Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নলিনী বাবু B.Sc. – হুমায়ূন আহমেদ

    হুমায়ূন আহমেদ এক পাতা গল্প92 Mins Read0
    ⤶

    ০৯. নলিনী বাবুর লেখা কিছু কাগজ

    আমার হাতে নলিনী বাবুর লেখা কিছু কাগজ। তিনি যে শুধু গাছপালা এবং আকাশের তারা দেখে বেড়াচ্ছেন তা না। মাঝে মাঝে লেখালেখিও করেছেন। যারা সুন্দর করে গল্প করে তারা সুন্দর করে লেখে। ব্যাপারটা নিপাতনে সিদ্ধের মতো।

    নলিনী বাবু বেশ গুছিয়ে লিখেছেন। লেখাকে নানান অংশে বিভক্তও করেছেন। শুরুর অংশের নাম–ধন্যবাদ পত্র। এ রকম অনেক অংশ আছে। তবে সব লেখাই সংক্ষিপ্ত।

    ধন্যবাদ পত্র

    লেখক সাহেব! আপনি আমাকে অপূর্ব এক বাগানে ছেড়ে দিয়েছেন। আমি একা একা বাগানে হাঁটি। নিজেকে তখন আদি পুরুষ আদমের মতো মনে হয়। যেন এই পৃথিবীতে আমি একা। আমি ঘুরে বেড়াচ্ছি স্বর্গের উদ্যানে। আমাকে স্বর্গবাসের সুযোগ করে দিয়েছেন, আপনাকে ধন্যবাদ।

    ধন্যবাদ পত্রের পরের অংশের নাম–সীতা।

    সীতা

    লেখক সাহেব! আপনি হঠাৎ করে সীতা প্রসঙ্গ তুলায় আমি বিস্মিত হয়েছিলাম। ডায়েরি পড়ে বিস্ময়ের সমাপ্তি হয়েছে। বুঝতে পেরেছি ডায়েরিতে সীতার নাম পড়েছেন বলে তার বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন। এক বিস্ময়ের সমাপ্তি হলেও এখন অন্য বিস্ময়! ডায়েরিতে এই নাম কে লিখল?

    ডায়েরি

    আমি অতি মনোযোগে ডায়েরি পড়েছি। জটিল সব জ্ঞানের কথা আমার মাথার উপর দিয়ে গিয়েছে। ডায়েরিতে একটি সংস্কৃত শ্লোক পড়ে অত্যন্ত অনিন্দিত হয়েছি। এই শ্লোক আমার মা বলতেন। আমি যেসব শ্লোক জানি সবই মার কাছ থেকে শেখা। এই শ্লেকিটা ভুলে গিয়েছিলাম।

    ভেকো মমকায়তে
    দিব্যং চূতফলং প্রাপ্য
    ন গর্বং যাতি কোকিলঃ
    পীত্বা কৰ্মপানীয়ং
    ভেকো মকমকায়তে ॥

    (অর্থ)

    কোকিল আম ফল খেয়েও গর্বিত হয় না। কিন্তু ব্যাঙ কর্দমযুক্ত জলপান করেও গর্বে মকমক শব্দ করতে থাকে।

    অশোক বৃক্ষ এবং অর্শ ব্যাধি

    আজ একটি অশোক গাছের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলাম। কি সতেজ প্রাণশক্তিতে ভরপুর এক বৃক্ষ। আমাদের বাড়ির পেছনে পুকুর ঘাটের কাছে একটা অশোক গাছ ছিল। কোনো এক বিচিত্র কারণে আমার মা গাছটাকে অত্যন্ত পছন্দ করতেন (আমার দুঃখ জগতের মার কথা বলছি। বাবার এক সময় অর্শ রোগ হলো। তিনি রোজ অশোক গাছের ছাল কেটে নিয়ে যেতেন। অর্শ রোগ থেকে মুক্তির জন্য সেই ছালসেদ্ধ রস খেতেন। মাকে দেখতাম গাছের ছাল কাটা অংশে হাত বুলাতে বুলাতে বলতেন, আহারে! আহারে। ছাল কাটার কারণেই হয়তো অশোক গাছ মারা যায় তবে বাবা সুস্থ হয়ে ওঠেন।

    একটি রসিকতা

    নীলগঞ্জ হাইস্কুলে পাঠদানের সময় আমি মাঝে কিছু রসিকতা করতাম। ছাত্রীরা প্রভূত আনন্দ পেত। তখনকার একটি রসিকতা হঠাৎ মনে পড়ায় একা একা অনেকক্ষণ হেসেছি। নুহাশ পল্লীর ম্যানেজার আমাকে বলল, কি হয়েছে? আমি বললাম, কিছু হয় নাই। ম্যানেজার চিন্তিত মুখে তাকাচ্ছে। মনে হলো সে ভেবেছে আমি আবারও পাগল হয়ে যাচ্ছি। রসিকতাটা বলি–এক তরুণী মেয়ের উপর বজ্রপাত হয়েছে। মেয়েটি মারা গেছে। কিন্তু তার মুখ ভর্তি হাসি। পাড়ার লোক অবাক হয়ে বলল, মেয়েটা বজ্রপাতের সময় হাসছিল কেন? মেয়ের মা বললেন, সে ভাবছিল ফ্ল্যাশ লাইট দিয়ে কেউ তার ছবি তুলছে, তাই হাসি হাসি মুখ করে ছিল।

    ফিরে যেতে চাই

    আমি ফিরে যেতে চাই। নীলগঞ্জে না। ক্লিনিকে ফিরে যেতে চাই।

    ফিরে যেতে চাই অংশ পড়ে বিস্মিত হলাম। যিনি এই জায়গাটাকে স্বর্গভূমি বলছেন তিনি কেন স্বেচ্ছায় ত্রকে ফিরে যেতে চাইবেন? নুহাশ পল্লীর ম্যানেজারের সঙ্গে কথা হলো। সে বলল, স্যার উনার মাথা পুরাপুরি সারে নাই।

    আমি বললাম, এ রকম মনে হচ্ছে কেন?

    স্যার উনি নিজের মনে হাসেন। একবার দেখি টেলিস্কোপে তারা দেখতে দেখতে এমন হাসি শুরু করলেন। আমি দৌড় দিয়ে গেলাম। বললাম, কি হয়েছে? হাসেন কেন? উনি বললেন, স্বাতী নক্ষত্র দেখে হাসি এসে গেল। হাসি ছাড়াও উনার আরো পাগলামি আছে।

    কি রকম?

    কোনো একটা গাছ পছন্দ হলে উনি গাছের চারদিকে ঘুরতে থাকেন। আমি একবার দূর থেকে গুনেছি কত বার ঘুরেন। নাগলিঙ্গম গাছটার চারদিকে তিনি চল্লিশ বার ঘুরেছেন।

    আমি বললাম, উনি খেয়ালি মানুষ বলে এই রকম করেন। তাঁর মধ্যে এই মুহূর্তে কোনো পাগলামি নেই। আমার অন্তত চোখে পড়ছে না।

    ম্যানেজার বলল, আমি নিজে ভয়ে ভয়ে থাকি। এ রকম মানুষ তো দেখি নাই। কখন কোন বিপদ হয়।

    কোনো বিপদ হবে না। তারপরও সাবধান থাকা ভালো।

    স্যার আমি আপনার অনুমতি ছাড়া একটা কাজ করেছি। উনার যে কেয়ারটেকার আছে তাকে চিঠি লিখেছি চলে আসার জন্যে। পরিচিত একজন থাকলে উনার জন্যে ভালো। আমাদের জন্যেও ভালো। স্যার ঠিক আছে না?

    হ্যাঁ ঠিক আছে।

     

    সন্ধ্যা সবে মিলিয়েছে।

    আমি আর নলিনী বাবু জাপানি ঘাটে বসে আছি। নলিনী বাবুর সঙ্গে টেলিস্কোপ আছে। খাতা-কলমও দেখছি। আমি বললাম, অন্ধকারে লিখবেন কি ভাবে?

    নলিনী বাবু বললেন, আমার চোখের দৃষ্টি ভালো। আমি নক্ষত্রের আলোতেও লিখতে পারি। বেশিরভাগ লেখাই আমি তারা দেখার ফাঁকে ফাকে অন্ধকারে লিখেছি।

    আপনার লেখায় পড়লাম আপনি ক্লিনিকে ফিরে যেতে চান। কেন?

    নলিনী বাবু বললেন, ক্লিনিকে ফিরে যাবার পিছনে আমার কঠিন যুক্তি আছে। আপনি যুক্তিবাদী মানুষ। যুক্তি শুনলে নিজেই ক্লিনিকে ভর্তি করিয়ে দিয়ে আসবেন।

    আমি বললাম, শুনি আপনার ক্লিনিকে ফিরে যাবার কারণ এবং যুক্তি।

    নলিনী বাবু শান্ত গলায় বললেন, ওরা সেখানে আমাকে কড়া ঘুমের অষুধ দেয়, কঠিন কঠিন ড্রাগ খাওয়ায়, এতে আমার ঘোরের মতো হয়। খুব সহজেই এক জগৎ থেকে আরেক জগতে যেতে পারি। কত জগৎ যে দেখেছি। আহারে! একটা জগৎ দেখলাম নীল পাতার গাছের জগৎ। গাছের কাণ্ডও নীল, পাতাও নীল। আমাদের আকাশ নীল। সেখানের আকাশ ঘন কালো। সূর্য দুটা। একটা প্রকাণ্ড, একটা ছোট। আমাদের সূর্যের দিকে তাকানো যায় না। ওদের সূর্যের দিকে তাকানো যায়। ছোট সূর্যটা বড়টার চারদিকে ঘুরছে।

    ঐ জগতে আপনি একাই ছিলেন না-কি আরো কেউ ছিল?

    শুধু আমরা দুজন।

    আপনারা দুজন মানে কি? আপনি আর কে?

    নলিনী বাবু জবাব না দিয়ে টেলিস্কোপ নিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগলেন। আমি বললাম, আপনি আর সীতা?

    নলিনী বাবু নিচু গলায় বললেন, আমি আর সুলতানা। আমার ছাত্রী। ক্লাস টেন। বিজ্ঞান বিভাগ। আমি বললাম, আর কোন জগতে গেছেন। সেটা শুনি।

    অল্প সময়ের জন্য পুরোপুরি পানির একটা জগৎ দেখেছি। পানিতে ছোট ছোট দ্বীপ। প্রতিটি দ্বীপে দুজন করে মানুষের থাকার ব্যবস্থা। নারিকেল গাছের মতো গাছে দ্বীপ ভর্তি। তবে গাছগুলি ছোট ছোট। নারিকেলের মতো ফুল ফুলে আছে। হাত দিয়ে পাড়া যায়।

    ফল খেয়ে দেখেছেন?

    আমি খাইনি, সে খেয়ে দেখেছে।

    সুলতানা খেয়ে দেখেছে?

    হুঁ। বলেছে ফলের পানিটা টক টক আর শাঁস অসম্ভব মিষ্টি।

    আমি হতাশ গলায় বললাম, আপনি যা দেখেছেন সবই তো Drug induced hallucination. আপনার শুরুর গল্প কিছুটা হজম করা যায়। আপনার দুটা মাত্র জগৎ। একটা থেকে আরেকটায় যাচ্ছেন। এখনকার গল্প হজম করার কোনো কারণ নেই।

    আপনাকে হজম করতে বলছি না। হতে পারে যা দেখছি সবই মিথ্যা কিন্তু আমি আনন্দ পাচ্ছি। এক জগৎ থেকে আরেক জগতে যাচ্ছি। কিছু সময় পানির নিচের জগতে ছিলাম। সেটা বলব?

    না।

    দয়া করে শুনুন। ঐ জগতে মানুষ থাকে পানির নিচে। বাস করে মাছের মতো। তারা ঝাঁক বেঁধে ঘুরে। ঘুরে বলা ঠিক না। সবসময় স্রোতের বিপরীতে সাঁতরাতে হয়। এই যাত্রা স্রোতের উৎসের সন্ধানে যাত্রা।

    আপনি যে ঝকে ছিলেন, সেই ঝকে নিশ্চয়ই সুলতানা মেয়েটাও আছে।

    হুঁ! আমার ধারণা হচ্ছে আপনি আমার কথা শুনে খুবই বিরক্ত হচ্ছেন।

    আমি বললাম, আপনার ধারণা সঠিক। যথেষ্টই বিরক্ত হচ্ছি। আপনি প্রলাপ বকছেন। অন্যের প্রলাপ যে শুনবে সে তো বিরক্তই হবে।

    নলিনী বাবু বললেন, থাক আর কিছু বলব না। আমি বললাম, সুলতানা মেয়েটির সঙ্গে আপনার প্রণয়ের অংশটি আপনি বলেননি। ঐ অংশটি শুনতে চাচ্ছি। বলতে কি আপত্তি আছে?

    আপত্তি নাই। কিঞ্চিৎ লজ্জা বোধ করছি।

    আমি বললাম, অন্ধকার হলো লজ্জাহর। অন্ধকার লজ্জা হরণ করে। আপনি তারা দেখতে দেখতে এই অংশটা বলুন।

    নলিনী বাবু বড় করে নিশ্বাস নিয়ে গল্প শুরু করলেন, গ্রামের স্কুলের মেয়েরা মধ্যম মানের ছাত্রী হয়ে থাকে। সুলতানা তার ব্যতিক্রম ছিল। শান্ত চেহারার অতি লাজুক এক মেয়ে। চোখে চোখ পড়লে তৎক্ষণাৎ চোখ নামিয়ে নিত। ক্লাসে আসত শাড়ি পরে। শাড়ির উপর চাদর। চাদরে মাথা ঢাকা। আমি আপনাকে আগেই বলেছি ক্লাসে আমি রসিকতা করতাম। সবাই হাসত, এই মেয়েটা কখনো হাসত না। সে একমাত্র মেয়ে যে প্রশ্নের উত্তর দিত না। পরে শুনলাম সে শুধু আমার প্রশ্নেরই উত্তর দেয় না। অন্য শিক্ষকদের প্রশ্নের উত্তর ঠিকই দেয়। আমি ব্যাপারটা কিছুই বুঝতে পারলাম না।

    এক মাঘ মাসের কথা। আমি জ্বরে পড়েছি। ভালো জ্বর। ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন নিউমোনিয়া। ঘরে পড়ে আছি। চিকিৎসা চলছে। রোগ আরোগ্য হচ্ছে না। বরং বাড়ছে।

    আমার শরীর খুব খারাপ করেছে। নিশ্বাসের কষ্ট শুরু হয়েছে। চোখ বন্ধ করে পড়ে আছি। হঠাৎ ঠাণ্ডা একটা হাত কপাল স্পর্শ করল। হাতে লেবুর গন্ধ। আমি চমকে তাকালাম। অবাক হয়ে দেখি সুলতানা। আমাকে তাকিয়ে থাকতে দেখেও সে হাত সরিয়ে নিল না। আমি অবাক হয়ে বললাম, তুমি।

    সুলতানা হ্যাঁ সূচক মাথা নাড়ল।

    আমি বললাম, একা এসেছ? কেউ কি জানে তুমি এসেছ?

    সুলতানা ক্ষীণ গলায় বলল, কেউ জানে না।

    আমি বললাম, করেছি কি, যাও তাড়াতাড়ি বাসায় যাও।

    সে বলল, স্যার আমি যাব না।

    কেন যাবে না?

    সুলতানা ফুঁপিয়ে কাঁদলে থাকল। এই আমার তার সঙ্গে শেষ দেখা। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার বাসা থেকে তার বাবা আর তার ভাই এসে তাকে নিয়ে গেল। প্রায় জোর করে তাকে নেওয়া হলো। তার স্কুলের পড়াশোনা বন্ধ করে দেয়া হলো। তাকে পাঠিয়ে দেয়া হলো কুমিল্লায়।

    নলিনী বাবু চুপ করলেন। আমি বললাম, আপনি যখন দুঃখ জগৎ থেকে সুখ জগতে যান তখন কি সুলতানাকে দেখেন?

    হ্যাঁ।

    কি ভাবে দেখেন?

    স্ত্রী হিসেবে দেখি। সেখানে তার নাম সীতা। সে আমার স্ত্রী।

    আমি বললাম, নলিনী বাবু আপনার বিভিন্ন জগতে সুমনের পুরো ব্যাপারটা মানুষিক। বিশেষ করে ড্রাগ খেয়ে যা দেখছেন। ইচ্ছাপুরার একটা বিষয় কাজ করেছে। সুলতানার সঙ্গে জীবনযাপনের প্রবল বাসার কারনেই আপনি যে জগতে যাচ্ছেন সেখানেই সুলতানা মেয়েটিকে দেখছেন।

    নলিনী বাবু বললেন, হতে পারে।

    আপনি ভিন্ন ধমের মানুষ। একটি মুসলমান মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক হওয়া বেশ কঠিন। কাজেই আপনার মস্তিষ্ক মেয়েটিকে হিন্দু বানিয়ে দিয়েছে। তবে নামের কিছু মিল রেখেছে। সুলতানা হয়েছে সীতা।

    আপনার যুক্তি ভালো, মিসির আলি সাহেবের মতো। ডায়েরির ব্যাপারটা বলবেন?

    আমি বললাম, ডায়েরির ব্যাপারটায় কিছু রহস্য অবশ্যই আছে। ডায়েরি আপনারই লেখা এতে সন্দেহ নেই। এই ডায়েরি অন্য জগৎ থেকে এখানে চলে এসেছে তা হতেই পারে না। কোয়ান্টাম মেকানিক্স দুই জগৎ বা অসংখ জগৎ স্বীকার করে তবে এক জগতের বস্তু অন্য জগতে স্থানান্তর স্বীকার করে না। স্থানান্তর মানেই ওয়েভ ফাংশনের কলাপস। জগতের বিলুপ্তি।

    নলিনী বাবু বললেন, ডায়েরিতে লেখা আমার মায়ের কিছু শোক আমি জানি। বাকি কিছুই জানি না। এটা আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে। নস্ট্রডেমামের নাম প্রথম শুনেছি।

    আমি আপনার কথা বিশ্বাস করছি? ___(?)___ বলে একটা ব্যাপার আছে। মানুষের মধ্যে প্রবল ঘোর তৈরি হয় তখন সে এই ঘোরের মধ্যে শেখে। ঘোর তৈরির কারণ অজানা।

    নলিনি বাবু বললেন, ডায়েরির ব্যাপারটা নিয়ে আমি অনেক ভেবেছি। মূর্খের ভাবনা গুরুত্বপূর্ণ কিছু না। আপনাকে বলব?

    অবশ্যই বলবেন।

    আমার কেন জানি মনে হচ্ছে প্রতিটি জগতে আমার শরীর আলাদা। আমি যখন এক জগৎ থেকে আরেক জগতে যাই তখন আমার শরীর যায় না। আমার চিন্তাটা যায়। স্মৃতিটা যায়।

    আমি বললাম, আপনার এই চিন্তা খুব পরিষ্কার চিন্তা। আমাদের শরীর হলো কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক। চিন্তাটা হলো সফটওয়ার। কোনো অদ্ভুত ব্যাখ্যাতিত কারণে হয়তো দুই জগতের সফটওয়ার ওভার লেপিং হচ্ছে। আপনি ডায়েরি লিখছেন ঠিকই কিন্তু তখন সফটওয়ার বা আপনার চিন্তা এবং স্মৃতি অন্য জগতে। সেই জগতের মানুষটা স্মৃতি কি তা জানতে প্রবল আগ্রহী বলেই স্মৃতি বিষয়ক নানান কথাই ডায়েরিতে এসেছে।

    নলিনী বাবু বললেন, আপনার ব্যাখ্যায় চমৎকৃত হয়েছি। চলুন ঘরে যাই, আকাশের অবস্থা ভালো না। বৃষ্টি নামবে। আপনার কি মনে আছে প্রথম যখন আপনার সঙ্গে দেখা হয়েছিল তখন প্রবল বর্ষণ হয়েছে।

    মনে আছে।

    নলিনী বাবু অন্যমনস্ক গলায় বললেন, অন্য জগতেও আপনার সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। তখনও প্রবল বর্ষণ হচিছল। দেখা হয়েছিল উত্তরার সেই বাড়িতেই।

    কী দেখেছিলেন বলুন।

    নলিনী বাবু বিড়বিড় করে বলেন, আমি জানি সবই আমার অসুস্থ মস্তিকের কল্পনা। তারপরও বলি। আপনার সঙ্গে রাজপুত্রের মতো একটা ছেলে ছিল। বয়স সাত-আট বছর। আমি তাকে বললাম, বাবা তোমার নাম কী? সে বলল, রাশেদ হুমায়ূন। আপনি আমাকে বললেন, আমার এই ছেলেটা জন্মের পর খুব অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ডাক্তাররা বহু কষ্টে তার জীবন রক্ষা করেন।

    আমি হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে আছি। জন্মের পরপর রাশেদ হুমায়ুনের মৃত্যুর ব্যাপারটা তার জানার কথা না। তারপরও ধরে নিলাম এই তথ্য তিনি সংগ্রহ করেছেন।

    আমি বললাম, আর কিছু মনে আছে?

    নলিনী বাবু বললেন, আপনি আপনার পুত্রকে নিয়ে একটা ছড়া বলেছিলেন। আপনার পুত্র তাতে খুব মজা পাচ্ছিল।

    ছড়াটা মনে আছে?

    হ্যাঁ।

    বলুন শুনি।

    নলিনী বাবু ছড়া আবৃত্তি করলেন।

    রাশেদ বাবাটিং
    দরজা বন্ধ করছিং
    আমি বই পড়ছিং
    এবং মজা পাচ্ছিং।

    আমি দীর্ঘ সময় নলিনী বাবুর দিকে তাকিয়ে রইলাম। কোনোভাবেই এই ছড়া তার জানার কথা না।

    হঠাৎ প্রবল আনন্দে আমি অভিভূত হলাম। আমার ছোট্ট বাবা রাশেদ হারিয়ে যায়নি। অন্য একটা জগতে সে তার বাবার সঙ্গেই বাস করছে।*

    ———-

    *নলিনী বাবু আমাকে কিছু না জানিয়ে নিজে নিজেই ক্লিনিকে ভর্তি হন। তার মৃত্যু হয় সেখানেই।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবনী – হুমায়ূন আহমেদ
    Next Article নির্বাসন – হুমায়ূন আহমেদ

    Related Articles

    হুমায়ূন আহমেদ

    বোতল ভূত – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    নিউইয়র্কের নীলাকাশে ঝকঝকে রোদ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    রং পেন্সিল – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    বিবিধ / অগ্রন্থিত লেখা – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    আজ হিমুর বিয়ে – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    হুমায়ূন আহমেদ

    কৃষ্ণপক্ষ – হুমায়ূন আহমেদ

    January 3, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }