Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    নারী, সৃষ্টি ও বিজ্ঞান – পূরবী বসু

    পূরবী বসু এক পাতা গল্প342 Mins Read0
    ⤶

    নিভৃতে একাকিত্বে নারী

    নিভৃতি আর একাকিত্বের প্রধান পার্থক্য বোধহয় প্রথমটি পরিবেশগত, দ্বিতীয়টি মনোজাগতিক। প্রথমটি স্বেচ্ছাকৃত, পরেরটি আরোপিত। আগেরটি বাঞ্ছিত, অন্যটি অনাকাঙ্ক্ষিত। প্রথমটি মানুষকে উজ্জীবিত করে, দ্বিতীয়টি করে ক্লান্ত— পরাস্ত।

    নিভৃতি

    জীবন ও সংসারের প্রাত্যহিক কোলাহল, দাবিদাওয়া, কর্তব্য মিটিয়ে প্রতিটি মানুষ কখনও কখনও নিজের জন্যে নিভৃতি খোঁজে। এক একটি দুর্লভ মুহূর্তে নিজের মুখোমুখি এসে দাঁড়ায় সে। একটি একটি করে সকল মুখোশ, প্রসাধন, পরিধেয় খুলে নিজেকে তন্নতন্ন করে দেখে। আত্ম-আবিষ্কারের চেষ্টা করে। কোনও প্রবোধ, ছলনা, চাতুরী, কোনও অভিনয় নয়- নিজের একান্ত আয়নায় নিজের প্রতিচ্ছবি দেখা কেবল। জগৎজীবনে যতগুলো ভূমিকা পালন করে সে, সব ভুলে নিজের আসল রূপটা দৃশ্যমান হয় তখন। অথবা পরিপূর্ণ রূপ তখনও প্রকাশ পায় না। পায় সেই মুহূর্তের বাস্তবতা— সত্তার খণ্ডাংশ।

    কখনও কখনও অবশ্য সে নিভৃতি এতটা অন্তর্গত, এতটা ব্যাপক অথবা এতটা গভীরে পৌঁছোয় না। তখনও মানুষ চারপাশের লোকজন, হইহুল্লোড় পাশ কাটিয়ে কেবল একটু একা সময় কাটাতেই পছন্দ করে। আত্মোপলব্ধি, আত্ম-অবলোকন বা আত্ম-আবিষ্কারের জন্যে নয়, শুধু নিজের শ্রান্তি ঘুচাতে— নিজেকে সজীব করতে— বিশ্রাম নিতে। প্রকার যা-ই হোক, নিভৃতির প্রয়োজন বড় বেশি অস্বীকৃতি আমাদের সমাজে। ভালোবাসার নামে, আন্তরিকতার দোহাই দিয়ে, কর্তব্য-দায়িত্ব মেটাতে অথবা খেয়াল বা নজর রাখার অজুহাতে আমাদের সমাজে অন্যের প্রাইভেসিতে বড়-বেশি হস্তক্ষেপ করে ফেলি আমরা। এটা করে কখনও কখনও নিজেদের ওপরও বেশি ঝক্কিঝামেলা নেওয়া হয়, যার জন্যে করা হয় তাকেও উত্যক্ত করা হয়। কিন্তু একটা অদ্ভুত গোলকধাঁধার ভেতর পড়ে যাওয়ার ফলে এর থেকে যেন মুক্তি নেই আমাদের। যেমন ধরুন কারও অসুখ হল বা কারও পা ভাঙল। যারা সত্যিকার অর্থেই তার জীবনের কাছাকাছি—ব্যক্তিগতভাবে বা কর্মোপলক্ষে—তারা এল তাকে দেখতে, গল্পসল্প করল। ভালো কথা। কিন্তু আমাদের সমাজে পরিচিত সকলেই যেন আশা করে অসুখের খবর পেলেই ছুটে যেতে হবে দেখতে। যত ব্যস্ততাই থাকুক। যার অসুখ সেও তাই মনকে সেভাবেই তৈরি রাখে অহরহ লোক আসবে। বাড়ির সকলকেও সেরকম প্রস্তুতি নিতে হয়। রোগীর সেবা-শুশ্রুষা ছাড়াও অতিথি আপ্যায়ন একটা বড় কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায় তখন।

    সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে অথবা জরুরি অস্ত্রোপচারের পরে মরণাপন্ন রোগীকেও রেহাই দেয় না কেউ। নিজেদের বাহবা দিতে অসুস্থ ব্যক্তির জীবনের ঝুঁকি নিতেও পিছপা হয় না তারা। অথচ অনেকেই বোঝে না, রোগীর মঙ্গলের জন্য, তার নিরাপত্তার খাতিরেই তাকে হয়তো একা থাকতে দেওয়া দরকার। রোগী বা তার আত্মীয়স্বজনের জন্যে সত্যিকার অর্থেই যদি কিছু করার ইচ্ছে থাকে, সেটা অন্যভাবেও করা যায়। সাক্ষাৎ দিয়েই নয় কেবল। ছোট বাচ্চাটাকে ঘরে এনে রেখে, যাতে তার মা রোগীর সেবা করতে পারে। ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের জন্যে রান্না করে, বাজার করে, তাদের অফিস, বিল বা ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত ছোটখাটো কাজ করে দিয়ে।

    শুধু অসুস্থ সময়ের কথা নয়, মৃত ব্যক্তির বাড়িতে আত্মীয়স্বজনের দলে দলে গিয়ে শোকপ্রকাশ সবসময় বাঞ্ছিত কি না সেটাও যাচাই করা দরকার। কেউ কেউ চাইতেই পারে তাদের শোক, দুঃখ বা রোগভোগের সময়টা নিরালায় একান্তে কাটাতে। এমন মানুষও রয়েছে, যারা সত্যিকার অর্থেই সংকোচ বোধ করে তার শরীরের জরা নিয়ে বা ব্যক্তিগত দুর্ভোগে লোকজনের অতিশয় দুশ্চিন্তা বা.মনোযোগে। তাদের সেই নিভৃতি, তাদের সেই ইচ্ছার স্বীকৃতি দেওয়া দরকার।

    আমার মনে আছে—ষোলো বছরের এক ফুটফুটে মেয়ে, দোলা, ক্যান্সারের ভয়াবহ আক্রমণ ও কিমোথেরাপির প্রতিক্রিয়ার কয়েক মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ কেশবিহীন ও কংকালসার হয়ে পড়ল। মেয়েটি চাইত না কেউ তাকে এ অবস্থায় দেখুক। নিজের প্রাক্তন রূপ সম্পর্কে সচেতন এই কিশোরী পরিচিত কাউকে সামনে দেখলেই বিছানার চাদর বা বালিশ দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে রাখত। সংবেদনশীল প্রিয়জনের উচিত ছিল তার এই অন্তিম ইচ্ছাকে মূল্য দেওয়া— সম্মান করা—তার যন্ত্রণাময় মৃত্যুকে সহনীয় করে তোলা কিছুটা সমীহ দেখিয়ে। কিন্তু কার্যত তা ঘটেনি। মৃত্যুপথযাত্রী এই মেয়েটিকে ক্রমাগত দর্শন দিতে হত অতিথিদের, পুরোপুরি তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে— প্রচণ্ড ক্ষোভ ও মনঃকষ্টের সঙ্গে। আত্মতুষ্টির জন্যে এমন করে অন্যের প্রাইভেসি হরণের কোনও অধিকার আমাদের নেই।

    একইরকমভাবে কোনও সমব্যথী বন্ধু বা স্বজনও প্রিয়জনের মৃত্যু, অসুখ অথবা বিবাহবিচ্ছেদে তার প্রতিক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে ব্যক্ত করতে পারে! সে যদি মনে করে কাছে গিয়ে দেখা করার চাইতে দূরে বসেই এমন কিছু করা যেতে পারে যা তাকে নিজেকে এবং তার প্রিয়জনকে বেশি সান্ত্বনা দেবে, তা হলে সে সেটাই করবে। ঘনিষ্ঠভাবে সবচেয়ে বড় কাজ বোধহয় দুর্যোগ অথবা দুঃখজনক ঘটনার শিকার ব্যক্তিটির মনে এই বোধের জন্ম দেওয়া—এই বিশ্বাস স্থাপন করা যে তার প্রতি সহমর্মিতা সম্পূর্ণ অটুট রয়েছে, লৌকিকতা ও বাহ্যিক আচরণ যেমনটিই করা হোক না কেন, সেই প্রিয়জনের ওপর সর্বদা পরিপূর্ণ নির্ভর করতে পারে এ ব্যক্তি এবং যে-কোনও অবস্থাতে এই প্রিয়জন এসে পাশে দাঁড়াবে।

    ফলে কারও মৃতমুখ দেখতে অনাগ্রহী হওয়া, জানাযায় অংশগ্রহণ না করা অথবা শ্রাদ্ধে খাদ্যগ্রহণে বিরত থাকা মৃতের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখানো বা মৃতের আত্মীয়ের প্রতি সমব্যথী না হওয়ার দৃষ্টান্ত নাও হতে পারে। দুঃখের দিন অতিবাহিত করার অথবা প্রিয় ব্যক্তির দুর্দিনে পাশে থাকার ব্যাপারটা একেকজন একেকভাবে দেখে— একেকভাবে মোকাবিলা করে। এই আপেক্ষিক মূল্যবোধ—অনুভূতি প্রকাশে জনে জনে তারতম্য অস্বীকার করে লাভ নেই। কোনও বিশেষ ফর্মূলায় সকলকে ফেলে কাউকে কাউকে এর বিচ্যুতির জন্যে প্রকাশ্যে সামাজিক বিচার কোনও যুক্তিগ্রাহ্য কাজ নয়। সহমর্মিতার অভাবই প্রকাশ পায় কেবল।

    একাকিত্ব

    একাকিত্ব কাম্য নয়। সঙ্গ যখন প্রয়োজন, কারও উষ্ণ অস্তিত্ব, পরিচিত কণ্ঠস্বর যখন প্রত্যাশিত, তখন হিমশীতল একাকিত্বে নিজেকে নিক্ষেপণ বড় বেশি যন্ত্রণার। তবু আসে এই একাকিত্ব। পঙ্গু করে আমাদের অনুভব, বেঁচে থাকার স্পৃহা, স্বপ্ন দেখার বাসনা। নিজেকে যতই কেন না সবচেয়ে ভালোবাসি আমরা, আত্মপ্রেম ও প্রায় অবধারিতভাবে অন্যের আগ্রহ, অন্যের মনোযোগ নিজেতে আবিষ্কারের মাধ্যমেই। যেই মুহূর্তে মানুষ মনে করে, তার জন্যে ভাবনার কেউ নেই, তার সঙ্গলাভে কেউ উন্মুখ নয়, তার প্রয়োজনে বা বিপদে পাশে এসে কেউ দাঁড়াবে না, সে মুহূর্তে জীবনের সকল আনন্দ ঝরে পড়ে। একাকিত্ব মানুষের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করে। মানুষকে জীবনবিমুখ করে তোলে। ঘড়ির কাঁটা তখন খুব ধীরে চলে, সেকেন্ডের শব্দ উচ্চস্তরে বাজে। সূর্যের উত্তাপ তখন খুব প্রখর মনে হয়; শালিকের কিচিরমিচির থামতেই চায় না আর, বাথরুমের আধখোলা কলের গড়িয়ে পড়া জলের শব্দ তখন অসহনীয় একটানা কানে বাজে। টেলিফোনের পাশে উন্মুখ কর্ণদ্বয় কলের গানে তন্ময় হতে পারে না। পুরোনো ও পঠিত চিঠি বারবার পড়ে লোকে— অ্যালবামের পাতা চোখের সামনে খুলে ধরে। প্রিয় বইয়ের পাতা উল্টিয়ে মনোযোগ দিয়ে পুনরায় পড়ার চেষ্টা চলে। একটানা বৃষ্টির শব্দ শোনে, ফাল্গুনী হাওয়ায় গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। কলম, কালি, রং, ক্যানভাস, ফুলের চারা, কুঁড়ি বড় বেশি প্রিয় হয়ে ওঠে তখন, মানুষ যখন একা হয়ে পড়ে। তানপুরা, হারমোনিয়ম অথবা তবলায় টুংটাং টোকা পড়লেও, ধুলিই জমে কেবল। নিত্যব্যবহারে তারা চকচকে হয়ে ওঠে না। তখন সন্ধ্যায় ঘরে আঁধার জমলেও আলো জ্বলে দেরিতে, খাবারে অরুচি অথবা নিষিদ্ধ খাবারে দুর্বার আগ্রহ বেড়ে যায়; অসময়ে ঘুম আসে অথচ গভীর রাতে চোখ খোলা। জানলার বাইরের গাছগাছালির ঝিরঝিরে পাতার ছায়া এলোমেলো হাওয়ায় পূর্ণিমার আলোতে ঘরের মেঝেতে খেলা করে।

    একাকিত্ব মানুষকে কাবু করে, পরাজিত করে, কাতর করে, দুর্বল করে তোলে। জীবনের শুভ ও সুন্দর দিকগুলো হঠাৎ করে আড়াল হয়ে যায় তখন, ‘গভীর কষ্ট, বঞ্চনা আর হতাশা প্রবলভাবে গ্রাস করে। রাতের দৈর্ঘ্য প্রলম্বিত হয়। সকালে উঠতে কষ্ট। শরীরে ব্যথা, মাথায় যন্ত্রণা, সব কিছু কীরকম অর্থহীন— নিরানন্দ। মৃত্যু যদি জীবনের অন্তিম মুহূর্ত হয়, একাকিত্ব জীবনের নিঃশেষিত মুহূর্ত। হৃৎপিণ্ডের ধুপধাপ না থেমেও জীবন যখন নিথর হয়ে আসে— সব আলো নিভে যায়— যন্ত্রণায় নীল হয় তখন মানুষ, শিরা-উপশিরায় উষ্ণ বহমান রক্তধারা নিয়েও। সান্ত্বনা শুধু একটাই। একাকিত্ব স্থায়ী হয় না। স্বাভাবিক মানুষ কোনও না কোনওভাবে ব্যক্তি, বস্তু, নেশা, শখ অথবা বিনোদনে এ একাকিত্ব একদিন কাটিয়ে ওঠেই। জীবন এগিয়ে চলে এভাবেই।

    নিভৃতির অভাব ও একাকিত্বের যন্ত্রণা নারী এককভাবে যতটা অনুভব করে, পুরুষ হয়তো তা করার সুযোগ পায় না। নারীর শারীরিক গঠন, বিকাশ ও প্রকৃতির জন্যেও তার জীবনের প্রায় প্রতিটি দশকেই কোনও না কোনওরকম নিভৃতির প্রয়োজন হয়। বয়ঃসন্ধির নানান পরিবর্তন—যথা স্তনের আবির্ভাব ও ঋতুস্রাব, পোশাক পালটানো, স্নান করা, প্রেমের অনুষঙ্গ, স্বামী সোহাগ, সহবাস ও তার ঠিক পরবর্তী পর্যায়, গর্ভকাল, সন্তান প্রসব, স্তন্যদান, ঋতুবন্ধ— প্রতিটি পদেই নারী সংসার আর সমাজের কোলাহল থেকে একটু নিভৃতি খোঁজে। খুঁজে হন্যে হয়। পায় না। নিভৃতি খোঁজে সে ঘর-সংসার, রান্না, আত্মীয়-পরিচর্যা আর বিবিধ লৌকিকতা কর্তব্যের পর নিজের কথা আলাদা করে একটু ভাবার জন্যেও। সে সুযোগও হয় না।

    আর একাকিত্ব সবসময় মনুষ্য-পরিজনের অনুপস্থিতিই নয়। এটা যতটা না পারিপার্শ্বিকতার, ততটা বোধের। সাগরের অসীম জলরাশিতে অবস্থান করেও ডুবে যাওয়া জাহাজের নাবিক যেমন পিপাসার্ত, অনেক নারীই সহস্রের সান্নিধ্যে থেকেও সারাজীবন তেমনি একাকী ঘুরে বেড়ায়। জনারণ্যে এক নারী প্রার্থিত সঙ্গ খোঁজে। তবে এরই ভেতর— সমগ্র নারীকুলের ভেতর—একটি বিশেষ সম্প্রদায়কে যদি আলাদা করে চিহ্নিত করতে হয়, যাদের একাকিত্বের বোঝা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি ভারী অথচ যার সন্ধান মেলে না অথবা যা দৃশ্যমান হয় না প্রাত্যহিক জীবনে। যাদের স্বাবলম্বিতা, স্বাধীন চিত্ত ও সাহস তাদের অনুভূতির জগতটাকে পার্থিব নানান উপকরণ দিয়ে আড়াল করে রাখে, সে সম্প্রদায় যত শিক্ষিত, কর্মজীবী, বিবাহিত, শহুরে নারী (শিকবিশনা)। এই শিকবিশনাদের সোজা হয়ে পথ চলা, পুরুষদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার প্রচেষ্টা, আবার একইসঙ্গে ঘর-সংসার, স্বামী, সন্তান ও সামাজিক লৌকিকতার বিষয়ে নজর দেওয়া এতখানিই ক্লান্ত করে যে নিজেদের একাকিত্বের কথা তাদের আলাদাভাবে ভাবারও সবসময় অবসর হয় না। তাদের মানসিক চাহিদা, একাকিত্ববোধ, বিনোদন বা আড্ডার প্রয়োজনীয়তা পুরোপুরি অস্বীকৃত যদি নাও হয়, অধিকাংশ সময়েই তা সীমিত থাকে বা মেটানো হয় নিজের বা স্বামীর কর্মোপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে—কর্মসংক্রান্ত লোকজনের সঙ্গে। শিকবিশনাদের যে ব্যক্তিগত বন্ধুর প্রয়োজন হতে পারে, ব্যক্তি, জীবন ও জগৎ সম্পর্কে তাদের ভাবনার আদান- প্রদানের যে স্পৃহা রয়েছে, তাদেরও যে নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দ ভালোলাগা মন্দলাগার বিষয়গুলো সমমনা লোকদের সঙ্গে ভাগাভাগি করার ইচ্ছে জাগতে পারে, সেরকম সম্ভাবনা বা বাস্তবতাকে অনেকেই মানতে পারে না।

    অশিক্ষিত শহুরে বা গ্রাম্যবধূ যার বাইরের জগতের সঙ্গে পরিচিতি খুবই কম, জীবন থেকে যার প্রত্যাশা নগণ্য, যে প্রাত্যহিক দুঃখ-কষ্ট অপমানের ভার বিনা দ্বিধায় প্রতিবেশিনীর সঙ্গে খোলাখুলি ভাগাভাগি করে, প্রয়োজনে কান্নাকাটি করে লাঘব করতে পারে, তার সঙ্গে শিকবিশনাদের তুলনা হয় না। শিক্ষা, সংস্কৃতি ও সভ্যতার সঙ্গে পরিচয়ই শেষোক্ত সম্প্রদায়কে ক্রমাগত একাকী ও কোণঠাসা করে দেয়। জীবনের চেহারা অন্যরকম এবং উন্নততর হতে পারে এ সম্পর্কে ধারণা রয়েছে তাদের, সে জীবন আস্বাদের পদ্ধতিও জানা রয়েছে, তবু সবসময় সেখানে পৌঁছোতে পারে না তারা।

    শিক্ষিত কর্মজীবী বিবাহিতা নারী তার একাকিত্বের কথা পুরুষ বন্ধু বা সহকর্মীকে বলতে দ্বিধান্বিত। নানান জটিলতা, ভুল বোঝাবুঝি ও মানসিক চাপ সৃষ্টি হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা সেখানে। আর অনুভবটা উভয় পাক্ষিক না হলে মেয়েদের কাছে বলতে গেলেও নিজের ব্যর্থতাই প্রমাণিত হয়—সহানুভূতির নামে পাওয়া যায় করুণা। কেন না এ সম্প্রদায়ের একাকিত্ব সমাজ স্বীকৃত নয়। অনেকেই ধারণা করতে পারে না মানসিক নির্ভরতার জন্যে শিকবিশনারাও খুঁটি খোঁজে। অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্বাবলম্বিতা এবং স্বাধীনতা অর্জন করার পরও তারা যে অন্য সকল স্বাভাবিক মানুষের মতোই স্নেহের, আদরের, মনোযোগের কাঙাল এ কথা অনেকেই ভুলে যায়!

    আমার মনে আছে, আমার ছেলেমেয়েরা দুটোই তখন ছোট। আমার মাতৃতুল্য মেজদি আমার অন্য বোনদের ছেলেমেয়েদের জন্যে নিজের হাতে রাত জেগে জেগে উলের সোয়েটার, মোজা, টুপি বুনে আমারই হাতে তাদের কাছে পৌঁছে দিত। আশ্চর্য, দিদির একবারও মনে হত না আমার সন্তানদের কথা। কেন না ওর ধারণা আমার বাচ্চারা ভালো এবং দামি শীতের পোশাক পরতে পারে। ওদের ঘরে-বোনা উলের সোয়েটারের প্রয়োজন নেই. অথচ দিদি জানে না জীবনে বহু সুন্দর পোশাক পরার পরও আমি ছোটবেলায় মার হাতে এম্ব্রডারি করা গোলাপি অর্গেন্ডির সেই জামাটার কথা আজও ভুলতে পারি না। আমার চার বা পাঁচ বছর বয়সে আমাকে ও ছোড়দিকে দুটো অর্গেন্ডির জামা নিজের হাতে বানিয়ে দিয়েছিল মা। আমারটায় গোলাপির গায়ে ছিল বিভিন্ন রঙের সুতো দিয়ে কাজ করা একটা মুরগি, যার হাতে আধখোলা একখানা ছাতা। আর ছোড়দির জামাতে ছিল একটি ফুলের পাশে উজ্জ্বল এক প্রজাপতি। আমি আজও চোখ বুজলেই মায়ের উষ্ণ স্নেহের স্পর্শ অনুভব করি। মুরগি আর ছাতাসহ সেই অর্গেন্ডির গোলাপি জামা স্পষ্ট চোখে ভাসে। জামার গায়ে আজও যেন লেগে আছে মায়ের পরিচিত গন্ধ।

    শিক্ষিত, কর্মজীবী, বিবাহিত, শহুরে পুরুষদের মতো শিকবিশনাদের না আছে কোনও স্থায়ী ক্লাব, না আছে কফি হাউস, চায়ের দোকান অথবা রাত করে রাস্তায় দল বেঁধে ঘুরে বেড়াবার ব্যবস্থা। এই রাজধানীতে শিকবিশনারা শুধু পড়ার জন্যে, কান্নার জন্যে, মৃত্যুর জন্যেই নয়, নেহাত একাকিত্ব ঘোচানোর জন্য, প্রিয় সঙ্গী বা সঙ্গীদের সঙ্গে নির্মল সময় কাটানোর জন্যে নিজের বাড়ির বাইরে একটা জায়গা খুঁজছে। এ জায়গায় বসে তারা চা খাবে, গল্প করবে, হাসবে, পরস্পরের কাঁধে মাথা রেখে চোখের জল ফেলবে, তাস খেলবে, গান শুনবে, গলা ফাটিয়ে তর্ক, ঝগড়া, আলোচনা করবে। কোথায় সে জায়গা?

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্যাপিট্যাল / ডাস কাপিটাল – কার্ল মার্ক্স (অনুবাদ : পীযুষ দাসগুপ্ত)
    Next Article হে সময় অশ্বারোহী হও – পূর্ণেন্দু পত্রী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }