Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরক সংকেত – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দেবারতি মুখোপাধ্যায় এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নরক সংকেত – ৪

    ৪

    পরের দিন সন্ধেবেলা পর্যন্ত রুদ্র আর প্রিয়মকে আর অপেক্ষা করতে হল না। তার আগেই ড শ্যুমাখারের সঙ্গে দেখা করতে হল।

    রুদ্ররা ব্রেকফাস্ট করেই বেরিয়ে পড়েছিল। দোতলা হুডখোলা বাসে করে বাকিংহাম প্যালেস, বিগ বেন, লন্ডন আই, পিকাডেলি সার্কাস সব ঘুরে ওরা যখন ন্যাশনাল গ্যালারিতে ঢুকেছে, তখন প্রিয়মের ফোন এল।

    দুশো বছরের পুরোনো এই ঐতিহ্যবাহী ন্যাশনাল গ্যালারি, তাতে দু—হাজারের ওপর দুষ্প্রাপ্য সমস্ত ছবি রয়েছে। ট্রাফালগার স্কোয়ার চত্বরটাই দারুণ সুন্দর। ফ্রান্স আর স্পেনের সঙ্গে ঐতিহাসিক ট্রাফালগারের যুদ্ধে জেতার পর ব্রিটিশ নেভির পক্ষ থেকে এই স্কোয়ার বানানো হয়েছিল। একদিকে নিখুঁত ব্রোঞ্জের স্ট্যাচু, অন্যদিকে ফোয়ারা, তার মাঝে অজস্র পায়রার ডানা ঝাপটে উড়ে বেড়ানো, সব মিলিয়ে একটা দারুণ পরিবেশ।

    প্রতিটা ছবি ওরা তন্ময় হয়ে দেখছিল, ডিটেইলড নোটগুলো পড়ছিল, এমন সময় প্রিয়মের ফোন বাজতে প্রিয়ম কথা বলতে বাইরে চলে গেল।

    মিনিট পাঁচেক বাদে ফিরে এল, ‘রুদ্র, ড শ্যুমাখার ফোন করেছিলেন।’

    রুদ্র তখন বেশ মনোযোগ দিয়ে ভ্যান গঘের আঁকা একটা ছবি দেখছিল, অন্যমনস্কভাবে ছবি থেকে চোখ না তুলেই বলল, ‘একটু দেরি করে আসতে বলেছ তো? এখান থেকে মাদাম তুসো যাব তো, অনেক সময় লাগবে ওটা ঘুরতে।’

    প্রিয়ম বলল, ‘ওঁর কী—একটা কাজ পড়ে গেছে সন্ধেবেলা, তাই আসতে পারবেন না।’

    রুদ্র বলল, ‘বাঁচা গেছে। তাহলে আর জলদি ফেরার তাড়া নেই। শোনো, আমি কাল গুগল ম্যাপে দেখছিলাম মাদাম তুসো মিউজিয়াম থেকে একদম পায়ে হাঁটা দূরেই বেকার স্ট্রিট। শুনেছি ২২১ বি ঠিকানায় এখন একটা মিউজিয়াম হয়েছে? ওটা দেখে আসব, কেমন? উফ, ভাবতেই কেমন রোমাঞ্চ লাগে, না?’

    প্রিয়ম মাথা নাড়ল, ‘আরে না। উনি বললেন দরকারটা খুব জরুরি। তাই, এখনই দেখা করতে চান, আধ ঘণ্টা সময় দিলেও চলবে।’

    রুদ্র এবার ভ্রূ কুঁচকে বলল, ‘এখন? মানে? এখন না ঘুরে—টুরে বাড়ি চলে যাব? আচ্ছা মুশকিল তো!’

    প্রিয়ম এবারেও মাথা নেড়ে বলল, ‘না বাড়ি যেতে হবে না। উনি অপেক্ষা করছেন।’

    রুদ্র এবার আরও অবাক হয়ে গেল, ‘কোথায়?’

    প্রিয়ম আমতা আমতা করে বলল, ‘মাদাম তুসো মিউজিয়ামের সামনের একটা কপিশপে। বললেন, ওখানকার কফি নাকি দারুণ।’

    রুদ্র এবার রেগে গেল, ‘মাদাম তুসোর সামনে গিয়ে আমরা ভেতরে না ঢুকে বাইরে বসে কফি খাব? কোথা থেকে তুমি জোটাও বলো তো এইসব লোকেদের? ওঁর সঙ্গে বকতে বকতে যদি মিউজিয়াম বন্ধ হয়ে যায়? কী এত দরকার আমার সঙ্গে? চিনি না, জানি না।’

    প্রিয়ম মানানোর ভঙ্গিতে বলল, ‘উনি আধ ঘণ্টার বেশি সময় নেবেন না বারবার বলছেন। তারপরেই আমরা মাদাম তুসোয় ঢুকে পড়ব।’

    রুদ্র বিরক্তির একটা শব্দ বের করল মুখ দিয়ে, ‘ডিসগাস্টিং!’

    প্রিয়ম বলল, ‘কী করব বল, এরকমভাবে বার বার কেউ যদি রিকোয়েস্ট করে! এত চাপ নিয়ো না, আমি তো বলেই দিচ্ছি ওঁর দরকারটা কী।’

    রুদ্র কটমট করে তাকাল, ‘কী দরকার শুনি?

    প্রিয়ম বিজ্ঞের মতো মাথা দোলাল, ‘ওই তো, দাদু ইন্ডিয়া গেছিল, কিছু গুপ্তধন—টনের খোঁজ পেয়েছিল নির্ঘাত, উদ্ধার করার আগেই বোধ হয় উপরে চলে গিয়েছিল, সেই কথা ডায়েরিতে লিখে গেছে, এ চায় তোমায় দিয়ে উদ্ধার করাতে। সিম্পল! তুমি বরং চিন্তা করো কত পারসেন্ট কমিশন নেবে সেই গুপ্তধনের। এ তো আর তোমার সমাজসেবা নয়। হে হে।’

    রুদ্র নিজের মনেই গজগজ করতে লাগল, ‘তোমার এই স্বভাবটার জন্য না লাইফে তুমি অনেক পস্তাবে দেখো, প্রয়োজনে ‘না’ বলতে জানো না বলে। দরকারটা যখন তাঁর, তাঁকে তো আমাদের সময় সুযোগ মতো আসতে হবে, তাই না! ঘুরতে বেরিয়েছি একরকম মাইন্ডসেট নিয়ে, তার মধ্যে এরকম ব্রেক পড়লে কী যে বিরক্ত লাগে!’

    ঘণ্টাখানেক পর মাদাম তুসো মিউজিয়ামের ঠিক উলটোদিকের খুব সুন্দর ছোট্ট কফিশপটায় বসে যখন রুদ্র কফিতে চুমুক দিচ্ছিল, তখন অবশ্য আার অতটা খারাপ লাগছিল না।

    এখানে সামারের সময় সব রেস্টুরেন্টেরই বাইরেটা বসার ব্যবস্থা করা হয়। একটা মিষ্টি বেগুনি ফুলের গাছ দিয়ে পুরো কফিশপটাই মোড়ানো। কী গাছ এটা, রুদ্র মনে মনে চিন্তা করছিল। অনেকটা কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়ার মতো। একদম ছড়িয়ে রয়েছে। আর মাটিতে পড়ে সারা রাস্তাটাকে রাঙিয়ে তুলেছে অজস্র রংবেরঙের ফুল।

    ঠিক যেন বসন্তের পলাশ।

    ওঁরা পৌঁছোনোর আগেই ড শ্যুমাখার সেখানে এসে বলে ছিলেন। যদিও ওঁর অনুরোধ অনুযায়ী বাইরে না বসে ওদের রেস্টুরেন্টের ভেতরেই বসতে হল, রুদ্র কিন্তু মনে মনে ঠিক করে ফেলল যতদিন এখানে থাকবে ততদিন সকাল বিকেল ও এইরকম বাইরে বসে গায়ে রোদ মেখে কফি খাবে।

    কিছু কিছু মানুষের মুখ দেখলেই বোঝা যায়, মানুষটা ভালো। ড শ্যুমাখারও তেমনই। বেশ অমায়িক ভদ্রলোক। একটা ক্যাজুয়াল ছাইরঙা ট্রাউজার আর কনুই পর্যন্ত হাতা গোটানো কালো শার্টে ওঁকে বেশ হ্যান্ডসাম লাগছিল। টকটকে ফর্সা লালচে গায়ের রং, সোনালি চুল, যদিও সামনেটায় এই অকালেই টাক পড়েছে কিছুটা, মুখেও সামান্য বলিরেখা হানা দিয়েছে, তবে কালো ফ্রেমের চশমার মধ্য দিয়ে চোখের ঝকঝকে নীল রঙের মণি দুটো স্পষ্ট বোঝা যায়। উঠে দাঁড়িয়ে এগিয়ে এসে হ্যান্ডসেক করার সময় রুদ্র অবশ্য বুঝল ভদ্রলোক ডান পা—টা সামান্য খুঁড়িয়ে হাঁটছেন।

    প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিলেন ড শ্যুমাখার, ‘আপনাদের প্রাইভেট সময়ে ভাগ বসানোর জন্য ভেরি সরি। তবে আমি বেশি সময় নেব না একেবারেই। আসলে আমার প্রয়োজনটা এতটাই আর্জেন্ট, আর আপনার সম্পর্কে ওই আর্টিকলটা পড়ার পর থেকে মনে হচ্ছে আপনিই আমাকে হেল্প করতে পারেন। মানে, আপনি ওই ভুটানের মিস্ট্রিটা যেভাবে সলভ করেছিলেন, অন্য কোনো ডিটেকটিভই…!’

    রুদ্র বাধা দিয়ে হাসিমুখে বলল, ‘আপনি প্রথমেই একটা জিনিস ভুল করছেন ড শ্যুমাখার। আমি ডিটেকটিভ নই। আমি ছাপোষা একজন চাকুরিজীবী, ব্যাঙ্কে চাকরি করি। ভুটানে আমার বাবা একটা বিপদে পড়েন, সেখান থেকে তাঁকে বের করতে গিয়ে আমি ওই ব্যাপারটায় জড়িয়ে পড়ি। এটা আমার প্রোফেশন নয় মোটেই। আর আমার হাজব্যান্ডও আমায় হেল্প করেছিল।’ প্রিয়মের দিকে আঙুল দেখায় ও।

    ড শ্যুমাখার হাঁ হাঁ করে ওঠেন, ‘ইয়েস, আমি জানি সেটা। আমি সবটাই পড়েছি ম্যাডাম। আমি এমনিই ইন্ডিয়ানদের খুব অ্যাডমায়ার করি, আর আমার মনে হয়েছে আপনিই এই ব্যাপারটায় পারফেক্ট। আপনি যখন এখানে এসেইছেন একটু যদি আমাকে হেল্প করেন, আই উড বি গ্রেটফুল টু ইউ। আর এটা আমার জন্য না, ফর দ্য সেক অফ হোল ম্যানকাইন্ড!’

    রুদ্র লক্ষ করল ভদ্রলোকের ইংরেজি একদমই জড়ানো নয়, বেশ পরিষ্কার বোঝা যায়। ও বলল, ‘আমি তো এখানে এসেছি ঘুরতে, বেশিদিন তো থাকব না, আমার নিজেরও কাজ আছে অফিশিয়াল….!’

    ড শ্যুমাখার এবার ওঁর মাথার সামনের ফাঁকা অংশটা কিছুক্ষণ চুলকে নিলেন, তারপর আস্তে আস্তে বললেন, ‘আপনি যদি একবার শোনেন ম্যাডাম….!’

    রুদ্র এবার একটু অস্বস্তিতে পড়ল।

    অন্তত এত সুন্দর কফিশপে বসে কফি খাওয়ানোর পরও ব্যাপারটা না শুনলে অভদ্রতা করা হবে।

    ও তাড়াতাড়ি হেসে বলল, ‘নিশ্চয়ই। বলুন। আপনি কি এখানেই থাকেন?’

    ড শ্যুমাখার এবার বললেন, ‘হ্যাঁ। বাই প্রোফেশন আমি ডাক্তার। আমার জন্ম জার্মানিতে। আমার বাবা ছিলেন জার্মান, কিন্তু তাঁর মা ছিলেন পর্তুগিজ। আর আমার মা আবার ছিলেন ফ্রেঞ্চ।’

    ভদ্রলোকের বলার ভঙ্গিমাটা বেশ মজাদার লাগল রুদ্রর, ও—ও তাই হালকা রসিকতা করল, ‘বাবা জার্মান, ঠাকুমা পোর্তুগিজ, মা ফ্রেঞ্চ, আপনি তো একদম পুরো ইউরোপকেই রক্তে বয়ে নিয়ে চলছেন দেখছি!’

    ড শ্যুমাখারও হাসলেন, ‘এইটা একদম খাঁটি কথা বলেছেন আপনি। অনেক জাতির রক্ত বইছে আমার শরীরে। তবে কী,’ ভদ্রলোক এক মুহূর্ত থামলেন, ‘হাইব্রিড প্রোডাক্ট হয়েও আমি নিজেকে জার্মান বলতেই ভালোবাসি। জীবনের অনেকগুলো বছর ওখানেই কেটেছে তো! জার্মানিই আমার নিজের দেশ।’

    রুদ্র স্মিত মুখে মাথা নাড়ল।

    ভদ্রলোক বলে চললেন, ‘যেটা বলছিলাম। আমার মায়ের দাদু ফ্রান্স থেকে আপনাদের ইন্ডিয়াতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারী হিসেবে গিয়েছিলেন আর পন্ডিচেরিতে বেশ কিছুদিন ছিলেনও। পরে উনি দেশে ফিরে গেলেও ওঁর ছেলে মানে আমার মায়ের বাবা ফেরেননি। উনি ওখানেই সেটল করে গিয়েছিলেন। আমার মায়েরও ছোটোবেলা ওখানেই কেটেছে। তবে আমার দাদু খুব অল্পবয়সে মারা যান, তাই তারপর মা—রা সবাই আবার ফ্রান্সে ফিরে যান।’

    প্রিয়ম মাঝপথে বাধা দিল, ‘কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তো ছিল ইংরেজদের। আপনার মায়ের দাদু ফ্রান্সের লোক বলছেন যে?’

    এবার রুদ্র মুখ খুলল, ‘উঁহু, ইংরেজদের যেমন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ছিল, তেমনই ইংরেজদের দেখাদেখি ফ্রেঞ্চরা, পোর্তুগিজরা সবাই ইন্ডিয়াতে বা এশিয়ার দেশগুলোতে ব্যাবসা করার জন্য তাদের নিজস্ব ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি খুলেছিল। কিন্তু কেউই ইংরেজদের দাপটে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি, বেশিদিন কোম্পানি চালাতওে পারেনি। ড শ্যুমাখার ফ্রেঞ্চ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কথাই বলছেন। ফ্রেঞ্চরা তবু কিছুটা হলেও পেরেছিল পন্ডিচেরি বা চন্দননগরে, পোর্তুগিজরা একেবারেই পারেনি, যদিও ওরাই প্রথম ভারতে এসেছিল। ভাস্কো দা গামা মনে আছে তো?’

    প্রিয়ম বলল, ‘হ্যাঁ। সেই ক্লাস ফোরের ইতিহাস। ১৪৯৮ সাল, কালিকট বন্দর।’ বলেই ড শ্যুমাখারের দিকে তাকাল, ‘আপনি তাহলে ফ্রেঞ্চ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কথা বলছেন?’

    ড শ্যুমাখার এবার উদ্ভাসিত মুখে বললেন, ‘ইয়েস! ফ্রেঞ্চ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। সেখানকার সব কথা দাদুর ডায়েরিতে আমি পড়েছি। উনি তো ওখানে অনেকদিন ছিলেন। উনিও ডাক্তার ছিলেন। তার সঙ্গে প্রতিদিনের রোজনামচা লিখে রাখা ছিল ওঁর শখ। ওঁর লেখা পড়েই অনেক কিছু জেনেছি। তখনকার ইন্ডিয়া, স্পিরিচুয়ালিটি, মানুষের লাইফস্টাইল সব। ইন ফ্যাক্ট সেসব পড়েই আমার ইন্ডিয়া নিয়ে এত ইন্টারেস্ট। তো যাই হোক, আমি অবশ্য জন্মে থেকেই জার্মানিতে। ওখানেই পড়াশুনো। কেরিয়ারের মাঝামাঝি সময়ে আমি লন্ডনে শিফট করেছি, আমার কাজের সুবিধার জন্যই। আমি দুটো ক্লিনিকের সঙ্গে অ্যাটাচড, এ ছাড়াও আমার নিজস্ব একটা রিসার্চ ল্যাবও আছে। আমি ক্যান্সারের ওপর কাজ করি আর সেই ব্যাপারেই আপনার হেল্প আমার খুব দরকার।’

    এইবার রুদ্র সত্যিই খুব অবাক হয়ে গেল। প্রিয়ম এতক্ষণ বেশ আত্মপ্রসাদের ভঙ্গিতে রুদ্রর দিকে তাকাচ্ছিল ওর আন্দাজ ঠিক ছিল বলে, কিন্তু শেষ কথাটায় ও—ও হকচকিয়ে গেল। থতোমতো মুখে রুদ্রর দিকে তাকাল।

    রুদ্র বলল, ‘ক্যান্সার! ক্যান্সারের ওপর রিসার্চে আমি কীভাবে আপনাকে হেল্প করতে পারি?’

    মি শ্যুমাখার বললেন, ‘বলছি। তার আগে পুরোটা শুনুন। আমি ক্যান্সারের প্রতিষেধক নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছি বহুদিন ধরে, তা প্রায় বছর দশেক হল। এখান থেকে বেশি দূরে নয় আমার ল্যাব। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিং—এর জন্যই হোক, বা পলিউশন, কিংবা এখনকার মানুষজনের সেডেন্টারি লাইফস্টাইল, ক্যান্সার হু হু করে বেড়ে চলেছে। ইন্ডাস্ট্রিয়ালাইজেশনই ক্যান্সারের মেইন কারণ। তো এই নিয়ে সারা পৃথিবীতেই অনেক গবেষণা চলছে এবং অনেকরকম মেডিসিন বা থেরাপিও বেরিয়েছে যার ফলে প্রাথমিক স্টেজে ডায়াগ্নোসিস করা গেলে পেশেন্টকে এখন সারিয়ে তোলাও সম্ভব হচ্ছে। যেমন কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন, সার্জারি বা ইমিউনোথেরাপি। এগুলো জানেন তো?’

    প্রিয়ম মাথা নাড়ল, ‘ক্যান্সারের ট্রিটমেন্টে এখন অনেকরকম প্রসিডিয়র বেরিয়েছে। স্টেম সেল ট্রান্সপ্ল্যান্ট করেও তো সারানো হচ্ছে এখন।’

    ড শ্যুমাখার মাথা দোলালেন, ‘ঠিক। কিন্তু এগুলোর সবকটাই কিন্তু কারেক্টিভ মেজার। কারেক্টিভ রিসার্চে ক্যান্সারের সলিউশন এভাবে বের করা গেলেও এটা দিয়ে একশো পারসেন্ট সাকসেস রেট কিন্তু অ্যাচিভ করা সম্ভব নয়। তাছাড়া এভাবে সারিয়ে তোলার প্রসেসটাও অত্যন্ত পেইনফুল আর ওই পেশেন্টের শরীরে ক্যান্সার আবার ফিরে আসার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যায়। তাই, আমি সেদিকে ইন্টারেস্টেডও নই। আমি রিসার্চ করছি ক্যান্সারের প্রিভেন্টিভ মেজার নিয়ে।’ এক সেকেন্ড নিশ্বাস নেওয়ার জন্য থামলেন ভদ্রলোক, ‘আচ্ছা, আগে বুঝিয়ে বলে দিই প্রিভেন্টিভ আর কারেক্টিভ মেজারটা ঠিক কী।’

    রুদ্র এবার মুখ খুলল, ‘জানি। যেকোনো অসুখ দু—রকমভাবে সলভ করা যায়, একটা প্রিভেন্টিভ, অন্যটা কারেক্টিভ। কারেক্টিভ হল, রোগটা হবার পর ওষুধ দিয়ে সরিয়ে তোলা। মানে জ্বর হল, তারপর ওষুধ খেলাম। কিন্তু প্রিভেন্টিভ সলিউশন মানে, রোগটা হবার যে কারণ সেটাকেই এলিমিনেট করে দেওয়া। মানে এমন কিছু একটা ট্রিটমেন্ট যাতে জ্বরটাই হবে না। এভাবে প্রচুর রোগকে অনেক দেশ থেকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়া গেছে। যেমন স্মলপক্স বা পোলিয়ো। এই প্রিভেন্টিভ মেজারের জন্যই হওয়ার পরেই বাচ্চাদের বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। তাই তো?’

    কথা শেষ করে ও লক্ষ করল ভদ্রলোকের হাতের উপরের দিকে বেশ কয়েকটা ছোটো ছোটো গর্তের দাগ, অনেকটা আগেকার দিনে বাচ্চাদের টিকা দিতে গেলে যেরকম হত।

    ড শ্যুমাখারের মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল উনি বেশ ইমপ্রেসড হয়ে গেছেন, ‘একদম ঠিক বলেছেন আপনি। আমি এই প্রিভেন্টিভ মেজার নিয়েই কাজ করছি। পৃথিবী থেকে ক্যান্সার হওয়ার কারণগুলোকেই যদি সরিয়ে দেওয়া যায় তাহলে তো মানবজাতির একটা বিশাল জয় হবে, তাই না।’

    রুদ্র মন দিয়ে শুনছিল, এবার একটু চিন্তিত গলায় বলল, ‘কিন্তু, ক্যান্সারকে এলিমিনেট করা কি সম্ভব? মানে, এটা তো কোনো ভাইরাসঘটিত রোগ নয়, যে সেই ভাইরাসটার ভ্যাকসিন বের করে, বা সেই ভাইরাসটাকে নিশ্চিহ্ন করে রোগটা সারানো যাবে! দু—তিন হাজার বছর আগেও তো ক্যান্সারের অস্তিত্ব ছিল, সেটা তখন ক্যান্সার বলে আইডেন্টিফাই করা যেত না।’ কথাটা শেষ করে ও দেখল, ড শ্যুমাখার বেশ গভীর দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে আছেন।

    ও বোঝানোর ভঙ্গিতে বলল, ‘যদিও আমি কোনো মেডিক্যাল লাইনের লোক নই তবু যেটুকু বই পড়ে জানি সেটা হল, ক্যান্সার পার্টিকুলার একটা রোগ নয়, শরীরের কোনো জায়গার কোষ যদি অস্বাভাবিকভাবে বাড়তে শুরু করে আশপাশের টিসুতে ছড়িয়ে পড়ে, সেটাই ম্যালিগন্যান্সি বা ক্যান্সার। এমনিতে শরীরের প্রয়োজনমতো নতুন কোষ তৈরি হয়, কিন্তু ক্যান্সারের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকভাবে কোশ তৈরি হতে থাকে। আর ক্যান্সার কেন হয়, তার কোনো ওয়েল—ডিফাইনড লিস্টও তো নেই মনে হয়।’

    ড শ্যুমাখার ধীরে ধীরে মাথা নাড়লেন, ‘হুঁ। আপনি ঠিকই বলেছেন। এমনিতে কোনো কোষ যখন বুড়ো হয় বা ড্যামেজড হয়ে যায়, তখন সেগুলো মরে যায়, তার জায়গায় নতুন কোশ তৈরি হয়। কিন্তু ক্যান্সারের ক্ষেত্রে পুরোনো ড্যামেজড কোষগুলো মরে না, আর দরকার না থাকতেও নতুন কোশ তৈরি হতে থাকে, আর এই এক্সট্রা কোশগুলোই বাড়তে বাড়তে টিউমর ফর্ম করে।’

    প্রিয়ম জিজ্ঞেস করল, ‘টিউমর হওয়া মানেই কি সেটা থেকে ক্যান্সার হয়?’

    শ্যুমাখার দু—দিকে মাথা নাড়লেন, ‘না। টিউমর হয় দু—ধরনের, বিনাইন আর ম্যালিগন্যান্ট। বিনাইন টিউমর একমাত্র ব্রেনে না হলে লাইফরিস্ক নেই, এগুলো সাইজে যদিও বড়ো হয়, কিন্তু আশপাশের টিসুগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে না বা সেগুলোকে অ্যাটাক করে না। কিন্তু ম্যালিগন্যান্ট মানে ক্যান্সারের টিউমরের ক্ষেত্রে এরা আশপাশের টিসু শুধু নয়, রক্তের মধ্য দিয়ে আরও অনেক দূর গিয়ে নতুন নতুন জায়গায় টিউমর তৈরি করে, আর এরা ক্ষতিও করে।’ একটানা বলে ড শ্যুমাখার রুদ্রর দিকে ডাকালেন, ‘এবারে আপনার প্রশ্নে আসি। হ্যাঁ, ক্যান্সার কোনো ভাইরাসঘটিত রোগ নয়, তাই স্মলপক্স বা পোলিয়োর মতো প্রসেসে একে দূর করা যাবে না। কিন্তু ক্যান্সার হল একটা জেনেটিক রোগ, জিনের মাধ্যমেই এটা ছড়িয়ে পড়ছে, সেটাকে ফোকাস করে আমরা রুট ধরে এগোলেই কিন্তু ক্যান্সারকে পুরোপুরি এলিমিনেট করা যায়, বুঝতে পারলেন?’

    রুদ্র কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল, পাশ থেকে প্রিয়ম একটু উশখুশ করে উঠল। এবারে ও প্রিয়মের দিকে তাকাল, ‘কী হয়েছে?’

    প্রিয়ম বাংলায় বিড়বিড় করল, ‘আর কিন্তু মাত্র পনেরো মিনিট তোমার মাদাম তুসো খোলা থাকবে!’

    বাইরের কারুর সামনে তাঁর অজানা কোনো ভাষায় কথা বলা বেশ অভদ্রতা, রুদ্র মুখে কিছু না বলে চোখ দিয়ে একটা তিরস্কারের ভ্রূকুটি করল। ওর নিজেরও এবার মনে পড়ে গেল আজ ওদের মাদাম তুসো দেখতে যাওয়ার কথা। ভদ্রলোকের সঙ্গে কথা হচ্ছে প্রায় আধ ঘণ্টার ওপর, ভালোও লাগছে, কিন্তু এখনও দরকারটা কী, ও বুঝে উঠতে পারল না।

    মূল পয়েন্টে এসে আলোচনায় ইতি টানার জন্য ও ড শ্যুমাখারের দিকে ফিরল, আপনার রিসার্চের ওয়েটা সত্যিই বেশ অ্যাপ্রিশিয়েটিং। আপনার সাকসেসের জন্য অনেক শুভকামনা রইল।’ বলেই ও একটা এয়ারহোস্টেস—মার্কা হাসি ঝোলাল মুখে, ‘এইবার তো আমাদের উঠতে হবে, তাই দরকারটা যদি একটু তাড়াতাড়ি বলেন!’

    ড শ্যুমাখারার উপর নীচে মাথা নাড়লেন, হাত দুটোকে পেছনে আড়মোড়া করে চেয়ারে হেলান দিলেন, ‘হ্যাঁ। আমার ওই পন্ডিচেরির দাদু ডাক্তার হলেও তিনি প্র্যাকটিসের থেকে বেশি কেমিস্ট্রি নিয়ে গবেষণায় মেতে থাকতেন। তাঁর ডায়েরিতে বিভিন্ন অসুখ, সেগুলো থেকে সেরে ওঠার উপায়, বিভিন্ন বায়োকেমিক্যালস, ড্রাগস নিয়ে প্রচুর গবেষণার কথা লেখা আছে। আমার তো মনে হয়, তিনি সময়ের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে ছিলেন। আমার এই বায়োকেমিক্যাল ড্রাগস নিয়ে রিসার্চের প্রতিভাটা হয়তো আমি ওঁর থেকেই পেয়েছি। আমার বলতে লজ্জা নেই, আমার অনেক ওষুধের পেটেন্টের মূল ভাবনা আমি ওঁর ওই ডায়েরি থেকেই পেয়েছি।’ ভদ্রলোক একটু লজ্জা লজ্জা মুখ করে হাসলেন।

    প্রিয়ম এবার আর আড়াল আবডাল করল না খুব একটা, মৃদু একটা খোঁচা মারল রুদ্রর কোমরে।

    সেটা লক্ষ করে ড শ্যুমাখার তড়িঘড়ি বললেন, ‘আমার নিজস্ব রিসার্চে অনেকটাই এগিয়েছিলাম, কিন্তু সম্প্রতি আমি ওঁর ডায়েরিতে এমন একটা জিনিস খুঁজে পেয়েছি, যা থেকে আগামী একমাসের মধ্যে এমন ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যাতে তারপর থেকে নতুন যে শিশুরা পৃথিবীতে জন্মাবে, ক্যান্সার কোনোদিনও তাদের বা তাদের বংশধরদের শরীরে থাবা বসাতে পারবে না। শুধু শিশু নয়, প্রাপ্তবয়স্ক যারা এখনও সুস্থ আছে, তাদেরও কোনোদিন ক্যান্সার হবে না।’

    রুদ্র এবার অবাক হয়ে গেল, ‘মানে? সেটা কীভাবে সম্ভব?’

    ড শ্যুমাখার একটু চাপা গলায় উত্তেজিত স্বরে বললেন, ‘সম্ভব, কিন্তু একদম অন্য দৃষ্টিভঙ্গি থেকে। উনি এমন একটা মৌলিক পদার্থ আবিষ্কার করেছিলেন যেটা অ্যাপ্লাই করে মানুষের জিনগুলোকে এমনভাবে মডিফাই করে দেওয়া যায় যাতে কোনো কোষের অ্যাবনর্মাল গ্রোথ হবে না!’

    ‘তাদের ক্ষেত্রে হয়তো অ্যাবনর্মাল গ্রোথ হবে না, কিন্তু তাদের নেক্সট জেনারেশনের ক্ষেত্রে তো হতেই পারে।’

    ড শ্যুমাখার দৃঢ়ভাবে বললেন, ‘না, একধরনের কোষ আছে, যাতে জিন থেরাপি অ্যাপ্লাই করলে সেটা পরবর্তী সব প্রজন্মের ক্ষেত্রে অ্যাপ্লিকেবল হয়।’

    ‘তাই?’

    শ্যুমাখার বললেন, ‘হ্যাঁ। এবার বুঝতে পারছেন এতে মানবজাতির কত বড়ো ওয়েলফেয়ার হবে? সেই ব্যাপারেই আপনার কাছ থেকে আমার সাহায্য চাই, খুব আর্জেন্ট আর সিক্রেটও বটে।’ প্রিয়মের দিকে তাকালেন তিনি, ‘আপনার হাজব্যান্ডের সঙ্গে লাকিলি পরিচয় হয়েছিল আমার, যদিও আপনার সম্পর্কে আগেই পড়েছিলাম আমি। আমার মনে হয়েছে আপনিই আমাকে হেল্প করতে পারেন। আর এতটা দরকার না থাকলে আপনার সঙ্গে দেখা করতামও না আমি।’

    রুদ্র এবার আর তাড়াহুড়ো করতে পারল না। এবার একটু একটু আগ্রহ হচ্ছিল ওর বিষয়টার ওপর। কোনো যন্ত্রণাকাতর কেমোথেরাপি নয়, রে দেওয়া নয়, ক্যান্সার রোগটারই আর অস্তিত্ব থাকবে না পরবর্তী প্রজন্মে?

    এর থেকে ভালো আর কী হতে পারে?

    হঠাৎ নিজের দাদুর কথা মনে পড়ে গেল রুদ্রর। মাঝেমধ্যেই মনে পড়ে। ছোটোবেলায় বাবা মা দুজনেই অফিস বেরিয়ে যেতেন, খুব ছোটোবেলায় স্কুল থেকে ফিরে ও দাদুর কাছেই থাকত। দাদুর কোলে চেপেই স্কুলে যেত, বিকেলে খেলতে যেত মাঠে। বই পড়ার অভ্যেস দাদুই করিয়ে দিয়েছিলেন ওকে। দেশ—বিদেশের জানা অজানা কতরকম গল্প শুনত ও দাদুর কোলে বসে। অলিভার ট্যুইস্ট, গালিভার্স ট্রাভেলস, রবিনসন ক্রুসো, হাঞ্চব্যাক অফ নোতরদাম!

    এমনকী শেক্সপিয়রের কালজয়ী সব ক্লাসিক্সও ওই বয়সের উপযোগী করে ওকে গল্প শোনাতেন দাদু।

    সেই দাদু ওর ক্লাস ফোরে পড়ার সময় হঠাৎ চলে গেলেন। তখন বোঝেনি ও, কতদিন স্কুল থেকে ফিরে কাজের মাসির হাত থেকে খাবার না খেয়ে একা একা গুমরে গুমরে কেঁদেছে, দাদুর কথা জানতে চেয়ে বাবা—মা—কে অতিষ্ঠ করেছে। বেশ কয়েক মাস লেগেছিল ওর স্বাভাবিক হতে। পরে বড়ো হয়ে শুনেছিল দাদুর ক্যান্সার হয়েছিল ফুসফুসে। ফাইনাল স্টেজ। কিচ্ছু করা যায়নি। অথচ সিগারেট তো দূর, দাদু চা কফিও বেশি খেত না।

    এত বছর পর সেসব কথা মনে পড়তে চোখে জল এল না ঠিকই, সময় সব ক্ষততেই মলম লাগিয়ে দেয়, কিন্তু বুকের ভেতরটা কেমন মুচড়ে উঠল ওর। প্রায়ই আজকাল ফেসবুক বা অন্যান্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে দ্যাখে একদম ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদেরও ক্যান্সার ধরা পড়ছে, কেমো চলার সময় তাদের কষ্ট দেখা যায় না।

    হঠাৎ হঠাৎ আশপাশের চেনাজানার পরিধি থেকে টুপটাপ খসে পড়ছে একেকজন, এই মারণরোগে।

    ড শ্যুমাখারের দাবি ঠিক হলে এর চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহারিয়ে যাওয়া খুনিরা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    Next Article ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    নির্বাচিত ৪২ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দাশগুপ্ত ট্রাভেলস – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    দিওতিমা – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ৭ শিহরণ – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    অঘোরে ঘুমিয়ে শিব – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    ঈশ্বর যখন বন্দি – দেবারতি মুখোপাধ্যায়

    August 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }