Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নর্স মিথোলজি – নীল গেইম্যান

    নিল গেইম্যান এক পাতা গল্প224 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ফ্রেয়ার অস্বাভাবিক পরিণয়

    বজ্রের দেবতা, এসিরদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী, সবচেয়ে সাহসী আর যুদ্ধের ময়দানে সবচেয়ে অকুতোভয় যোদ্ধা থর তখনো ঘুম থেকে পুরোপুরি জেগে ওঠেনি, আধো ঘুমের মধ্যেই সে অনুভব করল, কিছু একটা গড়বড় হয়েছে। সে তার হাতুড়ির জন্য হাত বাড়াল, যেটাকে সে ঘুমের সময়ও হাতের কাছেই রাখে।

    সে তার চোখ বন্ধ অবস্থাতেই বিভ্রান্ত বোধ করল। সে তার হাত এদিক ওদিক করে তার হাতুড়ির আরামদায়ক ও পরিচিত হাতলটি ধরতে চাইল।

    কিন্তু হাতুড়িটি কোথায়?

    থর তার চোখ খুলল। সে উঠে বসল। দাঁড়াল। সে রুমের চতুর্দিকে হেঁটে বেড়াল।

    হাতুড়িটা কোথাও নেই। সেটা গায়েব হয়ে গেছে।

    থরের হাতুড়িকে বলা হতো মিওলনির। এটা তার জন্য বামন ব্রুক আর এইত্রি বানিয়েছিল। এটা ছিল দেবতাদের একটা মূল্যবান রত্ন। যদি থর এটা দিয়ে কোনো জিনিসকে আঘাত করত, সেটা ধ্বংস হয়ে যেত। যদি সে এটাকে কোনোকিছুর দিকে নিক্ষেপ করত, এটা কখনোই নিশানায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হতো না আর সর্বদা বাতাসের বুক চিরে আবার তার হাতে ফিরে আসত। সে তার হাতুড়িটি ছোট বানিয়ে পোশাকের পকেটে ঢুকিয়ে রাখতে পারত, আবার সেটাকে অনেক বড়ও বানিয়ে ফেলতে পারত। এটা সব দিক দিয়েই ছিল একটা নিখুঁত হাতুড়ি, শুধু এটার হাতল একটু ছোট ছিল, ফলে থরকে সেটা এক হাতেই ব্যবহার করতে হতো।

    পরের হাতুড়ি এসগার্ডের দেবতাদের সকল ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করত। তুষার দানব, ওগর, ট্রোল আর সব দৈত্য-দানো থরের হাতুড়িকে খুব ভয় পেত। থর তার হাতুড়িটি খুবই পছন্দ করত। আর হাতুড়িটিকে কোথাও দেখা যাচ্ছিল না।

    কোনো গড়বড় হলেই থর দুটি কাজ করত। সে প্রথমেই নিজেকে জিজ্ঞেস করত, কাজটা লোকি করেছে কি না। থর কিছুক্ষণ ভাবল। তার বিশ্বাস হচ্ছে না, লোকির সাহস হবে হাতুড়ি চুরি করার। তখন সে দ্বিতীয় কাজটি করল, কোনো গোলমাল হলে যা সে সাধারণত করে থাকে, সে লোকির কাছে পরামর্শ করতে গেল।

    লোকি খুব চালাক। সে তাকে উপদেশ দেবে, কী করতে হবে।

    “কাউকে বলো না,” লোকিকে বলল থর, “দেবতাদের হাতুড়িটা চুরি হয়ে গেছে।”

    “এটা মোটেই ভালো খবর নয়,” দুঃখিত মুখ করে লোকি বলল, “দেখি আমি হাতুড়িটা খুঁজে পাই কি না।”

    লোকি সোজা ফ্রেয়ার মহলে গেল। ফ্রেয়া ছিল দেবতাদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরী। তার সোনালি চুল তার কাঁধে এসে পড়েছিল আর সকালের আলোয় জ্বলজ্বল করছিল। ফ্রেয়ার দুইটা বেড়াল হলের মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তারা রথকে টেনে নেওয়ার জন্য উদ্গ্রীব। তার গলায় ছিল চুলের মতোই উজ্জ্বল এক কণ্ঠহার, যেটা বামনরা ফ্রেয়ার জন্য বানিয়েছিল।

    “তোমার পালকের আলখেল্লাটা আমাকে দাও”, বলল লোকি, “যেটা পরে তুমি উড়ে বেড়াতে পারো।”

    “মোটেই না,” বলল ফ্রেয়া। “এই আলখেল্লা আমার সবচেয়ে দামি সম্পদ। এটা সোনার চেয়েও দামি। আমি চাই না তুমি এটা পরে ঘুরে বেড়াও আর কোনো অনর্থ ঘটাও।”

    “থরের হাতুড়ি চুরি হয়ে গেছে”, বলল লোকি। “আমি সেটা খুঁজতে যাব।”

    “আমি তোমাকে আমার আলখেল্লাটি দেব,” বলল ফ্রেয়া।

    লোকি পালকের আলখেল্লাটি পরে নিল আর বাজপাখির রূপ ধরে আকাশে উড়ে গেল। সে উড়তে উড়তে এসগার্ডের বাইরে চলে গেল। সে দানবদের রাজ্যের অনেক ভিতরে ঢুকে গেল আর অস্বাভাবিক কোনোকিছু দেখা যায় কি না খোঁজ করল।

    একসময় লোকি দেখল নিচে এক বিশাল গোরক্ষেত্র, আর সেখানে বিশাল আর কুৎসিত এক ওগর (এক ধরনের দানব) বসে বসে কুকুরের কলার বুনছে, এত বড় আর কুৎসিত ওগর লোকি কখনো দেখেনি

    বাজপাখির রূপ ধরে থাকা লোকিকে ওগরটি যখন দেখল, সে তার দাঁত বের করে হাসল আর হাত নাড়ল।

    এসিরদের কী খবর লোকি? এলফদের কোনো খবর আছে? তুমি কেন একা একা দানবদের রাজ্যে এসেছ?”

    লোকি ওগরের কাছে নামল। “এসগার্ডে শুধু দুঃখের খবর, আর এলফদের রাজ্যে শুধু খারাপ খবর।”

    “তাই?” বলে ওগর হাসতে থাকল, যেন সে এমন কিছু একটা করেছে যেটা নিয়ে সে অনেক খুশি। লোকি এই ধরনের হাসি চিনতে পারল। সেও অনেক সময় এমন হাসি দিয়ে থাকে।

    “থরের হাতুড়ি হারিয়ে গেছে,” বলল লোকি। “তুমি এই সম্পর্কে কিছু জানো?”

    ওগর তার বগল চুলকাল আর হাসল। “হয়তো জানি,” সে স্বীকার করল। তারপর সে বলল, “ফ্রেয়া কেমন আছে? লোকে যেমন বলে সে কি আসলেই ততটা সুন্দরী?”

    “যদি তুমি জানতে চাও, তবে বলি, সে আসলেই অনেক সুন্দরী”।

    “হ্যাঁ, আমি আসলেই জানতে চাই।”

    দুজনেই তারপর চুপ করে থাকল। ওগরটি কুকুরের কলারটি একটা কলারের স্তূপে ফেলল আর আরেকটা কলার বানাতে শুরু করল।

    “থরের হাতুড়ি আমার কাছে আছে,” ওগরটি লোকিকে বলল। “আমি সেটা মাটির অনেক গভীরে পুঁতে রেখেছি। এত গভীরে পুঁতে রেখেছি যে, কেউ সেটা খুঁজে পাবে না, এমনকি ওডিনও না। একমাত্র আমিই সেটা মাটির নিচ থেকে তুলে আনতে পারব। আমি যেটা চাই যদি সেটা যদি তুমি আমাকে এনে দিতে পার, আমি হাতুড়িটা থরকে ফেরত দেব।”

    “আমি হাতুড়িটির জন্য মুক্তিপণ দিতে পারি,” বলল লোকি। “আমি তোমাকে স্বর্ণ আর মণিমুক্তা এনে দিতে পারি, অগণিত রত্ন এনে দিতে পারি…”

    “আমি ধনরত্ন চাই না,” বলল ওগর। “আমি ফ্রেয়াকে বিয়ে করতে চাই। ফ্রেয়াকে আগামী আট দিনের মধ্যে এখানে নিয়ে এসো, আমি বিয়ের রাতে বিয়ের উপহার হিসেবে দেবতাদের থরের হাতুড়ি ফিরিয়ে দেব।”

    “তুমি আসলে কে?” জানতে চাইল লোকি।

    ওগরটি তার নোংরা দাঁত বের করে হাসল, “কেন, লাউফির পুত্র লোকি? আমি থাইরাম, ওগরদের রাজা।”

    “আমার কোনো সন্দেহ নেই, আমরা একটা ব্যবস্থা অবশ্যই করতে পারব, মহামান্য থাইরাম”, বলল লোকি। সে ফ্রেয়ার পালকের আলখেল্লাটা নিজের ওপর জড়িয়ে নিল, আর নিজের হাত দুইদিকে ছড়িয়ে আকাশে উড়ে গেল।

    লোকি নিচে তাকিয়ে দেখল, সবকিছু অনেক ছোট দেখাচ্ছে। গাছপালা আর পাহাড়-পর্বত যেন বাচ্চাদের খেলার বস্তু, দেবতাদের সমস্যাও তার কাছে খুবই ক্ষুদ্র বিষয়ই মনে হলো।

    দেবতাদের সভায় থর লোকির জন্য অপেক্ষা করছিল, এমনকি লোকি নিচে নামার আগেই থর তার বিশাল হাত দিয়ে তাকে ধরে ফেলল।

    “লোকি, মনে হচ্ছে তুমি কিছু একটা জানো। আমি তোমার চেহারা দেখেই বুঝেছি। তুমি যা জানো এক্ষুনি বলো। আমি চাই তুমি তাড়াতাড়ি সবকিছু বলো, অন্য কোনো পরিকল্পনা করার আগেই।”

    লোকি ছিল খুবই চালাক, অন্যরা নিশ্বাস ফেলতে যতটা সময় নেয়, লোকি সেই সময়ের মধ্যে নানা পরিকল্পনা ফেঁদে ফেলতে পারে। লোকি থরের রাগ আর সরলতা দেখে হাসল। “ওগলদের রাজা থাইরাম তোমার হাতুড়ি চুরি করেছে”, বলল সে। “আমি তাকে সেটা তোমাকে ফেরত দিতে রাজি করিয়েছি। কিন্তু বিনিময়ে সে একটা দাবি করেছে।”

    “খুব ভালো,” বলল থর, “কী সেই দাবি?”

    “ সে ফ্রেয়াকে বিয়ে করতে চায়।”

    “ওহ-হো,” বলল থর। “ফ্রেয়া এটা মোটেই পছন্দ করবে না। তুমি তাকে খবরটা দাও, আমার হাতে হাতুড়ি থাকলে আমি যে কাউকে মানাতে পারি, কিন্তু সেটা যখন নেই, তুমিই ফ্রেয়াকে খবরটা দাও, তুমি তো যে কাউকে কথা দিয়েই বশ করতে পারো।”

    তারা আবার দুজনে মিলে ফ্রেয়ার প্রাসাদে গেল।

    এই নাও তোমার পালকের আলখেল্লা,” বলল লোকি।

    ধন্যবাদ,” বলল ফ্রেয়া। “তুমি কি জানতে পেরেছ কে থরের হাতুড়ি চুরি করেছে?”

    “থাইরাম, ওগরদের রাজা।”

    “আমি তার সম্পর্কে শুনেছি। খুবই কুৎসিত দেখতে। হাতুড়ির বদলে সে কী চায়?”

    তোমাকে,” বলল লোকি। “সে তোমাকে বিয়ে করতে চায়।”

    ফ্রেয়া মাথা ঝাঁকাল।’

    ফ্রেয়া বিষয়টাতে রাজি হয়েছে মনে করে থর খুশি হয়ে উঠল।

    “বিয়ের মুকুট পরে নাও, ফ্রেয়া, আর তোমার জিনিসপত্র গুছিয়ে নাও, বলল থর। “তুমি আর লোকি দানবদের রাজ্যে যাবে। থাইরাম মত পরিবর্তন করার আগেই আমরা তোমাকে তার সাথে বিয়ে দিতে চাই। আমি আমার হাতুড়ি ফেরত চাই।”

    ফ্রেয়া কিছুই বলল না।

    থর অনুভব করল, মাটি কাঁপছে, চারপাশের দেওয়ালও কাঁপছে। ফ্রেয়ার বিড়ালগুলো দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে ডেকে উঠল আর আর একটা পশমি সিন্দুকের পিছনে গিয়ে লুকিয়ে পড়ল।

    ফ্রেয়া শক্ত করে হাতের মুষ্টি পাকাল। তার গলা থেকে কণ্ঠহারটি খুলে মাটিতে পড়ে গেল, সেদিকে তার কোনো খেয়ালই ছিল না। সে থর আর লোকির দিকে এমনভাবে তাকাল যেন তারা কীটের চেয়েও অধম।

    থর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল যখন দেখল ফ্রেয়া আবার কথা বলতে শুরু করেছে।

    “তোমরা আমাকে কী মনে করো, হ্যাঁ?” সে খুব শান্তভাবে জানতে চাইল। “আমি কি এতই বোকা? আমি কি এতই সস্তা? তোমাকে বিপদ থেকে বাঁচানোর জন্য আমি একটা ওগরকে বিয়ে করব? যদি তুমি ভেবে থাক আমি বিয়ের তাজ পরে সেজেগুজে দানবদের রাজ্যে গিয়ে একটা ওগরকে বিয়ে করব তবে… ফ্রেয়া চুপ করে গেল। দেওয়ালগুলো আবার কাঁপতে লাগল। থরের মনে হলো, ফ্রেয়ার প্রাসাদটি বুঝি এখুনি ভেঙে পড়বে।

    “বেরিয়ে যাও,” বলল ফ্রেয়া। “আমাকে তোমরা কেমন মেয়ে মনে করো?

    “কিন্তু আমার হাতুড়ি…”

    “চুপ করো, থর,” বলল লোকি।

    থর চুপ করে গেল। তারা ফ্রেয়ার প্রাসাদ থেকে বেরিয়ে গেল।

    “ফ্রেয়া যখন রাগে, তাকে আরো সুন্দর দেখতে লাগে,” বলল থর। “বুঝতে পারছো কেন ওগর তাকে বিয়ে করতে চায়?”

    “চুপ থাকো, থর,” আবার বলল লোকি।

    দেবতারা মূল মহলে এক জরুরি সভায় মিলিত হলো। সকল দেবতা আর দেবীরা এলো, শুধুমাত্র ফ্রেয়া এলো না, সে তার প্রাসাদ ত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানাল।

    সারা দিন ধরে তারা আলাপ-আলোচনা আর তর্ক-বিতর্ক করল। সবাই মিওলনির ফেরত চায়, এই বিষয়ে কোনো বিতর্ক নেই, কিন্তু কীভাবে সেটা ফেরত আনা যাবে? সকল দেব-দেবীগণ তাদের অভিমত জানাল, আর লোকি সেগুলোর সবগুলোই একে একে বাতিল করে দিল Į

    শেষে দেখা গেল, শুধু একজন তার পরামর্শ দেয়নি, দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হাইমডেল, যে নয় দুনিয়ার ওপর নজর রাখে। হাইমডেলের দৃষ্টির অগোচরে কিছুই ঘটে না, সে এমনকি সেসব ঘটনাও দেখে, যেটা এখনো ঘটেনি।

    “তাহলে হাইমডেল,” জানতে চাইল লোকি। “তোমার কোনো পরামর্শ আছে?”

    “আছে,” বলল হাইমডেল। “কিন্তু তোমাদের সেটা পছন্দ হবে না।”

    থর টেবিলে মুষ্টি পাকিয়ে আঘাত করল।

    “আমরা পছন্দ করব কি করব না, সেটা কোনো বিষয় নয়,” বলল সে, “আমরা দেবতা। দেবতাদের হাতুড়ি মিওলনির ফেরত আনার জন্য এমন কোনো কাজ নেই যেটা আমরা করতে পারব না। তোমার পরামর্শ বলো। যদি সেটা ভালো পরামর্শ হয়, আমরা সেটা অবশ্যই পছন্দ করব।”

    “তুমি সেটা পছন্দ করবে না,” বলল হাইমডেল।

    “আমরা সেটা পছন্দ করব,” জোর দিয়ে বলল থর।

    “ঠিক আছে,” বলল হাইমডেল। “আমার মনে হয় আমাদের থরকে বউ সাজিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত। আমরা তাকে গলায় কণ্ঠহার পরিয়ে, মাথায় বিয়ের মুকুট পরিয়ে দেব। তাকে এমন পোশাক পরাব যাতে তাকে নারীদের মতো দেখতে লাগে। আমরা তার মুখ ঘোমটা দিয়ে ঢেকে দেব। তাকে স্বর্ণালংকার পরিয়ে…”

    “আমার এই আইডিয়া একদম পছন্দ হচ্ছে না” বলল থর। “একেবারেই না। আমার বিষয়টা মোটেই পছন্দ হচ্ছে না। আমি কখনো কনের পোশাক পরতে পারব না। আমাদের কারোরই এই পরামর্শ পছন্দ হচ্ছে না, তাই না? খুবই জঘন্য পরামর্শ। আমার মুখে দাড়ি আছে, আমি আমার দাড়ি কাটতে পারব না।”

    “চুপ করো, থর,” বলল লাউফির পুত্র লোকি। “এটা চমৎকার পরামর্শ। যদি তুমি চাও দানবরা এসগার্ড আক্রমণ না করুক, তুমি কনের পোশাক পরবে, আর ঘোমটা দিয়ে তোমার মুখ ঢেকে রাখবে, তাতে তোমার দাড়ি দেখা যাবে না।”

    সর্বদ্রষ্টা একচক্ষু দেবতা ওডিন বলল, “এটা আসলেই চমৎকার একটা পরামর্শ। খুব ভালো, হাইমডেল। আমরা হাতুড়িটা ফেরত চাই, আর এটাই সবচেয়ে ভালো রাস্তা সেটা ফেরত আনার। দেবীরা, থরকে বিয়ের জন্য প্রস্তুত করো।”

    দেবীরা থরকে পরানোর জন্য বিয়ের পোশাক নিয়ে এলো। ফ্রিগা আর ফুলা, সিফ, ইডুল আর অন্য দেবীরা, এমনকি ফ্রেয়ার সত্মা স্কেডিও থরকে সাজাতে এগিয়ে এলো। তারা তাকে উত্তম পোশাকে সজ্জিত করল, একজন দেবী তার বিয়েতে যেমন পোশাক পরে, ঠিক তেমনি। ফ্রিগা ফ্রেয়ার কাছে গেল আর তার কণ্ঠহারটি নিয়ে ফিরে এলো আর সেটা থরের গলায় পরিয়ে দিল।

    থরের স্ত্রী সিফ, তার চাবির গোছা থরের আঁচলে বেঁধে দিল।

    ইডুন তার সকল স্বর্ণালংকার এনে থরকে পরাল, সেগুলো চাঁদের আলোয় চমকাতে লাগল। ইডুন একশটি স্বর্ণের আর রুপার রিং এনে থরের আঙুলে পরিয়ে দিল।

    তারা তার মুখ ঘোমটায় এমনভাবে ঢেকে দিল যাতে শুধু তার চোখ দুটো দেখা যায়। বিয়ের দেবী ভার থরের মাথায় একটি রাজকীয় মুকুট পরিয়ে দিল, একটা বিয়ের মুকুট, বড় আর সুন্দর।

    “চোখগুলো নিয়ে আমি অস্বস্তিতে আছি,” বলল ভার। “এগুলোকে মোটেই নারীদের মতো লাগছে না।”

    “আমি সেটা চাইও না,” বিড়বিড় করল থর।

    ভার থরের দিকে তাকাল। “যদি আমি মাথার মুকুটটা একটু নামিয়ে দেই, চোখগুলো ঢেকে যাবে, কিন্তু সে তখনো সব দেখতে পাবে।”

    “যতটা সম্ভব করো,” বলল লোকি।

    সে থরের দিকে ফিরল, “আমি দাসীর বেশ ধরব আর তোমাকে দানবদের রাজ্যে নিয়ে যাব।” লোকি তার আকার পরিবর্তন করে ফেলল। এখন তাকে দেখতে একজন সুন্দরী দাসীর মতো লাগছিল।

    “আমাকে কেমন দেখাচ্ছে?” জানতে চাইল লোকি।

    থর তার ঘোমটার ভিতর থেকে বিড়বিড় করে কী যেন বলল, যদিও কেউ কিছু শুনতে পায়নি, সে নিশ্চয়ই ভালো কিছু বলেছিল।

    লোকি আর থর থরের রথে চেপে বসল। যে দুটো ছাগল থরের রথকে টেনে নিয়ে যায়, সারলার আর গ্রাইন্ডার, রথ টেনে আকাশপথে রওনা হয়ে গেল। তাদের যাত্রাপথে পাহাড় বিদীর্ণ হয়ে যেতে লাগল আর নিচের ভূমিকে আগুন গ্রাস করল।

    “আমার মনে কেমন যেন কু ডাকছে,” বলল থর।

    “তুমি কোনো কথা বলবে না,” দাসীরূপী লোকি বলল। “কথা যা বলার আমি বলব। মনে থাকবে? তুমি যদি ভুলেও একটা শব্দ উচ্চারণ করো, সব ভজঘট হয়ে যাবে।”

    থর রাগে গজগজ করল।

    তারা থাইরামের আঙিনায় নামল। সেখানে কিছু বিশালাকৃতির বলদ চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল। একেকটা আকারে একটা ঘরের চেয়েও বড়। তাদের শিং এর মাথা সোনায় মোড়ানো ছিল আর চতুর্দিক তাদের গোবরের গন্ধে ভারী হয়ে ছিল। বিশাল মহলের ভিতর থেকে উচ্চস্বরে চিৎকারের শব্দ ভেসে আসছিল।

    “সরে যাও, বোকার দল। টেবিলের ওপর খড় বিছাও। কী করছো এসব তোমরা? ফ্রেয়া আসছে আজ, জগতের সবচেয়ে সুন্দরী, জর্ডের কন্যা ফ্রেয়া আমাদের ঘরে আসছে। সে এগুলো দেখে মোটেই খুশি হবে না।”

    আঙিনায় অতিথিদের জন্য নতুন খড়ের গালিচা বিছানো ছিল। রথ থেকে নামার পর ফ্রেয়াবেশী থর আর দাসীরূপী লোকি তাদের স্কার্ট একটু তুলে খড়ের ওপর দিয়ে হেঁটে গেল, যাতে তাদের পোশাকে গোবর না লেগে যায়।

    এক বিশালাকৃতির নারী দরজায় তাদের জন্য অপেক্ষায় ছিল। সে নিজেকে থাইরামের বোন বলে পরিচয় দিল আর নিচু হয়ে লোকির গাল টিপে দিল, সে তার ধারালো নখ দিয়ে থরকে খোঁচা দিয়ে বলল, “এই তাহলে দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দরী নারী? আমার কাছে তো তেমন মনে হচ্ছে না। আর যখন সে স্কার্ট তুলে আসছিল, আমার মনে হচ্ছিল, তার পায়ের গোছা গাছের গুঁড়ির মতো মোটা।”

    “আলো আঁধারির কারণে এমনটা মনে হয়েছে। সে সত্যিই দেবদেবীদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরী,” বলল দাসীরূপী লোকি সাবলীলভাবে।

    “তার ঘোমটা যখন খোলা হবে, তুমি তার রূপে বিমুগ্ধ হয়ে যাবে। এখন বলো, বর কোথায়? বিয়ের ভোজের কী আয়োজন? কনে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে, আমি তাকে কোনোমতে চুপ করিয়ে রেখেছি।”

    বিয়ের ভোজসভার বিশাল কক্ষে যখন তারা প্রবেশ করছিল, সূর্য অস্ত যাচ্ছিল।

    “তারা যদি আমাকে থাইরামের সাথে বসতে বলে?” ফিসফিস করে থর লোকিকে বলল।

    “তোমাকে তার পাশেই বসতে হবে। কনে বরের পাশেই বসে, এটাই নিয়ম।

    “কিন্তু সে আমাকে ধরতে চাইতে পারে।”

    “আমি তোমাদের দুজনের মাঝখানে বসব, আমি তাকে বলব, এটাই আমাদের রীতি।”

    থাইরাম টেবিলের মাথায় বসল, লোকি তার পাশে বসল, তারপর থর বসল।

    থাইরাম হাতে তালি দিল আর বিরাট আকারের পরিবেশনকারীরা খাবার নিয়ে প্রবেশ করল। তারা পাঁচটা আগুনে ঝলসানো আস্ত বলদ নিয়ে এলো, উপস্থিত সব দানবদের খাওয়ানোর জন্য যথেষ্ট। তারা নিয়ে এলো বিশটি বিশাল ঝলসানো স্যামন মাছ, একেকটা প্রায় একটা দশ বছরের ছেলের চেয়েও বড়। তারপর এলো কয়েক ডজন ট্রেভর্তি পেস্ট্রি আর ডেজার্ট, যা বিশেষত নারীদের জন্য।

    এরপর নিয়ে আসা হলো পাঁচটি বিশাল ব্যারেলভর্তি মদিরা, যেগুলো বহন করতে বিশাল দানবদেরও যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছিল।

    “এই ভোজ সুন্দরী দেবী ফ্রেয়ার উদ্দেশ্যে নিবেদিত,” বলল থাইরাম।

    সে হয়তো আরো কিছু বলত, কিন্তু ফ্রেয়াবেশী থর ইতোমধ্যে খেতে আর পান করতে শুরু করেছে। কনে খাওয়া শুরু করে দিয়েছে, এই মুহূর্তে আর কিছু বলা খারাপ দেখায়, তাই থাইরাম চুপ করে গেল।

    এক ট্রে পেস্ট্রি নারী অতিথিদের জন্য থর আর লোকির সামনে রাখা ছিল। লোকি সাবধানে সেখান থেকে সবচেয়ে ছোট দেখে একটা পেস্ট্রি তুলে নিল। থর সাবধানে বাকি পেস্ট্রিগুলো ঘোমটার ভিতর নিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই সাবাড় করে দিল। অন্যান্য নারীরা, যারা পেস্ট্রিগুলোর দিকে ক্ষুধার্তভাবে তাকিয়ে ছিল, তার সুন্দরী ফ্রেয়ার আচরণে খুবই অসন্তুষ্ট হলো।

    কিন্তু সুন্দরী ফ্রেয়া তো এখনো খাওয়া শুরুই করেনি!

    থর একাই পুরো একটা বলদ খেয়ে ফেলল। সে পুরো সাতটা স্যামন মাছ খেয়ে ফেলল, শুধু কাঁটাটা পড়ে থাকল। যখনই একটা পেস্ট্রির ট্রে তার সামনে রাখা হচ্ছিল, বাকি সব নারীদের জন্য কিছুই না রেখে সে একাই সব সাবাড় করে দিচ্ছিল।

    লোকি বারবার টেবিলের নিচে থরের পায়ে লাথি মেরে তাকে থামাতে চাইল, কিন্তু থর তাকে পাত্তাই দিল না, সে তার মতো খেয়ে যেতে লাগল।

    থাইরাম লোকির কাঁধে টোকা দিল। “সুন্দরী ফ্রেয়া তিন ব্যারেল মদিরা খেয়ে ফেলেছে।”

    “ঠিকই বলেছ,” বলল দাসীরূপী লোকি।

    “চমৎকার। আমি কোনো নারীকে এত গোগ্রাসে কখনো খেতে দেখিনি। কখনো কোনো নারীকে এত খেতে আর পান করতে দেখিনি।”

    “ঠিকই বলেছ,” বলল লোকি। “এর উপযুক্ত ব্যাখ্যাও আছে।”

    সে একটা দীর্ঘশ্বাস নিল আর দেখল থর একটা গোটা স্যামন মাছ তার ঘোমটার মধ্যে ঢুকিয়ে নিল আর এক মুহূর্ত পরে কাঁটাটা বের করে দিল। যেন একটা ম্যাজিক। উপযুক্ত ব্যাখ্যাটা কী দেওয়া যায়, সে সেটাই ভাবল।

    “এই নিয়ে তার আটটা স্যামন মাছ খাওয়া হয়ে গেল,” বলল খাইরাম।

    “আট দিন আর আট রাত!” বলে উঠল লোকি হঠাৎ, “সে আট রাত আর আট দিন ধরে কিছুই খায়নি, সে দানবদের রাজ্যে আসতে আর তোমার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে খুবই উদ্‌গ্রীব ছিল। এখন যখন সে তোমার কাছে পৌঁছেছে, সে অবশেষে আবার খাবার খাওয়া শুরু করেছে।”

    দাসী থরের দিকে ফিরল। “তোমাকে আবার খেতে দেখে খুব ভালো লাগছে, প্রিয়,” বলল সে।

    থর ঘোমটার ভিতর থেকে লোকির দিকে জ্বলন্ত চোখে তাকাল।

    “আমি এখন কনেকে চুম্বন করতে চাই,” বলল খাইরাম।

    “এখনই না,” বলল লোকি, কিন্তু থাইরাম ইতোমধ্যে নিচু হয়ে থরের ঘোমটা খুলতে শুরু করেছে। দাসীরূপী লোকি তাকে বাধা দেওয়ার জন্য হাত তুলল, কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে।

    থাইরাম বিদ্যুতস্পৃষ্টের মতো চমকে আর কেঁপে উঠে পিছনে সরে গেল।

    থাইরাম দাসীরূপী লোকির কাঁধে টোকা দিল। “আমি কি তোমাকে একটা কথা বলতে পারি?”

    “অবশ্যই”

    তারা ভোজসভার খাবারের টেবিল থেকে উঠে এক কোনায় গেল।

    ফ্রেয়ার চোখ এত ভয়ংকর দেখাচ্ছে কেন?” জানতে চাইল থাইরাম। “মনে হচ্ছে তার চোখে আগুন জ্বলছে। সেগুলো কোনো সুন্দরী নারীর চোখ বলে মনে হচ্ছে না।”

    “অবশ্যই না,” বলল দাসী সাবলীলভাবে। “তুমি এমনটা অবশ্যই আশা করনি। কিন্তু সে আট দিন আর আট রাত ধরে ঘুমায়নি, মহামান্য থাইরাম। সে তোমার প্রেমে এতটাই পাগল হয়ে গেছে, সে একবিন্দুও ঘুমায়নি। এই কারণে তার চোখগুলো এমন দেখাচ্ছে। তার চোখে ভালোবাসার আগুন তুমি দেখেছ।”

    তাই?” স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল থাইরাম। সে তার জিহ্বা বের করে ঠোঁট ভেজাল, যেটা একটা বালিশের চেয়েও বড় ছিল। “তাহলে ঠিক আছে।”

    তারা টেবিলে ফিরে এলো। থাইরামের বোন থরের পাশে লোকির আসনে এসে বসেছে, সে তার ধারালো নখ দিয়ে থরের হাতে খোঁচা দিল।

    “তুমি যদি নিজের ভালো চাও, তোমার আংটিগুলো আমাকে দাও,” বলল সে, তোমার সবগুলো আংটি আমাকে দিয়ে দাও। এই প্রাসাদে তুমি একেবারেই নতুন। যদি কেউ একজন তোমাকে দেখেশুনে না রাখে, তাহলে তুমি বিপদে পড়বে। তোমার অনেকগুলো আংটি আছে, কয়েকটা আমাকে বিয়ের উপহার হিসেবে দাও না। এগুলো খুবই সুন্দর, স্বর্ণ আর পাথরের তৈরি।”

    “এখনো কি বিয়ের সময় হয়নি?” জিজ্ঞেস করল লোকি।

    “হয়েছে,” বলল থাইরাম, সে উচ্চস্বরে বলল, “হাতুড়িটি নিয়ে আসো। আমি ফ্রেয়াকে বিয়ের উপহার হিসেবে সেটি দিতে চাই। বিয়ের দেবী ভার আমাদের বিয়েতে আশীর্বাদ করুক।”

    থরের হাতুড়িটি আনতে চারজন দানব প্রয়োজন হলো। তারা প্রাসাদের অভ্যন্তর থেকে হাতুড়িটি বয়ে নিয়ে এলো। এটা আগুনের আলোয় হালকা চমকাতে থাকল। তারা হাতুড়িটি থরের কোলে রাখল।

    “এখন,” বলল থাইরাম, “আমাকে তোমার কমনীয় কণ্ঠস্বর শুনতে দাও, প্রিয় ফ্রেয়া, আমার ভালোবাসা। বলো তুমি আমাকে ভালোবাস। বলো তুমি আমাকে বিয়ে করত চাও, আমার স্ত্রী হতে চাও। সবাইকে বলো, তুমি আমার জন্মজন্মান্তরের সাথি হবে।”

    থর তার আংটি পরানো হাত দিয়ে হাতুড়িটির হাতল ধরল। সে হাতলটি শক্ত করে চেপে ধরল আর তার পরিচিত আর আরামদায়ক অনুভূতি পেল। তার মুখ থেকে অট্টহাসি বেরিয়ে আসতে শুরু করল।

    “আমি বলি কী,” বজ্রকণ্ঠে বলল থর, “আমার হাতুড়ি চুরি করা তোমার একেবারেই উচিত হয়নি।”

    সে থাইরামকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করল, একবারই, এক আঘাতেই থাইরাম ধরাশায়ী হলো। ওগরদের রাজা খড় বিছানো মেঝেতে চিত হয়ে পড়ে থাকল, আর উঠল না।

    সব দানব আর ওগর থরের হাতুড়িতে ঘায়েল হলো, যারা বিয়ের অতিথি ছিল, যে বিয়েটা আর কখনো হবে না। এমনকি থাইরামের বোন, যে একটা বিয়ের উপহার চেয়েছিল, এমন একটা উপহার পেল, যেটা সে আশা করেনি

    যখন বিয়ের মহল একেবারে নীরব হয়ে গেল, থর ডাকল, “লোকি!”

    লোকি একটা টেবিলের নিচ থেকে বেরিয়ে এলো স্বরূপে। সে চতুর্দিকে তাকিয়ে হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য দেখল। “দেখা যাচ্ছে,” বলল সে, “তুমি সমস্যাটার সমাধান করে ফেলেছ।”

    “যেমন ভয় পেয়েছিলাম, তেমন কিছুই ঘটেনি,” বলল থর আনন্দের সাথে। “আমি আমার হাতুড়ি ফেরত পেয়েছি। সাথে একটা ভালো ভোজও খাওয়া হলো। চলো, এবার বাড়ি যাই।”

    ‘ফ্রেয়ার অস্বাভাবিক পরিণয়’ গল্পের এখানেই সমাপ্তি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমেরিকান গডস – নিল গেইম্যান
    Next Article স্টোরিজ – নিল গেইম্যান

    Related Articles

    নিল গেইম্যান

    স্টোরিজ – নিল গেইম্যান

    September 5, 2025
    নিল গেইম্যান

    আমেরিকান গডস – নিল গেইম্যান

    September 4, 2025
    নিল গেইম্যান

    আনানসি বয়েজ – নিল গেইম্যান

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }