Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নাট বল্টু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প120 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. দার্শনিকের নাম নান্টু

    ২. দার্শনিকের নাম নান্টু

    বল্টু কারও নাম হওয়ার কথা না, কিন্তু কীভাবে কীভাবে সেটা বল্টুর নাম হয়ে গেছে কেউ তা পরিষ্কার করে মনে করতে পারে না। রাজুর ধারণা, বল্টুর জন্মের পর অন্য দশটা ছোট বাচ্চার মতো তার কোনো ঘাড়-গর্দান ছিল না, ছোট শরীরটার ওপর একটা বড় মাথা দেখে তাকে একটা বল্টুর মতো লাগছিল বলে তাকে ডাকা হতো বল্টু। রিতু মনে করে, সেটা সত্যি নয়, বল্টুর জন্ম হওয়ার পর যখন সে তার ছোট ছোট হাত-পা আঁকুপাঁকু করে নাড়ত, তখন সে তার উদোম পেটে মুখ লাগিয়ে কাতুকুতু দিতে দিতে অন্টু মল্ট ফন্টু ভট্ কন্টু চন্টু বল্টু-এজাতীয় দুর্বোধ্য শব্দ করত। এসব শব্দ করতে করতে কীভাবে কীভাবে জানি বল্টু নামটা তার ওপর গেঁথে গেছে। রাজুর কাহিনীটা সত্যি, নাকি রিতুর কাহিনীটা সত্যি–সেটা কেউ ঠিক করে জানে না। তবে ঘটনা হচ্ছে, বর নাম এখন আসলেই বল্টু। এ ঘটনার সঙ্গে আরেকটা ছোট দুর্ঘটনা ঘটেছে সেটা হচ্ছে বল্টুর সব সময়ের সঙ্গী নান্টুকে কেউ আর নান্টু ডাকতে চায় না–বল্টুর সঙ্গে মিলিয়ে তার একটা নতুন নাম দিয়েছে। যখন নান্টু আর বল্টু কোথাও যায়, আশপাশে যারা থাকে তারা আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলে, “ওই দেখ, নাট-বল্টু যাচ্ছে, নাট-বল্টু যাচ্ছে।”

    অন্য যেকোনো মানুষ হলে নিশ্চয়ই রেগে উঠত, কিন্তু নান্টু কখনো রাগে না। তার ভেতর রাগ ক্রোধ-হিংসা এসব কিছু নেই। ছয় বছরের এই ছোটখাটো মানুষটা পুরোপুরি একজন দার্শনিক। যদি ছোট বাচ্চাদের দাড়ি গজানোর উপায় থাকত, তাহলে দেখা যেত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো নান্টুর লম্বা লম্বা পাকা দাড়ি। নান্টুর পাকা দাড়ি নেই সত্যি, কিন্তু তার কথাবার্তা-ভাবভঙ্গি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর থেকে কোনো অংশে কম নয়। যেমন ধরা যাক, নান্টু হয়তো গভীর কোনো ভাব নিয়ে ঘরে পায়চারি করছে, তখন হয়তো তার বড় বোন মুনিয়া বলল, “নান্টু, টেবিলের ওপর থেকে বইটা আমাকে একটু দিবি?”

    নান্টু তখন বলবে, “কেন দেব না, আপু। নিশ্চয়ই দেব। তুমি আমাকে একটা বই দিতে বলেছ, আমি সেটা দেব না, এটা তো হতে পারে না। নিশ্চয়ই দেব। একশবার দেব।”

    তারপর দেখা যাবে নান্টু গভীর একটা ভাব নিয়ে দুই হাত পিছনে রেখে ঘরে পায়চারি করেই যাচ্ছে। মুনিয়া তখন অধৈর্য হয়ে বলবে, “কী হলো? তোকে না বইটা দিতে বললাম?”

    নান্টু তখন চমকে উঠে বলবে, “আপু! আমি বুঝতে পারি নাই তুমি বইটা দিতে বলেছ! আমি ভেবেছি তুমি জিজ্ঞেস করেছ আমি বইটা দেব কি না!”

    “ব্যস! অনেক হয়েছে। এখন বকরবকর না করে বইটা দে।”

    নান্টু তখন প্রায় ছুটে বইটা নিয়ে মুনিয়াকে দিয়ে বলবে, “আপু, তোমাকে আর কিছু এনে দেব?”

    “না, আর কিছু লাগবে না।”

    “এক গ্লাস পানি?”

    “না, লাগবে না।”

    “তাহলে একটা কলম, না হলে পেনসিল এনে দেই?”

    “না।”

    “আজকের পেপারটা এনে দেব?”

    এ রকম সময় মুনিয়ার মেজাজ গরম হয়ে যায়। সে দাঁত কিড়মিড় করে বলে, “বললাম তো আর কিছু লাগবে না।”

    মুনিয়াকে দাঁত কিড়মিড় করতে দেখে নান্টুর চোখ ছলছল করে ওঠে। সে নরম গলায় বলে, “আপু! তুমি আমার ওপর রাগ করেছ?”

    “না। রাগ করি নাই।”

    “তাহলে তুমি এ রকম করে কেন কথা বলছ?”

    “কী রকম করে কথা বলছি?”

    “রাগ-রাগ হয়ে!”

    “আমি রাগ-রাগ হয়ে কথা বলছি না।”

    নান্টু কিছুক্ষণ মুনিয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে বলে, “তাহলে তোমার মুখটা এ রকম রাগ-রাগ কেন?”

    মুনিয়া তখন রেগেমেগে বলে, “আমার মুখটা মোটেও রাগ-রাগ না।”

    নান্টু তখন খুব শান্ত গলায় বলে, “আমি একটা আয়না এনে দেই? তুমি নিজেই দেখো, তোমার মুখটা কি রাগ-রাগ না হাসি-হাসি।”

    মুনিয়া বলে, “না, আয়না আনতে হবে না।”

    “তাহলে কী আনব?”

    “কিছুই আনতে হবে না।”

    তখন নান্টু ছলছল চোখে বিশাল একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “আপু, তুমি নিশ্চয়ই আমার ওপর রাগ করেছ।”

    মুনিয়া তখন দুই হাত-পা ছুঁড়ে লাফিয়ে-ঝাঁপিয়ে চিৎকার করে বলে, “করি নাই! করি নাই! কর নাই!”

    নান্টু তখনো বিচলিত হয় না। বড় বড় চোখে মুনিয়ার দিকে তাকিয়ে আস্তে আস্তে হতাশভাবে মাথা নাড়ে। ছোট বাচ্চাদের অর্থহীন কাজ করতে দেখলে বড়রা যেভাবে মাথা নাড়ে অনেকটা সে রকম। এই হচ্ছে না। তার মতো শান্তশিষ্ট, ঠাণ্ডা মেজাজের মানুষ আর একজনও নেই, কিন্তু যারা তাকে চেনে তারা তাকে ঘাটায় না।

    .

    একদিন এই নান্টুর সঙ্গে আমাদের বল্টুর পরিচয় হলো। সেই পরিচয়ের ঘটনাটা মোটামুটি অন্যরকম। নান্টুর বাবা-মা এসেছেন রিতু-রাজুদের পাশের বাসায়। নান্টুর মা খুব মিশুক ধরনের মানুষ, নতুন জায়গায় এসেই আশেপাশে সবার বাসায় গিয়ে আলাপ-পরিচয় করতে শুরু করে দিয়েছেন। একদিন তাই নান্টু আর মুনিয়াকে নিয়ে এলেন বন্দুদের বাসায়। দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে শুনলেন, ভেতরে তুমুল হইচই। এ রকম অবস্থায় ভেতরে যাওয়া ঠিক হবে কি না নান্টুর আম্মু বুঝতে পারছিলেন না। কিন্তু ততক্ষণে নান্টু বেল টিপে দিয়েছে। বেলের শব্দ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরকার হইচই হঠাৎ করে থেমে গেল। কিছুক্ষণ সব চুপচাপ। তারপর খুট করে দরজা খুলে রিতু বাইরে উঁকি দিল।

    নান্টুর আম্মু খুব অপ্রস্তুত হয়ে বললেন, “আমরা আসলে পাশের বাসায় এসেছি, ভাবলাম আশেপাশে যারা বসে আছে তাদের সঙ্গে পরিচয় করি, তাই আমার ছেলে আর মেয়েটাকে নিয়ে এসেছিলাম …”

    এ রকম সময় ভেতর থেকে বল্টুর গলার আওয়াজ পাওয়া গেল, “আম্মু, ভালো হবে না কিন্তু বলে রাখলাম …”

    নান্টুর আম্মু বললেন, “আজকে মনে হয় আপনি ব্যস্ত আছেন, আমি অন্য একদিন আসি?”

    রিতু দরজা খুলে বললেন, “অন্য একদিন আরও একবার আসবেন, আজকে যখন এসেছেন, ভেতরে আসেন।”

    নান্টুর আম্মু এবং তাদের পিছনে পিছনে নান্টু আর মুনিয়া ভেতরে ঢুকে একটা বিচিত্র দৃশ্য দেখতে পেল। তারা দেখল, সাত-আট বছরের একটা বাচ্চা মাথা নিচে এবং পা ওপরে তুলে দিয়ে খাড়া হয়ে আছে। মাথার নিচে কয়েকটা বালিশ, যেন পড়ে না যায় সে জন্য পা দুটো ডাইনিং টেবিলের ওপর ভাজ করে রাখা। সামনে কয়েকটা গ্লাস ও বাটি, সেখানে কয়েক ধরনের খাবার। বল্টু সেই অবস্থায় চিৎকার করে বলল, “আম্মু, তুমি কিন্তু শুধু শুধু দেরি করছ।”

    রিতু একটা লম্বা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “আপনি যদি অন্য সময় আসেন তখনো ঠিক এ রকম কিছু একটা ঘটতে থাকবে। এখনকার ঘটনাটা তবু সহজ ঘটনা। এর চাইতে অনেক জটিল ঘটনা ঘটে।”

    জিজ্ঞেস করা ঠিক হবে কি না নান্টুর আম্মু বুঝতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত জিজ্ঞেস করে ফেললেন, “ঠিক কী হয়েছে?”

    রিতু বলল, “আমি আপনাকে বললেও আপনি বুঝবেন না! আমি নিজেই বুঝি না, আপনাকে কী বোঝাব?”

    রিতু নান্টুর আম্মুর হাত ধরে বসার ঘরের দিকে নিতে নিতে বলল, “আসেন, ওখানে বসি। একটু কথা বলি। এই ছেলের যন্ত্রণায় আমার মাথা ধরে গেছে।”

    ডাইনিং টেবিলে পা রেখে উল্টো হয়ে ঝুলে থাকা অবস্থায় বল্টু আবার চিৎকার করে বলল, “আম্মু, তুমি দেরি করছ। ভালো হবে না কিন্তু।”

    নান্টুর আম্মু ব্যস্ত হয়ে বললেন, “প্লিজ, আপনি দেখে আসেন কী চায় …”

    রিতু হাত নেড়ে বলল, “দেখার কিছু নাই। উল্টা হয়ে এভাবে ঝুলে থাকুক।”

    এ রকম সময় নান্টু উঠে দাঁড়াল, বলল, “আমি দেখি আসি।”

    না অত্যন্ত গম্ভীর ভঙ্গিতে দুই হাত পিছনে নিয়ে বল্টুর দিকে এগিয়ে গেল, পুরো ডাইনিং টেবিলটা এক পাক ঘুরে সে বল্টুর সামনে গালে হাত দিয়ে বসে যায়। কোনো কথা না বলে খুব মনোযোগ দিয়ে বল্টুকে দেখতে থাকে। বল্টু মুখ শক্ত করে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কী দেখো?”

    নান্টু উদাস মুখে বলল, “এখানে দেখার আর কী আছে? তোমাকেই দেখি!”

    “কেন?”

    “দেখতে আমার খুবই ভালো লাগছে।” বল্টু কী একটা বলতে যাচ্ছিল, নান্টু তাকে থামিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করল, “তোমার কি খিদে লেগেছে?”

    “না।”

    নান্টু তার সামনে রাখা খাবারগুলো দেখিয়ে বলল, “তাহলে এই খাবারগুলো এখানে কেন?”

    “আমি খাব, তাই।” উত্তরটা নান্টু মেনে নিয়ে বলল, “ও।”

    বল্টু তখন রেগে গিয়ে বলল, “ও মানে আবার কী। আমার খিদে লাগে নাই তবু কেন খাব জিজ্ঞেস করবে না?”

    নান্টুকে এবার একটু অবাক হতে দেখা যায়, সে মাথা চুলকে বলল, “তোমার যদি খিদে নাই তাহলে খাবে কেন?”

    বল্টু মুখ আরও শক্ত করে বলল, “কারণ এটা বৈজ্ঞানিক গবেষণা।”

    নান্টু বলল, “ও।”

    বল্টু বলল, “তুমি বৈজ্ঞানিক গবেষণা কী সেটা জান?”

    নান্টু এবার আরও কিছুক্ষণ মাথা চুলকে বলল, “জানি না?”

    বল্টু রাগ-রাগ মুখে বলল, “তুমি বৈজ্ঞানিক গবেষণা জানো না?”

    নান্টু মাথা নাড়ল, “নাহ্।”

    বল্টু উল্টো অবস্থাতেই মাথা ঘুরিয়ে ভালো করে নান্টুকে দেখল, বলল, “তুমি এত বড় হয়েছ, এখনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা জানো না?”

    নান্টু বলল, “আমি আসলে বেশি বড় হই নাই।”

    “তাহলে তোমাকে এত বড় দেখা যাচ্ছে কেন?”

    নান্টু বলল, “তুমি উল্টা হয়ে আছ বলে মনে হয় আমাকে বড় দেখা যাচ্ছে।”

    উত্তরটা বল্টুর পছন্দ হলো; বলল, “সেটা মনে হয় ঠিক। এটাও আমার গবেষণা করতে হবে।”

    নান্টু বলল, “গবেষণা কী?”

    বল্টু কিছুক্ষণ চিন্তা করে বলল, “যখন কোনো একটা জিনিস কেউ জানে না তখন সেটা বার করার নাম হচ্ছে গবেষণা।”

    নান্টু মাথা নাড়ল, বলল, “অ।” তারপর খাবারগুলোর দিকে তাকিয়ে বলল, “এগুলো খেতে কেমন কেউ জানে না?”

    বল্টু বিরক্ত হয়ে বলল, “সেটা জানবে না কেন? সেটা সবাই জানে।”

    “তাহলে গবেষণা করছ কেন?”

    “আমি কি খেতে কী রকম সেটা গবেষণা করছি?”

    “তাহলে কী গবেষণা করছ?”

    “মানুষ যখন খায় তখন সেটা পেটে কেমন করে যায় সেটা গবেষণা করছি।”

    নান্টু বুঝতে না পেরে মাথা চুলকাতে থাকে। “বুঝলে না?”

    নান্টু মাথা নাড়ল “নাহ।”

    “আমরা যখন খাই তখন খাবারটা মুখ থেকে যাবে পেটে–নিচের দিকে। ঠিক কি না?”

    “হ্যাঁ।”

    “এখন আমি উল্টা হয়ে আছি, এখন কিছু খেলে খাবারটা পেটে যেতে হলে কোন দিকে যেতে হবে? নিচে না ওপরে?”

    নান্টু মাথা চুলকে বলল, “ওপরে।”

    “আমি সেটাই গবেষণা করতে চাই। সবকিছু নিচের দিকে পড়ে। কিছু খেলে সেটাও পেটের ভেতর নিচের দিকে পড়ে। কিন্তু উল্টা হয়ে খেলে কী হয়? এটা কী ওপর দিকে উঠবে নাকি নীচের দিকে বের হয়ে যাবে।”

    নান্টু মাথা নাড়ল, বলল, “এখন বুঝেছি।”

    বল্টু একটা লম্বা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “কিন্তু আম্মুর জন্যে গবেষণা করতে পারছি না।”

    “কেন?”

    বল্টু মুখ শক্ত করে বলল, “আম্মু খাওয়াতে রাজি হচ্ছে না।”

    নান্টু খাবারগুলোর দিকে তাকিয়ে বলল, “আমি তোমাকে খাইয়ে দেব?”

    বল্টু সন্দেহের চোখে নান্টুর দিকে একবার তাকিয়ে থেকে বলল, “তুমি পারবে?”

    “মনে হয় পারব।”

    “ঠিক আছে খাওয়াও।”

    নান্টু খাবারগুলোর দিকে তাকাল, একটা বাটিতে কিছু মুড়ি। একটা খোলা বিস্কুটের প্যাকেট। একটা প্লেটে একটা কলা। একটা গ্লাসে আধগ্লাস দুধ। নান্টু জিজ্ঞেস করল, “আগে কোনটা দেব?”

    বল্টু বলল, “বিস্কুট।”

    বল্টুর মুখে নান্টু একটা বিস্কুটি ধরিয়ে দিল। বল্টু সেটা চিবিয়ে খেয়ে ঢোক গিলল। নান্টু চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থেকে বলল, “পেটে কি যাচ্ছে? ওপরে উঠছে?”

    বল্টু বলল, “মনে হয় উঠছে।

    “আরেকটা বিস্কুট দেব?”

    “না। কলাটা দাও।”

    নান্টু কলাটা ছিলে বল্টুর মুখের কাছে ধরে। বল্টু এক কামড় খেয়ে গেলার চেষ্টা করল। নান্টু খুব মনোযোগ দিয়ে বল্টুর দিকে তাকিয়ে রইল। খাওয়া শেষ হওয়ার পর জিজ্ঞেস করল, “পেটে গেছে।”

    বল্টু বলল, “গেছে।”

    “তার মানে খাবারটা ওপরের দিকে উঠেছে।”

    “হ্যাঁ, উঠেছে।”

    “তাহলে গবেষণা শেষ?”

    বল্টু বলল, “উঁহু। শেষ না।”

    “কেন?”

    “এখনো মুড়ি আর দুধ খাওয়া বাকি আছে।”

    “সবগুলো খেতে হবে?”

    “হ্যাঁ।” বল্টু মুখ গম্ভীর করে বলল, “বৈজ্ঞানিক গবেষণা করতে হলে অনেক এক্সপেরিমেন্ট করতে হয়।”

    নান্টু বলল, “অ।”

    “এবার মুড়ি দাও।”

    নান্টু একমুঠি মুড়ি দিয়ে বল্টুর মুখে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করল। নিজের মুখে খাবার দেওয়া এত সহজ, কিন্তু আরেকজনের মুখে দেওয়া এত কঠিন কে জানত! সেই মানুষটা উল্টো হয়ে থাকলে তো মোটামুটি অসম্ভব ব্যাপার। তার পরও শেষ পর্যন্ত বল্টুর মুখে একমুঠি মুড়ি ঢুকিয়ে দেওয়া গেল। বল্টু চিবিয়ে চিবিয়ে সেটা খেয়ে খুশি-খুশি মুখে বলল, “গুড গবেষণা।

    নান্টু ভয়ে ভয়ে বলল, “গবেষণা শেষ?”

    “না, এখনো শেষ হয় নাই। আমি তিন রকম খাবার খেয়েছিল, কিন্তু সবগুলো হচ্ছে কঠিন পদার্থ। এখন খাব দুধ। সেটা হচ্ছে তরল।”

    নান্টু মাথা নাড়ল; বলল, “অ।”

    বল্টু বলল, “দাও দুধ।”

    নান্টু দুধের গ্লাসটা নিয়ে নানাভাবে চেষ্টা করতে থাকে কিন্তু কোনোভাবেই সুবিধে করতে পারে না। একজন মানুষ উল্টো হয়ে থাকলে তাকে দুধ খাওয়ানো অসম্ভব একটা ব্যাপার।

    বল্টু বলল, “কী হলো? দাও দুধ।”

    “দিচ্ছি।” বলে নান্টু আবার চেষ্টা করে কিন্তু বল্টুকে খাওয়াতে পারে না।

    বল্টু অধৈর্য হয়ে বলল, “কী হলো তোমার, একটু দুধও খাওয়াতে পারো না?”

    না কোনো উপায় না দেখে দুধটা ঢেলে দেওয়ার চেষ্টা করে এবং এ রকম অবস্থায় যা হওয়ার কথা তা-ই হলো–কিছু মুখে এবং বাকিটা নাকের ওপর পড়ল। উল্টো হয়ে থাকা মানুষের নাকে দুধ ঢেলে দিলে যা একটা ভয়ঙ্কর ব্যাপার হয় সেটা বলার মতো না। বল্টু হাঁচি দিতে দিতে কাশতে কাশতে মুহূর্তে সোজা হয়ে লাফিয়ে-কুঁদিয়ে সারা ঘরে ছোটাছুটি করতে থাকে।

    বসার ঘরে নান্টুর আম্মু রিতুর সঙ্গে কথা বলছিলেন, হঠাৎ করে বল্টুকে এভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে হাঁচি দিতে দিতে কাশতে দেখে চমকে উঠে বললেন, “সর্বনাশ! কী হয়েছে?”

    রিতু হাত নেড়ে পুরো ব্যাপারটা উড়িয়ে দিয়ে বলল, “ও কিছু না। বৈজ্ঞানিক গবেষণ!”

    “বৈজ্ঞানিক গবেষণা?”

    “হ্যাঁ। প্রতিদিনই এ রকম কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা হয়, তারপর এ রকম লাফঝাঁপ, চিৎকার হতে থাকে।”

    নান্টুর আম্মু বললেন, “কোনো রকম সমস্যা হয় নাই তো?”

    রিতু বলল, “হলে হবে। আপনি চিন্তা করবেন না।”

    রিতুর কথা ঠিক বের হলো, কিছুক্ষণের মধ্যে দেখা গেল, বল্টু হাসিমুখে বসার ঘরে এসে হাজির হয়েছে। হাতে কিল দিয়ে সে বলল, “আম্মু, ফাটাফাটি এক্সপেরিমেন্ট করেছি।”

    রিতু চোখ সরু করে বলল, “এখন সবকিছু তুলে রাখ।”

    “কী এক্সপিরিমেন্ট করেছি, শুনবে না?”

    “পরে শুনব।”

    “না আম্মু, এখনই শোনো।”

    রিতু হাল ছেড়ে দিয়ে বলল, “ঠিক আছে, বল।”

    “মানুষ উল্টো হয়ে খেলে খাবারটা ওপরের দিকে উঠে যায়।”

    নান্টু কাছাকাছি দাঁড়িয়েছিল, এবার কাছে এগিয়ে এসে বলল, “হ্যাঁ। উল্টো হয়ে থেকে মুখে দিলে খাবারটা ওঠে ওপরে। আর নাকে দিলে যায় নিচে। তাই না?”

    বল্টুর মুখ একশ ওয়াট লাইটের মতো উজ্জ্বল হয়ে উঠল। নান্টুর পিঠে থাবা দিয়ে বলল, “ঠিক বলেছ। একটা এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে আমরা দুইটা এক্সপেরিমেন্ট করে ফেলেছি! মুখের ভেতর খাবার, নাকের ভেতর খাবার?”

    নান্টু জ্বলজ্বল চোখে বলল, “এখন খালি বাকি আছে কান। কানের ভেতরে খাবার দিলে তিনটা এক্সপেরিমেন্ট হবে, তাই না?”

    নান্টুর আম্মু আঁতকে উঠে বললেন, “সর্বনাশ! কানের ভেতর কোনো কিছু দেবে না। নেভার।”

    “কেন?”

    “কানের পর্দা খুব ডেলিকেট। কিছু একটা হলে পর্দা ফেটে যাবে। আর কিছু শুনতে পাবে না!”

    নান্টু মনমরা হয়ে বলল, “তাহলে কানের এক্সপেরিমেন্ট করা যাবে না?”

    “না।”

    নান্টুর হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে যেতে বল্টু বলল, “তোমার কোনো চিন্তা নাই। কানে না করলেও এক্সপেরিমেন্ট করার আরও জায়গা আছে। আসো।”

    .

    এভাবে নান্টুর সঙ্গে বল্টুর পরিচয় হয়ে বিখ্যাত নাট-বল্টু জুটি তৈরি হয়েছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৫ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article দলের নাম ব্ল্যাক ড্রাগন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }