Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নাট বল্টু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প120 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. কতো লম্বা টুথপেস্ট

    ৫. কতো লম্বা টুথপেস্ট

    নতুন টুথপেস্টটা হাতে নিয়ে বল্টু বলল, “অনেক দিন থেকে একটা নতুন টুথপেস্ট খুঁজছি।”

    নান্টু বলল, “অ।”

    বল্টু হতাশভাবে মাথা নেড়ে বলল, “নান্টু, তোকে আমি কোনোভাবেই কিছু শেখাতে পারি না। আমি যদি কিছু একটা বলি, তুই সেটা শুনে অ বলবি না।”

    নান্টু মাথা নাড়ল। বলল, “ঠিক আছে।”

    “ঠিক আছে বললেও হবে না। তোকে জিজ্ঞেস করতে হবে, কেন আমি নতুন টুথপেস্ট খুঁজছি।”

    নান্টু জিজ্ঞেস করল, “বল্টু ভাইয়া, তুমি কেন নতুন টুথপেস্ট খুঁজছ?”

    “আমি অনেক দিন থেকে দেখতে চাচ্ছিলাম, একটা টুথপেস্টের ভেতর কয় ইঞ্চি টুথপেস্ট থাকে।”

    নান্টু “অ” বলতে গিয়ে নিজেকে সামলে নিয়ে জিজ্ঞেস করল, “সেটা তুমি কীভাবে মাপবে?”

    বল্টু টেবিল থেকে রুলারটা হাতে নিয়ে বলল, “এই যে রুলার দিয়ে মাপব।”

    “কিন্তু টুথপেস্ট তো ভেতরে …”

    “আগে টিপে বের করে নেব।”

    নান্টু ভয়ে ভয়ে বলল, “চাচি রাগ করবেন না?”

    বল্টু অবাক হয়ে বলল, “কেন? আম্মু রাগ করবে কেন?”

    “টুথপেস্ট নষ্ট করলে সব সময় আম্মুরা রাগ করে।”

    বল্টু হা হা করে হেসে বলল, “আম্মু জানতেই পারবে না। টুথপেস্টটা কয় ফুট কয় ইঞ্চি লম্বা মেপে আবার ভেতরে ভরে রাখব। আম্মু জানতেও পারবে না।”

    নান্টু এবার মাথা নেড়ে বলল, “অ”।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা গেল, বল্টু টেবিলের ওপর টিপে টুথপেস্টটা বের করে রাখতে শুরু করেছে। টিউবটা টিপে পুরো টুথপেস্ট বের করে টেবিলের ওপর কয়েকবার ডানে-বাঁয়ে যেতে হলো। তারপর বল্টু তার ফুট রুলার দিয়ে সেটা মাপল। পাঁচ ফুট সাড়ে চার ইঞ্চি লম্বা!

    বল্টু একটা কাগজে সেটা লিখে তার দরজায় টানিয়ে দিয়ে বিজয়ীর ভঙ্গিতে বলল, “দেখলি, কত সোজা!”

    নান্টু মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ। খুবই সোজা। একেবারে পানির মতো সোজা।”

    বল্টু বলল, “যদি পরীক্ষায় আসে একটি টুথপেস্টের ভেতরে কয় ফুট কয় ইঞ্চি টুথপেস্ট থাকে, তাহলে শুধু আমি সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব। আর কেউ তার উত্তর দিতে পারবে না।”

    নান্টু বলল, “আমিও পারব। পাঁচ ফুট সাড়ে চার ইঞ্চি।”

    “হ্যাঁ খালি আমি আর তুই। আর কেউ পারবে না।” বল্টু একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “কিন্তু দেখিস, পরীক্ষায় স্যারেরা আর আপারা কখনোই এ প্রশ্নের উত্তর লিখতে দেবে না। সব আজেবাজে, আলতু-ফালতু প্রশ্নের উত্তর লিখতে দেবে।”

    নান্টু মাথা নাড়ল, বলল “ঠিক বলেছ, বল্টু ভাইয়া।”

    বল্টু মাথা নেড়ে বলল, “আয়, এখন টুথপেস্টগুলো ভেতরে ঢুকিয়ে ফেলি। আম্মু দেখলে এমন চিৎকার শুরু করবে যেন কী না কী হয়ে গেছে।”

    নান্টু বলল, “ঠিক আছে।”

    টেবিলের ওপর লম্বা হয়ে পড়ে থাকা টুথপেস্টটুকু টিউবের ভেতরে ঢোকাতে গিয়ে বন্দু আবিষ্কার করল কাজটা খুব সহজ নয়। মিনিট দশেক চেষ্টা করে আবিষ্কার করল, কাজটা শুধু যে সহজ না, তা নয়–কাজটা খুব কঠিন। আরও মিনিট দশেক চেষ্টা করে বল্টু ও নান্টু বুঝতে পারল, কাজটা অসম্ভব। টুথপেস্ট একবার টিউব থেকে বের হয়ে গেলে সেটা আর ভেতরে ঢোকানো যায় না। চেষ্টা করতে গিয়ে দুজনের হাত-মুখ এবং জামা টুথপেস্টে মাখামাখি হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত বল্টু হাল ছেড়ে দিয়ে বলল, “আমার মাথায় অন্য একটা বুদ্ধি এসেছে।”

    “কী বুদ্ধি?”

    “টুথপেস্টটা একটা কাপের মধ্যে রেখে দেব।”

    “কাপের মধ্যে?”

    “হ্যাঁ।” বল্টু বড় বড় চোখ করে বলল, “তাহলে টুথপেস্ট নেওয়া আরও সোজা হবে। টিপে টিপে আর নিতে হবে না। টুথব্রাশটা দিয়ে কাপের মধ্যে একটা খাবলা দিলেই টুথব্রাশে টুথপেস্ট লেগে যাবে। ঠিক বলেছি না?”

    নান্টু জোরে জোরে মাথা নাড়ল, বলল, “ঠিক বলেছ, বল্টু ভাইয়া। একদম ঠিক বলেছ।”

    রাতের বেলা ঘুমানোর আগে রিতু টুথপেস্টটা খুঁজে না পেয়ে যখন এঘর-ওঘর করছে তখন বল্টু তাকে সাহায্য করল, বলল, “আম্মু, তুমি কি টুথপেস্ট খুঁজছ?”

    “হ্যাঁ,” রিতু চোখ ছোট ছোট করে সন্দেহের চোখে বলল, “তুই নিয়েছিস নাকি?”

    “আমি নিয়েছিলাম, কিন্তু ফিরিয়ে দিয়েছি।”

    “কোথায়?”

    “ওই যে কাপের মধ্যে বের করে রেখেছি। এখন তোমাকে আর টিপে টিপে বের করতে হবে না। তুমি কাপের মধ্যে খাবলা দিয়ে টুথপেস্ট নিয়ে নিতে পারবে।” বল্টু একটু এগিয়ে গিয়ে বলল, “আমাকে টুথব্রাশটা দাও, আমি দেখিয়ে দেই।”

    রিতু টুথব্রাশটা না দিয়ে খপ করে বল্টুর কানটা ধরার চেষ্টা করল, বলল, “তবে রে পাজি ছেলে! নতুন টুথপেস্টটা এভাবে শেষ করেছিস? একবার কেউ ধরে নাই পর্যন্ত …”

    বলু কোনোভাবে নিজের কানটা ছুটিয়ে বলল, “আমি মোটেও শেষ করি নাই। সবটুকু আছে কাপের মধ্যে। সবটুকু আছে।”

    রিতু বল্টুর কোনো কথা শুনতে রাজি হলো না। চিৎকার করে পুরো বাসায় তুলকালাম করে ফেলল। বল্টু এত অবাক হলো, সেটা আর বলার মতো নয়। এই ছোট একটা ব্যাপার নিয়ে এত হইচই করার কী আছে, সে বুঝতেই পারল না। যতই বড় হচ্ছে, বড় মানুষদের বিচারবুদ্ধির ওপর ততই সে আস্থা হারিয়ে ফেলছে।

    .

    বল্টু যখন কোনো কিছুর দিকে খুব তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে, তখন রিতু ঘাবড়ে যায়। তার কারণ, এর দু-এক দিনের ভেতরই সেই জিনিসটা নিয়ে একটা মহা ঝামেলা শুরু হয়ে যায়। তাই যেদিন রিতু দেখল বল্টু তার একটা শাড়ির দিকে চোখ ছোট ছোট করে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, তখন সে একটু নার্ভাস হয়ে গেল। বল্টুর দিকে তাকিয়ে গলার স্বর উঁচু করে জিজ্ঞেস করল, “তুই কী দেখছিস এভাবে?”

    “তোমার শাড়িটা দেখছি।”

    “তুই আগে আমার শাড়ি দেখিস নি? এখন এভাবে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে আছিস কেন?”

    রিতুর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বল্টু বলল, “আম্মু, তোমার শাড়ি এত লম্বা কেন?”

    “আমার শাড়ি মানে? সবার শাড়িই তো লম্বা হয়। শাড়ি লম্বা না হলে মানুষ শাড়ি পরবে কেমন করে!”

    উত্তরটা বল্টুর খুব পছন্দ হলো না, বলল, “আম্মু, শাড়ির এত লম্বা হওয়া ঠিক হয় নাই। কত কাপড় নষ্ট করেছ।”

    রিতু বলল, “তোর সেটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না।”

    বল্টু অবশ্য এত সহজে হাল ছেড়ে দিল না, বলল, “আম্মু, শাড়িটাকে মাঝখান দিয়ে কাটলেই তো দুইটা শাড়ি হয়ে যায়।”

    রিতু ধমক দিয়ে বলল, “খবরদার! যদি আমার শাড়িটাতে হাত দিয়েছিস! শাড়ি যে লম্বা হয় তার কারণ আছে, বুঝেছিস?”

    বল্টু মাথা নাড়ল; বলল “বুঝি নাই। তুমি এত চিকন, তোমার এত লম্বা শাড়ি লাগবে কেন?”

    রিতু এবার বন্দুকে ধমক দিয়ে বিদায় করে দিল। কাজটা যে ভালো হলো না সেটা সে তখনই অনুমান করতে পেরেছিল।

    খানিকক্ষণ পরই দেখা গেল, বল্টু ও নান্টু টেবিলের নিচে বসে কথা বলছে। বল্টুর হাতে একটা খাতা আর কলম, সে গম্ভীর হয়ে বলল, “বুঝলি নান্টু, এখন পর্যন্ত আমরা দেশের জন্যে কোনো কাজ করি নাই। আমরা ছোট বলে কেউ কিছু করতে দেয় না। কিন্তু আমাদের দেশের জন্যে কাজ করতে হবে।”

    নান্টু মাথা নেড়ে বলল, “ঠিক আছে।”

    “দেশের জন্যে দরকার হচ্ছে ভাত আর কাপড়।”

    নান্টু বলল, “শুধু শুধু ভাত তো খাওয়া যাবে না। একটা ডিমভাজা না হলে ডাল …”

    বল্টু নান্টুকে কথা শেষ করতে দিল না, বলল, “হ্যাঁ সেটা তো লাগবেই। কিন্তু আমরা তো সারা দেশের সব মানুষের জন্যে ভাত, ডিম আর ডাল দিতে পারব না। তবে মনে কর কাপড়ের ব্যাপার কিছু একটা করতে পারব।”

    নান্টু জিজ্ঞেস করল, “কী করতে পারব?”

    “এই দেখ, আমি হিসাব করেছি।” বল্টু খাতাটা দেখাল, “দেশে মানুষ হচ্ছে চৌদ্দ কোটি। তার মধ্যে অর্ধেক মেয়ে, অর্ধেক ছেলে। তার মানে, মেয়ে হচ্ছে সাত কোটি। এই সাত কোটির মধ্যে মনে কর অর্ধেক ছোট আর অর্ধেক বড়। যারা ছোট তারা জামা পরে, টি-শার্ট পরে। কিন্তু যারা বড় তারা সবাই শাড়ি পরে। তারা মানে, এই দেশের সাড়ে তিন কোটি মেয়ে শাড়ি পরে।”

    নান্টু হিসাবটা খুব ভালো বুঝল না, কিন্তু বল্টুর ওপর তার বিশ্বাস আছে। তাই সে মাথা নেড়ে মেনে নিল। তবে শাড়ি পরার ব্যাপারটা সে ঠিক বুঝল না। বল্টু অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই এটা বোঝানো শুরু করল; নান্টুকে জিজ্ঞেস করল, “তুই কি কখনো দেখেছিস একটা শাড়ি কত লম্বা?”

    নান্টু মাথা নাড়ল, বলল, “দেখেছি।”

    “আমি মেপে দেখেছি, একটা শাড়ি হচ্ছে ছয় গজ লম্বা। তুই বল, এত লম্বা হওয়ার কোনো দরকার আছে?”

    বল্টু কোন উত্তরটা শুনতে চাইছে নান্টু সেটা আন্দাজ করতে পারল। তাই সে জোরে জোরে মাথা নাড়ল, বলল, “কোনো দরকার নাই।”

    “এই দেখ, তুই ব্যাপারটা বুঝেছিস। কিন্তু আম্মুকে বোঝাতেই পারলাম না।”

    বল্টুকে খুব হতাশ দেখা গেল। তখন নান্টু ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল, “চাচি কী বলেন?”

    “আমি আম্মুকে বলেছি, আম্মু, তুমি তোমার শাড়িটা মাঝখান থেকে কেটে দুই ভাগ করে ফেলল, তাহলে এটা দুইটা শাড়ি হয়ে যাবে। এত লম্বা শাড়ির তো কোনো দরকার নেই।”

    “চাচি কী বললেন?”

    “আম্মুর কথা বলে লাভ নাই! আমার কথা তো শুনলই না, উল্টা। আমাকে ঝাড়ি!”

    বল্টু মাথা নাড়তে নাড়তে বলল, “বড় মানুষদের নিয়ে বিরাট সমস্যা। তারা মনে করে তারা যেটা জানে সেটাই ঠিক। অন্য একজনের কথা তারা শুনতেই চায় না। যদি মনে কর আম্মুকে রাজি করাতে পারতাম, তাহলে সবাইকে বলতে পারতাম, একটা শাড়ি ইকুয়েলস টু দুইটা শাড়ি! দেশে কাপড়ের সমস্যার সমাধান হয়ে যেত!”

    নান্টু ভয়ে ভয়ে বলল, “আমি কি আমার আম্মুকে বলে দেখব?”

    বল্টু হাত নেড়ে বলল, “কোনো লাভ নাই। তোর আম্মুও রাজি হবে না। বড় মানুষরা সবাই এক রকম।”

    “তাহলে কী করবে, বল্টু ভাই?”

    “আমি অনেক চিন্তা করে একটা প্ল্যান করেছি।”

    নান্টুকে এবার একটু উৎসাহী দেখাল, বলল, “কী প্ল্যান?”

    “আমরা যদি নিজেরা শাড়িটার মাঝখান দিয়ে কেটে ফেলি তাহলে আম্মু আমাকে কাঁচা খেয়ে ফেলবে। কিন্তু যদি ব্যাপারটা আস্তে আস্তে করি, তাহলে?”

    “আস্তে আস্তে?”

    “হ্যাঁ। মনে কর আজকে আম্মুর শাড়ির এক পাশ থেকে ছয় ইঞ্চি কেটে রাখলাম, তাহলে আম্মু টেরই পাবে না। কয়েক দিন পর আরও ছয় ইঞ্চি এভাবে আস্তে আস্তে যদি শাড়িটা ছোট করতে থাকি তাহলে আম্মু বুঝতে পারবে না। তোর কী মনে হয়?”।

    নান্টু মাথা চুলকে বলল, “কিন্তু আম্মুরা কীভাবে কীভাবে জানি সবকিছু বুঝে ফেলে, তাদের কাছে কিছু লুকিয়ে রাখা যায় না।”

    বল্টু মাথা নাড়ল; বলল, “সেটা তুই ঠিকই বলেছিস। আমি যে সময় কিছু একটা করি, আম্মু আমার মুখ দেখলেই সেটা বুঝে ফেলে।”

    “তাহলে কী করবে?”

    “সেই জন্যে তো আর থেমে থাকলে হবে না! আমাদের তো চেষ্টা করতে হবে!

    কাজেই বল্টু সেদিন খুব সাবধানে তার আম্মুর একটা শাড়ির ছয় ইঞ্চি কেটে আলাদা করে ফেলল। বল্টুর ধারণা সত্যি, রিতু সেটা বুঝতে পারল না। বল্টুর উৎসাহ তখন আরও বেড়ে গেল। দুই দিন পর সে আরও ছয় ইঞ্চি কেটে ফেলল। রিতু সেটাও বুঝতে পারল না। বল্টুর আত্মবিশ্বাস বেড়ে গেল প্রায় দশ গুণ।

    সপ্তাহ দুয়েক পর রিতু একদিন শাড়িটা পড়তে গিয়ে একটু বিরক্ত হয়ে বলল, “ব্যাপার কী! এই শাড়িতে কুঁচিটা ঠিক করে আসছে না কেন?”

    রাজু কাছাকাছি ছিল, বলল, “আমাকে জিজ্ঞেস কোরো না। আমি কুঁচি বিশেষজ্ঞ না।”

    বল্টু জোরে জোরে নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “হবে আম্মু, হবে! আরেকটু টাইট করে পরো, তাহলেই হবে।”

    বল্টুর কথা শুনে রিতু আর রাজু দুজনই তার দিকে ঘুরে তাকাল। দুজনই বুঝে গেল এতে বল্টুর কোনো হাত আছে। রিতু প্রথমে তার শাড়ির দিকে তাকাল, তারপর বল্টুর দিকে। তারপর চোখ বড় বড় করে বলল, “শাড়িটা ছোট কেন?”

    বল্টু বলল, “না, আম্মু। ছোট না! তুমি আরেকটু টাইট করে পরলেই হবে।”

    “টাইট করে পরব? শাড়ি টাইট করে পরে কেমন করে?” রিতু হুঙ্কার দিয়ে বলল, “কী করেছিস, বল?”

    বল্টুর ব্যাখ্যা দিতে হলো না, শাড়িটা খুলে অন্য শাড়ির সঙ্গে মাপ দিয়ে দেখা গেল, সেটা আড়াই ফুট ছোট। দিনে ছয় ইঞ্চি করে বল্টু পাঁচ দিনে আড়াই ফুট কেটেছে। রাজু রক্ষা না করলে বল্টুর কপালে সেদিন অনেক বড় দুঃখ ছিল।

    .

    বিকেলবেলায় টেবিলের নিচে নান্টু আর বল্টুকে আবার দেখা গেল। বল্টুর মেজাজ ভালো না। নান্টু তাই কোনো কথা না বলে চুপচাপ গালে হাত দিয়ে বসে রইল। অনেকক্ষণ পর বল্টু বলল, “তুই এখন বুঝতে পারছিস তো আমাদের দেশে কেন কোনো উন্নতি হয় না? শুধু আমাদের আব্বু আর আম্মুদের জন্যে। তারা কোনো কিছু বুঝতে চায় না!”

    নান্টু বলল, “অ।”

    বল্টু বলল, “তুই চিন্তা কর, আম্মু ভেবেছে আমি নাকি দুষ্টুমি করার জন্যে শাড়িটা কেটেছি! আমি কোনো দিন কোনো দুষ্টুমি করেছি?”

    নান্টু মাথা নাড়ল; বলল, “না।”

    “আম্মুকে তো বোঝানোই গেল না, অনেক কষ্ট করে আব্বুকে বুঝিয়েছি যে দেশের কাপড়ের অভাব মেটানোর জন্যে এটা একটা গবেষণা ছিল।”

    নান্টু জিজ্ঞেস করল, “চাচা বুঝেছেন?”

    “বুঝাতে কি চায়? বড় মানুষরা কিছু বুঝতে চায় না।”

    “তারপর চাচি কী বলেছেন?”

    বল্টু একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “তুই বিশ্বাস করবি না আম্মু কী বলেছে! আম্মু বলেছে, আমার সবগুলো শার্ট, টি-শার্ট বুকের কাছে কেটে অর্ধেক করে দেবে। আর এখন থেকে প্যান্ট না পরে আমাকে পরতে হবে ছোট ছোট টাইট নেংটি। নেংটি পরে নাকি স্কুলে যাব। এভাবে নাকি কাপড়ের সমস্যা মিটে যাবে! আমাকে দিয়েই নাকি দেশের কাপড়ের সমস্যা মেটানোর কাজ শুরু হবে।”

    নান্টু চোখ বন্ধ করে হঠাৎ ফিক করে হেসে ফেলল। বল্টু চোখ পাকিয়ে বলল, “কী হলো? তুই হাসছিস কেন?”

    “তুমি বুক পর্যন্ত কাটা শার্ট আর ছোট টাইট নেংটি পরে স্কুলে গেলে তোমাকে দেখতে কেমন লাগবে, সেইটা চিন্তা করে একটু হাসি পেয়েছে।”

    বল্টু বলল, “খবরদার! হাসবি না।”

    নান্টু মুখ গম্ভীর করে বলল, “ঠিক আছে, হাসব না।”

    .

    কদিন পরের ঘটনা। রিতু একটা কেক বানাচ্ছে, তার মাখন লাগবে। হাত দুটো ব্যস্ত বলে বন্দুকে ডেকে বলল, “বল্টু, ফ্রিজ থেকে মাখনের ট্রেটা দিয়ে যা তো।”

    বল্টু রান্নাঘরে গিয়ে ফ্রিজের দরজা খুলে ভেতরে তাকিয়ে রইল। ফ্রিজের ভেতরে এত রকম জিনিস থাকে সেটা সে আগে খেয়াল করে দেখে নাই। সে অবাক হয়ে ডেকচি, বাটি, বোতল, সবজি, ডিম, দুধ, পানির বোতলের দিকে তাকিয়ে থাকল। সঙ্গে সঙ্গে তার বৈজ্ঞানিক মাথা কাজ করতে শুরু করল।

    রিতু কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করে বলল, “কী হলো!”

    বল্টু কোনো জবাব না দিয়ে ফ্রিজের ভেতর তাকিয়ে রইল। রিতু বুঝে গেল বল্টুর মস্তিষ্ক অন্য কিছুতে কাজ করতে শুরু করছে! তাই সে নিজেই এল মাখনটা নিতে। এসে দেখে, বল্টু ফ্রিজের দরজা খুলে ভেতরে একদৃষ্টে তীক্ষ্ণ চোখে তাকিয়ে আছে। রিতু মাখনটা নিয়ে বলল, “কী হয়েছে?”

    বল্টু বলল, “আম্মু দেখেছ, ফ্রিজের ভেতরে কত জিনিস!”

    রিতু বলল, “ফ্রিজে জিনিস থাকবে না তো কোথায় থাকবে?”

    “কিন্তু আম্মু, দেখেছ ভেতরে কত জায়গা নষ্ট হয়েছে?”

    “জায়গা নষ্ট হয়েছে?”

    “হ্যাঁ। এই দেখো আলুগুলি গোল গোল। আলু যদি গোল না হয়ে চারকোণা হতো তাহলে একেবারে গায়ে গায়ে লাগিয়ে কত বেশি আলু রাখা যেত, তুমি জানো?”

    “হ্যাঁ। কিন্তু আলু চারকোণা হয় না, আলু হয় গোল।”

    বল্টু নিরুৎসাহ হলো না, বলল, “কিন্তু ডেকচিগুলি তো চারকোণা হতে পারত। আর পানির বোতল। এইগুলি তো চারকোণা বানানো যেত।”

    “ঠিক আছে, তুই যখন বড় হবি তখন তুই আর তোর বউ মিলে তোর বাসার ফ্রিজে সব চারকোণা জিনিস রাখিস। চারকোণা আলু, চারকোণা পেঁপে, চারকোণা ডিম …”

    বল্টু হাতে কিল দিয়ে বলল, “আম্মু, তুমি ঠিকই বলেছ। ডিমগুলো হওয়া উচিত ছিল চারকোণা।”

    “থাক, হয়েছে,” রিতু বলল, “এই গোল ডিম পাড়তেই মুরগির বারোটা বেজে যায়। চারকোণা ডিম পাড়তে হলে মুরগির খবর হয়ে যাবে।”

    “কেন আম্মু, মুরগির কেন খবর হবে?”

    কাজেই রিতুর তখন অনেক সময় নিয়ে বল্টুকে বোঝাতে হলো, কেন মুরগির গোল ডিম পারতে হয়, কেন চারকোণা ডিম পাড়তে পারবে না।

    কয়েক দিন পর দুপুরবেলা রাজু আর রিতু খেতে বসেছে, দেখা গেল ডালটাতে একটা টক টক গন্ধ। আগের রাতে মাছ রান্না করা হয়েছিল। বড় বড় চোখে সেই মাছ বাটিতে শুয়ে শুয়ে রাজু আর রিতুর দিকে তাকিয়ে আছে। দেখে রাজুর আর খাওয়ার সাহস হলো না। সে রিতুকে বলল, “একটা ডিম ভাজা করে খেয়ে ফেলি।”

    রিতু বলল, “তুমি বসো, আমি ভেজে আনছি।”

    পেঁয়াজ, মরিচ কুচি করে কেটে বাটিতে রেখে দুটো ডিম নেওয়ার জন্য ফ্রিজ খুলে ডিমে হাত দিয়েই রিতু চিৎকার করে পিছনে সরে এল। রাজু ছুটে এসে জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে?”

    রিতু ভয়ে ভয়ে ডিমগুলোর দিকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলল, “ওই দেখো।”

    রাজু বলল, “কী দেখব?”

    “ডিম! হাত দিয়ে দেখো।”

    রাজু ডিমটা হাত দিয়ে ধরে চমকে পিছনে সরে এল। ডিমগুলো নরম থলথলে। উপরের শক্ত খোসাটা নেই। রাজু অবাক হয়ে ডিমগুলোর দিকে তাকিয়ে বলল, “কে এনেছে এই ডিম?”

    “কেউ আনে নাই। ডিমগুলো এই রকম হয়ে গেছে।”

    রাজু বলল, “নিজে থেকে ডিম এ রকম হয়ে যাবে কেমন করে?”

    “কালকেও ভালো ছিল।”

    রাজু একটু এগিয়ে আবার সাবধানে ডিমটা ধরে টেনে ওপরে তুলল। একেবারে তুলতুলে নরম, মনে হয় কেউ বেলুনে পানি ভরে রেখেছে! সে অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিল, ঠিক তখন বল্টু দড়াম করে দরজা খুলে এসে ঢুকল। রাজুকে একটা ডিম ধরে রাখতে দেখে চিৎকার করে বলল, “আমার ডিম! আমার ডিম!”

    রিতু চোখ কপালে তুলে বলল, “তোর ডিম মানে? তুই কবে থেকে ডিম পাড়া শুরু করেছিস?”

    “আমি ডিম পাড়ি নাই, আমি এটা বানিয়েছি।”

    রাজু অবাক হয়ে বলল, “তুই ডিমগুলোর এই অবস্থা করেছিস?”

    “হ্যাঁ।”

    “কীভাবে?”

    “অনেক গবেষণা করে বের করতে হয়েছে। ডিমগুলোকে এসিডে চুবিয়ে দিলে ওপরের খোসাটা গলে ভুরভুর করে কার্বন ডাই-অক্সাইড বের হয়!”

    রিতু আঁতকে উঠে বলল, “এসিড? তুই এসিড কোথায় পেয়েছিস?”

    বল্টু মুখ শক্ত করে বলল, “আমি কতবার আব্বুকে বলেছি একটু সালফিউরিক না হলে হাউড্রোক্লোরিক এসিড কিনে দিতে। আব্লু তো দিচ্ছে না…”

    “তাহলে?”

    “তাই ভিনেগারে চুবিয়ে রেখেছি। খাঁটি এসিড দিলে এক মিনিটে হয়ে যেত, ভিনেগার দিয়ে সারা রাত লেগেছে?”

    রাজু ধরে রাখা নরম তুলতুলে ডিমটা সাবধানে ফ্রিজে রেখে বলল, “সবই বুঝতে পারলাম। কিন্তু ডিমটা এই রকম নরম তুলতুলে করলি কী জন্যে?”

    “আব্বু, তুমি জানো মুরগিদের ডিম পাড়তে কত কষ্ট হয়?”

    রাজু বলল, “আমি তো আর মুরগি না, আমি জানব কেমন করে?”

    “মুরগিদের ডিম যদি তুলতুলে নরম হয় তাহলে ওদের কোনো কষ্ট হবে।”

    সবকিছু বুঝে ফেলার মতো ভঙ্গি করে রাজু বলল, “ও আচ্ছা।”

    “আব্বু, এখন আমার এক্সপেরিমেন্টটা শেষ করতে হবে। আমার এখন একটা মুরগি দরকার।”

    “মুরগি?”

    “হ্যাঁ। সেই মুরগিটাকে আচ্ছামতো ভিনেগার খাওয়াতে হবে, তাহলে দেখবে তার তুলতুলে নরম ডিম হবে! ঠিক আছে?”

    রাজু বলল, “ঠিক আছে।”

    “মুরগি যখন দেখবে তাদের ডিম পাড়তে কোনোই কষ্ট নাই তখন তারা অনেক বেশি ডিম পাড়বে।”

    “নিশ্চয়ই পাড়বে।”

    “তুমি অফিস থেকে আসার সময় একটা মুরগি নিয়ে এসো। ঠিক আছে?”

    “ঠিক আছে।”

    বিজ্ঞানী ছেলেকে মানুষ করা কঠিন, রাজু আর রিতু সেটা অনেক দিন হলো হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৫ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article দলের নাম ব্ল্যাক ড্রাগন – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }