Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নারী, সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু

    পূরবী বসু এক পাতা গল্প342 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কিছু অবাঞ্ছিত শব্দযুগল

    কয়েক শতাব্দী আগে যেমন ছিল, আজো একশ’ বছর পরেও, তেমনি অনায়াসে অবলীলাম কিছু কিছু ভুল, নিষ্ঠুর এবং অবিবেচনাপ্রসূত শব্দ, যেগুলো নিঃসন্দেহে নারীবান্ধব নয়, আমরা ক্রমাগত ব্যবহার করে যাচ্ছি। বিশেষ করে সংবাদ পরিবেশনায়। আজ কেবল তেমন তিন জোড়া শব্দ নিয়েই কথা বলব যা সমাজে নারীর অবমূল্যায়নের শুধু পরিচায়ক নয়, আমাদের—বিশেষ করে পুরুষকুলের-সংকীর্ণ ও বিকৃত মূল্যবোধ এবং অসহিষ্ণু ও অসচেতন দৃষ্টিভঙ্গিরও উদাহরণ। এ সম্পর্কে সচেতনশীলতার এবং এই অবাঞ্ছিত শব্দ প্রয়োগের আশু সমাপ্তি দরকার।

    কুমারী মাতা :

    কুমারী মাতৃত্ব ঘটেছিল যিশুর মাতা মেরীর ক্ষেত্রে-অন্তত ধর্মগ্রন্থ বাইবেলে তাই লেখা রয়েছে। এছাড়া ‘কুমারী মাতৃত্বের’ নজির খুব একটা দেখা যায় না। আধুনিক কালে কৃত্রিম প্রজনন ব্যবস্থার দ্রুত অগ্রগতিতে যদিও কৌমার্য বজায় রেখে সন্তানধারন অন্তত প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব। কিন্তু ফাঁসিতলার ময়নার কুমারী মাতৃত্ব নিয়ে যখন খবরের কাগজে সংবাদ বেরোয়, স্বভাবতই প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে, এই সংবাদের গুরুত্ব কতখানি? সৃষ্টির গোড়া থেকে যে প্রক্রিয়া চলে আসছে, সংবাদ হিসেবে খবরের কাগজে স্থান পাবার যোগ্যতা সে কী করে অর্জন করল যদি না “হলুদ সাংবাদিকতা”র মোহ একটা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে সেখানে? এই সংবাদের নেপথ্য কাহিনী নিরবধি স্থির, এক ও অদ্বিতীয়। একই ঘটনার যুগে যুগে পুনরাবৃত্তি। অর্থাৎ নরনারীর স্বাভাবিক আকর্ষণের পরিণতি হিসেবে এক যুগলের শারীরিক মিলন ঘটেছিল কন্যাটির বিবাহপূর্ব কালে। কিন্তু পুরুষটি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে অক্ষম হয় অথবা অস্বীকার করে যখন তার প্রেয়সী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। ফলে সমাজে “কলঙ্ক” নামক গভীর বোঝা ও ঘৃণা নিয়ে মেয়েটি আখ্যায়িত হয় “কুমারী মাতা” হিসেবে। কিন্তু মেয়েটি তো আসলে কুমারী নয়! সে অবিবাহিত। তার কৌমার্য হরণ করেই যে লাপাত্তা হয়েছে তার প্রেমিক অথবা সাধুবেশে এখন প্রাক্তন অভিজ্ঞতা বেমালুম অস্বীকার করছে সে। ফলে সংবাদ যদি করতেই হয়, সে পুরুষটি প্রেমের নামে প্রতিশ্রুতি দিয়ে, আশ্বাস দিয়ে, বিয়ের লোভ দেখিয়ে কন্যাটির সঙ্গে শরীর শরীর খেলেছিল, তাকে নিয়েই সংবাদ করা উচিত, মেয়েটিকে নিয়ে নয়। কিন্তু তাতো কাগজের কাটতি বাড়াবে না। ফলে লিখতে হয় মেয়েটিকে নিয়েই। আর তা যদি লিখতেই হয়, অন্তত সঠিকভাবে কেন লিখি না আমরা? কেন বলি না তাকে “অবিবাহিতা মা”! “কুমারী মাতা” ব্যবহার খুবই দৃষ্টিকটু যদিও পুনঃ পুন ব্যবহারে কুমারী আর অবিবাহিতার পার্থক্য যেন দ্রুত ঘুচে যাচ্ছে। এমনকি অনেক অভিধানেও এ দুটি শব্দকে অভিন্ন ও সমার্থক হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। যদি চিন্তায় চেতনায় ব্যবহারেও এ পার্থক্য যদি ঘুচে যেত তবে কতই না ভালো হত। কিন্তু তাতো ঘটছে না। আমার কথা এই যে আগামী পঞ্চাশ বছরে আমরা অবশ্যই দেখতে পাব অবিবাহিতা মায়েরা আর এদেশে চাঞ্চল্যকর সংবাদ সৃষ্টি করতে পারছে না যেমন করছে না পাশ্চাত্যে। কেননা সেরকম কিছু সাহসী ও স্বাবলম্বী অবিবাহিতা মেয়ে শীঘ্রই এগিয়ে আসবে যারা গর্ব সহকারে তাদের একক পরিচয়েই সন্তানকে পরিচিত করাবে, পিতৃ পরিচয়হীনতা জরায়ুতে বেড়ে ওঠা সন্তানের জন্ম যেমন রোধ করতে পারে না, শিশুটির বড় হয়ে ওঠা, মানুষ হবার পথেও তা অন্তরায় হতে পারে না। নিজের রক্ত মাংস পুষ্টি দিয়ে দীর্ঘ নটি মাস ধরে তিল তিল করে গড়ে তোলা সন্তান মায়েরই সম্পদ। আর পিতা? তার অস্তিত্ব মা স্বীকার করলে আছে— নয়ত নেই।

    নারী কেলেঙ্কারি :

    সংবাদপত্র খুললেই “নারী কেলেঙ্কারি”তে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা অহরহ চোখে পড়ে। চোখে পড়ে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও। “নারী কেলেঙ্কারি” বলতে প্রায় সব সময়েই বুঝানো হয় বিবাহ বহির্ভূত কোন যৌন সম্পর্ককে। কিন্তু ঘটনাটিকে “নারী কেলেঙ্কারি” নাম দিয়ে নারী সে সমাজের একটি দুষ্ট গ্রহের মতো অবস্থানে রয়েছে, এবং তার প্রভাব ও সাহচর্য সে কতটা মারাত্মক ও ক্ষতিকর সেটাই প্রকারান্তরে বলা ও বুঝানো হয়। ব্যাপারটিকে “নারী কেলেঙ্কারি” না বলে “যৌন কেলেঙ্কারি” বলতে বাধাটা কোথায়? এখন “নারী কেলেঙ্কারি”র কথা কটি শুনেছেন আপনারা (যদিও তা শোনা অবশ্যই সম্ভব) যেখানে কেলেঙ্কারি (যদি এ ধরনের ঘটনাকে আদৌ কেলেঙ্কারি বলা চলে। আমার মতে অবশ্য দুটি পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির পারস্পরিক সম্মতিতে যা ঘটে, তা শুধু তাদের দু জনের ব্যাপার। কেলেঙ্কারির কোনো স্থান নেই সেখানে। সমাজের চোখে তা গ্রহণযোগ্য না হলে চোখ বুজে থাকুক সমাজ। ভালোবাসার জয় হোক পৃথিবীতে। কিন্তু এটা নিতান্ত আমার ব্যক্তিগত মত। এর সাথে একমত হতে কাউকে বলছি না আমি) ঘটেছে কেবল নারীতে নারীতে? সেটা যে সম্ভব নয়, একথা বলছি না কিন্তু সংখ্যায় তা খুবই নগণ্য হবে সন্দেহ কি? অবধারিতভাবেই সেখানে সমান অথবা অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে একজন পুরুষই। অথচ ঘটনাটি সনাক্ত হবে “নারী কেলেঙ্কারি” হিসেবে। আর সমস্ত নারীকুল মুখ বুজে সহ্য করে যাবে এ অপমান। সেই প্রাচীনকালের মুনি ঋষিদের সময় থেকে আজ পর্যন্ত যে ধারাবাহিক বিশ্বাস সমাজের শিকড়ে গভীরভাবে প্রোথিত যে নারী মানেই উটকো ঝামেলা, নারী মানেই কামনার আগুন, নারী মানেই পরিত্যাজ্য, “প্রলোভন”, “নারী কেলেঙ্কারি” সেই ধারণাকেই নতুন করে উস্কে দেয়। ফলে সংবাদ মাধ্যমের কাছে আমাদের প্রত্যাশা আজ থেকে সংবাদের পাতায় “নারী কেলেঙ্কারি”তে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা আর প্রকাশিত হবে না। যদি কেলেঙ্কারি বলে আখ্যা দিতেই হয় “তথাকথিত অবৈধ সম্পর্ককে, আমরা “যৌন কেলেঙ্কারি” বলেই তাকে আখ্যা দেব।

    মেয়েলি ব্যাপার :

    “মেয়েলি” শব্দটার সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় ঘটে খুব ছোটবেলায়। আমার মার অতি প্রিয় ও পুরনো একখানা গ্রন্থ ছিল। খবরের কাগজ দিয়ে যত্ন করে মলাট দেয়া ভেতরের পৃষ্ঠাগুলো বাদামি ও ঝুরঝুর ভঙ্গুর হয়ে পড়া জীর্ণ বইখানি অতি যত্নে মা প্রায়শই বহন করে বেড়াত। শুধু ঘরে নয়, পাড়া প্রতিবেশীর বাড়িতেও ঐ বইখানি মাকে ব্যবহার করতে দেখেছি। আশেপাশের আর কারো বাড়িতে ওরকম দ্বিতীয় কোনো গ্রন্থ ছিল না বলে আমার মায়ের এ বইখানির কদর ছিল খুবই বেশি। বইটির নাম, “মেয়েলি ব্রতকথা”। কতরকম ব্রতের যে কাহিনী বর্ণিত ছিল সেখানে সব আজ আর মনে পড়ে না। যমপুকুরের ব্রত, তারা ব্রত, জন্মত্রয়োতীর ব্রত, নাটাই মঙ্গলচণ্ডীর ব্রত, আরো কত কী! এইসব কাহিনীতে থাকত, কেমন করে গৃহবধূর গভীর ত্যাগ তিতিক্ষা, বিশেষত ঐ বিশেষ ব্রতটির নিষ্ঠার সঙ্গে নিয়মিত পালন গৃহের কল্যাণ ও উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি ঘটিয়েছে। মাকে তখন মাঝে মাঝে জিজ্ঞেস করতাম, অন্য মায়েরা তো এত ব্রত করে না! তারাও তো সকলে ভালো আছে! আমার মাকে কেন এত ব্ৰত করতে হয়? কেন থাকতে হয় উপোস সপ্তাহে দু-তিন দিন। মা হেসে সরলভাবে যা বলতো তার অর্থ হল, কোন ব্রতটা করতেই হবে, কোনটা না করলেও চলে সেটা নির্ণয় করা বড়ই কঠিন। ফলে যতটা সম্ভব সব কিছুই করতে চায় মা পরিবারের কল্যাণের জন্যে। বলা তো যায় না। বাড়তি কল্যাণ যদি তাতে নাও আসে, ক্ষতি তো কিছু হবে না! এ যেন এ্যালোপ্যাথিক ওষুধের ওপর হোমিওপ্যাথি খাওয়ালো। উপকার যদি না হয়, অপকার তো কিছু হবে না! অথবা চাঁদাবাজদের দৌরাত্মের কাছে পুরোপুরি আত্ম সমর্পণ। কাকে দিতেই হবে চাঁদা, কে না দিলে প্রাণে মেরে ফেলবে, কাকে অগ্রাহ্য করা যাবে, কে মোটামুটি নিরাপদ তা যেহেতু নানা সেই, চাঁদা চাইলেই দিয়ে দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ। আজ বুঝি, আমার মা তেমনি চাঁদাবাজদের ধোঁকাতেই পড়েছিল। সেটা কমবেশি তখনো বুঝতাম। বাবার সঙ্গে এ ব্যাপারে চোখ চাওয়াচাওয়ি করে হেসেছিও আমরা। কিন্তু যে জিনিসটি তখন বুঝি নি অথবা মনে আসে নি, তাহলো, পরিবারের মঙ্গলের জন্যে ব্রতকথা কেন কেবলই “মেয়েলি” হতে হবে? “পুরুষালি” ব্রতকথার অস্তিত্ব কেন নেই? তাহলে কি পরিবারের কল্যাণ ও মঙ্গলের সকল দায়িত্ব শুধু মেয়েদেরই তা না হলে পুরুষদের ব্রত করতে হয় না কেন?

    এ প্রশ্নের উত্তর পেয়েছি অনেক পরে, যখন গভীরভাবে ভেবে দেখেছি “মেয়েলি” শব্দটির প্রয়োগ হয় কোথায় এবং কীভাবে। এই শব্দটিকে প্রধানত তিনটি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। ১. প্রথমত পরিবার, প্রতিবেশী অথবা বন্ধুর সঙ্গে কলহে নারীর ভূমিকা বা অবস্থান বুঝাতে—নিন্দার্থে। কিংবা নারীতে নারীতে একান্তে কথোপকথ বা ভাব বিনিময়কে ব্যঙ্গ করে। ২. দ্বিতীয়ত কিছু লোকাচার বিশেষ করে অনুষ্ঠানদিতে কোন কোন গৌণ কর্মকাণ্ড বোঝাতে। ৩. তৃতীয়ত ও মূলতঃ “মেয়েলী” শব্দটির ব্যবহার হয়ে থাকে মেয়েদের শারীরিক ব্যাপার বা সমস্যা বোঝাতে। যেমন, মাসিক, গর্ভধারণ, গর্ভপাত, প্রসব, স্তন্যদান, স্তন বা জরায়ুর অসুখবিসুখ, গর্ভরোধের প্রক্রিয়া। মানব জীবনের তথা সৃষ্টির ধারাবাহিকতায় এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তরগুলোকে “মেয়েলি” বলে আখ্যায়িত করে পুরুষ এইসব জরুরি ও মৌলিক বিষয়গুলো থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে তার নিজস্ব দায় দায়িত্বকে অস্বীকার করার চেষ্টা করেছে বরাবর। গর্ভধারণ ও স্তন্যদান কেবল নারীদেহে সম্ভব এ সত্য এই ব্যাপারগুলোকে একান্ত “মেয়েলি” করে দিতে পারে না। কেননা যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নারী দেহে এ ঘটনাগুলো সঞ্চারিত হয়, তাতে পুরুষের ভূমিকা থাকে প্রধান—প্রধান না হলেও অন্তত সক্ষম সমান। ফলে “মেয়েলি ব্যাপার” বলে সৃষ্টির এই মৌলিক সোপানগুলো উত্তরণের ভার একা মেয়েদের ওপর চাপিয়ে দেয়া সুবিধাবাদ ও দায়িত্বহীনতা ছাড়া আর কিছু নয়। উন্নত দেশগুলোতে একটি গর্ভবতী মেয়ে যখন প্রাকৃতিক প্রসবের ব্যাপারে নিজেকে মানসিক ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত করার জন্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে ক্লাশে যায়, তার সাথে এক হাতে একটি বালিশ আরেকহাতে গর্ভবর্তী সঙ্গিনীর হাত ধরে পাশাপাশি যায় তার স্বামী বা প্রেমিক। সন্তান জন্মের সময়েও সে থাকে লেবার রুমে, এমন কি প্রসব কক্ষে। ফলে সন্তান জন্মের মতো একটি আনন্দকর ও উত্তেজনাকর মুহূর্ত যৌথ অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়েছে আজ। সন্তানের জন্ম দিতে মেয়েদের যে ভয়ঙ্কর শারীরিক কষ্ট হয়, এটা সবটা সময় সামনে থেকে দেখার পর মেয়েদের প্রতি সম্মান ও দরদও বাড়ে পুরুষের। এছাড়া গর্ভপাতে (ইচ্ছাকৃত বা প্রাকৃতিক), স্তন্যদানে পরিবার পরিকল্পনার পদ্ধতি নির্বাচনেও পুরুষ সঙ্গিটি নারীকে সহযোগিতা করে। তাই পাশ্চাত্যে এগুলো আর “মেয়েলি” ব্যাপার নেই। মানবিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের দেশে এ উত্তরণটা ঘটে নি। এর সরাসরি কুফল আমরা দেখতে পাই স্বাস্থ্যক্ষেত্রে পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে। জনস্বাস্থ্যের ব্যাপারে আমাদের দেশ কিছু কিছু দিকে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেলেও মাতৃত্বজনিত মৃত্যুতে আমরা এখনো ভয়ানক ভাবে পিছিয়ে রয়েছি। নবজাতক ও শিশু মৃত্যুর হার গত বিশ বছরে অনেক কমে গিয়েছে আমাদের দেশে। পরিবার পরিকল্পনার সাফল্য তো সর্বজনবিদিতই। আমাদের গড় আয়ু বেড়েছে বেশ খানিকটা। কিন্তু এখনো প্রসব করতে গিয়ে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে তিনটি মেয়ে মারা যাচ্ছে আমাদের দেশে। বছরে মারা যাচ্ছে আঠাশ হাজার। আমাদের মাতৃত্বজনিত মৃত্যুর হার ইউরোপের দেশগুলো থেকে একশ’ গুণ বেশি। এমনকি প্রতিবেশি দেশ শ্রীলঙ্কা অথবা দক্ষিণ ভারত থেকেও পাঁচ ছয়গুণ বেশি। আশেপাশের দেশগুলোর মধ্যে আরেকটি যে দেশে মাতৃত্বজনিত মৃত্যুর হার আমাদের মতোই অথবা আমাদের চাইতেও কোনো কোনো অঞ্চলে বেশি, সে দেশটির নাম পাকিস্তান। আর্থিক অবস্থা তাদের অপেক্ষাকৃত ভালো হওয়া সত্ত্বেও সে সমাজে নারীর অবস্থানের কথা আমরা সকলেই জানি। আর তাই অবাক হই না যখন মাতৃত্বজনিত মৃত্যুর হারকে আজ একটি জাতির উন্নয়ন তথা নারীর অবস্থানের মাপকাঠি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এ ধরনের মৃত্যু আমাদের দেশে এত বেশি হবার অন্যতম বড় কারণ “মেয়েলি ব্যাপার” বলে শাশুড়ি ও দাই জটিলতা টের পাবার পরও প্রসূতি নারীটিকে ঠিক সময় হাসপাতালে নিয়ে যাবার কথা ভাবে না বা নেবার গুরুত্বটা বুঝতে পারে না। স্বামী বা শ্বশুরও “মেয়েলি ব্যাপার” বলে বিবেচনার ভারটা হয় ছেড়ে দেয় গৃহের উপস্থিত নারীদের হাতে, অথবা নিজেদের হাতে তুলে নিলেও শেষ পর্যন্ত হাসপাতালে পুরুষ ডাক্তারের কাছে কুলবধূর প্রসবের চিন্তাটা গ্রহণযোগ্য করে তুলতে পারে না। এই “মেয়েলি ব্যাপার” এর কারণেই বহু মেয়ের মৃত্যু হয় গোপনে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গর্ভপাত ঘটাতে গিয়ে, জরায়ু ও স্তন ও ডিম্বাশয়ের অসুখ চেপে রেখে। “মেয়েলি ব্যাপার” বলে যত হেলাফেলাই করা যাক না কেন, মনে রাখতে হবে একটি মায়ের মৃত্যু কিন্তু শুধু একটি “মেয়েলি” মৃত্যু নয়। মতলবের একটি বৃহৎ গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে যে প্রসবের সময় যেসব মা মারা যায় তাদের সন্তানরা যদি জীবিত অবস্থায় জন্ম গ্রহণও করে চারভাগের তিনভাগ বাচ্চাই জন্মের প্রথম বছরের মধ্যেই মারা যায়। এছাড়া অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে পরিবারে বাবা মারা গেলে দশ বছরের অনুর্ধ শিশুদের মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ছয়টি করে বেড়ে যায়। কিন্তু পরিবারে মা মারা গেলে দশ বছরের নীচে ছেলেদের মৃত্যুর হার বাড়ে এক হাজারে ৫০টি ও আর দশ বছরের নীচের মেয়েদের মৃত্যুর হার বাড়ে এক হাজারে ১৪৪টি। এছাড়া বাচ্চাদের স্বাস্থ্য পুষ্টি, পড়াশুনা, স্বামীর কাজে উপস্থিতির হার, কাজের উন্নতি সবকিছুই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় সংসারে হঠাৎ করে মায়ের মৃত্যু ঘটলে। “মেয়েলি” ব্যাপার বলে আমাদের সমাজে মেয়েদের প্রসব এবং অসুখ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে ক্রমাগত অবহেলা করার কারণেই উন্নতদেশগুলোতে মেয়েদের গড় আয়ু পুরুষের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি হওয়া সত্ত্বেও আমাদের দেশে আজো তা পুরুষদের চেয়ে নীচে।

    সবশেষে তাই বলব, কৃত্রিম প্রজনন প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া “কুমারী মাতৃত্বের” মতো আজব ঘটনা সোনার পাথর বাটির মতই অবাস্তব ব্যাপার। তেমনি “নারী কেলেঙ্কারি” ও “মেয়েলি ব্যাপার” এর অস্তিত্বও শুধুমাত্র টিকে রয়েছে পৌরুষবাদের অমানবিক দাপটে, নারীর অসচেতনতায় ও সমাজের নারীর প্রতি সামগ্রিক অবমূল্যায়নে। ভবিষ্যতে এই তিনটি শব্দ যুগলের ব্যবহার স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে এই আশা। তবে নারীর প্রতি অসংবেদনশীল ও অপমানকর শব্দ প্রয়োগ, মন্তব্য বা কটাক্ষ কেবল এই তিন শব্দযুগলেই সীমাবদ্ধ নয়। এরকম রয়েছে আরো বহু শব্দ ও বাক্যবন্ধন যা সর্বাংশে পরিত্যাজ্য ও অবাঞ্ছিত বলে বিবেচিত হবে পুরুষ-নারী উভয়ের কাছেই, এটাই প্রত্যাশা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)
    Next Article হে সময় অশ্বারোহী হও – পূর্ণেন্দু পত্রী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }