Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নাট বল্টু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প120 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. মশা কেন ভূত হবে না

    ৩. মশা কেন ভূত হবে না

    পরের দিন নান্টুকে আবার বল্টুর বাসায় দেখা গেল। বল্টু তখন ঘরে তার টেবিলের নিচে উবু হয়ে শুয়ে আছে। অন্য যেকোনো মানুষ হলে জানতে চাইত, একজন মানুষ এত জায়গা থাকতে কেন টেবিলের নিচে উবু হয়ে শুয়ে থাকবে। কিন্তু নান্টু কখনো নিজে থেকে কিছু প্রশ্ন করে না। সে বল্টুর পাশে বসে নিজের গালে হাত দিয়ে গভীর মনোযোগ দিয়ে বল্টুকে দেখতে থাকে। তখন বল্টুকে জিজ্ঞেস করতেই হলো, “তুমি কী দেখছ?”

    নান্টু উদাস ভঙ্গিতে বলল, “নাহ্ কিছু না।”

    বল্টুর বৈজ্ঞানিক মন উত্তরটায় খুশি হলো না, বলল, “তুমি তাকিয়ে আছ, তার মানে তুমি নিশ্চয়ই দেখছ। তাকিয়ে থাকলে আলো চোখের লেন্সের ভেতর দিয়ে রেটিনাতে পড়ে তখন দেখা যায়। তুমি দেখছ– একশবার দেখছ।”

    “ঠিক আছে তাহলে আমি চোখ বন্ধ করে থাকি।” বলে নান্টু তার চোখ বন্ধ করে ফেলল।

    বল্টু কিছুক্ষণ নান্টুর দিকে তাকিয়ে রইল। সে একটু অবাক হয়ে আবিষ্কার করল, একজন মানুষ চোখ খুলে তাকিয়ে থাকলে যে রকম অস্বস্তি হয়, চোখ বন্ধ করে থাকলেও সে রকম অস্তিত্ব হয়। বল্টু টেবিলের তলা থেকে উঠে বসে বলল, “এই ছেলে।”

    নান্টু বলল, “উ।”

    “তুমি চোখ খোলো।”

    “খুলব?”

    “হ্যাঁ।”

    “আমকে বকবে না তো?”

    “না, বকব না।”

    নান্টু তখন আস্তে আস্তে চোখ খুলে পিটপিট করে তাকাল। বল্টু মুখ গম্ভীর করে বলল, “তুমি কোনো দিন বিজ্ঞানী হতে পারবে না।”

    নান্টু মাথা নেড়ে রাজি হয়ে গেল, বলল, “ঠিক আছে।”

    “কেন পারবে না, জানো?”

    “না।”

    “বিজ্ঞানী হতে হলে সব সময় সবকিছু নিয়ে প্রশ্ন করতে হয়। সবকিছু জানতে হয়। তুমি কোনো প্রশ্ন কর নাই।”

    নান্টু আবার মাথা নাড়ল; বলল, “ঠিক আছে।”

    বল্টু রেগেমেগে বলল “না, ঠিক নাই। তুমি এই ঘরে ঢুকে দেখেছ আমি টেবিলের নিচে শুয়ে আছি। দেখ নাই?”

    নান্টু মাথা নাড়ল; বলল, “দেখেছি।”

    “তাহলে তুমি কেন জিজ্ঞেস করো নাই, বল্টু ভাইয়া, তুমি টেবিলের নিচে শুয়ে শুয়ে কী করছ?”

    নান্টু মাথা চুলকে বলল, “আমি ভেবেছি, তুমি মনে হয় সব সময় টেবিলের নিচেই থাক।”

    “তাই ভেবেছ?”

    “হা।”

    “কেন?”

    “আগের দিন তো তুমি উল্টো হয়েছিলে সেই জন্যে। আমি ভেবেছি, তুমি মনে হয় সব সময় উল্টাপাল্টা হয়ে থাক।”

    বল্টু রেগে বলল, “আমি কখনো উল্টাপাল্টা হয়ে থাকি না। আমি টেবিলের নিচে শুয়ে শুয়ে একটা কাজ করছিলাম।”

    নান্টু বলল, “ও।”

    বল্টু হতাশ হয়ে বলল, “ও বললে হবে না। তোমাকে জিজ্ঞেস করতে হবে, আমি কী করছিলাম।”

    নান্টু জিজ্ঞেস করল, “তুমি কী করছিলে?”

    সঙ্গে সঙ্গে বল্টুর চোখ-মুখ একশো ওয়াট বাল্বের মতো জ্বলে উঠল। চোখ বড় বড় করে বলল, “এই দেখো, পিঁপড়ারা একটা তেলাপোকা টেনে টেনে নিচ্ছে। দেখেছ?”

    নান্টু মাথা নাড়ল। বল্টু বলল, “এখন এটা দেখে তোমার কী মনে হচ্ছে?” নান্টু নাক কুঁচকে বলল, “তেলাপোকা! ইয়াক থুঃ!”

    বল্টু বলল, “উঁহু। এটা দেখে ইয়াক থুঃ বললে হবে না। বিজ্ঞানীরা। কখনো কোনো কিছু দেখে ইয়াক থুঃ বলে না।”

    নান্টু বলল, “ও।”

    “এখন বলো, এটা দেখে তোমার কী মনে হচ্ছে?” নান্টু মাথা চুলকে বলল, “ঝাড় দিয়ে পরিষ্কার করার দরকার।”

    বল্টু হা হা করে উঠল, বলল, “সর্বনাশ! তুমি কী বলছ পাগলের মতো। এটা পরিষ্কার করবে কেন? এটা হচ্ছে একটা আস্ত ল্যাবরেটরি। এটা দিয়ে গবেষণা করতে হবে। পিঁপড়ার দিকে তাকিয়ে তুমি প্রশ্ন করবে, কেমন করে পিপড়ারা জানে এদিক দিয়ে যেতে হবে। বুঝেছ?”

    নান্টু মাথা নাড়ল, বলল, “বুঝেছি।”

    “আমি সেটাই করছি। পিপড়াগুলো নিয়ে গবেষণা করে বের করছি, তারা কেমন করে যায়।”

    একটু পরে দেখা গেল, নান্টু আর বল্টু দুজনই টেবিলের নিচে উবু হয়ে শুয়ে শুয়ে পিপড়াগুলো দেখছে। ঘণ্টাখানেক পর দুজনকে টেবিলের তলা থেকে বের হয়ে আসতে দেখা গেল, পিপড়ার কামড়ে দুজনই খানিকটা অস্থির–কিন্তু বল্টু শেষ পর্যন্ত বের করেছে, পিঁপড়ারা যাওয়ার সময় এক ধরেনর গন্ধ রেখে যায়। সেই গন্ধ শুঁকে শুঁকে অন্য পিপড়ারা তাদের সারি ঠিক রাখে।

    কিন্তু এই গবেষণার জন্য বল্টুর খানিকটা মূল্য দিতে হলো। দুপুরবেলা গোসল করে রিতু শাড়ি পরে শরীরে একটু পারফিউম দিতে গিয়ে আবিষ্কার করল, তার সবচেয়ে প্রিয় পারফিউমের বোতলটার অর্ধেক হাওয়া হয়ে গেছে। সে চোখ কপালে তুলে বলল, “আমার পারফিউম কে শেষ করেছে কে?”

    এর উত্তর জানার জন্য অবশ্য আইনস্টাইন হওয়ার দরকার নেই, এই বাসায় এ ধরনের ঘটনা ঘটায় শুধু বল্টু। রিতু হুঙ্কার দিয়ে বলল, “বল্টু!”

    বল্টু কাছেই ছিল; বলল, “বলো আম্মু।”

    “তুই এই পারফিউম নিয়েছিস?”

    বল্টুর চোখে-মুখে অবাক হওয়ার একটা ছাপ পড়ল, বলল, “পিপড়া নিয়ে গবেষণার সময় …”

    রিতু হুঙ্কার দিয়ে বলল, “কী বললি?”

    বল্টু ধৈর্য হারাল না, বলল, “আম্মু, তুমি আমাকে কথাটা শেষ করতে দাও নি, আমি কথাটা শেষ না করলে তুমি কেমন করে জানবে?”

    রিতু খপ করে বল্টুর কলার ধরে বলল, “এতগুলো পারফিউম নষ্ট করেছিস? তুই জানিস, এই শিশির দাম কত? আমার এক মাসের বেতন…”

    বল্টু নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে বলল, “আম্মু! তুমি বুঝতে পারছ না। আমরা যখন বুঝতে পারলাম পিপড়ারা গন্ধ শুঁকে এঁকে যায়, তখন তাদের রাস্তায় আমরা এই পারফিউম ঢেলে দিয়েছি! সব পিপড়ার তখন মাথা খারাপ হয়ে গেল! কে কোন দিকে যাবে বুঝতে পারে না–একেবারে উল্টাপাল্টা অবস্থা। তুমি যদি নান্টুকে দেখতে …”।

    “কী হয়েছে নান্টুর?”

    “পিঁপড়া ওর প্যান্টের ভেতর ঢুকে যা কামড় দিয়েছে!” বল্টু পুরো দৃশ্যটা কল্পনা করে আনন্দে হাসতে থাকে। হাসতে হাসতে বলল, “বাসায় তোমার এই পারফিউমটা ছিল বলে এক্সপেরিমেন্টটা করতে পেরেছি! না থাকলে যে কী করতাম!”

    রিতু চোখ বড় বড় করে তার ছেলের দিকে তাকিয়ে রইল আর বল্টু মাথা ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে উল্টো দিকে হেঁটে চলে গেল, রিতু তাকে কিছু বলারও সুযোগ পেল না।

    .

    কদিনের মধ্যেই দেখা গেল, নান্টু আর বল্টুর মধ্যে এক ধরনের বন্ধুত্ব হয়েছে। নান্টুর কোনো কাজ না থাকলে সে বল্টুর কাছে এসে বসে থাকে। বল্টু একটানা কথা বলে যায়, নান্টু গালে হাত দিয়ে সেগুলো শোনে। বল্টুর পেটে যে এত কথা ছিল সেটা সে নিজেও জানত না, আর তার টানা কথা বলা শুনতে যে নান্টুও কখনো ক্লান্ত হবে না সেটাও সে জানত না। বল্টু বৈজ্ঞানিক বিষয় ছাড়া অন্য কিছু বিশেষ জানে না। তাই তার সব কথাই হয় বিজ্ঞান নিয়ে। হাতে একটা পেনসিল থাকলে সে বলে, “এই পেনসিলের সিসটা দেখেছিস? (ঘনিষ্ঠতা হওয়ার পর “তুমি” “তুইয়ে নেমে এসেছে) এটা কিন্তু সিসা না। এটা হচ্ছে গ্রাফাইট। গ্রাফাইট চিনেছিস? কয়লা। কয়লা আর গ্রাফাইটে কোনো পার্থক্য নাই। হীরা আর কয়লাতেও কোনো পার্থক্য নাই। আমি বুঝি না, মেয়েরা হীরার গয়না পরতে এত পছন্দ করে কেন! হীরা আর কয়লা তো একই জিনিস। তাহলে তারা তো ইচ্ছা করলে কয়লার গয়নাও পরতে পারে! কত সস্তায় তাহলে গয়না কিনতে পারবে। পারবে না?”

    না কোনো কথা না বলে মাথা নাড়ে। বল্টুর হাতে যদি একটা কাগজ থাকে তাহলে বলবে, “দেখেছিস, কাগজ? ইন্টারেস্টিং জিনিস। যেদিন বৃষ্টি হয় বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকে, সেদিন কাগজ সাইজে বড় হয়ে যায়। যদি দিনটা শুকনা থাকে তাহলে কাগজটাও ছোট হয়ে যায়। কাগজ দিয়ে আমি একটা যন্ত্র বানিয়েছিলাম, বৃষ্টি হলেই সেটার কাটাটা দেখাত বৃষ্টি। যন্ত্রটা বেশি কাজে লাগে নাই, জানালা দিয়ে তাকালেই তো দেখা যায় বৃষ্টি হচ্ছে, যন্ত্র দিয়ে কী করব? ঠিক বলি নাই?”

    নান্টু কোনো কথা না বলে মাথা নেড়ে স্বীকার করে নিল যে বল্টু ঠিকই বলেছে।

    কিংবা বল্টু যদি এক গ্লাস পানি খায় তাহলে চোখ বড় বড় করে বলবে, “পানি! দুনিয়ার সবচেয়ে আজব জিনিস! পানি যখন জমে বরফ হয়, তখন তার সাইজ বড় হয়ে যায়। সেই জন্যে বরফ পানিতে ভাসে। আমাদের শরীরের কতটুকু পানি, জানিস?”

    নান্টু মাথা নেড়ে জানায় যে সে জানে না। বল্টু চোখ বড় বড় করে বলল, “তোর শরীরের পানিটুকু যদি আলাদা করা যেত, তাহলে সেটা তোর কাঁধ পর্যন্ত আসত। চিন্তা কর, তোর কাঁধ পর্যন্ত থলথলে পানি! কী আজব! তোর শরীরে কতটুকু ফসফরাস আছে জানিস?”

    না কোনো কথা না বলে মাথা নেড়ে জানায় সে জানে না। বল্টু তখন বলে, “একটা ম্যাচের কাঠি বানাতে যতটুকু ফসফরাস লাগে, ততটুকু! ফসফরাস কী জানিস?”

    বল্টু তখন নান্টুর কাছে ফসফরাসের ব্যাখ্যা করতে থাকে, নান্টু বাধ্য ছেলের মতো সবকিছু শোনে। বল্টু যে রকম কথা বলতে পছন্দ করে, নান্টু ঠিক সে রকম কথা শুনতে পছন্দ করে। নান্টু দেখে, মাঝে মাঝে বল্টু অবশ্যি একটু অধৈর্য হয়ে যায়। একদিন টানা আধঘণ্টা এবোলা ভাইরাসের ওপর বক্তৃতা দিয়ে গেল। নান্টু ধৈর্য ধরে পুরোটা শুনল, কিন্তু একটা কথাও বলল না। বল্টু হঠাৎ কথা থামিয়ে জিজ্ঞেস করল, “তুই কি আমার কথা শুনছিস?”

    নান্টু মাথা নাড়ে। বল্টু তখন চোখ ছোট ছোট করে জিজ্ঞেস করে, “তাহলে বল দেখি এবোলা ভাইরাস কেন এত ভয়ঙ্কর?”

    নান্টু মাথা চুলকে বলল, “সেটা তো জানি না।”

    “তাহলে এতক্ষণ যে তোকে বললাম সেটা শুনিস নাই?”

    নান্টু মাথা নাড়ল, বলল, “শুনেছি। কিন্তু বুঝি নাই।”

    “বুঝিস নাই, তাহলে জিজ্ঞেস করিস না কেন?”

    নান্টু হাসি-হাসি মুখে বলল, “আমার শুনতেই ভালো লাগে। কথা বলার সময় তোমার নাকটা একবার মোটা হয়, একবার চিকন হয়–সেটা দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।”

    বল্টু মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, “না নান্টু, না। তোর খালি শুনলে হবে না। তোকে বুঝতেও হবে। বোঝার জন্যে তোকে প্রশ্নও করতে হবে।”

    নান্টু বলল, “ঠিক আছে।”

    “প্রশ্ন কর দেখি। এখনই একটা প্রশ্ন কর।”

    নান্টু মাথা চুলকাল, বলল, “করব?”

    “হ্যাঁ, কর দেখি একটা প্রশ্ন।”

    নান্টু অনেকক্ষণ চিন্তা করল। মাথা চুলকাল, ঠোঁট কামড়াল, চোখ বন্ধ করল, তারপর খুলল। তারপর একটা লম্বা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “মানুষ মরে গেলে ভূত হয়। ভূত মরে গেলে কী হয়?”

    নান্টুর প্রশ্ন শুনে বল্টু কিছুক্ষণ চোখ বড় বড় করে তার দিকে তাকিয়ে রইল। তারপর মাথা নেড়ে বলল, “এটা তোর প্রশ্ন?”

    নান্টু ভয়ে ভয়ে বলল, “হ্যাঁ।”

    “এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যাবে না।”

    “কেন?”

    “একটা ভূত মরে কী হয় সেটা জানার জন্যে একটা ভূতকে ধরতে হবে, তারপর সেটাকে মারতে হবে।”

    “ভূতকে কীভাবে মারে?”

    “জানি না। মনে হয় পিটিয়ে।”

    “কী দিয়ে পিটাবে?”

    বল্টু বলল, “সেটাও জানি না। মনে হয় লাঠি দিয়ে।”

    নান্টু পুরো ব্যাপারটা বুঝে ফেলায় মাথা নাড়ল। তারপর বলল, “আমার কী মনে হয় জানো?”

    “কী?

    “ভূত মরলে গেঞ্জি হয়।”

    বল্টু চোখ কপালে তুলে বলল, “গেঞ্জি?”

    “হ্যাঁ, গেঞ্জি। ছোট ভূত মারা গেলে ছোট গেঞ্জি, বড় ভূত মারা গেলে বড় গেঞ্জি।”

    বল্টু কিছুক্ষণ নান্টুর দিকে তাকিয়ে একটা লম্বা নিঃশ্বাস ফেলল। কোনো কথা বলল না। নান্টু আবার কিছুক্ষণ তার ঠোঁট কামড়ে চিন্তা করে বলল, “আচ্ছা, বল্টু ভাইয়া …”

    বল্টু সন্দেহের চোখে নান্টুর দিকে তাকিয়ে বলল, “কী?”

    “মানুষ মরে গেলে যদি ভূত হয়, তাহলে মুরগি মরে গেলে কি মুরগির ভূত হতে পারে না?”

    বল্টুকে এবার খুব চিন্তিত দেখায়, খানিকক্ষণ চিন্তা করে বলল, “মনে হয় হতে পারে।”

    “তাহলে আমরা যে মুরগি খাই, সেই মুরগিদের ভূত কি আমাদের ওপর খুব রাগ হয় না?”

    বল্টু একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “হতে পারে।”

    “তাহলে কি মুরগির ভূতগুলি রাতে এসে আমাদের মাথায় ঠোকর দেবে না?”

    বল্টু কী উত্তর দেবে বুঝতে না পেরে বলল, “মনে হয় দেবে।”

    নাকে খুব চিন্তিত দেখাল, বলল, “তাহলে আমাদের কি মুরগি খাওয়া ঠিক হবে?”

    বল্টু কী বলবে বুঝতে না পেরে নিজের মাথা চুলকাতে শুরু করে। যে নান্টু আগে কখনো কোনো প্রশ্ন করে নি, এখন হঠাৎ করে তার যেন প্রশ্ন করার একটা ঝোঁক চলে এল। সে বড় বড় চোখ করে বল্টুর দিকে তাকিয়ে বলল, “বল্টু ভাইয়া!”

    বলু ভয়ে ভয়ে বলল, “কী?”

    “মুরগি মরে যদি মুরগি ভূত হতে পারে, তাহলে কি মশা মরে মশার ভূত হতে পারে না?”

    বল্টু মাথা চুলকে বলল, “হতে তো পারেই মনে হচ্ছে।”

    “তাহলে আমরা যে মশা মারি, সেই মশাগুলি মরে মশার ভূত হয়ে আমাদের কামড়াতে আসে না?”

    বল্টু কী বলবে বুঝতে না পেরে বলল, “আসতেই পারে।”

    “তাহলে আমাদের কি মশা মারা উচিত?”

    বল্টু কী বলবে বুঝতে পারে না, তাই একটু মাথা চুলকালো। নান্টু গম্ভীর মুখে বলল, “মশা থেকে মশার ভূত কি বেশি ডেঞ্জারাস না? মশা কামড়ালে আমরা দেখতে পাব, মশার ভূত যখন কামড়াবে আমরা তো দেখতেও পাব না। কী ভয়ঙ্কর!”।

    বল্টু এবার আর কোনো কথা বলল না। নান্টু আবার তার ঠোঁট কামড়ে চিন্তা করতে থাকে। তারপর বল্টুর দিকে তাকিয়ে কিছু একটা জিজ্ঞেস

    করতে চাচ্ছিল। বল্টু তাকে থামাল, বলল “নান্টু, শোন।”

    “কী?”

    “তোকে আমি বলেছিলাম না প্রশ্ন করতে?”

    “হ্যাঁ, বলেছিলে। সে জন্যেই তো প্রশ্ন করছি।”

    “আমার মনে হয় তোর আর প্রশ্ন করার দরকার নাই।”

    “দরকার নাই?”

    “না,” বল্টু মাথা নেড়ে বলল, “তোর প্রশ্নের উত্তর বের করা খুব কঠিন।”

    নান্টু বলল, “ঠিক আছে তাহলে, আর বেশি প্রশ্ন করব না।” নান্টু একগাল হেসে বলল, “আমার প্রশ্ন করতে ভালোও লাগে না।”

    বল্টু বলল, “সেটাই ভালো। তুই যত কম প্রশ্ন করবি ততই ভালো।”

    .

    পরদিন নান্টু নিজে তার প্রথম বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করে ফেলল। সকালবেলা সে একটা ছোট শিশি নিয়ে বল্টুর কাছে হাজির হলো, চোখ বড় বড় করে বলল, “বলু ভাইয়া, এই দেখো!”

    নান্টুর হাত থেকে শিশিটা নিয়ে বল্টু বলল, “কী?”

    “এই শিশির ভেতর একটা ভূত আটকে ফেলেছি।”

    বল্টু চোখ বড় বড় করে বলল, “ভূত আটকে ফেলেছিস?”

    “হ্যাঁ। মশার ভূত।”

    “মশার ভূত?”

    নান্টু দাঁত বের করে হাসতে হাসতে বলল, “একটা মশা ধরে শিশিটার ভেতর ঢুকিয়ে ছিপিটা শক্ত করে আটকে দিয়েছি।”

    বল্টু কিছু বুঝতে না পেরে বলল, “কেন?”

    “তুমি বোঝো নাই? ভেতরে মশাটা কয়েকবার লাফঝাঁপ দিয়ে মরে গেছে। মশা মরে গিয়ে ভূত হয়েছে, সেই ভূতটা শিশিটার মধ্যে আটকা পড়েছে। ছিপিটা এত শক্ত করে লাগিয়েছি যে ভেতর থেকে বের হতে পারবে না!”

    বলু কী বলবে বুঝতে না পেরে একটু অবাক হয়ে নান্টুর দিকে তাকিয়ে রইল। নান্টু বলল, “বল্টু ভাইয়া, ভালো করে দেখো দেখি, মশার ভূতটা দেখা যায় নাকি। ভূতেরা তো খালি অন্ধকারে বের হয়, তাই না?”

    বল্টু মাথা চুলকে বলল, “আমি ঠিক জানি না …”

    নান্টুর উৎসাহের জন্য শিশিটাকে অন্ধকারে নিয়ে দেখতে হলো, কিছু দেখা গেল না। কিন্তু তাতেও নান্টুর উৎসাহ কমে গেল না। বলল, “মনে হয় অন্ধকারে মশার ভূতটা বের হয়, কিন্তু অন্ধকার বলে আমরা দেখতে পাই না। তাই না, বল্টু ভাইয়া?”

    বল্টু বলল, “মনে হয় তা-ই।”

    “দেখা না গেলেও ক্ষতি নাই, আমরা তো জানি ভূতটা ভেতরেই আছে। বের হবে কেমন করে, তাই না বল্টু ভাইয়া?”

    বল্টু আবার মাথা নাড়াল।

    নান্টু বলল, “বল্টু ভাইয়া, তোমার সব বৈজ্ঞানিক জিনিসপত্রের সঙ্গে এটা রেখে দাও।”

    কাজেই বল্টুর চুম্বক, ম্যাগনিফাইং গ্লাস, ব্যাটারি, ইলেকট্রিক তার, পেরেক, ভিনেগাররের বোতল, থার্মোমিটার, টিকটিকির শুকনো লেজ, সিরিঞ্জ, রৰারের নল, চোঙা, প্লয়ার্স, ভাঙা ঘড়ি–এসবের পাশে শিশিটা সাজিয়ে রাখতে হলো। নান্টুর উৎসাহের কারণে শিশির ওপরে বড় বড় করে লেখা হলো : “সাবধান! মশার ভূত।”

    .

    এ ঘটনার পর থেকে বল্টু অবশ্যি নান্টুকে বিজ্ঞানী বানানোর চেষ্টা বন্ধ করে দিল। সে বুঝতে পেরেছে–সবাই যে রকম কবি না, কেউ কেউ কবি; সে রকম সবাই বিজ্ঞানী না, কেউ কেউ বিজ্ঞানী!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৫ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article দলের নাম ব্ল্যাক ড্রাগন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }