Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ২৫

    ২৫

    সকালবেলা রুদ্রর ঘুম ভাঙল বেশ দেরিতে। আড়মোড়া ভেঙে অলস ভঙ্গিতে বার্থে উঠে বসে দেখল, ওপাশের বার্থে প্রিয়ম বেশ জুত করে বসে দুটো কাপে কফি তৈরি করছে। মিষ্টি রোদের আলো এসে পড়েছে ওর মুখে। জানলা দিয়ে বাইরের অসাধারণ নৈসর্গিক দৃশ্য দেখে ও মুগ্ধ হয়ে গেল। সবুজে ঢাকা চোখজুড়োনো উপত্যকার মধ্যে দিয়ে চলেছে এদের ট্রেন, চালু ভ্যালিগুলোর মাঝে একটা দুটো করে বাড়ি, ঠিক ক্যালেন্ডারের মতো।

    এই তাহলে জার্মানি! আইনস্টাইনের দেশ, অ্যানা ফ্রাঙ্কের দেশ, কার্ল মার্ক্সের দেশ! বইতে কত পড়েছে এই দেশের কথা। উনিশ শতকের শিল্পবিপ্লব, বার্লিন শহরের গোটা জার্মানির প্রাণকেন্দ্র হয়ে ওঠা। তারপর পরপর দুটো বিশ্বযুদ্ধ, দেশভাগ, বার্লিন ওয়াল এইরকম নানা ঐতিহাসিক উত্থান পতনের সাক্ষী থেকেছে এই শহরের ইট, কাঠ, পাথর।

    ভাবলেই গায়ে কাঁটা দেয়।

    ওকে উঠতে দেখেই প্রিয়ম বলল, ‘গুড মর্নিং! ওয়েলকাম টু জার্মানি, ম্যাডাম! আপনার জন্য কফি বানাচ্ছি। চটপট খেয়ে নিন। আর ঘণ্টাদুয়েক বাদেই নামতে হবে আমাদের।’

    রুদ্র ছোট্ট একটা হাই তুলল। কাল রাতে তাড়াহুড়োতে চুলটাও বাঁধা হয়নি ভালো করে, চারপাশে ছড়িয়ে রয়েছে। সব চুলগুলোকে একসঙ্গে নিয়ে চুড়ো করে মাথায় একটা টপ নট বাঁধল ও, তারপর প্রিয়মের হাত থেকে কফির কাপটা নিল, ‘গুড মর্নিং! ঘুম হয়েছে?’

    প্রিয়ম ঠোঁট উলটে বলল, ‘তেমন একটা না। যা সব জিনিস শোনালে কাল রাতে! ঘুম উড়ে গেছিল। শ্যুমাখারের নীল চোখদুটো দেখি একেকটা কে সি দাশের রসগোল্লা হয়ে গেছে!’

    রুদ্রর এত হাসি পেল, কফিটা গলায় আটকে গেল হঠাৎ, বিষম খেতে খেতে বলল। ‘তোমার তারস্বরে নাক ডাকতে ডাকতেও ঘুম হল না? নাহ, তোমারই হবে প্রিয়ম! শ্যুমাখারের মধ্যেও তুমি রসগোল্লা দেখতে পেলে?’

    প্রিয়ম গম্ভীর মুখে তাকাল, ‘হেসো না। নিজে তো রেগুলার বেসিসে সাঁটাও, গিয়েও সাঁটাবে। বাইরে যারা থাকে, তাদের দেশের কোনো একটা ভালোবাসার জিনিসের সঙ্গে কোথাও কোনো মিল পেলেই মনটা হু হু করে ওঠে, বুঝলে! আর এ তো হল গিয়ে রসগোল্লা! সেটা তো প্রাণের শুধু নয়, একেবারে আত্মার আত্মীয়!’

    রুদ্র হাসতে হাসতে উঠে দাঁড়াল, বাথরুমে যাবে একটু, ‘তা আমার জন্য না হয় নাই—বা ফিরলে, আত্মার আত্মীয়র জন্যও তো অফিসে ইন্ডিয়া ফেরত পাঠানোর জন্য একটু তদবির করতে পারো!’

    ক্যুপ থেকে বেরিয়ে বাথরুমের দিকে যেতে যেতে ও দেখল এখনও বার্লিন পৌঁছোতে দু—ঘণ্টা পঁয়ত্রিশ মিনিট। এখানকার ট্রেনগুলোতে পুরো প্লেনের কায়দায় সারাক্ষণ ডিসপ্লে করা হয়, ট্রেন কত গতিবেগ যাচ্ছে, এখন কোন অঞ্চলের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, গন্তব্যে পৌঁছোতে কত দেরি।

    ওদের কম্পার্টমেন্টটার ডিজাইনটা ইন্ডিয়ার ট্রেনের ফার্স্ট ক্লাস কামরার মতো, একদিকে সরু প্যাসেজ, আর অন্যদিকে পরপর ক্যুপ। বাথরুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে ও ভালো করে চোখেমুখে জলের ঝাপটা দিল, বার্লিনে পৌঁছে কেমন ঠান্ডার কবলে পড়তে হবে তা এখনও বুঝতে পারছে না, প্রথমে ঠিক করেছিল আগে গিয়ে কোনো হোটেলে উঠবে, কিন্তু এখন ও ভাবছে গিয়েই আগে ওই স্টুডিয়োতে চলে যাবে। নাকি আগে পুলিশের সঙ্গে দেখা করবে? কিন্তু তাতে যদি সুবিধার থেকে ঝামেলা বেশি হয়? চুরি যাওয়া এরকম একটা অ্যান্টিক জিনিস কী করে ওর কাছে গেল, কেনই—বা ওর কাছে রয়েছে সেটা নিয়েও হ্যারাসমেন্ট শুরু হয়ে যেতে পারে, তাতে এই দিকটা নিয়ে ও আর এগোতেই পারবে না।

    বাথরুম থেকে বেরিয়েই করিডরে প্রিয়মকে দেখে অবাক হয়ে গেল, দরজার সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইলে খুটখাট করছে। ও এগিয়ে গিয়ে বলল, ‘তুমি এখানে কেন?’

    প্রিয়ম মোবাইলের দিকে তাকিয়েই বলল, ‘ওই ক্লিন করতে এসেছে। বলল, বাইরে গিয়ে ওয়েট করতে। তাই এখানটায় এলাম। এখানে দেখছি ওয়াই—ফাইটা ভালো ধরছে।’

    রুদ্র চোখ কপালে তুলে বলল, ‘আমার হ্যান্ডব্যাগটা?’

    প্রিয়ম বলল, ‘ওখানেই আছে। কিছু তো নেই তেমন, টাকাপয়সা তো সব আমার মানিব্যাগে।’ বলেই ঝট করে মুখটা তুলল, চোখে সাদা দৃষ্টি, ‘এই যা! আমি তো শুধু আমার পার্সটা নিয়ে বেরিয়ে এলাম।’

    রুদ্র ওকে মুহূর্তের মধ্যে ঠেলে সরিয়ে ছুটতে লাগল ওদের ক্যুপের দিকে। হন্তদন্ত হয়ে এসে সজোরে ওদের ক্যুপের দরজাটা খুলল, যা ভেবেছে ঠিক তাই।

    ওদের একমাত্র রুকস্যাকটা চেন খোলা অবস্থায় উলটে পড়ে রয়েছে কার্পেটের ওপর, তার ভেতর থেকে নির্দয়ভাবে জামাকাপড়গুলো বের হয়ে এদিক—ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে।

    ওর হ্যান্ডব্যাগটাও খোলা, রুদ্র মুহূর্তের মধ্যে সেটাকে নিয়ে ভেতরটা দেখল, তারপর তীব্র হতাশায় ছুড়ে ফেলল বার্থের ওপর, ‘এতটা কেয়ারলেস তুমি আমি ভাবতেও পারিনি প্রিয়ম! তুমি আসলে পুরো ব্যাপারটাকেই অত্যন্ত ক্যাজুয়ালি নিয়েছিলে! একটু সিরিয়াসলি নিলে এরকমভাবে জিনিসটাকে ফেলে চলে যেতে না বাইরে!’

    ওর পেছন পেছন প্রিয়মও চলে এসেছে, অপরাধীর গলায় ও বলল, আমার একদম মানে মাথাতেই ছিল না ব্যাপারটা! ছবিগুলো নেই?’

    রুদ্রর রাগের থেকেও বেশি কান্না পাচ্ছিল। এত কাণ্ড করেও ও জিনিসটাকে বার্লিন নিয়ে যাওয়া পর্যন্ত রক্ষা করতে পারল না। কোনোমতে নিজেকে কন্ট্রোল করে ও বলল, ‘যে ক্লিন করতে এসেছিল, সে কি জাপানি বা ওইরকম দেখতে?’

    প্রিয়ম এবার জোরে জোরে মাথা নাড়ল, ‘না তো! খাঁটি ইউরোপিয়ান একজন মহিলা। গায়ে ট্রেনের এমপ্লয়িদের ড্রেস। কী করে বুঝব বলো তো!’

    রুদ্র বলল, ‘দেখতে কেমন?’

    প্রিয়ম বলল, ‘মুখটা দেখিনি তেমন ভালো করে, টুপিতে ঢাকা ছিল। এখানে তো এভাবেই পরিস্কার করে যায়, কেউ কোনো সন্দেহ করে না।’

    রুদ্র নিরাশভাবে উঠে দাঁড়াল। বাইরে গিয়ে কি একবার হেঁটে দেখে আসবে দু—পাশের কম্পার্টমেন্টগুলোর লোকজনদের?

    কোনো লাভ নেই। জিনিসটা পেয়ে যখন গেছে, এত কাছেপিঠে নিশ্চয়ই সে রুদ্রর অপেক্ষায় বসে নেই।

    প্রিয়মও বেশ মুষড়ে পড়েছে, ‘ছবিগুলোর কোনো কপিও তোমার কাছে নেই, না?’

    রুদ্রর প্রচণ্ড রাগ হচ্ছিল, কোনোমতে রাগটা কন্ট্রোল করে ও উত্তর দিল, ‘আমার মোবাইলে ছবি তোলা আছে।’

    ‘ওহ! তাহলে আবার কী!’ প্রিয়মের মুখ নিমেষে উদ্ভাসিত, ‘সেটা এতক্ষণ বলবে তো! ওখান থেকেই তো তুমি প্রসেসটা বের করতে পারবে! আমি তোমায় বার্লিনে পৌঁছেই ভালো কোয়ালিটির প্রিন্ট করে দেব।’

    রুদ্র এবার ধমকে উঠল, ‘তুমি থামবে? আমার কাছে নেই সেটা বড়ো কথা নয়, বড়ো কথা হল যে বা যারা ওটা হন্যে হয়ে খুঁজছিল তারা সেটা পেয়ে গেছে।’

    রুদ্র বিরস মুখে কফিতে চুমুক দিল। একটু চুপ করে থেকে বলল, ‘তোমার ফোনে ফেসবুকটা একবার খোলো। এখানে স্পিড ভালোই।’

    প্রিয়ম ফোনটা পকেট থেকে বের করতে করতে বলল, ‘হ্যাঁ, এখন ওয়াই—ফাই স্পিড ভালো দিচ্ছে, কিন্তু কাল রাতে বাইরের করিডরে বেরিয়েও কানেকশন পাচ্ছিলাম না। সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনেও পাইনি, ডেসমন্ডকে অফিসে একটা ফোন করার ছিল, বাধ্য হয়ে ব্যালেন্স খরচ করে করতে হল। আজ যে যাব না, সেটা জানিয়ে দিলাম, ওর পক্ষে এখন পুরোটা সামলানো মুশকিল হয়ে গেল খুব।’

    রুদ্র বলতে যাচ্ছিল, ‘ছুটির কারণ কী বললে?’ কিন্তু সেটা বলার আগেই ও বিস্ফারিত চোখে বলল, ‘তুমি ফোনের সুইচ অন করে ফেলেছ?’

    প্রিয়ম বলল, ‘না না। কাল রাতে একবারই অন করেছিলাম, ডেসমন্ডকে ফোন করলাম, তোমার বাবার দেখলাম মেসেজ ঢুকেছিল, তোমাকে ফোনে পাচ্ছেন না বলে, তাই বাবাকেও ফোন করলাম। তারপরেই আবার অফ করে দিয়েছি।’

    রুদ্র প্রায় ভস্ম করে দেওয়ার দৃষ্টিতে বলল, ‘তোমাকে বলেছিলাম ফোনটা অন না করতে!’

    প্রিয়ম বলল, ‘আরে চিন্তার কিছু নেই, মুচিবাবু একবারও ফোন করেনি। না মিসড কল অ্যালার্ট, না কোনো মেসেজ!’

    রুদ্র কটমট করে তাকাল, ‘মুচিবাবু! সেটা আবার কে?’

    প্রিয়ম বলল, ‘ওই যে, শ্যুমাখার! আরে তখন তো লোকজনের প্রোফেশন অনুযায়ী নাম হত জার্মানিতে, জানো না? যেমন ফিশার সারনেম মানে ফিশারম্যান বা জেলে, জিমারম্যান মানে কাঠের মিস্ত্রি। ওই যে শ্যুমাখার, আসলে ও ছিল শ্যু—মেকার, মানে ওর পূর্বপুরুষ জুতো তৈরি করত। ফর্মুলা ওয়ানের মাইকেল শ্যুমাখারেরও তাই।’

    রুদ্রকে একটু থমকে যেতে দেখে প্রিয়ম বলে যেতে লাগল, ‘দেখেছ, নলেজ শুধু তোমারই নেই বস, আমারও আছে। তবু একটুও অহংকার নেই আমার, নিজেই মাঝেমধ্যে অবাক হয়ে যাই ভেবে।’

    রুদ্র পরিস্কার বুঝতে পারছিল নিজের আরেকটা অপকর্ম ঢাকার জন্য প্রিয়ম এখন এইসব বলে প্রসঙ্গটা ঘোরাবার চেষ্টা চালাচ্ছে।

    ও মোটেই দমল না, ‘তুমি কি জানো ওই যে কিছুক্ষণের জন্য ফোনটা অন করেছিলে, তাতেই যাদের আমাদের লোকেশনটা ট্র্যাক করার দরকার ছিল, তারা ঠিক ধরে ফেলেছে সেটা? শিট!’ ও কপালের দু’পাশের রগ—দুটো টিপে ধরল, ‘এত কাণ্ড করলাম, একগাদা খরচ করে রাতদুপুরে বেরিয়ে এতদূর এলাম, ওরা এয়ারপোর্টগুলোয় নজর রাখবে বলে ট্রেনে এত টাইম নষ্ট করে এলাম, আলটিমেটলি কোনো লাভ হল না। তাই আমি অবাক হয়ে যাচ্ছিলাম যে কী করে ট্রেন থেকে ওরা জিনিসটা হাতাতে পারল। এখন তো আমি শিয়োর কাল রাতে আমার গায়ে জল ফেলাটাও ইনটেনশনাল ছিল। পরিষ্কার একটু ভড়কে দেওয়া উদ্দেশ্য ছিল।

    প্রিয়ম একটু কাঁচুমাচু মুখে বলল, ‘কী করব বল! আমাকে আমার চাকরিটা তো বাঁচাতে হবে! তুমি না হয় একটা অলটারনেট কেরিয়ার তৈরি করছ আস্তে আস্তে, এমনিতেও সরকারি কর্মচারী বলে কথা, আমি তো তা নই!’

    রুদ্র বুঝল, প্রিয়ম আর কিছু বলতে না পেরে ইমোশনাল সুড়সুড়ি দেওয়া শুরু করেছে এবার। ও বলল, ‘তুমি তো ডেসমন্ডকে আজ সকালেও ওয়াই—ফাই কানেকশনটা আসার পর হোয়াটসঅ্যাপ করে দিতে পারতে! সবেতে এত তাড়াহুড়ো কেন তোমার?’

    কথাগুলো বলে ও মুখ দিয়ে আফশোসের আওয়াজ করল, ‘এমনিতেই আমি সেদিন ওই নকল শ্যুমাখারকে অনেক কিছু বলে ফেলেছিলাম, ওটা আমার একটা মস্ত ভুল হয়েছিল!’ হতাশ মুখে ও বার্থের ওপর বসল।

    প্রিয়ম বলল, ‘নকল শ্যুমাখার! মানে?’

    রুদ্র থম মেরে বসে ছিল, ‘অনেক কিছুই আমার কাছে এখন পরিষ্কার হয়েছে, প্রিয়ম। তোমার ওই ভদ্রলোক আর যা—ই হোক, বিখ্যাত অঙ্কোলজিস্ট ড সিগমুন্ড শ্যুমাখার নন।’

    ‘মানে!’ প্রিয়ম যেন খাবি খাচ্ছে এইভাবে বলল, ‘ড. শ্যুমাখার নন! তবে উনি, মানে ওই লোকটা কে!’

    রুদ্র বলল, ‘শোনো, খটকাটা আমার প্রথম দিন থেকেই লেগেছিল। আচ্ছা, তোমাকে ড শ্যুমাখার ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট কবে পাঠিয়েছিলেন মনে করতে পারবে?’

    প্রিয়ম বলল, ‘এগজ্যাক্ট তারিখটা তো মনে নেই, তবে প্রথম আলাপের পরপরই পাঠিয়েছিলেন এটা মনে আছে।’

    রুদ্র বলল, ‘হুঁ।’ তারপর একটু থেমে বলল, ‘তুমি কি এটা খেয়াল করেছ যে তোমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাবার ঠিক আগেই প্রোফাইলটা খোলা হয়েছে আর তুমি আর আমি ছাড়া ওই প্রোফাইলে কোনো জেনুইন ফ্রেন্ড নেই? যে ক—টা প্রোফাইল ফ্রেন্ডলিস্টে রয়েছে প্রত্যেকটাতেই কোনো ছবি নেই, শুধু নেট থেকে ডাউনলোডেড ছবি ছাড়া? মানে, সবকটাই ফেক প্রোফাইল, এটা খেয়াল করেছ কি? নিজে একটা ভুয়ো প্রোফাইল খুলে অ্যাবরাপ্টলি আরও কিছু ফেক প্রোফাইলে ফ্রেড রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়েছে, তারা অ্যাকসেপ্টও করেছে। ওঁর নিজের প্রোফাইলেও গুটিকয়েক ওইসব সেমিনারের ছবি অ্যাড করা হয়েছে, তাও তোমাকে রিকোয়েস্ট পাঠানোর একদম আগে আগেই। দেখেছ কি?’

    প্রিয়ম অবাক হয়ে বলল, ‘না তো! আমি তো প্রোফাইলে ছবিটা দেখেই অ্যাকসেপ্ট করি, তারপর ফেসবুকেই মেসেজ করেন উনি।’

    রুদ্র বলল, ‘ওইজন্যই বলি, যাকে তাকে অ্যাকসেপ্ট করবে না। কাল রাতে আমি ফেসবুকে অনেক কিছু সরেজমিনে তদন্ত চালিয়েছি। আরও একটা প্রোফাইল আছে, সিগমুন্ড অ্যালফ্রেড শ্যুমাখার নামে, সেটাতে কিন্তু ওর বিভিন্ন সেমিনারের ছবি থেকে শুরু করে ল্যাবের ছবি সব কিছুই রয়েছে এবং ওঁর অনেক বন্ধুও রয়েছে ওই প্রোফাইলে, ল্যাবের কলিগদের কমেন্টও রয়েছে প্রচুর। যেকোনো ফেসবুক ইউজ করা লোক দেখলেই বুঝতে পারবে ওটা জেনুইন প্রোফাইল।’

    প্রিয়ম এবার আরও অবাক হয়ে গেল, ‘তুমি কাল থেকে একটার পর একটা যা বোম ফাটিয়ে চলেছ না, আমার মাথা সত্যিই কাজ করা বন্ধ করে দিচ্ছে এবার! এই মুচিবাবু কি শুধু আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবে বলে আলাদা প্রোফাইল খুলেছে নাকি?’

    রুদ্র বলল, ‘আলফ্রেড যে ড শ্যুমাখারের জার্মান বাবার নাম সেটা বুঝতে পেরেছি একটা মেডিকেল জার্নালের সাইটে ওঁর বায়োডাটা দেখে, ভদ্রলোক বাবার নাম মিডল নেম হিসেবে ব্যবহার করতেই পারেন। কিন্তু এইরকম আলাদা প্রোফাইল রাখার মানেটা বুঝতে পারছিলাম না।’

    প্রিয়ম বলল, ‘ওঁর ওই কলিগদের থেকে ব্যাপারটাকে লুকিয়ে রাখার জন্য কি?’

    রুদ্র বলল, ‘কলিগদের থেকে লুকিয়ে রাখার জন্য একটা ফেক অ্যাকাউন্ট খোলার চিন্তাভাবনাটা হাস্যকর না?’

    প্রিয়ম বলল, ‘তবে?’

    রুদ্র বলল, ‘এর কারণ একটাই হতে পারে, শুধুমাত্র আমাদের দুজনের কাছে উনি নিজের বিশ্বাসযোগ্যতা জোরদার করবার জন্যই এটা করেছেন।’ একটু থেমে ও বলল, ‘কাল সকালে আমি ড শ্যুমাখারের ওই ক্লিনিকে গিয়েছিলাম। ওঁর সঙ্গে দেখা করিনি, বাইরে আউটডোরে এমনি বসে ছিলাম কারুর জন্য ওয়েট করছি এইরকমভাবে। বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। আধ ঘণ্টার মধ্যেই ড শ্যুমাখার গাড়ি থেকে নেমে এসে তাঁর চেম্বারে ঢুকে গেলেন আমার সামনে দিয়ে।’

    প্রিয়ম বলল, ‘তোমায় চিনতে পারলেন না?’

    রুদ্র এবার হাসল, ‘আগে কোনোদিনও দেখলে তবে তো চিনবেন। আমার সামনে দিয়ে যিনি গটগট করে হেঁটে ভেতরে ঢুকে গেলেন, তাঁর চোখগুলো কুচকুচে কালো। আর চেহারাটাও ওই নকল শ্যুমাখারের থেকে বেশ মোটার দিকে। তবে হ্যাঁ, মুখে কোনো তফাত নেই।’

    ‘সে কী! প্রায় চেঁচিয়ে উঠল প্রিয়ম।

    রুদ্র বলল, ‘ড সিগমুন্ড আলফ্রেড শ্যুমাখার সত্যিই বেশ নামকরা মানুষ, ক্যান্সারের ওপর ওঁর বেশ কয়েকটা পেটেন্টও রয়েছে। কাল সকালে ওঁর ক্লিনিকে যাওয়ার আগেই আমি উইকিপিডিয়ায় ওঁর সম্পর্কে পড়েছিলাম। এটা ঠিকই যে, ওঁর বাবা জার্মান ছিলেন, মা ফ্রেঞ্চ। খুব ছোটোবেলায় বাবা আর মায়ের মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। তারপর থেকে উনি ওঁর বাবার কাছেই মানুষ হন। তাই বাবার নামটা হয়তো উনি ইউজ করেন মিডল নেম হিসেবে।’

    প্রিয়ম আবার জিজ্ঞেস করল, ‘এই লোকটা তাহলে কে!’

    ‘এখনও বুঝতে পারছি না। তবে শ্যুমাখারের সঙ্গে মুখশ্রীতে অসম্ভব মিল আর সেই মিলটাকেই কাজে লাগিয়ে আমাদের ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করেছে ওই নকল শ্যুমাখার, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তার মধ্যে তুমি এটাকেও হারিয়ে ফেললে।’ রুদ্র হতাশ গলায় বলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }