Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নারী, সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু

    পূরবী বসু এক পাতা গল্প342 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    একটি নারী-রাষ্ট্রের সন্ধানে

    “Violence, be it individual, structural, or cultural, has been described as a preventable disease’ by the world Health Organization. To cure it, we need to transform our culture of violence to culture of Non – Killing. Non-Violence and Peace.”

    -Corrigan Maguire,
    Nobel Peace Laureate (1974)

    তীব্র সামাজিক ভেদ, বিভেদ এবং অযৌক্তিকভাবে ও অবলীলায় একদল কর্তৃক আরেক দলের অধিকার হরণের নির্লজ্জ প্রবণতা ও প্রতিযোগিতায় আজকের সুশীল সমাজ প্রতিনিয়ত ক্ষত-বিক্ষত ও মর্মাহত। প্রচণ্ডতা ও রকমের হেরফের হলেও, আমার ধারণা, প্রায় সব বিভাজন ও বৈষম্যের জন্যই দায়ী পৌরুষতন্ত্র ও গোষ্ঠীপ্রেম- গোষ্ঠীবৈরিতা। একই দেশে পাশাপাশি বাস করা সত্ত্বেও একদলকে দিয়ে অন্য দলের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করার ও অত্যাচারের বহু নজির আমরা দেখেছি জীবদ্দশায়। ভারতীয় উপমহাদেশে ধর্মীয় বিভাজন থেকে শুরু করে একাত্তরে পাকবাহিনীর বাঙালি নিধন ও ধর্ষণ, আমেরিকায় ও দক্ষিণ আফ্রিকায় যুগ যুগ ধরে শ্বেতাঙ্গদের হাতে কৃষ্ণাঙ্গদের অবদমন, নাইজেরিয়ায় বায়াফ্রা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ইবোদের ওপর অত্যাচার, রাওয়ান্ডায় টুটসি সম্প্রদায়ের ওপর জেনোসাইড, বসনিয়ায় মুসলমান নিধন, দারফুরে গণহত্যা এবং পৃথিবীর সর্বত্র নারীর প্রতি গভীর অবহেলা ও অবিচার বারবার প্রমাণ করে যে মানুষে মানুষের বিভেদ ও বৈষম্য অতি জটিল ও বহুমাত্রিক একটি প্রক্রিয়া। কেবল রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অর্থনৈতিক উন্নতি এ সমস্যা সমাধানের জন্য যথেষ্ট নয়।

    আজ পৃথিবী জুড়ে যে হিংসা, দ্বেষ, অবিশ্বাস, সন্ত্রাস, যুদ্ধ, খুন, ধর্ষণ অবিরামভাবে ঘটে চলেছে, তাতে আমার বিশ্বাস-নারীর চিরন্তন গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্যের প্রতি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের আনুগত্য ও সম্মান প্রদর্শন এবং রাষ্ট্রীয় নীতিমালায় সেই সব বৈশিষ্ট্যের প্রয়োগ ও প্রতিফলন, এই সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থির অবস্থাকে অনেকটাই প্রশমিত করতে পারে। শুধু দৃশ্যত শারীরিক বা জৈবিক বিভাজনই তো নয়, কেবল হরমোনের হেরফেরই তো নয়, জৈবরসায়নের মৌলিক ভিত্তি থেকে উৎসারিত এবং নিয়ন্ত্রিত সামাজিক পরিবেশে তিল তিল করে গড়ে ওঠা মেয়েদের চরিত্রের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি তাদের স্পষ্টতই আলাদা করে রাখে। সাধারণ মানবিক গুণাবলি বলে চিহ্নিত হলেও এসব বৈশিষ্ট্য প্রধানত ও বিশেষত নারীরাই ধারণ করে থাকে। এসবের মধ্যে রয়েছে—–ধৈর্য, সহনশীলতা, নিষ্ঠা ও একাগ্রতা, অন্যের প্রতি মমতা, সহানুভূতি ও সমবেদনা, ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিভঙ্গি, দয়া, দাক্ষিণ্য, কোমলতা, কষ্টসহিষ্ণুতা, প্রতিযোগিতার পরিবর্তে সহমর্মিতা, স্বার্থত্যাগের স্পৃহা, ভিন্নতার সঙ্গে বসবাসের ক্ষমতা, সমঝোতার মনোভাব ও বিনয়। চারদিকে যখন সন্ত্রাস, শত্রুতা, যুদ্ধ, বৈষয়িক অর্জনের নির্লজ্জ প্রতিযোগিতা, লোভ-লালসা, সেখানে এখন বড় বেশি প্রয়োজন মেয়েদের শাশ্বত গুণাবলির বিকাশ। আর তা শুধু নারী প্রজাতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেই চলবে না, এর উন্মেষ ও বিস্তার ঘটাতে হবে সমস্ত মনুষ্য সমাজে। অর্থাৎ পুরুষদের মধ্যেও।

    ইদানীং Geert Hafstede-সহ কিছু গবেষক ও চিন্তাবিদ দুনিয়ার তাবৎ রাষ্ট্রকে নারী রাষ্ট্র অথবা পুরুষ রাষ্ট্র বলে আখ্যায়িত করেছেন। পুরুষ রাষ্ট্রের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালি। এছাড়া রয়েছে জাপান। নারী রাষ্ট্রের মধ্যে রয়েছে স্কেন্ডেনেভিয়ান দেশগুলো, যেমন——– সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক। এছাড়াও রয়েছে নারী রাষ্ট্র নেদারল্যান্ডস। নারীসুলভ দেশগুলোতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সামাজিক কল্যাণমূলক অনেক বেশি প্রকল্প থাকে, যেমন—সাধারণ নাগরিকদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদন, স্যানিটেশন, বাসস্থান ও নিরাপত্তার ভার সরকার সরাসরি গ্রহণ করে থাকে, যাতে জনসাধারণের মৌলিক চাহিদাগুলো অনায়াসে পূর্ণ হয়। অন্যদিকে পুরুষ রাষ্ট্রগুলোতে শ্রেণীবিভাজন প্রগাঢ় এবং সহমর্মিতার চেয়ে প্রতিযোগিতার প্রভাব সেখানে অনেক বেশি। এসব পুরুষ দেশে একদল লোক অনেক বেশি সম্পদের মালিক হয় এবং সমাজের বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে। অন্য দল লোকের তেল আনতে নুন ফুরোয়। স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রেও প্রধানত অসুখ-বিসুখের চিকিৎসা ও রোগ নিরাময়ের দিকে লক্ষ রাখে পুরুষ রাষ্ট্র। নারী রাষ্ট্র তৈরি করতে চেষ্টা করে সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় গোটা পরিবেশ। স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা যে শুধু ওষুধ আর অস্ত্রোপ্রয়োগ নয়, স্বাস্থ্যের সঙ্গে যে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে শিক্ষা, বাসস্থান, বিশুদ্ধ বায়ু ও জল, ন্যূনতম জীবিকার নিশ্চয়তা, নারী রাষ্ট্র তা শুধু স্বীকার করে তা-ই নয়, সে ব্যাপারে রাষ্ট্রীয় নীতিও তৈরি করে। ইদানীং তাই সেসব দেশে ‘healthcare’-এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ‘health promotion’-এর বিশেষ প্রকল্প, যেগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি ব্যাপক ও ফলপ্রসু স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়ন করে ও তা বাস্তবায়িত করার প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে, যাতে সমাজের সবচেয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীও স্বাস্থ্যসেবাসহ অন্যান্য মৌলিক চাহিদা মেটানোর সুযোগ পায়। নারী রাষ্ট্রে শিশু, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ, উপার্জনহীন ও তুলনামূলকভাবে দুর্বল, অক্ষম অথবা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ সামাজিক প্রকল্প থাকে। সম্পদের পরিমাণ নয়, জীবনের গুণগত মান ও মানবিক সম্পর্কের ওপর জোর দেয়া হয় নারী রাষ্ট্রে। অন্যদিকে পুরুষ রাষ্ট্রগুলোতে সম্পদ ও তার পরিমাণ এবং কেন্দ্রীভূত ক্ষমতার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়। জীবনের সার্থকতার সবচেয়ে বড় মাপকাঠি সেখানে চাকরি বা ব্যবসায়ে সাফল্য। সহমর্মিতার চেয়ে অনেক বেশি জোর দেয়া হয় পারস্পরিক প্রতিযোগিতার ওপর। কর্মজীবনকে ব্যক্তিজীবন থেকে আলাদা করে রাখে পুরুষ রাষ্ট্র। পক্ষান্তরে নারী রাষ্ট্র মনে করে, ব্যক্তি ও পারিবারিক জীবনের স্বাচ্ছন্দ্য, নিরাপত্তা ও স্বস্তি কর্মজীবনকে ফলপ্রসু করে তোলে। নারী রাষ্ট্র স্বীকার করে, ব্যক্তিজীবন ও পারিবারিক অবস্থা কর্মজীবনকে সরাসরি প্রভাবিত করে। ফলে নারী রাষ্ট্রের কর্মস্থানের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ অনেক বেশি উদার, নমনীয় ও সহনশীল। নারী রাষ্ট্র যেখানে সমাজে সমতা বিধান করে, পুরুষ রাষ্ট্র সেখানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক শ্রেণীবিভাগ ও অসমতা সৃষ্টি করে। পুরুষ ও নারী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধান পুরুষ না কি নারী হলেন, সেটা কিন্তু কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। রাষ্ট্রীয় নীতিমালায় কোন বৈশিষ্ট্য বা গুণাবলিকে ধারণ করা হচ্ছে সেটাই মূল কথা। ভারত উপমহাদেশের মতো পৃথিবীর অন্য কোথাও এত বেশি নারী সরকার প্রধানের অস্তিত্ব দেখা যায় না। কিন্তু তাই বলে কি এই উপমহাদেশের কোনো একটি রাষ্ট্রকেও নারী রাষ্ট্র বলে বিবেচনা করা যেতে পারে? মনে হয় না। আমরা আশা করব, আমাদের রাষ্ট্রের প্রতিটি নীতি ও কর্মসূচিতে নারীর শুভ ও কল্যাণময়ী রূপ প্রতিফলিত হবে।

    একটি ব্যাপার লক্ষ করলে আমরা দেখব, পৃথিবীতে যত বড় বড় যুদ্ধ, যত রেষারেষি, যত সন্ত্রাস, যত দাঙ্গা, অপরাধ, এসিড নিক্ষেপ, খুন, রাহাজানি, ধর্ষণ—— তার সিংহভাগ কর্মকাণ্ডের সঙ্গেই নারীর সরাসরি কোনো যোগাযোগ নেই। শুধু তাই নয়, এ ধরনের অপরাধের, অর্থাৎ, যুদ্ধের, দাঙ্গার এক মুখ্য শিকার নারী নিজে। লক্ষ করলে আমরা আরও দেখব, যুদ্ধবাজ বলে কুখ্যাত যেসব দেশ, আগ্রাসী বলে যারা বিশেষ পরিচিত, তারা সবাই পুরুষ রাষ্ট্র। নারী রাষ্ট্রগুলো সাধারণত যুদ্ধবিমুখ। সেখানে অপরাধের সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে অনেক কম, যেমন – সাধারণভাবে অপরাধের সংখ্যা ব্যক্তি পুরুষের চেয়ে ব্যক্তি নারীর মধ্যে অনেক কম। অপরাধের সঙ্গে নারীর সম্পৃক্ততা যেহেতু কম, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা যেহেতু তারা করে না, বলিষ্ঠতম প্রমাণ করার জন্য আগ্রাসী মনোভাব যেহেতু তাদের নেই, অথচ তাদের শরীরেই যেহেতু অঙ্কুরিত হয়-জন্ম নেয় পরবর্তী প্রজন্ম, তাদের হাতেই ভবিষ্যৎ নাগরিকরা প্রথম অক্ষর ও জাগতিক জ্ঞান লাভ করে, আজকের এই প্রবল হানাহানির জগতে ব্যক্তি নারীর একটি বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো, আগামী প্রজন্মকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা। তাদের মধ্যে পারস্পরিক প্রেম, ভালোবাসা, দয়া, দাক্ষিণ্য, ক্ষমা ও সহমর্মিতার বোধ জাগ্রত করা। নারীর দায়িত্ব এখন, যৌক্তিক মন ও বিজ্ঞানমনস্কতা দিয়ে মৌলিক সত্য ও সঠিক ইতিহাসকে নিজের মনে ধারণ করা ও পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে তা সঞ্চারিত করা। মানুষে মানুষে পার্থক্যের বদলে পারস্পরিক মিল ও অভিন্নতা খুঁজে দেখার আগ্রহ সৃষ্টি করা ও পরস্পরের প্রতি ক্ষমতা ও সহানুভূতির ভাব উদ্রেক করা। ভিন্নতার সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের মনোভাব এবং ব্যতিক্রমের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা নারীই শেখাতে পারে তার সন্তান ও পরবর্তী প্রজন্মকে। এটা সম্ভব এ কারণেও যে শুধু জননী হিসেবেই নয়, পেশাগত জীবনেও গৃহকর্ম, বেবি সিটিং, শিক্ষকতা, নার্সিং, চিকিৎসা ও সমাজসেবার মতো সেবামূলক জীবিকায় যেহেতু তুলনামূলকভাবে বেশি নারী অংশগ্রহণ করে থাকে, তাদের পক্ষে নিরপরাধ ও কৌতূহলী শিশুদের সঠিক পথে পরিচালনা করার সুযোগ অনেকটাই রয়েছে। স্থান, কাল, জাতি, ভাষা, ধর্ম নির্বিশেষে নারী নিজেই যেহেতু বিভেদের শিকার, অন্য সব বিভাজন ও বৈষম্য দেখে তার সহানুভূতির উদ্রেগ ও উপলব্ধি বেশি হওয়াটাই তো স্বাভাবিক। ফলে মানুষে মানুষে ভেদাভেদজনিত এ দুঃসহ অবস্থা থেকে উত্তরণের পন্থা হিসেবে একটি নারী রাষ্ট্রের সন্ধান করা যেতেই পারে, যেখানে নারীর চিরন্তন গুণাবলিকে আত্মস্থ করবে জনগণ—রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নারীর যথার্থ মূল্যায়ন ঘটবে— আর জাতীয় কর্মসূচিতে প্রতিফলিত হবে নারীর সনাতন মূল্যবোধ। আমাদের মনে রাখতে হবে, একটি নারী যখন সন্তানসম্ভবা হয় এবং সন্তান প্রসব করে, সে শুধু ব্যক্তিগতভাবে একটি সন্তানের জননীই হয় না, সে সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য, পৃথিবীর মানবকুলের জন্য একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সন্তান ধারণ ও প্রসবের মধ্য দিয়ে সে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নাগরিক সৃষ্টি করে—তাবৎ মনুষ্য সমাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। আর এ বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কর্মটি সম্পন্ন করার ক্ষমতা রয়েছে একমাত্র নারীরই। ফলে এই অতি প্রয়োজনীয় ও মহামূল্যবান দায়িত্ব পালনে রত একজন সন্তানসম্ভবা নারীকে বিশেষ সমাদর ও যত্ন করতে এবং তার সুবিধা-অসুবিধার দিকে লক্ষ রাখতে ও সব রকম প্রয়োজন মেটাতে বাধ্য শুধু তার পরিবার নয়—রাষ্ট্র নিজেও। কিন্তু এ দায়বদ্ধতা নারী রাষ্ট্রগুলো আক্ষরিক অর্থে যেভাবে পালন করে, পুরুষ রাষ্ট্ররা তা করে না। নারী অবশ্য প্রজন্ম সৃষ্টি করেই ক্ষান্ত হয় না। ভবিষ্যৎ নাগরিককে সুস্থভাবে বড় করে তোলার জন্য সে তার দ্বিতীয় অভিনব ও বিশেষ ক্ষমতানুযায়ী শরীর নিঃশেষিত দুগ্ধ দান করে। জননী নিঃসৃত সেই দুগ্ধ কেবল শিশুর শ্রেষ্ঠ খাদ্য আর পুষ্টিই নয়, তা তাকে জন্মলগ্নে এবং জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে নানারকম রোগবালাই থেকেও রক্ষা করে। নারী রাষ্ট্রগুলো রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ মজবুত করার অভিপ্রায়ে শিশুসন্তানের কর্মরত জননীদের প্রয়োজনীয় পরিবেশের নিশ্চয়তা দেয়, যেখানে তারা সন্তানকে নিশ্চিন্ত মনে দুগ্ধদানের সুযোগ ও সময় পায়। অধিকাংশ পুরুষ রাষ্ট্রে এ ধরনের সুযোগ থাকে না। এ দুগ্ধদানের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নারী ও শিশুর শরীরে যে জৈবিক ও রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে, হরমোনের যে ওঠানামা চলে, তাতে সন্তানের সঙ্গে মায়ের এক অচ্ছেদ্য ও গভীর সম্পর্ক নির্মিত হয়। সেই সঙ্গে সন্তানের মধ্যে জন্ম নেয় আত্মপ্রত্যয় ও প্রশান্তি।

    যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে নারী ও নারী রাষ্ট্র বরাবরই অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রবর্তন করার জন্য আলফ্রেড নোবেলকে প্রণোদনা দিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার নারী ব্যারোনেস বার্থা ভন সাটনার। তিনিই প্রথম নারী, যিনি শান্তিতে নোবেল পেয়েছিলেন ১৯০৫ সালে। এরপর শান্তির অন্বেষণে কাজ করতে গিয়ে আরও ১১ জন নারী নোবেলে শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। গত ১০৭ বছর ধরে, নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের পর এ পর্যন্ত, শান্তিতেই সবচেয়ে বেশি পুরস্কার পেয়েছেন নারীরা। এই থেকেও প্রমাণিত হয়, শান্তিতে নারীর আগ্রহের ব্যাপারটা। শুধু তাই নয়, জীবিত ৭ জন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নারীর মধ্যে ৬ জন মিলে (সপ্তম জন মিয়ানমারের অং সান সুকি মুক্ত না থাকায় এ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে পারছেন না) ‘Nobel Woman’s Initiative’ নামে একটি আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। এ ৬ জনের এক জন কালো আফ্রিকান, ১ জন ইরানি মুসলমান, ১ জন ল্যাটিন আমেরিকার রেড ইন্ডিয়ান, ১ জন সাদা আমেরিকান ও ২ জন ক্যাথলিক আইরিশ। শান্তিতে নোবেল বিজয়ী নারীরা সব মহাদেশ থেকে এসেছেন, প্রায় সবকটি ধর্ম ও সব বর্ণের নারী রয়েছেন এ ১২ জন বিজয়ীর মধ্যে, যা প্রমাণ করে সব নারীই শান্তিকামী, যতই বৈচিত্র্যময় হোক না তাদের পারিবারিক ধারা অথবা জীবনচক্র। Nobel Woman’s Initiative-এর লক্ষ হলো ন্যায় ও সমতার মাধ্যমে মূলত পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। যুদ্ধের বিরুদ্ধে তাঁরা আন্দোলন করছেন—সেই সঙ্গে পরিবেশ রক্ষায়ও সচেষ্ট থাকছেন। অবিচার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা সোচ্চার হচ্ছেন। তাঁদের আন্দোলনের মূল কথা—কোথাও কোনো শারীরিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ধর্মীয়, লৈঙ্গিক বা পরিবেশজনিত হুমকি বা আগ্রাসন থাকবে না; নারীর বিরুদ্ধে তো নয়ই, অন্য কোনো মানুষের বিরুদ্ধেও নয়।

    এ ছাড়া পৃথিবী উত্তপ্ত হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে, জল ও ভূমিতে বর্জ্য ও আবর্জনার স্তুপ জমা ও শূন্যে ওজোন স্তরের মাত্রা কমে যাওয়াজনিত যেসব পরিবেশ দূষণ ঘটে চলেছে, সেসব ব্যাপারে সত্যিকারভাবেই নারীর সরাসরি হাত কমই রয়েছে। শুধু তাই নয়, প্রকৃতিকে নারীর সঙ্গে তুলনা করে নারী ও প্রকৃতি উভয়েই যে অবহেলিত এবং দূরদৃষ্টিহীন পুরুষের লোভের ও স্বার্থপরতার শিকার এ কথা মনে রেখে ইদানীং ‘ইকোফেমিনিজম’ বলে একটি আন্দোলন ক্রমে দানা বেঁধে উঠছে। নারী মুক্তির সঙ্গে পরিবেশ মুক্তিকে একত্র করে এ আন্দোলন। যেহেতু সমাজের সবচেয়ে মৌলিক ইউনিটে অর্থাৎ পরিবারের খাদ্য, জল ও জ্বালানির ব্যবহার ও বণ্টন নারীই প্রধানত করে থাকে, প্রয়োজনে তাকেই সংগ্রহ করতে হয় বেঁচে থাকার এসব মৌলিক উপকরণ, স্বাভাবিকভাবেই এ প্রাকৃতিক সম্পদের দেখাশোনা ও সঠিকভাবে রক্ষা করার দায়িত্ব আস্তে আস্তে তুলে নিতে চাইছে নারী নিজের হাতে। এটা করা এ কারণেও জরুরি কেননা খরা, বন্যা, দুর্ভিক্ষ, যুদ্ধ অথবা সন্ত্রাসের বড় শিকার নারী এবং তার শিশুসন্তান।.

    সব শেষে একটা আশার কথা বলে শেষ করছি। এক বিজ্ঞানী কিছু দিন আগে আবিষ্কার করেছেন পুরুষ ও নারী যখন প্রেমে পড়ে, তখন তারা তাদের চিরন্তন স্বভাবের কিছুটা বিপরীতধর্মী আচরণ শুরু করে। এর কারণ তখন মেয়েদের শরীরে পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টারনের পরিমাণ বেড়ে যায়। আর পুরুষের শরীরে মেয়েলি হরমোন এস্টোজেনের পরিমাণ বেড়ে যায় এবং সেই সঙ্গে পুরুষালি হরমোন টেস্টোস্টারনের পরিমাণ কিছুটা কমে যায়। এর ফলে প্রেমে পড়লে পুরুষ খানিকটা মেয়েদের মতো আচরণ করে। সে নমনীয়, স্নেহশীল ও যত্নবান হয়ে পড়ে। অন্যের প্রতি আগের তুলনায় বেশি খেয়াল রাখে। উল্টোদিকে মেয়েরা প্রেমে পড়লে কিছুটা বেপরোয়া কখনো অতি সাহসী হয়ে পড়ে। কাজকর্মে অগ্রণী ভূমিকা নেয় এবং নিজের আনন্দ ও ভোগবিলাসের প্রতি সচেতন হয়। ফলে তারা অর্থাৎ প্রেমে পড়া নারী ও পুরুষ পরস্পরের কাছাকাছি চলে আসে তখন।

    মানব সমাজে ভেদ-বিভেদের পরিবর্তে প্রেমের বন্যা বইয়ে দিতে নারী-পুরুষ উভয়কেই তাই নিজের সামাজিক ও পারিবারিক অবস্থা থেকে কিছুটা সরে আসতে হবে। পুরুষকে তার আগ্রাসী ভূমিকা ছেড়ে অনেকটা নারীর মতো ধৈর্যশীল, পরমতসহিষ্ণু ও কল্যাণময় হয়ে উঠতে হবে। আর নারীকেও সেই সঙ্গে হতে হবে আরও বেশি অধিকার সচেতন, আত্মপ্রত্যয়ী ও সাহসী। নিজের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে এবং অন্যের ন্যায্য অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে- সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য, তাকে নিতে হবে আরও বলিষ্ঠ ভূমিকা। আর সেটা সম্ভব হবে পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা, সহানুভূতি ও শ্রদ্ধাবোধ থেকে, প্রতিহিংসা, ঘৃণা বা যুদ্ধংদেহী মনোভাব থেকে নয়। আর একটি নারী রাষ্ট্রই কেবল পারে নারী ও পুরুষের জন্য সে রকম কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টি করতে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)
    Next Article হে সময় অশ্বারোহী হও – পূর্ণেন্দু পত্রী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }