Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নর্স মিথোলজি – নীল গেইম্যান

    নিল গেইম্যান এক পাতা গল্প224 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অমরত্বের আপেল ফল

    অন্য আরেক সময়ে তিনজন দেবতা জতুনহাইমের প্রান্তে পাহাড়ি অঞ্চল পরিভ্রমণ করছিল। এবার তারা তিনজন ছিল থর লোকি আর হোনির (হোনির একজন প্রাচীন দেবতা, তিনি মানুষকে যুক্তিবিদ্যা শিক্ষা দিয়েছেন।) ঐ পাহাড়ি অঞ্চলে খাবার খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছিল, আর দেবতারা খুবই ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছিল।

    তারা দূরে একটা শব্দ শুনতে পেল, একটা গরুর হাম্বা ডাক, শুনে তাদের ঠোঁটে হাসি ফুটল, ক্ষুধার্ত দেবতারা এই ভেবে খুশি হলো, তারা আজ রাতে ভালো খাবার পাবে। তারা সবুজ উপত্যকায় নেমে এলো, জীববৈচিত্র্যে ভরপুর এলাকা, যেখানে বিশাল ওক আর উঁচু পাইন গাছেরা তৃণভূমি আর পানির ধারার চতুর্দিক ঘিরে রেখেছে। তারা একপাল গরু চরে বেড়াতে দেখল, যারা উপত্যকার ঘাস আর পানি খেয়ে বড় আর মোটাতাজা হয়েছে।

    তারা একটা গর্ত খুঁড়ল আর সেখানে আগুন জ্বালাল। একটা ষাঁড় জবাই করে আগুনের কয়লার মধ্যে ঢুকিয়ে দিল আর আগুনের তাপে খাবার সিদ্ধ হওয়ার অপেক্ষায় থাকল।

    তারা কয়লার ভিতর থেকে ষাঁড়টি বের করল, কিন্তু মাংস তখনো কাঁচা আর রক্তাক্ত দেখতে পেল।

    আবার তারা আগুন জ্বালাল। আবার তারা অপেক্ষা করল। আবারো দেখা গেল, আগুনের তাপে মাংস এমনকি উত্তপ্তও হয়নি।

    “তোমরা একটা কিছু শুনতে পাচ্ছ?”

    “কী?” জানতে চাইল হোনির। “আমি কিছুই শুনতে পাইনি।”

    “আমি শুনেছি,” বলল লোকি। “ভালো করে শোনো।”

    তারা মনোযোগ দিয়ে শুনল আর পরিষ্কার শুনতে পেল। কেউ একজন তাদের নিয়ে হাসছে।

    তিন দেবতা তাদের চারপাশে তাকাল কিন্তু বিশাল উপত্যকায় কাউকেই দেখা যাচ্ছিল না, শুধু তারা তিনজন আর একপাল গরুকে তারা দেখতে পেল।

    লোকি কী ভেবে উপরে তাকাল।

    সবচেয়ে বড় গাছটির সবচেয়ে মগডালে একটা ঈগল বসে ছিল। একটা বিরাট ঈগল, এত বড় ঈগল তারা আগে কখনো দেখেনি, আর ঈগলটা তাদের দিকে তাকিয়ে হাসছিল।

    “তুমি কি জানো কেন আগুন আমাদের খাবার সিদ্ধ করতে পারছে না?” জানতে চাইল থর।

    “আমি হয়তো জানি,” জবাব দিল ঈগল। “হুম, মনে হচ্ছে তোমরা খুবই ক্ষুধার্ত। তোমরা কেন তোমাদের খাবার কাঁচা খাচ্ছ না? ঈগলরা তো তাই করে। আমরা আমাদের চঞ্চু দিয়ে মাংস ছিঁড়ে খাই। কিন্তু তোমাদের তো চঞ্চ নেই, তাই না?”

    “আমরা ক্ষুধার্ত,” বলল হোনির। “তুমি কি আমাদের খাবার রান্নায় সহায়তা করতে পারো?”

    “আমার মনে হয়,” বলল ঈগল, “তোমাদের আগুনে জাদু করা আছে, যাতে তোমাদের আগুনের সব শক্তি আর তাপ শেষ হয়ে যাচ্ছে। তোমরা যদি তোমাদের খাবার থেকে কিছু মাংস আমাকে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দাও, আমি তোমাদের আগুনের শক্তি ফিরিয়ে দিতে পারি।”

    “আমরা কথা দিচ্ছি,” বলল লোকি। “আমাদের খাবার রান্না হলে তুমি তোমার অংশ পেয়ে যাবে।”

    ঈগল তৃণভূমির ওপর দিয়ে উড়ে গেল, তার পাখার ঝাপটায় দমকা হাওয়া উঠল, হাওয়ার বেগ এত প্রবল যে, গর্তের কয়লা দাউদাউ করে জ্বলে উঠল, দেবতারা বাতাসের ঝাপটা থেকে বাঁচতে একে অপরকে ধরে রাখল। ঈগল এক চক্কর ঘুরে আবার বৃক্ষের মগডালে গিয়ে বসল।

    এবার তারা আশান্বিত মনে আগুনে মাংস রাখল আর অপেক্ষা করল। সময়টা ছিল গ্রীষ্মকাল, যখন উত্তরে সূর্য কমই অস্ত যায়, দিন অনেক বড় হয়, তাই সময়টা ছিল গভীর রাত কিন্তু তারা যখন গর্ত খুলে খাবার বের করল, তখনো দিনের আলো ছিল। তারা দেখল, মাংস নরম হয়ে এসেছে, চমৎকার সুঘ্রাণ ছড়াচ্ছে, খাবার তাদের ছুরি আর দাঁত ব্যবহারের জন্য একেবারে তৈরি

    গর্ত থেকে যখন রান্না হওয়া ষাঁড়টি বের করা হলো, ঈগলটি গাছের ওপর থেকে উড়ে এলো আর ষাঁড়ের পিছনের দুই পা আর পিঠের এক অংশে লম্বা নখর দিয়ে থাবা বসাল আর বিশাল চঞ্চু দিয়ে মাংস ছেঁড়ার উপক্রম করল। নিজেদের খাবারের একটা বড় অংশ ঈগলের পেটে যাবে, এটা ভেবে লোকি রেগে গেল আর ঈগলটাকে তাড়িয়ে খাবার রক্ষার জন্য তার বর্শা দিয়ে আঘাত করল।

    ঈগল খাবার ঠোঁট থেকে ফেলে দিল আর এত জোরে ডানা ঝাপটাল যে, বাতাসের ধাক্কায় দেবতারা প্রায় উড়ে যাওয়ার উপক্রম হলো। লোকি তার সাফল্য উদযাপন করার সময় পেল না কারণ, সে দেখল বর্শাটি ঈগলের পাশে আটকে গেছে আর ঈগলটি উড়ে যেতে যেতে তাকেও শূন্যে তুলে ফেলেছে।

    লোকি তার বর্শাটি ছেড়ে দিল কিন্তু তার হাত বর্শার হাতলে আটকে গিয়েছিল, সে ছুটতে পারল না।

    ঈগল নিচু হয়ে উড়ে গেল আর লোকির পা নুড়ি-পাথর, পাহাড়ের ধার আর গাছে ঘষা খেতে লাগল। লোকি জাদুমন্ত্রের উপস্থিতি টের পেল, আর বুঝল এটা খুবই শক্তিশালী জাদু।

    ‘থাম,” চিৎকার করল লোকি, “দয়া করে থাম। তুমি আমার হাত ছিঁড়ে ফেলবে। আমার জুতো ইতোমধ্যে নষ্ট হয়ে গেছে। তুমি তো আমাকে মেরেই ফেলবে।” ঈগল পাহাড়ের পাশ হতে উড়ে গেল আর উঁচুতে চক্কর কাটতে লাগল। “আমি সম্ভবত তোমাকে মেরেই ফেলব,” বলল ঈগল।

    “আমাকে নিচে নামিয়ে দাও, তুমি যা বলো, আমি তাই করব,” বাতাসে খাবি খেল লোকি, “শুধু আমাকে নিচে নামিয়ে দাও।”

    “আমি ইডুনকে চাই,” বলল ঈগল। আমি তার আপেলগুলো চাই। অমরত্বের আপেল।”

    লোকি বাতাসের ভেসে থাকল। তার কাছ থেকে মাটি অনেক দূরের পথ।

    ইডুন কাব্যের দেবতা ব্রাগিকে বিয়ে করেছিল, সে খুব মিষ্টভাষী, ভদ্র আর দয়ালু ছিল। তার সাথে এশ কাঠের একটা বাক্স থাকত, যেটার ভিতরে থাকত কিছু সোনালি আপেল। যখন দেবতারা অনুভব করত বয়স তাদের স্পর্শ করেছে, তাদের চুল সাদা করে দিচ্ছে আর তাদের হাড়ে গেঁটে বাত হয়েছে, তারা ইডুনের কাছে যেত। ইডুন তার বাক্স খুলত আর তাদের একটি আপেল খেতে দিত। তারা যখন আপেলটি খেত, তাদের যৌবন আর শক্তিমত্তা আবার ফিরে আসত। ইডুনের আপেল না থাকলে দেবতারা আর অমর দেবতা থাকত না।

    “তুমি কিছু বলছো না,” বলল ঈগল, “আমি তোমাকে আরো কিছু পাথর আর পাহাড়ের ওপর দিয়ে টেনে নিয়ে যাব। এবার আমি তোমাকে গভীর নদীর ওপর দিয়েও টেনে নিয়ে যেতে পারি।”

    “আমি তোমাকে আপেলগুলো এনে দেব” বলল লোকি। “আমি প্রতিজ্ঞা করছি আমাকে শুধু নিচে নামিয়ে দাও।”

    ঈগল কিছুই বলল না, কিন্তু ডানার এক ঝাপটায় সে সবুজ তৃণভূমিতে নেমে এলো, যেখান থেকে আগুনের ধোঁয়া উঠছিল। ঈগল হুশ করে আগুনের ওপর দিয়ে উড়ে গেল আর লোকি নিজেকে সবুজ ঘাসে পড়ে থাকতে দেখতে পেল। একটা চিল-চিৎকার করে ঈগল পাখা ঝাপটে দূরে উড়ে গেল, দূর থেকে তাকে দেখতে একটা ছোট বিন্দুর মতো লাগছিল।

    “আমি ভাবছি, এটা কী ঘটল,” বলল থর।

    “আমিও তাই ভাবছি, কী যে সব ঘটে গেল!” জবাব দিল লোকি।

    “আমরা তোমার জন্য কিছু খাবার রেখেছি,” বলল হোনির।

    লোকির ক্ষুধা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তার সহযাত্রীরা ভাবল বাতাসে ঈগলের সাথে যুদ্ধ করে বুঝি তার ক্ষুধা নষ্ট হয়ে গেছে।

    তারা এসগার্ডে ফিরে চলল, ফিরতি পথে তেমন কোনো চমকপ্রদ ঘটনা ঘটল না। পরদিন ইডুন এসগার্ডে হেঁটে বেড়াচ্ছিল, দেবতাদের সাথে কুশল বিনিময় করছিল আর তাদের চেহারার দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখছিল, তাদের কাউকে বয়স্ক দেখাচ্ছে কি না। সে লোকিকে পাশ কাটিয়ে গেল। সাধারণত লোকি ইডুনকে পাত্তা দিত না, কিন্তু আজ লোকি ইডুনকে দেখে হাসল আর কুশল জানতে চাইল I

    “ইডুন! তোমাকে দেখে খুশি হলাম। আমার মনে হচ্ছে, আমার বয়স বেড়ে গেছে,” বলল লোকি। “তোমার একটা আপেল আমার খাওয়া দরকার।”

    “তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে না, তোমার বয়স কিছুমাত্র বেড়েছে,” বলল ইডুন।

    “আমি বয়স লুকিয়ে রাখি,” বলল লোকি, “কিন্তু আমার কোমরে অনেক ব্যথা। আমার মনে হচ্ছে, আমি বুড়ো হয়ে গেছি।”

    ইডুন তার এশ কাঠের বাক্সটি খুলে লোকিকে একটা সোনালি আপেল দিল।

    লোকি আগ্রহের সাথে সবটা আপেল খেলো, এমনকি খোসা আর বীজও বাদ দিল না, কিন্তু খাওয়া শেষ করেই মুখ বাঁকাল।

    “ওহ ইডুন”, বলল সে, “আমি ভেবেছিলাম, তোমার কাছে আরো ভালো আপেল আছে।”

    “তুমি তো অদ্ভুত কথা বলছো,” বলল ইডুন। তার আপেল নিয়ে এমন কথা এর আগে কেউ কখনো বলেনি। দেবতারা সাধারনত আপেলটার স্বাদ কতটা চমৎকার ছিল আর আপেলটা খেয়ে নিজেকে কেমন যুবক মনে হচ্ছে, এ ধরনের কথা বলে থাকে। “লোকি, এগুলো দেবতাদের আপেল। অমরত্বের আপেল।”

    লোকির ভাবের কোনো পরিবর্তন হলো না।

    “তা ঠিক” বলল সে। “কিন্তু আমি বনে কিছু আপেল দেখেছি, যেগুলো সব দিক থেকে তোমার আপেলের চেয়ে ভালো। তোমার আপেলের চেয়ে দেখতে সুন্দর, ঘ্রান ভালো, স্বাদেও চমৎকার। আমার মনে হয়, সেগুলোও অমরত্বের আপেল। হয়তো সেগুলো তোমার আপেলগুলোর চেয়ে ভালো অমরত্ব দেবে।”

    লোকি ইডুনের চেহারায় অবিশ্বাস আর বিভ্রান্তি খেলে যেতে দেখল।

    “আমার আপেলগুলোই অমরত্বের আপেল, এই আপেল আর কোথাও নেই,” বলল ইডুন।

    লোকি কাঁধ ঝাঁকাল। “আমি যা দেখেছি, তোমাকে তাই বললাম,” বলল সে।

    ইডুন লোকির পাশে পাশে হাঁটতে লাগল। “সেই আপেলগুলো কোথায় পাওয়া যাবে?” জানতে চাইল সে।

    “ঐদিকে। জায়গাটা কোথায় সঠিক বলতে পারব না, কিন্তু আমি তোমাকে বনের ভেতর দিয়ে তোমাকে সেখানে নিয়ে যেতে পারব। খুব বেশি দূরে না।”

    ইডুন যেতে রাজি হলো।

    “কিন্তু যখন আমরা আপেল গাছটি দেখব,” বলল লোকি, তোমার এই এশ কাঠের বাক্সের আপেলের সাথে গাছের আপেলের কীভাবে তুলনা করব? মানে, আমি হয়তো বলতে পারি, বনের গাছের আপেলগুলো তোমার আপেলের চেয়ে ভালো। তুমি হয়তো বলবে, অবশ্যই না, আমার আপেলগুলোই ভালো, আমরা কীভাবে বুঝব?”

    “কোনো চিন্তা নেই,” বলল ইডুন, “আমি আমার আপেলগুলো সাথে নেব। আমরা দুই আপেল পাশাপাশি রেখে তুলনা করব।”

    ওহ,” বলল লোকি, “খুবই চমৎকার আইডিয়া। ঠিক আছে তাহলে। চল যাই।”

    লোকি ইডুনকে বনের ভিতর দিয়ে নিয়ে চলল। ইডুন তার অমরত্বের আপেল ভরা বাক্স শক্ত করে ধরে ছিল।

    আধঘণ্টা হাঁটার পর ইডুন বলল, “লোকি, আমার এখন মনে হচ্ছে, এরকম আপেলও নেই, আপেল গাছও না।”

    “তোমার কথা শুনে কষ্ট পেলাম,” বলল লোকি। “ওই যে পাহাড় দেখছো, ওটার চূড়ায়ই আপেল গাছটি আছে।”

    তারা পাহাড়ের চূড়ায় উঠল। “এখানে কোনো আপেল গাছ নেই,” বলল ইডুন। “শুধু একটা লম্বা পাইন গাছ আছে, আর গাছের মাথায় একটা ঈগল বসা।”

    “এটা কি একটা ঈগল?” জানতে চাইল লোকি। “এটা তো অনেক বড়।”

    ঈগলটা যখন তাদের কথা শুনল, সে তার ডানা ঝাপটাল আর উড়ে পাইন গাছের মগডাল থেকে নিচে নেমে এলো।

    “আমি আসলে ঈগল নই”, বলল বিশাল ঈগল, “আমি দানব থিয়াজি, ঈগলের বেশে আছি। এখন আমি সুন্দরী ইডুনকে নিয়ে যাব। তুমি আমার মেয়ে স্কাডির সখী হবে। একসময় হয়তো তুমি আমার স্ত্রীও হতে পার। কিন্তু যাই ঘটুক না কেন, এসগার্ডের দেবতাদের সময় আর অমরত্ব, দুটাই শেষ হয়ে গেছে। এই আমি বলছি। দানব থিয়ালজি বলছি।”

    ঈগল তার এক পায়ের থাবায় ইডুন আর অন্য থাবায় এশ কাঠের বাক্সটি নিয়ে উড়ে চলে গেল।

    “তাহলে জানা গেল ঈগলটি কে ছিল,” লোকি নিজেকেই বলল, “আমি জানতাম, এটা শুধুমাত্র একটা ঈগল নয়, অন্য কেউ!”

    লোকি এসগার্ডে ফিরে এলো আর আশা করল, ইডুন আর তার আপেলগুলো যে গায়েব হয়ে গেছে, এটা কেউ খেয়াল করবে না, আর যদি খেয়াল করেও, সে যে ইডুনকে বনে নিয়ে গেছে, এটা কেউ টের পাবে না।

    “তোমাকে সর্বশেষ ইডুনের সাথে দেখা গেছে,” ডান হাতের মুঠি পাকিয়ে বলল থর।

    “একদমই সত্যি নয়,” বলল লোকি। “কেন তুমি এসব কথা বলছো?”

    “কারণ তুমি অন্যদের মতো এত বুড়ো হওনি,” জবাবে বলল থর।

    “আমারও বয়স বেড়েছে, কিন্তু আমি ভাগ্যবান,” বলল লোকি, “আমি বয়সের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে পেরেছি।”

    থর মৃদু গর্জন করল, তাকে মোটেই লোকির কথায় সন্তুষ্ট মনে হলো না। তার লাল দাড়ি পুরোই সাদা হয়ে গেছে, মাঝেমধ্যে কয়েকটা কমলা দাড়ি দেখা যাচ্ছে, যেন এককালের জ্বলন্ত লাল আগুন সাদা ছাইয়ে পরিণত হয়েছে।

    “তাকে আবার আঘাত করো,” বলল ফ্রেয়া। তার লম্বা চুলগুলো এখন ধূসর হয়ে গেছে আর মুখে গভীর বলিরেখা দেখা যাচ্ছে। তাকে এখনো সুন্দরী দেখাচ্ছে, কিন্তু সেটা বয়সের সৌন্দর্য, যুবতী কন্যার সৌন্দর্য নয়। “ সে জানে, ইডুন কোথায় আছে, সে এটাও জানে ইডুনের আপেলগুলো কোথায় আছে।” উজ্জ্বল কণ্ঠহারটা তার গলায় এখনো ঝুলছে, কিন্তু সেটাকেও ধূসর আর পুরোনো দেখাচ্ছে।

    সকল দেবতাদের পিতা, ওডিন, তার গেঁটে বাতে দুর্বল হয়ে যাওয়া হাত তুলল। আগে তার যে বজ্রকণ্ঠে চতুর্দিক প্রকম্পিত হতো, সেটাও আজ ভাঙা আর নির্জীব শোনাল। “লোকিকে আঘাত করো না, থর,” বৃদ্ধ গলায় বলল ওডিন।

    “দেখেছ তোমরা, আমি জানতাম, আপনি অন্তত বুঝদার লোকের মতো আচরণ করবেন, মহামান্য বিশ্বপিতা,” বলল লোকি। “আমি এসবের কিছুই জানি না। ইডুন কেন আমার সাথে কোথাও যাবে? সে তো আমাকে পছন্দই করে না।”

    “তাকে আঘাত করো না,” পুনরায় বলে উঠল ওডিন, নিজের ধূসর হয়ে আসা একচোখে লোকিকে ভালো করে দেখল। “তাকে শাস্তি দেয়া শুরু করার আগে আমি তাকে অক্ষত দেখতে চাই। তারা আগুন প্রস্তুত করছে, অস্ত্রে ধার দিচ্ছে আর পাথর সংগ্রহ করছে। আমরা হয়তো বুড়ো হয়েছি কিন্তু আমরা এখনো শাস্তি দিতে পারি, এমনকি হত্যাও করতে পারি, যদিও ইডুনের আপেল খেয়ে যেমন জোয়ান আমরা ছিলাম, এখন আর তেমনটা নেই।”

    পোড়া কয়লার গন্ধ লোকির নাকে পৌঁছাল।

    “যদি….” বলল লোকি। “যদি আমি বের করতে পারি ইডুনের কী হয়েছে, আর যদি কোনোভাবে আমি ইডুন আর তার আপেলগুলোকে নিরাপদে এসগার্ডে ফেরত আনতে পারি, আপনি কি শাস্তি আর মৃত্যুদণ্ড থেকে আমাকে রেহাই দেওয়ার কথা বিবেচনা করবেন?”

    “এটা তোমার বাঁচার একমাত্র রাস্তা,” বৃদ্ধ আর ভাঙা গলায় বলল ওডিন, ওডিনের গলা এতই ভাঙা আর বৃদ্ধ শোনাচ্ছিল যে লোকি ভাবল এটা কি বৃদ্ধের গলা বাকি বৃদ্ধার গলার মতো শোনাচ্ছে? “ইডুনকে এসগার্ডে ফেরত আনো। একই সাথে অমরত্বের আপেলগুলোও।”

    লোকি মাথা ঝোঁকাল। “শেকলগুলো খুলে দাও,” সে তাদের বলল। “আমি কাজটা করব। এজন্য আমার ফ্রেয়ার ঈগল-পালকের আলখেল্লাটা দরকার।”

    “আমার আলখেল্লা?” জানতে চাইল ফ্রেয়া।

    “হ্যাঁ, তোমার আলখেল্লাটাই আমার চাই।”

    ফ্রেয়া অস্বস্তিকর ভঙ্গিতে হেঁটে গেল আর তার ঈগলের পালকের আলখেল্লা নিয়ে ফিরে এলো। লোকির শেকল খুলে দেওয়া হলো আর সে আলখেল্লা নিতে গেল।

    “তুমি ভেবনা যে তুমি আলখেল্লা পরে উড়ে যাবে আর ফিরে আসবে না,” বলল থর, সে তার সাদা দাড়িতে হাত বুলাল, “আমি হয়তো বুড়ো হয়েছি,” বলল সে, “কিন্তু তুমি যদি ফিরে না আসো, আমি যত বুড়োই হই না কেন, তোমাকে আমি খুঁজে বের করে আনব, যেখানেই তুমি লুকাও, তোমার রেহাই নেই, আমার এই হাতুড়ি তোমার মৃত্যুর কারণ হবে। আমি এখনো থর আছি। আমি এখনো শক্তিশালী!”

    “তুমি এখনো চূড়ান্ত বিরক্তিকরই আছ,” বলল লোকি। “কথায় সময় ব্যয় না করে তোমার শক্তিকে কাজে লাগাও। এসগার্ডের প্রাচীরের বাইরে একটা অনেক বড় কাঠের স্তূপ তৈরি করো। এর জন্য তোমাকে অনেক অনেক গাছ কাটতে হবে আর সেগুলোকে ছোট ছোট টুকরো করতে হবে। দেওয়ালের ধার ঘেঁষে আমার একটা লম্বা আর উঁচু কাঠের স্তূপ চাই, সুতরাং এখনই কাজ শুরু করো।”

    লোকি ঈগল পালকের আলখেল্লাটি ভালো করে গায়ে জড়িয়ে নিল আর ঈগলে রূপান্তরিত হলো, ডানা ঝাপটে আকাশে উড়ে গেল। সে উত্তর দিকে রওনা হলো, তুষার দানবদের রাজ্যের উদ্দেশে।

    লোকি অনবরত উড়তে উড়তে দানব রাজ্যের গভীরে দানব থিয়াজির দুর্গে পৌঁছে গেল। আর দুর্গের চূড়ায় গিয়ে বসল, নিচের সবকিছু তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষণ করতে লাগল।

    সে থিয়াজিকে দেখতে পেল, থিয়াজি এখন দানবের রূপে ছিল। লোকি দেখল থিয়াজি তার দুর্গ থেকে বেরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একটা নৌকার কাছে গেল, নৌকাটা একটা বৃহৎ তিমির চেয়েও বড়। থিয়াজি নৌকাটাকে টেনে উত্তর সাগরের ঠান্ডা জলে টেনে নামাল আর বিশাল বিশাল দাঁড় বেয়ে সমুদ্রের গভীরে নিয়ে চলল, কিছুক্ষণের মধ্যেই নৌকাটি দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে গেল।

    ঈগলের বেশে থাকা লোকি দুর্গের পাশ দিয়ে উড়ে উড়ে প্রতিটি জানালা দিয়ে ভিতরে দেখতে লাগল। সবচেয়ে ভিতরের একটি কক্ষে সে ইডুনকে দেখতে পেল। সে দেখল ইডুন বসে বসে কাঁদছে। লোকি উড়ে গিয়ে জানালার শিকে বসল।

    “কান্না থামাও,” বলল লোকি, “এই যে দেখ, আমি লোকি, তোমাকে রক্ষা করতে এসে গেছি।”

    ইডুন তার কাঁদতে কাঁদতে লাল হয়ে যাওয়া চোখে ফিরে তাকাল। “তোমার কারণেই আমার আজ এই দুর্দশা,” বলল ইডুন।

    “কথা অনেকটা সত্য বলেছ। কিন্তু সেটা অনেক আগের কথা। ওটা ছিল আরেক লোকি। আজকের লোকি তোমাকে বাঁচাতে এসেছে, তোমাকে ঘরে ফিরিয়ে নিতে এসেছে।”

    “কীভাবে?” জানতে চাইল ইডুন।

    “তোমার সাথে কি আপেলগুলো আছে?”

    “আমি একজন এসির দেবী,” বলল ইডুন, “আপেলগুলো সবসময় আমার সাথেই থাকে”, সে লোকিকে আপেলের বাক্সটা দেখাল।

    “তাহলে তো কাজ আরো সহজ হয়ে গেল,” বলল লোকি, “চোখ বন্ধ করো।”

    ইডুন চোখ বন্ধ করল আর লোকি তাকে একটা খোসাসুদ্ধ হ্যাজেলনাটে রূপান্তর করে নিল। লোকি হ্যাজেলনাটের দানাটাকে থাবায় পুরে নিয়ে জানালার শিক গলে উড়ে গেল আর এসগার্ডের দিকে রওনা হয়ে গেল।

    থিয়াজি সেদিন একটা মাছও ধরতে পারল না। একটা মাছও তার বড়শির টোপ গিলল না। সে সিদ্ধান্ত নিল বেকার সময় নষ্ট না করে-দুর্গে ফিরে গিয়ে ইডুনের সাথে সময় কাটানো যাক। ইডুনকে গিয়ে সে বলবে যে ইডুন আর তার আপেলগুলো ছাড়া এসগার্ডের দেবতাদের কী অবস্থা হয়েছে। তারা কেমন বুড়িয়ে থুথুরে হয়ে গেছে, তাদের চামড়া কেমন কুঁচকে গেছে। সে তার নৌকার দাঁড় বেয়ে দুর্গে ফিরে এলো আর সোজা ইডুনের কক্ষে গেল।

    কক্ষে কেউ ছিল না।

    থিয়াজি মাটিতে একটা ঈগলের পালক দেখতে পেল আর মুহূর্তেই বুঝতে পারল কী ঘটেছে, কে কীভাবে ইডুনকে নিয়ে গেছে।

    থিয়াজি একটা বিশাল আর শক্তিশালী ঈগলের বেশে আকাশে উড়ে চলল, সে দ্রুত থেকে দ্রুততর বেগে ডানা ঝাপটিয়ে এসগার্ডের দিকে চলল।

    মাটি তার নিচ দিয়ে সাঁইসাঁই করে চলে যেতে লাগল, সে বাতাসের বেগে ধাবিত হলো, এত দ্রুত উড়ল যে, তার পাশ দিয়ে বাতাস তীক্ষ্ণ শব্দ করে বেরিয়ে যেতে লাগল।

    থিয়াজি উড়তে উড়তে দানবদের রাজ্য পেরিয়ে দেবতাদের রাজ্যে প্রবেশ করল। থিয়াজি যখন একটা ইগলকে তার সামনে উড়তে দেখল, সে একটা তীক্ষ্ণ চিৎকার করে আরো জোরে উড়তে শুরু করল।

    এসগার্ডের দেবতারা এই চিল-চিৎকার আর বাতাসে ডানার ঝাপটার শব্দ শুনল আর প্রাচীরের ওপর গেল কী ঘটছে দেখার জন্য। তারা দেখল একটা ছোট ঈগল তাদের দিকে উড়ে আসছে আর তার ঠিক পিছনেই একটা বিশাল ঈগল উড়ে আসছে।

    “এখন?” জানতে চাইল থর।

    “হ্যাঁ, এখনই,” জবাব দিল ফ্রেয়া।

    থর কাঠের স্তূপে আগুন দিল। এক মুহূর্ত পরই মাথার ওপর দিয়ে ছোট ঈগলটি উড়ে গিয়ে দুর্গের ওপর পৌঁছাল আর তখনি আগুন জ্বলে উঠল। একটা আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের মতো আগুনের শিখা আকাশের দিকে উঠে গেল। বিশাল ঈগলটির ডানায় আগুন ধরে গেল আর সে একটা জ্বলন্ত কুণ্ডলীর মতো আকাশ থেকে মাটিতে খসে পড়ল, তার পড়ার আঘাতে এসগার্ডের দুর্গ আর প্রাচীর কেঁপে উঠল।

    আগুনে পুড়ে যাওয়া ভয়ার্ত ঈগলটি এমনকি এসগার্ডের বুড়ো দেবতাদের জন্যও ভয়ের কারণ হতে পারল না, সে তার ঈগলের বেশ থেকে দানবের বেশে রূপান্তরের পূর্বেই থরের হাতুড়ির এক আঘাতেই সে ধরাশায়ী হলো।

    ইডুন তার স্বামীর কাছে ফিরতে পেরে খুবই আনন্দিত হলো। আর দেবতারা অমরত্বের আপেল খেয়ে তাদের যৌবন আবার ফেরত পেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমেরিকান গডস – নিল গেইম্যান
    Next Article স্টোরিজ – নিল গেইম্যান

    Related Articles

    নিল গেইম্যান

    স্টোরিজ – নিল গেইম্যান

    September 5, 2025
    নিল গেইম্যান

    আমেরিকান গডস – নিল গেইম্যান

    September 4, 2025
    নিল গেইম্যান

    আনানসি বয়েজ – নিল গেইম্যান

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }