Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নারী, সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু

    পূরবী বসু এক পাতা গল্প342 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নারী ও সংখ্যালঘু

    শুধুই মুসলমান

    বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর তিরানব্বইয়ের গোড়ার দিকে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকে নিউইয়র্কে আগত ও বসবাসরত কিছু লোক (আমাদের মতো দু- একজন ছাড়া যারা প্রায় সকলেই বয়সে তরুণ) একটি সংগঠন তৈরি করেছিল। নাম Concerned South Asians ।

    সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী সচেতনতা তৈরি ও অসাম্প্রদায়িকতার চর্চা ও বিকাশ‍ই মূল উদ্দেশ্য। এই সংগঠন আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে (নিউইয়র্কে) অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেছেন ভারতের আসগর আলি ইঞ্জিনিয়ার ও শাবানা আজমি। জ্যাকসন হাইটসের একটি রেস্টুরেন্টে এক বাসন্তী সন্ধ্যায় আয়োজিত অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে সম্পূর্ণ কালো কাপড়ে আচ্ছাদিত শাবানার একটি উক্তি আজও আমার মনে গেঁথে আছে। বলেছিলেন, ‘বাবরি মসজিদ ধ্বংস ও পরবর্তীকালের দাঙ্গার সবচেয়ে বড় কুফল আমার জীবনে এই যে, এক সময় আমার একই সঙ্গে যে অনেকগুলো পরিচয় ছিল যেমন আমি একাধারে একজন সচেতন ভারতীয় নাগরিক, একজন আধুনিক নারী, একজন ফেমিনিস্ট, অভিনেত্রী, একজন সমাজসেবক, একজন এক্টিভিস্ট, একজন মুসলমান— আমার সেইসব পরিচয় রাতারাতি মুছে গিয়ে শুধু একটি পরিচয়ই অবশিষ্ট রইল আর সেটা হল আমি একজন মুসলমান। অথচ আজও আমাদের বাড়িতে আমরা উদ্দীপনা নিয়ে দেওয়ালি ও ঈদ উদযাপন করি।

    শুধুই মেয়েমানুষ

    একটি শিক্ষিত, কর্মজীবী, স্বাবলম্বী তরুণী ব্যক্তিগত জীবনে যে কারওর কন্যা, কারওর প্রেমিকা বা স্ত্রী বা ভগিনী, পথ চলতে গিয়ে অথবা কর্মস্থলে কিংবা একা ঘরে বা জঙ্গলে যখন কোনও অবিবেচক, কামুক অথবা মারাত্মক অপরাধীর দ্বারা ধর্ষিত হয়, তখন তার সমস্ত পরিচয় নিমেষে মুছে গিয়ে একটি পরিচয়ই বড় হয়ে ওঠে। আর সেটা হল সে একটি ‘মেয়েমানুষ’। অন্য পক্ষে সেই মেয়েটি হতেও পারে অশিক্ষিত, গ্রাম্য অথবা শহুরে; হতে পারে সে গৃহবধূ বা অবিবাহিত বালিকা; কিছু আসে যায় না তাতে। তার প্রতি সংঘটিত নির্যাতন, ধর্ষণের পরিবর্তে অ্যাসিড নিক্ষেপ, মারাত্মক মারধর অথবা গলা টিপে হত্যাও হতে পারে যদি না কারও শারীরিক ক্ষুধা অথবা যৌতুকের লোভ মেটাতে সমর্থ হয় মেয়েটি। তখনও তার আর অন্য কোনও পরিচয় থাকে না। সে শুধুই মেয়েমানুষ।

    ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও নারীসমাজ

    এ উপমহাদেশে বিশাল দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে বাদ দিলে আর যে দুটো উল্লেখযোগ্য মানব সম্প্রদায় সবচেয়ে নিপীড়িত, সবচেয়ে অসহায়, সামাজিক সকল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকা সত্ত্বেও সবচেয়ে অবহেলিত, তারা নিঃসন্দেহে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও নারীসমাজ। আত্মসচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রাপ্য বা ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে উভয় সম্প্রদায়ই যথেষ্ট তৎপর। তবে সংখ্যায় পর্যাপ্ত হওয়ায় এবং রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়ের কাঠামোগত কিছু সুযোগ-সুবিধার কারণে গত দু-দশকে নারী আন্দোলন যতটা বেগবান হতে পেরেছে, সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী অথবা সংখ্যালঘু অধিকারের আন্দোলন ততটা এগিয়ে যেতে পারেনি। এ দেশের এনজিওসমূহও নারীর অধিকারসচেতনতা ও ক্ষমতায়নে বিগত দু যুগে অনেকটাই প্রভাব ফেলেছে; কিন্তু অসাম্প্রদায়িকতার আন্দোলনে ততটা পারেনি।

    একটু গভীরভাবে ভাবতে গেলে দেখা যাবে অন্তত চারটি মৌলিক ব্যাপারে এই দুটি অবহেলিত জনগোষ্ঠীর মধ্যে যথেষ্ট মিল রয়েছে।

    ১. নারী ও সংখ্যালঘু উভয়েই মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার আক্রমণের প্রধান লক্ষ্যবস্তু, যার মূলে রয়েছে কোনও ধর্মীয় উপাদান, ধর্মের অপব্যাখ্যা, অথবা শিক্ষার অভাব।

    ২. সংখ্যালঘু ও নারী উভয়েই সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও অর্থনৈতিক বৈষম্যের শিকার; সমঅধিকার ও মর্যাদা থেকে বঞ্চিত।

    ৩. কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া সাধারণত সংখ্যালঘু ও নারী, প্রবলভাবে প্ররোচিত না হলে, হিংসাত্মক ও বিধ্বংসী কাজে, দাঙ্গায়, হত্যায়, নিপীড়নে অংশগ্রহণ করে না। তারা মূলত শান্তিপ্রিয় ও সহাবস্থানে বিশ্বাসী।

    ৪. অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ বা জিঘাংসা প্রকাশে, বিশেষত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময়, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীরা আক্রমণের লক্ষ্য হলেও এরই ভেতর সেই ধর্মের নারী আবার বিশেষভাবে টার্গেট।

    নারী নেতৃত্ব ও নারীর অবস্থা

    ভারত উপমহাদেশের মতো সর্বোচ্চ পর্যায়ে নারী নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত পৃথিবীর যে- কোনও অঞ্চলে বিরল। ইন্দিরা গান্ধী, সোনিয়া গান্ধী, শ্রীমাভো বন্দরনায়েক, বেনজির ভুট্টো, খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা—এঁরা সকলেই আমাদের স্মরণকালের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। শুধু রাজনৈতিক দলের নেত্রীই নন বা ছিলেন না তাঁরা, রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন অথবা আছেন। বাংলাদেশের মতো দেশেও বর্তমানে নারী প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও সর্বজনশ্রদ্ধেয়া এককালের অগ্নিকন্যাসহ একাধিক অত্যন্ত শক্তিশালী নারী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন ও হচ্ছেন। এসব সত্ত্বেও এই অঞ্চলের নারীর অবস্থান বিশ্বের নারীকূলের মধ্যে নিকৃষ্টতম পর্যায়ে। এরাই সবচেয়ে বেশি বঞ্চনা ও নির্যাতনের শিকার (পরিসংখ্যান দিয়ে এ সত্যকে প্রতিষ্ঠিত বা মজবুত করারও আর প্রয়োজন হয় না)। “দক্ষিণ এশিয়ার মানব উন্নয়ন ‘৯৭-এর তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আজ তাই অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, যে দেশে একজন মহিলা রাজনৈতিক নেতা ক্ষমতার শীর্ষবিন্দুতে পৌঁছেছেন, কেমন করে সেখানকার অধিকাংশ নারী একেবারে প্রান্তিকীকরণের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকতে পারে? তা হলে এই তথ্য এটাই প্রমাণ করে যে ক্ষমতার সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে গেলে এইসব নারীনেত্রীরা তাঁদের নিজস্ব গোষ্ঠীর বিশেষ দুরবস্থার কথা আর পৃথকভাবে ভেবে দেখার সুযোগ পান না। তখন এই নারী নেতৃত্ব কি আসলে পুরুষ সংস্কৃতির প্রতিভূ হয়ে ওঠে? তা না হলে বাংলাদেশের আজকের নারী নির্যাতনের হার ও মাত্রা এমন চরম পর্যায়ে পৌঁছোবার পরও কেমন করে আমাদের নারী-মন্ত্রী, নারী-সংসদ সদস্যদের মধ্যে অন্তত একজনও এই বিশেষ ইস্যুগুলো নিয়ে চরম তোলপাড় করছেন না। এটা করলে কি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অথবা তাঁদের বিশেষ পোর্টফোলিওর কাজের সঙ্গে কোনও বিরোধ বাধত? অন্তত সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়াসেও তাঁরা বছরের বিশেষ বিশেষ দিনের জনসভাগুলোতে এইসব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে পারতেন। তাও করেন না তাঁরা। অথচ এ সরকার, শোনা যায়, জবাবদিহিতার সরকার। যে সত্য ও তথ্য সর্বজনবিদিত, যা ঐতিহাসিক সূত্রে পাওয়া, তার অস্তিত্ব মেনে নিয়ে, তার দায়ভার গ্রহণ করে কিছু শক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার ঝুঁকি কেন তা হলে তারা নিতে পারছেন না?

    স্থানীয় সরকার গঠনে ‘বাধ্যতামূলক মহিলাদের অংশগ্রহণের ব্যবস্থা নিঃসন্দেহে একটি শুভ পদক্ষেপ। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর দোরগোড়ায় দাঁড়িয়েও তারা একটি সার্বভৌম দেশে সকল নাগরিকের জন্যে প্রযোজ্য ইউনিফর্ম ফ্যামিলি কোড চালু করার সাহস পাচ্ছেন না আজও। নারী ধর্ষণ এবং নারী ও শিশু পাচারের বিরুদ্ধে কঠিন আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়। প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগীয় দুর্নীতি, ত্রুটি ও জটিলতা এড়ানোর ব্যাপারে সরকারের আরও সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। প্রয়োজন নারীর নিরাপত্তা (বিশেষত গার্মেন্টসকর্মী ও গৃহপরিচারিকাদের) ও স্বাস্থ্যসেবার (বিশেষত গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী নারীদের) নিশ্চয়তা বিধানে সত্ত্বর কিছু কর্মসূচি গ্রহণ

    নারী সংস্থাগুলোও নারীদের জন্যে, বাস্তব ও গঠনমূলক কাজ কতখানি করছে— আর কতটা করছে নিজেদের প্রচার ও সুনামের জন্যে সেটা বলা শক্ত। বিরানব্বইয়ের ডিসেম্বরে ধর্মীয় গোলযোগে নারী ধর্ষণের প্রতিবাদে মহিলা পরিষদ একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করবে কি করবে না সে সিদ্ধান্ত নিতে নেত্রীগণের এত বেশি তর্ক-যুক্তি ও বৈঠকের প্রয়োজন হয়েছিল যে, শেষ পর্যন্ত সেই মিছিল আদৌ বের হয়েছিল কি হয়নি, আমি আজও মনে করতে পারি না। আর একটি ঘটনা। অ্যাসিডদগ্ধ নারীদের পুনর্বাসনে নিবেদিত একটি নারী সংস্থার শীর্ষনেত্রীর সঙ্গে একবার কথা বলেছিলাম। আমার পরিচিত এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা একটি অ্যাসিডদগ্ধ নারীর সামগ্রিক চিকিৎসা (প্রয়োজনে বিদেশে গিয়ে প্লাস্টিক সার্জারিসহ) ও পুনর্বাসনের সম্পূর্ণ ব্যয়ভার বহন করতে চেয়েছিলেন—পুরোপুরি গোপনে ও বেনামিতে। ওই নারী সংস্থাই মেয়েটিকে বেছে নেবে এবং তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে। প্রায় ডজনখানেক ফোন নম্বর ও নাম দেওয়া সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত সেই নারীনেত্রী এ ব্যাপারে কোনও যোগাযোগ করেননি। হয়তো অ্যাসিডদগ্ধ মেয়েটি তার সুস্থতা ও চেহারা ফিরে পেলেও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের টাকার গন্ধে মূর্ছা যেত এ ভয়েই এটা করা হয়নি। এ ছাড়া এই আচরণের অন্য কোনও গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না।

    বুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিবিদদের অসাম্প্রদায়িকতার চালচিত্র

    অসাম্প্রদায়িকতার আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী আমাদের উপমহাদেশের বুদ্ধিজীবী সমাজ (মূলত পুরুষ লেখক, সাংবাদিক, পেশাজীবী) রয়েছেন আরেক চরম অবস্থানে। তাঁদের বক্তৃতায়, লেখায়, স্লোগানে কতগুলো শব্দের (জার্গন) এবং বাক্যের পুনঃ পুনঃ ও জোরালো ব্যবহারে আর সেইসঙ্গে কার্যত বা ব্যবহারিক জীবনে সেসব কোনও কিছু প্রতিফলন না ঘটাবার কারণে, এ সকল শব্দাবলী এতটাই গুরুত্ব ও ব্যঞ্জনা হারিয়ে ফেলেছে যে, আজকাল অনেক প্রগতিশীল লোকও এ গালভরা ‘মৌলবাদ’ ও ‘সাম্প্রদায়িকতা’র বিরুদ্ধে কথা শুনতে কেমন অস্বস্তি ও বিরক্তি বোধ করেন। আসলে ‘সাম্প্রদায়িক’ ও “নারী প্রগতি”র কথা বলা অনেকটা আধুনিক যুগের পোশাক ও চুলের সর্বশেষ ফ্যাশানের মতো ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এরকম কিছু বাক্যাবলি না বললে আধুনিক ও শহুরে জীবনে— সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গৃহিত হওয়ার সম্ভাবনা বুঝি কমে যায়। কিন্তু মুখে বা লেখায় প্রকাশিত এ সকল শব্দের প্রকৃত স্বরূপ, তাদের ব্যাপকত্ব, এইসব ব্যবহৃত শব্দাবলীর নির্মম শিকারদের আসল দুরবস্থা উপলব্ধি করার প্রয়োজনও কেউ বোধ করে না।

    আমাদের দেশের কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও অন্য বুদ্ধিজীবীরা বক্তৃতা ছাড়া মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও নারী স্বাধীনতার ব্যাপারে যদি প্রকৃতই কিছু করে থাকেন তার প্রায় সবটাই সীমিত উঁচু পর্যায়ের পরিশীলিত সংস্কৃতির বিকাশে; যেমন চারুকলায়, নৃত্যে, সঙ্গীতে, সুবেশ এবং সুন্দর প্রসাধনে সজ্জিত নারীর নান্দনিক উপস্থাপনায়, প্রদীপে, আল্পনায়, আনুষ্ঠানিকতায়, আর তাদের প্রকাশিত রচনাসম্ভারে, পুস্তকে, ক্যাসেটে, রেডিও, টেলিভিশনে। ব্যবহারিক দিক দিয়ে, দৈনন্দিন জীবনচর্চায়, সার্বক্ষণিক জীবনযুদ্ধে তার প্রতিফলন একেবারেই ঘটছে না। স্বীকার করি লেখক-কবিরা সমাজসংস্কারক নন। সমাজের অসামাঞ্জস্য, বৈপরীত্য, সমস্যা ও অন্যায়গুলোই কেবল তারা তুলে ধরবেন। এর সমাধান আনবে অন্যজনেরা। কিন্তু তারা কারা?

    অপর দিকে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের আমলেও এবং বাংলাদেশের মতো দেশের মোট জনসংখ্যা এক-অষ্টমাংশের বেশি হওয়া সত্ত্বেও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মধ্য থেকে একাধিক পূর্ণমন্ত্রী নেই, নেই কোনও রাষ্ট্রদূত পৃথিবীর কোথাও। যেখানে জনৈক সংখ্যালঘু আধামন্ত্রীকেও তার আসন সুরক্ষিত রাখার জন্যেই হয়তো অনর্থক জোরেজোরে প্রচার করতে হয় (এমনকী ঘরোয়া বৈঠকেও), বাংলাদেশের কোথাও সাম্প্রদায়িকতার কোনও অস্তিত্ব নেই, সেখানে সরকারের কাছে সংখ্যালঘুরা খুব বেশি কিছু আশা করতে পারে না। সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের এক সময়কার প্রগতিশীল ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী মন্ত্রীও এখন ধর্মের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশি আপসকামী— বিশেষ করে সাম্প্রদায়িকতার উৎখাতে। সংবিধানের বেশ কিছু অশুভ সংযোজন ও পরিবর্তন বাতিল করার জন্যে জাতীয় সংসদে ও মন্ত্রণালয়ে তাঁরা যথেষ্ট তৎপর থেকে সফল হলেও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক পরিবর্তনের ব্যাপারে, যেমন ধর্মনিরপেক্ষতার পুনর্বাসনে, রাষ্ট্রধর্ম ও শত্রু সম্পত্তি আইন বাতিলের প্রসঙ্গে অথবা সরকারি নিয়োগের জন্যে সুষ্ঠু নীতিমালা প্রণয়ন ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে, তেমন উৎসাহ দেখান না। ফলে বিকল্প পথের অনুসন্ধান একান্তই জরুরি হয়ে পড়েছে।

    অসাম্প্রদায়িকতা চর্চা ও নারী আন্দোলন : যৌথ প্ৰয়াস

    উপরে উল্লিখিত বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করলে এমন একটা ধারণা করা যায় যে, নারী আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী আন্দোলনকে যদি একত্রিত করে যোগ্য নেতৃত্বের হাতে ছেড়ে দেওয়া যেত, এ আন্দোলন আরও বেগবান, আরও ফলপ্রসূ হত। হয়তো এই অবহেলিত দুটি সম্প্রদায়েরই শুভ কিছু ঘটতে পারত—পারত তাদের অবস্থার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটাতে। এ কাজটি করা দরকার কেবল নারী ও সংখ্যালঘু স্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থে–আপামর জনসাধারণের স্বার্থে— উপমহাদেশের অর্থনৈতিক, ভৌগোলিক ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের স্বার্থে! কিন্তু কারা নিতে পারে এ দায়িত্ব? তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন সচেতন নাগরিক, যারা এই দু- সম্প্রদায়ের প্রতি বৈষম্য ও অবিচারে প্রকৃতই সমব্যথী এবং এর প্রতিকারে গঠনমূলক ও বাস্তব কর্মসূচি গ্রহণে পুরোপুরি সৎ, নিবেদিত এবং তৎপর। এর জন্যে যে পরিমাণ চিন্তা, সময় ও পরিশ্রম দেওয়া দরকার, যে তৃণমূল পর্যায়ে এর কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন, যে মৌলিক তথ্যসমূহ ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া জরুরি, তার জন্য চাই শুধু কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নয়-ভালো নেটওয়ার্কিংসহ এক বা একাধিক জনহিতকর সংস্থার অবদান। আমরা লক্ষ করেছি গতানুগতিক নারী সংগঠনসমূহ, বুদ্ধিজীবীবৃন্দ, রাজনীতিবিদগণ এবং সরকার এই দুটি সমস্যার ব্যাপারেই “ধরি মাছ না ছুঁই পানি” নীতিমালা মেনে চলেছেন। ফলে এর জন্যে তৃতীয় ধারার নেতৃত্ব খুঁজে বের করতে হবে—যাতে দুটো সমস্যাকেই একসঙ্গে মোকাবিলা করা যায়। তৃণমূল পর্যায়ে বাস্তব কর্মসূচির মধ্যে থাকবে :

    ১. নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার সঙ্গে তাদের মূল্যবোধে এই বিশ্বাস জাগ্রত করা যে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে শুধু অন্য ধর্মাবলম্বীকেই নয়, নারীর সামগ্রিক উন্নয়ন, নারীর স্বার্থও খাটো করে দেখা হচ্ছে। সাম্প্রদায়িকতাজনিত সামাজিক ও অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার পরিণামে নারীই হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্ৰস্ত।

    ২. নারী ও সংখ্যালঘুদের উদ্দেশ্য করে নিন্দার্থে এবং তাচ্ছিল্যের সঙ্গে উচ্চারিত ‘মেয়েমানুষ’ বা ‘মালাউন’ জাতীয় কিছু শব্দাবলীকে পুরোপুরি অকেজো ও গুরুত্বহীন করে দেওয়ার একমাত্র উপায় এগুলোর ব্যাপারে অতিরিক্ত স্পর্শকাতরতা কাটিয়ে ওঠা। শওকত ওসমান দারুণ একটা ভালো ও সাহসী কাজ করেছেন রণেশ দাশগুপ্তের মতো “মালাউন” হতে চেয়ে। এভাবেই জনসম্মুখে এগুলোর অস্তিত্ব স্বীকার করে নিয়ে, প্রয়োজনে পরস্পরকে এমনকী নিজেদেরকে ওইসব শব্দে সম্বোধন করে এগুলো সম্পর্কে সকলকে পরিপূর্ণভাবে স্পর্শকাতরতাহীন করে দিতে হবে। এর ফলে কাউকে তুচ্ছ বা অপমান করার জন্যে আড়ালে-আবডালে ওগুলো বলে কেউ আর বিজাতীয় আনন্দ পাবে না—অন্যের মনকে কলুষিত করতে উৎসাহ বোধ করবে না। পুরোপুরি ‘ডিমিস্টিফাইড’ হয়ে যাবে শব্দগুলো।

    ৩. সন্তান পালনে এ উপমহাদেশে আজও যেহেতু মায়ের ভূমিকার বিকল্প নেই, মায়ের মধ্যে অসাম্প্রদায়িক ও আধুনিক মূল্যবোধের যোজনা ভবিষ্যৎ নাগরিকের মানসিক বিকাশ ও জীবনবিশ্বাসে প্রতিফলিত হবে বলে আশা করা যায়।

    ৪. নারীরা দাঙ্গাতে প্রায় কখনওই অংশগ্রহণ করে না। কিন্তু দাঙ্গা প্রতিরোধেও তারা তেমন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেয় না। সাম্প্রদায়িকতাকে যদি নারীসমাজ পুরুষতান্ত্রিক শোষণেরই একটি প্রকাশ বলে মেনে নিতে পারেন, তা হলে সাম্প্রদায়িক বৈষম্য ও দাঙ্গার সময় তারা আরও গঠনমূলক কর্মসূচি, এমনকী দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন।

    ৫. আর মেয়েরা যদি নিজেরা অর্থোপার্জনে সক্ষম হন, স্বাবলম্বী হন, তা হলে তাদের স্বামী, পিতা বা পুত্রকে সংখ্যালঘুর সম্পত্তি জবরদখলের মাধ্যমে সহজ পদ্ধতিতে রাতারাতি ধনী হওয়ার লোভ সংবরণ করতেও বাধা দিতে পারেন। সৎভাবে পরিশ্রমে উপার্জিত অর্থে জীবনকে সুন্দরতর করার স্পৃহা, যদি একবার দানা বাঁধে নারীকুলে, সেইসঙ্গে যদি তাদের চোখে সমাজের বাস্তব জলছবিটা পরিষ্কারভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়, তা হলে তারা সংখ্যালঘুর সম্পত্তি বা নারীর প্রতি পুরুষদের লোলুপ দৃষ্টিকে নিজেরাই প্রতিহত করার চেষ্টা করবেন।

    ৬. অন্যদিকে সংখ্যালঘু সমাজও যদি উপলব্ধি করে সংখ্যায় লঘু না হওয়া নারীরাও তাদের মতোই বঞ্চিত, শোষিত ও নির্যাতিত, তা হলে তাদেরও আর আগের মতো নিজেদেরকে একমাত্র অসহায় ও সমাজচ্যুত সম্প্রদায় বলে মনে হবে না। একত্রে অধিকার আদায়ের আন্দোলনে শরিক হওয়ার সদিচ্ছা জাগবে তাদের মধ্যেও। আরও বেশি সম্পৃক্ত হবে তারা জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে।

    কিছুসংখ্যক কর্মঠ ও এই বিশেষ যৌথসংগ্রামে নিবেদিত নারী ও সংখ্যালঘু নারীদের নিয়ে (বিশেষ করে শাবানা আজমীর মতো সাহসী, সৎ ও দেশপ্রেমিক সংখ্যালঘু নারীদের নিয়ে) প্রথমে নিজের নিজের দেশে এবং পরে আঞ্চলিক পর্যায়ে একটি ফোরাম গঠন করতে হবে। এই ফোরাম প্রথমে পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে এই অঞ্চলের নারী ও সংখ্যালঘুদের প্রধান প্রধান সমস্যা চিহ্নিত করবে, তারপর তার জন্যে আশু ও দীর্ঘমেয়াদি কিছু বাস্তব কর্মসূচি গ্রহণ করবে। এ পর্যায়ে কিছু বিশেষজ্ঞ ও সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের নীতিনির্ধারকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু মূল সমস্যা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের অর্থাৎ নারী ও সংখ্যালঘুদের অভিজ্ঞতাকেই সবচেয়ে বেশি মূল্য দিতে হবে—তারাই পারবে সমস্যার গভীরতা, প্রকার, ব্যাপ্তি এবং সূক্ষ্ম বঞ্চনার দিকগুলো উন্মোচন করতে। বেসরকারি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত করবে তারাই। অন্যথায় এ প্রচেষ্টা আবারও বুদ্ধিজীবীদের একাডেমিক এক্সারসাইজই হয়ে পড়বে।

    কয়েকশো বছর ধরে সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে পুরুষরা। সাম্প্রদায়িকতা উৎখাতের পরিবর্তে তাকে আরও জোরালোভাবে প্রতিষ্ঠাই করেছে এ উপমহাদেশে। সাম্প্রদায়িকতার মুখ্য বলি নারীসমাজ যদি এর নেতৃত্ব কাঁধে নেয়, হতেও পারে একদিন শাবানা আজমী আবার তার মুসলমান পরিচয় ছাড়াও অন্য সকল পরিচয় ফিরে পাবেন— যে পরিচয়গুলো তিনি চেষ্টা করে, পরিশ্রম করে, শিক্ষা ও অনুশীলনের মাধ্যমে অর্জন করেছেন— নেহাত প্রাকৃতিক কারণে উত্তরাধিকারী হননি। আমরা সে আশাই করব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)
    Next Article হে সময় অশ্বারোহী হও – পূর্ণেন্দু পত্রী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }