Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ৩৫

    ৩৫

    জিমি সোজা বন্দুক তুলে এগিয়ে গেল পেছন ঘুরে বসে থাকা লোকটার দিকে, ঘাড়ে বন্দুক ঠেকিয়ে জোরে একটা লাথি কষিয়ে লোকটাকে মাটিতে ফেলে দিয়েই অবাক গলায় চেঁচিয়ে উঠল, ‘সিগফ্রেড!’

    রুদ্র, প্রিয়ম আর ফেলিক্স এগিয়ে গিয়ে ঝুঁকে পড়ল লোকটার দিকে।

    ড সিগমুন্ড শ্যুমাখারের যমজ ভাই ওরফে সিগফ্রেড?

    কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে সিগফ্রেড কোনো নড়াচড়া করল না, আওয়াজও না। জিমির আঘাতে পড়ে গিয়েও মনে হচ্ছিল ও যেন ঘুমোচ্ছে।

    না, ঠিক ঘুমোচ্ছে না, কেমন একটা ঘোরের মধ্যে রয়েছে যেন। নীল রঙের চোখ দুটো অর্ধ—উন্মীলিত, ঠোঁট দুটো খোলা, সে—দুটো খুব মৃদু লয়ে কাঁপতে কাঁপতে স্থির হয়ে গেল। চোখের দু—পাশ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে ধীরে ধীরে।

    রুদ্রর মনটা হঠাৎই একটু ভিজে গেল। হাজার হোক, কথাবার্তায় নানা অসংগতি পেলেও যে দু—দিন দেখা করেছিল তাতে বুঝেছিল, লোকটা কিন্তু বেশ হাসিখুশি আর আলাপি ছিল। খেতেও ভালোবাসত।

    এত বড়ো চক্রান্তের পান্ডা এত দিলখোলা হয় কি?

    নাকি এই লোকটাকেও ব্যবহার করা হচ্ছিল!

    ফেলিক্সের হাত থেকে দরদর করে রক্ত পড়ছিল, রুমাল দিয়ে জায়গাটা টেনে বেঁধে রেখেছিল, তবু তারই মধ্যে কয়েক সেকেন্ড আর অভিজ্ঞ চোখ দিয়ে সিগফ্রেডকে পুরোটা পরখ করে ওর হাতে ধরে থাকা লম্বা পাইপটা টেনে নিয়ে তার একদিকের খোলা সরু মুখটা সে নাকের কাছে নিয়ে এসে শুঁকল, ‘ক্যানবিস! কয়েক ঘণ্টা এরকম থাকবে এখন।’ কথা বলতে বলতে যন্ত্রণায় মুখটা বিকৃত করল ফেলিক্স।

    অন্য কেউ এতক্ষণে অজ্ঞান হয়ে যেত, পুলিশ বলেই এখনও সে এতটা সক্রিয় থাকতে পারছে।

    রুদ্র বুঝতে পারল না, ‘মানে? ক্যানাবিস কী? কোনো রোগ? সিগফ্রেড বেঁচে আছে?’

    পাশ থেকে প্রিয়ম ফিসফিস করল, ‘ক্যানাবিস একধরনের ড্রাগ, ইউরোপে চলে, যদিও সম্পূর্ণ ব্যানড। মারিজুয়ানার নাম শুনেছ তো, ওটাকেই এখানে ক্যানাবিস বলে। হেরোইন, কোকেন এসবের থেকেও মারাত্মক। কয়েক দিন আগেই কয়েকটা ছেলেমেয়ে মারা গেছে নিতে গিয়ে, কাগজে পড়েছিলাম।’

    রুদ্র পাশে—পড়ে—থাকা বিশাল বিশাল পাইপগুলো দেখছিল, ওগুলো কি আদৌ পাইপ? না অন্য কিছু?

    ও আর দেরি করতে চাইছিল না, যেকোনো মুহূর্তে কেউ এসে পড়তে পারে, তার আগে নিজেরাই ঢোকা ভালো। ও বলল, ‘ভেতরে চলুন।’ তারপর ফেলিক্সের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘হাতের এই অবস্থা নিয়ে আর ভেতরে যেতে হবে না আপনাকে, আপনি বরং এই ঘরটায় বসে একটু রেস্ট নিন, কেউ এলে বুঝতে পারবেন। আর হ্যাঁ, ওই সিকিউরিটি অফিসার ম্যাক্সকে ফোন করে বলুন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওঁর গার্ডদের ক্যাম্পের পেছনের দিকে পাঠাতে। আর আমরা যেভাবে এসেছি সেভাবেই আসতে বলবেন। ক্যাম্পের ভেতর দিক দিয়ে যেন না আসে।’

    ফেলিক্স কথা না বাড়িয়ে বসে পড়ল সিগফ্রেডের অচৈতন্য শরীরের পাশেই। ক্লান্ত গলায় ফোন করে ম্যাক্সকে ফোন করে কথা বলল কিছুক্ষণ।

    রুদ্র ফিসফিস করল, ‘ওদের আসতে কতক্ষণ লাগতে পারে?’

    ফেলিক্সের চোখ দুটো রক্তপাতের শ্রান্তিতে বুজে আসছিল, বলল, ‘বড়োজোর পাঁচ থেকে সাত মিনিট।’

    রুদ্র জিমির দিকে তাকাল, ‘আমরা ঠিক তিন মিনিট বাদে ভেতরে ঢুকব। যাতে ঢোকার পর কোনো বাজে পরিস্থিতিতে পড়লে একটুবাদেই ওরা এসে পড়তে পারে।’

    জিমি সম্মতির ভঙ্গিতে মাথা নাড়ল।

    কখনো কখনো ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেটে যায় চোখের নিমেষে, আবার কখনো এক একটা মিনিটকে মনে হয় এক এক ঘণ্টা, কাটতেই চায় না। অপেক্ষা করতে করতে রুদ্রর ভেতরটা ধুকপুক করছিল, মনে হচ্ছিল ঢুকেই যায় ভেতরে, কিন্তু তিনজন মিলে এইভাবে ঢোকা নেহাত নির্বুদ্ধিতা ছাড়া আর কিছুই হবে না।

    ফেলিক্স হঠাৎ ওর প্যান্টের একটা পকেট থেকে ছুরি বের করল, একঝলক ওদের দিকে তাকিয়েই বাঁ—হাত দিয়ে ছুরির ধারালো দিকটা লম্বালম্বি ঢুকিয়ে দিল গলগল করে রক্ত বেরোনো ক্ষতস্থানটার মধ্যে।

    রুদ্র আঁতকে উঠে কিছু বলতে যাচ্ছিল, জিমি ইশারায় ওকে চুপ করিয়ে দিল, ‘ও গুলিটা বের করে ফেলছে নিজেই। ভালোই হবে, এতে যন্ত্রণাটাও কমবে, রক্ত পড়াটাও।’

    তবু ফেলিক্সের কার্যকলাপ দেখে অজান্তেই হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসছিল। যেন মনে হচ্ছে কোনো মুরগি কাটছে, ঠিক এইভাবে ছুরি চালিয়ে গুলিটাকে ভেতর থেকে বিকৃত মুখে বের করল ফেলিক্স, তারপর রুমালটা দিয়ে টানটান করে চেপে বেঁধে ফেলল জায়গাটা।

    রুদ্র আর প্রিয়মের দিকে তাকিয়ে ও ঈষৎ হাসল, ‘এতে আর ব্লিডিং হবে না।’

    ভেতরে ঢুকে উজ্জ্বল আলোয় যা দেখল, তাতে ওদের চক্ষুস্থির হয়ে গেল।

    বাইরের ঘরে পড়ে থাকা পাইপগুলোর মতো অন্তত দশটা পাইপ লম্বালম্বি বসানো হয়েছে পুরো জায়গাটায়। পাঁচ থেকে সাতজন গার্ডের ইউনিফর্ম পরা লোক মুখে মাস্ক পরে সেই পাইপগুলো থেকে লম্বা নল টেনে নিয়ে একে একে লাগাচ্ছে ওপারে থাকা রিফিউজিদের হল ঘরটার ভেন্টিলেটরগুলোতে।

    বিশাল পাইপগুলো আদতে একেকটা গ্যাস সিলিন্ডার। নির্লিপ্ত ভাবলেশহীন রোবটের মতো নলগুলো লাগিয়ে চলেছে আরও কয়েকটা লোক, সময় বেশি নেই। নল লাগানো হয়ে গেলেই সিলিন্ডারগুলোর নবগুলো খুলে দেবে তারা।

    এমনই ইনস্ট্রাকশন দেওয়া আছে।

    পুরো জিনিসটা হৃদয়ঙ্গম করতে ওদের ঠিক কুড়ি সেকেন্ড সময় লাগল, তারপর রুদ্র চিৎকার করে উঠল, ‘গ্যাস! পয়জনাস গ্যাস! জিমি!’

    ওর মুখের কথা শেষ হবার আগেই একটা হলুস্থুল পড়ে গেল আর জিমি প্রায় উল্কার গতিতে ছুটে গেল ওদিকে।

    ছুটে ওদিকে যাওয়ার আগেই রুদ্রর চোখ দুটো এক আকস্মিক চাপে ঠিকরে বাইরে বেরিয়ে আসতে লাগল। ও অনুভব করল, পেছন থেকে একটা বজ্রকঠিন হাত এসে ওর গলায় চেপে বসছে। এত জোরে গলা টিপে ধরায় নিশ্বাস বন্ধ হওয়ার উপক্রম হল ওর।

    সারা মুখ লাল হয়ে আসছিল, সারা শরীরের রক্ত যেন আস্তে আস্তে গিয়ে জমা হচ্ছিল হাত আর পায়ের ডগায়, নিজের শরীরের সর্বশক্তি দিয়েও ও হাত দুটোকে আলগা করতে পারছিল না। সামনে চলা গোলাগুলির আওয়াজও কেমন ফিকে হয়ে আসছিল।

    আরও কয়েক সেকেন্ড পর যখন ওর শরীর ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে আসছিল, চোখের সামনে সব কেমন অস্পষ্ট হয়ে আসছে দ্রুত তখনই খুব সামনে একটা গুলির আওয়াজ হল, আর সঙ্গে সঙ্গে ওর গলার সেই হাত দুটো আলগা হয়ে গেল।

    কোনোরকমে নিজেকে সামলে নিয়ে পেছনে ফিরেই রুদ্র দেখল, ওর গলা টিপে ধরা লোকটা মাটিতে পড়ে গেছে, আর তার পাশেই কোনোমতে দাঁড়িয়ে রয়েছে ফেলিক্স। তার হাতের সেই রুমালটা রক্তে ভিজে সপসপ করছে। এতটা রক্তপাতে সে নিজেও টলছে অল্পস্বল্প, তবু আজ ফেলিক্সের জন্যই ও প্রাণে বাঁচল!

    রুদ্র তীব্রবেগে কাশতে কাশতে থেবড়ে বসে পড়ল মাটিতে। প্রিয়ম টেনে তুলল ওকে, ‘ফেলিক্স, একটু জলের জোগাড় করতে পারো? ওকে একটু জল খাওয়াতে হবে।’

    ফেলিক্স ততক্ষণে উপুড় হয়ে পড়া লোকটার দিকে চলে গেছে, ফেলিক্সের অব্যর্থ নিশানা তার পিঠের বাঁ—দিক দিয়ে ঢুকে গেছে।

    ফেলিক্স তার কোমরের টর্চটা প্রিয়মকে দিল, প্রিয়ম টর্চটা জ্বেলে লোকটাকে উপুড় করতেই ঘটনার আকস্মিকতায় টর্চটা প্রায় খসে পড়ল প্রিয়মের হাত থেকে।

    আর ফেলিক্স চমকে আর্তনাদ করে উঠল, ‘এ কি স্যার! আ—আপনি!’

    রুদ্র ততক্ষণে উঠে এসেছে।

    বিশাল বপুর লোকটার যন্ত্রণাকাতর মুখের দিকে তাকানোর আগে ওর চোখে পড়ল লোকটার আঙুলগুলোর দিকে, যেগুলো একটু আগেই প্রবল আক্রোশে চেপে বসেছিল ওর গলায়। দুটো হাতেরই মধ্যমায় একই ধরনের আংটি, আর তার উপরের পাথরে যে সংখ্যাটা খোদাই করা, সেটা যে দুই, সেটা এই আলো আঁধারিতেও স্পষ্ট বুঝতে পারল রুদ্র।

    কমিশনার মি অ্যান্টন স্নেইডার যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন।

    রুদ্রর মুখে একটা বিদ্রূপের হাসি ফুটে উঠল, ‘আমি ঠিকই সন্দেহ করেছিলাম।’

    ফেলিক্স হতবুদ্ধি হয়ে রুদ্রর দিকে তাকাল, ‘এটা কী করে হল?’

    রুদ্র স্নেইডারের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘দিব্যি খেলাটা জমিয়েছিলেন। সৎ ছেলেকে দিয়ে নেগেটিভগুলো চুরি করালেন, সেগুলো সলভ করার দায়িত্ব দিয়ে বেচারাকে ভুয়ো পাসপোর্ট নিয়ে লন্ডন পালাতে সাহায্য করলেন। এদিকে আপনার ইনফ্লুয়েন্স কাজে লাগিয়ে লাকি নম্বর বেছে বেছে একটার পর একটা ব্লাস্ট করে চলল আপনার দল, আর আপনি সরষের মধ্যেই ভূত হয়ে থেকে, সেগুলোকে সামাল দিয়ে চললেন। আগামীকাল সবচেয়ে বড়ো ব্লাস্টটা করবেন বলে ঠিক করে রেখেও আমি সেটা ধরে ফেলায় মত পালটে ঠিক করলেন আজই রাতের অন্ধকারে ঝামেলা মিটিয়ে ফেলবেন। কিন্তু ভুলটা করলেন হাতে নিউমেরোলজি অনুযায়ী লাকি নম্বরের আংটিটা রেখে। আপনার গুরুদেবের মতো আপনারও যে লাকি নম্বর দুই, সেটাকে মিলিয়েই যে আপনি একের পর এক কাণ্ড ঘটিয়ে চলেছেন, সারা পৃথিবীটাকে নরকে পরিণত করার আয়োজন করছেন আপনিই, সেটা আপনার ওই আংটি দুটো দেখার পর বুঝতে আমার খুব বেশিক্ষণ লাগেনি মি স্নেইডার!’

    ফেলিক্স হতবুদ্ধির মতো ওর দিকে তাকাল, ‘গুরুদেব মানে?’

    রুদ্র শ্লেষমেশানো গলায় বলল, ‘অ্যাডলফ হিটলার, আবার কে! ইনি নিজেকে দ্বিতীয় হিটলার হিসেবে তৈরি করছিলেন আস্তে আস্তে! সাইফার কোডটা বোঝানোর সময় যখন টেবিলে ওঁর রাইটিং প্যাডটা নিয়ে লিখছিলাম, তখনই চোখে পড়েছিল কবিতাটা। প্রথম লাইনটাই ছিল কেইন স্লেচটেস ব্লাট ইন ইউরোপা। তখন বুঝতে পারিনি মানেটা। পরে গাড়িতে শুনে বুঝতে পারলাম।’

    ততক্ষণে সামনের গেট থেকে মাক্সের পাঠানো প্রায় পঞ্চাশের ওপর গার্ড চলে এসেছে। ফেলিক্স আর জিমির নেতৃত্বে নিমেষের মধ্যে যেন রণক্ষেত্র হয়ে উঠল জায়গাটা। কুড়ি পঁচিশটা অল্পবয়েসি নকল ইউনিফর্ম পরা ছেলেদের ধরাশায়ী করতে খুব বেশি গুলি খরচ করতে হল না ওদের।

    গোলাগুলির মধ্যেই জিমি ছুটে এসেছে এদিকে। স্নেইডারকে দেখে সেও হতবাক হয়ে গেল, ‘স্নেইডার স্যার! এ যে অবিশ্বাস্য ব্যাপার!’

    কথায় আছে, আহত জন্তু মৃত্যুর আগে মরণকামড় দিতে ভোলে না। এক্ষেত্রেও শেষবারের মতো বিকৃত গলায় গর্জে উঠলেন স্নেইডার, ‘ইউরোপ শুধু ইউরোপিয়ানদের জন্য! কেইন স্লেচটেস ব্লাট ইন ইউরোপা! নো ব্যাড ব্লাড ইন ইউরোপ! ইউরোপ উইল বি অন দ্য টপ অলওয়েজ!’

    রুদ্রর মুখ দিয়ে তীব্র ঘৃণা ঝরে পড়ল, নেহাত মৃত্যুপথযাত্রী বলে সংযত করছিল নিজেকে, ‘সেইজন্য ইউরোপে যারা একটু আশ্রয়ের জন্য এসেছে, সেই অসহায় মানুষগুলোকে একে একে মারছিলেন আপনি? দেশের রক্ষাকর্তাদের একজন হয়ে আপনার এটা করতে লজ্জা করল না? ঠিক যেমনটা করেছিলেন হিটলার? যিনি শুধু জার্মানির নয়, সারা পৃথিবীর লজ্জা! আর নিজেদের সুপারম্যান বানিয়ে বাকি বিশ্বটাকেই ক্রীতদাসে পরিণত করবার তালে ছিলেন? আর রক্ত খারাপ কি শুধু জাত দিয়ে বোঝা যায়?’ রাগের চোটে ও টেনে হিঁচড়ে সামনে এগিয়ে নিয়ে এল জিমিকে, ‘এ—ও ইউরোপিয়ান নয়, কিন্তু আপনার দেশের স্বার্থে নিজের জীবনও বিপন্ন করেছে জিমি। আর আপনি? দেশপ্রেম শুধু রক্ত দিয়েই হয় না বুঝলেন, মানবিকতা দিয়ে হয়।’

    একটা জান্তব আর্তনাদ বেরোল স্নেইডারের মুখ দিয়ে, ‘হেইল হিটলার!’ তারপর গোটা দেহটা একবার কেঁপে উঠেই স্থির হয়ে গেল।

    ততক্ষণে গার্ডরা সব আলো জ্বালিয়ে দেওয়ায় আলোয় আলোকিত হয়ে উঠল পুরো এন্ট্রান্সটা।

    প্রিয়ম অস্ফুট বিস্ময়ে বলল, ‘স্নেইডার হিটলারের এত ভক্ত ছিল কেন?’

    রুদ্র একদৃষ্টে স্নেইডারের মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে ছিল, ‘হিটলার মারা যাওয়ার আগের দিন বিয়ে করেছিল ওর মিসট্রেস ইভা ব্রাউনকে। পরের দিনই দুজনে একসঙ্গে সুইসাইড করে। ওদের দুজনের বহুদিনের সম্পর্ক ছিল। সারা পৃথিবী জানে না, কিন্তু ইভা নিজে ওঁর ডায়েরিতে লিখে গিয়েছিলেন ওঁদের একটা ছেলে হয়েছিল এবং হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে রাজনৈতিক টালমাটাল থেকে দূরে রাখতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় ইভার এক মাসির কাছে। ইভার একজন দাসী ছিল, হিস্ট্রি চ্যানেলকে দেওয়া তাঁর এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউটা ইউটিউবে দেখে জানলাম। হিটলার নিজেও তার সন্তানের অস্তিত্ব গোপন রাখতে চেয়েছিল হয়তো!’

    জিমি বলল, ‘কী নাম ছিল তার?’

    রুদ্র মাথা নাড়ল, ‘অনেক বই ঘেঁটেও তার নাম জানতে পারিনি, তবে ইভার সেই মাসির নাম ছিল এমিলি স্নেইডার। আমি গেস করছি হিটলারের সেই ছেলের ছেলে এই স্নেইডার। কেননা হিটলারের অন্য যারা বংশধর ছিল, ওর ভাগনে বা অন্যান্য সব আত্মীয়রা ওর পরিচয়ে এতটাই লজ্জিত ছিল যে তাদের কেউ না হওয়াটাই স্বাভাবিক!’

    প্রিয়ম বলল, ‘কিন্তু, তুমি কী করে বুঝলে যে স্নেইডারই কালপ্রিট? আমি তো এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না।’

    রুদ্র বলল, ‘ব্লাস্টের সঙ্গে ওই নেগেটিভগুলোর সম্পর্ক আছে এটা বুঝতে পারার পরেই যেটা আমার মাথায় প্রথম এসেছিল সেটা হল, এইরকম সারা ইউরোপ জুড়ে ব্লাস্ট করানোর মতো নেটওয়ার্ক থাকা সিগফ্রেড বলে ওই একা নকল শ্যুমাখারের পক্ষে সম্ভব নয়, আর থাকলেও ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এক্ষেত্রে পেছনে নিশ্চয়ই কোনো ইনফ্লুয়েনশিয়াল মাথা আছে, যে সামলাচ্ছে সব কিছু। আর হিটলারের লাকি নম্বর দুই সেটা অনুযায়ী ব্লাস্টগুলো ঘটছে এটা বের করার পরেই বুঝতে পেরেছিলাম এমন কেউ আছে পেছনে যে নিউমেরোলজিতে খুব বিশ্বাস করে। সিগফ্রেডের সঙ্গে আমি বারদুয়েক দেখা করেছি, তাতে লোকটার ওইরকম কোনো বাতিক আমার চোখে পড়েনি। আজ স্নেইডারের টেবিলে বসে যখন কথা বলছিলাম তখন দেখছিলাম ওর দু—হাতে দুটো বিশাল আংটি, দুটোতেই দুই লেখা। ওর সামনে থাকা লেখার প্যাডটা একবার নিয়ে লিখছিলাম মনে আছে? সেখানেই দেখলাম হাজার আঁকিবুকির মাঝে একটা কবিতা লেখা, প্রথম লাইনটাই হল, কেইন স্লেচটেস ব্লাট ইন ইউরোপা। তখন মানে বুঝিনি, গাড়িতে ফেলিক্সের কথা থেকে মানেটা বুঝতে পারলাম। তারপরেও ঠিক ধরতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল, সে তো উনি নিজেও ইনভেস্টিগেট করতে করতে অচেতনে লিখে ফেলতে পারেন। তারপর যখন শুনলাম কোলনের ব্লাস্টে মারা যাওয়া লোকটাও ওই একই কথা বলে গেছে, আর যেখানে সঙ্গে সঙ্গে টেম্পলহফে ফোর্স পাঠানো উচিত ছিল, সেখানে জিমি আর ফেলিক্স, দুজনকেই স্নেইডার ফোর্স পাঠাতে বারণ করে একদল নতুন গার্ড পাঠিয়েছেন, তখন হঠাৎ মনে হল, স্নেইডারই তো সবচেয়ে সুবিধার পজিশনে আছেন এইসব কাণ্ডগুলো ঘটানোর জন্য। আর সঙ্গে সঙ্গে ইভা ব্রাউনের সেই মাসির সারনেমটাও মনে পড়ে গিয়েছিল।’

    প্রিয়ম চূপ করে ভাবছিল।

    রুদ্র বলে চলছিল ‘তারপর অঙ্ক না পারলে যেমন ব্যাক ক্যালকুলেশন করতাম, সেইরকমই স্নেইডারকে দোষী ধরে নিয়েই পুরো জিনিসটা সাজাতে লাগলাম। দেখলাম উত্তরটা মিলে যাচ্ছে একদম। স্নেইডার কী পরিবেশে মানুষ হয়েছে সেটা তো জানি না, তবে সম্ভবত ছোটো থেকেই তার মাথায় এইসব ঢুকিয়েছিল কেউ। হিটলারের কোনো সিক্রেট ডায়েরিও থাকতে পারে, সেখান থেকে এইসব জেনে থাকতে পারে। হিটলার যে ওই মৌলর খোঁজ পেয়েছিল, সেটাও।’

    প্রিয়ম বলল, ‘মানে এমনিতে ওই ব্যাকগ্রাউন্ডটা স্নেইডারের জানা ছিল। আর কাগজে ভাটনাজুকল থেকে পাওয়া নেগেটিভে হিটলারের ছবি পাওয়া যেতে বুঝে ফেলে যে ওটাই সেই মৌল!’

    রুদ্র মাথা নাড়ল, নিজের মনেই বলল, ‘এত বড়ো পোস্টে চাকরি করে কী করে জানি না এই লোকটা দ্বিতীয় হিটলার হবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল। হিটলার যেমন যেকোনো উপায়ে ইহুদিদের শেষ করতে চেয়েছিল, এও তেমনই মিডল ইস্ট থেকে আসা সব রিফিউজিদের শেষ করে ইউরোপকে সুপারপাওয়ার করতে চেয়েছিল। কারুর থেকে হয়তো শুনেছিল হিটলার গ্যালটনের মৌলটা তৈরি করতে গিয়েও শেষমেষ পারেনি, মাসখানেক আগে ভাটনাজুকল থেকে উদ্ধার হওয়া ওই নেগেটিভগুলোর প্রথম ছবিতে হিটলার আর ভিক্টর ব্র্যাকের বর্ণনা শুনে ও আন্দাজ করেছিল ওটাই সেই খোয়া যাওয়া রিসার্চের প্রসেস। সত্যিই! জিন কী অদ্ভুত দ্যাখো! হিটলারের সেই শয়তান জিন কেমন তার পরবর্তী প্রজন্মে ফিরে এসেছে!’

    প্রিয়ম স্বগতোক্তি করল, ‘ইউজেনিক্স!’

    পাঁচটা বিশাল মাপের সিলিডার পড়ে আছে মাটিতে, তার পাশে শুয়ে কাতরাচ্ছে কয়েকটা লোক। রুদ্র ক্লান্ত শরীরে এগিয়ে গিয়ে ফেলিক্সকে বলল, ‘আগে সিলিন্ডারগুলোকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন। সাংঘাতিক পয়জনাস গ্যাস আছে কিন্তু ওর মধ্যে।’

    ফেলিক্স মাথা নাড়ল।

    রুদ্র বলল, ‘মোস্ট প্রোব্যাবলি সারিন গ্যাস। কোনো রং নেই, কোনো গন্ধ নেই, অথচ এতটাই বিষাক্ত যে নিশ্বাসের সঙ্গে শরীরে ঢোকার দু মিনিটের মধ্যে মৃত্যু অবধারিত।’

    জিমি বললেন, ‘কী করে বুঝলেন এটা সারিন গ্যাস?’

    রুদ্র কাঁধ ঝাঁকাল, ‘এটাও আন্দাজ করছি। গন্ধ, রং কিছুই নেই, এটা বাতাসে ছড়িয়ে দিলে সামনের গেটে থাকা গার্ডটা কিছুই টের পেত না, অথচ দেখা যেত কয়েক মিনিটের মধ্যে পুরো ক্যাম্পটাই শ্মশান হয়ে গেছে। হিটলার নিজে সারিন গ্যাস বানিয়েও মানুষের ওপর প্রয়োগ করার সাহস ক্যাম্পগুলো ছাড়া কোথাও খুব একটা দেখায়নি, কিন্তু এই যুগের হিটলার সেটা করতে যাচ্ছিল আর একটু হলে।’

    সবচেয়ে কাছে থাকা পুলিশ স্টেশন থেকে ফোর্স পাঠানোর জন্য জিমি উত্তেজিতভাবে ফোন করছিল। রুদ্র বলল, ‘ওই সিগফ্রেড লোকটাকেও দেখুন। সে নিজে হয়তো এতটা খারাপ নয়, ওকে ওর সৎ বাবা এই ড্রাগ নিয়ে ব্ল্যাকমেল করে এইসব করতে বাধ্য করত। ওকে নিয়ে যান।’ তারপর অস্ফুটে বলল, ‘দুই যমজ ভাই! একজন হল নামকরা ডাক্তার, আরেকজন কেমিষ্ট্রি নিয়ে পড়াশুনো করলেও মায়ের দ্বিতীয় বিয়ের পর সৎ বাবার সাহচর্যে হয়ে উঠল ড্রাগঅ্যাডিক্টেড ক্রিমিনাল! সত্যি! এক্ষেত্রেও সেই জিনই ভিলেন!’

    প্রিয়ম হঠাৎ ছুটে গেল স্নেইডারের মৃতদেহের দিকে। খুঁজতে লাগল কিছু।

    রুদ্র এগিয়ে গেল, এইসময় বডিতে হাত দেওয়া একদমই উচিত নয়, ‘কী খুঁজছ?’

    প্রিয়ম উত্তর দিল না। মিনিটখানেক বাদে স্নেইডারের হাঁটু পর্যন্ত পামবুটের ভেতরের চেন থেকে বের করে আনল দুটো ছোটো এনভেলপ।

    সে—দুটোর মধ্যে একটা এনভেলপ রুদ্রর সঙ্গে কয়েক রাত কাটিয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সেই ছবিগুলো।

    আরেকটায় রয়েছে সেই অরিজিন্যাল নেগেটিভগুলো।

    রুদ্র চোখ কপালে তুলল, ‘আমার মনেই ছিল না প্রিয়ম। তালেগোলে এক্কেবারে ভুলে গিয়েছিলাম এগুলোর কথা!’ প্রিয়মের থেকে যত্ন করে ও সেই খাম দুটো হাতে নিল, ‘এখন থেকে মিউজিয়ামে থাকবে এ দুটো। সবাই দেখবে, আজ থেকে অতবছর আগে কী আশ্চর্য আবিষ্কার করেছিলেন গ্যালটন সাহেব!’

    এখানকার পুলিশ অবিশ্বাস্য লেভেলের প্রম্পট। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিশাল পুলিশবাহিনী এসে ঘিরে ফেলল জায়গাটা, দুটো হেলিকপ্টার এসে টহল দিতে লাগল ওপরের আকাশটায়। আহত লোকগুলোকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হল, মি স্নেইডারের বডিটা স্ট্রেচারে করে নিয়ে গিয়ে একটা পুলিশ ভ্যানে উঠিয়ে নেওয়া হল।

    স্নেইডারের দলের মোট সাত—আটজন গার্ডের ছদ্মবেশে ছিল, প্রত্যেকেই জিমি এমন ঘায়েল করেছে, যে তাদের ওঠার ক্ষমতাও নেই। তবু সেভাবেই তাদের টেনে—হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে তোলা হল পুলিশ ভ্যানে।

    চমকের তখনও একটু বাকি ছিল।

    ম্যাক্স নামে সিকিউরিটি অফিসারটি একটু বাদেই একজন মহিলাকে নিয়ে এসে হাজির করলেন ওঁদের সামনে, ‘কাঁটাতারের পাঁচিল টপকে পালাচ্ছিল। আমার লোক ধরেছে। বলছে নাকি স্নেইডারের গার্লফ্রেন্ড।

    রুদ্র আর প্রিয়ম দুজনেই চমকে উঠল বার্লিন আসার ট্রেনের সেই সোশিয়োলজির প্রোফেসর ইভাকে দেখে!

    যদিও তাঁকে দেখে এখন চেনা দায়। সকালের সেই সুন্দর মেক—আপ—করা মুখ এখন ভ্যানিশ।

    ছোট্ট ছোট্ট করে কাটা ঝাঁকড়া সোনালি চুল ছড়িয়ে আছে সারা মাথায়, চোখ টকটকে লাল, পরনে কালো জ্যাকেট আর নীল জিনস। রুদ্রকে দেখেই সে ঘৃণায় একদলা থুতু ছুড়ল, সঙ্গে অশ্রাব্য কিছু গালাগাল।

    রুদ্র অস্ফুটে বলল, ‘এবার বুঝতে পারছ সেন্ট প্যানক্রাস স্টেশনে আমার পাসপোর্টটায় জল ফেলার চেষ্টা, ট্রেনের কামরা থেকে ছবিগুলো চুরি করা? স্নেইডারই সিগফ্রেডের কাছ থেকে আমার ছবিগুলো নিয়ে পালানোর কথা শুনে ইভাকে পাঠিয়েছিল।’ পরক্ষণেই ও চমকে উঠল, ‘কী সাংঘাতিক! এটাও মিলে গেল! হিটলারের মতো স্নেইডারেরও সঙ্গিনীর নাম ইভা!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }