Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ৩০

    ৩০

    সেপ্টেম্বর ১৯৩৩

    ফ্রিৎজ খিদেয়, তেষ্টায় অবসন্ন হয়ে কেমন তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলেন। রাস্তায় দুলুনিতেও সেই তন্দ্রা কাটেনি, কিন্তু কাটল যখন সপাটে পিঠের উপরের দিকে একটা চাবুক এসে পড়ল।

    ফ্রিৎজ চোখ খুলে কাতরভাবে কিছু বলতে গেলেন, কিন্তু তার আগেই তীব্র আঘাতে হুড়মুড় করে গাড়ি থেকে পিছলে পড়লেন মাটিতে।

    ওঁর মাথার ঠিক সামনেই ভারী বুট পায়ে একজন গার্ড, হাতে বন্দুক, চোখে যেন পাথরের দৃষ্টি।

    ফ্রিৎজ কোনোমতে হাঁটুতে ভর দিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। তাঁকে একা গাড়িতে নিয়ে আসা হলেও ঠিক পাশেই পাঁচ ছটা বিশাল ওয়াগন ভ্যান থেমেছে, যেখান থেকে পিঁপড়ের সারির মতো বেশ কিছু লোককে নামানো হচ্ছে।

    সাংবাদিক হিসেবে ফ্রিৎজের মনটা এই অবস্থাতেও উত্তেজনায় কেঁপে উঠল। এই তাহলে কনসেনট্রেশন ক্যাম্প। এর ভেতরে কী হয়, তা সম্পর্কে কিছুই তেমন জানা যায় না, যেটুকু জানা গেছে ভয়মিশ্রিত কল্পনায় সেটা কতটা ঠিক, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।

    কারণ আজ পর্যন্ত এখান থেকে কেউ আর বাইরে বেরোতে পারেনি।

    যাক, মরার আগে অন্তত এই রহস্য ভেদ করতে পারবেন ফ্রিৎজ।

    ওইপাশের ওয়াগনটায় অত লোক এসে যাওয়ায় ফ্রিৎজকে ওই বন্দুকধারী গার্ডটা চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকতে বলে হঠাৎই ব্যস্ত হয়ে পড়ল।

    ফ্রিৎজ লক্ষ করলেন, কয়েকজন গলায় স্টেথো ঝোলানো লোক অতি দ্রুত গতিতে ওয়াগনের সব লোকগুলোকে দুটো লাইনে ভাগ করে ফেলল। ফ্রিৎজ এটাও দেখলেন, একটা লাইনে পুরুষ নারী সবাই মোটামুটি তরুণ, কেউ কেউ তরুণ না হলেও প্রত্যেকেই কর্মঠ, আর অন্য লাইনটায় বৃদ্ধ, শিশু এবং কিছু বিকলাঙ্গ মানুষ।

    বাচ্চাগুলোকে মায়ের কাছ থেকে হঠাৎ আলাদা করে দেওয়ায় তারা চিৎকার করে কাঁদতে লাগল। মায়েরাও সন্তানের কান্না দেখে এইদিকের লাইন থেকে অনুনয় বিনয় শুরু করতে একজন গার্ড গিয়ে চিৎকার করে দু থেকে তিনবার কিছু বলল, তারপরও কান্নাকাটি তেমন না কমতে সোজা এগিয়ে গিয়ে সামনের মহিলাটিকে টেনে ধরে কানের ঠিক উপরে বন্দুকের ট্রিগার চালিয়ে দিল।

    মহিলা সঙ্গে সঙ্গে নিশ্চল হয়ে মাটিতে পড়ে গেল। আর ভয়ার্ত মুখগুলো সব চুপ হয়ে গেল।

    এমনকী, বাচ্চাগুলোও মনে হয় আতঙ্কে কাঁদতে ভুলে গেল।

    গার্ডটা কোনো ভ্রূক্ষেপ করল না। নির্বিকার ভঙ্গিতে ধুলোয় পড়ে থাকা টাটকা মৃতদেহটার পাশে দাঁড়িয়ে লোক গুনতে লাগল।

    ফ্রিৎজের বুকের ভেতরটা কেমন হিম হয়ে এল। তিনি মরে যাওয়ার পর সোফি আর এমিলিয়াকেও কি এইভাবেই শেষ করে দেওয়া হবে? শুধুমাত্র তারা ইহুদি বলে?

    এরপর দুটো লাইনকে সার দিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে লাগল সামনের দিকে। চারপাশে ওয়ারহাউজের মতো বড়ো বড়ো বাড়ি, সেগুলোর সামনে পেছনে বিশাল বিশাল মাঠ। অনেকখানি জায়গা নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই ক্যাম্প, ফ্রিৎজ মনে মনে ভাবলেন। এইরকম ক্যাম্প আরও বিভিন্ন জায়গাতে তৈরি করা হচ্ছে। ইহুদি, জিপসি এইসব নিকৃষ্ট জাতিকে হিটলার কিছুতেই শহরের সুসভ্য জার্মানদের সঙ্গে থেকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে দেবে না।

    পেছন থেকে আবার একটা চিৎকার ভেসে এল, ফ্রিৎজ পেছন ফিরে দেখার আগেই একটা গুঁতোয় সামনের দিকে কিছুটা এগিয়ে গেলেন। পেছন থেকে একজন বিশালদেহী গার্ড এগিয়ে এল, ‘ওই লাইনের পেছন পেছন চলো, এখানে দাঁড়িয়ে আছ কেন?’

    ফ্রিৎজ বিনা বাক্যব্যয়ে হাঁটতে লাগলেন। একবার ভাবলেন জিজ্ঞেস করবেন, সামনে তো দুটো লাইন চলেছে, কোনটায় ঢুকবেন তিনি। কিন্তু সাহস হল না।

    কিছুদূর গিয়ে কর্মঠ তরুণদের লাইনটা ডানদিকে বেঁকতে ফ্রিৎজও সেইদিকে এগোতেই পেছন থেকে গার্ডের রুক্ষ আদেশ ভেসে এল, ‘ওদিকে নয়, তুমি এদিকের লাইনটায় এসো উজবুক!’

    ফ্রিৎজ একটু অবাক হলেন, এই লাইনে বৃদ্ধ এবং শিশুর সংখ্যাই বেশি, এ ছাড়া যারা রয়েছে, কেউ পঙ্গু, কাউকে আবার দেখলেই বোঝা যায় অসুস্থ।

    ফ্রিৎজ কিছু না বলে লাইনের একদম শেষে হাঁটছিলেন। মৃত্যুভয় আর মনে বাসা বেঁধে চিন্তাশক্তিকে অবশ করে দিচ্ছে না, একটা কেমন বেপরোয়া ভাব এসে যাচ্ছে আস্তে আস্তে।

    অনুভূতি সম্পৃক্ত অবস্থায় চলে গেলে কি এমনই হয়?

    শুধু একটাই চিন্তা তাঁর মনে এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। ফ্রেডরিকের কী হল? ছেলেটা ঠিক আছে তো?

    ভাবতে ভাবতে মৃদু অথচ গা গুলোনো কেমন একটা গন্ধ ওঁর নাকে ভেসে এল। দূরে চেয়ে দেখলেন, একটু দূরে জঙ্গলের দিকে বিশাল বিশাল কয়েকটা চুল্লি, তারই একটা থেকে ধোঁয়া উঠছে, আর সেই ধোঁয়ায় যেন হজম হয়ে যাওয়া খাবারও উঠে আসবে বাইরে।

    কীসের গন্ধ এটা? কী পুড়ছে যে এত গন্ধ?

    ফ্রিৎজ জোরে জোরে শ্বাস নিয়েও গন্ধটাকে চিনতে পারলেন না।

    সাপের মতো লাইনটা বেশ কিছুক্ষণ বেঁকেচুরে এগিয়ে ঢুকল একটা ব্যারাকের মধ্যে। ব্যারাকের মধ্যে একটা মস্ত হল ঘর, তার দরজায় চারটে ভাষায় পরিষ্কার করে লেখা আছে ‘স্নান এবং নির্জীবাণুকরণ ঘর’।

    এতক্ষণে পুরো দলটার মধ্যে একটা স্বস্তির হাওয়া দেখা গেল। যারা পাংশু মুখে ভয় পাচ্ছিল যে এই বুঝি মেরে ফেলা হবে তারাও একটু হাঁফ ছেড়ে একে অন্যের সঙ্গে কথা বলতে লাগল।

    ফ্রিৎজ অবাক হলেও আর বেশি কিছু ভাবলেন না। সারাটা রাস্তা ওয়াগনে চেপে আসতে হয়েছে, স্নান তো দুরস্থান, প্রাকৃতিক কাজকর্মও সারা হয়নি সকাল থেকে।

    লম্বায় প্রায় তিনশো গজ লম্বা হল ঘরটার চারদিকে বড়ো বড়ো আলো ঝলমল করছে, একপাশে জামাকাপড় রাখার ব্যবস্থাও রয়েছে ভালোই এই ঘরে পাহারা দেওয়া গার্ডরাও অপেক্ষাকৃত নরম। স্বাভাবিক স্বরে তারা আদেশ করছে।

    ‘নাহ! এদের ব্যবস্থাপত্র অতটাও খারাপ নয়, কি বলুন!’ একজন বৃদ্ধ বেশ হৃষ্টচিত্তে ফ্রিৎজের দিকে তাকালেন।

    ফ্রিৎজ চুপ করে রইলেন, কিছু বললেন না, কিন্তু মনের মধ্যে কেমন একটা অস্বস্তি ঘুরপাক খাচ্ছিল।

    বৃদ্ধ আবার বললেন, ‘ডুসেলডর্ফে বড়ো দোকান ছিল আমার, বুঝলেন! সব ছেড়েছুড়ে এরকম গোরুছাগলের মতো করে নিয়ে এল দোকান, বাড়ি সব লুঠপাট করেছে। সোনাদানা, টাকাপয়সা সব!’ যন্ত্রণায় বৃদ্ধের মুখে একটা কালো বিষাদ ফুটে উঠল, ‘ভেবেছিলাম এখানে নিয়ে আসছেই মারবার জন্য। যাক, তা দেখছি নয়। শেষ ক—টা বছর যদি এখানেও একটু শান্তিতে থাকা যায়…!’

    বৃদ্ধের কথা শেষ হল না, জুতোয় মসমস আওয়াজ তুলে একদল সশস্ত্র গার্ড ঢুকল হল ঘরে, ‘এই, তোমরা সবাই নিজেদের জামাকাপড় খুলে ফেলো। খুলে ওইদিকের হুকে ঝুলিয়ে দাও প্রত্যেকে। ঝটপট!’

    এবার সবাই একটু অবাক হয়ে গেল। এ কী রে বাবা, সবাইকে জামা খুলতে হবে কেন!

    কেউ কেউ মৃদু আপত্তি তুলতে লাগল। বিশেষ করে এই দলের পঙ্গু বা অসুস্থ অল্পবয়সি মেয়েগুলো। কিন্তু এই সশস্ত্র গার্ডগুলো কারুর কোনো কথা শুনল না, নিজে থেকে না খুললে ওরাই জোর করে জামাকাপড় খুলিয়ে দেবে সবার।

    ফ্রিৎজ কোনো ঝামেলায় গেলেন না, লজ্জা, মান—সম্মান সব অনেক আগেই গিয়েছে, জামাকাপড় খুলে তিনি রেখে এলেন হুকে।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রায় পাঁচশো সম্পূর্ণ উলঙ্গ মানুষে হল ঘরটা ছেয়ে গেল। মেয়েরা আড়ষ্ট, জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

    একজন গার্ড সামনে এসে একটা চোঙা মুখে লাগিয়ে বলল, ‘ভয়ের কিছু নেই। আগে তোমাদের সবাইকে পরিষ্কার করানো হবে, যাতে ক্যাম্পে কোনো রোগ না বাসা বাঁধে। সব মিটে গেলে আবার নতুন জামা দেওয়া হবে।’

    লোকজন আবার আশ্বস্ত হল। অনেকেরই ঘর থেকে উচ্ছেদের কারণে বেশ কয়েকদিন সাফসুতরো হওয়া হয়নি, স্নান করে জামা যখন দেবে, এ আর মন্দ কী!

    এবার সবাইকে ওই অবস্থায় পাশের আরেকটা ঘরে নিয়ে যাওয়া হল। এই ঘরটাও ফাঁকা, কিন্তু এর বিশেষত্ব হল, প্রতি বর্গফুটে একটা করে সরু সরু থাম একদম মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত বসানো রয়েছে। কংক্রিটের থাম নয়, লোহার পাইপ, যেগুলোর গায়ে প্রচুর ছিদ্র। ওইরকম পাইপে গোটা ঘরটা ভরতি।

    ‘কী অদ্ভুত দেখতে না এই থামগুলো?’ ফ্রিৎজ প্রশ্ন না করে পারলেন না।

    সেই বৃদ্ধ পাশেই ছিলেন, বললেন, ‘আরে বুঝলেন না, এদের ব্যবস্থা অনেক ভালো। এই ফুটোগুলো দিয়ে শাওয়ারের মতো জোরে জল বেরোবে, এভাবেই এখানে সবাই স্নান করবে।’ প্রসন্ন মুখে বৃদ্ধ একটা থামের একদম মুখোমুখি দাঁড়িয়ে পড়লেন, ‘আহ, কতদিন যে ভালো করে স্নান করিনি!’

    প্রায় পাঁচশো উলঙ্গ মানুষ গোটা ঘরটায় ওই লম্বা লম্বা থামগুলোর আনাচে কানাচে দাঁড়িয়ে রইল।

    গার্ডরা ধীরে ধীরে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। বেরিয়ে গিয়েই ঘরটার একমাত্র দরজাটা বাইরে থেকে বন্ধ করে দিল। লাইটও নিভিয়ে দেওয়া হল।

    এবার সবাই বেশ ভয় পেয়ে গেল। মিশমিশে কালো অন্ধকার হলে কেউ কাউকে দেখতে পাচ্ছে না, বাচ্চারা চিৎকার করতে শুরু করল, তবুও সবাই পাশাপাশি দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগল, কখন শরীরে সামনের থামগুলো থেকে ঠান্ডা জল বেরিয়ে একটু শান্তি দেবে।

    ফ্রিৎজের মনে কেমন একটা অদ্ভুত অনুভূতি হচ্ছিল। ওঁর অভিজ্ঞতা বলছে এর বাইরেও অন্য কিছু একটা ঘটছে যেটা ওঁদের কারুর চোখে পড়ছে না। স্নান, নির্জীবাণুকরণ ঘর, সবই যেন মনে হচ্ছে ফাঁকি।

    ওই হল ঘরের অতগুলো মানুষ এবং ফ্রিৎজ জানতেও পারলেন না, বাইরের লনে ততক্ষণে গার্ডরা নিয়ে এসেছে বড়ো বড়ো কয়েকটা টিন। লনটায় কিছুটা ছাড়া ছাড়া একটা করে কংক্রিটের পাইপের মুখ বেরিয়ে রয়েছে, সেগুলোর মুখগুলো শক্ত করে আঁটা।

    এই পাইপগুলোই চলে গেছে ওই বিশাল হল ঘরের প্রতিটা থামে।

    গার্ডরা জলদি মুখে মুখোশ পরে নিল, তারপর লনে মাথা বের করে থাকা ওই পাইপগুলোর মুখ সাবধানে খুলে কিছু একটা রাসায়নিক পদার্থ ঢেলে দিতে লাগল ভেতরে। তারপর মুখগুলো আবার বন্ধ করে দিল।

    ওদিকে এখনও ওই থামগুলো থেকে জল না বেরোনোয় অন্ধকারে একটা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে, কেউ ভয়ে চিৎকার করছে, কেউ আবার কাঁপছে থরথর করে অজানা আশঙ্কায়।

    বাইরের লনের পাইপে ঢেলে দেওয়া পদার্থটা ঘরের মধ্যের পাইপগুলোয় এসেই এক মারাত্মক বিষাক্ত গ্যাস উৎপন্ন করল, আর ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে এসে সারা ঘর ভরে ফেলল।

    অমানুষিক জান্তব চিৎকারে গোটা হলটা যেন মনে হল নরকের কোনো এক কুণ্ড। আর্তনাদে যেন মনে হল ফেটে যাবে ঘরটা। তীব্র বিষাক্ত গ্যাসে ও দহনজ্বালায় কিছুক্ষণ চলল নিজেদের প্রাণ বাঁচাবার আপ্রাণ বৃথা চেষ্টা। কেউ অন্যকে পিষে উপরে উঠে গ্যাসের বিষক্রিয়া থেকে সাময়িক মুক্তি পেতে চাইল, কেউ কোনো বাচ্চার শরীরটাকে দলা পাকিয়ে নাকের কাছে নিয়ে বাঁচতে চাইল সেই বিষ নিশ্বাস থেকে।

    কোনো লাভ নেই।

    মিনিট দশেকের মধ্যেই সব চুপচাপ হয়ে গেল।

    ফ্রিৎজের দলা পাকানো শরীরটা অনেকের নীচে চাপা পড়ে গিয়েছিল। সঙ্গে চাপা পড়ে গিয়েছিল শোষণের বিরুদ্ধে এক ছাইচাপা প্রতিবাদ।

    কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর মাস্ক পরা গার্ডগুলো দরজাটা খুলল। ততক্ষণে বাইরে থেকে এই ঘরের মোটরচালিত ভেন্টিলেটর চালিয়ে দেওয়া হয়েছে, গ্যাস যেটুকু মৃতদেহগুলোর আনাচেকানাচে ঢুকে আছে, সেটা বেরিয়ে যাক।

    বাইরে কয়েকটা বিশাল ট্রাক অপেক্ষা করছিল। গাদাগাদি করে পড়ে থাকা মৃতদেহ গুলোকে কপিকলে বেঁধে ট্রাকে তোলা হল। অন্যদিকে এই হতভাগ্যদের ছেড়ে আসা জামাকাপড়গুলো পাঠিয়ে দেওয়া হল ক্যাম্পের লন্ড্রিতে, কেচে সাফসুতরো করে সেগুলো পরতে দেওয়া হবে কর্মঠ বন্দিদের।

    বেশ ভালো খরচ বাঁচানোর উপায়।

    তালগোল পাকানো মৃতদেহর স্তূপগুলো একটু দূরের সেই বিশাল বিশাল ক্রিমেটোরিয়ামের চুল্লিগুলোতে গিয়ে ফেলে দেওয়া হল।

    পোড়া মাংস আর চুলের গন্ধে ভরে উঠল জায়গাটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }