Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরেন হরেন সাধু মানুষ – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প126 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খলসেখালির পুঁটিরাম

    খলসেখালির পুঁটিরাম মল্লিককে চেনে না এমন লোক খলসেখালিতে নেই। আহা খলসেখালি হবে কেন মাগুরখালি, কইখালি, ট্যাংরাখালি, চুনোখালি, আশপাশের সাত গ্রামের কে না শুনেছে দিল্লি ফেরত পুঁটিরাম মল্লিকের নাম! তিনি খলসেখালি থাকেন। তাঁদের সাতমহলা ভুতের বাড়িতে একা। খলসেখালির লোক বলে, তাঁর তিনটি পোষা ভূত আছে। একজনে রান্না করে। জামা কাপড় কাচে।আর একজন জমি চষে। শেষের জন ফাই ফরমাস খাটে। ফাই ফরমাস মানে দোকান-পাট করা, হাট-বাজারে যাওয়া ইত্যাদি। পুঁটিরাম ভূত খাটিয়ে ঠ্যাঙের উপর ঠ্যাঙ তুলে আয়েশ করে। খলসেখালির বড় দোকানদার ধনঞ্জয় সামন্ত বলে, পরে টের পেয়েছে তারা ভূত,তার দোকানে এক একদিন, এক একজন আসে। দিনে নয় সন্ধের পর। তাকে এই গ্রামে দ্যাখেনি সে কোনদিন। সর্ষের তেল, চিনি, মুসুর ডাল, আটা ময়দা এইসব কিনে নিয়ে যায়।

    কেমন চেহারা? সত্য হাজরা জিজ্ঞেস করে।

    বলছি দাঁড়াও, একটু কাজ মিটিয়ে নিই। ধনঞ্জয় সামন্ত এক কেজি চিনি ওজন করতে করতে উত্তর দেয়। সে খুব খুঁতখুঁতে। ওজন যেন এক গ্রাম বেশি না হয়, আবার সিকি গ্রাম কমও না হয়। ফলে ওজন করতেই তার সময় যায়। ওজন করে সে আনন্দ পায়। ওজন করতে করতে সে পুঁটিরামের বিবরণ দেয়, তাও একেবারে নিক্তিতে নিক্তিতে ওজন করে। কমও হবে না, বেশিও না।

    পুঁটিরাম বহুদিন নাকি দিল্লি ছিল। ফলে খলসেখালি গ্রামে তার দাম অনেক বেশি। সে কী না জানে? পুঁটিরামই তো প্রথম জানালো, দিল্লি কা লাড্ডু আসলে ভেলি গুড় আর মটর ডাল দিয়ে তৈরি হয়। টকে ভরা। খাইলেই পস্তাতে হবে।আবার না খাইলেও তাই। পুঁটিরাম চিমসে রোগা, দিল্লি থেকে গোলগাল মোটাসোটা হয়ে ফিরেছে। মাথা ভর্তি চুল, পান খেয়ে লাল হয়ে যাওয়া দাঁত, পায়ে নাগরাই, পুঁটিরাম মল্লিক মায়ের মৃত্যুর পর বাড়িতে তালাচাবি মেরে দিল্লি চলে গিয়েছিল ভাগ্য ফেরাতে। বাবা ছিল না। সেই পুঁটিরাম পনের বছর বাদে দিল্লি থেকে ফিরেছে হঠাৎ। ফিরে দিল্লির গল্প করে শুধু। পুঁটিরামের কথা শোনাতে শোনাতে ধনঞ্জয় বলে, মুখ ঢাকা, চোখ দেখা যায় শুধু।

    কার মুখ ঢাকা, চোখ দেখা যায়? সত্য হাজরা জিজ্ঞেস করে। খলসে খালির সত্য হাজরা খুব ঝগড়ুটে মানুষ। সবার সঙ্গে গায়ে পড়ে ঝগড়া বাঁধানো তার অভ্যেস। কিন্তু ধনঞ্জয়ের সঙ্গে সে ঝগড়া করে না বড় একটা। তাহলে এখানে বসে তার ছোট ভাই নিরীহ, ভালো মানুষ নিত্যহরির সঙ্গে ঝগড়া বাঁধাতে পারবে না। ধারে বিস্কুট লজেন্স খেতে পারবে না। সত্যর কথার উত্তর দেয় ধনঞ্জয় একটু দেরি করে। খদ্দের দাঁড়িয়ে আছে। এক গ্রাম কম বেশি হচ্ছে অনেকক্ষণ। সেই সমস্যার সমাধান করতেই টাইম গেল। এরপর কর্মচারী ভুতোকে দায়িত্ব দিয়ে ধনঞ্জয় মন দিল পুঁটিরামের কথায়। সত্য শুনতে শুনতে বলে, তাহলে একদিন সন্ধেয় আসতে হয়, দেখতে হবে কেমন ভূত।

    আরে তুমি ভূতের সঙ্গে ঝগড়া আরম্ভ করবে নাকি?ধনঞ্জয় উদ্বিগ্ন গলায় বলে।

    দোষ করলে তো বলবই, ছেড়ে দেব না। সত্যহরি বলল।

    না না, ভূতটুতে আমার একটু সমস্যা হয়, তার উপর খদ্দের বটে, শুনেছি, মানে পুঁটিরাম বলে, দিল্লির লাল কেল্লার ওখানে অনেক ভূত আছে, ভূত দিল্লিতে অনেক কাজ করে দেয়।ধনঞ্জয় বলে।

    অনুচরগুলো কি সেখেন থেকে ধরে আনা? সত্য জিজ্ঞেস করে।

    তাইইই হবে। ধনঞ্জয় বলে, কথায় চন্দ্রবিন্দু বসান, চিঁনি আঁছে গোঁ।

    সত্যহরি বলে, মুখে টর্চ মের না খবদ্দার, তেনারা রাগলে খুব খারাপ, তা আমি জানি, তবে মুখে আমার সঙ্গে পারবে না, যতই চন্দ্রবিন্দু মারুক কথার ভিতরে।

    ওসব করলে দোকানের নয়, কত শান্ত তাঁরা, তিনি এসে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে মাসকাবারি ফর্দ ধরিয়ে দেবেন,তিরিশ কেজি চাল, কুড়ি কেজি আটা, আট কেজি সর্ষের তেল, সাত কেজি চিনি…। একটু বাড়িয়ে বলল ধনঞ্জয়। এ তার অভ্যেস। বাড়িয়ে বললে বিক্রি বেশি দেখান যায়। তাতে দোকান এবং তার মর্যাদা বাড়ে।

    পুঁটিরাম মল্লিকের বাড়ির বাজার? সত্য জিজ্ঞেস করে।

    তা ছাড়া আর কার? ধনঞ্জয় বলে।

    একজন এক মাসে অত খায়? সত্যহরি বলে, ভূতের খাঁই কি বেশি, আমি তো জানি এক পোয়া কাঁচা মাছেই তেনারা দিন কাবার করে দেন।

    তখন দিল্লি ফেরত পুঁটিরামের আবির্ভাব হয় ধনঞ্জয়ের দোকানে। সে এসে বলে, সত্যহরি, তুমি কিসুই জান না, ওদিকে লোক মছলি খায় না, তেনারাও না, তাই তাদের নিয়ে এমন কথা বলবে না যে তাদের মানে লাগে, নিরিমিষি সবাই, কাঁচা মাছ খাবে কেন? গায়ে পড়ে কোঁদল করবে না, আর ভূত কইবে না, ভূত বলে কি যা খুশি বলা যায়, এদের ভিতর সুখবীর ভি আছে।

    কে সুখবীর? সত্যহরি জিজ্ঞেস করল।

    সুখবীর কে? না সে ছিল দিল্লির সব চেয়ে বড় পালোয়ান। শুধু ব্যায়াম করে আর ওজন তুলেই লাখ লাখ টাকা আয় করত। স্যাঙাৎ ছিল পুঁটিরাম মল্লিকের। এমনই স্যাঙাৎ যে মরে গিয়েও তার সঙ্গে আছে। ডেইলি ব্যায়াম করে আর ওজন তোলে, মাসল দেখায়।

    শুনতে শুনতে সত্যহরি খুব শান্ত গলায় জিজ্ঞেস করল, সে কেমন খায়, ভাত রুটিতেই চলে?

    চলে,পালোয়ান ভূত,বডি রাখতে হবে তো। শুনবে সুখবীর কেমন খায়? কেমন খেত?

    ধনঞ্জয় সামন্ত জিজ্ঞেস করে, মন মন ভাত রুটি নিশ্চয় ?

    এই এক কেজি আটা, হাফ কেজি ময়দা, হাফ কেজি চিনি, আড়াই কেজি চাল…।

    প্রত্যেক দিন এত লাগুত? ধনঞ্জয় জিজ্ঞেস করে।

    পুঁটিরাম মাথা নাড়ে, না, এক মাসে।

    পালোয়ান এইটুকু খেত এক মাসে?

    হ্যাঁ, পুঁটিরাম হাসে, বলে, দিল্লি কা লাড্ডু ডেইলি পঁচিশটা, আর ছোলা এক মাসে এক কুইন্টাল।

    হে হে হে।ধনঞ্জয় সামন্ত হাসে, বলে, তাই বলো, এক কুইন্টাল ছোলা।

    হ্যাঁ, পিষে ছাতু বানিয়ে বেচত পালোয়ান। বলে পুঁটিরাম পা নাচায়, ওইটাই ছিল তার বিজিনেস। বলতে বলতে পুঁটিরাম ওঠে, তার একটু দরকার আছে পোস্টাপিসে। দিল্লি থেকে চিঠি আসবে। এল কি না খোঁজ নেবে। সে চলে যেতেই সত্যহরি বলে, পুঁটিরাম মল্লিকের বাড়ি যাবে সে, দিল্লি ফেরত পুঁটিরাম মল্লিকের অনুচরদের খোঁজ নেবে। রাম কোঁদল লাগিয়ে দেবে। ভূতের সঙ্গে ঝগড়া করা তার বহুদিনের সাধ। শুনে ধনঞ্জয় এবং তাঁর দোকানের কর্মচারী ভুতো বলে ওঠে, কী দরকার, উনি আছেন ওঁর মতো, খোঁজ নিতে হবে কেন, তারপর ভূত নিয়ে তোমার কাজ কী?

    সত্যহরি বলে, তাই বললে হয়, ভূত বলে কি ভয় করে চলতে হবে নাকি?

    এই তোমার দোষ সত্য, তারা আছে তাদের মতো, পালোয়ান ভূত একজনা, তাদের বিরক্ত করা কেন? ধনঞ্জয় বলে। এই রকম কথা হয় যখন তখন দিনের বেলা। চারদিকে ঝমঝমে আলো। রাতে গ্রামের ইলেকট্রিক লাইট জ্বলে বটে, কিন্তু ভোল্টেজ খুব কম। নিজের হাত নিজে দেখতেও চশমা লাগে। ধনঞ্জয় বলে, অত জিনিশ নাকি একটা থলেতে ভরে লোকটা অন্ধকারে মিশে যায়। একটা ছোট থলেয় তিরিশ কেজি চাল, তিরিশ কেজি আটা, ময়দা…। সব ধরেও নাকি জায়গা থাকে। শুনতে শুনতে সত্যহরি বলে, সে রাত্তিরে আসবে, এসব সে অনেক দেখেছে, গোবর পালোয়ান দুই হাতেই দুই কুইন্টাল তুলতে পারত, সে লোহা হোক আর তুলো হোক, তার চেয়ে বেশি পালোয়ান নাকি দিল্লির ভূত?

    ভুতো জিজ্ঞেস করে, এক কুইন্টাল তুলোর ভার বেশি, না লোহার?

    ধনঞ্জয় বলে, তুলোর ভার বেশিই হবে, নিক্তিতে সমান করে ওজন করো, তাইই দেখাবে।

    ইস, আমার মনে হয় লোহার ভার বেশি। সত্যহরি বলে।

    এই কথার ভিতরে আবার পুঁটিরাম এসে গেল। পুঁটিরাম এমনি। শুধু আনাগোনা করে। স্থির হয়ে বসতে পারে না। সেই জন্যই তো দিল্লি থেকে পনের বছর বাদে ফিরে এল। পোস্টাপিস থেকে ফিরে এল। পোস্ট মাস্টার বলেছিল, খুঁজে দেখবে, একটু বসতে হবে। সে আর বসেনি। অত সময় তার নেই। তার চিঠি আসেনি। আসবে। এলেই সে তিন অনুচর নিয়ে দিল্লি ফিরে যাবে। সে তুলো আর লোহার খবর খুব জানে, পুঁটিরাম মাথা নাড়ে, বলে, মস্ত বস্তা লাগবে এক কুইন্টাল তুলোর জন্য, লোহা তো একটা থলেয় ধরে যায়, সুখবীর পালোয়ান ফু দিয়ে সেই কুইন্টাল তুলো উড়িয়ে দিত দিল্লির লাল কেল্লার সামনে, বহুত লোক জমে যেত।

    আর কী করত ? জিজ্ঞেস করে গাঁয়ের বেজায় ভালো মানুষ নিত্যহরি। সত্যহরির পরের ভাই। স্বভাবে তার উলটো। নিত্যহরির ভালো মানুষ হিশেবে সাত গ্রামে খুব খ্যাতি। যে যা বলবে মেনে নেবে। কেউ যদি বলে নিত্য, দিবস কালে তুমি স্নান করো?

    কেন হুজুর, আমি স্নান তো করি। নিত্য বলে।

    উহুঁ, মোটেই না, আমি জানি।

    তখন নিত্য স্বীকার করে নেয়, আচ্ছা বাবু, তুমি যা বলছ তাই, আমি স্নান করি না, করলেও মনে হয় করিনি, না করলে মনে হয় করেছি।

    নিত্য তুমি দিনের বেলা ঘুমোও কেন, সবাই যখন রাতে ঘুমোয়। পুঁটিরাম মল্লিক বলে।

    নিত্য এই কথাটাও পাকে-প্রকারে স্বীকার করে নেয়। স্বীকার করলে যদি পুঁটিরামবাবু খুশি হয়, সে স্বীকার করবে না কেন? অথচ সে দিনে ঘুমোয় না। জানালা দিয়ে রাস্তার দিকে তাকিয়ে থাকে। রাস্তার মানুষজন দ্যাখে। ফেরিওয়ালা দ্যাখে। পাহারাওয়ালা পুলিস রিকশায় করে ঝিমোতে ঝিমোতে নাক ডাকতে ডাকতে আসামী ধরতে যাচ্ছে, দ্যাখে। তখন অবশ্য সে জানালা থেকে মুখ সরিয়ে নেয়। তাকেই যদি আসামী ভেবে ফেলে পুলিস, সে তো খুব বিপদ হবে। নিত্য তবু স্বীকার করে নেয়, সে দুপুরে ঘুমোয়। কেন না সে ভালো মানুষ। কারোর কথার বিরুদ্ধে কথা বলে বিবাদ বাঁধায় না। কিন্তু তখন যদি তার বড় ভাই সত্যহরি উপস্থিত থাকে, নিত্যর বিপদ হয়। সে বলে, এই নিত্য, মিথ্যে কথা বলা তোর অভ্যেস, তুই দিনের বেলায় ছিপ ফেলে পুকুর পাড়ে বসে থাকিস না? নিত্য তার স্বভাবে বলল, থাকি।

    তবে যে বললি, দুপুরে ঘুমোস? সত্য জামার হাতা গুটিয়ে এগিয়ে যায়। ঝগড়া লাগাবে ভাইয়ের সঙ্গে। কিন্তু ভাই যে খুব শান্ত। ঝগড়া করবে কেন? তাই ভাইয়ের সঙ্গেও তার কোন্দল হয় না। হতে পারে না।

    নিত্য চুপ করে থাকে। সত্য আগডুম বাগডুম মিথ্যে কথা বলে আচমকা চুপ করে গেল পুটিরাম গলা খাঁকারি দিলে। পুঁটিরামের সঙ্গে ঝগড়া বাঁধানো তার খুব ইচ্ছে, কিন্তু খুব সাহস হয় না। দিল্লি ফেরত পুঁটিরাম মল্লিক, ভূত নিয়ে ঘর করে। তার কত ক্ষমতা! প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে নাকি তার যাতায়াত ছিল। সে তুড়ি মারলেই নাকি সুখবীর পালোয়ানের ভূত এসে যাবে। তখন কী যে হবে? তবু সে একদিন চেষ্টা করবে। তবে কি না ভুল লোকের সঙ্গে কলহ করায় বিপদ আছে তাও জানে সত্য। সে একবার ভুল লোকের সঙ্গে ঝগড়া বাঁধিয়েছিল নিশিগঞ্জে। জানত না সে ক্যারাটে মাস্টার। এমন প্যাঁচ দিয়েছিল সে কুপোকাত। তাই দেখে চাদ্দিকের লোক সকলে হাততালি দিতে লাগল। সত্যর মনে খুব ইচ্ছে সে একবার পুঁটিরাম মল্লিকের সঙ্গে কলহ করে। কিন্তু তার তিনটে পোষা ভূত। সাহস হয় না।

    ধনঞ্জয় জিজ্ঞেস করে, আজ কজনের সঙ্গে হলো সত্য?

    সত্য বলে, আমি মিথ্যে একদম সহ্য করতে পারি না, কিন্তু সকলে ভাবে ঝগড়া করি।

    পুঁটিরাম বলল, ঝগড়ুটে লোকের পরিণতি আমি দেখেছি, ঝগড়া না করাই ভাল।

    কী পরিণতি? নিরীহ ভালো মানুষ নিত্যহরি জিজ্ঞেস করল।

    কী আবার,দিল্লির দরিয়াগঞ্জে একটা লোক ছিল, তার নাম সচদেব সিং, সেই সচদেব বহুত ঝগড়ুটে থা,এক দিন সুখবীরের সঙ্গে ঝগড়া করতে এল, তো কী হলো, সুখবীর এমন দিল।

    কেমন দিল স্যার? সত্যহরি জিজ্ঞেস করল। তার মনে হচ্ছিল সচদেব সিং মানে সত্যহরি হাজরা। তাকেই বলছে। সত্যহরি ভাবে, বলবে নাকি পালোয়ান গোবরবাবুর কথা। গোবরবাবুর চেয়ে সুখবীর বেশি পালোয়ান ছিল? কী হলো সেই সচদেবের? পুঁটিরাম খুব বুদ্ধি ধরে। সে বলল, এক ঝটকায় তাল গাছের মাথায় তুলে দিল সচদেবকে, যা বেটা বসে থাক।

    তালগাছের মাথায়, সত্যি? ভালোমানুষ নিত্য জিজ্ঞেস করল।

    ইয়েস, সাচ। পুঁটিরাম পা নাচাতে নাচাতে বলল।

    সত্য বলল, এ হতে পারে না, কভি নেহি।

    পুঁটিরাম বলে, আরে হুয়া হুয়া হুয়া।

    সত্য বলল, নেহি হুয়া নেহি হুয়া নেহি হুয়া।

    লেগে গেল প্রায়। সত্য বলে,বললে হবে, এক চড়ে তালগাছের মাথায়?

    দিল্লি যা, সব নিউজ পেপারে বেরিয়েছিল, এরোপ্লেন থেকে দেখা গিয়েছিল সব।বলে পুঁটিরাম চলল পান কিনতে।সত্যহরি একা একা গজরাতে লাগল। তার ক্ষোভ হলো নিত্যহরির উপর। সে কিছু বলুক তার পক্ষে। ভালমানুষ হয়ে থাকলে হবে? গোবর পালোয়ানের চেয়ে বড় পালোয়ান এই ব্রহ্মান্ডে জন্মায়নি। গোবরবাবু অবশ্য কারো গায়ে হাত দিতেন না। ভারি শান্ত আর ভালমানুষ ছিলেন। সে একা একা গজরাতে থাকল, কভি নেহি হুয়া, নেহি হুয়া।

    পান কিনে চিবোতে চিবোতে ফিরে এল পুঁটিরাম। তখন তাকে নিত্যহরি খুব নরম গলায় জিজ্ঞেস করল, তারপর কী হলো?

    কী আবার হবে, ইতনা উচা তালগাছ, তালগাছের উপর বসে সচদেব কানতে লাগল, সুখবীর হাসতে লাগল নিচে দাঁড়িয়ে। পুঁটিরাম কথাটা বলে সত্যহরির দিকে তাকায়। সত্যহরি বলল, হতেই পারে না, টিভিতে বলেনি।

    আরে টিভি কেন সিনেমায় ভি বলেছে,হ্যাঁ,তিনদিন ধরে কাঁদল সচদেব, তারপর একটা চিল এসে মুখে করে নিল সচদেবকে, তিনবার পাক দিয়ে কুতুব মিনারের উপর রেখে দিল। বলে পুঁটিরাম তার গোঁফ মুচড়োতে থাকে।

    নিত্যহরি বলল, কুতুব মিনার, ইতিহাস বইয়ে ছবি দেখেছি, সে তো খুব উঁচু শুনেছি।

    সাচ, বহুত উঁচা। আকাশে তার মাথা ছুঁয়েছে। বলল পুঁটিরাম।

    হতেই পারে না। দাঁত কিড়মিড় করতে লাগল সত্যহরি।

    আরে হুয়া হুয়া হুয়া।

    নেহি হুয়া নেহি হুয়া। বলল সত্যহরি।

    নিত্যহরি ধনঞ্জয় তখন এক সঙ্গে জিজ্ঞেস করল,লোকটা কুতুব মিনারেই রয়ে গেল?

    নেহি। পুঁটিরাম পা নাচিয়ে বলল, সে এক কাণ্ড হলো।

    কিছুই হয়নি। সত্যহরি গর্জন করে বলল।

    আরে থাম থাম থাম, কী হলো তার তুই কী জানিস, সম্রাট কুতুবুদ্দিন শাহর সিপাই গিয়ে নামালো। বলে পুটিরাম পান মুখে দিল আবার।

    কুতুবুদ্দিন শাহর সিপাই কী করে এল? নিত্যহরি নিরীহ মুখে জিজ্ঞেস করল।

    এল, আসবে না কেন? পুঁটিরাম মল্লিক বিজ্ঞের মতো বলল।

    তারা কি বেঁচে আছে, সে তো পাঠান আমল, পাঁচ-ছ’শো বছর আগের কথা? ভালমানুষ নিত্যহরি জিজ্ঞেস করল। আর তা শুনে সত্যহরি বলল, হাঁ, সব ঝুটা হায়।

    হেসে হাত তুলে সকলকে থামিয়ে পুঁটিরাম মল্লিক বলল, বেঁচে থাকবে কেন, সব কবর থেকে উঠে এল কুতুব মিনারের মাথায়, সচদেবকে নামিয়ে দিল।

    কবর থেকে উঠে…? সত্যহরির গর্জন থেমে গেল, সে অবাক।গা ছমছম করে উঠল। নেহি বলতে পারল না।কিন্তু ভালমানুষ নিত্যহরির অত ভয় নেই, সে বলল, তারপর সিপাইগুলো কী করল?

    দুজন বাদে বাকি সব আবার কবরে গিয়ে ঘুমোতে লাগল। বলল পুঁটিরাম মল্লিক।

    উফ, এমন গল্পে কি গা ছমছম করবে না ? কবর থেকে বেরিয়ে এসে আবার কবরে গিয়ে ঘুমোতে লাগল। পুঁটিরাম মল্লিক জানেও বটে। কিন্তু তারপর কী হলো? দুজন বাদ হলো কেন? সেই দুই সিপাই গেল কোথায় কবর থেকে বেরিয়ে কুতুব মিনার থেকে সচদেবকে নামিয়ে ?

    পুঁটিরাম বলল, তারা তার সঙ্গে দিল্লি থেকে চলে এল।

    আর সেই সুখবীর? তার কী হলো? কী আবার হবে? সেও এল এই খলসেখালিতে। সে তো আছে তার সঙ্গে। কিন্তু একটা কথা হয়নি জানা, সুখবীর কবে মরে গেল যে ভূত হলো? ধনঞ্জয়ের কর্মচারী ভুতো জিজ্ঞেস করল। শুনে হা হা করে হাসতে লাগল পুঁটিরাম। উঠলো। আবার পোস্টাপিস যাবে। চিঠিটা এল কি না দেখতে হবে। সে যাওয়ার আগে বলল, আরে সুখবীর তো আদমি ছিল না কোনো কালেই, সে তো ঘোস্ট ছিল, মানে ঘোস্ট হয়েই তার জন্ম হয়েছিল, তার মা ঘোস্ট, বাবা ভূত, ব্রিটিশ আমলে জন্ম।

    তারা বসেই থাকল দোকানের বেঞ্চিতে। পুঁটিরাম গেল চিঠি আনতে। চিঠি এলেই সে তিন অনুচর নিয়ে আবার দিল্লি মেল ধরবে। কিন্তু সত্যহরি দাঁত ঘষছে। পুঁটিরাম ফিরে এলেই চেপে ধরবে তাকে। ঘোস্ট হয়েই কবে জন্মেছিল সুখবীর পালোয়ান, তা বলতে হবে পুঁটিরামকে। নতুবা তার রেহাই নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র
    Next Article এখন মৃত্যুর ঘ্রাণ – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }