Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরেন হরেন সাধু মানুষ – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প126 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্টিফেন হকিং এর চিঠি

    শ্রদ্ধেয় বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং মহাশয়,

    আমার নাম নীলাভ। ডাক নাম নীল। আমার কিছু জিজ্ঞাসা আছে আপনার কাছে। হ্যাঁ, আগে বলে নিই, আমার বয়স চোদ্দো। ক্লাস এইট। আমার দাদার কুড়ি। ফিজিক্স পড়ে। দাদার জন্মদিনে দাদাকে একটি বই দিয়েছিল বাবা – এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম-সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। দাদার কাছ থেকে নিয়ে বইটা আমিও পড়েছি। সবটা ধরতে পারিনি, কিন্তু পড়তে খুব ভাল লেগেছে। বুঝিনি সবটা বলেই কিছু কিছু প্রশ্ন জেগেছে আপনার লেখা ওই বইটি নিয়ে, বলা যায় সময় নিয়ে। তা রাখছি।

    ১) বড় হতে কত সময় লাগে স্যার?

    ২) আমার কাছে সময় সবসময় কম মনে হয় কেন? কারোর কারোর কাছে যে সময় আর ফুরোয় না, যেমন অভিরূপ। তার কথা পরে বলছি।

    ৩) স্যার অনেকের কাছে সময় অঢেল। আমি যখন সময়ের অভাবে হলদে পাখির পালক বইটা পড়তে বেশি সময় নিই। অনেকে সময় নেই, সময় বাড়ন্ত বলে ঘুমিয়ে কাটায়। ঘুমোতে গিয়ে সময় নষ্ট করে ফেলে। স্যার অনেক লোকের যেমন টাকা থাকে না, সময়ও থাকে না। আমাদের ক্লাসের শুভময়রা হঠাৎ গরিব হয়ে গেছে। টাকা নেই ওর বাবার। এই যে ইস্কুল থেকে নিয়ে গেল হলদিয়া বন্দর দেখাতে, শুভময় যেতে পারল না। টাকা দিতে পারেনি তো। আমরা ফিরে এসে ওকে গল্প করেছি কী রকম টিফিন হলো, কী রকম লাঞ্চ হলো, বাস কোথায় কোথায় দাঁড়াল, কেমন দেখলাম ডক এই সব নিয়ে। কেমন দেখলাম বিদেশি জাহাজ, সেই সব নিয়ে। শুনতে শুনতে শুভময় যেন আমাদের কথা মুখস্থ করে ফেলল। পরে আমাকে বলল,দ্যাখ তোরা কেমন গেছিস কী দেখেছিস,সব আমি বলতে পারি, শুনবি।

    আমার অবাক লাগে। সময় এক একজনের কাছে এক এক রকম। আমরা যে সময়ে হলদিয়া বন্দরে ছিলাম, শুভময় ঠিক সেই সময়ে ছিল বাড়িতে। ও খুব চেষ্টা করেছিল টাকা জোগাড় করতে। শেষ পর্যন্ত ওর বাবা দিতে পারেনি। বাবা যে ফ্যাক্টরিতে কাজ করত তা বন্ধ হয়ে গেছে আচমকা। স্যার স্টিফেন হকিং আমরা সবাই মিলে যখন খুব আনন্দ করছি, ও তখন চুপচাপ বাড়িতে একা একা বসে। একই সময়, কিন্তু দুজনের ক্ষেত্রে তা দু’রকম কেন?

    ৪) স্যার স্টিফেন হকিং আর একটি ছেলের কথা বলি। তার নাম অভিরূপ। সেও হলদিয়া বন্দরে যায়নি। যেতে পারেনি, দুর্বল কি না। অভিরূপ প্রায়ই ইস্কুলে আসে না। ওর নাকি জ্বর হয়। আমরা যখন ইন্টার ক্লাস ফুটবল ম্যাচ খেলি, আমি লাল জার্সি গায়ে, শুভময় নীল জার্সি গায়ে, অরিত্র সবুজ জার্সি গায়ে, তখন অভিরূপ বসে থাকে মাঠের বাইরে। ওরও একটা টিম আছে। ক্লাস এইট। লাল জার্সি আছে। লাল জার্সি পরেই মাঠের ধারে বসে হাত নাড়ে। আমার ইস্কুলে যখন শীতের সময় স্পোর্টস হয়, একশো মিটার দুশো মিটার দৌড়, লং জাম্প, হাই জাম্প – অভিরূপ কোনোটাতে নাম দেয় না। ওর না অসুখ। আমি যখন ভিকট্রি স্ট্যান্ডে দাঁডিয়ে গোল্ড মেডেল নিই, অভিরূপ ক্ষীণ গলায় চিৎকার করে ওঠে, হিপ হিপ হুররে। একই তো সময়, তা দুজনের ক্ষেত্রে দুরকম হবে কেন?

    স্টিফেন হকিং স্যার, আপনি হইল চেয়ারে বসে থাকেন। কথা বলতে পারেন না। আপনার মনের ভাষা যন্ত্র লিখে দেয়। যন্ত্র প্রকাশ করে দেয়। আপনি মহাকাশ সৌরমন্ডলের কথা ভাবেন। এই সৌরলোকের বাইরে যে অন্য সৌরলোক আছে তার কথা ভাবেন। তাদের চেনেন। আপনি কৃষ্ণগহ্বর চেনেন। মহাব্রহ্মাণ্ডে ওই বিন্দুই সব কিছু গ্রাস করে নেয় চারপাশ থেকে। ওই গহ্বরে প্রবেশ করলে সময় নাকি থেমে থাকে। ভাবতে অবাক লাগে। সব কিছু বুঝতে না পেরেও শিহরণ লাগে হে মহাবিজ্ঞানী, আপনি আমার সামান্য প্রশ্ন কটির উত্তর দিলে বাধিত হবো। প্রণাম নেবেন।

    ২

    প্রিয় নীলাভ,

    নীলাভ শব্দটির অর্থ কী? আমি জেনেছি। আমার কম্পিউটার আমাকে সব জানিয়ে দেয়। নামটি ভারি সুন্দর। তোমার নামের সঙ্গে সঙ্গে মহাকাশ হাজার হাজার নক্ষত্র নিয়ে জেগে ওঠে চোখের সামনে। কত নতুন তারার জন্ম হয়। কত তারার মৃত্যু হয় – এ সব আমরা চোখে দেখে ধরতে পারি না। সময় এক অপূর্ব ধারণা। শোনো যে নক্ষত্রটির আলো আজ রাত্রে পৃথিবীতে এসে পৌঁছল, সেই নক্ষত্রটির হয়ত বহু শত বৎসর আগে মৃত্যু হয়েছে। লক্ষ আলোকবর্ষ পার হয়ে আসা তার আলো আজই দেখতে পেলাম আমরা। আমাদের কাছে সে জীবিত। তার মৃত্যুর আগেই ওই আলো যাত্রা করেছিল পৃথিবীর উদ্দেশে।

    শোনো নীলাভ, সময়কে বুঝতে হবে নিজে নিজে। সময়ের আরম্ভ আছে, সময়ের শেষ নেই। প্রবাহিত হয়েই চলেছে তোমাদের পবিত্র নদী গঙ্গা, গোদাবরী, কাবেরী, নর্মদার মতো। নদী তো সমুদ্রে মিশে যায়। সময়ও আর এক সমুদ্রে লীন হয়। সেই সমুদ্রটি খোঁজা এখনও বাকি। খুঁজছি। যদি অ্যান্টনি থাকত সে ঠিক খোঁজার পথটি বলে দিত। আন্টনির কথা পরে শুনবে।

    তুমি এক চোদ্দ বছরের বালক। তুমি যে আমার বইটি পড়তে চেষ্টা করেছ, সময়কে বুঝতে চেয়েছে, তারপর কিছু প্রশ্ন জেগেছে তোমার ভিতরে তা আমাকে মুগ্ধ করেছে। যে মানুষ প্রশ্ন করতে করতে বড় হয়, সে জানতে পারে অনেক কিছু।

    প্রতিদিনই পৃথিবীর নানাপ্রান্ত থেকে অসংখ্য চিঠি আসে আমার কাছে। সবই প্রায় ই-মেল-এ। সেই সব ই-মেল-এর জবাব আমার সহকারীই দিয়ে দেন। একই প্রশ্নই তো সবাই করে। তোমার প্রশ্নগুলি একটু আলাদা। তাই আমিই জবাব দিলাম।

    সময়কে বুঝতেও চাও বালক। বুঝতে পারবে, বড় হও। কেন একই সময়ে দু’জন দুরকম থাকে? বুঝতে পারবে, বড় হও। সময় আপেক্ষিক। সবার কাছে সমান হতে পারে না। তুমি তো প্রণম্য বিজ্ঞানী স্যার অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের নাম শুনেছ। বড় হও। তাঁর কথা জানবে। তিনিও বুঝিয়ে দেবেন। আপেক্ষিকতাবাদ তো তাঁরই খুঁজে বের করা।

    ৩

    প্রিয় বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং,

    আপনার উত্তর আমি পেয়েছি। আমার বাবা বললেন, এ আমাদের পরম সৌভাগ্য যে আপনি প্রশ্নগুলি নিয়ে ভেবেছেন। আপনি সৃষ্টিরহস্যের মুলে পৌঁছতে চাইছেন। রাতের আকাশের মতো বিপুল আপনার জ্ঞানের পরিধি, তবু আপনার জিজ্ঞাসা কিন্তু শেষ হবে না। আমার প্রশ্নও শেষ হয় নি। আপনি উত্তরগুলি দিলে বাধিত হবো।

    ১) অভিরূপ ইস্কুলে একদিন আসে, সাতদিন আবার আসে না। পড়াশুনোয় পিছিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। যেদিন আসে খুব গল্প করে। দক্ষিণ ভারত গিয়েছিল ডাক্তার দেখাতে। ভারত মহাসাগর দেখে এসেছে। শুভময় কোনদিন সমুদ্র দ্যাখেনি। বার বার জিজ্ঞেস করে সমুদ্র কত বড়? অভিরূপ বলে, আকাশ যত বড়, হয়তো তেমন, অসীম।

    অভিরূপ বলে, বাড়িতে তার সময় আর কাটে না। সকাল থেকে সন্ধে হতে যেন বছর ঘুরে যায়। সময় অফুরন্ত। সে সারাদিন শুয়ে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকে। ওদের ফ্ল্যাটটি সাততলায়। জানালা দিয়ে শুধু আকাশ দেখা যায়,আর দেখা যায় দুরের গাছপালা, বাড়ি। রাতে দেখা যায় আকাশের তারা, ছায়াপথ,দিনে দেখা যায় পাখির উড়াল আর ঘুড়ি। অভিরূপ খুব ঘুড়ির কথা বলে। তার খুব ইচ্ছে ঘুড়ি উড়ায়। লাল নীল সবুজ হলুদ রঙের ঘুড়ি উড়িয়ে দিয়ে লাটাই-এর সুতো ছেড়েই যায়।ঘুড়ি একটু একটু করে মহাকাশে পৌঁছে যাবে। পার হয়ে যাবে মহাকাশও।

    স্যার কত লোক ঘুড়ি উড়ায়। কত ছেলেরা উড়ায়। আমাদের শুভময়ও উড়ায়। কিন্তু অভিরূপ উড়াতে পারে না। তার মা বলে, এখনো সময় হয়নি সোনা। কবে সময় হবে? সময় এত নিষ্ঠুর কেন? ঘুড়ি উড়ানোর সেই সময় লাল হলুদ সবুজ নীল রং মেখে কেন অভিরূপের কাছে আসে না?

    আমাদের ওই বন্ধু শুভময় কত রকম ঘুড়ির নাম জানে।ঘুড়িতে ঘুড়িতে যুদ্ধের কথা বলে। আকাশে প্যাঁচ খেলা হয়। একটা ঘুড়ি কেটে যায়। শুভময় যখন ভো-মারা বলে চাপা চিৎকার করে ওঠে, তখন উত্তেজনায় অভিরূপের চোখে জল এসে যায়। সেও ক্ষীণ কণ্ঠে বলে ওঠে, ভো-মারা।

    স্যার অভিরূপ সেদিন এক আশ্চর্য কথা শোনাল। বলল, ঘুড়িরা কেটে গেলে আকাশ দিয়ে ভাসতে ভাসতে কোথায় যায় জানো – ৫৮১ সি গ্রহে। সেই গ্রহ কোথায় জানো? এই সৌরজগতের বাইরে আর এক জগতে, এই গ্যালাক্সির বাইরে অন্য এক গ্যালাক্সিতে। গ্রহটি নাকি একেবারে পৃথিবীর মতো। তাপমাত্রা পৃথিবীর মতো হওয়ায় সেখানে মানুষ থাকলেও থাকতে পারে। অভিরূপ বলতে বলতে আচমকা হেসে উঠল, আরে শুনবি তোরা, সেখানে তেরো দিনে এক বছর। মানে তেরো দিনে গ্রহটি তার সূর্যকে পাক দেওয়া শেষ করে। বছর গিয়েই বছর আসে। হ্যাঁ, সেই পৃথিবীর যে সূর্য তার নাম গ্লিসে-৫৮১। আসলে সে একটি বামন নক্ষত্র, ডোয়ারফ স্টার। তার আলো লালচে। তাই নতুন পৃথিবীতে সেই লালচে আলোই এসে পড়ে। মনে হয় সব সময় বিকেল।

    স্যার, অনেকদিন বাদে অভিরূপ এই নতুন গ্রহের কথা বলতে বলতে খুব হাসছিল। বলছিল, তার সময় কাটে না বাড়িতে শুয়ে থেকে থেকে, নতুন পৃথিবীতে তেরো দিনে যখন বছর, সময় ধরাই যাবে না। দুগগা পুজো কবে এল ধরাই যাবে না।অভিরূপ বলে, যদি ভবিষ্যতে এমন কিছু হয় যে মানুষ ওই গ্রহে বাস করতে গেল সেও চলে যাবে। ওখানে সময় তাড়াতাড়ি ফুরোয় তাড়াতাড়ি এসেও যায়, কম কথা!

    এইসব কথা শুনতে শুনতে শুভময় একদিন আমার কাছে চাইল তোমার ওই বইটা।

    বইটা যে আমি দেব, কী করে দেব? দাদার বই দাদা দিল না। বলল, দামি বই তো, না দিলেই ভালো।

    ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম’ না পেয়ে শুভময়ের খুব মন খারাপ হয়ে গেল। সে খুব আশা করেছিল বইটা পাবে। আমি তখন বললাম, বাবাকে বল কিনে দেবে।

    বাবা এখন পারবে না।

    কেন পারবে না, বাবারা ওই রকম বলে!

    না রে, বাবার ফ্যাক্টরি নাকি আর খুলবে না, আমার মা সেদিন কাঁদছিল আমাকে বুকে চেপে ধরে, আমাদের সময়টা এখন খুব খারাপ যাচ্ছে।

    স্যার, একটা ব্যাপার আমি বুঝতে পারি না। সময়েরও ভালো মন্দ হয় কী করে? সময় কেন সবার কাছে সমান ভাবে আসে না। ভাল সময় মন্দ সময় – কী ভাবে সময় ভাগ হয়ে গেল ভালোমানুষ মন্দ মানুষের মতো?

    ২) স্যার, ওই যে অভিরূপ বলে সেই একটা ঘুড়ির কথা – মাঝ-আকাশে বাঁধন ছাড়া হয়ে এই পৃথিবী ছাড়িয়ে এই মহাকাশ ছাড়িয়ে উড়তে উরতে অন্য সৌরমণ্ডলে গিয়ে পড়ল। তারপর খুঁজে পেল নতুন পৃথিবী ৫৮১-সি কে। ঢুকে পড়ল সেই পৃথিবীর আকাশে। তারপর নেমে পড়ল একটা মাঠের ভিতর। ঘুড়িও তো ক্লান্ত হয়। অভিরূপ বলে, মানুষের চেয়ে ঘুড়ি স্বাধীন, যখন সে কেটে যায়, বাঁধনহারা হয়ে যায়। মানুষের সময় কাটেই না, শুধু বিছানায় শুয়ে থাকো, ওষুধ খাও, ঘুম আসবে না তবু ঘুমোও। খোলা জানালা দিয়ে আকাশটা দেখা যায়। এক একদিন মেঘ হয়। ঘন মেঘ আকাশ ঢেকে ফেলে। সে যখন মেঘের দিকে চেয়ে ভাবে, আয় বৃষ্টি ঝেঁপে, তখন মা এসে জানালা বন্ধ করে দেন। জোলো বাতাসে ঠাণ্ডা লেগে যাবে। এখন এ সব দেখার সময় আসেনি।

    স্যার কবে সময় আসবে? আমরা তো মেঘ দেখি, বারান্দায় বৃষ্টি এলে ভিজি। অভিরূপ তা পারে না। একদিন ইস্কুলে কী হলো, টিফিনের সময় কী মেঘ না করল, কী বাতাস বইল, তারপর বৃষ্টি ধেয়ে এল সৈন্যদলের মতো। শুভময় হো হো করতে করতে বৃষ্টির দিকে ছুটে গেল। জলে ভিজে ক্লাসে ফিরতে ওর শাস্তি হলো। একটা পিরিয়ড ক্লাসের বাইরে। ও পরে বলল, বৃষ্টির ভিতরে ছুটে যেতে কী ভালোই না লেগেছিল। তার জন্য একটু শাস্তি হলোই না হয়। অমন সময় তো সব সময় আসে না।

    স্যার পৃথিবীতে যে যে সময় সুন্দর, সেই সেই সময় সবার কাছে থেকে যায় না কেন? ভাল সময় খারাপ সময় – সময় আলাদা হলো কী করে? স্যার আপনিই সব জানেন। সময়ের সব ইতিহাস। তাহলে বলুন স্যার, এসব কথার উত্তর দেওয়া আপনার কাছে কত সহজ।

    ৪

    প্রিয় বন্ধু নীলাভ,

    আমার বালক বন্ধু, তোমার ই-মেল আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আমার ওই বয়সে। মনে পড়ে যাচ্ছে কত কথা। মনে পড়ে যাচ্ছে আমার সহপাঠী অ্যান্টনির কথা। তার মা-বাবাও খুব গরীব ছিল। ওই বয়সেই তার পড়া বন্ধ হয়ে গেল। সে জাহাজে খালাসির কাজ নিয়ে পূর্বদেশে যাত্রা করল। যে বন্দরে জাহাজ থামত সেখান থেকে আমাকে চিঠি লিখত। পড়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্যে তার মনে খুব কষ্ট ছিল। জাহাজে গিয়ে খুব মনমরা হয়ে ছিল ক’দিন। মা-বাবার জন্য, ইস্কুলের জন্য। গোপনে সে ক’দিন ধরে জাহাজের খোলে বসে কাঁদছিল। তখন এক বুড়ো নাবিকের চোখে পড়ল তা। সে তার হাত ধরে তুলে নিয়ে এল ডেকে। রাতের আকাশ দেখাল সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে। তারা চেনাতে লাগল। বলল, এর চেয়ে বড় ইস্কুল আর নেই। সেই বৃদ্ধ নাবিক সমস্ত জীবন সমুদ্রে ভেসে ভেসে আকাশের যত তারা, নক্ষত্রপুঞ্জ চিনেছিল একটু একটু করে। আকাশ দেখে, গ্রহ-তারা দেখে বিভোর হয়ে গেল অ্যান্টনি।

    বালক বন্ধু নীলাভ, সময় যেমনই আসুক, তাঁকে নিজের কাছে টেনে নিতে হবে। মনে করবে সমস্ত সময় রয়েছে মানুষের কাছে আত্মসমর্পণ করতে। আমার সেই সহপাঠী অ্যান্টনি যদি মন খারাপ করে জাহাজের খোলে বসে থাকত, তাহলে আকাশ চেনা হতো? বন্দর থেকে যে চিঠি লিখত অ্যান্টনি,মনে আছে,তার ভিতরে থাকত সমুদ্রের ভিতর থেকে রাতের আকাশ দেখার অপূর্ব বর্ণনা। আকাশ সমস্ত গ্রহ নক্ষত্র নিয়ে কীভাবে নেমে এসেছে সমুদ্রের জলে, তা লিখেছিল অ্যান্টনি, মনে আছে। সে ছবি এঁকে এঁকে বছরের কোন সময়ে গ্রহগুলির কী অবস্থান তা বুঝিয়ে দিত আমাকে। কোন সময় কোন নক্ষত্র দেখা যায়, কোন সময় তারা অদৃশ্য হয়ে যায়, তা লিখে দিত। তার চিঠি পড়েই আকাশকে চিনলাম আমি, আকাশকে দেখতে আরম্ভ করলাম। আকাশ আর সময়কে চিনতে চাইলাম।

    আমার সেই বালক বন্ধু অ্যান্টনি জাহাজডুবিতে পূর্বসমুদ্রে মারা যায়। পূর্বসমুদ্র, বে-অফ-বেঙ্গল তো তোমার দেশে। অ্যান্টনিকে স্মরণ করো, সময়ের ভালোমন্দ,সময়ের বিপুলতা, সময়ের ক্ষুদ্রতা সব জেনে নিতে নিতে বড় হও। কবে যে বড় হয়ে যাবে তা তুমিও টের পাবে না, সময়ের এমনই খেলা।

    ৫

    প্রিয় বন্ধু, বিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং,

    আজ আপনাকে দুটি কথা বলব। অনেক দিন কেটে গেছে এর ভিতরে। বর্ষা শেষ হয়ে শরৎকালও চলে গেছে। এখন আমাদের দেশে হেমন্তকাল এসেছে। বেলা ছোট হয়ে গেছে, রাত্রিকাল হয়ে গেছে দীর্ঘ। আমার সহপাঠী, বন্ধু শুভময় ইস্কুল ছেড়ে চলে গেছে। তারা এখন দূর পশ্চিমে, নাগপুরে। সেখান থেকে সে চিঠি লেখে আমাকে। তার বাবা নতুন একটি চাকরী পেয়েছেন ওই দেশে। হ্যাঁ, সে কিনতে পেরেছে আপনার সেই বই, ‘এ ব্রিফ হিস্ট্রি অফ টাইম’। সময়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস। সব আমাকে চিঠিতে লিখেছে সে। লিখেছে সময় এখন আনন্দের। ভালো সময় এসেছে। তবে কষ্টের দিনগুলোর কথা সে ভুলবে না কোনোদিন। সময় চিনতে পারছে সে। আকাশে বাতাসে দিনে রাত্রে শীতে গ্রীষ্মে সময় বয়ে যায় বহমান এক নদীর মতো। তার উৎসে যেতে চায় সে।

    প্রিয় বন্ধু, শেষ কথাটি বলি, অভিরূপ ৫৮১-সি গ্রহে বিকেলের লালচে রোদের পৃথিবীতে চলে গেছে। সে আর নেই। তার যে অত কঠিন অসুখ ছিল তা আমরা অতটা বুঝিনি। প্রিয় স্টিফেন হকিং, তুমি তো এই গ্যালাক্সি, এর বাইরের গ্যালাক্সি- অন্য ব্রহ্মাণ্ডের সব কথা জানো। আমাকে বলো দেখি নতুন পৃথিবীতে অভিরূপ কেমন আছে। তার অসুখ সেরে গেছে তো?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র
    Next Article এখন মৃত্যুর ঘ্রাণ – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }