Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ১৭

    ১৭

    প্রিয়ম অফিস থেকে বেরিয়ে রুদ্রকে বারতিনেক চেষ্টা করেও ফোনে পেল না। রিং হয়ে হয়ে কেটে গেল। আজ অফিসে এতটাই চাপ ছিল যে প্রিয়ম লাঞ্চ টাইমেও ফোন করার সময় পায়নি। শুধু একটা মেসেজ করেছিল রুদ্র খেয়েছে কি না। তারও কোনো উত্তর নেই।

    নির্ঘাত ও অফিসে এসে থেকে ফোন করেনি বলে রেগে গেছে।

    প্রিয়ম বেশি চাপ নিল না। রুদ্রর রাগ ও খুব ভালো করেই জানে, একদম সাইন কার্ভের মতো। এই রাগ এই হাসি। যেমন ধুম করে রেগে যায়, তেমনই সেই রাগ গলে জল হতেও সময় লাগে না বিশেষ।

    প্রিয়ম আর বেশি ফোন করল না। এখন বার বার ফোন করলে আরও রেগে যেত পারে। তার চেয়ে একেবারে গিয়েই কথা হবে, আর তো পনেরো—কুড়ি মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে যাচ্ছে বাড়ি।

    বাসে উঠে কানে হেডফোন গুঁজে বব ডিলান শুনতে শুনতে একটু রিল্যাক্স করছিল প্রিয়ম। কাল সারাদিন অনেক ঘোরার প্ল্যান আছে। মাদাম তুসো তো যাবেই, যদি সম্ভব হয় ডার্ডল ডোরটাও চলে যাবে ওখান থেকেই। কতদিন হয়ে গেল লন্ডন শহরে এসেছে, তবু এত পপুলার জায়গাগুলোতে যাওয়াই হয়নি ওর, ইন্ডিয়া থেকে আসা কলিগরা কবে দেখে নিয়েছে সব। সেবার অরিন্দমরা ওকে নিয়ে যাওয়ার জন্য কী ঝুলোঝুলি, তিমির তো ফ্ল্যাটেই চলে এল ওকে বগলদাবা করে নিয়ে যাবে বলে।

    কিন্তু প্রিয়ম যায়নি।

    কেন জানে না, রুদ্রর সঙ্গে ঘুরতে যে আনন্দটা পাওয়া যায়, সেটা অন্য কারুর সঙ্গেই পাওয়া যায় না। ওর গম্ভীরভাবে প্রিয়মকে জ্ঞান বিতরণ করা, পরক্ষণেই কোনো শিশুসুলভ আবদার করা, সব কিছুই প্রিয়মকে আনন্দ দেয়। সেটা রুদ্র ওর স্ত্রী বলে নয়, ওদের পারস্পরিক বন্ধুত্ব আর বোঝাপড়ার জন্যই। ওর একা একা যেতে ইচ্ছেই করত না, ঠিক করে রেখেছিল রুদ্র এলে একসঙ্গে ঘুরতে যাবে।

    আচ্ছা, এর মাঝে একদিন সময় করে স্কটল্যান্ড ঘুরে এলে কেমন হয়? শুনেছে ছবির মতো জায়গা, নির্জন উপত্যকা আর চোখজুড়োনো নৈসর্গিক দৃশ্য।

    হঠাৎ একটা ফোন আসতে ওর ঘোরার পরিকল্পনায় ছেদ পড়ল। স্ক্রিনে দেখল ড শ্যুমাখারের নাম ভেসে উঠেছে। রিসিভ করে কানে ঠেকাতেই ও ড শ্যুমাখারের একটু উত্তেজিত কণ্ঠস্বর শুনতে পেল, ‘আচ্ছা, ম্যাডামকে ফোনে পাচ্ছি না। উনি আমাকে সকালে একবার ফোন করেছিলেন!’

    প্রিয়ম একটু অবাক হয়ে বলল, ‘হ্যাঁ, আমিও একটু আগে ফোন করেছিলাম। পেলাম না। ফোন সাইলেন্ট করা থাকতে পারে।’

    ড শ্যুমাখার একটু উদবিগ্ন গলায় বললেন, ‘কিন্তু উনি আমাকে ফোন করে শুধু এইটুকু বললেন যে, ফটোগুলো উনি আমার কাছে দিয়ে দিতে চান, ওগুলো নিজের কাছে রাখা উনি নিরাপদ মনে করছেন না। এইটুকু বলতেই লাইনটা কেটে গেল, তারপর থেকে উনি আর ফোন তুলছেন না।’

    প্রিয়ম এবার সোজা হয়ে বসল। রুদ্র ফটোগুলো নিজের কাছে রাখা নিরাপদ মনে করছে না? কিন্তু কেন?

    ও বলল, ‘কখন ফোন করেছিল আপনাকে?’

    ওদিক থেকে ড শ্যুমাখারের গলা শোনা গেল, ‘তা ধরুন সকালে সাড়ে এগারোটা নাগাদ।’

    প্রিয়মের এবার হঠাৎ টেনশন হতে লাগল। সকাল সাড়ে ন—টায় অফিস পৌঁছোনোর পর থেকে রুদ্রর সঙ্গে ওর আর কথা হয়নি। ওর কোনো বিপদ হল না তো? সংক্ষপে ও ড শ্যুমাখারের ফোনটা ছাড়তে চাইল, ‘আপনি রাখুন। আমি দেখছি।’

    ড শ্যুমাখার ফোনটা কাটার আগে বললেন, ‘আমি কি আপনার অ্যাপার্টমেন্টে আসব এখন? ছবিগুলো হারিয়ে গেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।’

    ও উত্তর না দিয়ে ফোন করল রুদ্রকে। এবারেও সেই এক জিনিস, রিং হয়ে হয়ে কেটে গেল।

    দেখতে দেখতে বাসও চলে এসেছে ওর স্টপেজে। কোনোমতে বাস থেকে নেমেই প্রিয়ম জোরে জোরে পা চালাল। এখন প্রায় সন্ধে ছ—টা। অন্যদিন দিনের আলো খটখট করে, কিন্তু আজ বেশ নিভু নিভু হয়ে এসেছে চারদিক। ঠান্ডা একটা হাওয়াও বেশ কাঁপুনি দিচ্ছে গায়ে। রাস্তাঘাটও ভেজা ভেজা। এদিকে কি বৃষ্টি হয়েছে এখুনি?

    কিন্তু প্রিয়মদের অফিসের ওখানে তো কিছু বোঝা যায়নি।

    দ্রুতগতিতে অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকতে ঢুকতে এক মুহূর্তের জন্য উপরের দিকে তাকাল প্রিয়ম, অন্ধকারে কিছুই বোঝা গেল না। বিশাল এই বাড়িটা যেন আকাশের বুক চিরে একটা দানবের মতো দাঁড়িয়ে আছে।

    মাঝে মাঝে ইংল্যান্ডের এই অতিরিক্ত নির্জনতা অসহ্য লাগে প্রিয়মের। ইন্ডিয়ার সেই কোলাহলটাও প্রয়োজন মানুষের জীবনের কখনো কখনো! একটা প্রাণ থাকে যেন সেই হইহইমুখর জায়গায়। এখানে সবকিছুই বড়ো বেশি যান্ত্রিক।

    ফ্ল্যাটে পৌঁছে চার থেকে পাঁচবার বেল টিপেও যখন কোনো সাড়া পেল না, তখন বাধ্য হয়ে প্রিয়ম ধাক্কা দিতে লাগল জোরে জোরে। এখানকার দরজার এই একটা সমস্যা। বাইরে থেকে বোঝা যায় না ভেতর থেকে বন্ধ কি না।

    রুদ্র কি বাইরে বেরিয়েছে কোথাও? সেক্ষেত্রে ওর তো এটা মাথায় থাকা উচিত যে প্রিয়ম এখন বাড়ি ফিরবে এবং আর কোনো ডুপ্লিকেট চাবি না থাকায় ওকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে?

    প্রিয়মের বুকের ভেতরটা ধুকপুক করছিল। ও ধাক্কার প্রাবল্য বাড়িয়ে দিল।

    আরও দশ থেকে বারোবার জোরে জোরে শব্দ করার পর দরজাটা আলতো ফাঁক হয়ে খুলে গেল। উশকোখুশকো চুলে, ঘুম জড়ানো লাল চোখে রুদ্র উঁকি দিল বাইরে, ‘ওহ তুমি! এসে গেছ! এরকম জোরে জোরে ধাক্কা দিচ্ছ কেন? বেল বাজাবে তো!’

    প্রিয়মের প্রচণ্ড ইচ্ছে হল রুদ্রর চুলের ঝুঁটিটা টেনে ওর মাথায় জোরে জোরে গাঁটা বসিয়ে দেয় খানকয়েক। অনেক কষ্টে নিজেকে কন্ট্রোল করল ও, ‘তুমি ফোন ধরছিলে না কেন?’

    রুদ্র ভেতরে যেতে যেতে একটা বিশাল হাই তুলল, ‘ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। শুনতেই পাইনি।’

    প্রিয়ম এবার ঝাঁঝিয়ে উঠল, ‘সেই সকাল থেকে নাগাড়ে ঘুমোচ্ছ? আমার কথা তো ছেড়েই দিলাম, আমি চিন্তা করলাম কি করলাম না, তা নিয়ে তো তোমার কোনো মাথাব্যথাই নেই জানি, ড শ্যুমাখার ফোন করেছেন, ধরোনি কেন? বেচারি টেনশনে পড়ে ছুটে আসছেন!’

    রুদ্র প্রিয়মের জন্য কফি করতে যাচ্ছিল, এবার থমকে গেল একটু, ‘ড শ্যুমাখার এখানে আসছেন?’

    প্রিয়ম এবারও কড়া গলায় বলল, ‘আসবেন না? তুমি ফোন করে কী না কী বলেছ ফটোগুলো তোমার কাছে নিরাপদ নয়, আর তারপর থেকেই ফোন ধরা বন্ধ করে দিয়েছ।’

    রুদ্র কী যেন চিন্তা করছিল, ‘উনি এই ফ্ল্যাটটা চেনেন?’

    প্রিয়ম এবার একটু বিরক্ত হয়ে বলল, ‘তোমাকে তো আগেই বলেছিলাম যে ওই টুর্নামেন্টের দিনই ওঁকে পার্ক থেকে আমার অ্যাপার্টমেন্টটা দেখিয়েছিলাম। আর ফ্লোর তো বলেই দিয়েছি, উনি ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আসছেন।’

    রূদ্র এবার চমকে উঠল। ভ্রূদুটোকে সাংঘাতিক রকমের কুঁচকে কী ভাবতে লাগল।

    প্রিয়ম এবার একটু অধৈর্য হয়ে বলল, ‘কী হয়েছিল বলবে কি?’

    রুদ্র অন্যমনস্কভাবে বলল, ‘বলছি। আগে ড শ্যুমাখারকে একটা ফোন করে জিজ্ঞাসা করো তো উনি কোথায়?’

    প্রিয়মের ভেতরে ভেতরে ভীষণ বিরক্তি লাগছিল, তবু কথা না বাড়িয়ে ও ফোন করল, কিছুক্ষণ কথা চালানোর পর, ড শ্যুমাখারকে এখানে আসার বিবরণ ভালো করে বুঝিয়ে দিয়ে ফোন রাখল ও, ‘উনি সবে বেরিয়েছেন। আসতে তাও আধঘণ্টা মতো লাগবে।’

    রুদ্র বলল, ‘গুড! আচ্ছা প্রিয়ম, তুমি বলছিলে না, এখান থেকে স্টেশন খুব কাছে? সেখান থেকে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেনও ছাড়ে? মানে, প্যারিস বা ইংল্যান্ডের বাইরে অন্য কোনো জায়গায় যাওয়ার?’

    প্রিয়ম বলল, ‘এখান থেকে কাছে যে স্টেশন সেটা তো ছোটো একটা আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশন, ওখান থেকে দেশের বাইরে কোথাও যাওয়া যায় না।’ কথাটা বলেই ও খেয়াল করল, রুদ্র একটা মাঝারি মাপের রুকস্যাক লফট থেকে নামিয়ে ফেলল। তারপর আশপাশে পড়ে থাকা কিছু জামাকাপড় ঝড়ের গতিতে প্যাক করতে শুরু করল, তারই মধ্যে ছুটে গিয়ে ফ্রিজ থেকে কিছু শুকনো খাবারের প্যাকেট নিয়ে এসে চোখের নিমেষে গুঁজে দিল ভেতরে।

    প্রিয়ম অবাক হয়ে বলল, ‘কী ব্যাপারটা কী বলবে একটু খুলে?’

    রুদ্র এবার মুখ তুলে তাকাল, ‘এখন অত কথা বলার সময় নেই প্রিয়ম! শুধু এইটুকু বলতে পারি যেভাবেই হোক এখান থেকে আমাদের এখন পালাতে হবে। তুমি চট করে ফ্রেশ হয়ে নাও। দশ মিনিটের মধ্যে এখান থেকে বেরিয়ে পড়তে হবে আমাদের।’

    ‘মানে!’ প্রিয়ম একেবারে হতবুদ্ধি হয়ে গেল, ‘এই সন্ধেবেলা এখান থেকে বেরিয়ে কোথায় পালাব? আর কেনই—বা পালাব!’

    রুদ্র মাথা নীচু করে গোছাতে গোছাতে বলল, ‘এখানে আমরা একদমই নিরাপদ নই। তুমি তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হও।’

    প্রিয়ম এবার রেগে গেল, ‘তুমি কি আমাকে খুলে বলবে কী হয়েছে আজকে? কেউ কি আজ এসেছিল? তুমি ড শ্যুমাখারকে বলেছ যে ফটোগুলো তুমি নিজের কাছে রাখা নিরাপদ মনে করছ না? কী হয়েছে? সেরকম কিছু হলে খুলে বলো আমাকে, উনি আসুন, তারপর না হয় আমরা তিনজনে মিলে বসে একটা আলোচনা…!’

    রুদ্র এতক্ষণ শান্তভাবে কথা বলছিল, এবার ও একটু উষ্ণভাবে বলল, ‘বললাম তো, তোমাকে আমি পরে সব খুলে বলছি। এখন আমাদের এখান থেকে শিগগিরই পালাতে হবে। তুমি যখন এই ব্যাপারটায় আমাকে জড়িয়েছ, তখন আমি কী করছি বা কেন করছি তার ওপর তোমার কনফিডেন্স থাকা উচিত, তাই না!’

    প্রিয়ম এবার চুপ করে গেল, ‘কী করতে চাইছ তুমি এখন?’

    রুদ্র বলল, ‘আমি তোমার আর আমার দুজনেরই এক সপ্তাহের মতো জামা গুছিয়ে নিচ্ছি। এখানে থাকা যাবে না কোনোমতেই।’

    প্রিয়ম এবার শান্তভাবে বলল, ‘বেশ তো! চলো তাহলে আজকের মতো অরিন্দমদের বাড়ি গিয়ে উঠি। ওদের বড়ো অ্যাপার্টমেন্ট, কোনো অসুবিধা হবে না।’

    রুদ্র মাথা নাড়ল, ‘না। এখান থেকে ইন্টারন্যাশনাল ট্রেন চলে না? ইউরোপের অন্য দেশগুলোতে? সেটা কীভাবে ধরব?’

    প্রিয়ম বলল, ‘ইন্টারন্যাশনাল ট্রেন ছাড়ে সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশন থেকে। ইউরোস্টার বা অন্যান্য দেশের ট্রেন ধরতে হলে ওই স্টেশনেই যেতে হয়। সেটা তো এখান থেকে অনেক দূর। এত রাতে কীভাবে যাব!’

    রুদ্র রুকস্যাকটাকে পিঠে বেঁধে নিল, ‘ক্যাবে?’

    প্রিয়ম বাথরুম লাগোয়া বেসিনটায় মুখে—চোখে হালকা জল দিচ্ছিল, সারাদিন অফিসে একনাগাড়ে কম্পিউটারের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা, তারপর বাড়ি ফিরে রুদ্রর এই পাগলামি!

    ও ক্লান্ত গলায় বলল, ‘কত বিল হবে জানো? সেন্ট প্যানক্রাস যেতে হলে এই হিলিংডনেই একটা ছোটো স্টেশন আছে, সেখান থেকে ট্রেন ধরে যাওয়া যাবে। তার চেয়ে কি এয়ারপোর্ট চলে যাবে?’

    রুদ্র দ্রুত গতিতে মাথা নাড়ল, ‘দেখছি। তুমি বেরিয়ে এসো। দরজাটা লক করব।’ কথাটা বলেই ও আর দাঁড়াল না, ঝপাঝপ জুতো পরে দরজা দিয়ে বেরোনোর সময় ঘরের আলোগুলো নিভিয়ে দিল।

    প্রিয়ম কিছুই বুঝে উঠতে পারছিল না, ঘর থেকে বেরোতে বেরোতে ও বলল, ‘কিন্তু ড শ্যুমাখার কিছুক্ষণের মধ্যেই এসে পড়বেন যে! ওঁর ওই ফটোগুলো কি সঙ্গে করে নিয়ে চলে যাবে নাকি!’

    রুদ্র প্রিয়মের কথা শুনতেই পেল না, ঝড়ের বেগে ভেতরে গিয়ে ল্যাপটপটা নিয়ে এল, সেটাকে একহাতে রুকস্যাকে ঢোকাতে ঢোকাতে দরজাটা লক করেই লিফট লবিতে এগিয়ে গেল।

    নীচে নেমে ওরা দেখল কেয়ারটেকার লোকটা জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে ওদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। প্রিয়ম কিছু বলার আগেই রুদ্র মিষ্টি করে হেসে বলল, ‘ভালো আছেন? আমরা প্যারিস যাচ্ছি ঘুরতে। ফিরব এক সপ্তাহ বাদে। যদিও ফ্লাইটের আর বেশি দেরি নেই, তবে এখান থেকে তো এয়ারপোর্ট কাছেই, তাই না!’

    জন নামে এই লোকটার সঙ্গে খুব হৃদ্যতা না থাকলেও মোটামুটি হাই হ্যালোর সম্পর্ক প্রিয়মের। রুদ্রর কথা শুনে জন বলল, ‘হ্যাঁ, বড়োজোর দশ মিনিট লাগবে বাসে।’ তারপর প্রিয়মের দিকে তাকিয়ে ফর্মাল একটা হাসি হাসল, ‘ভালো করে ঘুরে আসুন। হ্যাপি জার্নি!’

    বাইরে বেরিয়ে যেদিকে বড়োরাস্তা, সেদিকে না গিয়ে উলটোদিকের নির্জন পথ ধরে হাঁটতে লাগল ওরা। রুদ্র ফোনে জি পি এস অন করেই রেখেছিল, গুগলের দেখানো লোকেশন অনুযায়ী চলছিল। ঘরের ভেতরে একদমই বুঝতে পারেনি বাইরে ভালো ঠান্ডা। সকালের বৃষ্টিটার জন্যই হয়তো তাপমাত্রা আরও কমে গেছে। মোটা পুলওভার ভেদ করে যেন ছুঁচের মতো বিঁধছে ঠান্ডা হিম, দূরে পশ্চিম দিকের আকাশে সূর্য প্রায় ঢলে পড়েছে, শুধু তার কমলা আভাটুকু ছড়িয়ে রয়েছে সারা আকাশটায়।

    প্রিয়ম বিশেষ কথা বলছিল না। শুধু একবার অস্ফুটে বলল, ‘এয়ারপোর্ট কিন্তু উলটোদিকে।’

    রুদ্র এবার একটু হাসল, বেচারাকে এমন অন্ধকারে রাখাটা ঠিক নয়। সারাদিন এত খেটেখুটে অফিস থেকে এল, এদিকে ধাতানির ভয়ে কিছু জিজ্ঞাসাও করতে পারছে না। কিন্তু কিছু করার নেই, এখন ওকে সব বুঝিয়ে বলে তারপর বেরোতে গেলে অনেক দেরি হয়ে যেত।

    পকেট থেকে ডান হাতটা বের করে ও প্রিয়মের হাতটা ধরল, ‘জানি। হিলিংডন স্টেশন যাচ্ছি। ওখান থেকে সেন্ট প্যানক্রাস। তোমার খিদে পেয়েছে, না? ট্রেনে উঠেই খেয়ে নিয়ো।’

    প্রিয়ম চুপ করে রইল। ড শ্যুমাখার ইতিমধ্যে তিন চারবার ফোন করেছেন। ও রিসিভ করেনি। কী বলবে? যে, আপনি এত কষ্ট করে এলেন, আর আমরা একটু ফ্রান্স ঘুরতে চলে যাচ্ছি, এক সপ্তাহ পরে আসুন? রুদ্রর মাথায় কখন কী চাপে কিছুই বোঝা যায় না। জনকে বলল এয়ারপোর্টে যাচিছ, এদিকে চলে এল এইদিকে। কিন্তু প্রিয়মের এখন কিছু বলবারও নেই। এই ব্যাপারটায় তো রুদ্র প্রথম থেকেই ইনভলভ হতে চায়নি, ও—ই একরকম জোর করে ড শ্যুমাখারের সঙ্গে দেখা করিয়েছিল।

    এখন মনে হচ্ছে না করালেই ভালো হত।

    প্রিয়ম ছোটো একটা নিশ্বাস ফেলে বলল, ‘আমি তোমার সঙ্গে প্যারিস যেতে পারব না বলে এরকম জোর করে বের করে নিয়ে এলে? অফিসে কিছু বলা হল না, কত প্রবলেম হবে জানো?’

    রুদ্র চুপ করে হাঁটতে লাগল। এই ব্যাপারটা যে ও একেবারেই ভাবেনি তা নয়, কিন্তু এমন একেকটা সময় আছে যখন দুম করে কোনো সিদ্ধান্ত না নিলে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়।

    প্রিয়ম আবার বলল, ‘আমার পাসপোর্টটা নিয়েছ?’

    রুদ্র মাথা হেলিয়ে শুধু বলল, ‘নিয়েছি।’ তারপর প্রিয়মের হাত থেকে ফোনটা নিয়ে সুইচ অফ করে দিল ও। প্রিয়ম জিজ্ঞাসু চোখে তাকাতে বলল, ‘এটা কিছুক্ষণ বন্ধ থাক। আমারটাও অফ রেখেছি।’

    ঘণ্টাখানেক পর ওরা ছোট্ট হিলিংডন স্টেশন থেকে টিউবে চেপে যখন সেন্ট প্যানক্রাসে পৌঁছোল, তখন রাত প্রায় সাড়ে আটটা। রুদ্রর জোরাজুরিতেও প্রিয়ম কিছু মুখে দেয়নি, চুপচাপ মাথা হেলিয়ে চোখ বন্ধ করে ছিল সারাটা রাস্তা। কথাও বলছে না বিশেষ। রুদ্র বুঝতে পারছিল প্রিয়ম বেশ রেগে গেছে। এমনিতে প্রিয়ম শান্ত হলে কী হবে, একবার রেগে গেলে চট করে স্বাভাবিক হতে চায় না।

    ও আর বেশি ঘাঁটাল না। ইন্টারন্যাশনাল ট্রেন ধরার আগে পেট ভরে কিছু খেয়ে নেওয়া দরকার। ও প্রিয়মকে বলল, ‘স্টেশনের বাইরে যাবে একবার? খেয়ে আসি কিছু, এসে না হয় টিকিট কাটব?’

    প্রিয়ম শুধু বলল, ‘আমার খিদে নেই। তুমি যাবে তো যাও।’ তারপর রুদ্র একদৃষ্টিতে ওর দিকে চেয়ে আছে দেখে যোগ করল, ‘আর এখানে ব্যাপারটা অত সোজা নয় যে টিকিট কাটলে, আর উঠে পড়লে। তুমি একটা দেশ থেকে বেরিয়ে আরেকটা দেশে যাবে। ইন্ডিয়া থেকে আসার সময় যেরকম সিকিউরিটি চেক, ইমিগ্রেশন পেরিয়ে এসেছ, এখানেও সেগুলো করতে হবে। প্যারিসের ট্রেন কখন আছে দ্যাখো, তারপর টিকিট কেটে ইমিগ্রেশনের জায়গায় যেতে হবে। সব কিছু দুমদাম নিজের মর্জিমতো করলে হয় না।’

    রুদ্র এতক্ষণ চুপচাপ শুনছিল, এবার মুখ খুলল, ‘বুঝলাম। তা অফিস থেকে ফিরে তো কিছু খাওনি। তাই বলছিলাম, চলো বাইরে থেকে খেয়ে আসি কিছু, তেমন হলে প্যাক করে নিয়ে চলে আসব। সারা রাত ট্রেন জার্নিতে খিদে পেয়ে যাবে তো।’

    প্রিয়ম হাত দুটোকে কাঁধের পেছনে আড়াআড়ি রেখে হেলান দিয়ে বসে ছিল, শেষ কথাটাতে ও চমকে উঠে রুদ্রর দিকে তাকাল, ‘সারা রাত? প্যারিস এখান থেকে দু—ঘণ্টা লাগে মাত্র!’

    রুদ্র বলল, ‘জানি। কিন্তু আমরা তো পারিস যাচ্ছি না।’

    প্রিয়ম বলল, ‘তবে? কোথায় যাচ্ছি আমরা?’

    রুদ্র প্রিয়মের চোখে চোখ রেখে বলল, ‘জার্মানি। বার্লিন। প্রায় দশ ঘণ্টা লাগবে পৌঁছোতে, যা দেখলাম।’ সরাসরি ট্রেন নেই। ব্রাসেলস হয়ে যেতে হবে।’

    প্রিয়ম এবার এতটাই অবাক হয়ে গেল যে কী বলবে বুঝতে পারছিল না। কিছুক্ষণ হাঁ করে চেয়ে থেকে বলল, ‘মানে?’

    রুদ্র প্রিয়মের কাঁধে হাত রেখে বলল, ‘তোমাকে সবই খুলে বলব। তুমি আমাকে একটা কাজের দায়িত্ব দিয়েছ, সেটা ঠিকভাবে করতে গেলে যদি তুমিই এখন বিরক্ত হও, তাহলে আমি কী করব বলো তো? আর এখন এমনভাবে জড়িয়ে পড়েছি আমি, মাঝপথে বেরোবার উপায়ও নেই। সব বলছি। আগে চলো বাইরে গিয়ে কিছু খেয়ে আসি। পরিস্থিতি কতটা ভয়ংকর তুমি কল্পনাও করতে পারছ না!’

    রুদ্রর গলায় এমন একটা কিছু ছিল যাতে প্রিয়ম আর উপেক্ষা করতে পারল না। স্টেশনের বাইরে বেরিয়ে এল রুদ্রর সঙ্গে।

    বাইরে বেরিয়ে রুদ্র একটা ফুড কর্নার থেকে কিছু স্যান্ডউইচ আর সসেজ প্যাক করে নিল। ওর নিজের জোরদার খিদে পেয়ে গেছে। প্রিয়মের নিশ্চয়ই আরও বেশি পেয়েছে, কিন্তু এখন গুম হয়ে আছে বলে কিছু বলছে না।

    সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনটা নিজেই যেন একটা দর্শনীয় স্থান। একঝলকে দেখে বোঝার উপায় নেই যে এটা একটা স্টেশন। একটা পুরোনো আমলের হেরিটেজ বিল্ডিংকে যে কত সুন্দরভাবে তার বনেদিয়ানাটাকে মর্যাদা দিয়ে নতুন সুযোগসুবিধার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যায়, এই সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনটাই যেন তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। পুরো স্টেশনটার ভেতরের ছাদটা গোলাকৃতি স্বচ্ছ কাচ আর রট আয়রনের রিব দিয়ে তৈরি হওয়ায় কেমন একটা বিশাল মাপের ইগলুর আকার নিয়েছে।

    পরিস্কার ঝকঝকে চওড়া প্ল্যাটফর্ম, তাতে একের পর এক ট্রেন ঢুকছে, বেরিয়েও যাচ্ছে। প্ল্যাটফর্মে বিশ্বখ্যাত সমস্ত ব্র্যান্ডের আউটলেট সাজানো থরে থরে, ঠিক ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের ডিউটি ফ্রি শপগুলোর মতো।

    রুদ্রর আরও ভালো করে দেখার ইচ্ছে চারদিকটা, কিন্তু মনটা এমন অশান্ত হয়ে রয়েছে, এখন আর এসব দেখার মতো মানসিকতা নেই।

    প্রিয়ম আর কিছু জিজ্ঞেস করেনি। রুদ্র ফেসবুকটা খুলল একবার। এখানকার অধিকাংশ পাবলিক প্লেসেই ওয়াই—ফাই ফ্রি থাকে। এই সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনেও তাই। কালকের পর বিভিন্ন গোলমালে ফেসবুক চেক করাই হয়নি। অ্যাপটা খুলতেই গুচ্ছের নোটিফিকেশন ঝাঁপিয়ে পড়ল ওর ওয়ালে, তার মধ্যে নতুন ফ্রেন্ড রিকোয়েস্টও এসেছে।

    নোটিফিকেশনগুলো দেখার আগে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্টের বাটনটা টিপল রুদ্র।

    একটাই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট। মিউচুয়াল ফ্রেন্ড দেখাচ্ছে প্রিয়মকে।

    ড সিগমুন্ড শ্যুমাখার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }