Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ২৭

    ২৭

    প্রিয়ম কী করবে বুঝতে পারল না, নিজের অপরাধ লাঘব করার জন্যই হোক, কিংবা বউকে মানানোর জন্য, আরেক কাপ কফি তৈরি করে রুদ্রকে দিল, ‘এই নাও, কফি খাও।’

    রুদ্র সেই তখন থেকে যে গম্ভীর হয়ে আছে তো আছেই, কী যে ভাবছে কে জানে!

    প্রিয়ম একটু ইতস্তত করে বলল, ‘বলছি, এই কম্পার্টমেন্টের যে অ্যাটেন্ডেন্ট রয়েছে, তাকে গিয়ে একবার বলব কি এই চুরির ব্যাপারে?’

    রুদ্র দু—দিকে মাথা নেড়ে বাইরের দিকে তাকাল। ভেতরে বসে বোঝার উপায় নেই কত জোরে ছুটছে ট্রেনটা। এখন একটা পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে কেটে তৈরি করা টানেলের মধ্যে চলছে বলে অন্ধকারে কিছু দেখা যাচ্ছে না।

    ও কিছুক্ষণ চুপ করে একটা ছোটো নিশ্বাস ফেলল, ‘ছাড়ো। যা হবার তা হয়েছে। বার্লিনে পৌঁছে একটুও সময় নষ্ট করলে চলবে না। আসতে আর কতক্ষণ দেরি?’

    প্রিয়ম উঠে বাইরে বেরিয়ে গেল। করিডরে ঘুরে এসে বলল,’দশ মিনিট দেখাচ্ছে।’

    রুদ্র বলল, ‘চলো, বাইরে গিয়ে দাঁড়াই, ভালো লাগছে না আর একভাবে বসে থাকতে!’

    প্রিয়ম বলল, ‘এগুলোকে এরকমভাবে ফেলে রেখে যাওয়াটা ঠিক হবে?’

    রুদ্র কটমট করে তাকাল ওর দিকে, চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে বলে একটা কথা আছে, প্রিয়ম তার চেয়েও এক কাঠি ওপরে। যখন দরকার ছিল তখন ড্যাং ড্যাং করে বেরিয়ে গিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল, আর এখন ও চিন্তা করছে এগুলো রেখে যাবে কি না।

    প্রিয়ম পরমুহূর্তেই বুঝতে পেরে আর ঘাঁটাল না।

    ট্রেনটা আস্তে আস্তে গতি কমাতে শুরু করেছে এর মধ্যেই। বাইরের করিডরে এসে দূরের ডিজিটাল বোর্ডের দিকে চোখ পড়তেই ওরা দেখল ওদিকে বেশ ভিড়। প্রায় আট দশ জন দাঁড়িয়ে রয়েছে ওই ছোটো জায়গাটার মধ্যেই, রুদ্র বলল, ‘কী ব্যাপার বলো তো? ট্রেন খুব লেট চলছে সেটাই দেখাচ্ছে নাকি বোর্ডে?’

    ইতিমধ্যে ট্রেন থেমে গেল মাঝপথে। বাইরে তাকালেই বোঝা যাচ্ছে বার্লিন শহরে ঢুকে গেছে ট্রেন, আর কিছুক্ষণের মধ্যে প্ল্যাটফর্মে ঢোকার কথা। সবুজ বনজঙ্গল সরে গিয়ে দু—পাশে বড়ো বড়ো বাড়ি রাস্তাঘাট জেগে উঠছে ধীরে ধীরে।

    ইন্ডিয়ার মতো এখানেও কি সিগনাল না পেলে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়? রুদ্র মনে মনে ভাবল।

    অদ্ভুতভাবে পাশের সমান্তরাল ট্র্যাকগুলোতে একে একে ট্রেন এসে দাঁড়িয়ে পড়ছে। এভাবে সার দিয়ে দিয়ে প্ল্যাটফর্মে ঢোকার আগে সব ট্রেনকে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে কেন?

    ওরা এগিয়ে গিয়ে দাঁড়াতেই দেখল, জার্মান ভাষায় কিছু একটা বার বার ডিসপ্লে হচ্ছে বোর্ডে।

    ইংরেজিতেও দেখাবে নিশ্চয়ই, কিন্তু সেটুকু আর ওদের তর সইল না। একজন বোর্ডটা দেখে এদিকে আসছিল, প্রিয়ম তাকে প্রশ্নটা করতে না করতেই সে এক ঝলক তাকিয়ে, ‘নো ইংলিশ!’ বলে হন্তদন্ত হয়ে ঠেলেঠুলে চলে গেল ওদের পেছনের দিকে।

    উত্তরটা দিয়ে দিলেন ওদের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক ভদ্রমহিলা, ‘এখন অনেকক্ষণ ওয়েট করতে হবে স্টেশনে ট্রেন ঢোকার জন্য, সেটাই ডিসপ্লে করছে বোর্ডে।’

    ‘কেন?’ প্রিয়ম জিজ্ঞেস করল।

    ‘যে ট্রেনই ঢুকছে, প্রতিটা প্যাসেঞ্জারকে ভালো করে চেক করে নামানো হচ্ছে তো, তাই সময় লাগছে। আসলে আমাকে রিসিভ করার জন্য একজন ওয়েট করছেন ওখানে, তিনিই ফোনে জানালেন। পুরো স্টেশন ক্যাম্পাসটা কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। গোটা প্ল্যাটফর্মটায় থিক থিক করছে নাকি পুলিশ। ঢোকার সময়েও যাত্রীদের একে একে তল্লাশি করে তবে ট্রেনে উঠতে দেওয়া হচ্ছে।’ ভদ্রমহিলা ব্যাখ্যা করলেন।

    প্রিয়ম জিজ্ঞেস করল, ‘এরকমই হয়? নাকি আজ স্পেশাল কিছু আছে?’

    ভদ্রমহিলা এবার মাথা নাড়লেন, ‘কয়েকদিন আগে কোলনের সামনে ব্লাস্ট হয়েছে না? সেই থেকে দেশে ঢোকা বেরোনোর সময় খুব নজরদারি চলছে।’

    রুদ্র বলল, ‘কোলনটা কোথায়? এই বার্লিনেই?’

    ভদ্রমহিলা চোখ বড়ো বড়ো করে তাকালেন, ‘জার্মানিতে ফার্স্ট টাইম?’

    রুদ্র অল্প হেসে বলল, ‘হ্যাঁ। আমরা ইন্ডিয়ান। এই প্রথম জার্মানিতে আসছি। আপনি কি এখানকারই বাসিন্দা?’

    ভদ্রমহিলার বয়স চল্লিশের ওপরেই হবে, কিন্তু স্টাইলিশ ট্রাউজার আর ফুলহাতা গোলাপি শার্টে এককালে যে সুন্দরী ছিলেন, তা বোঝা যায়। নিখুঁত আইলাইনার পরা চোখ বন্ধ করে মিষ্টি হাসলেন, ‘একদম। খাঁটি জার্মান! এখানে কি ঘুরতে?’

    রুদ্র বলল, ‘হ্যাঁ।’

    ভদ্রমহিলা হাত বাড়িয়ে দিলেন, ‘আমি ইভা। এখানকার একটা কলেজে সোশ্যাল স্টাডিজ পড়াই। বার্লিনেই থাকি। ইংল্যান্ড গেছিলাম একটা সেমিনারে।’

    রুদ্রও হাত মিলিয়ে বলল, ‘আমি রুদ্রাণী। ইন্ডিয়া থেকে আসছি।’ প্রিয়মের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিয়ে বলল, ‘আমার হ্যাজব্যান্ড, ও লন্ডনে আইটি—তে আছে, আমি ওর কাছে কয়েকদিনের জন্য ঘুরতে এসেছিলাম। সেখান থেকেই জার্মানি ঘুরতে আসা।’

    ইভা বললেন, ‘যাহ, ঘোরাটা কেমন হবে জানি না এইসব ডামাডোলে, তবু বেস্ট উইশেজ! পাসপোর্ট সবসময় ক্যারি করবেন।’

    প্রিয়ম বলল, ‘থ্যাঙ্ক ইউ।’

    ইভা মৃদু হেসে রুদ্রর দিকে ফিরলেন, ‘কোলন বার্লিনে নয়। এখান থেকে প্রায় ছ—ঘণ্টা দূরের একটা শহর। সেখানে ইউরোপের সবচেয়ে বড়ো ক্যাথিড্রাল চার্চ আছে, কোলন ক্যাথিড্রাল, আপনারা তো যাবেন নিশ্চয়ই। সবাই জার্মানি এলে ওটা দেখতে যায়। সেইখানেই ব্লাস্ট হয়েছিল কয়েকদিন আগে, দু—জন ইমিগ্র্যান্ট মারা গেছে, সিরিয়ার।’

    রুদ্র চমকে উঠল। আবার সেই সিরিয়ার ইমিগ্র্যান্ট?

    ভদ্রমহিলার কথা শেষ হল না, ভেস্টিবিউল দিয়ে পাশের কামরা থেকে কালো ইউনিফর্ম আর কালো টুপিতে একজন পুলিশ অফিসার এদিকে এগিয়ে এলেন। ওদের দিকে তাকাতে তাকাতে কথা বলতে বলতে পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন পরের কামরায়।

    রুদ্র আর প্রিয়ম মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। এখানকার পুলিশদের চেহারাই এমন, এতটাই লম্বা চওড়া আর সুঠাম চেহারার, দেখলে আপনা থেকেই একটা সম্ভ্রম চলে আসে। তার ওপর ইউনিফর্মটাও খুব সুন্দর।

    এখানেও রিফিউজি মারা গেছে? ইংল্যান্ডেও তো পরপর দু—বার অ্যাটাক হল, ওরাই মারা গিয়েছিল! নিজের মনেই চিন্তা করে যাচ্ছিল রুদ্র, কিছু একটা হিসেব করছিল নিজের মনে।

    ট্রেন ছাড়ল প্রায় কুড়ি মিনিট বাদে। তারপর সিকিউরিটি চেকিং মিটতে আরও আধ ঘণ্টা। এগজিট গেটের আগে একটা লম্বা লাইন তৈরি হয়ে গেছে এর মধ্যেই। এয়ারপোর্টের কায়দায় প্রত্যেকের লাগেজ তো চেক হচ্ছেই, সঙ্গে বডিও চেক করা চলছে। বিশাল বিশাল দুটো কুকুর ঘোরাঘুরি করছে, তাদের গলার চেন ধরে দাঁড়িয়ে আছে দুজন কালো উর্দিধারী পুলিশ, তারা ফোনে কথা বলছে ঘন ঘন।

    ইভা বলে মহিলাটি ওদের সঙ্গেই আসছিলেন। তাঁর দুটি বিশাল লাগেজ ট্রলি থেকে নামাতে সাহায্য করে প্রিয়ম বলল, ‘লন্ডনেও এই রিফিউজিদের রেসিডেন্সিতে কয়েকদিন আগে পরপর হামলা হয়েছে।’

    ইভার চোখে—মুখে একটা চিন্তার ছায়া ফুটে উঠল, ‘হ্যাঁ, পড়ছিলাম পেপারে। ফ্রান্সে আর গ্রিসেও হয়েছে। আসলে ওদিক থেকে এই যে হাজার হাজার ইমিগ্র্যান্টরা আসছে, সেটা সম্ভবত অনেকেই পছন্দ করছে না।’

    প্রিয়ম বলল, ‘কেন? কাউকে বিপদের সময় আশ্রয় দিতে এত সমস্যা কেন?’

    ইভা হাসলেন, হাসলে ওঁর গালে একটা ছোট্ট টোল পড়ে, ‘মাইগ্রেশনের সাইড এফেক্টটা তো অস্বীকার করা যায় না। দেশের নাগরিকদের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে সরকার ওদের অন্ন বস্ত্র বাসস্থান দেবে, তারপর তারা আস্তে আস্তে দেশের এমপ্লয়মেন্ট, রিসোর্স সবেতেই থাবা বসাবে, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। দেশের জনসংখ্যা বাড়বে। ফলে অর্থনীতির সূত্র অনুযায়ী জি ডি পি কমবে, খাবারদাবারে টান পড়বে, পপুলেশন বাড়তে থাকলে যা যা সমস্যা তৈরি হয়, সবই শুরু হবে। শেষমেষ যারা দেশের আসল নাগরিক তাদের প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে। এটাই তো মাইগ্রেশনের সেই আদি সমস্যা, যা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে।’

    রুদ্র এতক্ষণ চুপ করে ছিল, এখন বলল, ‘কেন এদের কি পাকাপাকিভাবে এখানকার নাগরিকত্ব দিয়ে দেওয়া হবে নাকি? আমি তো পড়ছিলাম সাময়িক শেল্টার দেওয়া হচ্ছে?’

    ‘ঠিকই শুনেছেন। সেটাও কেউ বা কারা মেনে নিতে পারছে না। ফেসবুক বা অনেক মাইক্রোব্লগিং সাইটেই এই নিয়ে অনেক বিরূপ মন্তব্য পড়ছি। এই যে ধরুন টেম্পলহফ এয়ারপোর্টটা। ওটা ছিল আমাদের দেশের একসময়ের সবচেয়ে সক্রিয় এয়ারপোর্ট, বার্লিন শহরেরই দক্ষিণ দিকে। প্রথম আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী যে কুড়িটা বছর জার্মানিতে শয়তানের রাজত্ব চলেছিল, সেই সময় এই এয়ারপোর্টটাই ছিল সবচেয়ে অ্যাক্টিভ। অনেক ইতিহাসের সাক্ষী। আগে পুরো কম্পাউন্ডটা গভর্নমেন্টের তরফ থেকে একটা পার্ক করে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কিছুদিন আগে রিফিউজি ক্যাম্প করে দেওয়া হয়েছে গোটা ক্যাম্পাসটা। মিডল ইস্ট থেকে আসা হাজার হাজার শরণার্থীদের থাকার জায়গা দেওয়া হচ্ছে সেখানে। এখন, এইরকম একটা ঐতিহাসিক জায়গাটা রিফিউজিদের ক্যাম্প হয়ে নষ্ট হয়ে যাক, সেটা তো অনেকেই নাও চাইতে পারে, না!’ ইভা রুদ্রর দিকে সমর্থনের ভঙ্গিতে তাকালেন।

    রুদ্র মাথা নাড়ল। ভদ্রমহিলা ভুল কিছু বলছেন না।

    ইভা বলে চললেন, ‘আসলে সবাই এখন এতটাই আত্মকেন্দ্রিক, সবাই নিজের ক্ষমতা দেখাতে আর নিজের ক্ষমতা দেখাতে আর নিজের সুখটুকু দেখতে ব্যস্ত। আর এখন সব দেশের কাছেই এত শক্তিধর সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে, যুদ্ধ লাগলে সব নিমেষে শেষ হয়ে যাবে।’

    প্রিয়ম বলল, ‘ঠিকই বলেছেন। ওই যে আইনস্টাইন বলেছিলেন না, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে কী অস্ত্র ব্যবহার করা হবে বলতে পারব না, তবে চতুর্থ বিশ্বযুদ্ধ পাথর আর লাঠি দিয়েই লড়া হবে, কারণ সভ্যতা তার আগেই ধ্বংস হয়ে যাবে, মানুষ আবার আদি যুগে ফিরে যাবে।

    ইভা বললেন, ‘একদম! দিন দিন মানুষ যা নৃশংস হয়ে উঠছে! খুব ভয় হয় ভবিষ্যতের কথা ভেবে।’

    স্টেশন থেকে বেরিয়ে এসে ইভা হাসিমুখে হাত নাড়লেন, ‘আপনারা ভালো করে ঘুরুন। বার্লিন অসাধারণ সুন্দর শহর। ব্র্যান্ডেনবার্গ গেট, পারগ্যামন মিউজিয়াম এগুলো অবশ্যই দেখবেন। পুরো বার্লিনেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অসংখ্য ইতিহাস ছড়িয়ে আছে। হলোকাস্ট মেমোরিয়ালও যাবেন যেন।’

    ইভা বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে যেতেই প্রিয়ম বলল, ‘এই হলোকাস্ট নামটা কোথায় শুনেছি বলো তো? চেনা চেনা লাগছে কেমন?’

    রুদ্র কী যেন ভাবছিল সেই থেকে, প্রিয়ম আরও একবার খোঁচাতে অন্যমনস্কভাবে বলল, ‘আরে, কাল রাতেই তো বললাম। হিটলার লক্ষ লক্ষ ইহুদিদের মাস মার্ডার করেছিল। এখন সেই স্মৃতির উদ্দেশে ওই হলোকাস্ট মেমোরিয়াল তৈরি করা হয়েছে।’

    প্রিয়ম শুনে স্বগতোক্তি করল, ‘ওহ, তার মানে আমাদের জালিয়ানওয়ালাবাগ টাইপের।’ রুদ্রর মাথা নাড়া দেখে বলল, ‘মহিলা বেশ মিশুকে, বলো? জার্মানরা সাধারণত খুব গোমড়া টাইপ হয়, অচেনা লোকের সঙ্গে এত কথা বলেই না। ইনি এক্সেপশনাল। যাই হোক, আমরা তো বার্লিন পৌঁছে গেলাম অ্যাট লাস্ট! এবার কী করবে? হোটেল না ক্যাসপার ফটোগ্রাফি?’

    রুদ্র বলল, ‘আচ্ছা, তোমাদের ওই যে জায়গা দুটোয় কয়েকদিন আগে ব্লাস্ট আর মার্ডার হয়েছিল, সেই জায়গা দুটোর কী নাম যেন?’

    প্রিয়ম বলল, ‘ওই তো, কিংস্টন আর ইসলিংটন। কেন?’

    রুদ্র উত্তর না দিয়ে ফোনে জায়গাজুলো দিয়ে সার্চ করল, তারপর বিড়বিড় করে কী হিসেব করতে লাগল।

    প্রিয়ম আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারছিল না। কাল সকালে শেষ ফ্রেশ হয়েছে ও, ‘কী ভাবছ বলো তো? আগে চলো হোটেলেই যাই, গিয়ে ফ্রেশ হই, তারপর না হয়…!’

    প্রিয়মের মুখের কথা শেষ হল না, রুদ্র হঠাৎ মুখটা তুলে প্রিয়মের দিকে সাদা চোখে তাকাল, ‘আজ উনিশ তারিখ তো!’

    রুদ্র বলল, ‘তার মানে কাল কুড়ি তারিখ!’ বলেই উদ্ভ্রান্ত মুখে দৌড়ে গেল স্টেশনের মধ্যে।

    ‘কী মুশকিল! আজ উনিশ হলে কাল তো কুড়ি হবেই, কিন্তু তুমি ছুটছ কোথায়!’ হতচকিত প্রিয়ম পেছন পেছন দৌড়ে গিয়ে দেখল, রুদ্র খুব উত্তেজিতভাবে কিছু একটা বোঝানোর চেষ্টা করছে একটা ন্যাড়া মাথার পুলিশকে, হাত—মুখ নেড়ে বকে যাচ্ছে অনর্গল।

    প্রিয়ম কাছে যেতেই শুনতে পেল এই পুলিশ অফিসারটাও মাথা দোলাচ্ছে, ‘নো ইংলিশ!’

    রুদ্র অধৈর্যভাবে চিৎকার করছিল, ‘বম্ব! ব্লাস্ট! এনি ইংলিশ স্পিকিং পার্সন হিয়ার?’

    পুলিশ অফিসারটা এবার থমকে গেল, বম্ব আর ব্লাস্ট, এই দুটো ইংরেজি শব্দ সবাই প্রায় জানে। লোকটা একটুক্ষণ দেখল রুদ্রকে ভালো করে, তারপর দৌড়ে গেল দূরে দাঁড়িয়ে থাকা এক সিনিয়র ইনস্পেকটরের কাছে। গিয়ে কিছু একটা বলতেই ওই সিনিয়র ভদ্রলোক এগিয়ে আসতে থাকলেন ওদের দিকে।

    প্রিয়ম রুদ্রর দিকে ভ্রূ কুঁচকে তাকাল, ‘কী করছ বলো তো তুমি? আবার সেই পুলিশের ঝামেলায় জড়াচ্ছ?’

    রুদ্র এবার প্রিয়মের দুটো কাঁধ ধরে ঝাঁকিয়ে বলল, ‘প্রিয়ম, খুব শিগগিরই বিশাল বড়ো একটা ব্লাস্ট হতে চলেছে। যে করে হোক সেটা আটকাতে হবে।’

    প্রিয়ম বলল, ‘ব্লাস্ট! কোথায়?’

    ততক্ষণে ওই বয়স্ক ইনস্পেকটর এসে পড়েছেন ওদের কাছে, রুদ্রর দিকে তাকিয়ে পরিস্কার ইংরেজিতে তিনি বললেন, ‘এনি প্রবলেম ম্যাডাম?’

    রুদ্র এবার যেন হাতে চাঁদ পেল, ঝড়ের গতিতে বলতে লাগল, ‘স্যার, যেকোনো মুহূর্তে একটা বিশাল ব্লাস্ট হতে পারে।’

    ইনস্পেকটরটি কেমন সন্দিগ্ধ চোখে তাকালেন রুদ্রর দিকে, ‘কোথায়?’

    রুদ্র বলল, ‘আমাকে আপনাদের অফিসে নিয়ে চলুন, আমি সব বুঝিয়ে বলছি। একটুও দেরি করবেন না, ইটস ভেরি আর্জেন্ট!’

    ইনস্পেকটর এবার প্রিয়মের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আপনার স্ত্রী?’

    প্রিয়ম ওপর নীচে মাথা নাড়ল।

    ইনস্পেকটর আবার বললেন, ‘ইজ শি ওকে?’

    রুদ্র এইবার চেঁচিয়ে উঠল, ‘আপনি প্লিজ হায়ার অথরিটির সঙ্গে কথা বলুন, কেন সময় নষ্ট করছেন?’

    ইনস্পেকটর ভদ্রলোক আর দাঁড়ালেন না, মাথা নেড়ে চলে যেতে লাগলেন। ততক্ষণে আশেপাশে লোকজন ওদের দিকে তাকানো শুরু করেছে।

    রুদ্র প্রিয়মের দিকে তাকিয়ে দিশেহারা হয়ে বলল, ‘আরে! এ চলে যাচ্ছে কেন?’

    প্রিয়ম এইবার বেশ অসন্তুষ্টভাবে বলল, ‘তোমার মাথায় গণ্ডগোল আছে ভাবছে, তাই চলে যাচ্ছে। দিব্যি ঠিকঠাক অবস্থা, কোথাও কোনো ব্লাস্টের চিহ্ন নেই, আর তুমি এইসব বলে যাচ্ছ। তোমাকে আগেও একবার বললাম, ফরেনার হয়ে এখানে এইসব টার্ম ইউজ কোরো না, বেকার হ্যারাস করবে এরা।’

    রুদ্র এইবার প্রিয়মের দিকে আগুন চোখে তাকাল, তারপর ছুটে গেল ইনস্পেকটরটার দিকে, ‘স্যার, আমার কথা শুনুন একবার! ক্যাসপার ফটোগ্রাফি থেকে চুরি যাওয়া ফটোগুলো আর মার্ডারটার খোঁজ জানি আমি!’

    ইনস্পেকটর এইবার ফিরে তাকালেন এইদিকে, চোখ দুটো বড়ো বড়ো হয়ে গেছে, রুদ্রর দিকে ভ্রূ কুঁচকে কিছুক্ষণ চেয়ে থাকলেন, তারপর প্রিয়মের আপাদমস্তক দেখে অদ্ভুত উচ্চারণে বললেন, ‘রু—ড্রা—নি?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }