Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ২০

    ২০

    অগাস্ট ১৯৩৩

    ফ্রিৎজ বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছিলেন, কিছুটা এসেই আবার পেছনে ফিরতে হল টুপিটা নিতে ভুলে গেছেন বলে। বাড়ির কাছাকাছি এসে দেখেন স্ত্রী সোফি বাড়ির পোশাকেই হন্তদন্ত হয়ে টুপিটা হাতে নিয়ে আসছেন।

    ফ্রিৎজ হেসে ফেললেন, ‘আমি তো যাচ্ছিলামই। তুমি আবার বেরিয়ে এলে কেন?’

    সোফি বললেন, ‘টুপিটা দেখেই এমিলিয়া এমন কান্নাকাটি শুরু করল। ভেবেছে বুঝি বাবা এখনও বাড়িতেই আছে।’

    ফ্রিৎজ আর সোফির মেয়ে এমিলিয়া এখন দেড় বছরের। ওইটুকু একটা তুলোর মতো শরীর, পুতুলের মতো নীল চোখে সে ফ্রিৎজের দিকে যখন তাকায়, এত ডামাডোলের মধ্যেও ফ্রিৎজের মনে হয় জীবনে এর চেয়ে আনন্দের আর কিছুই পাওয়ার নেই। কোলে নিলে ওইটুকু নরম মাটির মতো শরীরটা যখন আঁকুপাঁকু করে তাঁর বুকে মাথা ঘষে, পা দুটো দিয়ে বেয়ে উঠতে চায়, মুখ দিয়ে বিজাতীয় সব শব্দ করে তার বাবাকে আদর করে, ফ্রিৎজের মনে হয় তিনি যেন পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ।

    বস্তুত মেয়ে হওয়ার পর থেকে ফ্রিৎজ যেন বেশ ভীতু হয়ে পড়ছেন, আগের মতো একরোখা, জেদি, অনিশ্চিত সিদ্ধান্ত নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে একটু ইতস্তত করছেন।

    সারাক্ষণ তাঁর মনে একটাই চিন্তা, এমিলিয়া কোনো কষ্ট পাবে না তো জীবনে?

    সন্তানের আনন্দে যেমন বাবা মা আত্মহারা হয়ে যান, সন্তানের দুঃখেও তাঁরা অস্থির হয়ে ছটফট করেন, মরেও যেন শান্তি পান না। এমিলিয়ার জন্যই জার্মানিকে বাঁচাবার এই সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে তাঁকে, ফ্রিৎজ মনে মনে ভাবলেন।

    ফ্রিৎজকে চুপ করে কী ভাবতে দেখে সোফি বললেন, ‘কী ভাবছ?’ তারপর একটু উৎকণ্ঠা নিয়ে বললেন, ‘তুমি বেরোনোর পরই একটা লোক এসেছিল, তোমার অফিসের ঠিকানা জিজ্ঞেস করছিল।’

    ফ্রিৎজ একটু অবাক হয়ে গেলেন। নাতসি পার্টি ক্ষমতায় আসার পর ওঁর ‘স্ট্রেট পাথ’ কাগজ উঠে গেছে, প্রায় প্রতিদিনই পার্টির লোকেরা এসে ইটপাথর ছুড়ত, শেষের দিকে তো একটু বেশিই সাহস বেড়ে গিয়েছিল, সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় উঠে পড়ত। পুলিশে জানাতে গেছিলেন ফ্রিৎজ, তখন সেই পুলিশ অফিসার একটু ব্যঙ্গের হাসি হেসে বলেছিলেন, ‘চ্যান্সেলর যে এখনও আপনার কাগজটাকে নিষিদ্ধ করে দেননি, বা আপনাকে অ্যারেস্ট করেননি, এটাই কি যথেষ্ট নয় মি ফ্রিৎজ?’

    কিন্তু তার কিছুদিনের মধ্যেই ‘স্ট্রেট পাথ’কে ব্যান করে দেওয়া হয়। ফ্রিৎজকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল, কিন্তু তারপর মুক্তি পেয়ে গিয়েছিলেন।

    হ্যাঁ, এটা আশ্চর্যের বিষয় বই কী! হিটলার ক্ষমতায় আসার পর ফ্রিৎজের বেঁচে থাকাটাই আশ্চর্যের।

    তবে জেল থেকে মুক্তি পেলেও সব ব্যাপারে সরকারি তরফে হ্যারাসমেন্ট কমেনি একবিন্দুও। নিত্যদিনের ওই অত্যাচারে বাধ্য হয়েই বড়োরাস্তার উপরের ওই অফিস ছেড়ে মাসখানেক হল বাড়ির কাছেই একটা ছোটো ঘর ভাড়া করে অফিস শিফট করেছেন ফ্রিৎজ। নিজের কাগজ বেরোয় না ঠিকই, তবু অন্য কাগজে বেনামে লেখা পাঠান ফ্রিৎজ। তার কিছু ছাপা হয়, বেশিরভাগই সরকারবিরোধী বলে বাতিলের ঝুড়িতে চলে যায়। ভাগ্যক্রমে পৈতৃক সম্পত্তির সুবাদে মাথার উপর ছাদটা আছে ফ্রিৎজের তবু নিজের সন্তানের মতো আস্তে আস্তে বড়ো করে তোলা কাগজটা বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুঃখ কুরে কুরে খায় তাঁকে।

    একটা ব্যাপারে তিনি নিঃসন্দেহ, জার্মানি এখন ছাইচাপা আগুনের মতো ধিকিধিকি জ্বলছে, যেকোনো মুহূর্তে সেই আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করবে সবাইকে। ভার্সাইয়ের সন্ধির শর্তগুলোকে এক কথায় বলতে গেলে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হিটলার সেনাবাহিনীর শক্তি বাড়িয়ে চলেছে, যে পার্টি ভিন্নমত পোষণ করছে, রাতারাতি সেই পার্টির বৈধতাই বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। হিটলারের ক্রমাগত উসকানিমূলক বক্তৃতায় স্পষ্টই ইহুদিরা একঘরে হয়ে পড়ছে গোটা দেশে, সর্বক্ষণ তারা একটা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

    এভাবে আর কতদিন?

    মন সারাক্ষণ বিষণ্ণতায় মোড়া থাকে ফ্রিৎজের, তবু কলমের ধার কমাননি তিনি এক ফোঁটাও। যতদিন দেহে একবিন্দু অবধি রক্ত আছে ততদিন লিখে যাবেন নিরপেক্ষভাবে।

    ফ্রিৎজ সোফির হাত থেকে টুপিটা নিয়ে বললেন, ‘আচ্ছা ঠিক আছে, তুমি বাড়ি যাও। আর ঠিকানাটা বলেছ কি?’

    সোফি একটু আমতা আমতা করে বললেন, ‘বলল আগে কাজ করত তোমার অফিসে, তাই বলে দিলাম। নাম বলল ফ্রেডরিক। দ্যাখো এতক্ষণে হয়তো পৌঁছেও গেছে তোমার ওই অফিসে। বড়োরাস্তা ধরে গেল তো, তাই বোধ হয় তোমার সঙ্গে দেখা হয়নি।’

    ফ্রিৎজের মনে পড়ে গেল ফ্রেডরিক ছেলেটাকে। বেশিদিনের কথা তো নয়। চার পাঁচ মাস আগে কাগজ সরকারি আদেশে বন্ধ হওয়ার আগে আগেই ওকে ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছিলেন ফ্রিৎজ। কর্মীসংখ্যা কমাতে হচ্ছিল তখন, কোনো উপায় ছিল না।

    কিন্তু ছেলেটা বেশ বুদ্ধিমান ছিল। আর পাঁচটা শ্রমিকের মতো কলের পুতুল না হয়ে নিজস্ব যুক্তিবোধও ছিল একটা। কাজের ফাঁকে মাঝেমধ্যেই ফ্রিৎজের কাছে এসে বসত, জানতে চাইত দেশের অবস্থা, এটা কেন, ওটা কী, প্রশ্ন করত।

    ওর তিন মাসের মাইনে বাকি ছিল, সেটার জন্য এসেছে কি? তাহলে বেশ বিপদেই পড়ে যাবেন ফ্রিৎজ। এখন বলতে গেলে জমানো টাকা তুলে তুলেই সংসার চালাতে হচ্ছে ফ্রিৎজকে। তাঁর যা সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা বলে বলে দেশের প্রথম সারির কাগজের অফিসে ঢুকতে পারতেন, কিন্তু খোদ চ্যান্সেলরের রোষানল যার দিকে পড়েছে, তাকে কোন কাগজ চাকরি দেবে? টুকটাক ফ্রিল্যান্সার হিসেবে যা লেখেন তাতে রোজগার খুবই সামান্য। তাছাড়া জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হচ্ছে, মানুষের রোজগার সেই অনুপাতে তো আর বাড়ছে না। কাগজ কিনে পড়াটা এখন সাধারণ মানুষের কাছে বিলাসিতা।

    গলিপথ দিয়ে নিজের অফিসে এসে ঢুকতেই ফ্রিৎজ ফ্রেডরিককে দেখতে পেয়ে গেলেন, বসার ঘরের একটা চেয়ারে চুপ করে বসে আছে। চেহারাটা বেশ খারাপ হয়ে গেছে ছেলেটার, যদিও চোখের দৃষ্টি একইরকম বুদ্ধিদীপ্ত।

    ফ্রিৎজ এগিয়ে গিয়ে ফ্রেডরিকের সঙ্গে হাত মিলিয়ে করমর্দন করলেন, ‘আরে ইয়ং বয়, কী খবর? কেমন আছ তুমি?’

    ফ্রেডরিক অল্প হাসল, ‘ভালো স্যার। আপনার লেখা রেগুলার পড়ি, খুব ভালো লাগে। আমারও মনে কতরকম চিন্তা আসে, কিন্তু আপনার মতো তো লেখার ক্ষমতা নেই। তাই লিখতে পারি না, মনেই রেখে দিই।’

    ফ্রিৎজ হাসলেন, কাগজ যেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হল, সেদিন ফ্রেডরিক এসেছিল। ছদ্মনামে লিখতে শুরু করার আইডিয়াটা ওর সঙ্গেই প্রথম শেয়ার করেছিলেন ফ্রিৎজ।

    তিনি বললেন, ‘বোসো। কী করছ এখন?’

    ফ্রেডরিক বলল, ‘একটা প্রেসে কাজ করছি এখন, স্যার। বিজ্ঞাপনের লিফলেট, হ্যান্ডবিল এইসব ছাপায়। চলে যাচ্ছে মোটামুটি।’

    ফ্রিৎজ বললেন, ‘বাহ! খুব ভালো।’ তারপর একটু কিন্তু কিন্তু করে বললেন, ‘তোমার মাইনেটা বাকি আছে ফ্রেডরিক, আমার মনে আছে। তুমি যদি আর তিন—চার মাস বাদে একবার আসতে পারো’

    ফ্রেডরিক এবার তাড়াতাড়ি বলল, ‘স্যার, আমি ওইজন্য আসিনি। আমি একটা অন্য কারণে এসেছি আপনার কাছে। খুব গোপন একটা ব্যাপারে।’

    ফ্রিৎজ এবার বললেন, ‘কী বলো তো?’

    ফ্রেডরিক এবার একটু এদিক—ওদিক দেখে নিল। অবশ্য দেখবার তেমন কিছু নেই, ছোট্ট একফালি ঘর। ঘরের মাঝখানে ফ্রিৎজ স্যারের লেখার টেবিল, চেয়ার, একপাশে দুটো বইয়ের আলমারি। দরজার মুখে বসে রয়েছে একটা বুড়ো মতো লোক, সম্ভবত এই পুরো বিল্ডিংটার পাহারাদার।

    ফ্রিৎজ বুঝতে পেরে চেয়ার থেকে উঠে পড়লেন। এই ঘরটা ছোটো হলেও এর ছাদটা ভারি সুন্দর। শীতের সময় পুরোটাই বরফে ঢেকে যায়, শুধু চিমনিগুলো মুখ বার করে চেয়ে থাকে ল্যাম্পপোস্টের মতো। সোফি বলেছিলেন, কাগজ যখন বন্ধই হয়ে গেল, তখন আর অন্য ঘর নেওয়া কেন, বাড়িতে বসেই লেখো, ফ্রিৎজ রাজি হননি। সাংসারিক আবহে, দৈনন্দিন জীবনযাপনের মাঝে তাঁর লেখা আসে না, সমাজের দগদগে ঘা হতে যাওয়া ছোটো ফোঁড়াগুলোকে ঠিকমতো দেখতে পারেন না তিনি।

    তাঁর লেখার জন্য যত ছোটোই হোক, একটা আলাদা ঘর চাই।

    ছাদে এসে ফ্রিৎজ একটা চুরুট ধরালেন, ফ্রেডরিকের দিকে একটা বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, ‘কী ব্যাপার, ফ্রেডরিক?’

    ফ্রেডরিক মাথা নাড়ল। ও তামাক খায় না, গন্ধ লাগে। ও বলল, ‘স্যার, খুব সাংঘাতিক একটা ঘটনা ঘটতে চলেছে জার্মানিতে। আমার এক বন্ধু আছে নাতসি পার্টির উঁচু পোস্টে, তার কাছ থেকে জানতে পেরেছি।’

    ফ্রিৎজ এবার ভ্রূ কুঁচকে বললেন, ‘কী? হিটলার যুদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে শিগগিরই?’ বলার সঙ্গে সঙ্গে ফ্রিৎজ ভাবলেন, বিশ্বযুদ্ধ শেষ হবার পর প্রায় পনেরো বছর কেটে গেছে, তবু সেই অভিশাপ থেকে এখনও মুক্তি পায়নি জার্মানি, যুদ্ধপরবর্তী সমস্ত রোগে এখন ধুঁকছে গোটা দেশ। এর মধ্যেই ওই বিকৃত শয়তানটা আবার যুদ্ধ চাইছে?

    এবার যুদ্ধ শুরু হলে সারা পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব থাকবে আর?

    ফ্রেডরিক ওঁর চিন্তায় বাধা দিল, ‘না স্যার। যুদ্ধ নয়। তার চেয়েও ভয়ংকর। অনেক, অনেক ভয়ংকর।’

    ফ্রিৎজ এবার আশ্চর্য হয়ে বললেন, ‘কী?’

    ফ্রেডরিক এবার ঢোঁক গিলল। গত তিনদিন ধরে মনের মধ্যে নিজের সঙ্গেই নিজের দ্বন্দ্ব চালিয়ে যাচ্ছে সে। কী করা উচিত, কী না করা উচিত। অনেক ভেবেচিন্তে সে ফ্রিৎজ স্যারের কাছে আসাই ঠিক মনে করেছে।

    ওর জন্মদিনের দিন ভিক্টর এসেছিল কেক নিয়ে। ভিক্টর শুধু যে ওর নিজের পাড়ার একদম ছোটোবেলার বন্ধু তা—ই নয়, একইসঙ্গে ওরা দুজনে হাইস্কুল শেষ করে চলে এসেছিল বার্লিনে। একটা ছোট্ট একফালি ঘর, তাতে দুটো উপরনীচে বার্থ, এভাবেই থাকত দুজন। ওদের গলায় গলায় বন্ধুত্ব দেখে অনেকেই তখন ভুল করত ওদের ভাই ভেবে।

    অথচ এত বন্ধুত্ব থাকা সত্ত্বেও দুজনের মানসিকতা বড়ো হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই বিপরীত মেরুতে হাঁটতে শুরু করেছিল। ভিক্টর প্রথম থেকেই দুটো ব্যাপারে খুব স্পষ্ট ছিল, ও বার্লিনে টাকা কামাতে এসেছে, আর এইজন্য যা করতে হতে পারে তাই করতে ও রাজি আছে। কিন্তু ফ্রেডরিক সেরকম পারত না। ও বইপত্র নিয়ে থাকতে ভালোবাসত। বাড়ি থেকে নিয়ে আসা টাকা দিয়ে ও একটা প্রেসের অ্যাপ্রেন্টিস হিসেবে কাজ করতে ঢুকেছিল। আর ভিক্টর প্রথমে কিছুদিন এদিক—ওদিক চেষ্টাচরিত্র করে একসময় ঢুকে পড়ল নাতসি পার্টিতে।

    তখন অবশ্য কেউ ভাবতেই পারেনি নাতসি পার্টি দেশ শাসন করবে একদিন। ভিক্টর বরাবরই চালাক, উনিশশো তিরিশের ভোটে নাতসি পার্টি বেশ বড়োসড়ো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতেই ভিক্টরও প্রায় উল্কার গতিতে দলে উঠতে শুরু করল পার্টির মই বেয়ে। ওর উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে দুজনের বন্ধুত্বটাও ফিকে হতে শুরু করেছিল।

    তবে মতের অমিল থাকলেও তাতে একেবারে ভাঁটা পড়ে যায়নি। ফ্রেডরিক বিয়ার, পুরোনো রাস্পবেরির জুস আর লেবুর রস নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে একটা ককটেল বানাতে পারে যেটা ভিক্টরের খুব প্রিয়। একটু তিতকুটে আর ঝাল, কিন্তু নেশা হয় মারাত্মক, তার রেশও থাকে বেশ কিছুক্ষণ। যত কাজ, যত ব্যস্ততাই থাক, বার্লিনে এলে ওই ককটেল খাওয়ার জন্য পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে ভিক্টর ভোলে না।

    সেদিন রাতে প্রায় চার বোতলেরও বেশি খেয়ে ফেলেছিল ভিক্টর। এতটাই নেশা হয়ে গিয়েছিল, ঠিকমতো দাঁড়াতেও পারছিল না, কিন্তু ঘুমোতেও যাচ্ছিল না। ফ্রেডরিকের ওই ছোটো খাটে একটানা বসে থেকে বিড়বিড় করে চলেছিল ও।

    প্রথমে ফ্রেডরিক বিশেষ পাত্তা দেয়নি, জোর করে বন্ধুকে শোয়ানোর চেষ্টা করছিল, কিন্তু তারপর ভিক্টরের মুখ থেকে কয়েকটা ছাড়া ছাড়া শব্দ, বিশেষ করে হিটলার, সুপার জিন, ইউজেনিক্স এই কয়েকটা শব্দ শুনে ওর কৌতূহল হয়। আর একবার জিজ্ঞাসা করতেই নেশার ঘোরে সব কথা হড়হড় করে উগরে ফেলেছিল ভিক্টর।

    ফ্রেডরিক একটু ইতস্তত করে বলল, ‘স্যার, হিটলার চাইছেন পুরো জার্মান জাতিকে এমন একটা ওষুধ খাওয়াতে, যেটা তাদের পুরো জিনটাকেই পালটে একটা অতিমানবে পরিণত করবে। কোনোরকম ডিফেক্ট থাকবে না বা এমন কিছু বিষয় যাতে তারা দুর্বল হবে। শুধু তারা নয়, তাদের উত্তরসূরিরাও তেমনই হবে। সুপারম্যান টাইপ।’

    ফ্রিৎজ এতক্ষণের উদবেগের পর এইবার হেসে ফেললেন। ফ্রেডরিক ছেলেটা একেবারে ছেলেমানুষ!

    নিজের পেশার জন্য দেশবিদেশের নানা পত্রপত্রিকা সংগ্রহে রাখতে হয় ফ্রিৎজকে। বেশ কিছুদিন আগে তেমনই একটা সায়েন্স ফিকশন ম্যাগাজিনে জেরি সিয়েগেল নামের এক আমেরিকান ভদ্রলোকের লেখা গল্প পড়েছিলেন সুপারম্যান নামে এক অতিমানবের কাণ্ড নিয়ে প্লটের অভিনবত্বে খুব শোরগোল ফেলেছিল গল্পটা। নাম ছিল ‘সুপারম্যানের রাজত্ব।’

    ফ্রেডরিক নির্ঘাত ওই ম্যাগাজিনটা কোনোভাবে হাতে পেয়েছে। আর নয়তো, আমাদের খ্যাপা চ্যান্সেলরেরই ওই কমিকস সিরিজটা পড়ে মাথায় এই নতুন ভূত চেপেছে, মনে মনে ভাবলেন ফ্রিৎজ। বললেন, ‘কোথা থেকে পেলে ম্যাগাজিনটা? লাইব্রেরি?’

    ফ্রেডরিক এবার অবাক হল, ‘ম্যাগাজিন! কী ম্যাগাজিন?’

    ফ্রিৎজ বললেন, ‘ওই যেখানে সুপারম্যান নিয়ে লেখা গল্পটা পড়েছ! সব দিক থেকে শক্তিশালী একজন সুপারহিরো, নাম সুপারম্যান!’

    ফ্রেডরিক এবার বিস্মিতভাবে মাথা নাড়ল, ‘স্যার, আপনি বুঝতেই পারছেন না আমি কী বলছি! সুপারম্যান কোনো গল্প নয়, সুপারম্যান মানে অতিমানব। আমাদের সবাইকে হিটলার কিছু একটা ওষুধ খাওয়াবে, যাতে আমরা সব দিক থেকে শ্রেষ্ঠ হই, আর তারপর ইহুদিদের সব্বাইকে মেরে ফেলা হবে। শুধু ইহুদিরাই নয়, জার্মানি ছাড়া কোনো দেশকেই বাঁচিয়ে রাখবে না হিটলার!’

    ফ্রিৎজ এইবার আর হাসি চাপতে পারলেন না, হিটলারের পাগলামি এই পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছে? আজগুবি কল্পনার একটা সীমা আছে।

    ফ্রেডরিক হাল ছাড়ল না। এমনিতে নানা কারণে ও খুব বিভ্রান্ত। ও হঠাৎ বলল, ‘স্যার, আপনি হাসছেন? ফ্র্যান্সিস গ্যালটনের নাম শুনেছেন? ইউজেনিক্সের জনক বলা হয় ওঁকে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }