Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নারী, সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু

    পূরবী বসু এক পাতা গল্প342 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পুরুষ ও প্রকৃতি—নারীর দুই চিরন্তন প্রতিপক্ষ

    নারীর স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বড় বাধা কেবল পুরুষ বা পুরুষতন্ত্র নয়। প্রকৃতি নিজেই নারীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে সৃষ্টির সেই আদিকাল থেকে। প্রকৃতির এই অসম বিভাজন—এই চরম বৈষম্যের প্রতিফলন নারীর শরীর ও তার জীবনচক্র। চতুর পুরুষ এই দৃশ্যত শারীরিক বিভাজনকে পুঁজি করেই নানারকম নারী অবদমনের হাতিয়ার তৈরি করেছে যেমন সামাজিক রীতিনীতি, ধর্মীয় অনুশাসনের নাগপাশ, পারিবারিক বিধিনিষেধ ও মূল্যবোধ, ইত্যাদি। ফলে পুরুষতন্ত্র থেকে মুক্তি আন্দোলনের সময় এ-কথা ভুলে গেলে চলবে না যে, আরো একটি মহাপরাক্রমী শক্তির বিরুদ্ধেও প্রতিনিয়ত লড়তে হবে নারীকে। শুধু মানুষের তৈরি বাধানিষেধ, বৈষম্য, অনাচার, অত্যাচারের বিরুদ্ধে নয়, প্রকৃতিদত্ত ও জন্মগতভাবে প্রাপ্ত নারীশরীরের জন্যেও দ্বিগুণ প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে তাকে যুদ্ধ করে যেতে হবে।

    বিবর্তনবাদ আমাদের এই শিক্ষা দেয় যে, বেঁচে থাকার লড়াইয়ের মাধ্যমে প্রাণীর শরীরে অতি ধীরে একরকম রাসায়নিক ও জৈবিক পরিবর্তন ঘটে যা আস্তে আস্তে তাকে প্রয়োজনীয় শারীরিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার ও বংশরক্ষা করার সামর্থ্য জোগায়। ফলে কয়েক কোটি বছর পর ধর্ষণ, প্রহার, খুন, অনাহারের মতো বৈষম্য বা অত্যাচারের প্রতিরোধে নারীর শরীর ঠিক কীরকম চেহারা নেবে আমরা জানি না। তবে আজকে নারীর যে দেহের গড়ন বা জীবনচক্র, তা দেখে মনে হয়, একমাত্র ‘আদর্শ পরিবেশ’ ছাড়া পুরুষ ও সমাজের কাছে নারী সমঅধিকার বা মর্যাদা আশা করতে পারে না। এখন দেখা যাক, বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকৃতি কেমন করে নারীর বিরুদ্ধে পুরুষকে তার স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সুযোগ করে দিয়েছে, যা পদে পদে নারীকে অবদমনের সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

    পরিবারে একটি কন্যাসন্তান যখন জন্মগ্রহণ করে, সেই ঘটনাটি প্রাথমিকভাবে কোনো কোনো সংসারে যতই আশাভঙ্গ বা নিরানন্দ সৃষ্টি করুক না কেন, আস্তে আস্তে তা সামলে উঠে প্রায় প্রতি পরিবারই কন্যাটিকে পুত্রসন্তানের মতোই আদর-যত্ন, স্নেহে লালন করতে থাকে। ফলে জীবনের প্রথম দশকটিতে কন্যাশিশুটিকে বিশেষ তেমন বাধানিষেধ বা বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয় না। নয়-দশ বছর বয়স পর্যন্ত একটি মেয়েশিশু আর ছেলেশিশুর চলাফেরা, আচরণের মধ্যে পারিবারিক বাধা বা নিষেধে তেমন পার্থক্য দেখা যায় না। যদিও কিছু প্রান্তিক ও দুস্থ পরিবারে খাদ্যবন্টন, স্বাস্থ্যসেবা ও সংসারের কাজকর্ম বণ্টনের ব্যাপারে কিছুটা বিভাজন ও বৈষম্য লক্ষ করা যায়। কিন্তু গোল বাধে মেয়েটির শরীরে যখন থেকে কন্যাসুলভ বিভিন্ন সমাহার বিকশিত হতে শুরু করে। অর্থাৎ যখন থেকেই তার স্তনের আবির্ভাব ঘটে, নিতম্ব ভারী হতে শুরু করে, হাতে, পায়ে, গলায়, মুখমণ্ডলে হালকা, মসৃণ, পেলব মেদের স্তর জমতে থাকে নরম ত্বকের ঠিক নিচের ভাঁজে, যা তাকে দৃশ্যত মোহনীয় করে তুলতে শুরু করে, তখনই তার হাতে-পায়ে বেড়ি বেঁধে দেয় পরিবার। ফলে প্রকৃতি এখানে নারীর যৌনতাকে বহিরঙ্গে প্রতিস্থাপন করে পুরুষ ও সমাজকে সাহায্য করে নারীকে ঘরের ভেতর অবরুদ্ধ করে রাখার ব্যাপারে। পোশাকে-আশাকে ঘোমটায় সর্বাঙ্গ ঢেকেঢুকে ঘরে বন্দী হয়ে থাকতে অথবা আনত নয়নে পথ চলতে নারীকে তখন বাধ্য করে পুরুষ। এটা সত্য, নারীকে অন্তঃপুরে ঢুকিয়ে দিয়ে পুরুষ তার পিতৃত্বের পবিত্রতা রক্ষার ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হতে চায়। কিন্তু বিবাহের অনেক আগে, সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা পুরোপুরি অর্জনের আগে থেকেই যে ঘরবন্দী করে রাখা হয় মেয়েদের তার বড় কারণ মেয়েদের যৌন অনুষঙ্গের বহিরঙ্গে উপস্থিতি। স্তন ও নিতম্ব যদি বহিরঙ্গে স্থান না পেত, কার্যত এমন দৃশ্যমান ও লোভনীয় না হয়ে উঠত, নারীকে ঘরের ভেতর আবদ্ধ করে রাখার জন্যে, পোশাকে-আশাকে তাকে ঢেকেঢুকে রাখার ব্যাপারে আরো জোরালো যুক্তি খুঁজতে আরো হন্যে হয়ে বেড়াতে হতো পুরুষকে। শিশ্ন ও যোনির মতো স্তন ও নিতম্বও শরীরের এমন স্থানে অনায়াসে জায়গা পেতে পারত, যা সরাসরি দৃষ্টিগোচর নয়।

    স্তন ও নিতম্বের পর নারী শরীরে এসে যোগ দেয় আরো একটি অবদমনের হাতিয়ার। মাসিক। নারীকে স্বতন্ত্র করে রাখা বা দেখা এবং তার চলাফেরায় বিধিনিষেধ আরোপের ব্যাপারে এর চেয়ে বড় ভূমিকা আর কোনো কিছু নিয়েছে কি না সন্দেহ। মাসিকের সময় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যকলাপে অংশগ্রহণের সীমাবদ্ধতা ও নিষেধাজ্ঞা মেয়েদের অধস্তন অবস্থা নির্ধারণে ও তাদের নিজেদের মধ্যে হীনমন্যতাবোধ জাগ্রত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মোটকথা, যে-মুহূর্তে নারী প্রজনন ক্ষমতার অধিকারী হতে শুরু করে, তার বাহ্যিক এই সকল পরিবর্তন এমন করে বিকশিত হতে থাকে যে, পুরুষ তাকে অন্তঃপুরে রেখে শুধু যৌনানন্দ ও সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র হিসেবে গণ্য করতে শুরু করে।

    প্রাণীর কাছে প্রকৃতির একটিই প্রত্যাশা—প্রজননের মাধ্যমে সৃষ্টির ধারাবাহিকতা রক্ষা করা। সেই প্রত্যাশা পূরণ যত সহজে এবং অবশ্যম্ভাবীভাবে ঘটবে ততই মঙ্গল—প্রকৃতির জন্যে। ফলে নারীর সম্ভ্রম বা আত্মপ্রত্যয় নয়, পরবর্তী প্রজন্ম সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবেই বরাবর নারীকে দেখে এসেছে প্রকৃতি।

    সৃষ্টির ধারাবাহিকতা রক্ষার ব্যাপারে নারীর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছে এক অসম বোঝা। নারীর দৈহিক গঠন, বিশেষ করে তার প্রজনন কাঠামো ও কার্যকলাপ নারী অবদমনের মূল হাতিয়ার। প্রকৃতি যদি নারীর প্রতি সদয় হতো, সৃষ্টির ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে নারীকে পুরুষের সমান করে দেখত, তাহলে নারীর যৌনতাকে, তার শরীরের বিকাশকে এমনভাবে উপস্থাপন করতো না। মাসিক ও তার ব্যবস্থাপনার ঝক্কি-ঝামেলা ও ভয়, উন্নয়নশীল দেশে মেয়েদের স্কুল কামাই ও স্কুল থেকে ঝরে পড়ার একটি প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে বেশকিছু বড় বড় গবেষণায়। শরীরে হরমোনের যে ওঠানামার জন্যে প্রতিমাসে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুর নির্গমন ঘটে এবং পরবর্তীকালে মাসিকের আবির্ভাব হয়, জৈবিক কারণে সেই চক্র বজায় রেখেও প্রকৃতি এই বাহ্যিক রক্তপাতের ব্যাপারটায় নারীকে ছাড় দিতে পারত। প্রতিমাসে তার জরায়ুর পর্দা ছিঁড়ে বহিরঙ্গে রক্ত ক্ষরণের কি আদৌ প্রয়োজন ছিল? অন্যান্য সমস্ত প্রাণিকুলে এই প্রক্রিয়া তাহলে জরুরি নয় কেন? আমরা পরবর্তী সময়ে আলোচনা করব, প্রাকৃতিকভাবে অথবা প্রযুক্তির মাধ্যমে সংখ্যায় কমবেশি মাসিক হওয়া অথবা পুরোপুরি মাসিকের নিবৃত্তির সঙ্গে নারীস্বাস্থ্যের যোগাযোগ কতখানি, আদৌ কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, থাকলে এখন পর্যন্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এ-ব্যাপারে কী এবং কতটুকু জানা গেছে।

    প্রকৃতি আরো যেভাবে নারী-অবদমনের সুযোগ করে দেয় পুরুষকে তা হলো নারীর যৌন অঙ্গের গঠন ও কার্যপ্রণালি। নারীর প্রধান যৌনাঙ্গ যদি এমন না হতো, যে তার ইচ্ছা-অনিচ্ছায় কিছুই যায় আসে না, তার প্রবল অনিচ্ছাসত্ত্বেও পুরুষ তার জৈবিক বাসনা ও যৌনলিপ্সা চাপিয়ে দিতে পারে নারীর ওপর, তাহলে ধর্ষণ নামক জগৎজুড়ে প্রচণ্ড কুৎসিত অপরাধটি—নারীজীবনের এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতাটি ঘটার সুযোগ হতো না। প্রকৃতি এমনভাবেই নারীর যৌনাঙ্গ তৈরি করেছে যাতে পুরুষের ইচ্ছার কাছে নারীকে সহজেই সমর্পিত হতে হয়। এতে করে মানুষ হিসেবে তার মৌলিক অধিকার বা আত্মসম্মান যতটাই লুণ্ঠিত হোক না কেন, প্রকৃতির খায়েশ — সৃষ্টির ধারবাহিকতা, ঠিকই রক্ষা পায়—পরিতৃপ্তি পায় পুরুষের যৌনাকাঙ্ক্ষা ও যৌন অনাচার। অথচ উল্টোটি অর্থাৎ নারীকে দিয়ে পুরুষের ওপর বলাৎকারের ঘটনা প্রায় কোথাও শোনা যায় না, যার অন্যতম কারণ পুরুষের যৌনাঙ্গের প্রকৃতি ও কার্যাবলি। পুরুষের নিজের ইচ্ছা ছাড়া নারী তাকে যৌনক্রীড়ায় অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করতে পারে না। এখানেও প্রকৃতি পুরুষকে অধিকতর আধিপত্য দিয়েছে, সন্দেহ নেই। এছাড়াও প্রকৃতি পুরুষকে দিয়েছে অপেক্ষাকৃত বেশি গায়ের জোর, শক্তিশালী মাংসপেশি, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণে পুরুষ এই প্রকৃতিদত্ত উপহারের অপব্যবহার করে।

    এছাড়া প্রধানত যেভাবে প্রকৃতি নারী অবদমনের সুযোগ করে দেয়, তা হলো সন্তান ধারণ, প্রসব, সন্তান প্রতিপালন ও দুগ্ধদানের মতো জৈবিক ব্যাপারগুলো সম্পূর্ণ নারীর ওপর চাপিয়ে দিয়ে। সন্তান উৎপাদন, প্রতিপালন ও দুগ্ধদানের জন্যে পেশাজীবী নারীকে তার কর্মক্ষেত্রের পরিধি সঙ্কুচিত করতে হয়, অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের পেশা বেছে নিতে হয়, কাজে উন্নতির ব্যাপারে স্বার্থত্যাগ করতে হয়, কখনো কখনো অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও জীবিকাকে পুরোপুরি পরিত্যাগ করে ঘরবন্দী হতে হয়। শরীরে ভ্রূণের আকারে জন্ম নেয়া সন্তান যখন নিজের রক্তে, মাংসে, পুষ্টিতে শরীরের ভেতর দীর্ঘ ন’মাস ধরে তিলতিল করে বেড়ে ওঠে, তারপর প্রবল প্রসব-যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে স্বপ্নের মতো আবির্ভূত হয় একদিন, যার মুখে তুলে দেওয়ার মতো আদর্শ খাদ্যও যখন নিজের শরীর থেকেই নিঃসৃত হয় নারীর, তখন সেই সন্তানের সঙ্গে তার যে স্থায়ী বন্ধন রচিত হয়, তা আর কোনো জাগতিক সম্পর্কের সঙ্গে তুলনা করা যায় না। একটি নারী যখন সন্তানসম্ভবা হয়, অথবা সন্তান প্রসব করে কিংবা দুগ্ধদান করে, তার শরীরে হরমোনের প্রচণ্ড ওঠানামা ঘটে। এস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টারোন হরমোন যা নারী যৌন অনুষঙ্গ ও আকাঙ্ক্ষা বিকশিত করে, নারীর যৌনতাকে পুরুষের চোখে আকর্ষণীয় করে তোলে, যে দুটি হরমোন প্রধানত নারীত্বের হরমোন বলে সুপরিচিত, সেগুলো ছাড়াও গর্ভবতী ও দুগ্ধদানকারী নারীর শরীরে অন্য হরমোনগুলো যেমন অক্সিটসিন, ভ্যাসোপ্রেসিন, প্রোল্যাকটিনের পরিমাণ বেড়ে যেতে থাকে। এই শেষোক্ত হরমোনগুলো প্রসবে সহযোগিতা করে, স্নেহে আর্দ্র করে, দুগ্ধবতী করে নারীকে। ফলে স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে, সন্তান যদিও পিতামাতার যৌথ সৃষ্টি এবং সন্তানের জন্মে মাতা- পিতা উভয়েই বাৎসল্যবোধে প্লাবিত হয়, নারী যেমন নিজ শরীরে সন্তানকে ধারন করে এবং নানা ধরনের জৈবিক ও রাসায়নিক পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে সন্তানকে নিজের দেহে আশ্রয় দিয়ে বড় করে তোলে, দুগ্ধদান করে, তাতে সন্তানের সঙ্গে মায়ের যে অটুট ও জৈবিক সম্পর্ক রচিত হয়, পিতার সঙ্গে ঠিক তেমনটি ঘটে না। গর্ভবতী স্ত্রী ও শিশুসন্তানের সান্নিধ্যে পিতার শরীরেও স্নেহশীলতার হরমোন কিছুটা প্লাবিত হয়, কিন্তু নারীশরীরে কিছু কিছু হরমোনের প্রচণ্ড প্রস্রবণ ও প্রবল তোলপাড়ের তুলনায় তা সামান্যই। ফলে পিতার সঙ্গে সন্তানের সম্পর্ক গড়ে ওঠে ধীরে ধীরে— মূলত পারস্পরিক সান্নিধ্যে পারিবারিক ও সামাজিক অন্যান্য ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক যেমন করে গড়ে ওঠে, সেভাবেই।

    নারীর বিরুদ্ধে প্রকৃতির আরেক অবদমনের নজির নারীজীবনে রজঃনিবৃত্তি। নারীকে যে প্রকৃতি পুরুষ আর সমাজের মতোই শুধু পরবর্তী প্রজন্মের স্রষ্টা হিসেবেই দেখে এসেছে, এর বেশি কিছু নয়, তার বড় প্রমাণ যখন একটি নারীর সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা হ্রাস পায়, তখন রজঃনিবৃত্তির মাধ্যমে নারী হরমোনগুলো এতটাই ঘাটতি শুরু হয় নারীশরীরে যে, তার যৌনাকাঙ্ক্ষা লোপ পায় অথবা প্রচণ্ডভাবে স্তিমিত হয়ে আসে। তার শারীরিক বিভিন্ন অস্বাচ্ছন্দ্য, উপসর্গ তীব্রভাবে দেখা দেয়—যেমন হঠাৎ হঠাৎ শরীরে প্রচণ্ড গরমের দমক লাগা, যৌনাঙ্গ শুকিয়ে যাওয়া, মাথা ঝিমঝিম করা, সমস্ত অস্থিগ্রন্থিতে ব্যথা, হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া, স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া, স্তনের ও জরায়ুর ক্যান্সারের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাওয়া। এসবই প্রমাণ করে, প্রকৃতির কাছে নারীজীবনের প্রয়োজনীয়তা তখন প্রায় শেষ। কেননা সন্তান জন্ম ও প্রতিপালনের মৌলিক দায়িত্ব সমাপ্ত করে ফেলেছে নারী। এখন সে ইহলোক পরিত্যাগ করলে জীব বা জগতের কিছু আসে-যায় না। প্রকৃতির এই খামখেয়ালি, ইচ্ছা বা অবহেলা পুরুষ তার বিভিন্ন আচরণের মাধ্যমে ব্যক্তিজীবনে প্রতিফলিত করে। বার্ধক্যের সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের শরীরেও যৌন হরমোনের নিম্নগতি লক্ষ করা যায়, যৌনাকাঙ্ক্ষাও আগের মতো তীব্র থাকে না। কিন্তু এর মাত্রা এবং বহিঃপ্রকাশ তেমন প্রচণ্ড নয়, যেমনটি দেখা যায় নারীর বেলায়। যার জন্যে আশি বা নব্বই বছর বয়সেও পুরুষ সন্তানের জন্ম দিতে সমর্থ, নারী নয়। পুরুষের শরীরেও বৃদ্ধ বয়সে প্রোস্টেটের ক্যান্সারের হার বেড়ে যায়, কিন্তু প্রথমত এই ক্যান্সার বৃদ্ধি পায় অতি ধীরে, ছড়ায় কম, এর চিকিৎসাও অপেক্ষাকৃত সহজ এবং এটি নিরাময়যোগ্য। পুরুষের স্তিমিত যৌনক্ষমতাকে চাঙ্গা করে তোলার জন্যে বাজারে কতরকম ওষুধ, টনিক ও পুষ্টি-সম্পূরকের ব্যবস্থা! আরো কত গবেষণা চলছে নতুন নতুন ও উন্নতমানের পুরুষের যৌন-উত্তেজক ওষুধ আবিষ্কারের। নারীর জন্যে এ-ধরনের প্রায় কিছুই নেই। জাপানে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি আবিষ্কারের পর পঁয়ত্রিশ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যাওয়ার পরও তা বাজারজাত করার ছাড়পত্র দেওয়া হয় নি। অথচ ভায়াগ্রার মতো ওষুধ আবিষ্কৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাপানের বাজার ছেয়ে গেছে, ভায়াগ্রাকে বাজারজাত করার ছাড়পত্র পেতেও একটু দেরি হয় নি জাপানে। জগৎজুড়ে এই নিয়ে প্রবল বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে অবশ্য শেষ পর্যন্ত অর্থাৎ পুরুষের যৌন-উত্তেজক বড়ির ছাড়পত্র দেওয়ার পর জাপানে অবশেষে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির বাজারজাত করার অনুমতি পাওয়া গিয়েছে।

    ফলে দেখা যাচ্ছে, প্রকৃতিদত্ত জৈবিক বৈষম্যকে পুঁজি করে পুরুষ ও সমাজ বরাবর নারীকে দাবিয়ে রাখার প্রচেষ্টা চালিয়েছে। আগেই বলা হয়েছে, জীবনের প্রথম দশকে নারী ও পুরুষশিশুর মধ্যে তেমন পার্থক্য বা বিভেদ লক্ষ করা যায় না। কিন্তু প্রথম দশকের পর থেকেই নারী-পুরুষ সম্পর্কে সবসময়েই একটা অসমতা বিরাজ করে, যা জীবনের শেষপ্রান্তে না আসা পর্যন্ত কোনো সমঝোতায় পৌঁছায় না, বিশেষ করে আমাদের দেশে, যেখানে স্ত্রীর চাইতে স্বামীর বয়স অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কিছুটা বেশি হয়। জীবনের দ্বিতীয় দশকে মেয়েরা যখন কিশোরী বা কৈশোরোত্তীর্ণ, তাদের মনে পুরুষ সম্পর্কে আগ্রহ জাগে। মনের ভেতর নানা ধরনের রোমান্টিক চিন্তা ও প্রত্যাশা জন্মায়। প্রেম ও প্রেমিক সম্পর্কে রোমান্টিক সব স্বপ্ন দেখতে শুরু করে মেয়েরা। হরমোনের বিচিত্র কাণ্ডকারখানা তাদের শরীরে কাঁপন তোলে—শিহরণ জাগায়। হৃদয় আর্দ্র হয়ে ওঠে। পুরুষের চিন্তা ও পুরুষসঙ্গ ভালো লাগতে শুরু করে। পুরুষের কাছাকাছি আসা, এক-আধটু আলতো ছোঁয়া, পাশাপাশি বসে কথা বলা ইত্যাদি ব্যাপারে আগ্রহ বাড়ে মেয়েদের; কিন্তু তখন এই বয়সের পুরুষসঙ্গী প্রচণ্ড যৌন তাড়নায় ভোগে। রোমান্টিক চিন্তা-টিন্তা নয়, সরাসরি যৌনকেলিতে অংশগ্রহণ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে পুরুষ। ফলে প্রেমে হাবুডুবু খেতে-থাকা প্রেমিকা বা সদ্য বিবাহিত স্ত্রী হতাশ হয় স্বামীর আগ্রাসী আচরণে—তার একরৈখিক জৈবিক চাহিদায়। কেননা, নারীর যৌন-আকাঙ্ক্ষার তীব্রতা তখনো ততটা প্রকট হয় নি, যেমন হয়েছে তার রোমান্সের ধারণার, আদর ও নরম সোহাগের আকাঙ্ক্ষার। এসব আকাঙ্ক্ষা ও আকর্ষণের পরিণতিতেই কেবল যৌন-সংসর্গ উপভোগ্য হয়ে উঠতে পারে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দশকের মেয়েদের জীবনে। এছাড়া নয়। এরপরের দুই দশকে, অর্থাৎ ত্রিশ ও চল্লিশের কোঠায়, নারীর যৌনতা আস্তে আস্তে জেগে ওঠে। পুরুষসঙ্গীর জন্যে আকুল হয় মন। কামভাবে কাতর নারী স্বামী বা প্রেমিকের শারীরিক সান্নিধ্য কামনা করে প্রবলভাবে। কিন্তু ততদিনে পুরুষ তার সঙ্গিনীর শরীর সম্পর্কে এতটাই অবগত ও পরিচিত হয়ে পড়েছে যে, তার দেহ-সম্পর্কে আগের সেই আগ্রহ আর থাকে না তার। পুরুষ বরাবরই জয় করতে ভালোবাসে। নারীকে বশে এনে তাকে উপভোগ করার পর বিজয়ীর আনন্দ যতটা না সে উপভোগ করে, তার চেয়ে বেশি বোধ করে সে পুরাতনের প্রতি ক্লান্তি ও একঘেয়েমি। ত্রিশ ও চল্লিশের দশকের পুরুষ তার পেশা, কর্মক্ষেত্র, বন্ধুদের সঙ্গে গল্পগুজব, ব্যবসা গোছানো—বলতে গেলে তার পেশায় প্রতিষ্ঠা বা সাফল্য লাভেই বেশি মনোযোগী, বেশি উদ্যোগী হয়ে ওঠে। ঘরের চাইতে বাইরেই সময় কাটে বেশি তার। এইসময় শিশুসন্তান ও বাড়ন্ত সংসারে বন্দী নারী নানানভাবে মুক্তি খোঁজে। কেউ তার যাপিত জীবনের ক্লান্তি ও একঘেয়েমি দূর করতে ফুলের বাগান করে, কাঁথা সেলাই করে, ছেড়ে দেওয়া গানের অনুশীলন শুরু করে, কবিতা পাঠ করে, সাহিত্য রচনার চেষ্টা চালায় অথবা নিজের অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্যে সমমনা মানুষ খোঁজে। সেই মানুষটি আরেকটি নারী হলে সমস্যা তেমন হয় না। পুরুষ হলে, বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে, না গড়ে উঠলেও অপবাদের ঝড় ওঠে।

    এর পরের দশকে সন্তানরা আরো যখন বড় হয়, মায়েরা সন্তানের পড়াশোনা, চাকরি-বাকরি ও সর্বাঙ্গীণ কল্যাণে এতটাই ব্যস্ত থাকে যে, সন্তান ও স্বামী ছাড়া বাকি যেটুকু সময় থাকে তার সবটাই প্রায় কাটে দৈনন্দিন রান্নাবান্না, আতিথেয়তা ও লৌকিকতায়, সঙ্গে জীবিকা অর্জনের দায়িত্ব থাকলে তো কথাই নেই। এইসময় রজঃনিবৃত্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায় নারীশরীরে। যৌনতার আগ্রহ হারাতে বসে নারী। আর সেই সময় পেশায় প্রতিষ্ঠিত ও পরিতৃপ্ত অথবা পেশা কিংবা ব্যবসায় ব্যর্থ এবং হতাশ পুরুষ বাইরের দিকে ঝুঁকে পড়ে আরো বেশি। স্বামী, সন্তান ও সংসারে সমর্পিত প্রাণ, নিবেদিত জীবনের অধিকারী স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ আরো কমে যায় তার। অনাসক্ত হয়ে পড়ে পুরুষ অনুত্তেজক একঘেয়েমিতে ভরা অতিপরিচিত স্ত্রীর প্রতি। অনেক পুরুষই এসময় অন্য নারী বিশেষ করে অল্পবয়সী নারীদের প্রতি দারুণ আগ্রহ, আসক্তি ও আকর্ষণ বোধ করে। নিজের পড়াশোনা, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও রুচি দিয়ে কোমলমতি অল্পবয়সী তরুণীদের মুগ্ধ করার প্রতি, তাদের মনে দাগ কাটার প্রতি তীব্র আকর্ষণ জন্মে তখন পুরুষের। সবসময় যৌন-সম্পর্ক পর্যন্ত তা না গড়ালেও যৌন অনুষঙ্গ ও যৌন ফ্যান্টাসি থেকেই যায়। আর থাকে জয়ের বাসনা। এছাড়া তাস বা দাবা খেলা, ক্লাবে যাওয়া, রাজনীতি বা খেলা নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা কিংবা স্রেফ বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডা দিয়ে রাত করে ঘরে ফেরা নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। মোটকথা, ঘরের চাইতে বাইরে সময় কাটাতেই বেশি আগ্রহী হয়ে পড়ে পুরুষ এসময়। সংসার ও স্ত্রীর প্রতি তার এই উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হলে সে বলবে, সারাজীবন এ- সংসারের ঘানি টেনেছে সে। এখন এ বয়সে, একটু নিজের দিকে তাকানো দরকার, একটু আনন্দ-ফুর্তি করা দরকার। জীবন তো একটাই। কিন্তু নিজের দিকে তাকানো বা আনন্দ-ফুর্তি করার অধিকার কি কেবল পুরুষেরই রয়েছে? ঘরের নারীটির কথা কে ভাবে? তার কি সেই অধিকার কোনোদিনই থাকবে না? সে যাই হোক, বাইরের দিকে ঝুঁকেপড়া স্বামী আর সংসারে আরো বেশি নিবেদিত স্ত্রী আস্তে আস্তে দুই পৃথিবীর বাসিন্দা হয়ে পড়ে। পুত্র-কন্যা উচ্চশিক্ষার্থে, কর্মোপলক্ষে অথবা বিবাহোত্তরকালে ঘর ছেড়ে চলে গেলে সংসারে বিরাট যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়, তাকে মাঝে মধ্যে ভেঙে দেয় কেবল পরস্পরের প্রতি তিক্ত অভিযোগ, অনুযোগ, তর্ক ও ঝগড়া। এসবের অধিকাংশই তাৎক্ষণিক কোনো ঘটনা বা কর্মের সঙ্গে সবসময় সম্পর্কিত হয় না। হয়তো সারাজীবনের আহরিত অভিজ্ঞতা থেকে সঞ্চারিত যে ক্ষোভ, কোনো ছোটখাট বা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হঠাৎ তা বিস্ফোরিত হয়ে পড়ে মাত্র। যৌন-আকর্ষণ ও যৌন- আকাঙ্ক্ষা স্তিমিত হয়ে আসায় এ-ধরনের মনোমালিন্য ঘোচাবার মহৌষধ হিসেবে আগের মতো যৌন-সংযোগের ব্যবহারও প্রায় অনুপস্থিত হয়ে পড়ে। ততদিনে তাদের জীবন হয়ে পড়ে অনেকটা ভাইবোনের মতো, প্রায়শই অযৌন।

    পাশ্চাত্যে একটা মজার বিষয় লক্ষ করা যায়। প্রথম বয়সে পুরুষ-নারী যখন উভয়েই তরুণ ও স্বাস্থ্যবান, তখন স্বামী-স্ত্রীর যৌথ বিছানা হয় ডাবল অথবা কুইন সাইজের। কিন্তু বয়স যত বাড়ে, যত বৃদ্ধ হয় দম্পতি, ততই দেখা যায় তাদের যৌথ বিছানার পরিধির বিস্তার অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। বেশিরভাগ বয়স্ক স্বামী-স্ত্রীই ঘুমোয় কিং সাইজের বিশাল বিছানায় যা দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে সমান, অথবা দুটি ভিন্ন টুইন সাইজ বিছানায়। এ শুধু একজনের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে আরেকজন, এই সহানুভূতি বা আশঙ্কা থেকেই নয়। অথবা শারীরিকভাবে অশক্ত এবং অপেক্ষাকৃত কম সতর্ক বয়স্ক দম্পতির খাট থেকে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বা ভয় থেকেও নির্ধারিত নয়। পঞ্চাশ এবং ষাটের দশকে অনেক স্বামী-স্ত্রীই পরস্পরের কাছ থেকে শারীরিকভাবে যতটা সম্ভব দূরে থাকতেই পছন্দ করে। এ অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন ও উন্নতি লক্ষ করা যায়——যখন তাদের সন্তানদের ঘরে ছেলেপুলে আসতে শুরু করে, যখন নাতি-নাতনি বড় হতে থাকে। আরেকটি নতুন প্রজন্মের আগমনে অর্থাৎ নাতি-নাতনিকে পেয়ে তাদের আদর করতে গিয়ে—নিজেদের রক্ত চোখের সামনে চলতে ফিরতে লাফাতে দেখে——বৃদ্ধ- বৃদ্ধা আবার নতুন করে নিজেদের আবিষ্কার করতে শুরু করে। নাতি-নাতনির মাধ্যমে নিজেদের সন্তানদের শিশুকালের কথা স্মরণ করে তারা। এই স্মৃতি রোমন্থন ও তুলনা তাদের পুলকিত করে, উত্তেজিত করে। তাছাড়া শিশুসন্তানের সঙ্গে শিশু নাতি-নাতনির বড় পার্থক্য এখানে যে, নাতি-নাতনিকে ইচ্ছামতো আদর করা যায়, চটকানো যায়, যা খুশি করতে দেওয়া যায়, প্রচণ্ড প্রশ্রয় দেওয়া যায়, নিজের সন্তানের মতো তার প্রতি তেমন দায়দায়িত্ব থাকে না, তাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করার জন্যে কঠোরও হতে হয় না। ফলে চোখের সামনে নিষ্পাপ শিশুর বেড়ে-ওঠা পর্যবেক্ষণ করে নির্মল আনন্দ পাওয়া যায়, অথচ কোনো দায়িত্ব বা কর্তব্য ঘাড়ে নিতে হয় না। আর তাই জীবনের প্রথম দশকের পর পুরুষ ও নারী আবার একটা সাধারণ খেলার মাঠের সন্ধান পায় একেবারে শেষ বয়সে এসে। জীবনের শেষ দশকে, বা শেষ দুই দশকে–তৃতীয় প্রজন্মকে নিয়ে।

    ফলে সব মিলিয়ে দেখাই যাচ্ছে, প্রকৃতি ও পুরুষ উভয়েই নারীকে বরাবর তাদের প্রয়োজনে ব্যবহার করে এসেছে—পুরুষ তার যৌনলিপ্সায় ও তার বংশরক্ষার খাতিরে এবং প্রকৃতি তার সৃষ্টির ধারাবাহিতা বজায় রাখার জন্যে। কিন্তু পুরুষ-প্রকৃতি কেউই নারী আসলে কী চায়—নারীর প্রকৃত কল্যাণ কোনভাবে আসতে পারে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়। এই অবস্থায় নারীকেই তুলে নিতে হবে দায়িত্ব এই দুই মহাশক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে নিজের অধিকার, ইচ্ছা-অনিচ্ছার সামাজিক স্বীকৃতি আদায়ের।

    নারী জানে, সন্তান এবং নাতি-নাতনি শুধু প্রজন্ম রক্ষার খাতিরেই নয়, নির্মল আনন্দ পাওয়ার জন্যে, নিজের জীবনের পরিধি বিস্তৃত করার জন্যেও দরকার। কিন্তু প্রজন্ম সৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে বা তার বদলেও (যদি কোনো নারী সন্তানহীন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়) দরকার মানুষ হিসেবে তার মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। কীভাবে তা করবে নারী? প্রধানত, তিন উপায়ে : শিক্ষা, জীবিকা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে। পুরুষ ও প্রকৃতির কাছে অসহায়ভাবে সমর্পিত হওয়ার বদলে জ্ঞান, অর্থোপার্জন ও প্রযুক্তি নারীর সামনে তুলে ধরে একাধিক পথের সন্ধান। কিছু কিছু ব্যাপারে নিজের ইচ্ছামতো পছন্দ করার, বেছে নেওয়ার, বিকল্প খোঁজার, সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পায় নারী যা আগে পেত না সে। শিক্ষা নারীকে শুধু কর্মক্ষম ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতেই সাহায্য করে না, শিক্ষার আলোতে অনেক কুসংস্কার এবং ভ্রান্ত বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের অসারতা সম্পর্কেও সচেতন হয় নারী। সেইসঙ্গে পরিচিত হয় সভ্যতা ও প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে। নারী-অবদমনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার, তথ্য এবং প্রযুক্তির সঙ্গে নারীকে সম্পৃক্ত হতে না দেওয়া—সভ্যতা ও জ্ঞানের আলো থেকে তাকে আড়াল করে রাখা। শিক্ষা এবং জীবিকার মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে ও নীতিগতভাবে নারী যদি স্বাবলম্বী হয়, পুরুষ ও প্রকৃতির অবমূল্যায়নের ও বৈষম্যের ধাক্কা অনেকটাই সামলে উঠতে পারবে সে। বিজ্ঞানের আবিষ্কার আর প্রযুক্তির ব্যবহারে নারী তার দৈহিক অনেক সীমাবদ্ধতাই কাটিয়ে উঠতেও সমর্থ হবে। আগেই বলেছি, শিক্ষা এবং প্রযুক্তি নারীর অসহায়ত্ব ঘুচিয়ে তার সামনে পছন্দ করে নিজের মনমতো বেছে নেওয়ার মতো কিছু জরুরি উপকরণ ও পথের সন্ধান দেয়। যেমন দিয়েছে পিল।

    বৈজ্ঞানিক তথ্য থেকেই আমরা জানতে পারি, উন্নয়নশীল দেশের মেয়েদের জীবনে গড়ে যতবার মাসিক মোকাবিলা করতে হয়, তারচেয়ে অনেক বেশি মাসিক মোকাবিলা করতে হয় উন্নত দেশের মেয়েদের। এর প্রধান কারণ, প্রথমোক্ত মেয়েরা ঘন-ঘন গর্ভবতী হয় এবং দীর্ঘদিন স্তন্যদান করে। এমনো দেখা যায় যে, দুই সন্তান জন্মের মাঝখানে কোনো কোনো তৃতীয় বিশ্বের নারী একবারও মাসিকের মুখ দেখে না। এছাড়া পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের জন্যেও মাসিকের আবির্ভাব থেকে তিরোধানের সময়টা কম তৃতীয় বিশ্বে। কিন্তু মাসিক কম বা বেশি সংখ্যায় হওয়ার সঙ্গে স্বাস্থ্যের সরাসরি কোনো যোগাযোগ আজো আবিষ্কৃত হয় নি। পিলের আবিষ্কার নারীকে যৌনকর্মে অংশগ্রহণ করেও অনিবার্যভাবে সন্তানবতী হওয়ার সম্ভাবনা থেকে মুক্তি দিয়েছে। ইদানীং এমন পিলও বাজারে এসেছে যার ব্যবহারে শুধু গর্ভধারণ রোধ হবে না, তিন বা চার মাস অন্তর অন্তর একবার মাত্র মাসিক দেখা দেবে। এই বছরেই বাজারে এসেছে এমন একটানা পিলও, যা স্থায়ীভাবে মাসিক বন্ধ করে দেবে। কথাটা শুনে অনেকেই চমকে উঠবেন এই বলে যে, এটা অস্বাভাবিক এবং প্রকৃতি-বিরুদ্ধে কাজ এবং স্বভাবতই হয়তো স্বাস্থ্যের পরিপন্থী। এই বড়ি গ্রহণ স্বাস্থ্যসম্মত কি না, দীর্ঘ ব্যবহারে কোনো বড় রকম ঝুঁকি রয়েছে কি না জানতে আরো সময় লাগবে। তবে বর্তমান গবেষণার ফল অনুযায়ী এটি নিরাপদ।

    একটা কথা অনেকেরই জানা নেই, আর সেটি হলো, গতানুগতিক জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাওয়ার পর মাসশেষে নির্ধারিত দিনে যে মাসিক হয়, তার সঙ্গে প্রাকৃতিক মাসিকের কোনো তুলনাই হয় না। মেয়েদের স্বাভাবিক জৈবচক্রে মাসে একবার ডিম্বকোষ থেকে ডিম্বাণুর নির্গমন ঘটে এবং জরায়ু প্রস্তুত হয় ভ্রূণকে আশ্রয় দেওয়ার জন্যে; কিন্তু সেই মাসে শুক্রাণুর সঙ্গে মিলে ভ্রূণের সৃষ্টি যদি না হয়, মাসশেষে জরায়ুর পর্দা ছিঁড়ে রক্তপাত হয়, যাকে আমরা মাসিক বলি। কিন্তু জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলে ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণুর নিষ্কাশনই ঘটে না (অর্থাৎ ওভুলেশনই হয় না)। ফলে ভ্রূণের সৃষ্টি বা তার প্রত্যাশায় জরায়ুর বিশেষ প্রস্তুতির প্রশ্ন আসে না। মাসশেষে যে মাসিকের মতো রক্তপাত হয়, সেটা কেবল এজন্যেই ঘটে যে, মাসশেষে কয়েকদিন হরমোন পিল খাওয়া হয় না। যারা পিল খায় না মাসজুড়ে স্বাভাবিকভাবে তাদের হরমোনের যে ওঠানামা চলে শরীরে, পিলের প্রভাবে তা ঘটে না। প্রতিদিনই একই রকম একই সমান হরমোন শরীরে থাকে পিল-গ্রহণকারীদের। আর তাই হঠাৎ করে মাসশেষে কয়েকদিন ওই হরমোন তুলে নেওয়ার ফলে জরায়ু ছিঁড়ে রক্তপাত হয়—যা প্রাকৃতিক মাসিকের মতো দেখায়; কিন্তু আসলে তা নয়। সর্বশেষ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি, যা মাসিককে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয় (যতদিন এই বড়ি ব্যবহার করা হয়), তৈরি করা হয়েছে বিশেষত সেসব নারীর কথা চিন্তা করে, যারা মাসিকের সময় বিশেষ শারীরিক যন্ত্রণার শিকার হন, অথবা যারা কর্মোপলক্ষে অথবা জীবনের অন্য কোনো প্রয়োজনে মাসিকের বিড়ম্বনা এড়াতে চান। প্রতিমাসে একবার মাসিক যে নারীস্বাস্থ্যের জন্যে জরুরি নাও হতে পারে তার সপক্ষে দেওয়া যায় বেশ কয়েকটি অবস্থার উদ্ধৃতি : (১) অন্তঃসত্ত্বাকাল, (২) জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ির ব্যবহার, (৩) জরায়ু বা ডিম্বকোষের অস্ত্রোপচার ও অপসারণ, (৪) দুগ্ধদানকাল। শুধু মাসিক ব্যবস্থাপনা ও জন্মনিয়ন্ত্রণই নয়, শিক্ষা ও প্রযুক্তি আরো অনেকভাবেই নারীর স্বাবলম্বিতা ও ক্ষমতায়ন ঘটিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে সন্তানবতী হতে অপারগ নারীরাও প্রযুক্তির মাধ্যমে আজকাল সন্তানবতী হচ্ছে—এমনকী রজঃনিবৃত্তির বহু পরেও তাদের গর্ভবতী হওয়ার প্রযুক্তি এখন আয়ত্তের ভেতর। পাম্পের মাধ্যমে দুগ্ধ নিষ্কাশন ও রেফ্রিজারেটরে তা জমা রেখে পরবর্তীকালে শিশুকে পান করাবার ব্যবস্থাও দুগ্ধবতী নারীকে কর্মক্ষেত্র থেকে দীর্ঘদিনের বিরতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্তি দিয়েছে। রজঃনিবৃত্তির নানান উপসর্গের জন্যে হরমোন প্রতিস্থাপনের ব্যবস্থা ও গবেষণা ক্রমাগত উন্নততর ফলাফল দিচ্ছে। শরীরচর্চা, যোগব্যায়াম ও কারাতের মাধ্যমে শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ও আত্মরক্ষার ব্যাপারেও অনেক নারী আজ সচেতন হয়েছে।

    সবশেষে, ধর্ষণের মতো অপরাধ এবং এ-ব্যাপারে দৈহিক গঠনের কারণে নারীর অসহায়ত্ব নিয়ে কিছু না বললে নয়। ধর্ষণ এমন একটি অপরাধ যা দুর্ভাগ্যক্রমে ধনী- দরিদ্র সমস্ত সমাজেই রয়েছে—সর্বকালেই রয়েছে। পুরুষের এই বলাৎকার বন্ধ করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে দেশের আইন ও প্রশাসন। ডিএনএ-র বিশ্লেষণ অপরাধীকে সঠিকভাবে শনাক্ত করতেও সাহায্য করে উন্নত দেশগুলোতে। কিন্তু ধর্ষণের জন্যে যথোপযুক্ত বিচার ও শাস্তির ব্যাপারে যেমন আমরা সোচ্চার হবো, তেমনি ধর্ষণ-সম্পর্কে সামাজিক ধারণা ও মূল্যবোধ পাল্টনোর ব্যপারেও আমাদের সচেতন হতে হবে। বাংলাদেশে আজ ধর্ষণের জন্যে প্রায়শই এখানে-ওখানে অল্পবয়সী মেয়েদের আত্মহত্যার সংবাদ শোনা যায় গণমাধ্যমগুলোতে। এটা নিদারুণ দুঃখজনক ও লজ্জাকর ব্যাপার। ধর্ষণকে শারীরিক অন্য যে-কোনো প্রচণ্ড প্রহার বা নির্যাতনের সমকক্ষ ভাবার মানসিকতা গঠন করার চেষ্টা করলে, এ-ধরনের আত্মহত্যা হয়তো ঠেকানো যেত। ধর্ষণ যে-করেছে সে-ই শুধু অপরাধী, যাকে ধর্ষণ করা হয়েছে, সে সম্পূর্ণ নিরপরাধ ও নিষ্পাপ। এ বিশ্বাসে, কর্মে, ব্যবহারে প্রমাণ করতে হবে ধর্ষিতা ইজ্জত হারায় নি, হারিয়েছে সমাজ—যদি ধর্ষককে শনাক্ত করে বিচার ও শাস্তির ব্যবস্থা না করতে পারে। যে-দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে দুই থেকে তিন লাখ নারী ধর্ষিত হয়েছে, সে-দেশে ধর্ষণ-সম্পর্কে আমাদের এত বাড়াবাড়ি রকম স্পর্শকাতরতা বজায় রাখা ঠিক নয়, যা আমাদের অবুঝ নিষ্পাপ মেয়েগুলোকে আত্মহত্যা করতে প্ররোচিত করেছে। প্রকৃতিদত্ত শারীরিক গঠন আমরা পরিবর্তন করতে না পারি, আমাদের মানসিকতা ও মূল্যবোধ অবশ্যই পারি পাল্টাতে। আর পারি চেষ্টা করতে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার, যে- শাসন ধর্ষণের মতো অপরাধে লিপ্ত অপরাধীর গুরুতর শাস্তি দেবে, কিন্তু ধর্ষণের শিকারকে গ্রহণ করবে সম্পূর্ণ নিঃশর্তভাবে —– সর্বোচ্চ সহমর্মিতার সঙ্গে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)
    Next Article হে সময় অশ্বারোহী হও – পূর্ণেন্দু পত্রী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }