Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নারী, সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু

    পূরবী বসু এক পাতা গল্প342 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাশ্চাত্যে কর্মজীবী বিবাহিতা বাঙালি

    বিদেশে কর্মজীবী বাঙালি নারীর দ্বৈত ভূমিকা কেবল চাকরি আর ঘরকন্না নিয়ে নয়। যদিও তার সময়ের প্রায় পুরোটাই এই দুই বিপরীতমুখি জগতেই মূলত কাটে, চাকরি আর ঘরকন্না ছাড়াও তার জীবনে রয়েছে আরো বহুরকমের টানাপোড়েন। প্রতি মুহূর্তে তাকে যেসব দ্বন্দ্বের মুখোমুখি হতে হয, সেসব জটিলতা ও দ্বন্দ্বের মূলে রয়েছে পরস্পরবিরোধী কতগুলো বিষয় বা শক্তি : যেমন, প্রাচ্য-পাশ্চাত্য, ঘর-বাহির, স্বামী- সন্তান, বাংলাভাষা-বিদেশীভাষা, ভাতমাছ-হ্যামবার্গার, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ইত্যাদি। এসব সংঘাতের কারণ কখনো আর্থসামাজিক, কখনো মনোজাগতিক। কখনো বাহ্যিক- কখনো অন্তর্গত। কখনো বা তা কেবলই একাকিত্ব বা নিভৃতির সংকট।

    কর্মজীবী বিবাহিত নারীর চিরন্তন সমস্যার কথা বহুকাল ধরেই বিস্তৃতভাবে আলোচিত হয়ে আসছে প্রাচ্যে পাশ্চাত্যে সর্বত্র। এ সংকট সকলেরই জানা। বাঙালি নারীর জন্য এ সমস্যার রকম আরো একটু ভিন্ন ও তার তীব্রতা আরো বেশি প্রকট এই কারণে যে বাঙালির পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক আবহাওয়া নারীর উপর আলাদা কতগুলো দায়িত্ব ও প্রত্যাশার বোঝা চাপিয়ে দেয়, যা অন্য সংস্কৃতি বা অন্য দেশে, বিশেষ করে পাশ্চাত্যে, এতটা প্রবল নয়। এর উপর মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মত চেপে বসে প্রবাসজীবন। প্রবাসী বাঙালি চাকুরিজীবী গৃহিণীর সমস্যা তাই ষোলকলায় পূর্ণ।

    এ ধরনের সমস্যার অন্যতম কারণ হলো এসব দেশে অধিকাংশ বাঙালি পরিবারই প্রথম প্রজন্মের অভিবাসী। প্রায় সকলেই বিদেশে এসেছেন ভাগ্যান্বেষণে-অপেক্ষাকৃত উন্নত জীবনের প্রত্যাশায়। প্রবাসী জীবনের মৌলিক কতোগুলো সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা দেশে বসে ভোগ করতে পারলে প্রায় কেউই এদেশে থেকে যেতেন না। ফলে বিদেশে-সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করা সত্ত্বেও-কর্মজীবনে সারাদিন ধরে পশ্চিমাদের সাথে উঠাবসা করলেও বাঙালির পারিবারিক জীবন-বিশেষ করে দাম্পত্য জীবন আজো যেন ঠিক স্বদেশের জীবনেরই প্রতিচ্ছবি। অথচ দেশের মত ঘরের কাজের জন্য কোনো সাহায্য সহযোগিতা এখানে একান্তই দুর্লভ। একটি কাজের মেয়ে কর্মজীবী নারীর জীবনের চেহারা অনেকটাই পাল্টে দিতে পারে। সারাদিন পর কর্মক্লান্ত দেহটাকে ঘরে টেনে আনার পর এক কাপ তৈরি গরম চায়ের পরিবেশনা কতটা উদ্দীপক, যারা দেশে এবং বিদেশে দু জায়গাতেই কাজ করেছেন তারা ভালোভাবেই তা বুঝতে পারবেন। কাজের মেয়ে ছাড়াও ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও বন্ধু বান্ধবদের অভাব এই প্রবাসের সংগ্রামী জীবনকে করে তোলে আরো কঠিন, একঘেঁয়ে ও আনন্দহীন। ইচ্ছে হলেই এক বা দুই দিন মা, বোন বা ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে আরাম করে আসা যায়, এ সম্ভাবনাও অনেক মানসিক ও শারীরিক শ্রান্তি দূর করে দেয়। কখনো কখনো প্রকৃত অর্থে সেটা দূরও হয় স্বদেশে, যা এখানে প্রায় অসম্ভব। ইচ্ছে হলেই ধপধাপ করে কোনো বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে দরজার টোকা দেয়ার মতো রেওয়াজ নেই এখানে। সেটা দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা এবং মূল্যবোধের পার্থক্য, দুই কারণেই। অধিকাংশ বাঙালি স্বামী প্রবাসে চারদিক দেখে শুনে বুঝেও বাইরের জগতকে বাইরে ফেলে রেখে ঘরে ঢুকে আবহমান বাঙালি জীবন ও সংসারেরই প্রত্যাশা করেন। অর্থাৎ দু জনেই একই সঙ্গে সারাদিন বাইরে কাজ করে এলেও ঘরে এসে স্ত্রীকেই গার্হস্থ্য কর্মকাণ্ডের সিংহভাগ দায়িত্ব বহন করতে হয়। উপার্জন করে যে স্বাবলম্বিতা ও আত্মবিশ্বাস অর্জন করে নারী, প্রত্যাহিক জীবনের হাড়ভাঙা খাটুনি ও অতি ব্যস্ততার কারণে তার আস্বাদ পুরোপুরি নিতে সমর্থ হয় না সে। তার ওপর আজকাল বড় বড় শহরে ইলিশ, শোল শুধু নয়, কচুর লতি, এচোর থেকে শুরু করে মোচা, পটল, সাতকড়া, পান সবই যখন পাওয়া যায়, তাহলে সারাদিন খাটুনির পর একটু ভালোটা মন্দটা রসিয়ে রসিয়ে খেতে দোষ কি? দোষ শুধু এখানেই যে মুখরোচক, পরিচিত ও কাঙ্খিত সে সব খাবার আস্বাদনের ব্যবস্থা সমস্তটাই করতে হয় ঘরের কর্ত্রীকেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। বড় জোড় বাজারটা এনে দিতে পারেন গৃহস্বামী। সবসময়ে আবার সেটাও হয় না। যেহেতু হাতে বাজার করার পয়সা রয়েছে গৃহিণীর, গাড়ি চালাতেও জানে সে, তাহলে দেখেশুনে বাজারটাও করে আসলে ক্ষতি কি বিশেষ করে ও পথেই যখন ছেলেকে পিয়ানো লেসন শেষ করে নিয়ে আসতে হয় তাকে। সন্তানরা, যারা এদেশে জন্মেছে বা বড় হচ্ছে, তাদের খাদ্যের রুচি ও চাহিদা স্বামী স্ত্রীর চাইতে আলাদা বলে সপ্তাহে অন্ততঃ দু তিন দিন প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের দুই ধারার রান্নার ব্যবস্থাই করতে হয় গৃহকর্ত্রীকে। খাবার দাবার তৈরি ও পরিবেশন ছাড়াও গৃহে প্রায় সর্বক্ষণই চলে স্বামী ও সন্তানদের দুই বিপরীতমুখি দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে সমঝোতা বিধান ও তাদের ভিন্ন ভিন্ন আকাঙ্ক্ষা মেটাবার প্রাণপন চেষ্টা। স্বামী চায় আধুনিক বাংলা গান শুনতে অথবা মাধুরী দীক্ষিত কিংবা ঐশ্বরিয়ার ছবি দেখতে। সন্তান চায় লর্ড অফ দা রিংস দেখতে অথবা ব্রিটনী স্পিয়ার্স শুনতে। বাড়ি বড় হলে প্রত্যেকের আলাদা ঘর ও যন্ত্রপাতি থাকলে তেমন সমস্যা হয় না, তা না হলে সংঘাত অনিবার্য। এছাড়া সপ্তাহে একবার বা সপ্তাহান্তে সন্তানদের লিটললীগ বেইসবল অথবা ব্যালে নাচের স্কুলে নিয়ে যাওয়া অথবা জন্মদিনের পার্টি কিংবা রাতে বন্ধুদের ঘুমানোর আয়োজনে পাঠানো, উপহার কেনা ও তার বাঁধাছাঁদা করা সবই মায়ের দায়িত্ব, এই সবই ছোট খাটো ব্যাপার। গৃহকর্তার মূল্যবান সময় অপচয় করার জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ নয়।

    প্রবাসী কর্মজীবী নারী সন্তান ধারণ, সন্তান প্রসব, সন্তান লালন-পালনের মতো জীবনের মৌলিক অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলো পার করেন নিকট আত্মীয়স্বজনের অনুপস্থিতিতে-ঘনিষ্ঠ বান্ধবীর উষ্ণ সান্নিধ্য ব্যাতিরেকে। ঘরের সাহায্য কর্মীর সাহায্য সহযোগিতা ছাড়া কর্মজীবী নারীর পক্ষে এসব মানবিক ও জৈবিক দায়িত্ব পালন করা শুধু শারীরিক ধকল সহ্য করার ব্যাপার নয়, মাঝে মাঝে গভীর মানসিক পীড়ারও কারণ। কয়েক সপ্তাহের অবুঝ দুগ্ধ পোষ্য শিশুকে বেবি সিটার বা ডে-কেয়ারে রেখে যখন মাকে কাজে যেতে হয়, বিশেষ করে অসুস্থ শিশুকে রেখে কাজে যাওয়া যদি জরুরি হয়, তখন মায়ের মধ্যে যে প্রচণ্ড অপরাধবোধের সৃষ্টি হয়, কাজ শেষে ঘরে ফিরে এসে সারারাত ধরে শিশুর অনিদ্র-সেবা করলেও তা লাঘব হয় না। প্রবাসী কর্মরত নারী জীবনধারন করতে তাই হিমসিম খায়। ভেবে পায় না সন্তান সামলাবে না চাকরি সামলাবে। জীবন ও জগতের প্রয়োজনে অবশেষে দুটোই সামলায় সে, সবসময় নিপুণ জাগলারের মতো করে না পারলেও। তবে তা করতে গিয়ে যে শারীরিক ও মানসিক ধকল সহ্য করে কর্মজীবী নারী, প্রবাসের আর্থিক নিশ্চয়তা, সামাজিক শৃঙ্খলা, সন্তানের উঁচু মানের পড়াশুনার সুযোগ, উন্নতর চিকিৎসার আশ্বাস কোনো কিছুই তার জন্যে যথেষ্ট নয়।

    পশ্চিমী কর্মজীবী নারীরা ঘর ও চাকরি সামলিয়েও আবার বিনোদনের জন্য কিছু সময় রাখে যখন তারা হয় দূরপাল্লায় বেড়াতে বেরোয় অথবা সিনেমা, নাটক, কনসার্ট বা খেলা দেখে নিজেকে চাঙ্গা করে নেয়। মাঝে মধ্যে ভালো কোনো রেস্টুরেন্টে খাওয়া, মাঝে মধ্যে হোটেল বা রেস্টুরেন্টে গিয়ে রাত কাটানোও বিনোদনের অঙ্গ। দেশে কর্মজীবী মেয়েরাও আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে মাঝে মধ্যে বেড়িয়ে এসে, শরীর মনের ক্লান্তি দূর করে। পশ্চিমা মেয়েরা যখন বিনোদনের জন্য ঘরের বাইরে পা রাখে, তখন তারা এই প্রত্যাশাই করে যে তাদের খাবার দাবার পরিচর্যা অন্তত সাময়িকভাবে হলেও তাদেরকে নিজেদের করতে হবে না। তারা মনে করে মাঝে মাঝে সেবা ও পরিবেশন গ্রহণ করার অধিকার তাদেরও রয়েছে। অথচ কটা বাঙালি কর্মজীবী গৃহবধূর সেরকম সুযোগ হয়? টাকা জমিয়ে ঘর বাড়ি কেনা, ভালো আসবাব দিয়ে ঘর সাজানো অথবা কখনো কখনো বড়জোর দেশে বেড়াতে যাওয়া, এটাই অধিকাংশ সচ্ছল কর্মজীবী দম্পতির প্রত্যাশা-এটাই বিনোদন। স্বদেশে বাঙালি মেয়েরা জীবনের বৈচিত্রের অভাবে-একঘেঁয়েমী কাটাতে সেলাই করেন, এম্ব্রয়ডারি করেন, ফুলের বাগান করেন, গান শুনেন, ছবি আঁকেন। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে নতুন নতুন ফল, শবজি, মাছ সংগ্রহ করে তা স্বামী সন্তানের পাতে তুলে দিতেও তাদের একরকমের উত্তেজনা, আনন্দ ও তৃপ্তি হয়। অথচ বিদেশে বসে চাকুরে মেয়েদের না হয় সময় সেলাই করার, না সোয়েটার বোনার। বাগান বলতে এক চিলতে মাটি কারো কারো বাড়িতে থাকলেও বছরের আট মাসই ঠাণ্ডায় সেখানে কিছু গজানো সম্ভব হয় না। আর ঋতু ভিত্তিক ফলমূল, শাকসবজির জন্যে প্রতীক্ষা বা উত্তেজনাও অনুপস্থিত বিদেশে। সারাবছরই সবকিছু পাওয়া যায় এখানে, তার স্বাদ থাকুক আর নাই থাকুক। তাই বিনোদন বলতে মূলত পরিচিত বা বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়ার পার্টি। বড়জোর আড্ডার সঙ্গে কখনো কখনো গান-বাজনার আয়োজন। বড় বড় শহরগুলোতে অবশ্য আজকাল বিশেষ বিশেষ দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হয়। তবে সময়ানুবর্তিতা ও পেশাদারিত্বের অভাব, স্বজনপ্রিয়তা ও পক্ষপাতিত্বে ভরা এসব অনেক অনুষ্ঠানই শেষপর্যন্ত খুব উন্নতমানের বা উপভোগ্য হয়ে ওঠে না। তবু মাঝে মধ্যে সেখানে যেতে হয় বেঁচে থাকার রসদ কুড়াতে, অন্যদের সঙ্গ লাভ করতে। একঘেঁয়েমী থেকে মুক্তি পেতে। তবে সবচেয়ে পরিতাপের বিষয় এই যে-যে বিনোদনে প্রবাসী কর্মজীবী গৃহিণীরা মূলত অংশগ্রহণ করে থাকেন, সেই বন্ধুগৃহের সমাবেশ, সেটাও শেষপর্যন্ত সম্পন্ন হয় তারই মতো অন্য আরেকজন গৃহবধূ বা কর্মজীবী নারীর সারাদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের মাধ্যমেই। সেখানেও ঘরের কাজে গৃহস্বামী বা অতিথি পুরুষরা বড় একটা অংশগ্রহণ করেন না, গৃহকর্তা বড়জোর বাইরের ঘরের সাজসজ্জা ও বাড়ি ভেক্যুয়ুম করেন।

    দেশের গৃহিণী এবং কর্মজীবী মেয়েরা অনেকেই বিদেশে চলে আসার ব্যাপারে খুবই আগ্রহী এ কারণে যে বিদেশে মেয়েদের অবস্থা ও অবস্থান, এমনকি বাঙালি পরিবারেও, যথেষ্ট উন্নত বলে তাদের ধারণা। কথাটা সর্বাংশে মিথ্যে নয়। প্ৰধানত এদেশের সমাজ ব্যবস্থার কারণে এবং দ্বিতীয়ত গৃহে শ্বশুরবাড়ির প্রবীণ আত্মীয়স্বজনের হস্তক্ষেপের অনুপস্থিতিতে এখানে বাঙালি গৃহকর্ত্রীর সিদ্ধান্ত নেবার-বিশেষ করে আর্থিক ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবার ও তা কার্যকর করার ক্ষমতা অনেক বেশি। কেবল বাড়ি, গাড়ি, আসবাবপত্র কেনার ব্যাপারেই নয়, সঞ্চয়ের পন্থা নির্ণয়, ঋণগ্রহণ, সন্তানের কলেজ নির্বাচন, ডাক্তার বাছাই, দৈনন্দিন বাজারঘাট করা, সবকিছুতেই নারীর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে যা তার ক্ষমতায়নেরই চিহ্ন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তার এ ক্ষমতায়ন তার দায়িত্ব ও কর্মের পরিধি এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে ঘরকান্না ও চাকরি নিয়ে এমনিতেই মহাব্যস্ত নারীর জীবন আরো বেশি কর্মব্যস্ত হয়ে পড়ে। নিজের জন্য একান্তে একটু সময় ও আর অবশিষ্ট থাকে না। সুস্থ ও উপভোগ্য যৌন জীবনের জন্যে আবশ্যকীয় নির্ভার মন ও শ্রান্তিহীন সতেজ দেহও প্রায়শঃই অনুপস্থিত থাকে।

    এসব তো কর্মজীবী বাঙালি গৃহিণীর বাহ্যিক এবং পারিবারিক দিক। তার মানসিক-অন্তর্গত জগতটির খবর কিন্তু আরো শোচনীয়। তার নিভৃতির অভাব আর একাকিত্বের যন্ত্রণা সে ছাড়া কেউ জানে না। অনেকদিন আগে ঢাকায় বসে লিখেছিলাম, সমগ্র নারীকূলের ভিতরে একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে যদি আলাদা করে চিহ্নিত করতে হয়, যাদের একাকিত্বের বোঝা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি ভারী অথচ যার সন্ধান মেলে না অথবা যা দৃশ্যমান হয় না প্রাত্যহিক জীবনে-যাদের স্বাবলম্বিতা, স্বাধীন চিত্ত, মুক্ত মন ও সাহস তাদের অনুভূতির জগতটাকে পার্থিব নানান উপকরণ দিয়ে আড়াল করে রাখে, সে সম্প্রদায় হলো শিক্ষিত, কর্মজীবী, বিবাহিত, শহুরে নারী (শিকবিশনা )।

    আজ আমি শিকবিশনাদের আরেক সহোদরা, আরো একাকী ও পরিশ্রান্ত এক মেয়ের গল্প শোনাতে বসেছি। যার নাম প্রশিকবিনা (প্রবাসী শিক্ষিত কর্মজীবী বিবাহিত নারী)। শিকবিশনাদের মতই আঁটো সাঁটো বাঁধন দিয়ে আড়াল করে রাখা প্রশিকবিনার মনোজগত ও একাকিত্বের খবর বাইরের কেউ জানে না। এদের সোজা হয়ে পথ চলা, পুরুষদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হবার প্রাণপণ প্রচেষ্টা, আবার একই সঙ্গে ঘর-সংসার, স্বামী, সন্তান ও সামাজিক লৌকিকতার বিষয়ে নজর দেওয়া এতখানিই ক্লান্তিকর যে নিজেদের একাকিত্বের কথা তাদের আলাদাভাবে ভাবারও সব সময় অবসর হয় না। তাদের মানসিক চাহিদা, একাকিত্ববোধ, বিনোদন বা আড্ডার প্রয়োজনীয়তা পুরোপুরি অস্বীকৃত যদি নাও হয়, অধিকাংশ সময়েই তা সীমিত থাকে বা মেটানো হয় পারিবারিক কর্মকাণ্ডে। প্রশিকবিনাদেরও যে ব্যক্তিগত বন্ধুর প্রয়োজন হতে পারে, ব্যক্তি, জীবন ও জগৎ সম্পর্কে তাদের ভাবনার আদানপ্রদানের যে স্পৃহা রয়েছে, তাদেরও যে নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ ভালো লাগা মন্দ লাগার বিষয়গুলো সমমনা লোকদের সঙ্গে ভাগাভাগি করার ইচ্ছে জাগতে পারে, সে রকম সম্ভাবনা বা বাস্তবতাকে অনেকেই মানতে পারেন না। প্রশিকবিনা তার একাকিত্বের কথা পুরুষ বন্ধু বা সহকর্মীকে বলতে দ্বিধান্বিত। নানান জটিলতা, ভুল বোঝাবুঝি, সম্পর্কের টানাপোড়েন ও মানসিক চাপ সৃষ্টির সমূহ সম্ভাবনা সেখানে। আর যদি এই অনুভব এবং চিন্তার ধারা উভয়-পাক্ষিক না হয়, তাহলে অন্য মেয়েদের কাছে এ কথা বলতে গেলেও নিজের ব্যর্থতাই প্রমাণিত হয়। বাড়ি ঘরদোর জিনিসপত্র নিয়ে মহাপরিতৃপ্ত কোনো নারী হয়ত সহানুভূতির নামে করুণা প্রদর্শনই করে বসবেন। কেননা প্রশিকবিনার একাকিত্ব সমাজ-স্বীকৃত নয়। তাদের এ ধরনের বোধকে অনেকেই ভাবনাবিলাস অথবা কল্পনাপ্রসূত বলে মনে করেন। মানসিক নির্ভরতার জন্য প্রশিকবিনারাও যে খুঁটি খোঁজে একথা অনেকেই ধারণা করতে পারেন না। অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাবলম্বিতা ও স্বাধীনতা অর্জন করার পরও তারা যে অন্য সকল মানুষের মতোই স্নেহের, আদরের, মনোযোগের কাঙাল হতে পারেন এটা প্রায় সবাই ভুলে যান। প্রশিকবিনারা যে সর্বংসহা, সকল ব্যাপারে পারদর্শী ‘ওয়ান্ডার ওম্যান’ নয়, সাধারণ রক্ত মাংসেরই তৈরি মানুষ যার কর্মক্ষমতা ও করণীয়ের ব্যাপ্তি সীমিত অথচ বোধের তীব্রতা রয়েছে পুরোপুরিই, সেটা কে মনে রাখে?

    তাই এ প্রবাসের প্রতিটি বড় শহরে শুধু বাঙালির মাছ, মাংস, সবজি, মশলা, পোশাক-আশাক ভিডিওর দোকান নয়, প্রয়োজন আরো একটা করে ছোট জায়গা, সেটা হতে পারে কোনো ক্লাব, রেস্টুরেন্ট বা কফি হাউজের ভেতর একটা ছোট ঘর অথবা কর্নার। সেখানে প্রশিকবিনারা আসবে নেহায়েত একাকিত্ব ঘোচাবার জন্য, শ্রান্তি লাঘব করার জন্য, পারস্পরিক চিন্তাভাবনা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার জন্য, বাড়ির বাইরে প্রিয় সঙ্গী বা সঙ্গীদের সঙ্গে নির্মল সময় কাটাবার জন্য। এ জায়গায় বসে তারা তৈরি গরম চা ও সিঙ্গারা খাবে, গল্প করবে, হাসবে, পরস্পরের কাঁধে মাথা রেখে প্রয়োজনে চোখের জল ফেলবে (লেজবিয়ান সন্দেহ উদ্রেকের সম্ভাবনা উপেক্ষা করেই), তাস বা দাবা খেলবে, গান গাইবে, গান শুনবে, কবিতা পড়বে, গলা ফাটিয়ে তুমুল তর্ক, ঝগড়া, আলোচনা করবে। এমন একটা জায়গা কি পাওয়া যায় না? সপ্তাহে অন্তত একবারের জন্য!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)
    Next Article হে সময় অশ্বারোহী হও – পূর্ণেন্দু পত্রী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }