলিমেন্টগুলোর হাফ—লাইফ এত কম, তার মানে সেগুলো ডেফিনিটলি রেডিয়ো অ্যাক্টিভ, তাই তো?’

    ড শ্যুমাখার মাথা নেড়ে বললেন, ‘এখনও পর্যন্ত চব্বিশটা সিনথেটিক এলিমেন্ট রয়েছে পিরিয়ডিক টেবিলে, প্রতিটাই হাইলি রেডিয়ো অ্যাক্টিভ, কিন্তু!’ ওঁকে কিঞ্চিত অসহিষ্ণু দেখাল, ‘কিন্তু আপনি প্লিজ বলবেন, এগুলো জিজ্ঞেস করছেন কেন? এগুলোর কোনো ক্লু কি পেয়েছেন আপনি ওই ছবিগুলো থেকে?’

    রুদ্র এবার একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘বলছি। আগে কয়েকটা জিনিস জানার আছে আমার। নতুন কোনো এলিমেন্ট যদি কেউ তৈরি করেন যেটার অ্যাটমিক নম্বর একশো পনেরো বা তারও বেশি, সেটা কি রেডিয়ো অ্যাক্টিভ হতেই হবে।’

    ড শ্যুমাখার বললেন, ‘অত ভারী মৌলর নিউট্রন—প্রোটন রেশিয়ো খুব হাই হবে, কাজেই রেডিয়ো অ্যাক্টিভ হওয়াটাই স্বাভাবিক। খুবই আনস্টেবল হবে সেটা।’

    রুদ্র বলল, ‘আপনি বলেছিলেন মৌলটা বাতাসে থাকা নাইট্রোজেনের সঙ্গে মিশে রিঅ্যাকশন করে যে কম্পাউন্ডটা উৎপন্ন করবে, সেটা ব্লাড ভেসেলে প্রবেশ করালে সেটা মানুষের জিনটাকে বদলে ফেলবে, তাই তো? কিন্তু ওটা যদি রেডিয়ো অ্যাক্টিভ হয়, তবে তো শরীরের ক্ষতিও করবে।’

    ড শ্যুমাখার চমকে উঠে বললেন, ‘আপনি নাইট্রোজেনের সঙ্গে রিঅ্যাকশন করতে পারে, এরকম এলিমেন্টের সন্ধান পেয়েছেন ওই ছবিগুলোতে? তৈরির প্রসেসটা বুঝতে পেরেছেন?’

    রুদ্র বলল, ‘বলছি। আপনি আগে আমার প্রশ্নটার উত্তর দিন। মৌলটা যদি তৈরি করাও যায়, সেটা ক্যান্সারকে দূর করলেও শরীরের তো অন্যভাবে ক্ষতি করবে, ব্যাপারটা তো আলটিমেটলি বাজেই হবে।’

    ড শ্যুমাখার একটু অধৈর্যভাবে বললেন, ‘এখনও পর্যন্ত, নাইট্রোজেন ফিক্সেশন মলিবডেনাম করতে পারে, আর সেটাও থ্রু এনজাইম। বাতাসের সংস্পর্শে এসে করতে পারে না কারণ নাইট্রোজেন এমনিতেই অত অ্যাক্টিভ নয়। আর মলিবডেনামের কোনো এইরকম আইসোটোপ আছে কিনা আমার জানা নেই যেটা নাইট্রোজেনের সঙ্গে নিজে নিজেই রিয়্যাক্ট করে মানুষের ব্লাডে ঢুকে তার জিনটাকে মডিফাই করে দেবে, মানে আমাদের ইউজেনিক্স সেকথা বলে না। আপনি এবার প্রসেসটা বলুন। আমি ভাবতেই পারিনি আপনি এত তাড়াতাড়ি…..!’

    রুদ্র মাঝপথে বাধা দিয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘ইউজেনিক্সটা কী?’

    ড শ্যুমাখার এবার একটু চমকে গিয়ে বললেন, ‘জিন, জিনটাকে মডিফাই করার কথা বলছিলাম আর কি!’

    রুদ্র একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘দেখুন ড শ্যুমাখার, আপনি একটা ভালো কাজে আমার হেল্প চেয়েছিলেন বলে আমি আগ্রহ দেখিয়েছিলাম, তো তাতে যেটুকু বুঝতে পেরেছি, সেটা হল প্রতিটা ছবিতে অজস্র যে হরফগুলো লেখা রয়েছে, সেগুলো সবই আসলে ইংরেজির এক একটা অক্ষরকে রিপ্রেজেন্ট করছে।”

    ড শ্যুমাখার হাঁ হয়ে গেলেন, ‘ইংরেজির অক্ষর? আ—আপনি শিয়োর? ইংরেজিরই? কীরকম একটু বলবেন?

    রুদ্র বোঝাবার চেষ্টা করল, ‘এগুলোকে বলে ক্রিপটোগ্রাফি। আমি এখনও পুরোটা বুঝতে পারিনি, তবে এটা লক্ষ করেছি একই ধরনের হরফ ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লেখা হয়েছে। ইংরেজিতে ছাব্বিশটা অক্ষর রয়েছে মোট, সবকটা ছবিতেই মোট তেরো ধরনের হরফ রয়েছে, সেগুলোর কোনোটার ভেতরে ফুটকি রয়েছে, কোনোটার ভেতরে নেই। তার মানে, যদি এটা ধরে নিই, ফুটকি দেওয়া হরফটা অন্য কোনো অক্ষরকে রিপ্রেজেন্ট করছে, তাহলে তেরো দু—গুণে ছাব্বিশটা টোটাল হরফ রয়েছে, যেটা আমাদের ইংরেজি বর্ণমালাতেও আছে।’

    ড শ্যুমাখারের চোখ অস্বাভাবিক জ্বলজ্বল করছিল, ‘আপনি সত্যিই জিনিয়াস!’

    রুদ্র মাথা নাড়ল, ‘জিনিয়াসের কিছু না, এটা একটা নর্মাল অবজারভেশন যেটা যেকোনো কোড ডিসাইফার করতে গেলে প্রয়োজন হয়। আমি এখনও ওই হরফগুলোর মানে বুঝতে পারিনি।’

    উত্তেজনায় ড শ্যুমাখারের চোখটা লাল হয়ে যাচ্ছিল, ‘ছবিগুলো এনেছেন?’

    রুদ্র বলল, ‘না। আপনি আমাকে আর দু—দিন মতো টাইম দিন। আমি চেষ্টা করছি। তার মধ্যেও আমি কিছু না বের করতে পারলে আপনাকে প্রোফেশনাল ক্রিপটোলজিস্টের কাছে যেতে হবে। কারাণ তারপর আমাকে প্যারিস চলে যেতে হবে, সেখানে আমার ওয়ার্কশপ আছে।’

    শ্যুমাখার বেশ উত্তেজিত হয়ে পড়েছিলেন সেটা রুদ্র আরও বুঝতে পারল, যখন দেখল বিল মেটাতে গিয়ে তাড়াহুড়োয় ওঁর হাত থেকে পার্সটাই পড়ে গেল। রুদ্র তুলে দিতে যেতে সেটার খোলা মুখ দিয়ে বেরিয়ে পড়ল প্রায় পাঁচ ছ—টা সিম। একে একে সেগুলো তুলে ওঁর হাতে দিল রুদ্র।

    মিনিট কুড়ি পরে রুদ্র যখন ড শ্যুমাখারকে বিদায় জানিয়ে বাড়ি ফেরার বাস ধরল, তখন ওর মনটা বেশ খুশি লাগছিল এই ভেবে, ভদ্রলোক বড়ো মুখ করে ওর সাহায্য চাইতে এসেছিলেন, ও এখনও পর্যন্ত একটু হলেও হেল্প করতে পেরেছে। সবচেয়ে বড়ো কথা এতে প্রিয়মেরও মুখরক্ষা হবে।

    ড শ্যুমাখারের অভিব্যক্তি দেখেই বোঝা যাচ্ছিল এত তাড়াতাড়ি এতটা প্রোগ্রেস উনি আশা করেননি।

    গুনগুন সুরে একটা সুর ভাঁজতে ভাঁজতে ও প্রিয়মকে ফোন করল, ‘আমার অ্যাপো কমপ্লিট। এখন বাড়ির পথে। তুমি কোথায়?’ বলেই ও লক্ষ করল লাল কালো বিশাল বাইকটা ওর বাসের ঠিক পাশে পাশেই যাচ্ছে।

    জাপানি লোকটা বাইক চালাতে চালাতেই একঝলক তাকাল ওর দিকে। তারপরেই স্পিড কয়েক গুণ বাড়িয়ে হু হু করে চলে গেল সামনের দিকে।

    মুহূর্তে মিলিয়ে গেল যেন চোখের সামনে থেকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }