Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নর্স মিথোলজি – নীল গেইম্যান

    নিল গেইম্যান এক পাতা গল্প224 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রাগনারক : দেবতাদের শেষ পরিণতি

    আজ পর্যন্ত আমি যেসব ঘটনার কথা বলেছি, সেগুলো অতীতে ঘটে গেছে, অনেক অনেক সুদূর অতীতে।

    এখন আমি তোমাদের বলব, ভবিষ্যতে কী ঘটবে।

    আমি তোমাদের বলব, কীভাবে সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে আর আবার কীভাবে সবকিছু শুরু হবে। এগুলো সব খারাপ সময়ের কথা, গোপন কথা, যখন দুনিয়া ধ্বংস হবে আর দেবতাদের মৃত্যু হবে। মনোযোগ দিয়ে শোনো, তুমি অনেক কিছু জানতে পারবে।

    আমি এখন বলব, কীভাবে আমরা বুঝব শেষ সময় এসে গেছে। এসব ঘটনা ঘটবে দেবতাদের সময়ের অনেক পরে, মানুষের যুগে। সেই সময়ে, যখন সকল দেবতারা ঘুমিয়ে থাকবে, একমাত্র সর্বদ্রষ্টা হাইমডেল বাদে। হাইমডেল ধ্বংসযজ্ঞের শুরু হতে দেখবে, কিন্তু সেটা থামানোর শক্তি তার থাকবে না।

    শীতকালের আগমনের মধ্য দিয়ে সবকিছুর সূত্রপাত হবে।

    এটা কোনো সাধারণ শীতকাল হবে না। শীতকাল শুরু হবে, আর সেটা চলতে থাকবে,

    শীতের পর আবার শীত আসবে। কোনো বসন্ত আসবে না, কোনো উত্তাপের দেখা মিলবে না। লোকেরা ক্ষুধায় কাতর হবে, শীতে কাবু হবে আর তারা খুব ক্ষুব্ধ হবে। সারা দুনিয়ায় বড় বড় যুদ্ধ সংঘটিত হবে।

    ভাই ভাইয়ের সাথে যুদ্ধ করবে, পিতা পুত্রকে হত্যা করবে। মা আর মেয়ে একে অপরের সাথে লড়াই করবে। বোনেরা নিজেদের মধ্যে সংঘাতে লিপ্ত হবে আর নিজেদের সন্তানদের হত্যা হয়ে যেতে দেখবে।

    ঝড়ো বাতাসের দিন আসবে, মানুষ নেকড়ের মতো হিংস্র হয়ে যাবে, জংলী জানোয়ারের মতো হয়ে যাবে আর একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়বে। মানব সভ্যতার গোধূলিলগ্ন এসে যাবে, মানুষের বসতিগুলোতে আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে যাবে আর ধ্বংস হয়ে যাবে।

    তারপর, যখন অল্প কিছু বেঁচে যাওয়া মানুষ পশুর মতো দুনিয়ার বুকে অবশিষ্ট থাকবে, আকাশ থেকে সূর্য হারিয়ে যাবে, নেকড়ে সেটা খেয়ে ফেলবে, চাঁদও হারিয়ে যাবে, আকাশে কেউ আর কোনো তারাও দেখতে পাবে না। বাতাস, ছাই আর কুয়াশার মতো অন্ধকার ঘনিয়ে আসবে।

    সময়টা হবে শেষ না হওয়া অনন্ত শীতকাল, যাকে বলা হয় ফিমবুলউইন্টার।

    চতুর্দিক থেকে তুষার আসতে থাকবে, ঝড়ো হাওয়া চলতে থাকবে, এতটাই ঠান্ডা পড়বে, যেটা কল্পনারও অতীত, সেই বরফ ঠান্ডায় শ্বাস নিলে মনে হবে বুকে ব্যথা হচ্ছে, চোখের জলও চোখেই জমে বরফ হয়ে যাবে। এই শীত থেকে বাঁচার জন্য কোনো বসন্ত আসবে না, আসবে না কোনো গ্রীষ্ম বা শরৎকাল। শুধু শীতের পর শীত আসবে, তার পরেও শীত আসবে।

    তারপর আসবে মহা ভূমিকম্পের সময়। পাহাড়গুলো সেই ভূমিকম্পে ধসে পড়বে। গাছপালা সব উপড়ে যাবে। মানুষ বাস করত, এমন অবশিষ্ট সব জায়গা ধ্বংস হয়ে যাবে।

    ভূমিকম্প এত শক্তিশালী হবে যে, সকল বাঁধন টুটে যাবে, সকল রশি আর শিকল ছিঁড়ে যাবে।

    সকল বন্ধন মুক্ত হয়ে যাবে।

    বিরাট নেকড়ে ফেনরির নিজেকে শিকল থেকে মুক্ত করে নেবে। সে তার মুখ হা করবে, তার উপরের চোয়াল স্বর্গের কাছে পৌঁছে যাবে আর নিচের চোয়াল পৃথিবী স্পর্শ করবে। তার সামনে কোনোকিছুই টিকতে পারবে না, সে যে কোনোকিছুকে খেয়ে ধ্বংস করে ফেলতে পারবে। তার চোখ আর নাসারন্ধ্র দিয়ে আগুন বেরিয়ে আসতে থাকবে।

    নেকড়ে ফেনরির যেদিকে যাবে, সেখানে শুধু আগুন আর ধ্বংস চোখে পড়বে। বিশাল জলোচ্ছ্বাস হবে, সমুদ্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ভূমিকে গ্রাস করবে। বিশাল আর ভয়ানক মিডগার্ডের সর্প জরমুনগুন্ডার, ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ক্রমেই ভূমির কাছে আসতে থাকবে। তার বিষদাঁত থেকে বিষ বেরিয়ে আসতে থাকবে আর সমুদ্রের পানিতে মিশে সমুদ্রের সব প্রাণীকে হত্যা করবে। সে বাতাসে কালো বিষ কুয়াশার মতো ছিটাবে, আর তাতে সকল সামুদ্রিক পাখি সেই বাতাসে শ্বাস নিয়ে মারা যাবে। সমুদ্রে কোনো প্রাণী জীবিত থাকবে না। সামুদ্রিক তিমি আর অন্যান্য সব মাছ, সীল আর সমুদ্র দানবদের মরা-পচা দেহ ঢেউয়ের সাথে তীরে উঠে আসবে।

    তখনো জীবিত লোকেরা, যারা লোকির পুত্র দুই ভাই নেকড়ে ফেনরির ও মিডগার্ডের সর্পের দেখা পাবে, দুই ভাইয়ের হাতেই তাদের মৃত্যু হবে।

    এটাই সকল কিছু শেষ হওয়ার প্রারম্ভ হবে।

    কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ দুই টুকরো হয়ে যাবে আর বাচ্চাদের চিৎকার শোনা যাবে, মাসপেলের সন্তানেরা আকাশ থেকে নেমে আসবে, তাদের সামনে থাকবে সুরটার, তার হাতে থাকবে জ্বলন্ত তলোয়ার, সেটা এত উজ্জ্বল হবে যে, কোনো মরণশীল মানুষ তার দিকে তাকাতে পারবে না। তারা রংধনু সেতু দিয়ে ঘোড়ায় চড়ে বাইফ্রস্টের দিকে এগুতে থাকবে, তাদের পায়ের নিচে রংধনুর সেতু কাঁপতে থাকবে, রংধনুর উজ্জ্বল রং কয়লা আর ছাইয়ের মতো কালো হয়ে যাবে। তারপর থেকে আর কোনোদিন আকাশে রংধনু দেখা যাবে না।

    পৃথিবীর গভীরে বন্দি থাকা লোকি তার বন্ধনমুক্ত হয়ে নাগালফার নামক জাহাজের নাবিক হবে। এটা হলো সবচেয়ে বড় জাহাজ, এত বড় জাহাজ আর কখনো তৈরি হয়নি, এটা মৃতদের নখর থেকে তৈরি হয়েছে। নাগালফার উত্তাল সমুদ্রে ভেসে আসবে, নাবিকেরা বাইরে তাকিয়ে শুধু মৃতদেহ দেখবে, দেখবে পচা মৃতদেহ সমুদ্রের পানিতে ভেসে আছে।

    লোকি জাহাজটা চালিয়ে নিয়ে আসবে কিন্তু জাহাজের ক্যাপ্টেন হবে হাইরাম, তুষার দানবদের নেতা। বেঁচে যাওয়া বিশাল সব তুষার দানবরা সবাই হাইরামের সাথে আসবে। শেষ যুদ্ধে তারা হাইরামের অধীনে যুদ্ধ করবে।

    হেলের সৈন্যবাহিনী লোকির সহযোদ্ধা হবে। এর হলো সেই মৃতের দল, যারা লজ্জাজনক মৃত্যু লাভ করেছিল। তারা আবার জীবিত হয়ে পৃথিবীতে ফিরে আসবে, পৃথিবীর বুকে যারা তখনো জীবিত আছে তাদের শেষ করার জন্য।

    মৃতরা, দানবেরা আর মাসপেলের জ্বলন্ত সন্তানেরা সবাই ভিগ্রিড নামক যুদ্ধক্ষেত্রে এসে জড়ো হবে। ভিগ্রিড এক বিশাল প্রান্তর, লম্বায় তিনশ মাইল। নেকড়ে ফেনরির সেখানে উপস্থিত হবে, আর মিডগার্ডের সর্পও উত্তাল সমুদ্র পেরিয়ে ভিগ্রিডের খুব কাছে এসে যাবে আর শরীর মুচড়ে তীরের বালিতে নিজেকে উঠিয়ে দেবে, তার মাথা আর প্রথম এক মাইল অংশই শুধুমাত্র ডাঙায় দেখা যাবে, বাকি অংশ তখনো সমুদ্রেই থেকে যাবে।

    তারা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হবে, সুরটার আর মাসপেলের সন্তানেরা আগুন নিয়ে তৈরি থাকবে, তাদের সাথে থাকবে মাটির গভীর থেকে আসা লোকি আর হেলের যোদ্ধারা, থাকবে হাইরাম আর তুষার দানবেরা, তারা যেখানে দাঁড়াবে কাদামাটি জমে বরফ হয়ে যাবে। তাদের সাথে নেকড়ে ফেনরির থাকবে আর থাকবে মিডগার্ডের সর্প। কল্পনারও অতীত সবচেয়ে ভয়ংকর শত্রুরা সেদিন সবাই একজোট হবে।

    হাইমডেল সবকিছুই ঘটতে দেখবে। সে সবকিছুই দেখে, কারণ সে হলো দেবতাদের প্রহরী। আর এ সবকিছু ঘটে যাওয়ার পরই হাইমডেল তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে।

    হাইমডেল গেলারহর্নে তার সর্বশক্তিতে ফুঁক দেবে, যে গেলারহর্ন একসময় জ্ঞানী মিমিরের ছিল। গেলারহর্নের শব্দে এসগার্ড কেঁপে কেঁপে উঠবে আর শুধুমাত্র তখনই ঘুমন্ত দেবতারা জেগে উঠবে আর তাদের অস্ত্র হাতে বিশ্ববৃক্ষ ইগড্রাসিলের তলায় উরদের কূপের কাছে সমবেত হবে আর ননদের সাথে পরামর্শ করবে।

    ওডিন তার ঘোড়া স্লেইপনিরে চড়ে মিমিরের কূপের কাছে গিয়ে মিমিরের কাটা মুন্ডুর কাছে পরামর্শ চাইবে, নিজের ও দেবতাদের জন্য। মিমিরের মাথা ওডিন ও দেবতাদের ভবিষ্যতের ব্যাপারে ওডিনের কানে কানে ফিসফিস করে তথ্য দেবে, যেমন করে আমি তোমাদের কাছে সব ঘটনা খুলে বলছি।

    ভবিষ্যৎ খুবই অনিশ্চিত হওয়া সত্ত্বেও মিমিরের মন্ত্রণা বিশ্বপিতাকে আশার আলো দেখাবে।

    মহাবৃক্ষ ইগড্রাসিল, যাকে বিশ্ববৃক্ষ বলা হয়, বাতাসে একটা পাতা যেমন করে কাঁপে, ঠিক তেমন করে কাঁপতে থাকবে আর এসির দেবতারা যুদ্ধের পোশাক পরে তৈরি হবে, তাদের সাথে যোগ দেবে আইনহারজারেরা, এরা হলো সেই লোকেরা যারা যুদ্ধে বীরের মতো মৃত্যু লাভ করেছিল। দেবতারা আর আইনহারজাররা মিলে ঘোড়ায় চড়ে শেষ যুদ্ধের ময়দান ভিগ্রিডে এসে হাজির হবে।

    তাদের সবার সামনে থাকবে ওডিন। তার বর্ম জ্বলজ্বল করবে আর তার মাথায় থাকবে সোনালি শিরস্ত্রাণ। মিওলনির হাতে ধর তার সঙ্গী হবে।

    তারা সবাই যুদ্ধের ময়দানে পৌঁছাবে আর শেষ যুদ্ধ শুরু হবে।

    ওডিন সোজা ফেনরিরের দিকে তার ঘোড়া ছোটাবে। নেকড়ে ফেনরির এখন কল্পনাতীত আকারের বড় হয়ে গেছে। বিশ্বপিতা হাতের মুঠিতে তার বর্শা . গাংনীর শক্ত করে ধরে সামনে অগ্রসর হবেন।

    থর দেখবে ওডিন নেকড়ের মোকাবিলা করতে গেছে। দেখে থর মুচকি হাসবে আর আরো দ্রুত চলার জন্য তার ছাগলগুলোর ওপর চাবুক হানবে আর তার হাতুড়ি হাতে সোজা মিডগার্ডের সর্প জরমুনগুন্ডারের দিকে এগিয়ে যাবে।

    ফ্রে দানবাকৃতির জ্বলন্ত সুরটারের মুখোমুখি হবে। সুরটারের হাতে থাকবে বিশাল এক জ্বলন্ত তরবারি। ফ্রে প্রাণপণে যুদ্ধ করবে, কিন্তু সুরটারের জ্বলন্ত তরবারির কাছে ফ্রের তরবারি আর বর্ম পরাজিত হবে আর দেবতাদের মধ্যে ফ্রেই প্রথম ধরাশায়ী হবে। মৃত্যুর সময় ফ্রে তার তরবারিটির জন্য আফসোস করবে, যে তরবারিটি বহুদিন আগে সে জার্ডের ভালোবাসা পাওয়ার জন্য স্কিরনিরকে দিয়ে দিয়েছিল। আজ সেটি থাকলে সে নিজেকে বাঁচাতে পারত।

    যুদ্ধের নিনাদে চতুর্দিক ভারী হয়ে উঠবে। ওডিনের যোদ্ধা আইনহারজারেরা লোকির সেনা নরকের মৃতদের সাথে ভয়ানক সংঘর্ষে লিপ্ত হবে।

    নরকের হাউন্ড জার্ম ক্রোধে গর্জন করতে থাকবে। সে আকারে ফেনরিরের চেয়ে ছোট, কিন্তু তবুও সে সকল কুকুরের চেয়ে বড় আর ভয়ংকর। সেও মাটির নিচ থেকে তার বাঁধন ছিঁড়ে পৃথিবীর যোদ্ধাদের গলা ছিঁড়ে ফেলে হত্যা করার জন্য ফিরে আসবে।

    টীর এক হাতবিশিষ্ট টীর তাকে থামাবে আর তাদের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ শুরু হবে। সাহসিকতার সাথে লড়াই করবে, কিন্তু লড়াইতে তাদের দুজনেরই মৃত্যু হবে। টীরের গলা কামড়ে ধরা অবস্থায় জার্মের মৃত্যু হবে।

    থর অবশেষে মিডগার্ডের সর্ম্পকে হত্যা করতে সক্ষম হবে, যেটা করার জন্য অনেকদিন থেকেই ইচ্ছে পোষণ করত।

    থর তার হাতুড়ি দিয়ে বিশাল সর্পের মাথা খ্যাতলে দেবে, সর্পের মাথা মাটিতে লুটিয়ে পড়ার আগেই সে লাফিয়ে পিছনে সরে আসবে।

    সর্পের মাথা যখন মাটিতে আছড়ে পড়বে, থর সেটা থেকে নয় ফুট দূরে থাকবে, কিন্তু সেটা যথেষ্ট হবে না। মরার আগে, সর্প থরের ওপর কালো বিষ ছিটিয়ে তার বিষথলি খালি করে ফেলবে।

    থর ব্যথায় কাতরে উঠবে আর তার হত্যা করা সর্পেরই বিষে মৃত্যুবরণ করে মাটিতে লুটিয়ে পড়বে।

    ওডিন সাহসিকতার সাথে ফেনরিরের সাথে যুদ্ধ করবে, কিন্তু নেকড়ে তখন দুনিয়ার যেকোনোকিছুর চেয়ে বড় আর ভয়ংকর হবে। চন্দ্রের চেয়ে বড়, বড় সূর্যের চেয়েও। ওডিন নেকড়ের মুখের ভিতর তার বর্শা চালাবে, কিন্তু ফেনরিরের এক কামড়ে সেটা অদৃশ্য হয়ে যাবে। নেকড়ে আরেকটা কামড় বসাবে আর কুড়মুড় শব্দ হবে, আর বিশ্বপিতা, দেবতাদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী আর জ্ঞানী ওডিন, নেকড়ের পেটে অদৃশ্য হয়ে যাবে, তাকে আর কখনো দেখা যাবে না।

    চুপচাপ আর নির্ভরযোগ্য দেবতা, ওডিনের পুত্র ভিডার, তার পিতার মৃত্যু দেখবে। সে সামনে এগিয়ে যাবে আর তার পা দিয়ে নেকড়ের নিচের চোয়াল মাটিতে চেপে ধরবে।

    ভিডারের দুই পা দেখতে দুই রকম। তার এক পায়ে সাধারণ জুতা। কিন্তু অন্য পায়ের জুতা সেই সময়ের শুরু থেকেই বানানো হচ্ছে। মানুষ নিজেদের জুতা বানানোর সময় গোড়ালির দিক হতে যে চামড়ার অংশ কেটে ফেলে দেয়, এগুলো জোড়া লাগিয়ে লাগিয়ে এই জুতা তৈরি হচ্ছে।

    (যদি তুমি দেবতাদের শেষ যুদ্ধে সাহায্য করতে চাও, জুতা বানানোর পর চামড়ার টুকরো অংশ ফেলে দাও। চামড়ার টুকরো আর ফেলে দেওয়া অংশ ভিডারের জুতায় পরিণত হবে)

    এই বিশেষ জুতা বিশাল নেকড়ের নিচের চোয়াল মাটির সাথে চেপে রাখবে, ফলে নেকড়ে আর নড়াচড়া করতে পারবে না। তখন ভিডার এক হাত বাড়িয়ে নেকড়ের ওপরের চোয়াল ধরবে আর সেটা নেকড়ের মুখ থেকে ছিঁড়ে নিয়ে আসবে। আর তাতে ফেনরির মারা যাবে এবং ভিডাল তার পিতার মৃত্যুর প্রতিশোধ নেবে।

    ভিগ্রিড ময়দানের যুদ্ধক্ষেত্রে দেবতারা তুষার দানবদের সাথে যুদ্ধ করতে করতে মৃত্যুবরণ করবে, তুষার দানবেরা দেবতাদের সাথে লড়তে লড়তে মারা যাবে। হেলের অর্ধমৃত সৈন্যরা শেষ যুদ্ধের ময়দানে কচুকাটা হয়ে মরে পড়ে থাকবে, আর তাদের পাশেই আইনহারজারেরা মৃত কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশের নিচে শেষবারের মতো মৃত অবস্থায় পড়ে থাকবে, যুদ্ধ করার জন্য আর কখনো তারা বেঁচে উঠবে না।

    লোকির বাহিনীর মধ্যে একমাত্র লোকি বেঁচে থাকবে, তার মুখ রক্তাক্ত, চোখে পাগলা দৃষ্টি আর কাঁটা ঠোঁটের কোণে সন্তুষ্টির হাসি।

    দেবতাদের রক্ষী, রংধনু সেতুর রক্ষক হাইমডেল তখনো জীবিত থাকবে। সে তার রক্তে ভেজা তরবারি হফুড হাতে যুদ্ধক্ষেত্রে দণ্ডায়মান থাকবে।

    ভিগ্রিডের ভিতর দিয়ে মৃতদেহ, রক্ত আর আগুন পেরিয়ে তারা একে অপরের মুখোমুখি হবে।

    “আহ” বলবে লোকি, “দেবতাদের প্রহরী হাইমডেল। তুমি দেবতাদের জাগাতে অনেক দেরি করে ফেলেছ, হাইমডেল। তাদের একে একে মরতে দেখাটা খুবই মজাদার ছিল, তাই না?”

    লোকি হাইমডেলের চেহারায় দুর্বলতা আর আবেগ খুঁজল, কিন্তু হাইমডেল নির্লিপ্তই থাকল।

    “তোমার তাহলে কিছুই বলার নেই, নয় মায়ের সন্তান হাইমডেল? যখন আমি মাটির গভীরে বন্দি ছিলাম, সাপের বিষ আমার মুখের ওপর পড়ছিল, অসহায় সিজিন পাত্র হাতে বিষ ধরতে চেষ্টা করছিল, যখন আমি নিজের ছেলের অস্ত্র দিয়ে বাঁধা ছিলাম, এই সময়টার কথা ভেবেই আমি নিজেকে পাগল হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করেছি, মনে মনে এই দিনটির কথাই চিন্তা করেছি, যখন আমি আর আমার সন্তানেরা দেবতাদের যুগের ইতি ঘটাব আর দুনিয়া ধ্বংস করে দেব।”

    হাইমডেল তখনো কিছুই বলবে না, কিন্তু সে লোকিকে সজোরে আঘাত করবে, আর তার তরবারি লোকির বর্মে আঘাত করবে, লোকি সেই আঘাত ঠেকাবে আর ক্ষিপ্রতার সাথে পালটা আঘাত করবে।

    যুদ্ধ করতে করতে তারা স্মরণ করবে, অনেক দিন আগে তারা একবার যুদ্ধ করেছিল, যখন দুনিয়া অনেক সহজ ছিল। তারা সীলরূপে ফ্রেয়ার কণ্ঠহারের জন্য লড়াই করেছিল, যে কণ্ঠহারটি লোকি ওডিনের কথায় ফ্রেয়ার কাছ থেকে চুরি করেছিল, আর হাইমডেল সেটি উদ্ধার করে ফেরত দিয়েছিল।

    লোকি তার অপমানের কথা কখনো ভোলে না।

    তার যুদ্ধ করতে থাকবে, একে অপরকে কেটে ফেলা, তলোয়ার দিয়ে ফুঁড়ে ফেলার আর আঘাত করার চেষ্টা করতে থাকবে।

    যুদ্ধ করতে করতে একসময় হাইমডেল আর লোকি দুজনেই মাটিতে লুটিয়ে পড়বে, দুজনেই ভীষণভাবে আহত থাকবে।

    “সবকিছু শেষ হয়েছে,” ফিসফিস করবে লোকি, “আমি জিতে গেছি।”

    কিন্তু হাইমিডেল তার রক্তাক্ত সোনালি দাঁতের ফাঁক দিয়ে মুচকি হাসবে, “আমি তোমার চেয়ে ভবিষ্যৎ বেশি দেখতে পাই,” হাইমডেল লোকিকে বলবে। “ওডিনের ছেলে ভিডার নেকড়ে ফেনরিরকে হত্যা করেছে আর ভিডার বেঁচে আছে। ওডিনের আরেক ছেলে ভালিও বেঁচে আছে। থর মারা গেছে, কিন্তু সন্তান মাগনি আর মডি বেঁচে আছে। তারা তাদের মৃত বাবার হাত থেকে মিওলনির তুলে নিয়েছে। তারা সেটা ব্যবহার করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী।”

    “তাতে কিছু আসে যায় না। সমস্ত দুনিয়া জ্বলছে,” বলল লোকি। “মরণশীল মানুষেরা সব মরে শেষ হয়ে গেছে। মিডগার্ড ধ্বংস হয়ে গেছে। আমি জিতে গেছি।”

    “তুমি যা দেখছো, আমি তারচেয়ে অনেক বেশি দেখতে পাই, লোকি। আমি এমনকি বিশ্ববৃক্ষ পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছি,” হাইমডেল শেষ নিশ্বাসে বলল, “সুরটারের আগুন বিশ্ববৃক্ষকে স্পর্শ করতে পারে না আর দুজন মানব-মানবী ইগড্রাসীলের গুঁড়ির মধ্যে নিজেদের লুকিয়ে রেখেছে। নারীটি হলো জীবন আর পুরুষটি হলো জীবন-তৃষ্ণা। তাদের বংশধরেরা আবার পৃথিবীকে মানুষে পূর্ণ করবে। এখনই সব শেষ নয়। আসলে শেষ বলে কিছু নেই। এটা শুধুমাত্র পুরাতন সময়ের সমাপ্তি, লোকি, আর নতুন এক সময়ের শুরু। মৃত্যুর পরই জীবন আসে। তুমি হেরে গেছ।”

    লোকি কিছু বলতে চাইবে, কটু আর খোঁচা দেওয়া কোনো কথা, কিন্তু মৃত্যু তাকে গ্রাস করবে, তার সকল বুদ্ধি আর নিষ্ঠুরতাও বিদায় হবে, সে আর কিছুই বলতে পারবে না, আর কখনোই না। বরফে জমাট যুদ্ধক্ষেত্রে লোকি হাইমডেলের পাশে মরে পড়ে থাকবে।

    তখন সুরটার, জ্বলন্ত দানব, যে সৃষ্টির শুরু থেকেই বর্তমান ছিল, সুবিশাল মৃত্যু উপত্যকার দিকে তাকাবে আর তার জ্বলন্ত তরবারি স্বর্গের দিকে উঁচু করে ধরবে। হাজারটা বনে একসাথে আগুন লেগে যাওয়ার মতো বিকট শব্দ হবে আর বাতাসে আগুন লেগে যাবে।

    সুরটারের আগুনে সমস্ত দুনিয়া পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। সমুদ্রের পানি টগবগ করে ফুটতে ফুটতে বাষ্প হয়ে উড়ে যেতে থাকবে। আগুন শেষবারের মতো জ্বলে উঠবে আর তারপর নিভে যাবে। আকাশ থেকে তুষারের মতো কালো ছাই ঝরে ঝরে পড়বে।

    সেই গোধূলিলগ্নে, যেই স্থানটিতে লোকি আর হাইমডেলের দেহ পড়ে ছিল, সেখানে কালো হয়ে যাওয়া মাটির ওপর ধূসর ছাইয়ের দুটি স্তূপ পড়ে থাকতে দেখা যাবে, সেগুলো থেকে ধোঁয়া উঠে ভোরের কুয়াশার সাথে মিশে যাবে। জীবিত আর মৃত সৈন্যদলের কিছুই আর অবশিষ্ট থাকবে না, দেবতাদের স্বপ্ন, যোদ্ধাদের বীরত্ব, সবই ছাইয়ের মতো মিলিয়ে যাবে।

    এর কিছু সময় পরই সমুদ্র জেগে উঠবে আর সমস্ত ভূমি ভাসিয়ে দেবে আর সব ছাই ধুয়ে নিয়ে যাবে। আর সূর্যবিহীন আকাশের নিচে জীবিত সকল প্রাণীর নাম ও নিশান চিরতরে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

    এভাবেই ছাই আর বন্যা, অন্ধকার আর বরফে দুনিয়া ধ্বংস হবে। এটাই দেবতাদের শেষ পরিণতি।

    এভাবেই সবকিছু সমাপ্ত হবে। কিন্তু শেষের পরেই আবার শুরু আছে।

    ধূসর সমুদ্রের পানির নিচ থেকে আবার ভূমি জেগে উঠবে।

    সূর্যকে নেকড়ে খেয়ে ফেলবে কিন্তু সূর্যের কন্যা তার মায়ের স্থানে কিরণ দেবে। আর নতুন সূর্য আগের সূর্যের চেয়ে আরো উজ্জ্বল আলো বিকিরণ করবে, নতুন আর নবীন কিরণ নিয়ে।

    দুই নারী-পুরুষ, জীবন আর জীবনতৃষ্ণা, এশ গাছের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসবে। তারা মাটিতে জন্মানো সবুজ গাছপালায় জমা শিশির পান করে বেঁচে থাকবে। আর তাদের ভালোবাসা থেকে নতুন মানব জাতির জন্ম হবে।

    এসগার্ড ধ্বংস হয়ে যাবে কিন্তু তার স্থানে থাকবে ইডাভল, এসগার্ডের চেয়েও মনোরম।

    ওডিনের দুই পুত্র ভিডার আর ভালি ইডাভলে পৌঁছাবে। তাদের পর সেখানে পৌঁছাবে থরের দুই পুত্র মোডি আর মাগনী। তার দুজনে মিলে মিওলনির বহন করে নিয়ে আসবে, তখন থর থাকবে না, তাই মিওলনির বহন করতে তাদের দুই ভাইয়ের প্রয়োজন হবে। পাতাললোক থেকে বান্ডার আর হড ফিরে আসবে আর তারা ছয়জন মিলে নবীন সূর্যের আলোয় বসে ঘটে যাওয়া সব ঘটনার রহস্যভেদের চেষ্টা করবে। ঘটনাগুলো অন্যভাবে ঘটলে শেষ পরিণতিটা ভিন্ন হতে পারত কি না, সেই বিষয়ে আলোচনা করবে। যা ঘটেছে তা কি অবশ্যম্ভাবী ছিল কি না, এই নিয়ে জল্পনাকল্পনা করবে।

    আলোচনা তারা নেকড়ে ফেনরিরের কথা বলবে, যে চন্দ্র-সূর্যকে খেয়ে ফেলবে, করবে মিডগার্ডের সর্প জরমুনগুন্ডারকে নিয়ে, তারা লোকিকে স্মরণ করবে, যে দেবতাদের একজন ছিল, কিন্তু কখনোই তাদের আপন ভাবেনি, যে দেবতাদের রক্ষা করেছিল, একই সাথে তাদের ধ্বংসেরও কারণ হবে।

    তারপর হঠাৎ বান্ডার বলে উঠবে, “দেখো, দেখো, ওইটা কী?”

    “কোনটা কী?” জানতে চাইবে মাগনি।

    “ঐ যে, লম্বা ঘাসের ভিতরে ওই চকমকি জিনিসিটা। দেখতে পাচ্ছ? আরে, আরেকটাও দেখা যাচ্ছে।”

    তারা হাঁটু গেড়ে লম্বা ঘাসের ওপর বসবে।

    মাগনী সবার প্রথমে একটা চকমকে জিনিস লম্বা ঘাসের মধ্যে খুঁজে পাবে, আর সাথে সাথেই বুঝতে পারবে জিনিসটা কী। ওটা একটা দাবা খেলার সোনালি ঘুটি, দেবতারা যখন জীবিত ছিল, তারা পরস্পরের সাথে দাবা খেলে সময় কাটাত। ঘুটিটা ওডিনের একটা ছোট মূর্তি, সিংহাসনে বসা, মানে ওটা দাবার রাজা।

    তারা অন্য ঘুটিগুলোও খুঁজে পাবে। তারা থরকে খুঁজে পাবে, তার হাতে থাকবে মিওলনির। গেলারহর্ন মুখে হাইমডেলকে পাওয়া যাবে, রানিকে পাওয়া যাবে, সেটা হবে ওডিনের স্ত্রী ফ্রিগার মূর্তি।

    বান্ডার একটা সোনালি ঘুটি তুলে ধরবে, “এটা তো তোমার মতো লাগছে,” তাকে বলবে মোডি।

    “হ্যাঁ,” বলবে বোল্ডার। “এটা আমিই, অনেকদিন আগের আমি, যখন আমি এসির দেবতা ছিলাম।”

    তারা ঘাসের মধ্যে অন্য ঘুটিগুলো সব খুঁজে পাবে, কিছু খুব সুন্দর, কিছু ততটা সুন্দর নয়। কালো মাটিতে গাঁড়া অবস্থায় তারা লোকি আর তার দৈতাকৃতি সন্তানদের খুঁজে পাবে। একটা তুষার দানবও পাওয়া যাবে। সুরটারকে পাওয়া যাবে, তার মুখ থাকবে জ্বলন্ত লাল।

    অল্প সময়ের মধ্যে তারা একটা দাবা খেলার মতো সবগুলো ঘুটি খুঁজে পাবে। তারা খেলা শুরু করার জন্যে দেবতাদের দাবা খেলার টেবিলে ঘুটিগুলো সবগুলো সাজিয়ে নেবে। নবীন সূর্য চমৎকার বিকেলে দাবার সোনালি ঘুটিগুলোর ওপর তার আলো বিকিরণ করবে।

    বান্ডার মুচকি হাসবে, যেমন করে আকাশে সূর্য হাসে, আর সে তার প্রথম ঘুটি সামনে বাড়াবে।

    আর এভাবেই খেলাটা আবার শুরু হবে।

    (সমাপ্ত)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমেরিকান গডস – নিল গেইম্যান
    Next Article স্টোরিজ – নিল গেইম্যান

    Related Articles

    নিল গেইম্যান

    স্টোরিজ – নিল গেইম্যান

    September 5, 2025
    নিল গেইম্যান

    আমেরিকান গডস – নিল গেইম্যান

    September 4, 2025
    নিল গেইম্যান

    আনানসি বয়েজ – নিল গেইম্যান

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }