Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ১৫

    ১৫

    পরের দিন প্রিয়ম অফিস যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছিল।

    রুদ্র অনেকক্ষণ আগেই ঘুম থেকে উঠে পড়েছে আজ, প্রিয়ম ওঠার আগেই ও স্যান্ডউইচ আর কফি বানিয়ে ফেলেছে।

    প্রিয়ম বেশ অবাক।

    ‘দারুণ হয়েছে কিন্তু স্যান্ডউইচটা! চিজ পেলে কোথা থেকে?’ একটা মস্ত কামড় বসিয়ে জিজ্ঞাসা করল প্রিয়ম।

    রুদ্র বলল, ‘কাল ফেরার পথে কিনে এনেছি। পাশেই একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর আছে না?’ বলে ও ট্রলি থেকে প্রিয়মের জন্য আনা কয়েকটা টি—শার্ট বের করল, ‘এই দ্যাখো, এই গুলো নিয়ে এসেছি তোমার জন্য, ক—দিন বেরই করা হয়নি।’

    অবশেষে ঝোলা থেকে বিড়াল বেরিয়েছে! প্রিয়ম মনে মনে স্বগতোক্তি করল। বলল, ‘হুটহাট করে বেরিয়ে যেয়ো না। এইসব কান্ট্রিসাইডে অতটা সিকিউরিটি নেই, কোথায় কখন কী গণ্ডগোল হবে! পাসপোর্টটাকে সাবধানে রেখো। আর কোনো দরকার হলে জনকে ডেকো।’

    কাল রাত থেকেই ভালো বৃষ্টি শুরু হয়েছে, বাইরে ত্রিভুজ আকৃতির কার্নিশ বেয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে ক্রমাগত। রুদ্রর গতকাল রাতেও ভালো ঘুম হয়নি। সারাক্ষণ কী সব স্বপ্ন দেখে যাচ্ছিল, ও নিজে রানি এলিজাবেথের হাত থেকে প্রাইজ নিচ্ছে, ড শ্যুমাখার ওঁর রিমলেস চশমা পরে ছুটে আসছেন, চিৎকার করে কী সব বলছেন, আর লাল কালো বাইকগুলো জাপানি লোকটা ওঁকে আটকাচ্ছে।

    ধুর! মাথায় যেন হাজার হাজার জট কিলবিল করছে!

    প্রিয়ম বেরোনোর আগে ওকে একটা আলতো চুমু খেয়ে বলল, ‘আজকে কোথাও বেরিয়ো না, কেমন? আমি তাড়াতাড়ি ফেরার চেষ্টা করব।’

    রুদ্র মাথা হেলাল।

    মাঝে মাঝে ওর খুব লক্ষ্মী মেয়ে হয়ে যেতে ইচ্ছে করে।

    আজ সারাদিন সত্যিই ও কোথাও বেরোবে না। বৃষ্টির দিনে ঘরে বসে জানলা নিয়ে বাইরেটা দেখতে যে কী ভালো লাগে! ও দরজাটা বন্ধ করে এসে প্রিয়মের ছোটো টেবিলটাকে টেনে এনে জানলার সামনে রাখল, তারপর ছবিগুলো নিয়ে বসল আয়েশ করে।

    কালকের পর থেকে ড শ্যুমাখারের সঙ্গে আর কথা না হলেও ভদ্রলোক মেসেজ করেছেন বেশ কয়েকবার, প্রতিটাতেই ইঙ্গিতে লিখেছেন ফটোগুলো সাবধানে রাখতে, ওঁর ওপর যেকোনো মুহূর্তে অ্যাটাক হতে পারে, আর যদি ওরা জানতে পারে জিনিসটা ওঁর কাছে নয়, রয়েছে রুদ্রর কাছে, ওরা রুদ্রকেও ছাড়বে না, যেকোনো উপায়ে ওটা হস্তগত করার চেষ্টা করবে।

    এই ওরা—টা—কারা?

    ড শ্যুমাখারের কথা অনুযায়ী কোনো ফার্মা কোম্পানি বা ক্যান্সারের বিভিন্ন থেরাপি যারা সাপ্লাই করে তারা। তাদের এতটা নেটওয়ার্ক থাকবে যে কনস্ট্যান্ট ওঁকে ফলো করে যাবে বা রুদ্রকে?

    ও প্রথমে আবার ছবিগুলো নিয়ে বসল, কিছুক্ষণ পর সেগুলোকে একপাশে রেখে ল্যাপটপ খুলল।

    কয়েকটা খটকা মাছের কাঁটার মতো গলায় বিঁধে রয়েছে, সেগুলোকে আগে ঘোচাতে হবে।

    প্রায় দেড়—দু ঘণ্টা ধরে ইন্টারনেটে অনেক কিছু ঘাঁটাঘাঁটি করে ওর ঠিক স্বস্তি হল না। বাবাকে একবার ফোন করল, ‘বাবা, দুটো এইচ দেখলে তোমার কী মাথায় আসে প্রথমে?’

    বাবা তো অবাক, ‘গিয়ে থেকে কোনো ফোন নেই তোর, প্রিয়মকে ফোন করে জানলাম যে ঠিকঠাক পৌঁছেছিস। আর এখন ফোন করে হঠাৎ দুটো এইচ কেন? কেমন লাগছে বল?’

    রুদ্র বলল, ‘খুব ভালো লাগছে, কিন্তু বড্ড ঠান্ডা। এই এখন দুটো সোয়েটার গায়ে জড়িয়ে বসে আছি। তোমার তো ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিও একটা পেপার ছিল মাস্টার্সে, বলো না, ডাবল এইচ ফ্রান্সের কোনো হিস্টোরিকাল লোগো কি?’

    বাবা ভ্রূ কুঁচকে বললেন, ‘ফ্রান্সের?’

    প্রায় আধঘণ্টা বাবার সঙ্গে কথা বলে ও উঠে পড়ল।

    মাথার মধ্যে কিলবিল করা জটগুলো এখন এদিক—ওদিক ছোটাছুটি করে আরও তালগোল পাকিয়ে দিচ্ছে। খটকাগুলো তো দূর হলই না, উলটে বাবা আরও সব অদ্ভুত প্রসঙ্গ তুলে আরও ঘেঁটে দিলেন।

    এর মধ্যে বৃষ্টি থেমে তো গেছেই, বরং হালকা রোদও দেখা দিয়েছে। ও ঘর থেকে বেরিয়ে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়াল। এখানকার একটা জিনিস দেখে বেশ হাসি পায়, রাস্তায় লোকজনের বালাই নেই, টুকটাক এদিক—ওদিক হয়তো কাউকে হনহন করে হাঁটতে দেখা যায়, চোখের পলক ফেলতে—না—ফেলতেই সাঁ সাঁ বেরিয়ে যায় গাড়ি, এদিকে রাস্তার দু—ধারে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে গাড়ি, যেন মানুষের থেকে এখানে গাড়ি বেশি। অথচ কোনো কান—ওষ্ঠাগত—করা হর্ন নেই, চিৎকার চেঁচামেচি কোলাহল কিচ্ছু নেই।

    এখানকার মানুষ নিয়ম মেনেও চলে খুব।

    এ ব্যাপারে কাল রাতে খেতে বসে প্রিয়ম একটা দামি কথা বলেছিল, ‘ইন্ডিয়াতে নিয়ম ভাঙাকে বেশিরভাগ মানুষ চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়, ভাবে ধুর, অমুক মানছে না যখন আমিও মানব না। ফাইন করতে এলে না হয় তাতে কিছু ঘুষ দিয়ে দেব। আর এখানে রুলটাকে অ্যাকসেপ্ট করেই মানুষজন আনন্দ পায়, তাই এদের দেশ এত পরিষ্কার, এত উন্নত।’

    হঠাৎ ও দেখল নীচের কার্নিশে কেমন সুন্দর একটা নাম—না—জানা পাখি এসে বসেছে। একটু আগের বৃষ্টিতে তার সারা গা ভেজা, একটুক্ষণ অন্তর একবার গা ঝাড়া দিয়ে উঠছে সে, জলের ফোঁটা ঝরে পড়ছে ছোট্ট ছোট্ট পালকগুলো থেকে। কী পাখি এটা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না, যদিও রুদ্র এমনিতেও তেমন পাখি চেনে না, তবু চড়াইয়ের মতো ছোট্ট কমলা—নীল মেশানো উজ্জ্বল গাঢ় রঙের পাখিটাকে দেখে ভারি কৌতূহল হল ওর, হঠাৎ মনে হল একটা ছবি তুলে গুগলে ইমেজ সার্চ দিলেই তো জানা যেতে পারে পাখিটার নাম!

    চট করে মোবাইলের ক্যামেরাটা অন করে রেলিং থেকে আলতো ঝুঁকল ও, আর ওর অতিরিক্ত উৎসাহের জন্যই হোক, কিংবা কোনো ষষ্ঠেন্দ্রিয়ের অ্যালার্মে, পাখিটা ফুুৎ করে উড়ে গেল।

    ঠিক তখনই নীচে দাঁড়িয়ে থাকা কালো লাল বাইকটা ওর চোখে পড়ল, এখান থেকে পিঁপড়ের সাইজের মনে হওয়া পাশে—দাঁড়িয়ে—থাকা সেই লোকটাকেও। এক মুহূর্তের জন্য ওর মনে হল ও এখন ফ্ল্যাটে একা, অমনি নিজের অজান্তেই ওর শিরদাঁড়া বেয়ে কেমন একটা ঠান্ডা স্রোত বয়ে গেল।

    চোখ সরু করে রুদ্র দেখার চেষ্টা করল, লোকটা বিল্ডিং—এর একদম গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে বলে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না, তবে কারুর সঙ্গে কথা বলছে। ওই জন বলে সিকিউরিটি লোকটার সঙ্গে কি? পাশে সেই বিশাল বাইকটা একদিকে হেলে কেমন ক্লান্ত একটা জন্তুর মতো দাঁড়িয়ে আছে।

    ও আরেকটু ঝুঁকেও কিছু দেখতে পেল না, তারপর হঠাৎ কী মনে পড়তে ঘর থেকে বাইনোকুলারটা নিয়ে এল।

    বাইনোকুলারটা চোখে লাগাতেই পিঁপড়ের মতো লোকটা হঠাৎ কয়েক গুণ বড়ো হয়ে গেল, এখন বেশ পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে, লোকটা জনের সঙ্গে কথা বলছে। সেদিন সন্ধের আলো—আঁধারিতে বা কালকের বাস থেকে দেখাতে ভালো বুঝতে পারেনি। আজ রুদ্র লক্ষ করল, লোকটা সাইজে ছোটোখাটো, কিন্তু দারুণ গাঁট্টাগোট্টা। একটা খাকি—রঙা প্যান্ট পরেছে, আর ওপরে নীল একটা উইন্ডচিটার। মঙ্গোলয়েড ধাঁচের হলদেটে ফর্সা লোহার মতো কঠিন মুখ, আর চোখ দুটো কমন রোবটের মতো ভাবলেশহীন, নির্দয়। রোদ পড়ে খয়েরি চুলটা চকচক করছে।

    ওর বুকের ভেতরটা নিজের অজান্তেই কেমন দুলে উঠল। লোকটা কি জনের কাছে জানতে চাইছে রুদ্ররা কোন ফ্লোরে থাকে?

    এই অ্যাপার্টমেন্টটা প্রিয়মদের কোম্পানি থেকে লিজে নেওয়া, আহামরি কিছু সিকিউরিটি নেই এখানে, নাম—কা—ওয়াস্তে ওই জন বলে সিকিউরিটি গার্ডটা থাকে, ওর প্রাথমিক কাজ হল কেউ এলে তার নাম—ঠিকানা একটা রেজিস্টারে নথিভুক্ত করা কিন্তু সে কতটুকু ঠিকমতো নিজের কাজ করে, তা রুদ্র জানে না। কাল যাওয়া বা ফেরা, কোনো সময়েই লোকটাকে ওর চেয়ারে দেখতে পায়নি।

    জন কি ওকে আগে থেকেই চেনে? কিন্তু তা কী করে হবে? জন কেন ওকে চিনতে যাবে!

    রুদ্র কি একবার প্রিয়মকে ফোন করবে?

    ধুর, পরমুহূর্তেই ও মন বদলে ফেলল, প্রিয়ম অফিসে বসে কী করতে পারবে টেনশন ছাড়া?

    বুকের ভেতরের শব্দ গুণোত্তর প্রগতিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল, তার মধ্যেই ও দূরবীনের অ্যাপারচারটা সর্বোচ্চ বাড়িয়ে দেখল, লোকটা এদিক—ওদিক একবার তাকিয়ে নিয়ে কয়েক সেকেন্ডের জন্য উপরের দিকে তাকাল, তারপর মাথা নেড়ে ঢুকে এল ওদের অ্যাপার্টমেন্টের ভেতর।

    রুদ্রর হঠাৎ মনে হল ওর হৃৎপিণ্ডটা একটা ঝাঁকুনি দিয়ে বন্ধ হয়ে গেল। লোকটা যে ওর কাছেই আসছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আর আসছে ওই ফটোগুলোর খোঁজে। ড শ্যুমাখার প্রথমে ওকে দিতে চাননি ফটোগুলো, একরকম জোর করেই রুদ্র নিয়ে এসেছে, এরপর যদি ওর কাছ থেকে জিনিসটা খোয়া যায়, ও একেবারেই মুখ দেখাতে পারবে না। এই লোকটা সেদিন ড শ্যুমাখারের সঙ্গে ওদের কথোপকথনের সময় থেকে শুরু করে ক্যাবে ওদের পিছু নিয়ে এই অ্যাপার্টমেন্ট অবধি এসে সব দেখে গেছে।

    ওই ফটোগুলোর জন্য এত?

    ড শ্যুমাখারা তাহলে ঠিকই বলেছিলেন! এমন মানুষও আছে যারা শুধুমাত্র নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থের জন্য মানবজাতির এত বড়ো উপকার চায় না। আর যারা নিজেদের লাভের জন্য মানুষের মৃত্যু চায়, তারা যে প্রয়োজনে কতটা নিষ্ঠুর হতে পারে, তা সহজেই অনুমেয়।

    আলোর চেয়েও বেশি গতিতে রুদ্র চিন্তা করতে লাগল ওর এখন কী করা উচিত। ও কি ওয়েট করবে লোকটা এসে কী বলতে চায় সেটা শোনার জন্য? সেটা কি বড্ড রিস্ক হয়ে যাবে না?

    যদি জোরজবরদস্তি করে ফটোগুলো হাতিয়ে নেয়? ড শ্যুমাখারের কাছে ও কী উত্তর দেবে?

    না, ও মনস্থির করে ফেলল। লোকটা আসার আগেই ওকে এখান থেকে বেরিয়ে পড়তে হবে। কেয়ারটেকারটা যদি বলেও দিয়ে থাকে যে রুদ্ররা এগারোতলায় থাকে, তাহলে লিফটে করে লোকটার আসতে সময় লাগবে বড়োজোর তিন থেকে চার মিনিট।

    আচ্ছা, ও কি দরজা খুলবে না? না, সেটা কোনো সলিউশন নয়। দরজা ভেঙে ঢোকাটা এই ধরনের লোকেদের কাছে কোনো ব্যাপার নয়।

    তবে? পুলিশে ফোন করবে?

    কিন্তু ড শ্যুমাখার বারবার ব্যাপারটাকে গোপন রাখতে বলেছেন।

    ও আর বেশি ভাবল না, চট করে একবার রান্নাঘরে গেল, তারপর ঘরের যে ট্র্যাকসুটটা পরে ছিল, তার ওপরেই একটা জ্যাকেট গলিয়ে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে লিফট লবিতে চলে এল। ট্র্যাকসুটের ভেতরের থার্মালে গুঁজে নিল পার্স আর ফটোর এনভেলপটা।

    ফোনটা হাতে নিয়ে এই ঠান্ডাতেও ঘামতে ঘামতে ও দেখল এই অ্যাপার্টমেন্টের দুটো লিফটের একটা ধীরে ধীরে গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে উপরে ওঠা শুরু করেছে, এক …. দুই…. তিন। অন্য লিফটটা তেরোতলায় গিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ওটাই সবচেয়ে উঁচু ফ্লোর, এবার ওটা নীচে নামবে। ও যদি লিফটের বোতাম টেপে, কোনটা আগে আসবে? যদি ওই লোকটার লিফটটাই নীচে থেকে আসে।

    বোতাম টিপে রুদ্র অপেক্ষা করতে লাগল। উপরের লিফটটা নামতে শুরু করেছে, ওদিকে নীচেরটাও উঠছে পাঁচ, ছয়… সাতে। একবার ভাবল ও কি সিঁড়ি দিয়ে নেবে যাবে? কিন্তু বাঁ—পাশে তাকিয়ে দেখল সিঁড়ির দিকে যেতে গেলে এই করিডরে ওকে অনেকটা হেঁটে যেতে হবে, ততক্ষণে লোকটাকে নিয়ে নীচের লিফটটা এসে পড়বে, আর লোকটা করিডরে নেমে এদিকে তাকালেই ওকে দেখতে পেয়ে যাবে।

    তেরোতলা এই বাড়িটার প্রতিটা ফ্লোরে তিনটে করে ফ্ল্যাট। হোটেলের কায়দায় তৈরি বলে একটু কোজি টাইপের। এমনি ঠিকঠাক হলেও লিফট দুটো যেন একটু বেশিই স্লো, প্রথম দিন এসেই খেয়াল করেছিল রুদ্র, প্রিয়মকে বলেওছিল কথাটা।

    আজ সেটা আরও বেশি করে অনুভব করছিল রুদ্র। একেকটা সেকেন্ড যেন একেকটা ঘণ্টা মনে হচ্ছে।

    অবশেষে নীচের লিফটা যখন দশ নম্বর ফ্লোর পেরিয়ে এগারোয় এসে পড়েছে, শুধু দরজাটা খুলতে বাকি, ঠিক তখনই উপর থেকে আসা লিফটটার দরজাটা খুলে গেল। রুদ্র এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে ঢুকে পড়েই জিরো টিপল। কোথায় যাবে ও জানে না, তবে আপাতত এই অ্যাপার্টমেন্ট ছেড়ে বেরোতে হবে। জিনিসটা কোনোভাবেই খোয়া যেতে দেওয়া চলবে না।

    কিন্তু শেষরক্ষা হল না পুরোপুরি। এই লিফটগুলো এত স্লো, ওর লিফটটার দরজা যখন বন্ধ হতে আর এক ইঞ্চিও ফাঁক নেই, ঠিক তখনই করিডরে বেরিয়ে ওকে দেখতে পেয়ে গেল লোকটা।

    এবার লোকটাকে একদম স্পষ্ট দেখল রুদ্র। পিঠে একটা রুকস্যাক জাতীয় ব্যাগ, গায়ে নীল একটা উইন্ডচিটার আর খাকি প্যান্ট। ফর্সা মুখটা লম্বাটে গোছের, হালকা চাপ দাড়ি, ভাবলেশহীন যান্ত্রিক ছোটো ছোটো বাদামি রঙের চোখ। কালো মোটা ভ্রূ দুটো একে অপরের সঙ্গে জুড়ে থাকায় নিষ্ঠুরতা যেন একটু বেশি ফুটে উঠেছে সেখানে।

    ওকে দেখেই লোকটার চোখগুলো বড়ো বড়ো হয়ে উঠলো, কিন্তু এই লিফটের দিকে এগিয়ে আসার আগেই দরজাটা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল।

    লিফট নীচে নামতে শুরু করলেও রুদ্রর বুকের ভেতরের ঢিপঢিপ শব্দটা কমছিল না একটুও। কী করবে ও এখন? মাঝের কোনো ফ্লোরে নেমে পড়বে? হঠাৎ আরেকটা সম্ভাবনার কথা মনে হতেই ও চমকে উঠল। আচ্ছা লোকটার যদি মাথায় একটু বুদ্ধি থাকে, লিফটের চেয়ে বেশি গতিবেগে সিঁড়ি দিয়ে দু—তিন তলা নীচে নেমে গিয়ে সেই ফ্লোরে লিফটের বোতাম টিপলেই রুদ্রর লিফটের দরজাটা খুলে যাবে ওর সামনে। সেক্ষেত্রে?

    রুদ্র মাথার দু—পাশটা আলতো টিপে ধরল। উত্তেজিত হলে হবে না, মাথা ঠান্ডা অবস্থায় ভাবতে হবে ওকে। নাহ, ড শ্যুমাখারের উদবেগটাকে ওর আরও সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত ছিল।

    আপাতত লিফটটা থামার কোনো লক্ষণ নেই। একদম নীচে চলে যাওয়া ভালো। কোনোমতে কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়েই একটা ফোন করবে ও ড শ্যুমাখারকে। তারপর তেমন হলে ক্যাব নিয়ে ওঁর ক্লিনিকে চলে যাবে। প্রিয়মকেও বলবে অফিস থেকে ওখানে চলে আসতে। একসঙ্গে দুজনে ফিরবে এখানে, তখন নিশ্চয়ই …. রুদ্রর ভাবনায় হঠাৎ বাধা পড়ল।

    আড়ষ্ঠভাবে ও দেখল আট নম্বর ফ্লোরে এসে লিফটটা থেমে গেল একটা আলগা ঝাঁকুনি দিয়ে। আর দরজাটা ধীরে ধীরে ফাঁক হওয়া শুরু করতেই ও বাইরের করিডরে দাঁড়িয়ে থাকা নীল উইন্ডচিটার আর খাকি প্যান্টের লোকটাকে দেখতে পেয়ে গেল।

    লোকটার একদৃষ্টে ওর দিকে তাকিয়ে থাকা ঠান্ডা চাউনিতে ও কেমন যেন স্থবির হয়ে গেল।

    লোকটা একদৃষ্টে ওর দিকে তাকিয়ে থাকা ঠান্ডা চাউনিতে ও কেমন যেন স্থবির হয়ে গেল।

    লোকটা সোজা লিফটের ভেতর এসে ওর মুখোমুখি দাঁড়াল, তারপর একইরকম ভাবলেশহীন গলায় বলল, ‘আই নিড দোজ ফতোজ।’

    রুদ্র লোকটার চোখে চোখ রেখে নির্বিকারভাবে বলল, ‘হুইচ ফটোজ?’

    লোকটা চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, ‘ইউ নো। দোজ ওল্ড আইস ফতোজ।’

    রুদ্র কয়েক মাইক্রোসেকেন্ডের জন্য চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল, তারপর জিনসের পকেটে হাত ঢোকাল।

    লিফট প্রায় গ্রাউন্ড ফ্লোরে এসে গেছে।

    লোকটা সেইরকম পাথরের মতো চোখে এদিকে তাকিয়ে আছে।

    রুদ্র পকেট থেকে খবরের কাগজ মোড়ানো চিলি পাউডারটা বের করল, তারপর বিদ্যুৎগতিতে বাঁ—হাতে কিছুটা লঙ্কাগুড়ো নিয়েই একটু ঝুঁকে সোজা ছুড়ে দিল লোকটার চোখে, লোকটা প্রথমে ঘটনার আকস্মিকতায় হকচকিয়ে গেল, তারপর চাপা একটা আর্তনাদ করে ছিটকে পড়ল লিফটের এক কোণে।

    লিফটের দরজা খোলামাত্র তিরবেগে ও ছুটে বেরিয়ে এল লিফট থেকে, ছুটতে ছুটতে গ্যারাজ পেরিয়ে কেয়ারটেকার লোকটাকে দেখতে পেয়েই যতটা সম্ভব স্বাভাবিকভাবে পকেটে হাত দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে পড়ল।

    এই কয়েক মিনিটের মধ্যে এর থেকে ভালো আর কী অস্ত্র জোগাড় করতে পারত ও? ক্রেডিটটা অবশ্য প্রিয়মেরই প্রাপ্য, এত সুন্দরভাবে সব গুছিলে রাখে রান্নাঘরে!

    রাস্তা পেরিয়েই একটা বাসস্ট্যান্ড। সেখানে একটা বাস দাঁড়িয়ে আছে, যাবে পিকাডেলি সার্কাসের ওদিকে। রুদ্র এদিক—ওদিক তাকিয়ে বাসটায় উঠে বসে পড়ল।

    উত্তেজনায় ওর ঘন ঘন নিশ্বাস পড়ছে, চোখ—মুখ লাল হয়ে গেছে।

    বাসের জানলা দিয়ে ওদের কমপ্লেক্সের এন্ট্রান্সটা দেখা যাচ্ছে। বাস স্টার্ট দেওয়ার আগের মুহূর্তে ও দেখল ওই জাপানি লোকটা কেমন টলতে টলতে বেরিয়ে আসছে, চোখে রুমাল, কিন্তু প্রাণপণ স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করছে। কোনোমতে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ওর বিশাল বাইকটার কাছে যেতে যেতেই রুদ্রর বাস পেরিয়ে এল জায়গাটা।

    রুদ্র নড়েচড়ে বসল। আশা করা যেতে পারে কেয়ারটেকারটা কিছু বুঝতে পারেনি। এই জাপানি লোকটাও চিৎকার করে ওঠেনি তেমন জোরে, সেটাও ও এক্সপেক্ট করেছিল যে লঙ্কার গুঁড়ো চোখে পড়ে জ্বলে খাক হয়ে গেলেও লোকটা নিজের অস্তিত্ব খুব একটা কাউকে জানাতে চাইবে না।

    রুদ্র খুব সাবধানে পকেট থেকে খবরের কাগজের টুকরোটা বের করে যেটুকু লঙ্কাগুঁড়ো অবশিষ্ট ছিল, সেটা আস্তে আস্তে ঝেড়ে ফেলতে লাগল।

    কী কাণ্ড! এরকম কী—একটা হিন্দি সিনেমা দেখেছিল না, অনেককাল আগে?

    এত উত্তেজনার মধ্যেও হাসি পেয়ে গেল ওর। চোখটা বন্ধ করে নিল, হাওয়ায় যদি উড়ে আসে!

    খবরের কাগজটা মোটামুটি পরিষ্কার করে ব্যাগ থেকে ফোন বের করে ড শ্যুমাখারের নম্বর টিপল ও, আর তখনই হঠাৎ লোকটার বলা কথাগুলো ওর মনে পড়ে গেল।

    আইস ফটো মানে কী? বরফের ফটো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }