Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ২৬

    ২৬

    সেপ্টেম্বর ১৯৩৩,

    ফ্রিৎজ দরজা খুলে ফ্রেডরিককে তাড়াতাড়ি ঘরের ভেতরে নিয়ে এলেন। বেচারি কোনো কারণে অনেকটা রাস্তা ছুটে এসেছে, এখন হাঁপাচ্ছে খুব। ঠান্ডায় ওঁর মুখচোখ লাল হয়ে উঠেছে, হাতের আঙুরগুলো সিঁটিয়ে গেছে।

    এখন কাকভোর বললেও কম বলা হয়। ঘড়িতে চারটে বেজে কুড়ি মিনিট, কিন্তু বাইরে এখনও ভোর হওয়ার কোনো চিহ্ন নেই। প্রচণ্ড ঠান্ডায় এখনও সারা শহরই ঘুমে আচ্ছন্ন। ফ্রেডরিক এরই মধ্যে ছুটতে ছুটতে এসেছে।

    তাকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে শান্ত ছেলেটার ওপর দিকে একটা বিশাল ঝড় বয়ে গেছে।

    এত ভোরে ফ্রেডরিক এভাবে কেন এল ফ্রিৎজ বুঝতে পারলেন না। সোফিও পেছন পেছন উঠে এসেছেন ঘুমন্ত এমিলিয়াকে কোলে নিয়ে। তাঁর চোখেও জিজ্ঞাসা।

    স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে ফ্রিৎজ ইশারায় একটু কফি করাতে বললেন বাড়ির কাজের মহিলাটিকে দিয়ে।

    গরম কফি খেয়ে ফ্রেডরিক একটু স্বাভাবিক হতেই চেঁচিয়ে উঠল, ‘স্যার, আজ আমাকে একটা জায়গায় যেতে হবে, ভিক্টর নিয়ে যাবে। যা করার আজকেই করতে হবে।’

    ফ্রিৎজ বললেন, ‘কোথায়? ভিক্টর কে?’

    ফ্রেডরিক বলল, ‘আপনাকে সেদিন বললাম না, আমার ওই বন্ধুর নাম ভিক্টর। ও কাল রাতে এসেছিল আবার।’

    সত্যি কাল রাতে দরজা খুলে ভিক্টরকে দেখে ও খুব আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিল। এমনিই কাল ও একটু তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়েছিল, হালকা জ্বর জ্বর লাগছিল, তাই। তার মধ্যে ভিক্টরকে দেখে ও চমকে গিয়েছিল। এত তাড়াতাড়ি আবার ও এল কেন?

    তবে সেদিন রাতে নেশার ঘোরে ও যা যা বলেছিল, সেগুলো কিছুই খেয়াল ছিল না ভিক্টরের। ফ্রেডরিক ও ঘুণাক্ষরে সেকথা তোলেনি। ভিক্টরকে কাল বেশ উত্তেজিত দেখাচ্ছিল, ‘ভাই আমার একটা কাজ করে দিতে হবে তোকে। গ্রিক পড়তে ভুলে যাসনি তো?’

    ফ্রেডরিক অবাক হয়ে মাথা নেড়েছিল। হঠাৎ গ্রিক ভাষা কোত্থেকে এল?

    ও কিছু জিজ্ঞাসা করার আগেই ভিক্টর থেবড়ে বসে পড়েছিল ওর খাটে, ‘কাল সকালে রেডি হয়ে থাকিস, তোকে একটা জায়গায় নিয়ে যাব আমি। গাড়ি নিয়ে আসব।’

    ফ্রেডরিক বলেছিল, ‘কোথায়?’

    ভিক্টর পাশেই টেবিলে থাকা জলের জাগটা থেকে উঁচু করে জল খেতে খেতে বলেছিল, ‘একটা গ্রিক লেখাকে তোকে জার্মানে ট্রান্সলেট করে দিতে হবে। বেশি বড়ো নয়, দু—পাতা মতো।’

    ফ্রেডরিক বলেছিল, ‘ওহ! তার জন্য যাওয়ার কী আছে, এখানে নিয়ে আয়, আমি করে দেব। কাল সকালে আমার ক্লাবে যাওয়ার আছে।’

    ভিক্টর একটু থমকে গিয়ে বলেছিল, ‘না, এখানে আনা যাবে না। ব্যাপারটা মানে, একটু সিক্রেট আর কি! তুই জার্মান ভাষায় কনভার্ট করে দিলেই ওটা চলে যাবে অন্য জায়গায়। হাইকম্যান্ডের কনফিডেনশিয়াল ব্যাপার। তবে তুই মোটা টাকা পাবি ওইজন্য।’ পরক্ষণেই গলা চড়িয়েছিল, ‘তোর এইসব ক্লাব—টাব ছাড় তো! ওই করে করে তোর মাথা আরও যাচ্ছে।’

    ফ্রেডরিক কিন্তু কিন্তু করেছিল, ‘সে ঠিক আছে, কিন্তু তোদের পার্টির ব্যাপারে আমি গিয়ে কী করব?’

    এইবার ভিক্টর বিরক্ত হয়ে উঠেছিল, ‘উফ, তোর সবেতে এরকম আদর্শবাদী মনোভাবের জন্যই লাইফে কিচ্ছু হল না। পার্টির কাজ কেন হবে? সরকারের কাজ। এবার বল তাতেও তোর কোনো ইন্টারেস্ট নেই?’

    ফ্রিৎজ ফ্রেডরিকের থেকে সব শুনে—টুনে বললেন, ‘তোমার কী মনে হচ্ছে?’

    ফ্রেডরিক অবশিষ্ট কফিটা একচুমুকে শেষ করে দিয়ে বলল, ‘স্যার আমার তো মনে হচ্ছে ওই ব্যাপারেই আমাকে নিয়ে যেতে চাইছে। হয়তো গ্রিক ভাষায় কিছু লেখা আছে, যেটা ওরা বুঝতে পারছে না।’

    ফ্রিৎজ চিন্তান্বিত হয়ে পড়লেন। সেদিন ফ্রেডরিক যা বলেছিল, সেইটা যদি সত্যি হয় তবে তার থেকে খারাপ আর কিছু হতে পারে না। এর মধ্যে হিটলারের অনেকগুলো মিশন শুরু হয়ে গেছে। মাসখানেক হল ম্যারেজ মনিটরিং অফিসও খোলা হয়েছে, কেউ বিয়ে করতে গেলে প্রথমে সেখানে পাত্রপাত্রী দুজনকে নগ্ন অবস্থায় পরীক্ষা করছে ডাক্তাররা, সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ত্রুটিহীন কিনা দেখা হচ্ছে, রক্তপরীক্ষা ও আরও অনেক টেস্টের পর দু—পক্ষের সব রেজাল্ট ঠিকঠাক এলে তবেই ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে বিয়ের। বিকলাঙ্গ, অসুস্থ কোনো শিশু নাকি জন্মাতে দেওয়া যাবে না।

    ফ্রিৎজ ভেবেই রেখেছেন ফ্রেডরিকের কাছ থেকে শোনা এই ব্যাপারটা নিয়ে তিনি, হোক বেনামে, তবু লেখায় তুফান তুলবেন। কিন্তু সরকারি তরফে কিছু ঘোষণার আগে তো আর লিখতে পারেন না, আবার ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করতে গেলে ততদিনে হয়তো ওই ওষুধের প্রয়োগও শুরু হয়ে যাবে।

    ওই সাইকোপ্যাথের পক্ষে কিছুই অসম্ভব নয়।

    কিন্তু ততদিন ফ্রিৎজ নিজেও কি বেঁচে থাকবেন?

    সেদিন ফ্রেডরিকের কাছ থেকে সব শোনার পর প্রথমে ফ্রিৎজ দিশেহারা হয়ে গিয়েছিলেন, তারপরেই ছুটেছিলেন বার্লিন লাইব্রেরিতে। ফ্রান্সিস গ্যালটন, তাঁর চিন্তাভাবনা, ইউজেনিক্স নিয়ে কাজ এসব পড়ে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। ফ্রেডরিকের কথা গুরুত্ব বুঝতে পেরে ভয়ে দুশ্চিন্তায় এই ক—দিন রাতে প্রায় ঘুমোতেই পারেননি ফ্রিৎজ। ঘুমের মধ্যেও পাশে অঘোরে ঘুমোনো এমিলিয়াকে দেখে তাঁর গায়ের রোম খাড়া হয়ে গেছে।

    হিটলার চায় খাঁটি জার্মানদের নিয়ে বিশুদ্ধ রক্তের দেশ বানাতে, সেখানে তিনি নিজে জার্মান হলেও তাঁর স্ত্রী সোফি ইহুদি। এমিলিয়াদের মতো এইরকম হাইব্রিড জার্মানরা ক্রমশ ব্রাত্য হয়ে পড়বে সমাজে।

    একদিকে একটা শ্রেণি কৃত্রিমভাবে অতিমানব হয়ে উঠবে, অন্যদিকে এমিলিয়ারা বছরের পর বছর ধরে শোষিত অত্যাচারিত হতে থাকবে।

    ওর এই ছোট্ট ফুলের মতো মেয়েটা আদৌ বেঁচে থাকবে তো?

    কী করে বন্ধ করা যায় এই সাংঘাতিক কাজটাকে?

    এদিকে ফ্রেডরিক ব্যাগ্র দৃষ্টিতে চেয়ে আছে।

    হঠাৎ তাঁর মধ্যে যেন একটা বৈপ্লবিক চেতনা জেগে উঠল। তাঁর মনে হল, তিনি যেন আবার তাঁর অকালে—বন্ধ—হয়ে—যাওয়া ‘স্ট্রেট পাথ’ কাগজের এডিটর হয়ে উঠেছেন।

    তিনি বললেন, ‘বেশ তো, তুমি যাও। যা যা দেখলে, সব পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে এসে রিপোর্ট করবে আমায়।’

    ফ্রেডরিক মাথা নেড়ে উঠে দাঁড়াল। এমিলিয়ার লাল হয়ে থাকা গাল দুটোকে আলতো করে টিপে আদর করল একটু। বাচ্চাটার গাল দুটো এতটাই নরম, একবার নড়িয়ে দিলে বেশ কয়েক সেকেন্ড ধরে সে—দুটো নড়তে থাকে। এই অবস্থাতেও সেই নড়া দেখে ফ্রেডরিক হেসে ফেলল।

    যাওয়ার জন্য পা বাড়িয়েও ফিরে তাকাল সে, ‘স্যার, রাস্তায় রাস্তায় নতুন পোস্টারগুলো দেখেছেন? আমার ছোটোবোন, আমার গ্রামের বাড়িতে থাকে, জন্মে থেকেই পঙ্গু, হাঁটাচলা করতে পারে না, কথাও বলতে পারে না, কিন্ত ওর মনটা যে কত বড়ো জানেন না স্যার। আমি বাড়ি গেলেই আমাকে জড়িয়ে ধরে, চোখ দিয়ে জল পড়ে, কেউ কিছু খাবার দিয়ে গেলে খায় না, রেখে দেয় আমার জন্য।’ বলতে বলতে ফ্রেডরিকের গলাটা কেঁপে গেল, ‘হিটলার কি ওকেও মেরে ফেলবে স্যার? ও হাঁটতে পারে না, কথা বলতে পারে না বলে ওর বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই?’

    ফ্রিৎজ কিছু বলতে পারলেন না। ফ্রেডরিকের বলার ধরনে তাঁর চোখে জল চলে এল।

    ফ্রেডরিক আবার ধরা গলায় বলল, ‘ও কত সুন্দর ছবি আঁকে স্যার, আমরা সুস্থরাও পারি না। সেটার কোনো দাম নেই?’

    ফ্রিৎজ এবারেও চুপ করে রইলেন। ফ্রেডরিককে আটকে লাভ নেই। ওর ভেতরের কষ্টটা যদি কান্না হয়ে বেরিয়ে একটু কমে, তবে বেরোক।

    ফ্রেডরিক ফোঁপাচ্ছিল, ‘আমার বাড়ি যাওয়ার পথে একটা রেস্টুরেন্টে একটি লোক রোজ বেহালা বাজাত, আমি শুনতে শুনতে যেতাম। বেশ ক—দিন হল তাকে দেখতে পাচ্ছিলাম না। কাল গিয়ে জিজ্ঞেস করে জানলাম লোকটা একদিন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, ও যে ইহুদি সেটা বুঝতে পেরে পুলিশ কোনো কারণ ছাড়াই ঘাড়ে গুলি করে মেরে ফেলেছে। ইহুদিদের মারাটা এখন ওদের কাছে ফুর্তির একটা নতুন সাবজেক্ট স্যার! যাকে যখন পারছে মেরে ফেলছে? মানুষের জীবনের কি কোনো দাম নেই?’

    ফ্রিৎজ শক্ত করে ফ্রেডরিকের কাঁধটা চেপে ধরলেন, ‘কে বলবে ফ্রেডরিক? কোনো বিরোধী পার্টির অস্তিত্বই রাখেনি, কোনো ইউনিয়ন অবধি নেই। কে গলা তুলবে? আমার কাগজটাকেও তো শেষ করে দিল।’

    ফ্রেডরিক একটু শান্ত হল, নিজেকে শান্ত করতে করতে কোটের হাতায় চোখের জল মুছল, তারপর অস্ফুটে বলল, ‘আসছি, স্যার!’

    ‘দাঁড়াও, ফ্রেডরিক!’ ফ্রিৎজ মুহূর্তের মধ্যে ভেতরের ঘরে চলে গেলেন। মিনিট কয়েক বাদে যখন ফিরে এলেন, তাঁর হাতে একটা গোল কালো টুপি, স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বড়ো সাইজের, একপাশ দিয়ে একটা সরু সুতোও ঝুলছে, ‘এটা নিয়ে যাও।’

    ফেডরিক বলল, ‘আমার তো টুপি আছে, স্যার!’

    ফ্রিৎজ উত্তর না দিয়ে টুপিটাকে সামনে নিয়ে এলেন, কালো মিশমিশে বর্ডার লাইনের আড়ালে লুকোনো একটা চেন ধরে টানতেই টুপির ওপরের গোলাকার অংশটা ফাঁক হয়ে খুলে গেল। ভেতর থেকে যেটা বের করলেন সেটা দেখে চমকে উঠল ফ্রেডরিক, ‘ক্যামেরা! এত ছোটো!’

    ফ্রিৎজ হাসলেন।

    ‘স্ট্রেট পাথ’ যখন সবে চলতে শুরু করেছে, তখন মনে ছিল প্রচুর উত্তেজনা। কলমের ধারে হাতুড়ির ঘা দেবেন সমাজের প্রতিটা খারাপ সিস্টেমকে, জার্নালিজমকে নিয়ে যাবেন এক অন্য স্তরে, এটাই তখন ছিল স্বপ্ন। মানুষকে যুদ্ধ পরবর্তী ঠিক দিশা দেখাতে যেন কেউ বিভ্রান্ত না করে, সেটা তখন ছিল তাঁর একমাত্র ধ্যানজ্ঞান।

    গোপনে ছবি তোলার জন্য অনেক দাম দিয়ে এই ছোটো ক্যামেরাসুন্ধ টুপিটা তখন আমেরিকা থেকে আনিয়েছিলেন তিনি। জার্মানিতে সরকারি কাজে যেসব ক্যামেরা দেখা যায় সেগুলো সব তেপায়া স্ট্যান্ডের ওপর বসিয়ে কালো কাপড়ে ঢেকে ছবি তুলতে হয়, কিন্তু এর ক্যামেরাটা আয়তনে একটা ছোটো স্লাইস পাউরুটির প্যাকেটের থেকেও ছোটো।

    এই টুপির আকারের কভারটাও অদ্ভুত, ছবি তোলার জন্য টুপিটা খোলারও দরকার নেই, ক্যামেরার লেন্সের সামনে ছোট্ট একটা ফুটো করা আছে টুপিটায়, টুপির একপাশে স্টাইলের জন্য লাগানো সুতোটা আসলে লিভার, সেটা ধরে টানলেই ভেতরের শাটারে চাপ পড়ে ফটো উঠে যাবে ওই ফুটোটার মধ্য দিয়ে। কালো মিশমিশে কাপড়ের এই টুপি মাথায় পরে কোথাও গেলে কেউ ধারণাই করতে পারবে না যে ওর মধ্যে একটা আস্ত ক্যামেরা লুকোনো আছে।

    ফ্রেডরিক চমৎকৃত হয়ে গেল।

    এ যে দুর্দান্ত জিনিস!

    ফ্রিৎজ বললেন, ‘শোনো, আমাদের আর দেরি করা ঠিক হবে না। কোনো দল যখন গলা তোলার জন্য নেই, তখন আমরাই তুলব সাধারণ নাগরিক হিসেবে, তবু এইসব সর্বনাশ ঘটতে দেব না কিছুতেই। অনেক হয়েছে এই চুপ করে থাকা। আমরা জেনেশুনে আমাদের ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ শেষ করে দিতে পারি না। আমি এখনই পুরো ব্যাপারটা নিয়ে লিখতে বসছি, লেখা শেষ করে আজকেই পাঠাব ইন্টারন্যাশনাল কাগজগুলোতে, কমিটিতে। সবাই জানুক। তুমি এই ক্যামেরাটা নিয়ে যাও। যদি দ্যাখো তেমন কোনো এভিডেন্স পাচ্ছ, ছবি তুলে এনো। আমি এই দেশের ভরসায় আর নেই, কিন্তু জার্মানিতে কী ঘটছে, বা কী ঘটতে চলেছে সব আমি জানাব সারা পৃথিবীকে। কোনো অন্যায় বছরের পর বছর চলে না, ওই হিটলারকেও একদিন এর শাস্তি পেতে হবে।’

    ফ্রেডরিক চোখ বড়ো বড়ো করে বলল, ‘আপনাকে বাঁচতে দেবে না, স্যার!’

    ফ্রিৎজ ক্যামেরাটা টুপির মধ্যে ঢুকিয়ে চেন আটকে ওর হাতে তুলে দিলেন, ‘মরলে মরব, সেই মরাটাও গর্বের হবে। আর আমাকে বাঁচতে না দিক, আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম তো বাঁচবে! কিন্তু এভাবে চললে তো আমরাও মরব, তারাও জন্মানোর আগেই মরবে!’

    ওদের কথার মাঝে সোফি এসে দাঁড়িয়েছিলেন, স্ত্রী আর কন্যার দিকে এক ঝলক তাকিয়ে ফ্রেডরিকের দিকে তাকালেন ফ্রিৎজ, ‘আমার স্ত্রী ইহুদি, কিন্তু ও আমার চেয়েও বেশি এই দেশকে ভালোবাসে। কিন্তু হিটলারের বক্তব্য কী? শুধু সোফি নয়, আমার মেয়ে এমিলিয়াও অশুদ্ধ? তোমাকে ওই ভিক্টর কী বলেছে ফ্রেডরিক, ইহুদি জাতিটাকেই হিটলার শেষ করে দেবে?’ ফ্রিৎজ উত্তেজনায় উঠে দাঁড়ালেন, ‘তার আগে আমি ওকে শেষ করে দেব।’

    এমিলিয়া হঠাৎ ঘুম ভেঙে কেঁদে উঠল।

    সোফি স্বামীর এইরকম ভয়ার্ত মূর্তি কখনো দেখেননি আগে, ভয় পেয়ে তিনি বললেন, ‘তুমি শান্ত হও, ফ্রিৎজ!’

    ফ্রিৎজ উত্তর না দিয়ে ফ্রেডরিকের চোখে চোখ রাখলেন, ‘তুমি সেদিন চলে যাওয়ার পর ইউজেনিক্স কী, আমি ভালো করে জেনেছি। যদি সত্যিই ওই ওষুধটা কাজ করে, তবে সারা পৃথিবীতে একদল সর্বশক্তিমান সর্বগুণসম্পন্ন অতিমানবের উদ্ভব হবে, যারা প্রজন্মের পর প্রজন্ম অন্য দুর্বল জাতিগুলোকে শোষণ করে অত্যাচার করে চলবে। সেই মধ্যযুগের ক্রীতদাস প্রথা আবার ফিরে আসবে। একজন সুস্থ মানুষ হয়ে জেনেশুনে আমি আর চুপ করে থাকতে পারব না ফ্রেডরিক!’

    ফ্রেডরিক চুপচাপ টুপিটা হাতে নিল। তার আর নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছে না।

    ফ্রিৎজ বললেন, ‘যুগে যুগে এরকম শয়তানের আবির্ভাব পৃথিবীতে ঘটেছে। মানুষই তাদের শেষ করেছে। শুভ বুদ্ধির জয় হবেই ফ্রেডরিক! আমি জানি, তোমাকে অর্ডার করার কোনো এক্তিয়ারই আমার নেই, তবু আজ আমি তোমাকে রিকোয়েস্ট করছি যদি সত্যিই দেশকে ভালোবেসে থাকো, তাহলে যেকোনো উপায়ে এই নারকীয় কাজগুলো বন্ধ করতে চেষ্টা কোরো।’

    ফ্রেডরিক আবেগমথিত চোখে মাথা নাড়ল, তারপর অস্ফুটে বলল, ‘চেষ্টা নয়, আমি করবই স্যার! আমি বিকেলেই আসব আপনার কাছে। আপনি অপেক্ষা করবেন যেন!’ কথাগুলো বলেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল সে, মুহূর্তে মিলিয়ে গেল হালকা—আলো—দেখা —দেওয়া বাইরের সদ্য ভোরে।

    সোফি আর ফ্রিৎজ কয়েক মুহূর্ত যে রইলেন সেইদিকে।

    ফ্রিৎজ স্ত্রীর হাতে হাত রাখলেন, ‘চিন্তা কোরো না, সোফি। জার্মানিতে এবার নতুন ভোর হবে, নতুন সূর্যের আলোয় আমরা আবার আগের মতো হয়ে উঠব, তুমি দেখে নিয়ো। আমাদের এমিলিয়া মাথা উঁচু করে বাঁচবে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }