Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নারী ধর্ম ইত্যাদি – গোলাম মুরশিদ

    গোলাম মুরশিদ এক পাতা গল্প346 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭. ভাষার চরিত্ৰহানি

    জর্জ বার্নার্ড শ তাঁর টাকাকড়ি রেখে গিয়েছিলেন ইংরেজি ভাষার বানান সংস্কারের জন্যে। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর অর্ধ-শতাব্দীরও বেশি সময় চলে গেছে। তবু কেউ ইংরেজি বানান সংস্কার করেননি, অথবা করতে পারেননি। তার কারণ, ভাষার পরিবর্তন সম্পর্কে সবাই কমবেশি রক্ষণশীল। কিন্তু এ রক্ষণশীলতা সত্ত্বেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাষার বিবর্তন হবে–এটা না-মেনে উপায় নেই। জীবন্ত ভাষা কোথাও দাঁড়িয়ে থাকে না। নিরন্তর তার মধ্যে ঘটতে থাকে পরিবর্তন। তবে বিবর্তন মাত্ৰই যে উন্নতি, সে কথা বলা যায় না। বাংলা ভাষায়, বিশেষ করে বাংলা গদ্যে, গত এক শো বছরে যে-পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়, তা সত্যিকার অর্থেই যুগান্তকারী। যুগান্তকারী, কারণ এ সময়ে সাধু ভাষার যুগ শেষ হয়ে চালু হয় চলিত ভাষার যুগ। তাই বলে এই এক শতাব্দীতে বাংলা ভাষা কি কেবলই সামনের দিকে এগিয়েছে?

    বাংলা ভাষায় যুগান্তর আনায় প্রধান ভূমিকা ছিলো রবীন্দ্রনাথের। চলিত ভাষার প্রতি গোড়া থেকেই তার পক্ষপাত ছিলো। একেবারে প্রথম যৌবনে ইউরোপ থেকে যে-চিঠিগুলো তিনি লিখেছিলেন প্রকাশের জন্যে, তা লিখেছিলেন চলিত ভাষায়। ছিন্নপত্রের চিঠিগুলোও। কেবল চিঠি নয়, ১৮৯০-এর দশকে তিনি গল্পগুচ্ছের ভাষায় ক্রিয়া-বিভক্তিগুলো সাধু ভাষায় লিখলেও, সর্বনামে পরিবর্তন আনতে আরম্ভ করেন। নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁর আত্মবিশ্বাস এবং খ্যাতি যখন তুঙ্গে, তখন প্রমথ চৌধুরীর অনুপ্রেরণায় তাঁর সব রচনাই তিনি লিখতে আরম্ভ করেন চলিত বাংলায়। পরবর্তী কয়েক দশকের মধ্যে তাঁর এই ভাষাই প্রামাণ্য বাংলা হিশেবেই গৃহীত হয়। রবীন্দ্রনাথ একাই ছিলেন এক শো। তাঁর অতুলনীয় প্রতিভা দিয়ে তিনি যা কিছু স্পর্শ করেছেন, তাকেই নতুন জীবন দিয়েছেন। সাহিত্য, সঙ্গীত, নৃত্যকলা, চিত্রকলা ইত্যাদি সম্পর্কেই এ কথা প্রযোজ্য নয়, এ কথা পুরোপুরি সত্য বাংলা ভাষা সম্পর্কেও। জ্ঞাতে অজ্ঞাতে আমরা তাঁর ভাষায় কথা বলি, তার ভাষাতে লিখি এবং তার ভাষাতে চিন্তা করি। বাংলা ভাষার বিবর্তনে যদি ব্যক্তির অবদানের কথা বলতে হয়, তা হলে যে-দুজনের নাম সবার আগে মনে পড়বে তাঁরা হলেন বঙ্কিমচন্দ্র এবং রবীন্দ্রনাথ। তবে সাধু ভাষার যুগ শেষ করে একেবারে নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। এঁরা দুজনেই ছিলেন অসামান্য শক্তির অধিকারী। অসম্ভবকে সম্ভব করতে পেরেছিলেন। বহুজনের অবদানে ভাষায় যে-বীর পরিবর্তন আসে, তাদের আনা পরিবর্তন সে প্রকৃতির নয়। তাঁরা বাংলা ভাষায় বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। আমাদের সৌভাগ্য, এই বিপ্লবের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাদের মতোন দুজন শিল্পী। তাঁদের পথ অনুসরণ করে আমরা বাংলা ভাষাকে অনেক উচ্চতায় নিয়ে যেতে পেরেছিলাম। কিন্তু বাংলা ভাষায় গত পঞ্চাশ বছরে যে-নেতৃত্ব লক্ষ্য করছি, তা মধ্যম শ্রেণীর লোকেদের। তার ফলে বাংলা ভাষা তার উর্ধ্বগতি অক্ষুন্ন রাখতে পারছে কিনা, আমাদের প্রশ্ন সেটাই।

    চলিত রীতির বাংলায় কেবল ক্রিয়া-বিভক্তি এবং সর্বনামগুলোই সাধু ভাষা থেকে ভিন্ন নয়। সাধু ভাষার অনেক শব্দও চলিত ভাষায় অচল। তাই সাধু ভাষার যুগ শেষ হওয়ার ফলে অসংখ্য শব্দ অপ্রচলিত শব্দ হিশেবে অব্যবহার্য হয়ে গেছে। তা ছাড়া, সাধারণভাবে বলা যায়, চলিত ভাষার চরিত্রও তরল। এই দুই লক্ষণ মিলে বাংলা ভাষার প্রকাশক্ষমতা কমেছে বলেই ধারণা হয়। সৌন্দৰ্যও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে হয় না। রবীন্দ্রনাথের মতো অতুলনীয় শিল্পীর হাতে বাংলা ভাষা সরল হয়েও, তার সৌন্দর্য এবং প্রকাশক্ষমতা বজায় রাখতে পেরেছিলো। কিন্তু তাঁর পরে অসংখ্য সাধারণ লেখকের হাতে পড়ে চলিত রীতির বাংলা ভাষা অতীতের অর্জনকে ধরে রাখতে পেরেছে কিনা, তা নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন করা যেতে পারে। অন্তত সাম্প্রতিক কালের বাংলা গদ্য–বিশেষ করে খবরের কাগজের গদ্য পড়ে এ কথা মনে হওয়াই স্বাভাবিক।

    কলকাতার খবরের কাগজের ভাষা পড়লে, বিশেষ করে সে ভাষার পদক্রম দেখলে, ধারণা হয় যে, এলিয়ে-পড়া সেই গদ্যের কোনো মেরুদণ্ড নেই। তিনবার কাশলেন রাজ্যপাল–এটি কোনো সংবাদ-শিরোনামে আমি পড়িনি, কিন্তু বেশির ভাগ শিরোনামই এ রকম। “কোটে আত্মসমৰ্পণ করতে ফোন নেতার”–এ বাক্যটি আমার বানানো নয়, পত্রিকা থেকেই উদ্ধৃত করেছি। একবার পড়ে এর অর্থ উদ্ধার করতে হলে রীতিমতো প্রতিভার প্রয়ােজন। “সরকারী গাড়িতেই বেশি দূষণ, মানলেন সুভাষ”, “চাপে পড়েই দেশে ফেরার প্রস্তাব দাউদের” ইত্যাদি বাক্য অথবা অনুবাক্য দুর্বোধ্য হওয়ার কারণ পদক্রমের সাধারণ নিয়ম লঙ্ঘন। কাব্যে এ ধরনের পদক্রম সব সময়ই চলে। গদ্যেও বৈচিত্ৰ্য বাড়ানোর জন্যে মাঝে-মাঝে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু সেটাই বারবার ব্যবহার করলে তা মুদ্রাদোষে পরিণত হয়। আচার দিয়ে খাদ্যকে আমরা সুস্বাদু করতে পারি। কিন্তু শুধু আচার খাদ্য বলে বিবেচিত হতে পারে না।

    কেবল শিরোনাম নয়, অনেক সময় বাক্যগঠনেও শৈথিল্য লক্ষ্য করি। যেমন, “কাশীর সমস্যার সঙ্গে দাউদ প্রত্যার্পণের বিষয়টিকে সরাসরি যুক্ত না করলেও, সুযোগ পেলেই আন্তর্জাতিক মহলকে বিদেশ মন্ত্রক যা বোঝানোর বুঝিয়ে দিয়েছে।”— বাক্য হিশেবেই এটি ত্রুটিপূর্ণ–এর অর্থ হয় না। কিন্তু কলকাতার প্রতিষ্ঠিত পত্রিকাগুলোয় এ ধরনের বাংলা লেখা হচ্ছে। আর-একটি অসাধারণ জিনিশ লক্ষ্য করি সংখ্যার সঙ্গে টা, টি, জন ইত্যাদি সংখ্যাচক বিভক্তি ব্যবহার না-করার প্রবণতা। ফলে “নিহত ৩, আহত ২”, “৫ পুলিশ বরখাস্ত”-এর মতো অদ্ভুত প্রয়োগ লক্ষ্য করি। এটা ইংরেজি, বাংলা নয়। বর্তমান কলকাতার পত্রিকায় যে-ভাষা। ষাটের দশক থেকে গড়ে উঠেছে, এক কথায় বললে, তার প্রকাশক্ষমতা সীমিত। সে গদ্যের চরিত্র উচ্ছাসপূর্ণ, ফেনানো, কাব্যিক। শব্দ ব্যবহারের কথা বললে তাতে ক্রমবর্ধমান হিন্দীর প্রভাবও লক্ষ্য করা যায়।

    কলকাতার টেলিভিশনেও এ ধরনের ভাষায় বাংলা খবর শুনতে পাই। খবরের কাগজের তুলনায় টেলিভিশনের ভাষা সাধারণত মুখের ভাষার আরও কাছাকাছি হতে পারে। কিন্তু সে ভাষাকে ক্রমশ নিম্নগামী হতে দেখে বিষন্ন না-হয়ে পারিনে। বিলেতের টেলিভিশনে দেখতে পাই, নাট্যানুষ্ঠান অথবা সোপ অপেরায় একেবারে সাধারণ মানুষের ভাষাও ব্যবহৃত হয়। এমন কি, খবরের মধ্যেও যখন সাধারণ মানুষের সাক্ষাৎকার থাকে, তাতেও শোনা যায় এ ভাষা। কিন্তু মূল খবরের ভাষা হলো প্রামাণ্য চলিত ভাষা। তার উচ্চারণও প্রামাণ্য–আঞ্চলিক নয়। ডকুমেন্টারি সম্পর্কেও এই কথা প্রযোজ্য। পোশাকের সঙ্গে তুলনা করে বলতে পারি, বাড়িতে লুঙ্গি পরা যায়, কিন্তু বাইরে যেতে হলে প্যান্ট-শার্ট পরতে হয়। একজন অপরিচিত লোকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তার ওপর টাই না-হোক অন্তত একটা কোট চাপাতে হয়। আর চাকরির সাক্ষাৎকারে যেতে হলে সুট পরে যেতে হয়। খবরের ভাষা–তা লেখ্য মাধ্যম, অথবা ইলেট্রনিক মাধ্যম যাতেই হোক না কেন–তাকে খানিকটা আনুষ্ঠানিক ভাষা হতে হয়। প্রবন্ধের ভাষা হতে হয়। সবচেয়ে ফর্ম্যাল। শিবনারায়ণ রায় অথবা মুনীর চৌধুরীর মতো লেখকরা প্রবন্ধের ভাষায় সেই আনুষ্ঠানিকতা অনেকটাই বাঁচিয়ে রেখেছেন। কিন্তু সংবাদ মাধ্যম ভাষাকে অতি তরল করে দিয়েছে।

    চলিত বাংলা প্রথম প্ৰচলিত হয়েছিলো কলকাতাতেই। এই বিবর্তনকে গ্ৰহণ করার ব্যাপারে পূর্ব বাংলা ছিলো পিছিয়ে। এখন চরিত্ৰহানির যুগেও কলকাতা সামনে এগিয়ে আছে, ঢাকা আছে খানিকটা পিছিয়ে। কিন্তু ঢাকা যে কলকাতাকে অনুসরণ করে একই পথে যাচ্ছে, সে সম্পর্কে বিশেষ সন্দেহ নেই। বাংলাদেশের শিরোনামেও সংখ্যাবাচক এবং তারিখবাচক বিভক্তি লোপ পেয়েছে। তবে ঢাকার ভাষা এখনো কলকাতার মতো অতোটা “আধুনিক” হতে পারেনি। বাংলাদেশের খবরের কাগজের ভাষা বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, তাতে কলকাতার দোষগুলোকাব্যিক পদক্রম, অতি-চলিত শব্দ (স্ল্যাং), সংখ্যাবাচক বিভক্তি লোপ–ইত্যাদি। তুলনামূলকভাবে কম হলেও এগুলো ক্রমশ জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। তা ছাড়া, ঢাকাই সংবাদপত্রের ভাষায় আছে সংস্কৃত ও আভিধানিক পরিভাষা, আরবি-ফারসির অত্যধিক ব্যবহার এবং আঞ্চলিক শব্দ ও প্রয়োগের ছড়াছড়ি। তবে এক কথায় বলা যায়, ঢাকার পত্রিকার ভাষা কলকাতার মতো ফেনানো নয়; তাতে সাধু ভাষার প্রভাব এখনো খানিকটা রয়ে গেছে এবং পদক্রম এখনো অতোট এলিয়ে পড়েনি। কিন্তু ঢাকার সংবাদ মাধ্যমও কলকাতার মতো “আধুনিক” হয়ে উঠতে প্ৰাণপণ চেষ্টা করছে।

    বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, প্রমথ চৌধুরী প্রমুখ— যারা বাংলা গদ্যকে নির্মাণ করেছিলেন, তারা দৈনিক পত্রিকার রিপোর্টার ছিলেন না। খবরের কাগজ পড়েও তারা বাংলা শেখেননি। বরং তাদের ভাষা শিখেই প্রভাবিত হয়েছেন খবরের কাগজের রিপোর্টার। বস্তুত, সংবাদপত্র চিরকাল প্রামাণ্য ভাষাকে অনুসরণ করেছে–সংবাদপত্র প্রামাণ্য ভাষা গড়ে তোলেনি।

    আমার আশঙ্কা হচ্ছে: লেখাপড়া থেকে আরম্ভ করে সবকিছু যখন নিম্নমুখী, তখন ভাষাও উল্টো পথে চলতে শুরু করবে। অর্থাৎ যোগ্য লেখকরা ভাষাকে নতুন পথ দেখাবেন না, বরং মাঝারি সাংবাদিক ভাষাকে অধঃপথে নিয়ে যাবেন। খবরের কাগজের এই ভাষা সব ধরনের ভাষাকেই ধীরে ধীরে প্রভাবিত করবে। খবরের কাগজের ভাষা দিয়ে নব্য ঔপন্যাসিক তার উপন্যাস লিখবেন। সংবাদপত্রের ভাষাকেই অনুসরণ করবেন শিক্ষার্থী এবং সাধারণ মানুষ। গুরুগম্ভীর শব্দ এবং সমাসবদ্ধ পদ উধাও হয়ে যাওয়ার ফলে বাংলা ভাষার যে-প্রকাশক্ষমতা, পৌরুষ এবং সৌন্দর্য ছিলো, তা হ্রাস পাবে। এলিয়ে-পড়া এবং কাব্যিক পদক্রমই প্রামাণ্য বলে বিবেচিত হবে। এর দরুন সবচেয়ে ক্ষতিগ্ৰস্ত হবে প্ৰবন্ধের ভাষা।

    খবরের কাগজী মেরুদণ্ডহীন ভাষা দিয়ে কোনো মতে একটা খবর যদি বা প্ৰকাশ করা যায়, একটা প্ৰবন্ধ, বিশেষ করে কোনো গুরুগম্ভীর বিষয়ে, লেখা যায় না। আমার ধারণা, বঙ্কিমচন্দ্রের আরও কিছুকাল বেঁচে থাকা প্রয়োজন ছিলো। অতো কম বয়সে মরে গিয়ে তিনি আমাদের ভাষাকে মেরে গেছেন। তিনি যেমন বাংলায় গল্প লেখার অসাধারণ ভাষা নির্মাণ করেছিলেন; তেমনি প্রবন্ধের ভাষাও তার হাত ধরেই প্রাপ্তবয়স্ক হয়েছিলো। এমন কি, তিনি যখন তাঁর ব্যঙ্গাত্মক রচনাগুলো লিখেছেন, তখনো বুদ্ধিদীপ্ত ভাষাকে তরল করে ফেলেননি। স্থূলতারও আশ্রয় নেননি। বরং শব্দচাতুর্য দিয়ে পাঠকের মন রাঙিয়েছেন। প্রবন্ধের একটা ঋজু এবং দৃঢ় কাঠামোও তিনি নির্মাণ করেছিলেন। তাঁর প্রবন্ধে যেমন বিষয়বস্তু সম্পর্কে তথ্য এবং বিশ্লেষণ থাকতো, তেমনি তার মধ্যে দেখা যেতো তাঁর একেবারে নিজস্ব স্টাইল।

    রবীন্দ্ৰনাথ বাংলা ভাষায় পরিবর্তন এনেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্রের চেয়েও বেশি। তিনি তাকে যে-সরলতা এবং সৌন্দৰ্য দান করেছিলেন, সেটাই অতঃপর অন্য লেখকরা গত আশি নকবুই বছর ধরে অনুসরণ করেছেন। কিন্তু তিনি সাহিত্যের অন্যান্য ধারার প্রভূত উন্নতি করলেও, আমার ধারণা, পরোক্ষভাবে প্রবন্ধ সাহিত্যকে দুর্বল করেছিলেন। বঙ্কিমচন্দ্ৰ প্ৰবন্ধকে যে-কাঠামো এবং দৃঢ়তাপূর্ণ ভাষা দিয়েছিলেন, রবীন্দ্রনাথ তাকে অনেকটাই দুর্বল করে ফেলেছিলেন। তাঁর চলিত রীতির গদ্য এবং ব্যক্তিগত ও কাব্যিক প্ৰবন্ধ লেখার স্টাইল দিয়ে বাংলা প্ৰবন্ধ সাহিত্যকে উন্নতির পথ থেকে বিচলিত করেছিলেন। তবে অসামান্য প্ৰতিভাবান লেখক হিশেবে তিনি তার ভাষা এবং স্টাইল দিয়ে যা পেরেছিলেন, কম ক্ষমতাশালী লেখকের জন্যে তা ছিলো চোরাবালিতে পা দেওয়ার মতোন। বাংলা আনুষ্ঠানিক ভাষা এখন সেই চোরাবালিতেই ডুবে যাচ্ছে।

    প্রমথ চৌধুরী লিখেছিলেন, কলমের ভাষাকে মুখে দিলে মুখে কালি লেগে যায়। তাঁর এ কথার মধ্যে সত্য আছে ঠিকই, কিন্তু এর পুরোটা সত্য নয়। তিনি নিজেও সত্যিকার মুখের ভাষায় লিখতে পারেননি। অথবা তিনি যে-ভাষায় লিখেছিলেন, তা সম্পূর্ণ বর্জন করে তিনি প্রতিদিন কথাবার্তা বলতে পারেননি। আসলে মানুষ একএকটা পরিবেশে এক একটা ভাষায় কথা বলে। পরিবার-পরিজনের মধ্যে প্রতিদিন যে-কাজের ভাষা ব্যবহৃত হয়, বন্ধুদের সঙ্গে মননশীল আলোচনায় সে ভাষা চলে না। একটা খবর যা দিয়ে বলা যায়, সে ভাষায় একটা তত্ত্ব আলোচনা করা যায় না। যেভাষায় গল্প লেখা যায়, তা দিয়ে দার্শনিক প্ৰবন্ধ রচনা করা সম্ভব নয়।

    সাম্প্রতিক কালে বঙ্কিমচন্দ্ৰ অথবা রবীন্দ্রনাথের মতো কোনো শিল্পী আমাদের পথ দেখাচ্ছেন না। সাধারণ পাঠকও এখন আর প্রামাণ্য সাহিত্য পড়েন না। স্কুলকলেজেও ভাষা শিক্ষার মান নিচে নেমে গেছে। সাধারণ মানুষ যা এখনো মাঝেমধ্যে পড়েন, তা হলো সংবাদপত্র। ফলে সংবাদপত্রের ভাষাকেই তারা আদর্শ ভাষা হিশেবে গ্রহণ করছেন। সৎ সংবাদপত্র চিরদিনই একটা সামাজিক দায়িত্ব পালন করেছে। আমার বিশ্বাস, বাংলা ভাষার মান যখন লক্ষণীয়ভাবে নেমে যাচ্ছে, সেই সংকটের সময়ে সংবাদপত্রের উচিত ভাষাকে আবার খানিকটা শক্তি দেওয়া; আনুষ্ঠানিকতা দেওয়া; এবং বানানকে প্রামাণ্য রূপ দেওয়া।

    (দৈনিক স্টেটসম্যান, ফেব্রুয়ারি, ২০০৬)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআশার ছলনে ভুলি – গোলাম মুরশিদ
    Next Article প্রবন্ধ সংকলন – গোলাম মোস্তফা

    Related Articles

    গোলাম মুরশিদ

    আশার ছলনে ভুলি – গোলাম মুরশিদ

    August 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }