Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ২৪

    ২৪

    অগাস্ট ১৯৩৩

    অ্যাডলফ ঘরে ঢুকে দেখলেন, ভিক্টর অতিথিদের জন্য ধার্য করা একটা সোফায় একটু জড়োসড়ো হয়ে বসে আছে। পাশে একটা লোক। ভিক্টর ওঁকে ঢুকতে দেখেই উঠে দাঁড়িয়ে একটা স্যালুট ঠুকল।

    অ্যাডলফ কিছু বলার আগে লোকটির দিকে একঝলক তাকালেন। মাঝবয়সি সোনালি চুলের একজন লোক, সম্ভবত চূড়ান্ত অ্যালকোহলিক, মুখের তুলনায় শরীর অত্যন্ত শীর্ণকায় এবং ভগ্ন, ফ্যাকাশে ঠোঁট, চোখের দৃষ্টি ঘোলাটে। গায়ের কোটটাও অত্যন্ত মলিন।

    আশ্চর্যের ব্যাপার হল, রাষ্ট্রপ্রধানকে ঘরে ঢুকতে দেখেও সে বসেই রইল।

    অ্যাডলফ ভ্রূ কুঁচকোলেন। যদিও ভিক্টরের উপর ওঁর ভরসা আছে, তবু এই লোকটা বেসিক ম্যানারিজম জানবে না?

    তবু তিনি কিছু না বলে বসে জিজ্ঞাসু চোখে তাকালেন ভিক্টরের দিকে।

    ‘স্যার, ইনি রুডলফ গ্যালটন, ফ্র্যান্সিস গ্যালটনের ছেলে।’

    অ্যাডলফ সন্দিগ্ধ স্বরে বললেন, ‘ফ্র্যান্সিস গ্যালটনের তো কোনো ছেলেমেয়ে ছিল না?’

    ভিক্টরের হয়ে উত্তরটা এবার রুডলফ নিজেই দিল, ‘ওঁর স্ত্রী মারা যাওয়ার পর উনি আমাকে দত্তক নিয়েছিলেন। আমিই এখন ওঁর উত্তরাধিকারী। আইনমাফিক।’

    অ্যাডলফ আরও অসন্তুষ্ট হয়ে উঠলেন। তিনি একজনের সঙ্গে কথা বলছেন, এই লোকটা আগ বাড়িয়ে তার মধ্যে কথা বলে তাঁকে অসম্মানিত করছে, তাও আবার কোনো সম্ভাষণ ছাড়াই।

    তিনি ভিক্টরের দিকে তাকালেন, ‘আগে তোমার সঙ্গে কিছু কথা বলে নিতে চাই। রুডলফ গ্যালটন, আপনি একটু পাশের ঘরে গিয়ে বসুন, আমি আপনাকে ডেকে নেব।’ দরজার পেছনে ছায়ার মতো দাঁড়ানো প্রহরীর পেছন পেছন রুডলফ পাশের ঘরে চলে যেতেই ভিক্টরের চোখে চোখ রেখে অ্যাডলফ বললেন, ‘একে দেখে তো কোনো দিক থেকেই কাজের বলে মনে হচ্ছে না, ন্যূনতম সহবতজ্ঞানটুকু পর্যন্ত নেই! এ কাকে নিয়ে এলে ভিক্টর?’ ওদিকের উত্তর শোনার অপেক্ষা না করেই অ্যাডলফ বলতে লাগলেন,’তোমাকে আমি গ্যালটনের ছাত্রমহলে খোঁজ চালাতে বলেছিলাম।’

    ভিক্টর দমল না। মহামান্য চ্যান্সেলর পুরোটা শোনার পর তার পিঠ চাপড়ে দেবেন সে ভালোমতোই জানে। সে নম্রভাবে বলল, ‘স্যার, আমি সব খোঁজ চালিয়েছি। ওঁর সব স্টুডেন্ট, বাড়িঘর। ওঁর স্ত্রী তো ওঁর আগেই মারা গিয়েছিলেন, এই দত্তক নেওয়া ছেলেই এখন আসল মালিক। গ্যালটন দেশ—বিদেশ ঘুরে বেড়াতেন, কোথাও থেকে একে পেয়েছিলেন। দেখেই বুঝতে পারছেন, চরম নেশাখোর। কাজ—টাজও কিছুই করে না, সব সম্পত্তি উড়িয়ে দিচ্ছে।’

    অ্যাডলফ বিরক্তভাবে বললেন, ‘সে তো বুঝতেই পারছি! একে দিয়ে কি কাজ হবে?’

    ভিক্টর চ্যান্সেলরের বিরক্তি দেখে মনে মনে হাসল কিন্তু বিচলিত হল না।

    সে জানে এটা তার জীবনের সবচেয়ে বড়ো লটারির মতো। লাগলে সে রাজা, না লাগলে তার চান্স শেষ।

    পুরো অ্যাচিভমেন্টটা রয়ে—সয়ে জানাতে চায় সে চ্যান্সেলরকে, এটাই তো তার কেরিয়ারের তুরুপের তাস।

    সে একটু থেমে বলল, ‘আমি এর সঙ্গে বেশ দোস্তি করে নিয়েছিলাম স্যার। কয়েকদিন ঘুরলাম, খাওয়ালাম—দাওয়ালাম, তারপর বাড়িতেও এন্ট্রি নিলাম। আশ্চর্যের ব্যাপার হল, এতদিন ধরে ওই বিষয়ের উপর করা গবেষণার খাতাটা গ্যালটনের স্টাডিরুমের দেরাজে অবহেলাতেই পড়ে ছিল, এমনকী একটা চাবি পর্যন্ত দেওয়া ছিল না। এটা কী করে হয় বলুন তো! কেউ কি কোনো খোঁজই করেনি এই এতগুলো বছরে?’

    অ্যাডলফ এবার একটু থমকে গেলেন, ভিক্টর ওই জিনিসটার খোঁজ পেয়েছে তার মানে? কথাটা মনে হতেই তাঁর মনে একটা শিহরন খেলে গেল।

    তিনি মনে মনে ভাবলেন, লোকে খোঁজ পাবে কী করে! খোঁজ পেতে গেলে তো জানতে হবে ওই ব্যাপারটা সম্পর্কে। ল্যান্ডসবার্গ জেলে তাঁর ঠিক পাশের সেলে গ্যালটনের ওই পার্সোনাল সেক্রেটারি বন্দি না থাকলে কি আর জানতে পারতেন তিনি?

    কথায় বলে, কার ভাগ্যে কে খায়! সেই সেক্রেটারি এখন থুত্থুড়ে বুড়ো, গ্যালটন মারা যাওয়ার পর জার্মানি এসেছিল ভাগ্য পালটাতে, ভাগ্য তার এমনই পালটেছিল যে তাকে জেলেই কাটাতে হল জীবনের শেষ ক—টা বছর, কী করেছিল কে জানে!

    অ্যাডলফ নিজে ছিলেন রাজনৈতিক বন্দি, নামেই জেল, তার জন্য আলাদা ঘর, তাঁর আত্মজীবনী লেখার জন্য নিজস্ব টাইপিস্ট, অন্যান্য সুযোগসুবিধা, সবই ছিল। বিকেল হলেই মাঝেমধ্যে সাধারণ বন্দিদের সেলে গিয়ে আলাপ জমাতে চেষ্টা করতেন তিনি, বুঝতে চাইতেন ধীরে ধীরে শক্তিশালী হতে থাকা নাতসি পার্টিকে তারা কেমনভাবে দেখছে, কী ভাবছে এই নতুন দল সম্পর্কে। তখনই আলাপ ওই বুড়োর সঙ্গে। বেশিরভাগ বন্দিই মিশত না তার সঙ্গে, ঘরের এক কোনায় চুপচাপ পড়ে থাকত আর নিজের মনেই বকে যেত অনর্গল।

    ওর কাছ থেকেই অ্যাডলফ জেনেছিলেন ফ্র্যান্সিস গ্যালটন সম্পর্কে, জেনেছিলেন ইউজেনিক্স কী। এটাও জেনেছিলেন কীভাবে মৃত্যুর কিছুদিন আগে ওই আবিষ্কারটা করেন গ্যালটন।

    ভিক্টর ছেলেটাকে অবশ্য এত কিছু জানাবার কোনো মানে হয় না। অ্যাডলফ শুধু বললেন, ‘খোঁজ না—ই করতে পারে। এমন কিছু বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক তো নয়, এত কিছু নিয়ে একসঙ্গে মেতে থাকত যে লোকে ছিটগ্রস্ত ভাবত। ওসব তোমাকে ভাবতে হবে না, তারপর কী হল বলো।’

    ভিক্টর বলল, ‘ওর সঙ্গে দিন পনেরো বন্ধুত্ব হয়ে যাওয়ার পর একদিন ওর বাবার স্টাডিরুমে গিয়ে একটু দেখতেই পেয়ে গেলাম ওই ডায়েরিটা। অন্য সব গবেষণার খাতাগুলোই সুন্দর করে বাঁধানো ছিল, শুধু ওইটাই একটু অগোছালো হয়ে পড়ে ছিল একপাশে।’

    অ্যাডলফ তীক্ষ্নস্বরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী করে বুঝলে তুমি ওটাই সেই গবেষণার খাতা?’

    ভিক্টর বলল, ‘গ্যালটন গবেষণার বিষয়বস্তু সোজাসাপটা ভাষাতেই লিখে গেছেন। একটা নতুন মৌলিক পদার্থ যেটা খোলা বাতাসে কোনো প্রাণীর শরীরে প্রয়োগ করলে তার শরীরের প্রতিটা খারাপ জিন নষ্ট হয়ে যাবে, শুধুমাত্র ভালো জিনগুলোই থাকবে। আর সেটা পরবর্তী প্রজন্মেও এফেক্ট ফেলবে।’

    অ্যাডলফ মনে মনে সতর্ক হলেন। ভিক্টর ছেলেটাকে তিনি অশিক্ষিত ভেবেছিলেন। ভেবেছিলেন শুধুমাত্র ওপরে ওঠার লোভে সে সব হুকুম তামিল করবে। কিন্তু এ তো দেখা যাচ্ছে ততটা বোকা নয়। লেখাপড়া জানে বোঝা যাচ্ছে।

    অ্যাডলফ পালটা প্রশ্ন করলেন, ‘মানে, এক্স রে—র মতো করে ঢোকাতে হবে শরীরে?’

    উইলিয়াম রন্টজেন এক্স রশ্মি আবিষ্কার করেছেন তাও বেশ কয়েক বছর হল। তিনিও জার্মান ছিলেন। অ্যাডলফের হঠাৎ আবার মনে হল, জার্মান মাত্রই প্রতিভাবান, শুধু এখন উলটোপালটা রক্ত এসে মিশেছে বলে এই সাময়িক অধঃপতন। তাঁর হাত দিয়েই জার্মানি আবার ত্রুটিহীন হয়ে উঠবে। আর তিনি হবেন সেই ত্রুটিহীন মানবশ্রেষ্ঠ জাতির প্রধান।

    ভিক্টর বলল, ‘না, ইনজেক্ট করে। বাতাসের সঙ্গে বিক্রিয়া করবে ওটা। এইটুকু ইংরেজিতে লিখে গেলেও ওই পদার্থ তৈরির প্রসেসটা গ্যালটন লিখে গেছেন গ্রিক ভাষায়, সাবধানতা অবলম্বনের জন্যই হয়তো।’

    অ্যাডলফ বললেন, ‘গ্যালটন গ্রিক ভাষাও জানতেন?’

    ভিক্টর হাসল, ‘হ্যাঁ, উনি অনেক ভাষা জানতেন। ইংল্যান্ডে গ্রিক ভাষা খুব একটা জানে না লোকে, তাই হয়তো ওতে লিখে গিয়েছিলেন।’ পরক্ষণেই ও বলল, ‘কিন্তু গণ্ডগোলটা হয়েছে, এই জুয়াড়িটা যখন থেকে বুঝতে পেরেছে আমি ওই ডায়েরিটা চাই, তখন থেকেই সে টাকার গন্ধ পেয়ে গেছে। তার বেশি কিছু বোঝার দরকার নেই, টাকা পেলেই হল।’

    অ্যাডলফ এতক্ষণ শুনতে শুনতে বেশ প্রসন্ন হচ্ছিলেন ভিক্টরের উপর, এই কথাটা শুনে আবার বিরক্ত হয়ে উঠলেন, ‘এই সামান্য ব্যাপারেও তুমি মুশকিল দেখছ ভিক্টর? সরিয়ে দিচ্ছ না কেন?’

    ভিক্টর বলল, ‘অত সোজা নয় স্যার, ও নিজে এরকম হলে কী হবে, ওর পেছনে অনেক লম্বা হাত আছে। দুম করে সরিয়ে দিলে গোলমাল শুরু হয়ে যাবে, গ্যালটন স্যার মারা যাওয়ার আগে ব্রিটিশ সরকার ওঁকে নাইট উপাধি দিয়েছিল, সেই সূত্র ধরে এরও উঁচুমহলে ভালো চেনাজানা আছে। গ্যালটন মারা যাওয়ার পরে সেই কানেকশন ধরে একবার ইলেকশনেও দাঁড়িয়েছিল, হেরে গিয়েছিল যদিও। আর শেষ ক—দিন যেহেতু আমি মিশছিলাম, সেই থেকে আপনার লিঙ্কটাও বুঝতে পেরে যেতে পারে লোকে। ইংরেজ ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টকে তো জানেনই কেমন ধূর্ত! আমার মনে হয় এখনই আপনার ইংল্যান্ডের সঙ্গে প্রকাশ্য গোলমালে জড়িয়ে লাভ নেই! আগে নিজেদের ব্যাপারটা সলভ করাটাই মনে হয় বুদ্ধিমানের হবে।’

    অ্যাডলফ চিন্তিতভাবে মাথা নাড়লেন, ‘তবে?’

    ভিক্টর বলল, ‘টাকাটা দিয়ে দেওয়াই মনে হয় ভালো। হেলথ আদালত তো শুরু হয়ে গেছে, এলিমেন্টটা তৈরি হয়ে গেলেই আমরা হেলথ ক্যাম্প করে প্রত্যেকের ওপর অ্যাপ্লাই করা শুরু করতে পারব।’

    হেলথ আদালত কাজ করা শুরু করেছে এক মাস হল। আপাতত রাস্তার মোড়ে, স্কোয়ারের নোটিশবোর্ডগুলোতে অভিনব ধরনের প্রচার শুরু করা হয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফ থেকে, যাতে সাধারণ মানুষের কাছে কোনো ভুল বার্তা না যায়। দুজন ফটোগ্রাফার ফিট করে বড়ো বড়ো জেলগুলোর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ছবি তুলে আনা হয়েছে, তাদের ছবিগুলো একেকটি পোস্টারে ছাপিয়ে সঙ্গে নীচে লেখা হয়েছে,

    ‘নিজের অপরাধপ্রবণ ঘৃণ্য মানসিকতার জন্য এই লোকটা কোনোদিনও জেল থেকে ছাড়া পাবে না, মানুষের ক্ষতি করেও একে সারা জীবন জেলে পুষতে হবে, এটা সরকারের টাকার অপচয় নয়?’

    দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল বা মেন্টাল অ্যাসাইলামের রুগি, যাদের আমৃত্যু সুস্থ হবার সম্ভাবনা নেই, তাদের হুইলচেয়ারে বসা বা বিছানায় শোয়া হৃদয়বিদারক ছবি দিয়ে লেখা হয়েছে,

    ‘বংশসূত্রে পাওয়া জিনগত ডিফেক্টের জন্য এই লোকটা কোনোদিনও সুস্থ হতে পারবে না, কিন্তু তার জন্য জার্মানি সরকারের এর সারাজীবনের খরচবাবদ ষাট হাজার মার্কেরও বেশি খরচ হবে, আগেও যেমন হাজার হাজার অসুস্থ মানুষের জন্য হয়েছে। মহোদয় জার্মানিবাসী, এটা কিন্তু আপনারও টাকা!’

    শুধু অসুস্থরাই নয়, সমকামীদের ক্ষেত্রেও তাদের জিনগত দোষকেই দায়ী করা হয়েছে।

    এই পোস্টারগুলোর ফলে মানুষের মনে কিছুদিন এই প্রশ্নগুলো পাক খাক, এটাই চান অ্যাডলফ। তারপর তিনি সরকারি তরফে এই সমস্ত গুড ফর—নাথিংদের গণহত্যার কথা ঘোষণা করবেন। এর ফলে এক ঢিলে দুই পাখি মারা হবে, মানুষ নিজের মনেই নিজে যুক্তি সাজাবে, সত্যিই তো যে কোনোদিনও সুস্থ হবে না, বা যে দাগি আসামি, তার জন্য আমি কেন আমার কষ্টের পয়সা ট্যাক্স দেব! আর তার সঙ্গে খারাপ জিনের জন্যই যে এই বিকৃতিগুলো আসে, জিন পালটালে যে আখেরে মানুষের উপকারই হবে, সেটাও এখন থেকে বুঝতে শিখবে, তাতে গ্যালটনের ওষুধটা অ্যাপ্লাই করলেও অ্যাডলফ জনসমর্থন পাবেন।

    অ্যাডলফ মনে মনে পুরোটা ছকে নিয়ে একটা স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়লেন ‘খুব ভালো ভিক্টর। কিন্তু তুমি আর আমি ছাড়া আর কোনো হেলথ বোর্ডের অফিশিয়াল যেন ওই ইঞ্জেকশনের মানে না জানতে পারে।’

    ভিক্টর বলল, ‘আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন, স্যার। এখন শুধু দরকার একজন গ্রিক জানা বিশ্বস্ত লোক আর কয়েকজন কেমিস্ট যারা ওই প্রসেস অনুযায়ী এলিমেন্টটা তৈরি করবে।’

    অ্যাডলফ হঠাৎ চমকে উঠলেন, ‘তার মানেই তো জানাজানি হয়ে যাবে।’

    ভিক্টর বলল, ‘এটুকু তো হবেই স্যার, কিছু করার নেই।’

    অ্যাডলফ বললেন, ‘শোনো শোনো, কেমিস্টদের ডাকার আগে লোরেঞ্জের সঙ্গে বোসো একবার। ও পুরো লেখাটাকে কোনো কোডে কনভার্ট করে দেবে। আর তার পরেই ডায়েরিটাকে নষ্ট করে ফেলো। কালকের মধ্যে এটুকু আমার কমপ্লিট চাই। তাহলে কেউ হাতে পেলেও বুঝতে পারবে না।’

    ভিক্টর মাথা নাড়ল। চ্যান্সেলর যে তাঁর হাইকমান্ডের সঙ্গে গোপন বার্তা পাঠানোর জন্য গুপ্ত সংকেত ব্যবহার করেন, তা একজন কর্মী হিসেবে তার ভালোমতোই জানা। শত্রু দেশ তো দূর, পার্টিওয়ার্কাররাও যাতে সবকিছু জানতে না পারে, সেইজন্যই এই সতর্ক ব্যবস্থা। ওদের মিউনিখের হেড কোয়ার্টারেও প্রায়ই এই ধরনের কোড চালাচালি হয়। আর মি লোরেঞ্জ আছেন এই কোডিং সিস্টেমের প্রধান দায়িত্বে, তিনি অ্যাডলফের রিসার্চ ব্যুরোর মুখ্য ক্রিপটোঅ্যানালিস্ট।

    এইরকম কানাঘুসোও ওর কানে এসেছে, মি লোরেঞ্জ নাকি এমন একটা মেশিন বানানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন যা দিয়ে অটোমেটিক্যালি কোনো মেসেজকে সংকেতে পরিণত করা, আবার সেটাকে সংকেত থেকে মেসেজে কনভার্ট করা যাবে। তার নামও ঠিক হয়ে গেছে, এনিগমা মেশিন।

    অ্যাডলফ বলে চললেন, ‘আর যত টাকা লাগছে দিয়ে বিদায় করো একে। আমার কাছে না আনলেও চলত। আমি তোমাকে তো এই ব্যাপারে ফুল অথরিটি দিয়েই রেখেছি।’

    ভিক্টর উঠে দাঁড়াল, চলে যাওয়ার আগেও কী—একটা মনে পড়ে যেতে ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আপনি গ্রিক জানেন তো, স্যার?’

    অ্যাডলফ জার্মান ভাষা ছাড়া একটু আধটু ফ্রেঞ্চ আর কাজ চালানোর মতো ইংরেজিটুকু জানেন। তিনি বিস্মিতভাবে মাথা নাড়লেন, ‘না, আমি জানিনা। তুমি জানো না?’

    ভিক্টর মাথা নাড়ল, ‘না তো!’

    অ্যাডলফ বললেন, ‘তবে?’

    ভিক্টর চুপ করে গেল। এত গোপনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন চ্যান্সেলর, এত অল্প সময়ের মধ্যে গ্রিক জানে এমন কাকে জোগাড় করবে সে? জার্মানিতে এই ভাষা জানা লোকের সংখ্যা হাতে গোনা বললেও বেশি বলা হয়।

    অ্যাডলফ বললেন, ‘যেভাবে হোক গ্রিক জানা কাউকে জোগাড় করো, অবশ্যই বিশ্বাসী। তার সঙ্গে তুমি আর লোরেঞ্জ বসে কাল কয়েক ঘণ্টায় মিটিয়ে ফেলো ব্যাপারটা। জলদি।’

    ভিক্টর চিন্তায় পড়ে যাচ্ছিল। তার এত পরিশ্রম তো ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার জোগাড়। কালকের মধ্যে কোথায় পাবে সে গ্রিক জানা লোক? মিউনিখে তো কেউ নেই, সময় থাকলে ফ্রেডরিককে জিজ্ঞেস করা যেতে পারে, ওর মা যে গ্রিসের মেয়ে ছিলেন সেটা ও ছোট্ট থেকেই জানে।

    এটা মনে পড়তেই ওর মুখ চোখ উদ্ভাসিত হয়ে উঠল।

    আহা কী আহাম্মক সে, খেয়ালই নেই, ফ্রেডরিক নিজেই তো গ্রিক জানে, খুব ভালো না অবশ্য, তবে পড়তে পারে গড়গড় করে, স্কুলজীবনে অনেকবার গ্রিক গল্পের বই বাড়ি থেকে নিয়ে এসে পড়ে শুনিয়েছে সে। ভিক্টরের কয়েক সেকেন্ডের জন্য ফ্রেডরিকের নির্বুদ্ধিতার কথা মনে পড়তেই বিরক্ত লাগল, এত বোকা ও জীবনেও দেখেনি। কতগুণ ছিল ছেলেটার। দুটো তিনটে ভাষা জানত, ভালো মাউন্টেনিয়ারিং—এর জ্ঞান ছিল। এসব করেও তো কাটাতে পারত। তা না, ওই অন্ধকার ঘুপচিতে বসে ও যে কোন পাহাড়ে ওঠার প্ল্যান করছে, ও—ই জানে!

    মরুক গে! ফ্রেডরিকই তো কাজই করতে পারবে। কী ব্যাপারে, সেটা না জানালেই হল। ভালো টাকা দিয়ে দেবে, মিটে গেল।

    ও একটা লম্বা স্যালুট ঠুকল, ‘কালকের মধ্যেই ব্যাপারটা মিটিয়ে ফেলছি, স্যার। আপনাকে কাল সন্ধেয় এসে রিপোর্ট করব।’

    অ্যাডলফ আঙুল তুললেন, ‘আমিও যাব। জিনিসটা দেখতে চাই একবার।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }