Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নলিনী বাবু B.Sc. – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প92 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. বাবার নাম শ্রীকান্ত ভট্টাচার্য

    আমার বাবার নাম শ্রীকান্ত ভট্টাচার্য।

    তিনি ময়মনসিংহ জজকোর্টের পেশকার ছিলেন। অসৎ উপায়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করেছেন। একজন পুরুষ মানুষের যত রকম খারাপ অভ্যাস থাকা সম্ভব সবই তার ছিল। মদ-গাঁজা খেতেন, আফিম খেতেন। ললিতা নামে অল্প বয়সী এক মেয়েকে রক্ষিতা হিসেবে রেখেছিলেন। মাসে একবার খারাপ পাড়ায় যেতেন রুচি বদলাবার জন্যে। ললিতা ছাড়া দশ-এগারো বছরের একটি বালকও তার সঙ্গে থাকত। তার হাত-পা টিপে দিত। বালকের নাম সুরুজ। এই বালকের সঙ্গেও তার শারীরিক সম্পর্ক ছিল। আমি কি বাবার বিষয়ে সম্পূর্ণ চিত্র আপনাকে দিতে পেরেছি?

    পেরেছেন।

    একটি সংস্কৃত শ্লোক বাবার চরিত্র পুরোপুরি ব্যাখ্যা করে। যদি অনুমতি দেন শ্লোকটি বলি?

    বলুন।

    যথা নিযুক্তোহস্মি তথা করোমি জানামি
    ধর্মং ন চ মে প্রবৃত্তি।
    জানাম্যধমং ন চ মে নিবৃত্তিঃ ॥

    এর অর্থ ধর্ম কি তা আমি জানি, কিন্তু তাহাতে আমার প্রবৃত্তি হয় না। অধর্ম কি তাহাও আমি জানি, তাহা হইতে আমি নিবৃত্ত হইতে পারি না।

    শ্লোকটা সুন্দর, আমাকে লিখে দিয়ে যাবেন।

    অবশ্যই লিখে দিয়ে যাব। আমি সুন্দর সুন্দর শ্লোক জানি, একটা বড় খাতায় সব লিখে দিয়ে যাব। আপনি প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারবেন। এখন বাবার চেহারার বর্ণনা দেব? আপনি লেখক মানুষ। লেখকদের কাছে চেহারার বর্ণনা গুরুত্বপূর্ণ।

    চেহারার বর্ণনা দিন।

    সুন্দরের বর্ণনায় আমরা রাজপুত্র শব্দটি ব্যবহার করি। বাবা ছিলেন রাজপুত্রদের রাজপুত্র। গাত্রবর্ণ গৌর। মাথা ভর্তি কুঁড়ানো চুল। বড় বড় চোখ। বাল্মীকি রামের শরীরের যে বর্ণনা দিয়েছেন বাবার সঙ্গে তার মিল আছে।–তার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সুষম ও সুবিন্যস্ত, বর্ণ স্নিগ্ধ, তিনি আয়াত নেত্র, লক্ষ্মীবান ও শুভ লক্ষণযুক্ত।

    ইন্টারেস্টিং।

    বাবা ময়মনসিংহ শহরে থাকতেন। মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার রাতে নীলগঞ্জ আসতেন। ললিতা মেয়েটাকে নিয়ে আসতেন। দুদিন থেকে রোববার ভোরে চলে যেতেন। এই দুদিন আমি এবং মা আতঙ্কে অস্থির হয়ে থাকতাম।

    আমার মায়ের নাম বুকুল বালা সাধারণত দেখা যায় স্বামী রূপবান হলে স্ত্রী রূপবতী হন না। মার ক্ষেত্রে ঘটনা তা হয়নি। আমার মার মতো রূপবতী সচরাচর দেখা যায় না।

    বাবা-মা পাশাপাশি দাঁড়ালে মনে হতো রাজপুত্র-রাজকন্য। তবে মায়ের গাত্রবর্ণ ছিল শ্যামলা। আমি মায়ের গাত্রবর্ণ পেয়েছি। মা ছিলেন স্বল্পভাষী তরুণী। তার প্রধান শখ গল্পের বই পড়তে পড়তে চোখের পানি ফেলা। বিয়ের সময় তিনি ট্রাংক ভর্তি করে বই নিয়ে এসেছিলেন। আমায বিভিন্ন লেখকের একটা একটা করে বই পড়েছি, মার কাছ থেকে নিয়ে পড়েছি। শুধু আপনার বইটা পড়েছি অনেক পরে। আমাদের স্কুলের এক ছাত্রীর কাছ থেকে ধার করে পড়েছি। ছাত্রীর নাম সুলতানা বেগম। দশম শ্রেণী, বিজ্ঞান শাখা। রোল দুই অতি ভালো মেয়ে।

    যে কথা বলছিলাম, দুদিনের জন্য এসে বাবা গজব করে ফেলতেন। মা বাবাকে ভয় পেতেন যমের মতো। প্রায়ই দেখেছি, মা বাবার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, কোনো কারণ ছাড়াই ভয়ে থরথর করে কাঁপছেন। বাবা হয়তো বললেন, বকুল বালা ভালো আছ?

    মার মুখে কথা আটকে যেত। ভালো আছি বলতেও তার অনেক সময় লাগত।

    ললিতা মেয়েটা দুটি দিন খুবই আনন্দে কাটাতো। কুয়াতলাটা তার পছন্দের জায়গা ছিল। বেশিরভাগ সময় সে কুয়াতলায় বসে পায়ে আলতা দিত। চুল আঁচড়াত। মাথায় তেল দিত। তার মুখ থাকত হাসি হাসি। আমার সঙ্গে তার টুকটাক কথাও হতো। ছিপ ফেলে মাছ মারায় তার শখ ছিল। তার জন্য ছিপ, মাছের আধার কেঁচো জোগাড় করে রাখতে হতো। মাছ মারা হতো আমাদের পুকুরেই। বাবা তার অসৎ পয়সায় নীলগঞ্জে দোতলা দালান করেছেন। বাড়ির পেছনে বিশাল পুকুর কাটিয়েছেন। ঘাট বাঁধিয়েছেন।

    মাছ মারার সময় ললিতার সঙ্গে আমাকে থাকতে হতো। আমার মা চাইতেন না আমি ললিতার সঙ্গে মিশি। আমি মার কাছে ভাব করতাম ললিতাকে পছন্দ করি না। সে ডাকলে যেতে চাই না। শুধু বাবার ভয়ে না করতে পারছি না। পুকুরে ছিপ ফেলে ললিতা নানা গল্প নিজের মনেই করত। যেমন একদিন বলল, টাকি মাছের জন্ম কি জন্য হয়েছে জানিস?

    আমি বললাম, না।

    টাকি মাছের জন্ম হয়েছে ভর্তা হওয়ার জন্য। টাকি মাছের ঝোল, ভাজি কেউ খায় না। সবাই ভর্তা খায়। মানুষের মধ্যেও মাছস্বভাব আছে। কিছু মানুষ আছে টাকি মাছ, যেমন–তোর মা। জন্ম হয়েছে ভর্তা হওয়ার জন্য।

    আমি বললাম, তুমি কি মাছ?

    আমি হইলাম তিতপুঁটি। শরীরে লাল দাগ আছে। আসলে পুঁটি। তিতা বলে তিতপুঁটি।

    আর আমার বাবা কি মাছ?

    বাইম মাছ। কাদার ভেতরে থাকে, কাদার ভিতর বড় হয়। দেখতে সাপের মতো। বাইম মাছ নিজের ডিম নিজে খায় এটা জানিস?

    না।

    তাহলে জানিস কি? তুই তো গাধা। শিলুক দিলে ভাঙানি দিতে পারবি?

    জানি না।

    চেষ্টা করে দেখ পারিস কি না। বল দেখি–

    সুতার আগায় ঝুলি
    মিষ্টি কথায় ভুলি
    আয় আমারে ধর
    ফাঁস নিয়া মর।

    বল এটা কি?

    জানি না।

    তুই তো গাধারও নিচে। এটা হইল বড়শি।

    ললিতা মেয়েটাকে আমি পছন্দ করতাম। তবে তার কাছেও ভাব দেখাতাম পছন্দ করি না। দূরে দূরে থাকতাম। লক্ষ্য থাকত তার দিকে। সে যখন হাত ইশারায় ডাকত তখন এমন ভাব করতাম যেন অনিচ্ছার সঙ্গে যাচ্ছি।

    আমার বয়স তখন কত? নয় কিংবা দশ। পড়ি ক্লাস ফাইভে। মার সঙ্গে সুখেই থাকি। বাবার অনুপস্থিতিতে বাড়িটা আমাদের দুজনার। প্রতিদিন দুপুরে মার সঙ্গে দীঘিতে সাঁতার কাটি। বাড়ির ছাদে ওঠার জন্য লোহার একটা প্যাচানো সিঁড়ি আছে। প্রয়োজন ছাড়া ছাদে ওঠা সম্পূর্ণ নিষেধ ছিল। বাবার নিষেধ। কারণ ছাদে রেলিং নেই। বাবা লোহার সিঁড়ির মাথায় দরজা লাগিয়ে তালাবদ্ধ করে দিয়েছিলেন। তার চাবি থাকত তার কাছে। মা গোপনে আলাদা চাবি বানিয়ে নিয়েছিলেন। আমরা প্রায় রাতেই তালা খুলে ছাদে উঠতাম।

    নিষিদ্ধ একটা কাজ করছি–এই উত্তেজনায় দুজনই অস্থির হয়ে থাকতাম। মনে মনে বলতাম, বাবা যেন আর এ বাড়িতে না আসে। বাকি জীবনটা আমি এবং মা প্রম সুখে পার করে দেব।

    ললিতার উপস্থিতিতে মাতা-পুত্রের আনন্দময় জীবন বাঁধা পড়ত। আমরা দুজন আলাদা হয়ে পড়তাম।

    সন্ধ্যাবেলা ললিতা বাবার কাছ থেকে চাবি নিয়ে ছাদের দরজা খুলত। আমাকে নিয়ে ছাদে যেত। আমাকে বলত আমার কোলে মাথা রাখ আমি উকুন বাইছা দেই।

    আমি বলতাম, অন্ধকারে উকুন কিভাবে বাছাবে?

    এইটাও একটা কথা। আচ্ছা শুয়া খাক, মাথায় হাত বুলায় দেই। তুর মারে বলিস না। সে রাগ করব। সে ভাবব আমি তার পুলারে নিয়া নিছি।

    একজনের পুলা কি অন্যজনে নিতে পারে? পারে না।

    আমি তার কোলে মাথা রাখতাম।

    ললিতা নানান কথা বলত। আমি খুব মজা পেতাম।

    যেমন এক সন্ধ্যায় বলল,

    কালো বামুন ধলা শূদ্র
    বাঁইটা মুসলমান
    ঘরজামাই আর পোষ্যপুত্র–
    পাঁচ জনই হমান হমান।

    ক দেহি এর অর্থ কি?

    আমি বললাম, জানি না।

    তুই দেখি কিছুই জানস না। এর অর্থ এই পাঁচ জনই সমান খারাপ। আমার নাম ললিতা। ললিতা কে জানস?

    না।

    ললিতা হইল শ্রী রাধিকার সবচে প্রিয় সখী। কৃষ্ণের সঙ্গে ললিতারও ঘটনা ছিল। কি ঘটনা বড় হইলে বুঝবি। এখন বুঝবি না। ললিতা যেই দেখত রাধা কাছে ধারে নাই ওম্নে ফুড়ুৎ কইরা কৃষ্ণের ঘরে ঢুকত।

     

    বর্ষাকালের শুরুতে আমার বড় মামা কলকাতা থেকে বোনকে দেখতে এলেন। কলকাতায় বড় মামার ফার্মেসি আছে। ফার্মেসির নাম বকুল বালা আরোগ্য বিতান। বোনের নামে ফার্মেসি দিয়েছেন। বোনের প্রতি তাঁর মমতা এখান থেকে বুঝা যায়। মা তার ভাইকে জড়িয়ে দীর্ঘ সময় হাউমাউ করে কাঁদলেন। ভাইবোনের মধ্যে অনেক কথাবার্তাও হলো। কী কথা, আমি জানি না। আমার সামনে কোনো কথা হয়নি। তবে তারা দুজনে যে গোপন পরিকল্পনা করছেন তা বুঝতে পারলাম। দুপুরে ভাত খেতে বসেছি। বড় মামা বললেন, শোন ছোটন (মামা আমাকে ছোটন ডাকতেন) তোর মা এখানে ভয়াবহ কষ্টে আছে। আমি ঠিক করেছি তোর মাকে নিয়ে কলকাতা চলে যাব। সে সেখানেই থাকবে। তোর বাবার যদি মতিগতি ফেরে, তাহলে তোর মা আবার সংসার করতে আসবে। যদি না ফেরে তাহলে আর আসবে না। আমার সঙ্গেই থাকবে। তুই কি যাবি তোর মার সঙ্গে?

    আমি বললাম, যাব।

    তোকে কলকাতার স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেব। তুই পড়াশোনা করবি।

    আমি বললাম, আচ্ছা।

    তোর বাবার সঙ্গে যে যোগাযোগ থাকবে না, তা না। তুই চিঠিপত্র লিখবি। তোর বাপের যদি ছেলে দেখতে ইচ্ছা করে সে এসে দেখে যাবে। ঠিক আছে?

    হুঁ। ঠিক আছে।

    তাহলে কী কী সঙ্গে নিবি, গুছিয়ে ফেল। তোর বাবা যেন কিছু না জানে। শুধু বাবা কেন, কাকপক্ষীও যেন না জানে।

    কেউ জানবে না।

    ততাদের পাসপোর্ট করানো, ভিসা করানো–এসব অনেক ঝামেলা। গোপনে বর্ডার দিয়ে পাস করাব। আমার চেনাজানা লোক আছে। সমস্যা নাই। আমরা দহগ্রাম দিয়ে বর্ডার পাস করব। আমি কালই চলে যাব। সব ব্যবস্থা করে তিন-চার দিনের মাথায় চলে আসব। তুই আর তোর মা রেডি থাকবি। তোর হাতে একটা স্যুটকেস। তোর মার হাতে একটা। এর বেশি কিছু নেওয়া যাবে না।

    পরদিন ভোরে মামা দহগ্রামে চলে গেলেন। বাবা গ্রামে আসেন বৃহস্পতিবারে। সেদিন সোমবার। হঠাৎ দুপুর বেলা বাবা চলে এলেন, সঙ্গে ললিতা। মার সঙ্গে অনেক দিন পর বাবা ভালো ব্যবহার করলেন। হাসিমুখে কথা বললেন। বাবা বললেন, কচুয়া কাচের চুড়ি তোমার পছন্দ। পাঁচ ডজন চুড়ি এনেছি। কচুয়া রঙের একটা শাড়িও এনেছি। শাড়ি পরো, হাত ভর্তি করে চুড়ি পররা, তারপর আমার সামনে এসে বসো এবং বলো তোমার বড় ভাই কী মতলবে এসেছে।

    মা ভয়ে ভয়ে বললেন, বোনকে দেখতে এসেছে।

    শুধু শুধু বোনকে দেখতে আসে নাই। তুমি পত্র লিখে তোমার ভাইকে আনায়েছ। ঠিক বলেছি?

    না।

    বাবা নির্বিকার ভঙ্গিতে বললেন, তুমি পত্রে কোনো কিছু জানাতে বাদ রাখে নাই। ললিতা মেয়েটার কথাও লিখেছ। সুরুজ মিয়ার কথা লিখছ। আমি খারাপ পাড়ায় যাই এটাও লিখেছ। কিছু বাদ দাও নাই। শুধু একটা জিনিস লিখতে ভুলে গেছ। আমি যে বোতল খাই এটা লৈখো নাই। কিভাবে জানি জানো?

    মা চুপ করে রইলেন। বাবা বিড়ি ধরাতে ধরাতে বললেন, পোস্টমাস্টার সাহেবের সঙ্গে আমার বন্দোবস্ত করা ছিল। কলকাতায় যেসব চিঠি তুমি পাঠাবে সেগুলো তিনি আগে আমাকে পড়াবেন, তারপর ব্যবস্থা নেবেন। তোমার ভাইকে লেখা তিনটা পত্র আমার পাঞ্জাবির পকেটে আছে। ইচ্ছা করলে পড়ে দেখতে পারো। এখন যাও শাড়ি পরো। হাতে চুড়ি পরো। কুয়ার পাড়ে বসো। দুইজন সুখ-দুঃখের কিছু আলাপ করি।

    বাবা কুয়ার পাড়ে বসলেন, হাত ইশারায় আমাকে ডাকলেন। আমি ভয়ে কাপতে কাঁপতে বাবার সামনে দাঁড়ালাম। বাবা বললেন, তোর টাউট মামাটা কই?

    আমি বললাম দহগ্রাম গিয়েছেন। তিন-চারদিন পরে ফিরবেন।

    দহগ্রামে কেন গেল? সেখানের মামলাটা কী?

    আমি চুপ করে রইলাম। বাবা চাপা গলায় বললেন, যা জিজ্ঞেস করি তার উত্তর দিবি। সঙ্গে সঙ্গে দিবি। উত্তর দিতে এক সেকেন্ড দেরি হলে খেজুর কাঁটা দিয়ে চোখ তুলে দেব। বল দহগ্রামে কী ঘটনা?

    আমি চাপা গলায় বললাম, মা আর আমি দহগ্রামের বর্ডার দিয়ে ইন্ডিয়া চলে যাব।

    বাবা হাসিমুখে বললেন, বুদ্ধি তো ভালো বের করেছে। টাউটের টাউটামি বুদ্ধি। অগ্নিসাক্ষী করে বিয়ে করা অন্যের বউ ভাগায়ে নিয়ে চলে যাওয়া। উত্তম, অতি উত্তম। তুই এখন যা তোর মাকে নিয়ে আয়। ইন্ডিয়া চলে যাওয়ার আগে তোদের দুজনের সঙ্গে কিছু গল্পগুজব করি। ললিতাও আমাদের সঙ্গে থাকুক, সেও শুনুক ঘটনা কি। ললিতাও কি ইন্ডিয়া যাইতে চাও? যাইতে চাইলে তাদের সাথে যাও। ভালো চরণদার আছে।

    ললিতা বলল, আমি কোনোখানে যাব না। বাবা বললেন, পাছায় লাথি পড়লে উড়াল দিয়া যাবি। লাথি পড়ে নাই বইলা যাইতে চাস না।

     

    আমরা চারজন বসে আছি। বাবার হাতে চায়ের কপি। ললিতার মুখ হাসি হাসি। আমার মা সবুজ শাড়ি পরেছেন। তার হাত ভর্তি সবুজ চুড়ি। কী সুন্দর যে তাকে দেখাচ্ছে! যেন স্বর্গের ইন্দ্রাণী।

    বাবা চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বললেন, তুমি তোমার টাউট ভাইয়ের সঙ্গে বর্ডার ক্রস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছ বলে তোমার পুত্রের কাছে শুনলাম। ছেলেকে সঙ্গে না নেওয়া তোমার জন্য উত্তম হবে। কারণ তোমার টাউট ভাই পরে তোমাকে কুমারী বলে বিবাহ দেওয়ার চেষ্টা করবে। পুত্র সঙ্গে থাকলে সমস্যা। আমি উপদেশ দেব তোমার ছেলেকে রেখে যেতে। তারপরও যদি তাকে সঙ্গে নিতে চাও আমার আপত্তি নাই। তোমাদের দুজনের উপর আমি অনেক অত্যাচার করেছি। তোমরা মুক্তির চেষ্টা নিবে এটাই স্বাভাবিক।

    মা চমকে তাকালেন। তার চোখে সংশয়। বাবার কথা তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না। আবার অবিশ্বাসও করতে পারছেন না। তিনি একবার বাবার দিকে তাকাচ্ছেন, একবার আমার দিকে তাকাচ্ছেন।

    বাবা বললেন, আচ্ছা ঠিক আছে মা-পুত দুইজনেই যাও। কিছুদিন থাকে। যদি আমার জন্যে মন কাঁদে পত্র দিব। আমি নিয়া আসব। মন কাঁদার কোনো কারণ অবশ্য নাই।

    বাবা আরেকটা বিড়ি ধরালেন। ধোয়া টেলে কায়দা করে ললিতার মুখে ধোয়া ছাড়লেন। ললিতা চোখ-মুখ কুঁচকে বলল, কী যে টং করেন।

    বাবা বললেন, আমার কথা যা বলার বলেছি। তোমার ভাইকে কয়েকবার টাউট বলেছি। কাজটা ঠিক হয় নাই। তিনি তোমার বড় ভাই, কাজেই বয়সে ছোট হলেও আমার গুরুজন। তাছাড়া সে টাউটও না। বোনের প্রতি তার মমতা আছে। যা-ই হোক, দহগ্রাম পর্যন্ত যাওয়ার ব্যবস্থা আমি করে দেব। আমার পরিচিত একজন আছে, সে জিপ কিনেছে। জিপে করে চলে যাবে। ঠিক আছে?

    মা ক্ষীণস্বরে বললেন, ঠিক আছে।

    মন খোশ হয়েছে?

    হুঁ।

    তাহলে যাও, পাকশাক করো। তোমার হাতের রান্ধা ভালো। ললিতা মাগী বঁধতে পারে না। এইটাই সমস্যা।

    মা উঠে চলে গেলেন, ললিতা আমাকে নিয়ে মাছ মারতে বের হলো। সে আজ চাড় ফেলে মাছ ধরবে। কোনো এক নামকরা বলেকে দিয়ে সে মাছের চাড় বানিয়ে এনেছে। কাগজে করে মাছবন্ধন মন্ত্রও লিখে এনেছে। এই মন্ত্র তিন বার পড়ে বড়শিতে ফুঁ দিলেই মাছ বড়শি গেলার জন্য দিশাহারা হয়ে ছুটে আসবে।

    চার ফেলে পুকুরঘাটে আমার দুজুন বসে আছি। ললিতা পড়তে জানে না। কাজেই আমি কাগজে লেখা মন্ত্র তিন বার পড়ে বড়শিতে ফু দিলাম

    আজা বাজা
    মাছের পুত লাজা।
    কালির মন্ত্র হুঙ্কার
    আলি দিলেন টুঙ্কার।
    বড়শি বলে আয়
    দুনিয়ার মাছ ধরা খায়।

    বড়শি ফেলে ললিতা বসে আছে। সে বলল, এখন কি মনে হয় তোর বাপ খুব ভালো মানুষ?

    আমি বললাম, হু।

    ললিতা বলল, যে মন্দ সে সবসময় মন্দ। একজন মন্দ মানুষ হঠাৎ হঠাৎ ভালো হয় না। এক মন্দ মানুষ আরেক মন্দ মানুষরে চিনে। আমি মন্দ, আমি তোর বাপরে চিনি। তোর বাপের খারাপ কোনো মতলব আছে।

    কী খারাপ মতলব?

    সেটা বুঝতেছি না। এখন কথা বন্ধ। মাছ বড়শিতে ঠোকরাইতাছে। একদম চুপ।

    নতুন চাড়ের গুণেই হোক বা মন্ত্রের কারণেই হোক ললিতা বিশাল এক কাতল মাছ ধরে বিকট চিৎকার করতে লাগল, পাইছিরে পাইছি। আইজ তোরে পাইছি।

    ললিতার হইচই এবং তীক্ষ্ণ স্বরের চেঁচামেচিতে বাবা পুকুর পাড়ে উপস্থিত হলেন এবং বিস্মিত হয়ে বললেন, করছে কী! কত বড় মাছ ধরেছে। এই মাছ আমি পাকাব। মাথা দিয়ে মুড়িঘণ্ট। ঘরে মুগডাল কি আছে?

    বাবা উঠানের চুলায় নিজেই মাছ রান্না করলেন। ললিতা এবং মা দুজনেই তার পাশে বসা। তারা রান্নায় সাহায্য করছেন। দেখে মনে হচ্ছে অতি সুখী পরিবার। বাবা ললিতার দিকে তাকিয়ে বললেন, একটা গীত গাও। ললিতা বলল, আমি গীত জানি না।

    বাবা ধমক দিয়ে বললেন, মাগী তরে গাইতে বলছি গী। তুই যে কাননবালা না এইটা আমি জানি।

    ললিতা গানে টান দিল,

    আমি কই যাব, কারে শুনাব
    আমার মনের দুষ্কের কথা রে …

    ললিতা বাড়িতে এলে আমাকে নিয়ে রাতে ঘুমাতেন। সেই রাতে ব্যতিক্রম হলো। বাবা সন্ধ্যারাতে মাকে ডেকে নিয়ে বললেন আজ রাতে তুমি আমার সঙ্গে ঘুমাও। চলে যাচ্ছি আর তো দেখা পাব না। বাকি জীবন কার না কার সঙ্গে ঘুমাবে। ভালো কথা, তোমার ছেলে কি একা ঘুমাতে পারবে? যদি ভয় পায় ললিতাকে বলি তার সঙ্গে ঘুমাতে।

    মা বললেন, সে একা ঘুমাতে পারবে।

    আমি একাই ঘুমাতে গেলাম। শেষরাতে বিকট হইচই এবং কান্নার শব্দে ঘুম ভাঙল। ললিতা আমার ঘরে ঢুকে হাত টেনে আমাকে বিছানায় তুলতে তুলতে বলল, সর্বনাশ হইছে গো। তোমার মা ফাঁস নিছে। তোমার বাপের সঙ্গে নাকি কথা কাটাকাটি হইছে। তার পরে পিন্দনের শাড়ি খুইল্যা গলায় পেঁচায়া ঝুইলা পড়ছে। রাম রাম, কী সর্বনাশ!

     

    বড় মামার তিন দিন পর আসার কথা। তিনি পঞ্চম দিনে এলেন। এর মধ্যে শ্মশানে মাকে দাহ করা হয়েছে। শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের তারিখ হয়েছে। বড় মামা বললেন, আমার পোন গলায় ফাঁস নিয়া মরার মেয়ে না।

    বাবা বললেন, আপনার কী ধারণা? আমি গলা টিপে মেরেছি। তারপর ফঁসে ঝুলায়েছি?

    বড় মামা চুপ করে রইলেন।

    বাবা বললেন, এক কাজ করেন, থানায় যান। আমার নামে ৩০২ ধারায় মামলা দেন।

    বড় মামা বললেন, অবশ্যই মামলা করব। আপনাকে ফাঁসিতে ঝুলাব।

    বাবা বললেন, একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন। বিনা পাসপোর্টে এই দেশে ঢুকেছেন। পুলিশ আপনারে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে সঙ্গে সঙ্গে অ্যারেস্ট করবে।

    মামা বললেন, অ্যারেস্ট করলে করবে। আমি শেষ দেখে নেব।

    দেখেন, শেষ দেখেন। কোনো অসুবিধা নাই। পরিশ্রান্ত হয়ে এসেছেন। হাত-মুখ ধোন। খাওয়া-দাওয়া করুন। তারপর ঠাণ্ডা মাথায় বিবেচনা করুন, কী করবেন। আপনি আমার ছেলের সঙ্গেও পরামর্শ করতে পারেন।

    তার সঙ্গে কী পরামর্শ করব?

    সে যদি বলে সে নিজ চোখে দেখেছে, তার বাবা মাকে গলাটিপে মেরেছে, তাহলে শক্ত মামলা হবে।

    বড় মামা দুই দিন থাকলেন। এই দুই দিন তিনি অন্ন স্পর্শ করলেন না। কুয়াতলায় মূর্তির মতো বসে রইলেন। খুবই আশ্চর্যের ব্যাপার, তিনি রাতে ঘুমাতেও গেলেন না। একই জায়গায় বসে রইলেন। তৃতীয় দিন ভোর বেলায় কাউকে কিছু না বলে চলে গেলেন।

    নলিনী ভট্টাচার্য এই পর্যন্ত বলে থামলেন।

    আমি বললাম, আপনার গল্পটা সুন্দর। আপনার বলার ভঙ্গিও ভালো। আপনার বড় মামার নাম বলেননি।

    উনার নাম রামচন্দ্র।

    আপনার গল্প আগ্রহ নিয়ে শুনেছি। তবে গল্পে তেমন বিশেষত্ব নাই। নষ্ট চরিত্রের একজন মানুষের হাতে স্ত্রী খুন। এ রকম ঘটনা প্রায়ই ঘটে। অতি শুদ্ধ মানুষও স্ত্রীকে খুন করে। তারপরেও আপনার ব্যক্তিগত গল্প আপনি সুন্দর করে বলেছেন। চলুন ঘুমাতে যাই।

    নলিনী বাবু বললেন, মূল গল্পটা এখন শুরু করব।

    এতক্ষণ যা বললেন তা মূল গল্প না?

    না। এতক্ষণ প্রস্তাবনা করেছি। গল্পের ভূমিকা বলেছি। কিছুটা ক্লান্তও হয়েছি। একনাগাড়ে কথা বলায় ক্লান্তি আছে। একটা পান কি খাবেন?

    না।

    হালকা জর্দা দিয়ে একটা পান দেই। পান খেতে খেতে শুনুন। আপনার মুখ সচল থাকবে। আমি কথা বলছি আমার মুখ সচল। আপনি পান খাচ্ছেন, আপনারটা সচল।

    পান দিন।

    আমি পান মুখে দিলাম। নলিনী বাবু তার কথায়–মূল গল্প শুরু করতে গিয়ে আচমকা থেমে গেলেন।

    আমি বললাম, থামলেন কেন? সমস্যা কি?

    আপনি দুবার হাই তুলেছেন। এটাই সমস্যা। আপনার ঘুম পাচ্ছে। আমি চাচ্ছি মূল গল্পটা আপনি ইন্দ্রিয় সজাগ রেখে শুনবেন।

    আমি বললাম, আমার ঘুম পাচ্ছে এটা সত্যি। বাকিটা কাল সকালে শুনব।

    নলিনী বাবু বললেন, গল্পটা আমি রাতে শুনাতে চাই। দিনে চারদিক থেকে শব্দ আসে। শব্দের কারণে ইন্দ্রিয় খানিকটা অসাড় হয়ে থাকে। যদি অনুমতি দেন একটা দিন থাকি। গল্পটা রাতে বলি?

    অনুমতি দিলাম।

    নলিনী বাবু বললেন, বিনিময়ে আমি আপনাকে রান্না করে খাওয়াব। আগামীকাল খাওয়াব শরীর শুদ্ধি খাবার। কিছু খাবার আছে শরীর শুদ্ধ করে।

    খেতে নিশ্চয়ই কুৎসিত?

    না। খেতে ভালো। যান ঘুমাতে যান। আমি কি আপনার গা হাত পা টিপে দেব। এতে ঘুম আসতে সাহায্য হবে।

    ভাই আমার এমিতেই ঘুম হয়। ঘুম আনার জন্যে বাইরের সাহায্য লাগে না। তাছাড়া আপনি কেন আমার গা হাত পা টিপবেন।

    একজন লেখককে সেবা করছি এটাই আমার লাভ।

    আমি ঘুমুতে যাচ্ছি। আপনিও ঘুমাতে যান। আমি কারোর সেবা নেই না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবনী – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article নির্বাসন – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }