Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নরেন হরেন সাধু মানুষ – অমর মিত্র

    লেখক এক পাতা গল্প126 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গাঙের ভূত

    নৌকোর পিছনে লেগেছে ঠিক। এমন হয়, দিগ্বিবিদিক শূন্য অথৈ গাঙ, এই গাঙে সব সময় হা হুতাসী, হু হু বাতাস বয়েই যাচ্ছে। যে বাতাস বয়ে বেড়ায়, তা যে সব সময় নিরীহ, নির্দোষ সে কথা বলা যাবে না। ভালো বাতাস, মন্দ বাতাস, দুষ্ট বাতাস, পাগলা বাতাস…কত রকম বাতাস যে আছে। রোখন হলো জলদস্যু। গাঙের নৌকো, লঞ্চ, স্টিমার লুট করে তার আনন্দ। তবে হ্যাঁ, সে তার কাজ এমন নিঃশব্দে করে যে আজ পযর্ন্ত তার হাতে একটি মানুষও মারা যায়নি। পিস্তল আছে, শূন্যে ভেসে ফেটে যাওয়া বোমা আছে তার কাছে। তাতেই সওদাগরী নৌকো কুপোকাত। আর আছে জলবোমা। জলে ফাটে। তাতে জলস্তম্ভ ওঠে অনেক উঁচু পযর্ন্ত। জলবোমার তৈরি কৌশল তাকে শিখিয়ে দিয়ে গিয়েছিল তার ওস্তাদ হরি সর্দার। লোকটা বাঘের পেটে গেছে শোনা যায়। নৌকো নিয়ে বের হলো, তারপর ভ্যানিশ। কেউ কেউ বলে গাঙের তেনাদের কেউ, তা বাঘের ভূতও হতে পারে, শোধ নিয়েছে। সে নৌকো নিয়ে মধুতলা দ্বীপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল, বাঘের দ্বীপ থেকে বাঘ উড়ে এসে তাকে মুখে করে উড়ে গিয়েছিল গাঙের ভিতর। মধুতলায় বাঘ মেরেছিল নাকি হরি সর্দার তার জলবোমা দিয়ে। বাঘিনী সাঁতরে পেরিয়ে যাচ্ছিল এ দ্বীপ থেকে সে দ্বীপ। কতরকম কথাই না শোনা যায় বাতাসে। কিন্তু হরি সর্দার যে আর ফেরেনি, তা সত্যি। হুঁ, তার নৌকোর পিছু ধরেছে একটা বাতাস। গন্ধ পাচ্ছে রোখন। তার সাগরেদ বুনো মণ্ডলকে জিজ্ঞেস করল, কিছু মনে হচ্ছে তোর, ও বুনো?

    বুনোর মস্ত চেহারা। গায়ে খুব জোর। একটা আম কিংবা কাঁটাল গাছ পিঠে করে এ গাঁ থেকে সে গাঁ নিয়ে যেতে পারে। নৌকো মাথায় করে সাঁতরে পার হতে পারে হাসনাবাদের গাঙ। এই সব কথাও বাতাসে ভাসে। বুনোর এমনি শক্তি, কিন্তু তাকে দিয়ে ফালতু কাজ করাতো তার গাঁয়ের সদানন্দ চক্কোত্তি, বামুন। বেড়া বেঁধে দে, কাঠ চেলা করে দে, আম গাছটা কেটে কাঠ গোলায় দিয়ে আয়। আর কাজে অন্যথা হলে কঞ্চির বাড়ি, এই হাত পাত, হাত পাত…। সদানন্দ হলো লিকলিকে একটা লোক, বুনো ফু দিলেই সে উড়ে যায় কিন্তু বুনো তাকে ভয় করত যমের মতো। একবার সদানন্দর বাগানের ফুল গাছ ছাগলে মুড়িয়ে খেয়েছিল, বুনোকে বৈশাখ মাসের খর রোদ্দুরে কান ধরে উঠবস করাচ্ছিল সদানন্দ ছাতা মাথায় দাঁড়িয়ে। রোখন গিয়েছিল তার মাসির বাড়ি মাসির মেয়ের বিয়ের নেমতন্ন খেতে। পথে দেখল একটা মস্ত চেহারার রাবনের মতো লোককে একটা লিকলিকে লোক উঠবস করাচ্ছে। লিকলিকে লোকটা তো ওই লোকটার কেড়ে আঙুলের মতোও নয়।ইস কী হেনস্থা। খুব খারাপ লেগেছিল রোখনের। সে দাঁড়িয়ে ছিল যতক্ষণ না শাস্তি শেষ হয়। অত রোদ্দুরে ওই লিকলিকে বামুন সদানন্দ যদি উঠবস করত, অজ্ঞান হয়ে যেত ঠিক। মরেই যেত কি না তার ঠিক নেই। কঞ্চির চেয়েও রোগা, জানলার গরাদের ফাঁক দিয়ে গলে যেতে পারে সদানন্দ। কী কাণ্ড একশো বার উঠবস করে লোকটা আবার কাঠ চেলা করতে লাগল কুড়ুল দিয়ে। একটু বিশ্রামও নিল না। কিছুই হয়নি যেন তার। গা মুছে নিল শুধু গামছায়। বুড়ো বামুন শাস্তি দিয়ে চলল তার মন্দিরের দিকে। তখন রোখন তাকে ডাকল, এই শুনে যা।

    কী বলেন ছার। সে কুড়ুল হাতে তার সামনে এসে দাঁড়ায়। মস্ত দেহ। ঘামে চকচক করছে। গা শিউরে উঠেছিল রোখনের। সে তো জলের সর্দার। জলদস্যু। ডাঙায় এসে মনে হয় একেবারে দুবর্ল। সে সাহস করে বলেছিল, ওই লিকলিকে লোকটা তোকে উঠবস করাল কেন?

    আঁজ্ঞে, ভালবেসে। খুব শান্ত গলায় বলেছিল সে, তারপর মিনমিনে গলায় বলেছিল, ছাগলে গাঁদার চারা মুড়িয়ে খেল যে,আমারই তো দোষ।

    মুকখু, বেশ করেছে ছাগলে খেয়েছে, এই সাঁতার জানিস।

    জানি ছার, সাঁতরে গাঙ পার হতি পারি।

    নৌকোয় হাল ধরতে পারিস।

    জানি ছার, বামুনবাবার জমি আছে আবাদে,সেই ভুতুয়াখালি দ্বীপে,আমি তো হাল বেয়ে নিয়ে যাই।

    তখন রোখন সর্দার তার হাত ধরে বলেছিল, আমার সঙ্গে কাজ করবি?

    কী কাজ? সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করেছিল।

    জলদস্যু হবি? রোখন তার কাঁধে হাত রেখে জিজ্ঞেস করেছিল।

    এই সেরেছে, পুলিসে ধরবে। সে চাপা গলায় বলে উঠেছিল, আর বামুনবাবার খুব অসুবিধে হবে, এত কাজ করবে কে?

    আবার লোক রাখবে। রোখন বলেছিল।

    ইনার বাগানে কেউ কাজ করতি চায় না, খুব খাটনি তো।

    জলদস্যু রোখন বুঝেছিল লোকটা খুব সরল। লোকটাকে বিনি পয়সায় খাটায় বামুন। কোনো রকমে একে এখান থেকে তুলে নিতে পারলে এরই ভাল হবে। সে মাস বেতনে রাখবে। হাজার টাকা আর তিন বেলা খাওয়া। তাকে সমস্তটা বুঝিয়ে দিয়েছিল। জলে থাকতে হবে। জলেই ডাকাতি করতে হবে। চোরাকারবারি নৌকো লুট করতে হবে। ভয় দেখিয়ে কাজ হাসিল করতে হবে। তার এতবড় দেহ, গলায় কি জোর নেই? সে বলল, খুব আছে, কিন্তু বামুন ঠাকুর আস্তে কথা বলতে বলেছে, মিনমিন করে বলতে বলেছে, বামুনের বুক ধড়ফড় করে বলে সে আস্তে কথা বলে। একবার জোর গলায় কথা বলায় সাত ঘন্টা অজ্ঞান হয়ে ছিল বামুনবাবা, তাই সে মিনমিন করে এখন।

    তাহলে চ আমার সঙ্গে। তার হাত ধরেছিল রোখন।

    সেই বুনো বসে আছে নৌকোর এক গলুইয়ে। অন্য দিকে রোখন। একটা বাতাস অনেকক্ষণ ধরে পাক দিচ্ছে। তারা ফিরছে হাসনাবাদ। হাসনাবাদে বুনো নেমে যাবে, রোখন যাবে নিজের বাড়ি গতখালি। সে একটা দ্বীপ।

    এখন জোয়ারের সময়।স্রোতের অনুকুলে চলেছে নৌকো।এবার বিশেষ কাজ হয়নি জলে বেরিয়ে। একটা ভুতুড়ে বাতাস যে পিছনে লেগে সব ভণ্ডুল করে দিচ্ছে তা বুঝতে পারছিল রোখন। ফলে দলের লোককে নামাতে নামাতে সেও ফিরবে বাড়ি। আবার সাতদিন বাদে বদর বদর, পীরের নাম নিয়ে বেরোবে। হাসনাবাদ থেকে নেবে বুনোকে আগে। তার দলে পাঁচজন আছে মোট। বুনো বলল, ছার, ঠিক ধরেছেন, বাতাসই ভণ্ডুল করে দেছে সব, কেউ একটা আছে।

    আছে? রোখন সর্দার জিজ্ঞেস করল উৎকণ্ঠিত হয়ে।

    হ্যাঁ আছে। বলে নাক টানল বুনো।

    তাহলে তোরে নামাব না, হাসনাবাদ যেতে হবে না, তুই গতকালই চ।

    কেন ছার?

    রোখন বলল, আমি একা ফিরতে পারব না বুনো, শীত শীত করছে।

    বুনো বলল, তা তো করবেই, বাতাসই ঠাণ্ডা বরফ।

    ঠাণ্ডা বরফ হবে কেন?

    বুঝতেছ না ছার, বাতাস তো এমনি বাতাস না, হেই কেডা রে? বলে ওঠে বুনো মণ্ডল। তার গলার আওয়াজ কী? জল পযর্ন্ত চলকে ওঠে। এই যে আওয়াজ দিল, জল কেন, বাতাসও চুপ। সব কেমন থম থম করতে লাগল। বুনো আবার গলা খাঁকারি দিল, ক’দিন ধরে পিছনে পিছনে ঘুরতেছ তুমি, আমাদের কোনো কাজ হয় নাই, ধারে কাছে আসে নাই কেউ, উলটা বাতাস, ঘুন্নি বাতাসে আসবে কেন, আগে কেডা বলো, নইলে এমন রাম নাম ছাড়ব, অজ্ঞান হই যাবা।

    তখন তিনি আবির্ভূত হলেন। মাঝ নৌকোয় এসে ভাসতে লাগলেন। কী ঠাণ্ডা গো। গলায় গামছা জড়িয়ে নিয়ে চোখ বুঁজল রোখন। ভয় করছে খুব। অথচ বুনোর ভয়ডর বলতে কিছু নেই, মাথা মোটা হুমদো। তেনাদের ভয় করবে না কেন?

    বুনো বলল,এই ঠিক হয়ে বসো,আমার ছার খুব ভালো,আমারে বামুনের খপ্পর থেকে উদ্ধার করে এনেছে, ভয় নেই, ছারের হিদয় খুব বড়।

    আঁজ্ঞে হিদয় আমার মেজ কাকুর ছেলে, সোঁদরবনে মধু ভাঙতে গে ফেরেনি।

    আরে ও হিদয় না, বুকিরি হিদয় বলে, লেখাপড়া নেই?

    ছিল,জলে ডুবতি সব ভেসে গেল যে। খুনখুনে গলায় সে বলল। রোখন সর্দার বুঝল কথায় চন্দ্রবিন্দু লাগানো আছে। বোঝাই যাচ্ছে কে এসেছে।

    বুনো জিজ্ঞেস করল, কী করে হলো?

    আঁজ্ঞে তুফানে জাহাজ ডুবি হয়েছিল, তারপর থেকে গাঙে গাঙে ঘুরছি, দিশা পাচ্ছিনে, ডাঙায় যাব তো উপায় নেই, জলের ভিতর আমি ভেসে ভেসে মরে যাব।

    মরার আর বাকি আছে কী, কিন্তু তুফান কবে হলো, কোথায় হলো, আমরা তো জানিনে। বুনো রোখনকে ডাক দিল, ও ছার ঘুমোয়ে পড়লেন নাকি?

    না, এমনি। কোনো রকমে বলল রোখন, চোখ বন্ধই রেখেছে, তুই কথা বল।

    তুফান কবে হলো, আমরা জানিনে কেন? বুনো জিজ্ঞেস করে।

    চোখ পিটপিট করে রোখন দেখল নৌকোর মধ্যিখানে একটা অন্ধকারের স্তূপ। তার সঙ্গেই কথা বলছে বুনো। মূর্খ একটা। ভূত চেনে না। ভূতে ভয় পাবে না? আরে ভূতে যদি ভয় না পাস, তুই মানুষ হলি কেমনে?

    না, ভয় পাবে কেন, আমি ঠাণ্ডাচরণ মল্লিক, ঠাণ্ডা মানুষই ছিলাম বলা যায়, জাহাজ ডুবি না হলে এতদিনে আমেরিকা চলে যেতাম, নেহাত বিপাকে পড়ে এয়েছি সাহস করে এই নৌকোয়।

    যাহ বাবা, তার মনের কথা পড়ে নিয়ে বলে দিল! ঠাণ্ডাচরণ এর নাম। চোখ খুলেছে রোখন সর্দার, জিজ্ঞেস করল, জাহাজ আমেরিকা যাচ্ছিল?

    ইয়েছ ছার। বলল ঠাণ্ডাচরণ।

    তারপর? সাহস করে জিজ্ঞেস করল রোখন সর্দার।

    অতলান্ত সাগরে তুফান হলো ছার, কী ঢেউ আর বিস্টি আর বাতাসের ঝাপটা।

    সে সাগর কোথায়? জিজ্ঞেস করল রোখন।

    আঁজ্ঞে,গাঙের পর গাঙ,তারপরে বড় গাঙ, তারও পরে আরো বড় গাঙ, তারপরে হবে কিংবা আরো পরে হবে পচ্চিম দিকে যেতে হবে, সুয্যি ডোবার দেশ সে।

    কী বলতেছ, সুয্যিডোবার দেশ? অবাক হয়ে যায় বুনো আর রোখন।

    ইয়েছ ছার, সেই দেশেই সুয্য ডোবে। বলল ঠাণ্ডাচরণ।

    বুনো বলল, ইস্কুলে পড়েছি সূয্যি ওঠার দেশের কথা।

    হুঁ হুঁ, চা পান। বলল রোখন সর্দার।

    বুনো বলল, না ছার জাপান।

    ওই হলো, তুই জ বল আমি চ বলি। রোখন বলল।

    ঠাণ্ডাচরণ বলল, সুয্যিডোবার দেশে যাওয়াই হলো বেপদ, না গেলে তুফান হতোনি, আমারে ডাঙায় দিয়ে এস বাবারা, আমি তোমাদের গোলাম হয়ে থাকব।

    বুনো সর্দার বলল, তুই খুব ঠাণ্ডা।

    হ্যাঁ ছার, মরার পর আরো হয়েছি, সুয্যিডোবার দেশে তো খুব ঠাণ্ডা, সিটাও ঢুকে গেছে আমার অন্ধকারে।

    বু্নো জিজ্ঞেস করল, তুই অন্ধকার?

    ইয়েস ছার, অন্ধকার জমে জমে এই হয়েছি। বলল ঠাণ্ডাচরণ।

    থাক বসে, আমরা হাসনাবাদের দিকে যাচ্ছি, তোরে সেখেনে নামাবো, আমিও নামব, ডাঙা পেয়ে যাবি। বুনো বলল। শুনে গা-পিত্তি জ্বলে গেল রোখন সর্দারের। জন্মের আগে থেকে তার ভূতের ভয়। ভূত সে একদম সহ্য করতে পারে না। ভূত নিয়ে হাসনাবাদ যেতে হবে। হা ভগবান। সে মনে মনে রাম নাম নিতে লাগল।

    ছার খারাপ নাম নিওনি, কষ্ট হয় খুব, দম আঁটকে আসে। ঠাণ্ডাচরণ বলল।

    এই কথায় বুনো বলল, হ্যাঁ ছার, উ নাম মনে এনেননি, ঠাণ্ডাচরণ মশায়ের কষ্ট হয়।

    খুব রেগে গেল রোখন।কিন্তু ভূতের কথা অমান্য করার সাহস হলো না। সে রাবন রাবন বলতে লাগল মনে মনে। তাও বুঝতে পেরেছে ঠাণ্ডাচরণ। বলল, এইটে বলেন, খুব আরাম হয়, রাবন রাবন।

    উফ! বুনো শুনে বলল, আমার ছারের বড় হিদয়, রাবন রাবন!

    এখন বুঝতে পারছে বামুন কেন বুনোকে কান ধরে রোদের ভিতর উঠবস করাতো। বেশ করত। মুখ্যু। তোর মালিক কী চায় তা বুঝিসনে। এখনো হাসনাবাদ ঘন্টা তিন। ভুটভুট ভুটভুট করে বোট চলেছে তো চলেছে। ভুটভুট ভুটভুটকে মনে হচ্ছে ভূতভূত ভূতভূত।কী করে সে যাবে ভূতের সঙ্গে অতদূর। সে বলল, বুনো আমার গা কেমন করছে, এ কারে তুললি বোটে?

    ঠাণ্ডাচরণ ঝিমোচ্ছিল, অন্ধকারের স্তূপ ঢেউয়ে দুলছিল। গাঙের ভূত ডাঙায় কেন যাবে?বুনো বলল, ইনি তো আছরয় নিছে, আমি কী করব ছার।

    তখন রোখন সর্দার করবে কী? কালো বরফের মতো অন্ধকার জমা ভূতের দিকে তাকিয়ে তার ছয় ব্যাটারির টর্চ তাক করল। সুইচে আঙুল দিয়েছে তো ঠাণ্ডাচরণ টের পেয়েছে, কী করেন কী করেন ছার, মরে যাব।

    বুনো বলল, না ছার না।

    রোখন চুপ করে থাকল। কিন্তু আবার। টর্চ বের করেই দপ করে জ্বালিয়ে দিতেই গাঙ জুড়ে আর্তনাদ, এ কী করলেন ছার, উঁহু, কী কষ্ট, আমি ফুরিয়ে যাচ্ছি!

    জমা অন্ধকারের দফারফা। ভূত ভ্যানিশ আলোর ভিতরে। কিন্তু টর্চ তো জ্বলে থাকতে পারে না। ব্যাটারি ফুরিয়ে যাবে। তাই নেভাতে আবার বাতাস আরম্ভ হলো। সেই উথালপাথাল বাতাস। বুনো বলল, ছার এডা কী হলো, সে তো শুধু ডাঙায় যেতে চেয়েছিল, এমন করলেন কেন? চোখ মুছতে লাগল বুনো মণ্ডল। তখন রোখনের মনে হলো সত্যিই এটা কি ঠিক করেছে সে? অন্ধকার গাঙের দিকে তাকিয়ে ডাকতে লাগল, রাবন রাবন, আয় আয়, ঠাণ্ডাচরণ ফিরে আয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসতত তোমার কথা ভাবি এ বিরলে – অমর মিত্র
    Next Article এখন মৃত্যুর ঘ্রাণ – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }