Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নাট বল্টু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প120 Mins Read0
    ⤶

    ১০. চা বাগানে এডভেঞ্চার

    ১০. চা বাগানে এডভেঞ্চার

    ভোরবেলা গেস্টহাউসের পিছনে ছোটখাটো হইচইয়ের শব্দ শুনে বল্টুর ঘুম ভাঙল। জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে দেখল, বানরের বাচ্চাটা যেখানে বাঁধা ছিল সেখানে খালি শেকলটা হাতে নিয়ে ইদরিস মিয়া দাঁড়িয়ে আছে। তার চেহারা উত্তেজিত। হাত-পা নেড়ে কথা বলছে। কেউ একজন তার বানরের বাচ্চা চুরি করে নিয়ে গেছে। সে জন্য সে খুব রেগে আছে। চোরকে ধরতে পারলে তার কী অবস্থা করবে সেটা সে বারবার বলে যাচ্ছিল।

    বল্টু কোনো কথা না বলে পিছনে সরে এল। বোকা মানুষটা বুঝতেও পারছে না যে কেউ বানরের বাচ্চাটকে চুরি করে নি। সেটাকে ছেড়ে দিয়েছে।

    সকালে যখন সবাই মিলে নাশতা করছে তখন নান্টুর আব্লু ইদরিস মিয়াকে জিজ্ঞেস করলেন, “কী ব্যাপার, ইদরিস মিয়া? সকালে খুব চেঁচামেচি শুনলাম!”

    ইদরিস মিয়া বলল, “আর বলবেন না স্যার। আমার বানরের বাচ্চাটা কে যেন চুরি করে নিয়ে গেছে।”

    নান্টুর আম্মু বললেন, “বানরের বাচ্চা কে চুরি করবে? এটা কি সোনাদানা? কোথায় নিয়ে রাখবে?”

    ইদরিস মিয়া বলল, “ম্যাডাম, মার্কেটে বানরের অনেক দাম। আমার এটা ছিল যাকে বলে বিরল প্রজাতির বানর।”

    বল্টু বলল, “কচু প্রজাতির বানর। আলকাতরা দিয়ে কালো দাগ দিয়ে রেখেছিল পিচ্চি বানরটাকে।”

    “মোটেই আলকাতরার দাগ না।”

    “তাহলে কলপের দাগ–”

    “মোটেও না।”

    “বানর কখনো ডোরাকাটা হয় না। বাংলাদেশের প্রাণী নামে আমি একটা বই পড়েছি। সেখানে সব রকমের বানরের ছবি ছিল। কোনো ডোরাকাটা বানর ছিল না সেখানে।”

    ইদরিস মিয়া উদাস ভঙ্গি করে বলল, “আল্লাহর দুনিয়ায় কত কিসিমের জানোয়ার আছে, সবগুলির কথা কি বইয়ে লিখেছে?”

    নান্টু বলল, “রাতের বেলা কোনো বাঘ-ভালুক এসে বানরের বাচ্চাটাকে খেয়ে ফেলে নি তো!”

    ইদরিস মিয়া বলল, “না। গলার বেল্টটা কেটেছে যন্ত্র দিয়ে। অনেক এক্সপার্ট চোর!”

    বল্টু আর মুনিয়া একজন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসল। কেউ সেটা লক্ষ করল না।

    .

    নাশতা করে সবাই মিলে গেল চা-বাগানের শ্রমিকদের এলাকায়। সেখানে দুটি ছোট বাচ্চার সঙ্গে তাদের খাতির হয়ে গেল। ওরা তাদের সবকিছু ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাল। তাদের সবচেয়ে পছন্দ হলো একটা মন্দির। ভেতরে মা-কালীর একটা মূর্তি, খুব ভয়ঙ্কর দেখতে। বল্টু আর নান্টু কখনোই এ রকম মূর্তি দেখে নি। তারা খুব অবাক হয়ে দেখল।

    দুপুরে খাওয়ার পর নান্টুর আব্বু-আম্মু বিশ্রাম নেওয়ার জন্য একটু বিছানায় গড়িয়ে নিলেন। ঠিক এই সময় বল্টু নান্টুকে বলল, “চলো।”

    নান্টু তার আঙুল নাচাল। তার মানে “কোথায়?”

    “মনে নাই? আমাদের ভাঙা বাড়িটা দেখতে যেতে হবে? ইদরিস মিয়া যেখানে আমাদের নিতে চায় নি।”

    নান্টু মাথা নাড়ল। বলল, “চলো।”

    বল্টু ফিসফিস করে বলল, “চাচা-চাচি যেন টের না পায়। তাহলে কিন্তু একা যেতে দেবে না। সঙ্গে ইদরিস মিয়াকে দিয়ে দেবে।”

    নান্টু বলল, “ঠিক আছে।” বল্টু বলল, “দাঁড়া, আমার ব্যাগটা নিয়ে নিই।”

    নান্টু আবার তার আঙুল নাচাল, যার অর্থ “তোমার ব্যাগের ভেতর কী আছে?”

    বল্টু বলল, “অনেক যন্ত্রপাতি। ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর অস্ত্র।”

    নান্টু আর বল্টু চুপি চুপি গেস্টহাউস থেকে বের হয়ে মাত্র রাস্তায় পা দিয়েছে, তখনই পিছন থেকে মুনিয়ার গলার আওয়াজ শুনতে পেল। “ওই নাট-বল্টু, তোমরা কোথায় যাচ্ছ একা একা?”

    দুজনই দাঁড়িয়ে গেল। বলল, “ওই তো, ওদিকে।”

    “ওদিকে মানে কোনদিকে?”

    বল্টু হাত নেড়ে বলল, “ওই তো ওদিকে।”

    মুনিয়া একটু অধৈর্য হয়ে বলল, “এদিক-ওদিক করছ কেন? ঠিক করে বলো।”

    এবারে নান্টু বলল, “মানে, আমরা যাচ্ছি মানে, এই তো মানে—”

    মুনিয়া রেগে বলল, “দেখ নান্টু, ঠিক করে কথা বল। তা না হলে তোকে ওই গাছের সাথে লটকে রেখে দেব।”

    বল্টু বুঝতে পারল, এখন যদি ঠিক করে না বলে তাহলে তারা বিপদে পড়ে যাবে। তাই সত্যি কথাই বলে দিল, “আমরা একটা ভাঙা পোড়োবাড়ি দেখতে যাচ্ছি।”

    “কী আছে ওই পোড়োবাড়িতে?”

    “জানি না। মনে হয় খুব ইন্টারেস্টিং হবে?”

    “কেন?”

    “আমরা যখন যেতে চাইছিলাম তখন ইদরিস মিয়া আমাদের যেতে দিতে চায় নাই!”

    “তাই নাকি?”

    “হ্যাঁ। এ জন্যে এখন যাচ্ছি।” মুনিয়া বলল, “আম্মু আর আব্বু শুনলে কিছুতেই যেতে দেবে না।”

    “চাচা-চাচিকে সে জন্যেই তো কিছু বলি নাই।”

    “আমি কিন্তু বলে দেব।”

    “তুমি আমাদের সাথে চলো।”

    মুনিয়া কিছুক্ষণ চিন্তা করে বলল, “ঠিক আছে। তাহলে চল, আমিও দেখে আসি জায়গাটা।”

    নান্টু বলল, “তাহলে তুমি আব্বু-আম্মুকে বলে দেবে না তো?”

    “ঠিক আছে বলব না।”

    তখন তিনজন আবার রওনা দিল। চা-বাগানের পাশ দিয়ে একটা ছোট রাস্তা। দুটো টিলার মাঝখান দিয়ে সেই রাস্তা ধরে চলে গেলে একটা শুকনো খাল। সেই শুকনো খালের উল্টোদিকে ভাঙা পোড়োবাড়ি।

    তিনজন কথা বলতে বলতে ছোট রাস্তাটা ধরে হাঁটতে থাকে, দুপাশে সুন্দর চা-বাগান, তার মাঝখানে বড় বড় ছায়াগাছ। গাছে পাখি কিচিরমিচির করছে। শুনে মনে হয় ওরা বুঝি কিছু নিয়ে খুব ব্যস্ত।

    বেশ খানিকক্ষণ হেঁটে তারা একটা শুকনো খাল পেল ঠিকই, কিন্তু মনে হলো এটা অন্য একটা শুকনো খাল। সেই খাল ধরে হাঁটতে হাঁটতে তারা একটা জঙ্গলের মতো জায়গায় চলে এল। নিশ্চয়ই রাস্তা ভুল করেছে। তাই তারা যেদিক থেকে এসেছে সেদিকে ফিরে যেতে শুরু করল। বেশ খানিকক্ষণ হেঁটেও তারা এবারে আর আগের শুকনো খালটা খুঁজে পেল না। আবার আগের রাস্তায় গিয়ে অন্য একটা জায়গায় হাজির হলো। সেখান থেকে আবার আগের জায়গায় ফিরে আসতে গিয়ে নতুন একটা জঙ্গলে হাজির হলো। তখন তারা বুঝতে পারল, তারা হারিয়ে গেছে।

    এতক্ষণ কেউ কোনো কথা বলে নাই। তারা হারিয়ে গেছে বোঝার পর নান্টু কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, “এখন যদি বাঘ-ভালুক আমাদের খেয়ে ফেলে?”

    মুনিয়া বলল, “ধুর গাধা। এখানে কোনো বাঘ-ভালুক নাই।”

    “যদি ভূত আসে?”

    “দিনের বেলা ভূত আসবে কেন?”

    “একটু পরেই তো রাত হবে।”

    “তার আগেই আমরা রাস্তা পেয়ে যাব।”

    “যদি না পাই? যদি সারা জীবন আমাদের এখানে থাকতে হয় টারজানের মতো?”

    মুনিয়া বলল, “বোকার মতো কথা বলিস না গাধা।”

    বল্টু বলল, “আমার ব্যাগে কম্পাস আছে, বাইনোকুলার আছে। পেট্রল আছে, ম্যাচ আছে। দরকার হলে একটা বড় আগুন জ্বালাব। তখন কোনো বাঘ-ভালুক আমাদের কাছে আসবে না। আর আগুন দেখে মানুষেরা আমাদের কাছে চলে আসবে।”

    বল্টুর কথা শুনে নান্টু একটু শান্ত হলো। বল্টু বলল, “এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে লাভ নেই। আমরা একটু হাঁটি।”

    “হ্যাঁ, চলো।” মুনিয়া বলল, “এই জায়গাটাকে সেন্টার করে একেকবার একেকদিকে হাঁটি।”

    বল্টু তার ব্যাগ থেকে কম্পাসটা বের করে বলল, “প্রথমে হাঁটি উত্তর দিকে।”

    “ঠিক আছে।”

    তারা তিনজন মাত্র কিছুদূর গেছে, ঠিক তখনই গাছের ওপর এক ধরনের হুটোপুটির শব্দ শোনা গেল। ওপরে তাকিয়ে দেখল গায়ে দাগ দেওয়া সেই বানরের বাচ্চাটা। গাছের ডালে ঝুলে ঝুলে সেটা একটা ভাল থেকে আরেকটা ডালে লাফাচ্ছে। বল্টু বলল, “আরে! আমাদের পিচ্চি বানর।”

    নান্টু বলল, “এটা নাকি চুরি হয়ে গিয়েছিল?”

    বন্দু বা মুনিয়া নান্টুর কাছে আসল ব্যাপারটা আর বলল না। ছোট মানুষ। কথাটা পেটে রাখতে না পারলে বিপদ হয়ে যাবে। বল্টু বলল, “চুরি হয় নাই মনে হচ্ছে। পালিয়ে গেছে।”

    বানরের বাচ্চাটা মুখে নানা রকম শব্দ করে এক ডাল থেকে অন্য ডালে লাফাতে লাগল। কোনো একটা কারণে বানরের বাচ্চাটা খুব উত্তেজিত। বল্টু বানরের বাচ্চাটাকে ডাকল। বলল, “এই যে পিচ্ছি! আসো এদিকে। কী হয়েছে তোমার? এত লাফ-ঝাঁপ দিচ্ছ কেন?”

    বানরের বাচ্চাটা তখন এক গাছ থেকে অন্য গাছে লাফ দিয়ে বেশ সামনে চলে গিয়ে সেখানে হুটোপুটি করতে লাগল। বল্টু বলল, “আমার মনে হয় এই পিচ্চি বানর আমাদের কোনো একটা জায়গায় নিয়ে যেতে চাইছে।”

    মুনিয়া বলল, “তোমার তা-ই মনে হয়?”

    “হ্যাঁ। দেখো না সামনে এসে লাফাচ্ছে।”

    “চলো তাহলে যাই।”

    দেখা গেল বল্টুর ধারণা সত্যি। তারা হাঁটতে শুরু করলে বানরের বাচ্চাটাও এক গাছ থেকে অন্য গাছে লাফিয়ে লাফিয়ে এগোতে থাকে। হাত-পা ছুঁড়ে চিৎকার করে কিছু একটা বলার চেষ্টা করে। বানরের বাচ্চার পিছু পিছু যেতে যেতে হঠাৎ করে তারা তাদের শুকনো খাল আর খালের পাশে সাদা পোড়োবাড়িটা পেয়ে যায়। কাছাকাছি একটা গাছে বসে বানরের বাচ্চাটা নানা ধরনের শব্দ করতে থাকে।

    বল্টু বলল, “বানরের বাচ্চাটা আমাদের ওই ভাঙা বাসাটায় যেতে বলছে।”

    মুনিয়া বলল, “হ্যাঁ। আমারও তা-ই মনে হচ্ছে।”

    নান্টু বলল, “এই বাসাটায় বাঘ-ভালুক বা ভূত নাই তো?”

    বল্টু বলল, “চা-বাগানে বাঘ-ভালুক থাকে না। আর ভূত বলে কিছু নাই।”

    অন্য সময় হলে না এটা নিয়ে একটু তর্ক করত। কিন্তু এখন সে কিছু বলল না।

    বল্টু বলল, “চলো যাই।”

    মুনিয়া বলল, “চলো।”

    তিনজনে শুকনো খালটা পার হয়ে সাবধানে ভাঙা বাসাটার দিকে যেতে থাকে। কাছাকাছি জঙ্গলের মতো অনেক গাছগাছালি। সেগুলোর ভেতর দিয়ে তারা কাছাকাছি হাজির হলো। একসময় বাসাটার চারপাশে দেয়াল ছিল। এখন ভেঙে গেছে। সেই ভাঙা দেয়ালের ভেতর দিয়ে তারা ঘরের সীমানার ভেতর ঢুকে গেল। বাসাটা ধ্বংসস্তূপের মতো পড়ে আছে, নানা রকম গাছপালা আর জঞ্জাল। ইদরিস মিয়ার কথা সত্যি হতেও পারে। জায়গাটা আসলেই হয়তো সাপখোপে ভরা। বানরের বাচ্চাটাকে আশপাশে দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু তার হাঁকডাক শোনা যাচ্ছে। বাচ্চাটা এখানে আসতে ভয় পাচ্ছে। কিন্তু কারণটা কী?

    তিনজন সাবধানে আরেকটু এগিয়ে গেল। ঢিবির মতো একটা জায়গায় কিছু শুকনো ডালপালার কাছাকাছি পৌঁছাতেই তারা হঠাৎ বিশাল একটা হুটোপুটির শব্দ শুনতে পেল। ভয় পেয়ে চমকে উঠে পিছনে সরে এল তিনজনেই। কোথা থেকে শব্দটা আসছে দেখার জন্য তারা ভালো করে তাকিয়ে অবাক হয়ে দেখল, ঢিবির মতো জায়গাটা আসলে একটা বড় খাঁচা। শুকনো ডালপালা দিয়ে খাঁচাটা ঢেকে রাখার চেষ্টা করেছে কেউ। খাঁচাটার ভেতর অনেকগুলো ছোট-বড় বানর গাদাগাদি করে ভরে রাখা। বানরগুলো এতক্ষণ চুপচাপ বসেছিল। ওদের তিনজনকে দেখে হুটোপুটি শুরু করেছে। খাঁচার শিকগুলো ধরে তাদের দিকে জুলুজুলু করে তাকিয়ে কাতর এক ধরনের শব্দ করছে।

    বল্টু বলল, “কতগুলো বানর, দেখেছ?”

    মুনিয়া বলল, “হ্যাঁ। খাঁচার ভেতর আটকে রেখেছে।”

    নান্টু বলল, “কেন?”

    মুনিয়া বলল, “শুনিসনি, বানর অনেক দামে বিক্রি হয়!”

    “বানর ধরে বিক্রি করে?”

    “হ্যাঁ।”

    “কে?”

    বল্টু বলল, “নিশ্চয়ই ইদরিস মিয়া।”

    মুনিয়া বলল, “কত বড় বদমাইশ!”

    বানরগুলো আবার লাফ-ঝাঁপ দিয়ে চেঁচামেচি করতে থাকে। তাদের কথা কেউ বুঝতে পারে না, কিন্তু মনে হয় তারা যেন বলছে, “প্লিজ! প্লিজ, আমাদের বের করে দাও।”

    বল্টু কিছুক্ষণ বানরগুলোর দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, “এই বানরগুলোকে ছেড়ে দিতে হবে।”

    মুনিয়া বলল, “হ্যাঁ।”

    তারা তিনজন আবার খাঁচাটার কাছে এগিয়ে যায়। একপাশে খাঁচার দরজা। সেখানে বিশাল একটা তালা ঝুলছে। মুনিয়া বলল, “এত বড় তালা কেমন করে খুলব?”

    বল্টু কিছুক্ষণ তালাটার দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, “তালাটা তো খোলা যাবে না, কিন্তু আংটাটা কেটে ফেলতে পারি।”

    “কেমন করে কাটবে?”

    “আমার কাছে হ্যাঁক-স, আছে।”

    নান্টু জিজ্ঞেস করল, “হ্যাক-স কী?”

    বল্টু বলল, “লোহা কাটার করাত।”

    বল্টু ব্যাগটা নিচে রেখে সেখান থেকে হ্যাঁকস বের করে আংটাটা কাটতে শুরু করল।

    কাজটা যত সহজ মনে হচ্ছিল, আসলে মোটেও তত সহজ নয়। আংটাটা শক্ত করে ধরে রাখাই খুব কঠিন। তার মধ্যেও যতটা সম্ভব ধরে রেখে তারা করাত চালাতে থাকে। শেষ পর্যন্ত আংটাটা কাটা শেষ হয়। বল্টুর ব্যাগ থেকে একটা স্ক্রু-ড্রাইভার বের করে সেটা দিয়ে চাপ দিতেই আংটাটা একটু আলগা হয়ে গেল। সেই ফাঁকটুকু দিয়ে তালাটা বের করে এনে তারা মাত্র দরজাটা খুলেছে, ঠিক তখন একটা হুঙ্কার শুনতে পেল, “কে রে এইখানে?”

    .

    তিনজন ভয়ানক চমকে ওঠে। পিছনে তাকিয়ে দেখে, ইদরিস মিয়া আর তার পিছনে মোটামতো আরেকজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। মানুষটার হাতে একটা লম্বা দা। এই রকম দাকে মনে হয় কিরিচ বলে।

    ইদরিস মিয়ার চোখ লাল। মুখটা কেমন যেন বাঁকা হয়ে আছে। দেখে ভয় লাগে। দাতে দাঁত ঘষে সে বলল, “সোনার চান, পিতলা ঘুঘু। তোমরা এইখানে কী করে?”

    মুনিয়া কথা বলার চেষ্টা করল। বলল, “না, মানে ইয়ে–দেখলাম অনেকগুলো বানর …”

    ইদরিস মিয়া ধমক দিয়ে বলল, “অনেকগুলো বানর দেখার জন্যে তোমাদের এইখানে আসতে কে বলেছে?”

    “না, কেউ বলে নাই। এদিক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম …”

    ইদরিস মিয়া খেঁকিয়ে উঠে বলল, “আমার সাথে রংবাজি করো? আমি কিছু বুঝি না?”

    নান্টু কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, “আপু, আমার ভয় করছে।”

    ইদরিস মিয়া বলল, “অনেকক্ষণ পর একটা সত্যি কথা বলেছে একজন। ভয় করছে। ভয়ই করার কথা। তোমাদের জায়গায় আমি থাকলে ভয়ে আমার পেটের ভাত চাউল হয়ে যেত।”

    মুনিয়া বলল, “কেন?”

    “এখনো বুঝো নাই, কেন?” ইদরিস মিয়া মুখ খিঁচিয়ে বলল, “বান্দরের জন্যে তোমাদের অনেক পিরিতি তো? তাহলে সেইটাই করা যাক। তোমাদের তিনজনকে আমি এখন এই বান্দরের খাঁচায় ঢুকাব। বান্দর তো কাছে থেকে দেখো নাই। কাল সকালের মধ্যে তোমাদের কারও শরীরে ছাল-চামড়া থাকবে না।”

    মুনিয়া ভয় পাওয়া গলায় বলল, “কেন আমাদের বানরের খাঁচায় ঢুকাবেন?”

    “তার কারণ, এইটাই তোমাদের জায়গা। বুঝেছ?”

    ইদরিস মিয়া কেমন যেন হিংস্র মুখে তাদের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে। বল্টু তার ব্যাগের ভেতর হাত ঢুকিয়ে একটা বেলুন বের করে আনে। সেটা হাতে নিয়ে বলল, “আপনি আমাদের কাছে আসবেন না। আসলে ভালো হবে না কিন্তু।”

    “কেন?”

    “আমার হাতে এটা কিন্তু বোমা। কাছে আসলে কিন্তু ফাটিয়ে দেব।”

    ইদরিস মিয়া হঠাৎ গলা ফাটিয়ে হাসতে শুরু করে। সঙ্গের লোকটাকে দেখিয়ে বলল, “এই দেখ! বোমা! বোমা দেখেছিস?” ইদরিস মিয়া আবার হায়েনার মতো খ্যাকখ্যাক করে হাসতে হাসতে বলল, “সোনার চান! এইটা কী বোমা? অ্যাটম বোমা নাকি? আমার কাছেতো মনে হচ্ছে এইটা একটা বেলুন!”

    বল্টু বলল, “এটা বোমা।”

    “ঠিক আছে, দেখি তোমার বোমাটা” বলে একরকম ছোঁ মেরে সে বল্টুর হাত থেকে বোমাটা নিয়ে নিল। বলল, “ঠিক আছে, তোমার বোমাটা আমি ফাটাই, দেখি কী হয়!”

    ইদরিস মিয়া বেলুনটাকে দুই হাতে চেপে ধরতেই সেটা সশব্দে ফেটে গেল। সঙ্গে সঙ্গে একটা বিচিত্র ব্যাপার ঘটল। ইদরিস মিয়া আর তার সঙ্গে মানুষটি নিজেদের চোখ চেপে ধরে চিৎকার করে উঠল।

    মুনিয়া অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে?”

    “বেলুনের ভেতর মরিচের গুঁড়া ভরে রেখেছিলাম। বেলুনটা ফেটে চোখে মরিচের গুঁড়া ঢুকে গেছে।”

    মানুষগুলো নিজেদের চোখ চেপে ধরে ছটফট করছে। মুখে অশ্রাব্য গালি দিতে দিতে কাছে এসে তাদের ধরার চেষ্টা করল। ততক্ষণে তারা টান দিয়ে খাঁচার দরজা খুলে দিয়েছে। ইদরিস মিয়া চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছে না। এর মধ্যেই হাত-পা ছুঁড়ে সে তাদের ধরার চেষ্টা করতে থাকল। নান্টু আর মুনিয়া সময়মতো সরে গেল। কিন্তু পিঠে বিশাল ব্যাগ থাকায় বল্টু সময়মতো সরতে পারল না, ইদরিস মিয়া তাকে ধরে ফেলল। ইদরিস মিয়া চোখে কিছু দেখছে না। এই অবস্থাতেই সে বল্টুকে নিচে ফেলে কিল-ঘুসি মারার চেষ্টা করে।

    ঠিক তখনই একটা অত্যন্ত বিচিত্র ব্যাপার ঘটল। কাছাকাছি একটা গাছের ওপর থেকে গায়ে ডোরাকাটা বানরের বাচ্চাটা ইদরিস মিয়ার মুখের ওপর লাফিয়ে পড়ে তার কানটা কামড়ে ধরল। ইদরিস মিয়া চিৎকার করে বানরটাকে সরাতে চেষ্টা করে, কিন্তু ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে। খাঁচার ভেতর থেকে হুড়মুড় করে একটার পর একটা বানর বের হয়ে ইদরিস মিয়া আর অন্য মানুষটার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে লাগল। তাদের নিচে ফেলে আঁচড়ে-কামড়ে যা একটা অবস্থা করতে শুরু করল তা আর বলার নয়। মুনিয়া কোনোমতে বল্টুকে টেনে তুলে বলল, “পালা এখান থেকে।”

    পিছনে বানরের একটা দলের চিৎকার-চেঁচামেচি-হইচই, ইদরিস মিয়া আর তার সঙ্গের অন্য মানুষটার বিকট আর্তনাদ শুনতে শুনতে তারা ছুটে পালাতে লাগল। কোন দিক দিয়ে যাচ্ছে তারা বুঝতে পারছিল না। হঠাৎ দেখল, কয়েকজন চা-শ্রমিক গান গাইতে গাইতে যাচ্ছে। গেস্টহাউসের কথা বলতেই তারা মুনিয়া, বল্টু আর নান্টুকে গেস্ট হাউজে পৌঁছে দিল। ততক্ষণে সূর্য ডুবে গিয়ে অন্ধকার নেমে এসেছে।

    নান্টুর আব্বু-আম্মুকে বিষয়টা বোঝানোর সঙ্গে সঙ্গে বেশ কিছু মানুষ লাঠিসোটা ও টর্চলাইট নিয়ে খালের পাড়ে সাদা বাড়ির দিকে রওনা দিল। ইদরিস মিয়া আর তার সঙ্গীরা বানরের হাত থেকে উদ্ধার পেয়ে ততক্ষণে অবশ্য নিজেরাই হাতড়ে হাতড়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছে। মরিচের গুঁড়ার কারণে চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছে না। বানরের আঁচড়ে-কামড়ে সারা দেহ রক্তাক্ত। জামা-কাপড় ছিঁড়ে টুকরো-টুকরো হয়ে গেছে। ইদরিস মিয়ার কানের লতির খানিকটা অংশ বানরেরা কামড়ে ছিঁড়ে ফেলেছে। তার ওপর। ওদের রাগ মনে হয় সবচেয়ে বেশি!

    খবর পেয়ে চা-বাগানের ম্যানেজার ছুটে এলেন। দৌড়াদৌড়ি করে ইদরিস মিয়া আর তার সঙ্গীকে হাসপাতালে পাঠালেন।

    .

    ১১. শেষ কথা

    পরদিন ভোরে বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য যখন মাইক্রোবোসে জিনিসপত্র ভোলা হচ্ছে, তখন হঠাৎ গাছের ডালে একটু হুটোপুটির শব্দ শুনে বল্টু ওপরের দিকে তাকিয়ে দেখে, বানরের বাচ্চাটা একটা ছোট ডাল ধরে ঝুল খেয়ে মুখে বিচিত্র শব্দ করছে।

    বল্টু বলল, “দেখো,দেখো, পিচ্চি বানরটা এসেছে।”

    মুনিয়া বলল, “আমরা চলে যাচ্ছি তো, তাই আমাদের গুডবাই বলতে এসেছে।”

    বল্টু একটু এগিয়ে গিয়ে বানরের বাচ্চাটার দিকে তাকিয়ে বলল, “খুব সাবধানে থাকবি কিন্তু। কেউ যেন আর তোকে ধরতে না পারে। ধরতে পারলে কিন্তু তোর খবর আছে!”

    বানরের বাচ্চাটা কী বুঝল কে জানে। হঠাৎ গাছ থেকে নেমে বল্টুর কাছে সাবধানে এগিয়ে এল। তার পা ধরে দাঁড়িয়ে বল্টুর দিকে তাকাল। বল্টু সাবধানে বানরের বাচ্চাটা কোলে নিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলল, “আমরা কিন্তু চলে যাচ্ছি। তোকে যদি ধরে, আমরা কিন্তু আর তোকে বাঁচাতে পারব না। কাজেই সাবধান!”।

    বানরের বাচ্চাটা হাত নেড়ে কিছু একটা বলার চেষ্টা করল। বল্টু মাথা নেড়ে বলল, “ভালো থাকিস। দুষ্টুমি করবি না। যদি তোদের স্কুল থাকে, স্কুলে যাবি। লেখাপড়া করবি। ঠিক আছে?”

    বানরের বাচ্চাটা কোল থেকে নেমে আবার গাছে উঠে ডাল ধরে ঝাঁকাতে থাকল। তখন সবাই অবাক হয়ে দেখল, আশপাশের গাছগুলোতে অসংখ্য বানর নিঃশব্দে বসে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

    মুনিয়া বলল, “দেখেছ, বানরগুলো আমাদের গুডবাই বলতে এসেছে!”

    নান্টু বলল, “আমরা ওদের ছেড়ে দিয়েছিলাম, সে জন্যে! তাই না, আপু?”

    মুনিয়া বলল, “হ্যাঁ।”

    তাদের মাইক্রোবাসটা যখন চা-বাগানের কাঁচা রাস্তা দিয়ে আস্তে আস্তে যেতে শুরু করল, তখন বানরগুলোও কাছাকাছি গাছের সারির ভেতর দিয়ে তাদের সঙ্গে সঙ্গে আসতে লাগল। সবার আগে বানরের বাচ্চাটি। যখন তারা বড় রাস্তায় উঠে গেল, তখন বানরগুলো থামল।

    মাইক্রোবাসটা যখন চলে যাচ্ছে তখন তারা পিছন ফিরে দেখল, বানরগুলো একটা গাছে বসে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

    মুনিয়া বলল, “আহা! দেখেছ, বানরগুলো কত সুইট!”

    নান্টু বলল, “আসলে আমার বানর হয়েই জন্ম নেওয়া উচিত ছিল।”

    .

    কেউ লক্ষ করল না, বল্টু খুব সাবধানে হাতের উল্টোপিঠ দিয়ে চোখ দুটো মুছে নিল। তার চোখে কেন পানি এসেছে, কে জানে!

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৫ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article দলের নাম ব্ল্যাক ড্রাগন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }